আমার প্রিয় পোস্ট
- উৎসমুখে আসতে হলে... ইনসোমনিয়াক'স আড্ডা! - রুদ্রপ্রতাপ
- অদ্ভুত আধার এক! - আসিফ মহিউদ্দীন
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- গজল সম্রাট জগজিৎ সিং - দীপান্বিতা
- মহানায়ক উত্তম কুমার - কাঊসার রুশো
- তার চোখ কুড়িয়ে পেয়েছি আমি বকফুল, ঘাসে - শিরীষ
- আমার গান, আমার মান্না দে...
- ভেবে ভেবে বলি
- শষ্য দানার মত কিছু ঘুম ... - নস্টালজিক
- ১৯৭১ নিয়ে তৈরী হওয়া ৮৩টি ডকুমেন্টারীর সমন্বয়ে একটা পোষ্ট - নষ্ট কবি
- অল্পবিস্তর বিটলামি , সাথে একটু পাগলামি ...
- রক্তিম কৃষ্ণচূড়া
- মুক্তি, স্বপ্ন, জাদুবাস্তবতা ও হেমাঙ্গ বিশ্বাস - গৌতম রায়
- চলচিত্র পরিচালকঃ আমার পছন্দের পাঁচ - ফাহাদ চৌধুরী
- মমতাময়ী - আসিফ মহিউদ্দীন
- বৃষ্টিগুলো পাখীর ডানায়,বাতাস অপেক্ষায়! - নস্টালজিক
- অলংকৃত অন্ধকারে - হাসান মাহবুব
- আমি রনি কলকাতার ব্যান চাই না - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- বাগেশ্রী: মধ্যযামিনীর রাগ - ইমন জুবায়ের
- শীত (বুবুজান'কে) - অমিত চক্রবর্তী
- ঘুড়ি ছেঁড়ার দিন - নৈশচারী
- একটা ছিলো বেকুব ছাগলা কালো বরণ দাড়ি... - আলিম আল রাজি
- অপারেশন জ্যাকপট - কাঙাল মামা
- আমার বন্ধু ভেবু - লিটল হামা
অসম্ভব মন খারাপ করিয়ে দেয়া কয়েকটি চলচ্চিত্র
২৬ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫১

মন খারাপ করিয়ে দেয়ার মত এলিমেন্ট একটা মুভিতে অনেকরকম ভাবে আসতে পারে। অনেকরকম প্রসঙ্গে আসতে পারে। আমি এই পোস্টে শুধু সেই মুভিগুলোর কথা বলবো যেগুলো মূলতঃ খুব স্যাড ছবি। যেখানে দুঃখের ধাক্কাটা খুব বেশি। এমন অসংখ্য ছবি আছে যেগুলোর কন্টেন্ট অনেক দুঃখময় হলেও ফিনিশিংটা একটা ফিল গুড বা ভালো অনুভূতি এনে দেয়, কিন্তু এই মুভিগুলোর ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত। ছবিগুলো মানের দিক থেকে খুবই অসাধারণ, একবার দেখলেও দ্বিতীয়বার দেখতে ইচ্ছে করে ঠিকই কিন্তু দেখতে গিয়ে আবারও অবধারিতভাবে খুবই মন খারাপ হয়।
সব ভাষায়ই নিশ্চয়ই এরকম ছবি আছে অনেক। আজ আমি যে ছবিগুলোর কথা বলবো সেগুলো সবই ভারতীয় এবং হিন্দি ভাষার। হিন্দি চলচ্চিত্রের ব্যাপারে অনেকেই অনাগ্রহ পোষণ করলেও আমার মনে হয় এই পোস্টটি পড়লে তাঁদের ধারণা হয়তো একটু বদলাতেও পারে। ![]()
১. Mother India (1957)
একজন মায়ের সংগ্রামের কাহিনী। বড় ভয়াবহ সেই সংগ্রাম। প্রেমময় কৃষক স্বামী ও দু'টি সন্তান নিয়ে যার সুখেই সংসার করার কথা ছিলো, কিন্তু জমি চাষ করতে গিয়ে পাথর চাপা পড়ে তার স্বামীর দু'টি হাতই কাটা পড়ে। তারপর ঝড় জলোচ্ছাসে ভেসে যায় ঘরবাড়ি জমি জিরাত সবকিছু। নিজের ক্ষুধার জ্বালা হয়তো সহ্য করা যায় কিন্তু অবোধ শিশু দু'টির কান্না তো সহ্য করা যায় না। দু'টো পয়সার বিনিময়ে জিনিসপত্র গ্রামের জমিদারের কাছে বন্ধক দিতে গেলে তার কাছ থেকে পেতে হয় রক্ষিতা হবার কুপ্রস্তাব। অশেষ কষ্ট আর দুঃখ বহন করে ছেলে দু'টিকে বড় হয়। একসময় শুধুমাত্র ছেলের নৈতিক চরিত্র স্খলনের কারণে মা বাধ্য হয়ে নিজ হাতে হত্যা করে তার সবচেয়ে আদরের সন্তানটিকে। গ্রামবাসীরা মা'কে ভারতমাতা নামে ভূষিত করে, পুরষ্কারও দেয় কিন্তু মায়ের অন্তরের জ্বালা কি আর তাতে জুড়ায়?
এই ছবিটি সবার দেখা উচিত। এর কেবলমাত্র মেকিং ভালো যে তাই নয় এই ছবিতে ব্যবহৃত স্পেশাল ইফেক্টগুলোও অসাধারণ। এত বছর আগে তৈরী অথচ এটা আসলে সবসময়ের ছবি। সব দেশের ছবি। ছবিটিতে এমন অনেক দৃশ্য আছে যেগুলো দেখলে একেবারে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে হয়। শিশু চরিত্রে বিরজু'র অভিনয় আমি জীবনেও ভুলবো না। আর অভিনেত্রী নার্গিস তো নমস্য। পদ্মভূষণ উপাধি তো আর শুধু শুধু দেয়া হয়নি তাঁকে।
Download Mother India
Wikipedia of Mother India
২. Fiza (2000)

এত ভয়াবহ কষ্টের ছবি আমি খুব কম দেখেছি। দু'টি ভাইবোন আর তাদের মা, এই নিয়ে সংসার। সাধারণ আর দশটি ছেলের মতই
হতে পারত ছেলেটির জীবন, কিন্তু অবস্থার চাপে পড়ে, সিস্টেমের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সে হয়ে যায় টেরোরিস্ট। বাড়ি থেকে পালিয়ে টেরোরিস্ট
দের সাথে যোগ দেয়। মা আশায় আশায় থাকে কবে ছেলেটি ফিরে আসবে, সাতটি বছর পেরিয়ে যায় কিন্তু ছেলেটি আর আসে না। অনেক সময় পরে যদিওবা ফিরে আসে, স্বাভাবিক জীবনযাপনের চেষ্টা করে কিন্তু দেখে তার জন্য কোনও পথ খোলা নেই, সে বদলে গেছে। প্রচলিত সিস্টেমের প্রতি তো তার আর কোনও বোধ অবশিষ্ট নেই, কি করবে সে এই তথাকথিত 'স্বাভাবিক' জীবন নিয়ে? তখন সে আবারও ফেরারী হয়ে যায়। দ্বিতীয়বারের মত এই ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মা করে আত্মহত্যা। বড় বোনটি অসম্ভব তেজস্বী একটি মেয়ে, সে তখন খুঁজতে বেরোয় তার ভাইটিকে... এবং সবশেষে পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকেই নিজের হাতে ভাইটিকে হত্যা করতে হয় ।
এই ছবিটির মূল উপজীব্য হিসেবে বলা যায়, চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরূদ্ধে একটি সুতীব্র চিৎকার। বেশ কিছু দৃশ্য রয়েছে যেগুলো দেখলে
বোঝা যায় যে আমরা সাধারণ মানুষ ঠিক কতটা অসহায় এর কাছে। এই ছবিতে একটা দৃশ্য আছে, মা মারা যাবার পর দাফন কাফন হয়ে গেছে, মিলাদও শেষ, সব মানুষ ফিরে যাচ্ছে যার যার ঘরে। মেয়েটি তখন একা ঘরে এসে মায়ের কোরআন শরীফটি হাতে নেয়। তখন তার মনে পড়ে, মা
যে মরে গেছে, সে তো একবারও কাঁদতে পারেনি। সেই ভয়াবহ আর্তনাদ করে কান্নার দৃশ্যটি মনের ওপর খুব ছাপ ফেলে গিয়েছিলো।
Wikipedia of Fiza
৩. Fashion (2008)

ছবির পোস্টার দেখে মনে হতে পারে যে এই ছবি আবার দুঃখের কিভাবে হয়? খুব স্বাভাবিক, আমি নিজেও মুভিটা দেখার আগে বুঝিনি এতটা। শোবিজ জগতের একেবারে নোংরা রূপটা তুলে আনা হয়েছে এখানে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে যে মেয়েটি মডেলিং করতে আসে, সাফল্যের
একেবারে স্বর্ণচূড়ায় উঠে সে হঠাৎই বুঝতে পারে যে কি অসম্ভব স্বার্থপর একটা জায়গায় সে বাস করে! যখন দেখে তার পূর্বসুরী মেয়েটিও তার মতই সুখে ছিলো কিন্তু কর্পোরেট পরিপার্শ্বের কাছে মানসিকভাবে ধর্ষিত হয়ে এখন সে ড্রাগের নেশায় মাতাল। আজ তোমার রূপ আছে ভালো কানেকশন আছে আজ তুমি রাজা, কিন্তু কাল খুব সামান্য কারণে তোমাকে উচ্ছিষ্টের মত ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হবে, তুমি টেরও পাবে না। এই জগতটা দিতে পারে অনেক কিন্তু কেড়ে নিতে পারে তারচেয়েও অনেক বেশি... আজ যারা তোমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু, কাল সব হারিয়ে তুমি ভিক্ষুকের মত কেঁদে ফিরলেও কেউ আর তোমার দিকে ফিরেও তাকাবে না, খেল খতম পয়সা হজম!
