somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারী-শিশু পাচারের নিরাপদ রুট রাজশাহী

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জাহাঙ্গীর আলম আকাশ, রাজশাহী
রাজশাহীর বিভিন্ন সীমান্ত নারী ও শিশু পাচারের নিরাপদ রুট। জরুরি অবস্থা এবং র‌্যাব-পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর কড়া তৎপরতার মধ্যেও সা¤প্রতিককালে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা আশংকাজনকহারে বেড়ে গেছে। ভারতে পাচারকালে গত ৩ মে হতে গত ১৮ আগষ্ট পর্যন্ত ৯৭ দিনে মোট সাতটি ঘটনায় ১৪১ জন নারী শিশু ও পুরুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক একজন ডিআইজি জানান, পাচারবিরোধী বেসরকারি সংস্থাগুলোর দায়সারো গোছের কর্মকান্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্যের অবহেলা-গাফিলতি-দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের কারণে পাচার প্রতিরোধ হচ্ছে না। পাচারবিরোধী কর্মকান্ডের নামে কতিপয় এনজিও কোটি কোটি টাকার ফান্ড এনে তার যথাযথ কাজ করছে না বলেই পাচাররোধে ব্যাপক জনগোষ্ঠী সচেতন হয়ে উঠছে না। পাচারকারী চক্রের মূল হোতারা থাকছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে গত ১৩ মে ২৮ জন নারী, শিশু ও পুরুষকে উদ্ধার করে বিডিআর। এসময় পাচারকারী সন্দেহে ইদ্রিস আলী ও আসাদুজ্জামান নামে ২ জনকে আটক করা হয়। পাচারকারী ইদ্রিস আলীর পিতার নাম দলিল উদ্দিন শেখ, তার বাড়ী খুলনা জেলার দিগলিয়া থানার মাধবপুর গ্রামে। পালিয়ে যাওয়া পাচারকারীরা হচ্ছে নড়াইল জেলার কালিয়া থানার কুঞ্জনপুর গ্রামের সোহরাব শেখের ছেলে ভুলু শেখ, কাকা মিয়া শেখ ও গোদাগাড়ী উপজেলার চর বয়ারমারী গ্রামের হান্নান মেম্বারের ভাই মইনুদ্দিন ওরফে ধুলু ঘাইটাল।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১১ জন শিশু, ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী রয়েছে। উদ্ধারকৃতরা হচ্ছে নড়াইল জেলার কালিয়া থানার কুঞ্জনগ্রামের আবু তালেবের ছেলে হামিদ শেখ (৪৫), খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা থানার শেখপাড়া গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০), তেরখাদা থানার আড়িখালি গ্রামের শেখ মজিবুর রহমানের ছেলে মহাসিন (১৫), দিগলিয়া থানার মাধবপুর গ্রামের এলাহী হোসেনের ছেলে ইয়াদুল (১৯), সুরমান শেখের ছেলে ইসা শেখ, মো¯Íফা মোল¬ার ছেলে আলিম মোল্লা (২০), তেরখাদা থানার আটলিয়া গ্রামের বাদশা সহরদীর ছেলে জুয়েল মিয়া (১২), বাদশা সহরদীর স্ত্রী রিক্তা (৩৫), সোনাডাঙ্গা থানার খাইরুল ইসলামের স্ত্রী কল্পনা (২৬), দিগলিয়া থানার মাধবপুর গ্রামের সাগর মিয়ার স্ত্রী রোজিনা (১৮), তেরখাদা থানার মান্নানের স্ত্রী পারুল (২০), তার ছেলে মুনির (৪ মাস), নড়াইল জেলার কালিয়া থানার কুঞ্জনপুর গ্রামের মৃতঃ লিকু শেখের স্ত্রী রাবেয়া (২৫), দিলদরিয়া গ্রামের সবুর মোল¬ার স্ত্রী শ্যামলী (২৩), তার মেয়ে তামান্না (২), সুবর্ণা (৩ মাস), খুলনা সদর থানার খুলনা গ্রামের তরিকুলের স্ত্রী জান্নাতুল (২০), তার ছেলে আহম্মেদ (১), নড়াইল জেলার নয়াগাতি থানার খাশিয়াল গ্রামের বাবুল শেখের স্ত্রী নাদিরা বেগম (২৫), তার ছেলে সাগর (৬), মুন্নি (২), কালিয়া থানার কুঞ্জন গ্রামের সবুর ফকিরের স্ত্রী মানজেরা (৩০), তার ছেলে সামিয়া (৯), মুরশালিন (৬), সাওয়াদ (৩), হাফিজের স্ত্রী ফারজিনা (৩০), তার ছেলে তালেব (১)।
