বাংলাদেশকে দেখুন, বাঁচান
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ, সংখ্যালঘু নির্যাতন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস-হত্যা-নির্যাতন বিষয়ক ১৫টি ভিডিও ডকুমেন্টারী ইউটিউব এ আপলোড করেছি ক'দিন হলো। এনিয়ে প্রথম আলো ব্লগ, সামহোয়ারইনব্লগে লিংক দিয়ে ব্লগার বন্ধুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। উদ্দেশ্য একটাই আর তা হলো বাংলাদেশে যাতে আর এমন ঘটনা না ঘটে, সরকার যেন এসব বিষয়ে এলার্ট হয়।
কারণ আমরা এভাবে দেখতে চাই না বাংলাদেশকে। আমরা বাংলাদেশকে দেখতে চাই সোনা বাংলা, শান্তির বাংলা, সমৃদ্ধির বাংলাদেশ হিসেবে। গোটা জাতি যেভাবে বিভক্ত হয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দুষ্টু রাজনীতির কারণে সেখানে এমন শান্তি আশা করা বাতুলতা ছাড়া আর কি হতে পারে। তবুও আশা ছাড়াতো আর বাঁচা যায় না। যাহোক, কয়েকজন বন্ধু মন্তব্য করতে গিয়ে আমার ভাষাগত ভুল এবং ডুকুমেন্টারীগুলোর পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
অত্যন্ত সংগত এবং যুক্তিযুক্ত মন্তব্য। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই এবং শ্রদ্ধা, ভালবাসা জানাচ্ছি। কিন্তু এই প্রবাস জীবনে আমার কাছে সিসটেমেটিক কোন ইকুইপমেন্ট নেই। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই মাস ধরে চেষ্টা করেও এগুলো আপলোড করতে পারিনি। কিন্তু এখানকার ইন্টারনেটের স্পিডের দ্রুততার কারণে হয়ত সম্ভব হয়েছে।
বন্ধুগণ, আপনাদের প্রতি আমার অন্তরের শ্রদ্ধা জানিয়ে জানাচ্ছি যে, আমার এই ডকুমেন্টারীগুলো তৈরী করতে মাসিক ইন্টারনেট চার্জ ৩৫ ইউরো এবং আমার ব্যক্তিগত সময় ছাড়া আর একটি টাকাও খরচ হয়নি। ফলে বুঝতেই পারছেন, ঢাল-তলোয়ার ছাড়া কি আর যুদ্ধজয় হয়? তাছাড়া আমার চিন্তাটা একটু অন্যরকমেরতো তাই আমি এভাবেই পছন্দ করি। আমি মনে করি, ন্যাচারালিটি বলে কথা। এসব ভিডিও কুমেন্টারীর ভেতরে নেই কোন রং, নেই কোন কল্পনা। আছে কেবলই কঠিন সত্য এবং বাস্তবতা। আর এটা আমার একটা প্রতিবাদ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, নির্যাতন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, ধর্মীয় জঙ্গিবাদ, সংখ্যালঘু নির্যাতন, সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশে পরিচালিত স্মরণকালের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা এবং দৈনিক প্রথম আলোর বিরুদ্ধে চট্রগ্রামে মৌলবাদী ততপরতার বিরুদ্ধে যেভাবে ২০০৪ সালের ২৪ আগষ্ট প্রতিবাদ করেছিলাম কাফনের কাপড় পরে গোটা রাজশাহী শহর প্রদক্ষিণ করে (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো এবং দি ডেইলি স্টার, ২৫ আগষ্ট, ২০০৪)। বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক, বন্ধ হোক বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, দায়মুক্তি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, হানাহানি-দোষারোপ। বিচার হোক যুদ্ধাপরাধী, খুনি, নির্যাতনকারী, সন্ত্রাসী-অপরাধী, দুর্নীতিবাজদের। পেশাগত ও ব্যক্তিগত দায়বোধের যাতে দায়মুক্তি না ঘটে তারজন্যই এই বিবৃতি।
দেখুন আমার সোনার বাংলাদেশকে।
http://www.youtube.com/watch?v=1xzaCRYCkqs
http://www.youtube.com/watch?v=hnyyJHp3ET0
http://www.youtube.com/watch?v=BthGnl-WEGo
http://www.youtube.com/watch?v=p9P1mZ7zKww
