আমার প্রিয় পোস্ট

হারিয়ে যেতে মন চায় অজানায়...

রাম আমার ভাই, রহিমও আমার ভাই।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৮:৫৯

শেয়ার করুন:                   Facebook


একটা সত্যি ঘটনা বলেই শুরু করি।
কোরবানীর ঈদ আমরা বন্ধুরা সবাই একত্রিত হলাম। বন্ধুদের মধ্যে হিন্দু মুসলমান সবাই আছে। সবাই মিলে একত্রিত হওয়ার সুযোগ কে হাত ছাড়া করতে চায়।
সোহেল, আমিনুল, সুমন ঘোষ, আনোয়ার আর আমি। সবাই গল্প করতে করতে গেলাম হুমায়ুন স্যারের বাসায়। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ।তিনি আমাদের আপ‌্যায়ন করতে ভুললেন না । কিন্তু সমস্যা হল, সুমন কে নিয়ে ? ও তো আর গরু খেতে পারবে না।
স্যার জানেন তাই খাবারটা পরিবেশন করলেন সেই ভাবে। কিন্তু বিপত্তি বাধালেন এক আংকেল। তিনি বললেন, গোস্ত খাবে না কেন? কোরবানীর সময় একটু গরুর গোস্ত খেলে কিস্যু হয় না।

অনেক কষ্টে সেই আংকেল থেকে রক্ষা পেয়েছিলাম। যাই হোক এবার আসি মূল আলোচনায়-

আমাকে অনেকেই একথা বলেছে হিন্দু তথা অমুসলমানদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না। আমি এ কথাকে যখন কোন পাত্তাই দিলম না তখন এ আয়াতটি আমার সামনে আনা হল।


"হে মুমিনগণ. ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করলো সে তাদেরই একজন হবে। আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালনা করেন না।" সূরা মায়েদার ৫১ নং আয়াত

এর পরই আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছে তুমি কোরআন মান না। তবে, তুমি কিসের মুসলমান?
প্রথমে খুব কষ্ট হত এটা মানতে। আসলেই এটা হতে পারে না। তার সাথে মুসলমান কেউ না মিশলে সে বুঝবে কিভাবে মুসলমানরা কেমন?
অনেক দিন পর এর উত্তর পেলাম--
আল্লাহর এই নির্দেশ এমন সময় নাজিল হয়েছিল, তখন ছদ্মবেশী মুনাফিকরা ইহুদী-নাসারাদের সাথে ষড়যন্ত্র করছিল এবং কোন যুদ্ধ-পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে যোগদানের ষড়যন্ত্র করছিল
এবং কোন যুদ্ধ-পিরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে যোগদানের ষড়যন্ত্র করছিল। মুসলমানদের যুদ্ধরত প্রতিপক্ষের সাথে সম্পর্কের নীতি হিসেবেই আল্লাহ এই আদেশ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে এই নীতি অবশ্যই পালনীয়। এই নীতি সব সময় সব ক্ষেত্রে পালনীয় হবে না তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলে দিয়েছেন।

আল-কুরআনের সূরা 'মুমতাহানা'র ৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন-
'আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, তারা দীনের (বিশ্বাস ও ধর্মের ) ব্যাপারে তোমাদের সাথে কোন যুদ্ধ করেছে, তোমাদের স্বদেশ থেকে বহিষ্কার করেছে এবং তোমাদের বহিষ্কারে সাহায্য করেছে। তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করে তারা তো জালিম।'

আল্লাহর এই আদেশে দেখা যাচ্ছে , মুসলমানদের ধর্ম এ বিশ্বাসের সাথে যারা যুদ্ধ করেনি, বৈরিতা করেনি এবং যুদ্ধ এ বৈরিতায় সাহায্য করেনি এবং যুদ্ধ এ বরিতায় সাহায্য করেনি, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করা হয়নি। আর কারো সাথে এবং কোন জাতির সাথে বন্ধুত্ব এ শত্রুতাকে আল্লাহ স্থায়ী বিষয়ও করেন নি।

আল্লাহ সূরা 'মুমতাহানা'র ৭ নং আয়াতে বলেছেন, 'যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে সম্ভবত আল্লাহ তাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।'


আপনারা সবাই জানেন ,আল্লাহ দীনকে তার বান্দাদের জন্য সহজ করেছেন, কঠিন করেননি। আর আল্লাহ কুরআন নাজিল করেছেন ইহুদী নাসারাসহ সকল মানুষ এর জন্যে। কারও সাথে যুদ্ধমান পরিস্থিতি না থাকলে তার কাছে ইসলামের দাওয়াত নিয়ে যেতে হবে। সুতরাং এ ধরনের সকলের সাথে বন্ধুত্বপূর্ন বা স্বাভাবিক সম্পর্ক অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।