গত ২৬ মে মহানগরীর বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে পাচার সময় এক গৃহবধুসহ চার কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃতরা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের কামারপাড়া অনুপনগরের আতাউরের কন্যা সুলতানা (১৩), ফরিদের কন্যা চম্পা, মোজাম্মেল হকের কন্যা সাবিনা (১২), লতিফুর রহমানের কন্যা আলিপনু (১৩) এবং একই এলাকার আসাদুলের স্ত্রী আকতারা (১৬)। গত ৩ জুন গোদাগাড়ী সীমান্তে ২১জন নারী ও শিশু উদ্ধার হয়। গত ১৩ মে গোদাগাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ২৮ জন নারী, শিশু ও পুরুষকে উদ্ধার করে বিডিআর। এ সময় বিডিআর সদস্যরা পাচারকারী সন্দেহে ২ জনকে আটক করে।
মহানগরীর রাজপাড়া থানার চরমাজারদিয়ার এলাকা থেকে গত ১১ জুন নারী শিশু ও পুরুষসহ ৪২ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ছেলে শিশু ১১ জন, মেয়ে শিশু ১৩ জন, পুরুষ ১০ জন এবং নারী ৮ জন। শিশুদের বয়স ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৮ বছরের মধ্যে। একই এলাকা থেকে গত ২৭ জুন ৪ শিশু ও ১২ জন মহিলাসহ ২০ জনকে উদ্ধার করে বিডিআর।
গত ১১ আগষ্ট রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে নারী-শিশুসহ ১৭ জনকে উদ্ধার করে বিডিআর সদস্যরা। এসময় এক ভারতীয় নাগরিকসহ দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃতরা হলো খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার বামনদিয়া গ্রামের আসেক মন্ডল (৩৭), ইসাহাক আলী মন্ডল (৩৪), এরশাদ আলী মন্ডল (৩২), আবেদা বেওয়া (৫৫), হাফিজা বেগম (২৪), রোজিনা খাতুন (২৪), ঝরনা খাতুন (২৫), জাহানারা বেগম (৩৫), আসেক মন্ডলের মেয় রুপাইয়া (১৪), ময়না (১০), পুত্র আকাশ (২), শারমিন (১০), তারেক শেখ (৮), ইসাহাকের মেয়ে সুরাইয়া (৯), আয়াতুন (১), আরিফুল (২) ও লাবনি। পাচারকারী দু’জন হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের বকচর গ্রামের হাফিজুরের পুত্র সাদ্দাম (২০) এবং ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার ছকনগর গ্রামের আবদুর রউফের পুত্র নিজারুল শেখ। গত ১৯ আগষ্ট রাত সাড়ে ১২টায় র‌্যাব সদস্যরা মহানগরীর সাহেব বাজার গণকপাড়ার এলিগেন্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৪ শিশুসহ ২৭ নারী-পুরুষকে উদ্ধার করে। এদেরকে পাচারের জন্য হোটেলে এনে জড়ো করা হয়েছিল। একই সময় পাচারকারী সন্দেহে দুইজনকে আটক করে র‌্যাব। উদ্ধারকৃতরা হলো যশোরের কালিয়া থানার আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী মনসুরা, শিশু আমিনা, আয়েশা ও সাগর। এজাজুল মুন্সি, তার ভাই আলফু, স্ত্রী সাবানা, আকমল বিশ্বাস, তার স্ত্রী জেসমিন, শিশু মৌসুমী, লাবিমা, হিসাম, ফাতেমা, রবিউল, কামরুল, তার স্ত্রী জোসনা, শিশু রিজিয়া, রূপালি, মাহবুব, আলামিন, আলাউদ্দিন। মুরাদ, তার দুই শিশু পুত্র কাজল ও সজল, নিজাম মুন্সি ও নাসিমা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২০ মার্চ সাতক্ষিরার শ্যামনগর থানার মেয়ে নাসিমা খাতুন পাচারের সময় উদ্ধার হয় এ জেলার চারঘাট থেকে। একই বছরের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার রামু থানার ৫ শিশু রাজশাহীর বাঘার মীরগঞ্জ থেকে উদ্ধার হয়। ওই বছরের মে মাসেমহানগরীর প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজারের জনবহুল বড় কুঠি ঘাট থেকে পাচারের সময় উদ্ধার করা হয় নড়াইলের ৫৫ জনকে।
