কতো বড় ফ্যান্টাসীতে পড়তে যাচ্ছে। একদির তার নিজের দেশ হবে, সে সেই দেশে স্বাধীনভাবে বাস করবে।
নিশ্চিত জীবন যাপন হবে তার।
আহ! কী স্বপ্ন!
অবশেষে তার দেশ স্বাধীন হলো।
এতোদিন কীভাবে ছিল কে জানে? কী খেয়ে, কী পড়ে এতোদিন চলেছে তার? সে হিসেব অজানাই থাক।
জানা বিষয়টাই দেখা যাক।
একদিন যে গিয়েছিল সব মেনেই, প্রয়োজনে বুকের রক্ত সব ঢেলে দেব। তবু আমার দেশ স্বাধীন করবো। আমার ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিরাপদ ভূখন্ড দেব।
হয়তো তারা দিবে সন্মাণ। দেবে দু'মুঠো ভাত খাওয়ার অধিকার।
আজ দুমুঠো ভাত তো দূরে, পানিতে ভেজা ভাতও জোটানো কঠিণ।
দিয়েছে কালি আর কাগজ সবর্স্ব একটা সার্টিফিকেট।
এখন এই সার্টিফিকেট ভিজিয়ে খাওয়া ছাড়া আর কিছু করার নাই।
আহ! কি শান্তি মুক্তিযোদ্ধার সন্মাণ!
হাজারো নুরুল ইসলামদের জন্য আজ শুধু দুঃখ-ই হয়। কেন মুক্তিযোদ্ধা হলেন? রাজাকার হলে কী ক্ষতি ছিল?
এই অকৃতজ্ঞের দেশে দুয়েকটা খারাপ কথা শুনলেও রাজার হালে তো বেঁচে থাকতে পারতেন। কোনো কষ্ট ত্রিসীমানায় আসতো না। বছরে হাজার বারো'শ কোটি টাকার লাভের অংশিদার থাকতেন।
আর রক্ত?
রক্তের জন্য এই আহাজারি তো দূরে, ইসলামী ব্যাংক হসপিটাল এর মতো হসপিটালগুলো লাইন ধরে পড়ে থাকতো আপনার রক্ত সরবরাহে।
আমি জানিনা আপনার রক্তের গ্রুপ কী?
সেটা যাই হোক, আমি এটা নিশ্চিত বলে দিতে পারি, হে মহান নুরুল ইসলাম আপনি আসলে অকৃতজ্ঞদের রক্তের গ্রুপে পড়ে গেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