তাই আমি বলি-"রাম আমার ভাই, রহিমও আমার ভাই।"

 

 

  • ৩৭ টি মন্তব্য
  • ৫৩৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:০৪
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: ৫ দিলাম যদিও কোরান যাই বলুক কিচু যায় আসেনা। আর তুমি যে কোরান আপেক্ষিক মানতে রাজী হইসো সেটা একটা বিগ ইমপ্রুভমেন্ট। ষো দেকা যায় যুগের প্রয়োজনে কোরানের আয়াতের প্রয়োগ হ্রাস পেয়েচে।

কিন্তু যদি সাম্প্রদায়িক দাঙা লাগে তকন কি

" রাম তোমার ভাই "
২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:০৭
comment by: নিন্দুক বলেছেন: সহমত। অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। যদিও আমার ধর্ম জ্ঞান কম তবুও বলছি আপনার উপস্থাপন যৌক্তিক।
৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:১৮
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ভাল লেখা ।
এখন তো অনেক জায়গাতেই মুসলমানদের সাথে ইহুদী,খ্রীস্টানদের সাথে যুদ্ধ চলছে। আর সব মুসলমানত এক জাতি। উপরে উপরে তো কেউ কিছু বলছে না। কিন্তু ভিতরে যে শত্রুতা নেই তা পরিষ্কার। আমরা কি কথা বলা বন্ধ করে দিব।
কোল্ড ওয়ারের ব্যাপারে কি বলা আছে।
৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:২০
comment by: জারীর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট । তবে রহীম এর জায়গায় আব্দুর রহীম দেয়া উচিৎ ছিল । @ পাশা ভাই
৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:২০
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: সব মুসলমান এক জাতি এ ব্যাপারটাও বিশ্লেষনের দাবী রাকে । বাট এট লিষ্ট ও কোরানের আয়াত আপেক্ষিক মানতাসে
৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৩০
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: ৫ দিলাম।
ঘৃণা না ছড়াইয়া বন্ধুত্বের কথা বলার জন্য।

পৃথিবী হোক ভালবাসাময়।
৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: জারীর চুপ মার তো। শালার ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে
৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
comment by: পাশা বলেছেন: ---কিন্তু যদি সাম্প্রদায়িক দাঙা লাগে তকন কি

" রাম তোমার ভাই "--

ডাক্তার,
বাংলাদেশের আজ পর্যন্ত কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি।

আর যদি লাগেও, কেউ আমাকে না আঘাত করলে, আমি তাকে আঘাত করতে যাব কেন?
৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৩৬
comment by: হারাধন. বলেছেন: হা হা কে কইসে তোমারে দেশে কোন সাম্প্রদায়িখ দাঙা হয়নাই। তো তুমি আঘাত করবা তোমার বন্ধুরে যদি অন্য কোন হিনদু কোন মুসলমানরে মারে?
১০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
comment by: পাশা বলেছেন: -- সব মুসলমান এক জাতি এ ব্যাপারটাও বিশ্লেষনের দাবী রাকে । বাট এট লিষ্ট ও কোরানের আয়াত আপেক্ষিক মানতাসে--
ডক্তার, বুঝি নাই। খোলাসা কইরা কন?
১১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৪৩
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: ডাকতার
পাশা ঠিক বলছে বাংলাদেশে দাঙ্গা হয় নাই।
দাঙ্গায় ২ পক্ষই মারামারি কোন
১২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৪৫
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: তুমি তো নিজের এনালাইসিসে দেকাইলা যে কোরানের আয়াত কেন একন আর কাজে লাগবনা? তার মানে সময়ের আর স্হানের সাতে আয়াত আপেক্ষিক নট কনস্ট্যান্ট।

ওকে অচেনা বাঙালী
১৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৪৭
comment by: কাল-পুরূষ বলেছেন: ভাল লাগল
১৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
comment by: পাশা বলেছেন: হারাধন.,
দাঙ্গা কবে হইছে আমার জানা নাই? আসলেই জানতে চাচ্ছি, বাংলাদেশে কবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হলো।

আমাদের এলাকার দীপক তো বড় মাস্তান । মানুষকে হুমকি দমকি দিয়ে বেড়ায় , তাহলে এটাকে আমি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বলব।
১৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আমি দেশের বাইরে ব্লগের কারোরে জিজ্ঞেস করো। বিপ্লব রহমান ইজ আ গুড বেট টু নো
১৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আমার মনে হয়না দীপকের এক্সামপেল কাম করব? কমুনালী ও যদি একটা ধর্ম স্পেষিক গ্রুপরে টার্গেট করে সন্ত্রাস করে আর তার সন্ত্রাসে মূল উদ্দেশ্য যদি হয় কমিউনাল ডিভিসন তাইলে বলা যায় কমুনাল দাঙা
১৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: পাশা বলেছেন: বাদ দাও, ডাক্তার।