মুভিটা সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলো অনেক। এই ধরনের মুভি যাদের পছন্দ তারা Corporate ছবিটিও দেখতে পারেন, সেটিও
কর্পোরেট জগতের সুন্দর মুখোশ আর কদর্য মুখ নিয়ে তৈরী এবং মাশাআল্লাহ সেটাও অনেকই দুঃখের মুভি। ঐ ছবিটাও আমি দেখেছি কিন্তু রিভিউ লেখার মত অতটা মনে পড়ছে না তাই এখানে দিলাম না। কিন্তু অতি অবশ্যই ওটাও খুব ভালো মুভি, এবং সেখানেও চরিত্রগুলোর পরিণতি বড়ই করুণ।
Download Fashion
Wikipedia of Fashion
৪. Gangster (2006)
![]()
এই মুভিটা অনেকেই দেখেছেন কারণ এখানেই জেমসের সেই গানটি ছিলো (হিন্দি ছবিতে সেটাই তার প্রথম পারফরম্যান্স)। বেশ কিছু টুইস্ট অ্যান্ড টার্নস আছে কাহিনীতে, চমক জোগানোর মত তো বটেই। কিন্তু বেসিক্যালি এটা অনেক কষ্টের ছবি, পুরো ছবি জুড়ে শুধু স্বপ্নভঙ্গের বেদনা আর দুঃখজ্বালা। মেয়েটি নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে বাঁচানোর জন্য ভয়াবহ এক ফাঁদে পা দেয়, সে কল্পনাও করতে পারেনি কত ভয়াবহ দূর্দশা অপেক্ষা করে আছে তার জন্য। যখন দেখে যে সে নিজেই ছেলেটির মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, আত্মহত্যা ভিন্ন তার আর কোনও পথ খোলা থাকে না।
এই ছবিতেও একটি দৃশ্য আছে গগনবিদারী চিৎকার করে কান্নার। তাদের (ছেলেটির এবং মেয়েটির) একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো, দত্তক নেয়া। ভাগ্যের ফেরে সেই শিশুটিকেও তাদের খুব অসময়ে চিরতরে হারাতে হয়েছিলো। ঐ কান্নার দৃশ্যটা এত শকিং যে আমি ঠিকমত দেখতেও পারি না। খুব চাপ পড়ে মনের ওপর।
Wikipedia of Gangster
এই ছবির গানগুলো ডাউনলোড করতে চাইলে
৫. Ankush (1986)

আরেকটি চরম কষ্টের ছবি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ধর্ষিত হওয়া একটি মেয়ে এবং তার জন্য ন্যায়বিচার চাইতে আসা বন্ধু ছেলেগুলোর তিলে তিলে মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার কাহিনী। কয়েকটি ভালো মানুষের হেরে যাওয়ার গল্প। কি যে অসম্ভব যন্ত্রণা হয় ছবিটা দেখলে! তীব্র রাগে এবং দুঃখে কান্না পেয়ে যায় কিন্তু কিছু করার থাকে না।
Wikipedia of Ankush
৬. 1947 Earth (1998)

দীপা মেহতা প্রোডাকশন প্রায় সবগুলোই অনেক বেশি কষ্টের। খুব টিপিক্যাল ছবি তিনি তৈরী করেন না কখনও, সবসময়ই তার মুভিগুলো অনেক বেশি মাথা খাটিয়ে দেখার মত হয়। এই ছবিটা ওনার সেই বিখ্যাত ট্রায়োলজির (ফায়ার- আর্থ- ওয়াটার) একটা।
নাম শুনেই বোঝা যায় যে দেশবিভাগের সময়কার টানাপোড়েনের কাহিনী নিয়ে নির্মিত। দু'টি দেশ আর দুই ভিন্ন ধর্মের মানুষ আর তাদের রেষারেষি আর দ্বন্দ্বের সার্থক রূপায়ণ, প্রেমে ঈর্ষা আর তার ভয়াবহ নির্দয় প্রকাশের মাধ্যমে মুভির পরিসমাপ্তি। শেষের অংশটুকুকে আমি বলবো সিম্পলি শকিং, খুব বড় ধরণের ধাক্কা দেয়ার মত। পুরো ছবিটাই মনে হয় সব মিলিয়ে এত শকিং না শুধুমাত্র লাস্টের ১৫ মিনিট যে পরিমাণ শকিং! এত মন খারাপ হয় দেখলে যা বলার মত না।
এই ছবিতে একটা দৃশ্য আছে এরকম, পাকিস্তান থেকে একটা ট্রেন এসেছে, মুসলিমদেরকে বয়ে এনে। সেখানে নিজের আত্মীয়দের খুঁজতে গিয়ে আইস ক্যান্ডিওয়ালা (আমির খান) হতবাক হয়ে দেখে, একটা মানুষও জীবিত নেই, পুরো ট্রেন জুড়ে শুধু লাশ আর লাশ। আমির খান যে কত বড় শক্তিমান অভিনেতা তা ঐ দৃশ্যে আমির খানের এক্সপ্রেশন না দেখলে বোঝা যাবে না। হ্যাটস অফ টু হিম।
ছবিটি বাফার/স্ট্রিমিং করে দেখতে পারেন এখান থেকে
Wikipedia of 1947 Earth
আমি এই কয়টাই দিলাম, আপনারা আরও কিছু যোগ করুন। যে কোনও মুভি, যেকোনও ভাষার। ![]()
[ব্লগার ফাহাদ চৌধুরীকে অনেক ধন্যবাদ ছবিগুলোর ডাউনলোড লিঙ্ক দিয়ে সহায়তা করার জন্য।]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এই নিকে মুভি নিয়ে এটাই আমার প্রথম পোস্ট :) ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
হিন্দি ছবি ডাউনলোডের কোনও সাইট আমি সেভাবে চিনি না, তাই ডাউনলোড লিঙ্ক দিতে পারলাম না। কেউ কোনও সাইটের নাম সাজেস্ট করলে খুবই উপকৃত হবো।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
যেগুলা দিছেন, ঠিকাছে। নিজেও প্রচুর বক্তব্যধর্মী স্যাড ছবি দেখেছি হিন্দিতে। কিন্তু এ মুহুর্তে একটাও মনে করতে পারছিনা। সিরিতি তুমি বড়ো পিছলা!!!!!
লেখক বলেছেন: সিরিতি পিছলাক, আপনে পিছলাইয়েন না মিয়া! মনে কৈরা আইসা কৈয়া যাইয়েন। ![]()
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
যেগুলা দিছেন, ঠিকাছে। নিজেও প্রচুর বক্তব্যধর্মী স্যাড ছবি দেখেছি হিন্দিতে। কিন্তু এ মুহুর্তে একটাও মনে করতে পারছিনা। সিরিতি তুমি বড়ো পিছলা!!!!!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
যেগুলা দিছেন, ঠিকাছে। নিজেও প্রচুর বক্তব্যধর্মী স্যাড ছবি দেখেছি হিন্দিতে। কিন্তু এ মুহুর্তে একটাও মনে করতে পারছিনা। সিরিতি তুমি বড়ো পিছলা!!!!!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
যেগুলা দিছেন, ঠিকাছে। নিজেও প্রচুর বক্তব্যধর্মী স্যাড ছবি দেখেছি হিন্দিতে। কিন্তু এ মুহুর্তে একটাও মনে করতে পারছিনা। সিরিতি তুমি বড়ো পিছলা!!!!!
