গতকাল চার জাতীয় নেতার একজন এএইচএম কামরুজ্জামানের ৮৪ তম জন্মবার্ষিকরি অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জাতীয় সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল।
কারারক্ষি মেয়েরা তা বলে দেয়ায় তিনি বেঁচে যান।
সাজেদা চৌধুরীর ওই বক্তব্যের একটা ভিত্তি ছিল। কারারক্ষিদের মারফত। যদিও সেটা প্রমাণ সাপেক্ষ।
আজ দেখলাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মনে করছেন, মাইনাস টু-ফর্মুলার অংশ হিসাবে বিশেষ কারাগারে শেখ হাসিনার পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার খাবারেও বিষ মেশানো হয়ে থাকতে পারে।
আবার বলছি, তিনি মনে করছেন।
বক্তব্য শুনে ছোট্টবেলার কথা মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় কোনো বাচ্চার একটা কিছু দেখলেই অন্য বাচ্চাও প্রত্যক্ষ্ বা পরোক্ষভাবে সেটা চাইতো।
না হয় তার মনে হতো সে বোধ হয় হেরে গেল। সেটা যত অপ্রয়োজনীয় জিনিস-ই হোক।
বিষয়টা অনেকটা সেরকমই হয়ে গেলো। কোনো প্রকার লক্ষণ না পেয়েও এতোদিন পর একজনের বক্তব্য শুনে তিনারও মনে হলো, আমাদের নেত্রীর খাবারেও বিষ ছিল হয়তো।
হাস্যকর।
এই কাহিনীতে যদি আওয়ামীলীগের একটু জনপ্রিয়তা বাড়ে এই আশঙ্কায় এই মনে করাকরি।
অবশ্য এটা আগে বিএনপি বলে ফেললেও একই রেজাল্ট হতো। কষ্ট করে তখন আওয়ামীলীগের কাউকে হয়তো সেরকম একটা কিছু মনে করতে হতো।
হায় রাজনীতিবীদগণ।
সামান্য বিষ-ই তো।
ছেড়ে দেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