http://www.youtube.com/watch?v=cHqyDmeLpvc
http://www.youtube.com/watch?v=lVcacTePIEw
http://www.youtube.com/watch?v=qis3lwvtRi4
http://www.youtube.com/watch?v=NqR-hfp_Z3c
http://www.youtube.com/watch?v=MA-RF1LnIao
http://www.youtube.com/watch?v=t8BIxX1eiHM
http://www.youtube.com/watch?v=zFcWErPEDNQ
http://www.youtube.com/watch?v=5Jt1ZvhxonM
http://www.youtube.com/watch?v=3hgy1UcDBeY
http://www.youtube.com/watch?v=OVsWw6ScBak
http://www.youtube.com/watch?v=2INo1mlgq7g
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জাহাঙ্গীর আলম আকাশ বলেছেন:
আমার প্রকাশিতব্য বইয়ে আরও বেশি পাবেন আশা করি। অপেক্ষা করুন। আমি নিরপেক্ষ নই, তবে সত্যের পক্ষে। সকল অন্যায়-অত্যাচারের বিপক্ষে, হোক সে আমার ভাই। যদি আমার ভাইও অন্যায় করেন তাহলে আমি তারও বিপক্ষে, এবং এটাই আমার ধর্ম। কিন্তু আমাদের দেশে আওয়ামী লীগ সমর্থক হলে আওয়ামী লীগ তার কাছে ফেরেস্তা, আমার বিএনপির সমর্থক হলে তার কাছে বিএনপিছাড়া অন্য সব কঠিন খারাপ। গোটা সমাজ, রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এই একটি কারণে, অন্য অনেক কারণের চেয়ে এটাই সবচেয়ে বড় কারণ। অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, দুর্নীতি, অসততা, অস্বচ্ছতাতো আছেই।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
আকাশ ভাইকে ধন্যবাদ। অনেকের চোঁখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও কোনভাবেই প্রমাণ করতে পারবেন না যে, দেশে এতো অসহনীয় অবস্থা হতে পারে। তাছাড়া, ঘটনা প্রবাহ অন্য দিকে নিয়ে যাবার এক নষ্ট সংস্কৃতি তো রয়েছেই।আবারো ধন্যবাদ, আপনাকে। ভালো থাকুন
ফায়যুর রাহমান বলেছেন:
সংখ্যালঘু নির্যাতনের আমরা প্রতিবাদ করি। কিন্তু এগুলো ইউটিউবে দিয়ে আপনি ভালো করেন নি। এটা সংশোধনের উপায় নয়। আপনি কি চান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের শত্রুরা এ দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করুক? এ নিয়ে অতীতে বহু তিলকে তাল করা হয়েছে। আপনার উচিৎ নয় তাদের রসদ যুগিয়ে দেওয়া। নাকি ভুল বললাম? ভালো থাকুন। ইতিবাচক চিন্তা করুন।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
কোন দেশে অপরাধ ঘটলেই তার উম্মোচন হওয়া উচিত। তাতে সংশোধণের উপায় থাকে। অপরাধ ঢেকে দেওয়া মানেই আরেক অপরাধের জন্য প্রস্তুত থাকার প্রস্তুতি নেওয়া। আর, অপরাধ সংগঠিত হবার পরে লোকসম্মূখে তুলে না ধরার মানেই হলো ক্ষমতার অপব্যবহার ও বাক স্বাধীনতা রুখে দেওয়া।@ফায়যুর রাহমান, সার্বভৌমত্বের শত্রুরাই যে এসব ঘটনা ঘটায়নি, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?আপনি....??
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
ফায়যুর রাহমান বলেছেন: সংখ্যালঘু নির্যাতনের আমরা প্রতিবাদ করি। কিন্তু এগুলো ইউটিউবে দিয়ে আপনি ভালো করেন নি। এটা সংশোধনের উপায় নয়। আপনি কি চান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের শত্রুরা এ দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করুক? এ নিয়ে অতীতে বহু তিলকে তাল করা হয়েছে। আপনার উচিৎ নয় তাদের রসদ যুগিয়ে দেওয়া। নাকি ভুল বললাম? ভালো থাকুন। ইতিবাচক চিন্তা করুন।>>>>>
আপনি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বলতে কি বুঝাচ্ছেন? এটা কি ভৌগলিক নাকি জনগনের?