তুমি আমার সাথে একমত কিনা ,সেটাই বড় কথা।
১৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:২১
comment by: সজীব১৬১২ বলেছেন: ভাল লিখেছেন পাশা ভাই।
ডাক্তার আইজউদ্দিন কে বলছি, লেখাটা ভাল করে পড়।
"হে মুমিনগণ. ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করলো সে তাদেরই একজন হবে। আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালনা করেন না।" সূরা মায়েদার ৫১ নং আয়াত
"

আল-কুরআনের সূরা 'মুমতাহানা'র ৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন-
'আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, তারা দীনের (বিশ্বাস ও ধর্মের ) ব্যাপারে তোমাদের সাথে কোন যুদ্ধ করেছে, তোমাদের স্বদেশ থেকে বহিষ্কার করেছে এবং তোমাদের বহিষ্কারে সাহায্য করেছে। তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করে তারা তো জালিম।'

আল্লাহর এই আদেশে দেখা যাচ্ছে , মুসলমানদের ধর্ম এ বিশ্বাসের সাথে যারা যুদ্ধ করেনি, বৈরিতা করেনি এবং যুদ্ধ এ বৈরিতায় সাহায্য করেনি এবং যুদ্ধ এ বরিতায় সাহায্য করেনি, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করা হয়নি। আর কারো সাথে এবং কোন জাতির সাথে বন্ধুত্ব এ শত্রুতাকে আল্লাহ স্থায়ী বিষয়ও করেন নি।

""আল্লাহ সূরা 'মুমতাহানা'র ৭ নং আয়াতে বলেছেন, 'যাদের সাথে তোমাদের শত্রুতা রয়েছে সম্ভবত আল্লাহ তাদের ও তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।'"

এই লাইন গুলোতেই লেখা আছে ইসলাম ১ জন মুসলমান কে অন্য অমুসলিমের সাথে তার(সেই অমুসলিমের) আচরন ভেদে কি ধরনের ব্যবহার করতে হবে সেই কথাই বলছে।আর ইসলামের এই নিয়মটা সময় নির্ভশিল না।এই নিতি সবসময়ই প্রযোয্য।তাই ইসলাম সময় আপেক্ষিক ধর্ম নয়।

১৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:৩৯
comment by: আহরিমান বলেছেন: এখানে দেয়া আয়াতগুলোর কোনটা কোন সময়ে নাজেল হয়েছিল তা জানলে সে সময়ের পরিস্থিতি বোঝা যাবে।
এমনিতে সুরা মায়েদার আয়াতটিতে কোন শর্তের কথা বলা হয় নি, তো তার যে কোন বাহ্যিক শর্তারোপ মানুষের তৈরি এবং প্রশ্নসাপেক্ষ।
২০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:৪০
comment by: ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আরে তাইলে আপেক্ষিক না, কাফেরগো মারন যাইবো তাইলে
২১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪
comment by: হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন: ৫ দিলাম যদিও কোরান যাই বলুক কিচু যায় আসেনা। আর তুমি যে কোরান আপেক্ষিক মানতে রাজী হইসো সেটা একটা বিগ ইমপ্রুভমেন্ট। ষো দেকা যায় যুগের প্রয়োজনে কোরানের আয়াতের প্রয়োগ হ্রাস পেয়েচে।
২২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:১৮
comment by: রবিনহুড বলেছেন: ("হে মুমিনগণ. ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করলো সে তাদেরই একজন হবে। আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালনা করেন না।" সূরা মায়েদার ৫১ নং আয়াত)

আয়াতের ব্যক্ষাতে আপনি বলতে চেয়েছেন:

(প্রথমে খুব কষ্ট হত এটা মানতে। আসলেই এটা হতে পারে না। তার সাথে মুসলমান কেউ না মিশলে সে বুঝবে কিভাবে মুসলমানরা কেমন?)

