সেটা পড়ে আমারও হুট করে ইচ্ছে হলো এমন কিছু হবো। অল্প বিস্তর লিখতে পারি। লেখকটা বলা যায়।
কিন্তু শিল্পী?
তারউপর আমি তো আর মেয়ে মানুষ না যে নিজের নাম শিল্পী রেখে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাবো। অন্যদিকে হতে চাইলে তো আর শিল্পী হওয়া যায়না।
আমি তো আঁকতে পারিনা। কিন্তু সময় পাল্টালো। যে সময় পাতার সম্পাদকদের সাথে পরিচয় থাকলে লেখক হওয়া যায়। লবিং করে টিভিতে ঢোকা যায়। সঙ্গীত শিল্পী তৈরি হয় আধুনিক স্টুডিওতে। সেসময় গ্রাফিক্স জেনে শিল্পীও হওয়া যায়।
আমার স্বপ্ন পূরণের দিন এলো।
গ্রাফিক্সের ভূগোল আর নেটের গুগলের সহযোগিতায় আমিও পড়ে গেলাম শিল্পীদের দলে।
বিগত কয়েক বছর ধরে আমার বইয়ের পাশাপাশি আমার করা কভারও মেলায় দেখা যায়।
এগুলো আমার ব্যাপারে অগাধ আস্থা রাখা কিছু মানুষের বইয়ের কভার। যা দেখে তাদের ভালো লাগে জানলে নিজেকে ধ্রুব এষ মনে হয়।
মনে হয় ইশতিয়াক লেখক না শিল্পী বোঝা মুশকিল।
পুনশ্চ : নিজের উপর নিজের সম্পূর্ন অনাস্থা থাকার কারণে আমার বইয়ের কভার আমি করিনা। বরাবরের মতো অনেক ভালোবাসা নিয়ে তা ধ্রুব এষ-ই করে দেন।
ছবি : এগুলো ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত করা। উপরের দুটি এই বছরের। এরা সবাই আমার পরিচিতজন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