রাজশাহী এলাকাটি নদী বেষ্টিত হবার কারণে অধিকাংশ সময় মানুষের কোন কাজ থাকে না। অভাবের তাড়নায় কাজের খোঁজে তাদের অধিকাংশই ভারতে পাড়ি জমায়। এক্ষেত্রে কেউ ফিরে আসে কেউবা আবার রোজিনার মতো যশোরের অভয়নগর থানার গোপীনাথপুর গ্রাম থেকে পাচারকারীদের আস্তানা থেকে পালিয়ে এসে জীবন রক্ষা করে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক জানান, নারী ও শিশু পাচারের অন্যতম কয়েকটি কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দারিদ্রতা। তাছাড়া সুশিক্ষার অভাব, অসচেতনতা, কর্মসংস্থানের স্বল্পতা, লোভ-উচ্চাভিলাষ ইত্যাদির কারণেও পাচারের ঘটনা ঘটছে। এশিয়ার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উল্লেখযোগ্য হারে মানব পাচারের ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশ মানব পাচারের ট্রানজিট হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশের অন্যান্য রুটের মধ্যে আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্র রাজশাহীকেই সুবিধাজনক মনে করে। রাজশাহীর এসব রুট দিয়ে যারা ভাল থাকার আশায় অন্যদেশে পাড়ি জমায় অচিরেই তাদের এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। কারখানায় কাজ দেয়ার নাম করে পাচারের শিকার মেয়েদের বেশির ভাগকে কাজ দেয়া হয় পতিতালয়ে। সমাজের চোখে ঘৃণিত জীবন তাদের অনিবার্য পরিণতি হয়ে দাঁড়ায়।
বেসরকারি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শুধুমাত্র পাকিস্তানের বিভিন্ন পতিতালয়ে কমপক্ষে দুই লক্ষ বাংলাদেশী মেয়ে কাজ করে। এছাড়া শিশুদের বিভিন্ন দোকানে কাজ দেয়ার কথা বলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নিয়ে গিয়ে উটের জকি বানানো হয়। আরব আমিরাত থেকে এপর্যন্ত ১৬৮ জন শিশুকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত¡াবধানে নারী ও শিশু পাচার রোধ সম্পর্কিত সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত কমিটির হিসাব মতে, গত বছরের আগষ্ট মাসে দেশে নারী ও শিশু পাচার সম্পর্কিত মোট ১৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। এগুলোর মধ্যে যশোরে ৫টি, সাতক্ষীরায় ৩টি, নেত্রকোনায় ১টি, রাজবাড়ীতে ১টি, নওগাঁয় ১টি, নড়াইলে ১টি, নারায়নগঞ্জে ১টি ও ডিএমপিতে ১টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব ঘটনায় ৫৭ জন আসামির মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলাগুলো তদন্তাধীন। তবে রাজশাহী পাচারকারীদের নিরাপদ রুট হলেও এ জেলায় পাচারকারীদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে কোন মামলা দায়ের হয় না বললেই চলে।
২০০৪ সালের ১৫ জুন হতে ২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৪৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের ৪২টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও ২৯ টি জেলা দায়রা আদালতে মোট ৪৮১ টি মামলা বিচারাধীন। পুলিশ মনিটরিং সেল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী চলতি আগষ্ট মাসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ৮ জন নারী ও ৯জন শিশুসহ মোট ১৭জনকে উদ্ধার করেছে। এরমধ্যে গত ১৩ আগষ্ট নওগাঁর সাপাহার থানার বেহতর গ্রামের তিন স্কুল ছাত্রী শহরের কোর্ট চত্বর থেকে পাচারের সময় উদ্ধার করা হয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানব পাচারের বাহকরা ধরা পড়লেও মূল হোতারা ধরা-ছোঁয়া ও বিচারের বাইরে থেকে যায়। পাচার সংক্রান্ত অভিযোগের বিচারের জন্য আঞ্চলিক আদালত স্থাপন করা জরুরি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। গত বছরের ২১ জুলাই দুটি বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে রাজশাহী পর্যটন মোটেলে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর টিআইএম নূরুন্নবী চৌধুরীও পাচার সংক্রান্ত বিচারের জন্য আঞ্চলিক আদালত স্থাপনের পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×