(সূরা মায়েদার ৫১ নং আয়াত)
এ আপনি ভূল ব্যক্ষা দিতেছেন। বন্ধু হিসাবে গ্রহন না করা মানে এই না যে আপনি তাদেরকে "শত্রু হিসাবে দেখবেন।" তাদেরকে অপনি একজন প্রতিবেশী বা আরো ১০টা সাধারন নাগরিকএর মত আচরন করার কথা বলা হয়েছে।
যেমন, আমি হয়তো আপনার বন্ধু না, তাই বলে আপনি আমার সাথে নিশ্চই শত্রুতা করবেন না।

বন্ধু নয় মানেই হল শত্রু, এটা ভাবা ঠিক না।

পাশাপাশি আরো অনেক আয়াত আছে যাতে বলা আছে বিধর্মীদের সাথে কিরকম ভাল আচরন করতে হবে, সেখানে ভাল আচরন করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে।

২৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
comment by: রবিনহুড বলেছেন: ডাক্তার আবার কি বললা?
বিনা কারনে ইসলামে কাওকে মারা বা শাস্তি দেয়া নিষেধ, সে ব্যক্তি যে ধর্মের ই হোক।


বিধর্মীদের শাস্তি দিতে হলে কিছু নিয়ম আছে, শুধু মাত্র সেই নিয়মের মধ্যে আসলেই তাদের শাস্তি দেয়া যাবে।
বিধর্মি মানে এই না যে তাকে ধর আর মার। বিধর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য অনেক তাগিদ দেয়া আছে। সুতরাং একজন অমুসলিম ইসলামে নিচে নিরাপদ ভাবে বসবাস করতে পারবে। তার ভয়ের কোন কারন নাই।

এটা তো একজন মুসলমানে জন্যও প্রযোজ্য আইন ভংঙ্গ করলে তাকেও শাস্তি পেতে হবে।
২৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫২
comment by: পাশা বলেছেন: রবিনহুড, "কেউ না মিশলে" এ শব্দগুচ্ছের দিকে তাকান।তাহলেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন।

বন্ধু, প্রতিবেশী, পাশের বাসার মানুষ আপনি যেভাবে সঙ্গায়িত করুন না কেন সব আমার কাছে সমান।


দেখুন, আপনার বন্ধুদের মধ্যে নিশ্চয়ই প্রকারভেদ আছে কেউ ঘনিষ্ঠ আবার কেউ দূরের।
ক্লাসিফাই করার সময় আপনি নিশ্চয়ই বলেন ক্লোজ ফ্রেন্ড আর নরমাল ফ্রেন্ড।
২৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০০
comment by: পাশা বলেছেন: নাজিম উদদীন ,
কোল্ড ওয়ার এর কথা জানতে চাচ্ছেন ।

কোল্ড ওয়ারে আপনি কোল্ড ফাইটার।
আপনিও তাদের মত হয়ে যান। কিন্তু সাবধান, নিরপরাধ মানুষ যেন আপনার শিকার না হয়।
২৬. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৮:৪৩
comment by: ভেতো বলেছেন: বিষয় বস্তুর জন্য ৫ দেয়া যায় কিন্তু কপি করে তথ্য সুত্র উল্লেখ না করায় ১ দাগানো হলো :)
২৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
comment by: পাশা বলেছেন: কিছু বুঝি নাই @ভেতো ।
২৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৩১
comment by: ভেতো বলেছেন: না বোঝার কিছি নাই,

'অনেক দিন পর এর উত্তর পেলাম..' এর পর থেকে শেষ পর্যন্ত পুরা টাই কপি পেষ্ট। দুই একটা শব্দ এদিক ওদিক ছাড়া।
কই থেকে কপি করা সেইটাও কি বলে দিতে হবে?
২৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৩১
comment by: ভেতো বলেছেন: কিছি/কিছু
৩০. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০২
comment by: পাশা বলেছেন: বলেন।@ ভেতো।
৩১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: খুব সুন্দর পোস্ট।প্রিয়তে +করলাম।
৩২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৩
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: খুব ভাল পোষ্ট।
৩৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: সুন্দর
৩৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৪
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: @পাশা, ভাল লিখেছেন। ৫
@ ডাক্তার, শুধু কোরআন কেন, সব কিছুই কি আপেক্ষিক না? পরিস্থিতি হিসাবে কি সবকিছুর পরিবর্তন হয়না? কোরআনে তো তাই বিভিন্ন পরিস্থিতির কথাই বলা হয়েছে।
৩৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৯
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: @পাশা, ভাল লিখেছেন। ৫.
৩৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৪
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: ফ্র্যাংকলি একটা উত্তর দেন তো;
অনেক পূরোন একটা মৌলিক প্রশ্ন করি,
আপনার আভিভাবক যদি অমুসলিম হতেন তথা আপনি যদি বেধর্মীর ঘরে জন্মাতেন , তাহলে?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি আমার বিবেকধারা সত্যটাকে গ্রহণ করি কিনা সেটাই আল্লাহ দেখবেন।
এজন্য আল্লাহকে বিশ্বাস করা জরুরী।

কেউ মুসলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণ করলেই জান্নাতী বিষয়টি তো এমন নয়। মানুষ তার কর্মের কারণেই জান্নাতী অথবা জাহান্নামী হবে।

এই তো। এটা মনে হয় আপনি জানেন।

 



 


সুন্দর আগামী আমাদের.....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৩১৫