অনেকদিনের পরিচিত চেহারা। অনেকদিন অনলাইনে এক সাথে থেকেছি ঘন্টার পর ঘন্টা। কথা হতো মাঝে মাঝে।
আজ তাকে অনলাইনে দেখে চমকে ওঠলাম।
লিখেও ফেললাম, এ কোন মুসা?
মুসা ভাই নাকি?
অভিনন্দন জানালাম।
উত্তর পেয়ে বুঝলাম, সে-ই।
আমাদের এভারেস্ট জয়ী মুসা। মুসা ইব্রাহীম।
মুসা ভাইয়ের সাথে পরিচয় রবি ভাইয়ের প্রথম মেয়ের জন্মের সময়। মুসা ভাই রবি ভাইয়ের ক্লাসমেট। আমি, মুসা ভাই এবং আরো কজন ক্লিনিকে ভাবীকে (রবি ভাইয়ের স্ত্রী) প্রতিদিন রক্ত দেবার আশায় ঘুরতাম।
ডাক্তার বলেছে, ডোনার ষ্ট্যান্ডবাই রাখতে হবে। যে কোনো সময় লাগতে পারে।
আমরাও স্ট্যান্ডবাই থেকেছি। তখন পরিচয়। সদা হাস্যজ্জ্বল ( গুনকীর্তন লিখতে এই 'হাস্যজ্জ্বল' শব্দটি ব্যবহার করাই নিয়ম, কিন্তু মুসা ভাই আসলেই সেরকম ) এক মানুষ।
শেষ দিকে ফেসবুকে চ্যাট-এ দেখা হলে অবশ্য কিছুটা এড়িয়ে থেকেছি তার কাছ থেকে। কারণ তেমন কিছু না। তার একটা লেখা ছেপে পত্রিকার কপি আর তাকে দেয়া হয়নি।
অনলাইনে দেখলেই, ওই মিয়া কপি কই?
আমি শুনে এই দিকে ঘাপটি মেরে থাকি।
উত্তর দিলেই তো বিপদ। আবার সেই কারওয়ান বাজার যেতে হবে। ডেইলী স্টারের অফিস।
কে যায় এই জ্যাম পেরিয়ে?
মুসা নিরাপদে এসেছেন। ভালো আছেন। দেশে আসবেন ১ তারিখে। দেশে এলে হয়তো দেখা হবে তার সাথে। নিজের কাজে, অভিনন্দন জানাতে, যেতে হবে নিজের পাতার (পত্রিকার পাতা) কাজে।
বুঝতেছিনা, তখন কী সেই কপিটা নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা?
আচ্ছা নিয়ে কী বলবো?
এটা কী বলা কী ঠিক হবে মুসা ভাই, আপনার কপিটা...আপনি আমাদের অনেক বাধা জয় করার প্রেরণা। আপনি এভারেস্ট জয় করে এসছেন বলেই আমি আজ এই জ্যাম জয় করার সাহস পেয়েছি।
মুসা ভাই আপনি দীর্ঘজীবী হোন। এভারেস্ট এর মতোই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