আমরা ভৌগলিক স্বাধীনতা পেয়েছি কিন্তু মানুষ স্বাধীন হয়নি।
আব্দুর রহমান বলেছেন:
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী মানবাধিকার লংঘিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু তারা কি তাদের মিডিয়া BBC , CNN, VOA তে এগুলো প্রকাশ করে?আমি আপনাদের লিংক দিচ্ছি দেখুন:
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রাইম রিপোর্ট: United States Crime Rates 1960 - 2007 >>http://www.disastercenter.com/crime/uscrime.htm
এটা দেখার পর আপনারাই বলুন যুক্তরাষ্ট্র কি আমাদের চেয়ে ভাল?
কিন্তু তারা আমাদের মত ছ্যাবলামী করে ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়াতে এগুলো প্রচার করে না। ভাল মানুষটি সেজে থাকার তারা আপ্রাণ চেষ্ট্রা করে।
আমাদের দেশে কথা বলার লোক অনেক কিন্তু বাস্তবে কাজ করার মত লোক নেই বললেই চলে। কথা বললে অনেক কিছুই বলা যায় এবং কথা বলে হয়তো মনে তৃ্প্তিও পাওয়া যায় কিন্তু সমাধান হয় না কিছুই। আমার পা ব্যাথ্যা এজন্য বিবিসি কে জানিয়ে লাভ নেই। এজন্য আমাকেই ব্যবস্থা নিতে হবে, ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, ওষুধ খেতে হবে।
আমাদের সমস্যা আমাদেরকেই সমাধান করতে হবে, বাইরের মানুষকে জানিয়ে লাভ নেই। পরনির্ভশীল হতে হতে আমরা পঙ্গু হয়ে গেছি। আসুন এইসব সমস্যা নিয়ে নিজেরা কিছু করার চেষ্ট্রা করি। শুধু অন্যেরা কি করলো তার বাহবা করে সময় নষ্ট করা আমাদের হবি হয়ে দাড়িয়েছে।
আসুন আমরা নিজের দেশকে ভালবাসি এবং শুধু কথায় নয় কাজের মাধ্যেমে তা প্রকাশ করি। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন, আমীন।
লেখক বলেছেন: আপনি সমাধানের সেই পথটি দেখিয়ে দিন। দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরেতো মানুষ সেই পথের সন্ধান পায়নি।
ফায়যুর রাহমান বলেছেন:
@ স্বপ্নযাত্রাঠিক। স্বাধীনতার সুফল আমরা পাই নি, তবে যে স্বাধীনতা আছে, তাই বা হারাতে চাইবো কোন দুঃখে?
ফায়যুর রাহমান বলেছেন:
আব্দুর রহমান ভাই, এ নিয়ে পুরো একটা পোস্ট লিখুন। এতো সুন্দর কথা মন্তব্য কলামে মানাচ্ছে না। কৃতজ্ঞতা!
লেখক বলেছেন: 'রতনে রতন চিনে'
পাগলা বাবু বলেছেন:
আজকেই খবরে শুনলাম বাংলাদেশে জীবন সিংহ গ্রেফতার ।হে ইশ্বর , পাকিদের ছায়া যেন বাংলাদেশে না পরে ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আব্দুর রহমান এর সাথে একমত।
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
স্বাধীনতা হারাবার আর ভয় নেই। কারন বর্তমানের এই সাম্রজ্যবাদের এই যুগে কেউই আর আমাদেরকে দখল করতে আসবে না। তারা দখল করবে বা লুটপাট করবে আমাদের সম্পদ যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আর আমাদের শাসক গোষ্ঠী তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সঙ্গে গাটছারা বেধেছে আর আমাদেরকে স্বাধীনতা হারানোর ভয় দেখাচ্ছে। তাই স্বাধীনতা হারানোর ভয় না করে আমাদেরকে মুক্তির জন্য সম্পদ রক্ষার আন্দোলনের মাধ্যমে জনগনকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ, গোছানো মন্তব্য এবং দেশেপ্রেমমূলক কথা। ধন্যবাদ আপনাকে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















গতকালকেরই একটা ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো ব্লগ আর আইডি ফোরামে পোস্ট হয়েছে। দেখুন-
Click This Link