ফেসবুকের বুকে একটা জনপ্রিয় অংশ হচ্ছে,এর ষ্ট্যাটাস। প্রতিদিন-ই অজস্র ষ্ট্যাটাস লেখা হয় ফেসবুকে। বিচিত্র ধরণের এই ষ্ট্যাটাস।
কেউ তার ব্যাক্তিগত খবর জানচ্ছেন। কেউ সামাজিক। কেউবা রাষ্ট্রীয় খবরাখবর।
আবার অতি আপডেটেট লোকজন জানান আর্ন্তজাতিক খবর।
খুব-ই ভালো এবং তথ্যবহুল এই ষ্ট্যাটাস কালচার। অনেক কিছু জানা যায়।
তবে এর নিচে কমেন্ট দেয় আলাদা আনন্দের বার্তা।
ষ্ট্যাটাসের চেয়ে নিচের কমেন্ট আকষর্ণীয়।
যেমন,কেউ লিখেছেন, ভালো লাগছে না।
সাথে সাথে তার পরিচিতজন ঝাপিয়ে পড়ে।
কি রে মন খারাপ?
কেউ জিজ্ঞাসা করে শরীর খারাপ নাকি?
কেউ আবার, বিশেষ করে ওই ব্যাক্তির নারী শুভাকাঙ্খীরা অতি আহলাদিত হয়ে ...বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো ভাঁইঁয়াঁ ভাঁইঁয়াঁ করে কেউমেউ শুরু করে।
কি হয়েছে ভাঁইঁয়াঁ?
অনেকদিন থেকেই আপনাকে কেমন যেন লাগছে, ভাঁইঁয়াঁ।
এ এক মহা রঙ্গ।
কোনো সন্দেহ নেই, আমিও এই সব এড়িয়ে চলতে পারি না। সকালে একটা লিখে রেখে অফিসে যাই। রাত্রে আবার একটা লিখে ঘুমাই।
মোটামুটি ডাক্তারী রুটিন। সকালে খাওয়ার আগে,রাতে খাওয়ার পরে।
আরো মজার ব্যাপার, অনেকে ষ্ট্যাটাস লিখে ’লাইক’-এর জায়গায় নিজে-ই ক্লিক করে বসে থাকেন।
দেখে মহা আনন্দ লাগে।
সক্রেটিসের শিষ্য মনে হয়। নো দ্যাইসেলভ ফমূর্লায় যে নিজেই চিনতে পেরেছে আগে। সে যে একটা ভালো কিছু লিখেছে সে-ই প্রথম এটার আবিস্কারক।
আমি তাকে কলম্বাসের সমমর্যাদার আবিস্কারক ভাবি।
আমার এক বন্ধুর মতো। কোনো অনুষ্ঠানে সে বক্তৃতা দিয়ে সবার আগে নিজেই হাত তালি দিয়ে বসে থাকে। পরে তারটা তেখে অডিয়েন্স বুঝতে পারে এখানে বোধ হয় ভালো কিছু বলা হয়েছে। তারাও শুরু করে তালি।
তাই অনলাইনে অন্য কিছু দেখি আর নাই দেখি ফেসবুকে গিয়ে ষ্ট্যাটাস দেখতে ভুলি না।
বিস্ময়ের কিছু নেই নিজের সামাজিক ষ্ট্যাটাসের চেয়ে এখন ফেসবুকের ষ্ট্যাটাস নিয়ে আমরা বেশি চিন্তিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