রোকসানা রশীদ বলেছেন:
দারুন!Page 3 মুভিটাও রাখতে পারেন লিস্টে। এই মুভিটা দেখে আমি এতো কাদসিলাম যে একবারের পর আর দেখি নাই।
আপনার লেখা সবসময় ই ভালো লাগে।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস রোকসানা। Page 3 আমি দেখসি তো... কিন্তু কাহিনীটা ভুলে গেলাম যে! কিরকম একটু বলেন তো, মনে করার চেষ্টা করি।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
কমেন্ট করলাম ১ টা হইলো চাইরটা। ছাগু পোস্টে যদি এইরম হইতো, তাইলে জমতো ভালো। মাইনাস দিলাম একটা হইয়া গেলো চাইরটা। খ্যাক।
লেখক বলেছেন: হাহা! নাইস থট। আসলেই ভালো হইতো। লন মডুগোরে মেইলাই ![]()
পাহাড়ের কান্না বলেছেন:
প্রথমত- ৩ ঘন্টা ছবি দেখার ধৈর্য নাই। তার মধ্যে আবার মন খারাপ করা ছবি। দেখতাম না।দ্বিতীয়ত- ইন্ডিয়া আমাগো দেশের চ্যানেল পারমিট দেয় না। যেখানে হেগো চ্যানেল আমগো দেশ ভর্তি। এল্লিগা জীদ্দে হেগো কোন চ্যানেল দেখিনা।
লেখক বলেছেন: আসলেই মন খারাপ করা মুভি দেখা কষ্টকর। আর হিন্দি চ্যানেলগুলা দেখা মহা মহা বিরক্তিকর (ক্ষেত্রবিশেষে কল্পনার বাইরে)। তবে অনেক আগে যখন এত খারাপ অবস্থা ছিলো না তখন অনেক মুভি দেখা হতো। এই লিস্টের অনেক মুভিই আমার টিভিতে দেখা। ![]()
নস্টালজিক বলেছেন:
১৯৪৭ আর্থ,খুব প্রিয় ছবি।।রিভিউ টা ভালো করসো।অল্পের ভেতর ছিমছাম।।
গুড ওয়ান,জিপসী।।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস কবি ভাই। আরও একটা যোগ করে দিলাম (Ankush). দেখেন তো মেলে কিনা। ![]()
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
সব গুলোই দেখেছি।এই ছবি গুলো কি দেখেছেন? না দেখলে দেখতে পারেন।
উইকি পেইজ
উইকি পেইজ
উইকি পেইজ
আরো মনে পড়লে জানিয়ে যাবো...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস ডিয়ার। একটাও দেখি নাই। তবে Karam এর কাহিনী শুনে দেখার ইচ্ছে হয়নি কাজেই ওটা বাদ।
বাকী দুইটা দেখার ইচ্ছা পোষণ করলাম। পারলে আমাকে একটা হিন্দি মুভি ডাউনলোডের সাইটের নাম সাজেস্ট কোরো।
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
হায়!!! হায়!!! হায়!!!এক্টাও দেখি নাই । Gangster (2006) এর একটা গান শুঞ্চি ।ঐটা আমার পিসিতে আছে । Mujhe Mat Roko Kavita Seth.mp3
এই গান্টা প্রথম এক ছুডু ভাইর পিসিতে শুইনা ভাল্লাগছিল ।
লেখক বলেছেন: ঐ গানটাও অসম্ভব স্যাড একটা সিকোয়েন্সের ওপর। নায়িকার আত্মহত্যার দৃশ্যে। ফিলিমডা খ্রাপ না। আর বাকিগুলানও দেইক্ষালান। নতুন একখান অ্যাড কর্চি লিস্টিতে। Ankush. দেখসেননি? ![]()
দ্যা ডক্টর বলেছেন:
কমেডি হইলে হিনদি সিনেমা দেখতে পারি, তাও হাতের কাছে অফুরন্ত সময় আর ঘুম না আসলে, কোন তালে যদি ঘুমটা আসে যায় ওই আশায়।তবে রিভিউ পড়ছি পুরা।
লেখক বলেছেন: কঠিন একটা কাজ কৈরা ফালাইসেন ভাইডি! ধইন্যা লন। ![]()
কঁাকন বলেছেন:
গ্যাংস্টার আমার অত ভালো লাগে নাই; ফর্মূলায় ফেলে বানানো ছবি মনে হইছে
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, খুবই মেইনস্ট্রিম ঘরানার ছবি তো বটেই। তবে কষ্ট হইসিলো প্রচুর।
মাহমুদহাসান বলেছেন:
লিঙ্ক দিতে পারছি না, কিন্তু পছন্দের কয়েকটি ছবির নাম বলছি, এদের সবগুলোই ঠিক স্যাড নয়ঃ১। অল কোয়ায়েট অন দা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট
২। আগুনের পরশমণি
৩। শ্রাবণমেঘের দিন
৪। আনন্দ আশ্রম
৫। কাভি খুশি কাভি গাম
৬। তারে জামিন পার
কাঁকনঃ গ্যাংস্টার খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে, ও লামহে ছবিটাও ভালো লেগেছে। আপনার কাছে যে কেন খারাপ লাগল বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: ১ নম্বরটা আমার দেখার খুব ইচ্ছা, সুযোগ হয়ে ওঠেনি এখনও। ২ আর ৬ মিলে গেলো (বাকিগুলো মেলেনি)। Woh Lamhe ও অনেক কষ্টের ছবি।
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন:
পোষ্ট কিন্তু প্রিয়তে। কিছু লিঙক দেবো, তবে পরে। ++
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস সাগর ভাই। লিঙ্কের অপেক্ষায় থাকলাম। ![]()
kisuna বলেছেন:
ব্রোকব্যাক মাউন্টেন দেখে কষ্ট পেয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: দেখি নাই তো। কিসের ওপর নির্মিত?
সায়েম মুন বলেছেন:
1947 Earth আর Fiza কমন পড়লো। Fiza ছবির একটা গান আছে ------যো হাওয়াও মে---------গানটা বেশ ভাল লাগতো। গ্যাংষ্টার দেখার ইচ্ছে হয়না---কারণ ইমরান হাসমি আছে ছবিতে, তবে গানগুলো বেশ ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: Mother India দেখে ফেলেন ব্রাদার, ভালো না লেগেই যায় না। ![]()
দাংগার সময়ে হিংসা, প্রেম মানুষকে কেমন বদলে দিতে পারে না দেখলে বোঝা যায় না । শেষ দৃশ্য আমীর খান যেভাবে গিয়ে বসে -- আর তার এক্সপ্রেশন প্রায় অমানবিক চরিত্র অনুযায়ী আর পারফেকশনিষ্ট দুই দিক দিয়েই। এই ধরনে চরিত্র কাছ থেকে দেখেছি তাই বুঝতে পারি কি ভয়ংকর রকম নিখুত ঐ দৃশ্য ।
ফ্যাশনের একটা গান অনেক শুনেছি -- ফ্যাশন দেখতে হবে ।
ফিজা কষ্টের হয়তো -- কিন্তু খাপছাড়া লাগে মুভিটা।
---
অট : আগের পোষ্ট কই ? ফেসবুকের গল্পের মেগা সিরিয়াল ?
লেখক বলেছেন: Earth এর গানগুলো আসলেও সুন্দর। এ আর রাহমানের সেই যুগের সৃষ্টি তো, ভালো না লেগে যায় না।
ফ্যাশন দেখুন জিরোদা, ভালো লাগবে। 'কর্পোরেট' ছবিটাও দেখুন। ওটা আরও ভালো লাগবে। অঙ্কুশ কেমন লাগে?
ফিজা খাপছাড়া? বুঝিনি তো। তবে মুভিটার গানগুলো ভালো না।
অ.ট.--- আগের পোস্টটা আমার কাছে খুবই বোরিং লাগলো জিরোদা। আমি মানুষগুলোকে কাছ থেকে দেখেছি বলে আমার কাছে ব্যাপারটা সোজা, কিন্তু যে পাঠক তার কাছে তো বিশাল পেজগি মনে হওয়ার কথা! খুব Cumbersome মনে হচ্ছিলো। তাই আপাততঃ তুলে রেখে দিয়েছি। আপনারা চাইলে হয়তো কখনও বার করতেও পারি। ![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
একটাও দেখিনাই, কি কমেন্ট করব!
লেখক বলেছেন: হেহেহে, এইটা তো আমি জানি! তবে Mother India আর 1947 Earth মিস করিস না, এগুলো আসলেও ভালো ছবি। ![]()
কঁাকন বলেছেন:
@ মাহমুদ হাসানভালো লাগা না লাগা তো আসলে ম্যান টু ম্যান ভ্যারি করে ; একজনের সাথে আরেকজনের না মেলাটাই বেশি স্বাভাবিক; "ও লামহে" আমারো ভালো লাগসিলো তবে "কাভি খুশি কাভি গাম" ভালো লাগেনাই; হাইড্রামা মনে হইছে আমার কাছে।
একটা বি -গ্রেড হিন্দি ছবি "হাজার খোয়াইস এ্যাসি" আমার বেশ পছন্দের কিন্তু এটা বোধয় আরকারো তেমন পছন্দ না।
লেখক বলেছেন: অনেকেই বোধহয় বুঝতে চান না যে ভালো লাগা না লাগাটা ম্যান টু ম্যান ভ্যারি করে। ![]()
কাভি খুশি কাভি গাম মহা বিরক্তিকর! খালি শো অফ, আর কিচ্ছু না।
Hazaaron Khwahishen Aisi'র নাম এবং গান দু'টোই শুনেছি, কিন্তু মুভিটা দেখা হয়নি।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
আমারে কষ্ট দিছে সালমানের তেরে নাম....
লেখক বলেছেন: ইস, এই ছবিটার কথা আমার বারবার মনে পড়ছিলো পোস্ট লেখার সময়।
শয়তান বলেছেন:
মাসুম দেখসেন ?
লেখক বলেছেন: পুরোটা দেখা হয়নি। বড়ই মায়াময় ছবি। ![]()
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
আমার মুভিচয়েস এক্কেরে খাইত টাইপের। কাজেই মাইণ্ডায়েন না!১। লাইফ ইজ বিউটিফুল(লা ভিটা লা বেলা)
২। হোটেল রুয়ান্ডা।
৩। বয় ইন স্ট্রিপ পাজামাস।
৪। মি. এন্ড মিসেস আইয়ার
৫। আগুনের পরশমনি
৬। মালিনা
৭। ব্রিজ টু টেরাবিথিয়া
৮। ওয়াটার(দীপা মেহতা)
৯। ভাত(?) শিওর না নামটা, শাবানা, আনোয়ার হোসেন অভিনীত।
১০। দুখাই, স্রেফ মাস্টারপীস।
লেখক বলেছেন: হাহা! এগুলো তো ভালো মুভি, মাইন্ডাবো কেন? ![]()
১, ৩, ৫, ৬, ৮ ভালো লাগে।
২, ৪ আর ১০ দেখার খুব ইচ্ছা। দেখা হয়নি এখনও।
কি যে করি বলেছেন:
Dear আমি এবং আঁধার , your list of movies is really great. I watched "The boy in the striped pijamas" couple of weeks ago...one of the best movie i had ever seen..i believe it will make anybody to cry...Thanks for put this one in your list.
