আমার কম্পিউটরও মনে হয় মিয়ানমারে সামরিক জান্তার দলে। যে কারনে ঠিক সময়ে একটা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো যায়নি। এক নেত্রীকে। নেত্রীর নাম অং সান সু চি।
দেরীতে হলেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
মিয়ানমারে 'দাও' শব্দটির অর্থ হচ্ছে, চাচি। মিয়ানমারবাসী তাদের হৃদয়ের গহীন ভালোবাসা থেকে এই নামে ডাকে তাদের নেত্রী অং সান সূচিকে। সূচি তাদের আত্মার আপন।
আমাদের নেত্রীদেরও আমরা ডাকি। আপা আর ম্যাডাম নামে। যেটা শুধুই ডাকার জন্য ডাকা। হৃদয়ের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে মনে হয়না।
সোনিয়া গান্ধি। পৃথিবীর অন্যতম ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী। চাইলে যে কিছু্ই করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীত্ব চাওয়ার আগেই পান। হন না। ছেলেকে মন্ত্রী বানাতে পারেন। বানান না। কোনো প্রকার চাওয়া নাই। শুধু দেশকেই বড় করে দেখেন।
আমাদের নেত্রীরও ক্ষমতাসীন হোন। ক্ষমতা নেয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসে থাকেন।
তাদেরও ছেলে আছে। একজনেরটা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে জেল খেটেছেন। আরেকজনেরটা বাইরে থেকে দেশ নিয়ে নাক গলান। সম্ভবত দেশের বাইরে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়ে বসে আছেন?
এসব দেখে মাঝে মাঝে ভাবনায় পড়ে যাই। সকলেই নারী। একই মহাদেশেরও। এমনকি প্রায় প্রতিবেশি।
কিন্তু এতো পার্থক্য কেন?
এটা কি আবহাওয়ার কারনে নাকি?
না তেমন কোনো কিছুতো না। তাদের সাথে আমাদের আবহাওয়ারও খুব বেশি পার্থক্য নেই।
তবে কি খাদ্যাভ্যাসে?
এইটা হতে পারে।
কারন, দৃশ্যমান খাদ্যদ্রব্যের পার্থক্য না থাকলেও অদৃশ্য এক ধরণের খাদ্যাভাস এই দেশে আছে। যা তাদের আলাদা করে রাখতে সক্ষম।
হলে, একমাত্র সেটাই পার্থক্য হতে পারে।
কারন, এই দেশে ক্ষমতায় থেকে চাইলে অনেকরকম খাদ্যভাস করা যায়। সে হিসেবে খাদ্যতালিকায় 'দেশও' ঢুকিয়ে নেয়া যায় অনায়াসে।
দেশের প্রতি টান না থাকলে দলীয় কর্মী, নেতা, এমপি, মন্ত্রীসহ সবাই ধীরে ধীরে ভাগ করে খেতে থাকেন। যেটা ওই নেত্রীদ্বয়ের মধ্যে নেই।
তারা আটকে দেন নিজস্ব সততা, মততা আর ক্ষমতার দায়বদ্ধতা থেকে।
হয়তো সেই খাওয়াই মোটামুটি একটা তুলনামূলক পার্থক্য গড়ে দেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


