আজকাল বিভিন্ন জাতের ক্যামেরা ও ক্যামেরা ফোনের কারণে ছবি তোলার সুযোগ হয়ে গেছে অনেক। অনেকই নিজের ভেতরে আবিস্কার করছেন বিভিন্ন মাত্রার ফোটোগ্রাফি দক্ষতা। এই দক্ষতা আরও বাড়িয়ে নিতে নিয়মিত চর্চা ও শেখার কোন বিকল্প নেই।
কিন্তু সেই সুযোগ হয় কতজনের? একজন ভাল শিক্ষক অথবা গাইড পওয়া এত সহজ নয়। ভরসা বই। বাংলায় এ বিষয়ে বেশি বই নেই। ইংরেজিতে অনেক আছে অবশ্য। কিন্তু পাচ্ছেন কোথায়? পেলেও জানছেন কিভাবে আপনি সত্যিই কিছু শিখতে পারবেন সেই বই থেকে?
তাই আপনাদের, যারা ছবি তুলতে ভালবাসেন, আরও উন্নতি করতে চান, তাদের সুবিধার জন্য একটি ভাল বই, যাকে ফোটোগ্রাফির অবশ্য পাঠ্যবই বলে অভিহিত করেছেন অনেকে, সেই বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিলাম। হয়ত কাজে লাগবে কারও না কারও।
অন বিয়ং এ ফোটোগ্রাফার: এ প্রাকটিক্যাল গাইড।

দুজন ফোটোগ্রাফার, ডেভিড হার্ণ ও বিলি জে ঘরোয়া আলোচনার ভঙ্গিতে তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ফোটোগ্রাফির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। একটানে বসে পড়ার মত একটি বই। এজন ফোটোগ্রাফারকে যে সব চ্যালেন্জ এর মুখোমুখি হতে হয় সেইসব সহ নানারকম ভীষণ জরুরী তথ্য নিয়ে এই বইটি।
ছোট্ট একটি অংশ কোট করছি বই থেকে।
"একজন ফোটোগ্রাফার যখন রাস্তা দিযে হাটে, এ শুধু হাটে না, আরও অনেক কিছু করে। তার হাটার একটি লক্ষ থাকে, একটি উদ্দেশ্য থাকে। তাদের হাটতে হয় অনেক বেশি, ঘুরতে হয় অনেক বেশি। তাই, একজোড়া ভাল, আরামদায়ক জুতা হতে পারে তার দ্বিতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস, ক্যামেরার পরে। একজন লেখক তার ঘরে বসেই তার কাজ করতে পারেন কিন্তু ফোটোড়্ফারকে সেই জায়গায় সশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়। সুতরাং যাচ্ছেতাই পরিমান হাটাহাটি না করলে একজন ফোটোগ্রাফার তার বিষয় খুজে পাবেন, এটা না ভাবাই ভাল।"
আল্লাহই জানে এই ভদ্রলোক কতগুলো জুতোর শুকতলা খুইয়েছেন..
বইটির সফট কপি পেতে ক্লিক করুন এখানে
আমার কাছে আরও বই আছে। যদি মনে হয় উপকারে আসতে পারব, জানাবেন সবাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