Have fun.
লেখক বলেছেন: আপনার নামে লতা মঙ্গেশকরের একটা ভালো গান আছে।
লেখক বলেছেন: তব্দা খাইলাম কমেন্ট পইড়া।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ব্রাদার, আপাততঃ ড্রাফটে। খুব বোরিং লাগছিলো পোস্টটা। বিশাল প্যাঁচালো কাহিনী। ক্যান, বার করতাম?
সপ্ন পুরন বলেছেন:
"সাদমা"মুভিটা নাই দেখে অবাক হলাম।মনে হ্য় দেখেন নাই।পারলে দেখবেন।কমল হাসানের অসাধারন অভিনয়।
লেখক বলেছেন: খুব ভালো বলেছেন। আই রিয়্যালি মিসড দ্য নেম। আসলেই Sadma অনেক কষ্টের ছবি। খুব খারাপ লাগতে থাকে শেষ দৃশ্যে এসে। পৃথিবী কত নির্মম!
লেখক বলেছেন: ১ আর ৬ দেখো পারলে। ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: আদ্ধেক যেটুকু দেখেছেন সেটুকু কেমন লেগেছে তা তো বলতে পারতেন।
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
কোনটাই দেখা হয় নাই তবে 1947 Earth আর গ্যাংস্টার এর গানগুলো শুনছি
আগের পোস্টটা পড়ছিলাম......বিশাল কাহিনী
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আসলেই বিশাল কাহিনী। ![]()
খোমা নেই কেন আপামণি? একটা খোমা লাগান। খোমা না থাকলে বড় বড় খালি খালি দেখায়। ![]()
লেখক বলেছেন: তাই? এই মুভিগুলো আমার ঠিক কষ্টের মনে হয় না। অনেক টিপিক্যাল লাগে। হয়তো আর দশটা সাধারণ মুভির মত ফিনিশিং নয় কিন্তু মন খারাপ হয়নি দেখে।
লেখক বলেছেন: কষ্ট হয়নি? ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
ডাউনলোড লিঙ্কুঃMother India
Fashion
গ্যাংষ্টার মুভির গান গুলা দাউনলোড ভিডিও
হিন্দী মুভি দেখতে আসলে বাল্লাগে না, কিরাম জানি
লেখক বলেছেন: লিঙ্কের জন্য ম্যালা থেঙ্কু বেরাদার। কিন্তু হিন্দি মুভিকে 'হিন্দি মুভি' হিসেবে না দেখলেই তো হয়। অনেক টিপিক্যাল ছবি আছে, আবার অনেক ভালো ছবিও কিন্তু আছে। ভালো ছবি তো যেকোনও ভাষার হতে পারে, তাই না? ![]()
সমুদ্র কন্যা বলেছেন:
গ্যাংস্টার আর ফ্যাশন দেখেছি শুধু। ফ্যাশন কয়েকবার করে দেখছি আর খুব খুব কষ্ট হইছে।
লেখক বলেছেন: আসলেই কষ্টের। বাকিগুলোও দেখা হলে জানাবেন কেমন লাগলো। ![]()
লেখক বলেছেন: আমার খোমাখাতা স্টেটাসটা একটু দেখিস। There is a message. ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
একটাও দেখি নাইক্কা আর্থ দেখার ইচ্ছে আছে ।
আমি তো বেশির ভাগ ই WW2 এর উপর আসবে! কান্না কাটির মুভি মানেই ww2! (অস্কার পাওয়া সোজা কিনা! )
রঙ দে বাসন্তী , তারে জামিন পার তো ভালো ।
আমি এবং আঁধার বলেছেন
১। লাইফ ইজ বিউটিফুল(লা ভিটা লা বেলা) জোশ
২। হোটেল রুয়ান্ডা। দেখি নাই
৩। বয় ইন স্ট্রিপ পাজামাস। দেখি নাই
৪। মি. এন্ড মিসেস আইয়ার দেখি নাই
৫। আগুনের পরশমনি হু আর সেরা মুভি
৬। মালিনা খুব ভালো
৭। ব্রিজ টু টেরাবিথিয়া বেশ ভালো ।
৮। ওয়াটার(দীপা মেহতা) দেখার ইচ্ছা আছে
৯। ভাত দে হবে নাম, দেখছি , অনেক ছোট থাকতে, কেন যেন আমি আর আমার বড় বোন খুব হাসি ঠাট্টা করছি লাম ।
১০। দুখাই, স্রেফ মাস্টারপীস। দেখছি, মনে নাই ।
আমিও খুব শীঘ্রই মুভির উপর পোস্ট দিতেছি ।
আগের পোস্টটা পড়ার আগেই সরায়া দিলেন?!
লেখক বলেছেন: Taaren Zameen Par তো অনবদ্য। মুভিটা দেখে এত কেঁদেছি, কিন্তু কোনওভাবেই স্যাড বলতে পারবো না। বরং ঐ হিসেবে Rang de Basanti অনেক স্যাড। WW2 মুভিগুলোর মধ্যে The boy in striped payjamas ও অনেক স্যাড। The Pianist দেখে বেশ তব্দা খাইসিলাম কিন্তু ঠিক দুঃখের তো মনে হয়নি। আর Schindler's List এর লাস্ট দৃশ্যটা তো কেঁদে বুক ভাসানোর মত, কিন্তু ঐ যে, একটা ফিল গুড অনুভূতি থেকে যায়।
অস্কার পাওয়া সোজা নিয়ে ব্যঙ্গটা পড়ে মজা পেলাম। জলদি জলদি তোমার মুভি পোস্ট দিয়ে ফেলো। ![]()
আগের পোস্টটা কেন সরালাম সেটার ব্যাখ্যা ১৮ নাম্বার কমেন্টের রিপ্লাইয়ে দেয়া আছে। ![]()
লেখক বলেছেন: এই খুশিতে তোর পোস্টগুলা ফিরায়া আন। সিরিয়াস।
শিরীষ বলেছেন:
ফিজা, গ্যাংস্টার আর আর্থ দেখেছি। অংকুশটা দেখা হয়নি, খুব আলোচিত ছবি। দেখে নেবো সময় করে। গুড পোস্ট।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
ফিজা- গ্যাংস্টার- আর্থ একটাও দেখে কষ্ট হয়নি?
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: প্লিজ শেয়ার করুন সেগুলো। ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
pianist ,schinders list দেখছি ।দুঃখের ই তো লাগছে!!
তবে লাইফ ইজ বিউটিফুল আমার ফেভারিট ।
কারণ আশাবাদি হবার কথা বলছে তাই ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ পিয়ানিস্ট অবশ্য একটু দুঃখের আছে। মা বাবা ভাই বোন সবাইকে নিয়ে অতবড় একটা সংগ্রাম করা... এই ব্যাপারটা অনেক দুঃখের। শুধু একজন মানুষের জীবনযুদ্ধের কথা হলে হয়তো এত কষ্ট হতো না দেখে।
লাইফ ইজ বিউটিফুল একটা অদ্ভুত মুভি। প্রথম আদ্ধেক দেখতে মহা বোরিং লাগে কিন্তু শেষ আদ্ধেক এতই ভালো লাগে যে কি আর বলবো! অভিভূত হয়ে যাওয়ার মত। ![]()
লেখক বলেছেন: তাই বুঝি মুখটা অমন কাঁদো কাঁদো হয়ে আছে? ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
হিন্দি মুভিগুলোয় বেশির ভাগ ই এক্সেস আর ফেইক ইমোশন দেখায় । ভাল্বাসা । আমার ফেভ মুভিগুলা দেখেন।আমিরের কিছু মুভি ভাল লাগে । তারে যমিন পার, রাঙদে বাসান্তি আরও আছে। শাহ্রুকের নেকামু বোগাস লাগে । সাল্মানের অভিনয় হয় না । আর নায়িকা গুলা তো জাষ্ট শো পিস । আরএইস্টিডিএম ভাল লাগছিল, মুহাব্বাতেন এর আশ্রে তখন ভালা পাইতাম, তখন ইন্টারে ছিলাম
লেখক বলেছেন: আমির খান অনেক বড় মাপের অভিনেতা। শাহরুখ আর সালমান নেহাতই শোম্যানশিপ দিয়ে কাজ চালান, ভালো লাগার খুব বিশেষ কোনও কারণ নেই। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে শাহরুখের কখনও কোনও ফ্যামিলি রিলেশন বা ব্যাকগ্রাউন্ড ছিলো না, কাজেই হি ইজ আ ভেরি মাচ সেলফমেড ম্যান, এটার প্রশংসা করতেই হয়। তবে অভিনয়ে খুব বিশেষ কিছু দেখাতে পারেননি।
অভিনেত্রীদের মধ্যেও ভালো খারাপ আছে। আমি সবসময় তাদেরকে খুঁজি যাদের রূপ থাকুক বা না থাকুক গুণ থাকতেই হবে। যার অভিনয় ভালো না বা যার মধ্যে অভিনেত্রী হবার কোনও চেষ্টা নেই সে আর যার কাছেই প্রিয় হোক না কেন আমার কাছে তার কানাকড়িও দাম নেই।
সম্ভব হলে আপনি এই লিস্টের ছবিগুলো একটু দেখুন। কিছু ব্যতিক্রম পেতে পারেন। বিশেষ করে ১ আর ৬ তো সবার দেখা উচিত। ট্রাই ইট। ![]()
লেখক বলেছেন: আপাততঃ তোলা আছে ড্রাফটে... কেন বলুন তো?
