somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সু চি, সোনিয়া আর আমাদের মহামান্য নেত্রীগন; এতো ব্যাবধানের কারন কোথায়? আবহাওয়া না খাদ্যাভাস?

২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার কম্পিউটরও মনে হয় মিয়ানমারে সামরিক জান্তার দলে। যে কারনে ঠিক সময়ে একটা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো যায়নি। এক নেত্রীকে। নেত্রীর নাম অং সান সু চি।
দেরীতে হলেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

মিয়ানমারে ‌‌'দাও' শব্দটির অর্থ হচ্ছে, চাচি। মিয়ানমারবাসী তাদের হৃদয়ের গহীন ভালোবাসা থেকে এই নামে ডাকে তাদের নেত্রী অং সান সূচিকে। সূচি তাদের আত্মার আপন।
আমাদের নেত্রীদেরও আমরা ডাকি। আপা আর ম্যাডাম নামে। যেটা শুধুই ডাকার জন্য ডাকা। হৃদয়ের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে মনে হয়না।

সোনিয়া গান্ধি। পৃথিবীর অন্যতম ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী। চাইলে যে কিছু্ই করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীত্ব চাওয়ার আগেই পান। হন না। ছেলেকে মন্ত্রী বানাতে পারেন। বানান না। কোনো প্রকার চাওয়া নাই। শুধু দেশকেই বড় করে দেখেন।
আমাদের নেত্রীরও ক্ষমতাসীন হোন। ক্ষমতা নেয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসে থাকেন।
তাদেরও ছেলে আছে। একজনেরটা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে জেল খেটেছেন। আরেকজনেরটা বাইরে থেকে দেশ নিয়ে নাক গলান। সম্ভবত দেশের বাইরে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়ে বসে আছেন?

এসব দেখে মাঝে মাঝে ভাবনায় পড়ে যাই। সকলেই নারী। একই মহাদেশেরও। এমনকি প্রায় প্রতিবেশি।
কিন্তু এতো পার্থক্য কেন?
এটা কি আবহাওয়ার কারনে নাকি?
না তেমন কোনো কিছুতো না। তাদের সাথে আমাদের আবহাওয়ারও খুব বেশি পার্থক্য নেই।

তবে কি খাদ্যাভ্যাসে?
এইটা হতে পারে।
কারন, দৃশ্যমান খাদ্যদ্রব্যের পার্থক্য না থাকলেও অদৃশ্য এক ধরণের খাদ্যাভাস এই দেশে আছে। যা তাদের আলাদা করে রাখতে সক্ষম।
হলে, একমাত্র সেটাই পার্থক্য হতে পারে।
কারন, এই দেশে ক্ষমতায় থেকে চাইলে অনেকরকম খাদ্যভাস করা যায়। সে হিসেবে খাদ্যতালিকায় 'দেশও' ঢুকিয়ে নেয়া যায় অনায়াসে।
দেশের প্রতি টান না থাকলে দলীয় কর্মী, নেতা, এমপি, মন্ত্রীসহ সবাই ধীরে ধীরে ভাগ করে খেতে থাকেন। যেটা ওই নেত্রীদ্বয়ের মধ্যে নেই।
তারা আটকে দেন নিজস্ব সততা, মততা আর ক্ষমতার দায়বদ্ধতা থেকে।

হয়তো সেই খাওয়াই মোটামুটি একটা তুলনামূলক পার্থক্য গড়ে দেয়।

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×