এখনও দেশের শতভাগ রাজনৈতিক কর্মী আওয়ামী লীগ বলতে পারে না। 'আমীলীগ' বলতে পারাটাই তাদের পুলসিরাত পার।
শতভাগ কর্মী বলতে পারেনা বিএনপিও। 'বিএমপি' নিয়ে তাদের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
কাল তাদের জন্য একটি অন্যরকম দিন।
আমীলীগ'অলারা দুঃখি দুঃখি চেহারা করে শোকের খই ফোটাবে।
বিএমপি'অলারা নেত্রীর জন্মদিনে যারপর নাই আনন্দে কেক খাওয়া খাওয়ি করবে।
শেষ ফল আমাদের নোংরা মানসিকতার ক্যানভাসে আরো কিছু ময়লা সংযোজন।
কোনো প্রয়োজন ছিল না আসলে এগুলোর। সাধারণত পাশের বাসায় কারো মৃত্যুবাষির্কীতেও প্রতিবেশি কারো জন্মদিন হলে সেখানে হইচই করা হয়না। এতোটুকু বিচার বিবেচনা কম বেশি সবার আছে।
নেত্রীর জন্মদিন অবশ্যই পালন করবো। কিন্তু কী দরকার এই দিনটাতে তার ঢাকঢোল পেটানো?
শেখ মুজিব নামের এই বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমার্থক এই লোকটাকে এতোটুকু সন্মাণ দিলে কেউ ছোট হতো না। তার মৃত্যুতে এতোটুকু নিরবতা প্রদর্শন খুব বেশি কষ্টের কাজ ছিল না।
এ আমাদের কঠিন সংস্কৃতি। এই পাল্টাপাল্টি প্রতিশোধ পরায়নতা কবে যে থামবে?
কে জানে?
আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে যাচ্ছে এই কেক খাওয়ার। রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে যাচ্ছে, মুখ ঢেকে আরেকজনের মূরাল ধ্বংসের।
তবে এটাও ঠিক এসব করে আসলে সত্যি প্রেমও হারাচ্ছে কর্মীদের মন থেকে।
কারন এমন একটা দিন শোক বা আনন্দ যা-ই হোক শুধুই প্রেস রিলিজ কেন্দ্রিক। পরীক্ষা করতে জাতীয় তো অবশ্যই প্রতিটি জেলার স্থানীয় পত্রিকা অফিসে এক চক্কর দিয়ে আসুন।
কাল নামটা আসবে তো? ছবিটা ছাপা হবে তো?
না হলে এই শোক এই আনন্দ সবই মাটি। কেউ দেখলো না।
আর এমন করে প্রেস-রিলিজেই আটকে যাচ্ছে আমাদের যাবতীয় রাজনৈতিক অনুভূতি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