নিলাচল বলেছেন:
লিস্টের মোটামোটি সবগুলি দেখেছি।Vastav আর Rang de Basanti এ দুটা ছবিও আমার কাছে ভালো লেগেছে।
একটা ইংলিশ ছবির কথা মনে পরছে, City of Angels.
লেখক বলেছেন: Vastav আমি দেখেছিলাম বোধহয়, ঠিক মনে পড়ছে না। আর Rang de Basanti দেখলে তো মন খারাপ হবেই। City of Angels এর শেষের দিকে এসে বুকটা কেমন হুহু করতে থাকে, না? ![]()
নিলাচল বলেছেন:
Vastav সনজয় দত্তের, শেষ দৃশ্যে ওকে ওর মা গুলি করে মেরে ফেলে। কিছু জিনিস মাদার ইন্ডিয়ার সাথে মিল আছে। City of Angels আমার খুবি প্রিয় একটা ছবি। এর প্রতিটা দৃশ্য, ডায়ালগ, মেগ রায়ান আর নিকোলাস কেইজের যেসব জায়গায় ডায়ালগ নেই সেখানে তাদের এক্সপ্রেশন সবকিছু আমার কাছে অসাধারন মনে হয়। আর শেষের দিকে তো চোখের পানি আটকে রাখাটাই কষ্টের ব্যাপার হয়ে যায়। লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আসলেই। দেখি, এবার সুযোগ করে Vastav ছবিটা আরেকবার দেখে নিতে হবে। ![]()
লেখক বলেছেন: অনেকেই খুব জিজ্ঞেস করছেন পোস্টটার কথা। আচ্ছা দেখি ওটাকে মুক্তি দেয়া যায় কিনা। ![]()
লেখক বলেছেন: ধুর্মিয়া আপ্নের খালি কুচ কুচ হোতা হ্যায়! ফ্যাশন দেখেন হেরপরে দেখবেন আর ঐসব কুচ মুচ ভাল্লাগবো না। ![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
প্রথমেই অভিনন্দন।কালেকশনটা ভালো হইছে। তবে শুধু হিন্দীতে সীমাবদ্ধ না থাকলে আরো ভালো লাগতো।
সেদিন আগুনের পরশমনি আবার দেখলাম। এত ভয়াবহ তীব্র কষ্ট বোধ হইছে বলার মতন না। বার বার এমনটা হয়। এর চেয়ে বেশি কষ্টবোধ আর কোনো মুভি দেখে আমার হয় নাই।
কিয়ানু রিভসের Sweet November মুভিটা দেখে অনেক অনেক খারাপ লাগছিল। সম্ভবত একমাত্র রোমান্টিক মুভি যেটা দেখে এত খারাপ লাগছে।
সঞ্জয় দত্তের Vastaav মুভির শেষ দৃশ্যে যখন তার মা তাকে গুলি করে মেরে ফেলে, অনেক খারাপ লাগে।
একটা রাশিয়ান যুদ্ধভিত্তিক মুভি দেখেছিলাম, ঠিক এই মুহুর্তে নাম মনে পড়ছে না। অসম্ভব কষ্ট লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস! আসলে হিন্দি ছবি দেখা হইসে তুলনামূলকভাবে বেশি, তাই ঐগুলার কথাই বেশি মনে পড়লো। দেখি নেক্সটবার অন্য ভাষার গুলো নিয়েও লিখবো।
আগুনের পরশমণি আমার আরও ভালো করে দেখতে হবে। বইটা পড়ে অনেক কষ্ট হইসিলো। Sweet November দেখলে কষ্ট হয় কিন্তু নায়িকার উপরে অনেক রাগও হয়।
আর Ballad of a soldier ছবিটাও সম্ভবতঃ অনেক কষ্টের। দেখা হয়নি কিন্তু শুনছি এরকম। দেখা দরকার।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
হমম, Ballad of a soldier। ধন্যবাদ নামটা কিছুতেই মনে করতে পারছিলাম না।
লেখক বলেছেন: ওহ, তাইলে তো মিলে গেলো। ![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
মাদার ইন্ডিয়াটা দেখিনি, তবে শুনেছি। ফিজা দেখেছিলাম।
আর আর....
আমি ছবির নাম মনে রাখতে পারি না।
.......
লেখক বলেছেন: হাহা! তাই তো বলি ভাঙ্গন স্যার কমেন্ট দেয় না কেন? ![]()
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
রিকুয়েলম ফর এ ড্রিম দেখেছেন? দম বন্ধ হয়ে আসে মন খারাপের চোটে!!
লেখক বলেছেন: ভাইরে এই ছবিটা আমার দেখার খুব সাধ ছিলো, কিন্তু এত শকিং মুভি দেখার সাহস নাই একেবারেই। ইউটিউবে আমি এটার বেশ কিছু ক্লিপ দেখেছি, দৃশ্যগুলো দেখে এত খারাপ লাগেনি যত খারাপ লেগেছে এই ছবির থিম মিউজিক শুনে। কি যে অদ্ভুত একটা সুর... একেবারে মাথার মধ্যে গিয়ে ধাক্কা মারে। মাথা একদম জ্যাম হয়ে গেসিলো। তারপর থেকে দেখার ইচ্ছা বাদ দিসি। ![]()
লেখক বলেছেন: ঐ মিয়া ডাউনলুড লিঙ্কু দিসি তো। আর ডিভিডি তো তুমি আমারে দিবা, আমি তুমারে দিমু ক্যান? ![]()
স্বপ্নকথক বলেছেন:
আপ্নেও দেখি গদাম দেয়া শিখে গেছেন!!
লেখক বলেছেন: আমি ম্যালা আগে থেকেই গদাম দিই ব্রাদার। মনে মনে আমিও তো একজন এ টিম কিংবা সিপিজি সদস্য, তাই না? ![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
Mother India আর Anukush দেখার লিষ্টে যোগ করতে চাইছিলাম। কিন্তু কথা হচ্ছে Anukush এর কাহিনী কি তা তুমি বলে দিলে আর আমি ভুলে পড়ে ফেলেছি, এখন আর দেখি কি করে লেখক বলেছেন: হাহা! মজা পেলাম কমেন্ট পড়ে। সত্যি বলতে কি, ঐ ছবিগুলোর কাহিনী তুমি হয়তো জেনে গেছো কিন্তু দেখার অনুভূতিটা সম্পূর্ণ অন্যরকম, সেটা কিন্তু তুমি কাহিনী জানা থাকলেও পাবে না থাকলেও পাবে)। কাজেই আমার মনে হয় তোমার দু'টো মুভিই দেখে নেয়া উচিত।
পাথুরে বলেছেন:
ধুর কষ্ট কৈরা ডাউনলোড কৈরা দেখতারুম না। আমি আলস্যের প্রতিভূ।
ডিভিডি আমি দিমু ক্যা? আমি দেখতে কৈছি, নাকি আমার ঠ্যাকা লাগসে??
লেখক বলেছেন: না সব ডিভিডি আমার। এগুলো আমি কাউকে দেবো না। না না না। কেউ চাইলে তার মাথায় পাথর দিয়ে বাড়ি দেবো। ![]()
দূর্ভাষী বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, কারন সবগুলি আমার প্রিয় ছবি।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস দূর্ভাষীদা। খুব ভালো লাগলো। ভালো থাকুন। ![]()
রেজোওয়ানা বলেছেন:
ছোট বেলায় দেখা একটা মন খারাপ করা ছবির কথা খুব মনে পরে, "ছুটির ঘন্টা"। এছাড়া এটি এম শামসুজ্জামান মুল চরিত্রে ছিল, এমন একটা সিনেমা দেখেছিলাম। নামটা কিছুতেই মনে পড়ছে না। সিনেমায় ছোট্ট এতিম শিশুর সংগ্রাম আর তার বড় হয়ে ওঠা ছিল মুল বি্যয়, যে পরবর্তিতে এফডিসিতে বয় এর কাজ করে । এই ভুমিকায় শামসুজ্জামন খুব দারুন অভিনয় করেছিলেন।
এটাতে " মানুষ মানুষের জন্য" এই গানটা ছিল। ছবিটার কথা মনে পড়লে এখনও মনটা খারাপ হয়ে যায়।
আফসোস বাংলা সিনেমার কি অবস্থা হয়েছে এখন
লেখক বলেছেন: ছুটির ঘন্টা ছবিটার নাম অনেক শুনেছি, কিন্তু দূর্ভাগ্যবশতঃ এখনও দেখা হয়নি। আসলেই কাহিনীটা কষ্টের।
রেজোওয়ানা আপা চেষ্টা করুন এই লিস্টের মুভিগুলো দেখার। ভালো লাগবে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমি তো একটাও দেখি নাই। আমার জীবন কি তাইলে ১৬আনাই বৃথা হইয়া গেল?দ্য পিয়ানিস্ট দেখছেন?
লেখক বলেছেন: দেখেছি। আমার দেখা প্রথম ওয়ার মুভি এবং অসম্ভব প্রিয়। মনের ওপর খুব ছাপ ফেলে যায়।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা! তা মাঝেমাঝে একটু আধটু দুঃখ না হলে আনন্দের স্বাদ পাবেন কি করে টিনটিন সাহেব? ![]()
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপ্নি তো সবগুলো হিন্দি ছবির তালিকা দিছেন এখানে। ব্ল্যাক দেখেছেন? কেমন লেগেছে?
লেখক বলেছেন: দেখিনি।
লেখক বলেছেন: জানি। ![]()
ফয়সালরকস বলেছেন:
তুমার সমস্যা কি জানো...
তুমি পোষ্ট দ্যাও খালি রাইতে! আমি তহন ঘুমাই...মাইনষে টাটকা কমেন্ট দিয়া যায়! হাঃ
এইবার এট্টু মিলাও...
১. নিউ দিল্লী টাইমস
২. গুঞ্জ
৩. চাঁদনী বার
৪. ম্যায় আজাদ হু
তুমার রুচি অনুযায়ী একটা চেষ্টা করলাম আরকি!
কেমন লাগে জানাও তাড়াতাড়ি!
ও বাংলাদেশের যে দুটি ছবি হলে গিয়ে দেখেছিলাম কিন্তু শকড হয়েছিলাম...
১. ছুটির ঘন্টা
২. অনন্ত প্রেম
এই দুটি ছবিই আর্লি ৮০ এর! চিন্তা করতে পারো কতটা মেধাবী ছিল তখনকার পরিচালক আর গল্পকার!
লেখক বলেছেন: ভাইডি, আমি রাইতে পুস্ট দিই, আপ্নে দ্যাখেন দিনের বেলা মাগার কমেন্ট তো দ্যান না! ২ মাস আগে একবার দিসিলেন আর আইজকা দিলেন। ![]()
হিন্দিগুলোর মধ্যে শুধু চান্দনী বার দেখেছি, যদ্দুর মনে পড়ে। আসলেই খুব বঞ্চনার কাহিনী। বাকি একটাও দেখিনি, এমনকি ছুটির ঘন্টাও না। আমার দূর্ভাগ্য।
আমার এক একসময় মনে হয় আগগেকার সময়ের পরিচালকেরাই বেশি মেধাবী ছিলো। ![]()
নতুন পোস্ট দেন একটা। পড়ি।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
হাসান মাহবুব বলেছেন: একটাও দেখিনাই, কি কমেন্ট করব!
লেখক বলেছেন: তুমি তো অনেক মুভি ডাউনলোড করে দ্যাখো। এখানে বেশ কয়েকটার ডাউনলোড/স্ট্রিমিং লিঙ্ক দেয়া আছে। দেখে ফ্যালো, নাকি?
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
আগে যেগুলা জমছে এগুলা দেখি।পোষ্টটা খেয়াল করে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ভালো করে ড্যাবড্যাব করে খেয়াল করবে কেমন? ![]()
হিরম্ময় কারিগর বলেছেন:
অন্কুশ ছাড়া বাকীগুলো দেখেছি। এ মূহুর্তে মনে পড়ছে স্মীতা পাতিল- সুনিল দত্তের দর্দ কা রিস্তা সাম্প্রতিক সময়ে দেখা অমিতাভ- শর্মিলা ঠাকুর এর বিরুদ্ধ, অমিতাভ-হেমার ভগবান।
লেখক বলেছেন: আমি স্মিতা পাটিলের মহা ভক্ত, তবে দর্দ কা রিশ্তা দেখা হয়নি। বিরুদ্ধ সম্ভবতঃ অনেক কষ্টের, ট্রেইলার দেখে যুতুটকু বুঝেছি। আর বাগবান (উচ্চারণটা ভগবান নয়, বাগবান) দেখে খুবই মায়া লেগেছে। হয়তো আমাদের সবার জীবনেই ওরকম একটা মুহূর্ত অপেক্ষা করে আছে।
কায়কোবাদ বলেছেন:
'ফিজা' আসলেই মন খারাপ করে দেয়..........গ্যংস্টার ভাল্লাগে নাই।'দিল সে' দেখেও মন খারাপ হ্য়।
'রাং দে বাসান্তি' মন খারাপ করা হলেও আমার খুব পছন্দের ছবি।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, Dil se ও খুব বিষন্ন করে দেয়ার মত একটা ছবি। আর Rang de Basanti তো কিংবদন্তী ছবি। রীতিমত স্তব্ধ করে দেয় কিন্তু ভালোলাগাটাও কোনওভাবেই এড়ানো যায় না।
লেখক বলেছেন: ফুলের ছবিটা খুবই সুন্দর হয়েছে। গোলাপি জবা, তাই না? পারলে আপনি একটা ছবি ব্লগ দিন, সেখানে আপনার বাগানের সব ফুলের ছবি রাখুন। এখানে সবাই ছবি ব্লগ দেখতে খুব ভালোবাসে। সবাই খুব পছন্দ করবে দেখবেন। ![]()
লেখক বলেছেন: সম্ভবতঃ ছবিটা আমার বাবা মা দেখেছেন কিন্তু আমার দেখা হয়নি। দেখি, সুযোগ পেলে দেখে ফেলবো। ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকে আজ ফেসবুকে খুঁজে বার করেছি। ঠিকই একদিন অ্যাড করে ফেলবো। ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ছবিটা আবারও দেখতে ইচ্ছে করছে। ![]()
নার্ডী বয় বলেছেন:
এখানে আপনার পোস্টে সবচেয়ে কষ্টের ছবি মনে হয়েছে দীপা মেহতার আর্থ ছবিটাকে।অসাধারণ একটা মুভি।দীপা মেহতা খুবই উঁচু মানের পরিচালক।উনার ওয়াটার মুভি টা না দেখে থাকলে দেখেন ঐটা ও একটা মাস্টারপীস আর মন খারাপ করা অতি বাস্তব কাহিনীজাপানী একটা মুভি দেখেছিলাম অনেকদিন আগে নাম ডিপার্চাস
আমার জীবনে এর চেয়ে মন খারাপ করা মুভি আর দেখি নাই।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, ওয়াটারও অনেক কষ্টের ছবি। ইন ফ্যাক্ট বোধহয় আর্থের চেয়েও বেশি।
নার্ডী বয় বলেছেন:
ডিপার্চাস=ডিপার্চার্স
লেখক বলেছেন: তাহলে তো দেখতে হয়। ![]()
রোকসানা রশীদ বলেছেন:
হুমমম, 'ওয়াটার' আসলেই অনেক টাচি মুভি। এইটাও এমন একটা মুভি যা আমি দ্বিতীয়বার দেখতে পারি নাই, আর প্রথম বার দেখে কান্না থামাতে পারি নাই। রিয়েলিটি যখন ফিকশনে রূপ নেয় তখন তা আরো বেশি নিষ্ঠুর সত্য মনে হয়, মেনে নেয়া যায় না সহজে।
লেখক বলেছেন: আমি ঠিক পুরোটা দেখতে পারিনি, মোটামুটি লাস্ট হাফ দেখেছি। কেমন অক্ষম একটা কষ্ট হতে থাকে। ফায়ার দেখিনি, তবে ওটা বাদ দিলে দীপা মেহতার বাকি দু'টো মুভিই এমন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
শিব্রাম বলেছেন, বাংলা ছবিকে আমরা যতই নাক সিটকাই না কেন এর মত কান্নার জোলাপ আর হয় না।উপমহাদেশের ছবির ক্ষেত্রেও মনে হয় এই কথাই প্রযোজ্য।
লেখক বলেছেন: ব্রাদার দিলা তো আমার সিরিয়াস পোস্টটার বারোটা বাজাইয়া!
সুনেত্রা বলেছেন:
আপু এই কয়দিনে যা বুঝলাম আপনি প্রচন্ড জনপ্রিয় একজন ব্লগার,একটা অনুরোধ -প্রোফাইল পিকটা পরিবর্তন করুন।আপনার পিকটাই দিন।একজন পুরুষ যদির তার নিজের পিক দিতে পারে আমরা পারবোনা কেন,এইভাবে মেয়েরা যদি নিজেদের আলাদা ও আড়াল করে রাখেন তা হলে আমরা সম অধিকারে যাবো কিভাবে?
একটা মেয়ে যদি কোন বিষয়ে ডিটারমাইন্ড থাকেন তো একজন পরুষের মতই মাথা উচু করে চলা সম্ভব।
লেখক বলেছেন: আমি প্রায়ই প্রোফাইল পিক পরিবর্তন করি। নিজের ছবিও দিয়েছি অনেকবার। আপনার চোখে পড়েনি হয়তো।
প্রোফাইল পিক বা নিক পছন্দের ক্ষেত্রে নারী অধিকার বা পুরুষ অধিকার খুবই দূর্বল এবং মূল্যহীন ইস্যু।
সুনেত্রা বলেছেন:
সরি ,লেখার কথা বলতে ভুলে গেছি,লেখার কথা আর কি বলবো, আপনি জনপ্রিয় লেখক,মন্তব্য বিশেষ দরকার আছে কি?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। লেখা ভালো না হলেও একজন ব্লগার জনপ্রিয় হতে পারেন।
নুভান বলেছেন:
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: একটাও দেখিনাই, কি কমেন্ট করব!
লেখক বলেছেন: ১ আর ৬ আসলেই খুব ভালো মুভি। ডাউনলোড এবং স্ট্রিমিং লিঙ্ক দেয়া আছে। আপনি তো অনেক ধরনের অনেক ভাষার মুভি দেখেন। এগুলোও একটু ট্রাই করে দেখুন।
সুনেত্রা বলেছেন:
প্রোফাইল পিক বা নিক পছন্দের ক্ষেত্রে নারী অধিকার বা পুরুষ অধিকার খুবই দূর্বল এবং মূল্যহীন ইস্যু। [/siবিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন।
লেখক বলেছেন: ...............
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
লিংকুর জন্য থ্যাংকুএখন অসম্ভব মজার কয়টা ছবির নাম বলেনতো আপু.....কমেডি দেখতে ইচ্চা করছে অনেকদিন ধরেই কিন্তু খুজে পাচ্ছি না
আর খোমা দিছি
লেখক বলেছেন: কমেডি খুব একটা দেখা হয়নি আসলে। ইচ্ছে করে দেখিনি তা না, এমনিই দেখা হয়ে ওঠেনি। দেখি, অন্য কারো কমেডি মুভির পোস্ট পেলে আপনাকে লিঙ্ক দেবো।
খোমা লাগিয়েছেন তা তো অনেক আগেই দেখেছি। আগে রঙিন ছিলো, আজ দেখি সাদাকালো করে দিলেন।
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
@সুনেত্রা: যেহেতু ব্লগ সুতরাং সমঅধিকারের প্রশ্নটা বোধহয় পোস্টের কনটেন্ট/ কোয়ালিটির ভিত্তিতে হবেলেখক বলেছেন: কেউ বুঝতে না চাইলে তাকে বোঝানো খুব কঠিন।
তুষারকনা বলেছেন:
ছোটবেলায় "অন্জলী" নামে একটা মুভি ছিলো,দেখসো কিনা জানিনা,ছোট্ট একটা অটিস্টিক বাচ্চাকে নিয়ে।ঐটা যতবার দেখসি,ততবার কাঁদসি...
লেখক বলেছেন: অঞ্জলী? ঠিক মনে পড়ছে না...
নুভান বলেছেন:
মাদার ইন্ডিয়া ছবিটির কথা বাবার মুখে অনেক শুনেছি, দেখা হয়ে ওঠেনি। ধন্যবাদ লিঙ্ক শেয়ারের জন্য।
লেখক বলেছেন: দেখে ফেলুন, ভালো লাগবে। ধন্যবাদ। ![]()
অনবদ্য বলেছেন:
হিন্দী শুধু?
লেখক বলেছেন: আপাতত।
কিঙ্কর বলেছেন:
আমার জন্য এইগুলা হইল গুরুপাক ফিলিম, তার উপরে হিন্দিভাষা বুঝি কম।
তয় বাল্যবয়েসে বাংলা ফিলিম দেখতে বসলে বুকটা যে হুহু কইরা উঠতো - এই কথা পষ্ট মনে আছে। দুইচোখে ইউফ্রেতিস আর তাইগ্রিস উইঠা আসতো। আহারে, শাবানার কষ্ট...!
লেখক বলেছেন: আর বেদের মেয়ে জোসনা ছবিতে অঞ্জু ঘোষের কষ্ট? ওটা দেখে কিছু মনে হয়নি? ![]()
লেখক বলেছেন: কই মণি রত্নমের নাম তো কোথাও লেখা দেখলাম না। আর একটা ব্যাপার, মণি রত্নমের মুভির কখনও এত টিপিক্যাল নাম হয় না। অনেক ছবি আছে যেগুলো ওনার পরিচালিত (Roja, Bombay, Dil se, Guru), আবার অনেকগুলো আছে যেগুলোতে তিনি ডিরেকশনের কাজ করেননি কেবল প্রোডিউসার হিসেবে ছিলেন (Saathiya, Yuva), কোনও মুভিরই ওরকম ক্ষ্যাত মার্কা নাম নয়। যতদূর আমার চোখে পড়েছে সেই হিসেবেই বললাম আর কি। আচ্ছা ঠিক আছে পরে আবার চেক করে দেখবো।
প্রাকৃত বলেছেন:
ফিজা......এখনো প্রিয় ছবিগুলোর একটি।
লেখক বলেছেন: আমারও। দেখতে অনেক কষ্ট হলেও বা নেহাতই মেইনস্ট্রিম সিনেমা হলেও কখনও একে আমি টিপিক্যাল আর দশটা মুভির কাতারে ফেলতে পারবো না।
লেখক বলেছেন: আরে আপা, এই তো মুভির নাম বেরিয়ে গেলো। দেখেন মুভির নাম হচ্ছে Anjali. কিন্তু আপনি যে লিঙ্কটা দিয়েছেন ওখানে মুভির নাম দেখাচ্ছে Aage Jaye Mera Dil Leke
তাই ওরকম বলেছিলাম। আচ্ছা এই মুভিটা কেমন? ভালো নিশ্চয়ই। দেখা দরকার... আমি আবার মণি রত্নমের একেবারে ডাই হার্ড ফ্যান কিনা! ![]()
লেখক বলেছেন: ছবিটা অনেকদিন ধরে দেখার পাঁয়তারা কষছি কিন্তু হয়ে উঠছে না। দাঁড়ান, এই দফা আর মিস হবে না।
অনেক দু:খের নাকি কবি ভাই?
লেখক বলেছেন: আসলেই তাই। এটা আমারও অনেকবার মনে হয়েছে। কিন্তু রিভিউ লেখার মত তেমন কিছু মনে পড়লো না বলে লিখতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: থ্যান্কস বাউলদা। দু'একটা বাংলা ছবির নাম আপনিই সাজেস্ট করুন না! ![]()
লেখক বলেছেন: এককালে হিন্দি মুভি দেখেছি অনেক। এখন আর ওভাবে দেখা হয় না। একেবারে হাতের কাছে ফ্রি পেলেও না। ![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
One flew over the cuckoos nest অবশ্যই দেখবা। যেরকম ছবি সেরকম নিকলসনের অভিনয়! নিকলসনের আরো কিছু দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, as good as it gets, shinning, about schimdt. নিকলসন আমার বস।
লেখক বলেছেন: যে আমার সাজেস্ট করা মুভি দেখে না আমি তার সাজেস্ট করা মুভি দেখতে যাবো কোন দুঃখে!
প্রতীক্ষা বলেছেন:
কয়েকটি মাথা চিবিয়ে খাওয়া রোমান্টিক গান কয়েকটি ঘুম হারাম করা পুরনো দিনের গান
অসম্ভব মন খারাপ করিয়ে দেয়া কয়েকটি চলচ্চিত্র!
ভাবতেছি এরপরের টা কি হবে!
মুভি বেশি দেখি না, সো পোস্ট নিয়ে নো কমেন্টস!
লেখক বলেছেন: আমার লেখালিখি আজকাল বড্ড বেশি 'কয়েকটি' রিলেটেড হয়ে যাচ্ছে। নিজের লেখার শিরোনাম পড়ে নিজেই মহা বিরক্ত হই। নাহ, কিছু একটা করা দরকার। ![]()
প্রতীক্ষা বলেছেন:
একটা কিছু করা দরকার, একটা কিছু করা দরকার! মনে হয় এসব গান, মুভি আপনার ঘুম হারাম করে, মন খারাপ করে, মাথা চিবিয়ে খেয়েও
আপনাকে খুব আনন্দে রাখে!
লেখক বলেছেন: প্রতীক্ষা আপা তো দেখি বেশ মজার মজার কথা বলেন! ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
ওয়ান ফ্লিউ ওভার কাক্কু'স নেস্ট-আমার প্রচন্ড ফেভ । মাস্ট সি মাষ্টার পিস । অসাধারন সাইকোলজিকাল মুভি । নিকলসন (মারফি)আর চিফ কেরেক্টার দুইটা জোস লাগছিল । প্রচলিত সিস্টেমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ।ডাউনলোড
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস। গত কয়েকদিন ধরে জিপি ইন্টারনেটের স্পিড অবিশ্বাস্য রকম Fall করেছে। মুভি তো দূরের কথা সামান্য একটা ৫ মেগাবাইটের গান নামাতে গেলেও একেবারে নাকানিচুবানি খাওয়ার মত অবস্থা হয়। দেখি নামাতে পারি কিনা। নইলে আবার ডিভিডির মুখাপেক্ষী হতে হবে।
ডট কম ০০৯ বলেছেন:
গ্যাংস্টার দেইক্ষা আমার মিজাজটা এমুন খারাপ হইছিল আপ্নে সেই কথা মনে করাইয়াদিলেনআপ্নারে ১০০ টা মাইনাস।
ফাউল পরিচালক।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাইনাস দেয়ার জন্য। এটাই বাকি ছিলো।
মনি moni বলেছেন:
++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
ভেবু আপু, অংকুশ বাদে বাকি গুলো দেখেছি।আপু এবার প্রচন্ড হাসির সিনেমার একটা রিভিউ দেন।
লেখক বলেছেন: হাহা! আসলে হাসির ছবি ঐভাবে দেখা হয়নি অনেকদিন। সিরিয়াস মুভিই বেশি দেখা হয়, তাও আবার আজকাল কমে গেছে অনেক। দেখি, মনে পড়লেই লিখে ফেলবো। ![]()
তানিয়া মুন বলেছেন:
১৯৪৭ আর্থ মুভিটা কিছুদিন আগে দেখলাম। ভীষণ ভালো লেগেছে।গ্যংষ্টারও দেখেছি। বাকিগুলো দেখব আশা রাখছি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না। ![]()
ঘাসফুল বলেছেন:
আমি সবসময় মন ভালু রাখতে চাই... কানবার চাইনা... তাই সচেতনতার সাথে অতিব দুক্ষের ছবি এড়িয়ে চলি পোষ্টে প্লাস...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস। অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে। আপনার ছবি পোস্টগুলো খুব ভালো লাগতো। ![]()
প্রবাসী রনি বলেছেন:
আপু ২০১ নং কমেন্টে শুধু ++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আচ্ছা! অনেক ধন্যবাদ। ![]()
বৈকুন্ঠ বলেছেন:
এক্টাও দেকসিনা
লেখক বলেছেন: আপ্নের তো সোন্দর একখান খোমা আছিলো। কই গেলো ঐডা?
লেখক বলেছেন: নো প্রব। উৎসাহের কমতি হবে না আশা করি।
মন মেজাজ ভালো নাই। এত সাধের ল্যাপটপটা নষ্ট হয়ে গেছে। খারাপ লাগছে খুব।
লেখক বলেছেন: শেষ পর্যন্ত হয়তো যেতেই হবে। হার্ডডিস্ক এর সফটওয়্যার সংক্রান্ত রিপেয়ার/মেইনটেনেন্সের কাজ করে এরকম কোনও দোকানের সন্ধান পেলে জানাস।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি চলচিত্র খুবই কম দেখি, শেষ কবে হিন্দি ছবি দেখেছি তাও মনে নেই! কিছু বলতে পারছি না। লেখক বলেছেন: আপনি চলচ্চিত্র কম দেখেছেন! বলেন কি অভিদা! আমি তো জানতাম আপনি অনেক মুভিখোর। ![]()
লেখক বলেছেন: আমারও তো একই চিন্তা। ![]()
রাজসোহান বলেছেন:
ধুর(হেডিং বাই হামা বোচ )
লেখক বলেছেন: প্রেমিকার কি খবর? ![]()
লেখক বলেছেন: দেখা যাক...
রাজসোহান বলেছেন:
প্রেমিকা আজও সাড়া দেয় নি, চেষ্টায় আছি। আকাশ দার পোস্ট টা পড়ছ আপু? প্রচন্ড অসুস্থ লাগছে।
লেখক বলেছেন: গতকাল ব্যাপারটা জানার পর থেকে মনে শান্তি নেই। আমি বলে বোঝাতে পারবো না ঠিক কিরকম ফিল করছি। কোনও ভাষা দিয়ে এই ঘৃণা বা ক্ষোভ প্রকাশ করা সম্ভব না।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
হা ইশ্বর, বলিউড ও বলে মুভি বানায় !!!! হাতে খরচ করার মতো কিছু সময়+একটা চেয়ার+এক ঠোঙ্গা পপ কর্ণ=বলিউড মুভিজ।
লেখক বলেছেন: সবকিছুকে এরকম মাইন্ডসেট নিয়ে দেখলে অনেক ভালো জিনিস মিস করবেন। ব্যতিক্রম নিশ্চয়ই উদাহরণ হতে পারে না, কিন্তু তাই বলে ব্যতিক্রমের নিজস্ব ভ্যালু নষ্ট হয় না কখনোই।
করবি বলেছেন:
প্রায় সব গুলোই দেখা। মাদার ইন্ডিয়া যে কতবার দেখেছি!!
*' দর্দ কা রিস্তা'
* তেরে নাম
* "অন্জলী
*ছুটির ঘন্টা
*আগুনের পরশ মনি
*ভাত দে.......
ছবি গুলো দেখে কত কেদেঁছি। আর একটা হিন্দি ছবির নাম মনে পড়ছে না সুচিত্রা সেনের।
তেরে বিনা জিন্দেগীসে কই সেকওয়াতো নেহী এই গানটা যে আছে সেই ছবিটা।
লেখক বলেছেন: বাহ, পছন্দ বেশ মিলে গেলো দেখা যায়। এই পোস্টে যারা কমেন্ট করেছেন তাদের অন্ততঃ ৯৫% মানুষ মাদার ইন্ডিয়া দেখেননি। আপনি দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো।
ঐ মুভিটার নাম হচ্ছে আঁধি। পলিটিক্যাল ড্রামা জেনারে পড়ে সম্ভবতঃ। পুরোটা দেখিনি, কিন্তু খুব ভালো লেগেছে। অন্যরকম। ![]()
নৈশচারী বলেছেন:
গ্যাংস্টার দেখে আমার ও খুব কষ্ট হয়েছিল।রং দে বাসন্তী ও খুবই কষ্টের সিনেমা। বর্ডার দেখেছেন কিনা জানিনা তবে ওই সিনেমাটি দেখেও অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। দেশ নিয়ে তৈরী ওদের বেশিরভাগ মুভিগুলোই খুবই হৃদয়স্পর্শী।
অ ট: আপু আপনি আমার ব্লগে আসেন কিন্তু কোনো কথাবার্তা না বলেই চুপচাপ চলে যান এইটা কেমন কথা!!!
লেখক বলেছেন: বর্ডার পুরোটা দেখা হয়নি তবে কষ্টের যে এটা বোঝা যায়। গানগুলো ভালো ছিলো।
অ.ট.--- আসলে মন্তব্য করা না করাটা আমার মনে হয় অনেকগুলো ফ্যাক্টরের ওপর ডিপেন্ড করে। অনেক সময় ব্যস্ততা থাকে, অনেক সময় শারীরিক ক্লান্তি ভর করে, আবার অনেকসময় কি লিখবো তা বুঝে উঠতে পারি না। তবে কারও ব্লগে গেলেই যে কমেন্ট করতে হবে এরকম কোনও ধরাবাঁধা মানসিকতা না রাখাই ভালো। প্রতিদিন ব্লগে আমার ব্লগে অনেকে আসেন যারা আমার বন্ধু ও সুহৃদ অথচ কমেন্ট করেন না, সেজন্য আমি নিশ্চয়ই তাঁদের কাছে অভিযোগ করতে পারি না। এটা যার যার ব্যক্তিগত ইচ্ছে-অনিচ্ছের ব্যাপার, এর ওপরে কি আর জোরাজুরি চলে?
আমি আপনার গল্পে কমেন্ট করিনি কারণ আমি যে কথাটা বলতে চাইছিলাম সেটা কিভাবে বলবো বা বোঝাবো সেটা বুঝতে পারছিলাম না।
নৈশচারী বলেছেন:
অপু এটা তো অভিযোগ ছিল না একদমই। শুধু একটা ছেলেমানুষী আবদার ছিল সেটাও অত সিরিয়াস কিছু না। তাই জোরাজুরির তো প্রশ্নই আসে না। যাহোক আপনি বুঝতে পারেননি বোধহয়। ভালো থাকুন আর লিখতে থাকুন! শুভকামনা রইলো আর যেহেতু আমি আপনার চেয়ে অনেক ছোট তাই আমাকে তুমি করে বললেই খুশি হব!
লেখক বলেছেন: নেভার মাইন্ড ব্রো। আমি যাবোনি তোমার পোস্টে। জানিয়ে আসবো আমার কথাটা। চিয়ার্স! ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
অসম্ভব মন খারাপ করিয়ে দেয়া কয়েকটি চলচ্চিত্র।দেখতে বসার আগে খালি বালতি আর গামছা নিয়ে বসা বাধ্যতামূলক। সকলকে তাজ প্লাষ্টিকের বালতি ব্যবহারের জন্য আহবান করা হৈতাছে। তাজ প্লাষ্টিক টেকে বেশী দিন আর সঠিক পরিমাপ।
ভাগলাম! যে কোন সময় মাইর খাইতে পারি!
লেখক বলেছেন: এই বালতি দিয়া যদি আমি রাজুর মাথাত একখান বাড়ি না দিসি তো আমার নাম ভেবু না! ![]()
লেখক বলেছেন: এই ব্লগে এমন অনেকে আছে যাদের নাম তোমার ফরম্যাটের (যেমন দুরন্ত স্বপ্নচারী, গ্রহচারী, আকাশচুরি) যারা সকলেই পুরুষ। কাজেই... বুঝতেই পারছো। ![]()
লেখক বলেছেন: আহারে বেচারা! ![]()
লেখক বলেছেন: হবে হয়তো কখনও...
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
আমার হাসির ছবির লিংকু তো পেলাম নাআচ্ছা কয়টা হাসির নাটক সাজেস্ট করেনতো,অনেকদিন ধরে হাসির কিছু দেখতে ইচ্ছা করছে,সিরিয়াস জিনিস আর ভাল্লাগে না।
টিভি দেখা হয় নাতো তাই নাটকের নামধামও জানিনা তেমন
লেখক বলেছেন: টিভি দেখা বাদ দিয়েছি অনেক আগেই। তবে খেলা দেখতে ভালো লাগে। বিশেষ করে ক্রিকেট ফুটবলের বড় বড় টুর্নামেন্টগুলোর প্রতি আমার খুব আগ্রহ। ট্রাই করে দেখতে পারেন, you may like it.
এখন তো ইন্ডিয়ান আইডল Season 5 শুরু হয়েছে। ওর মধ্যে অজস্র হাসির এলিমেন্ট থাকে। তাই হাসার দরকার হলে ওটা দিয়েই কাজ চালিয়ে নিই আর কি।
নীলান্জনার খোজে বলেছেন:
দেখতে পারেন:1. Children of Heaven (Iranian film)
2. Schiendler's list
আপনার ভাল লাগবে ।
লেখক বলেছেন: প্রথমটা অর্ধেকটা দেখেছি, বাকিটা দেখে ফেলবো আশা রাখি। আর ২য়টা নিয়ে এই ব্লগেই লিখেছি অনেক কিছু। মনে পড়ে গেলো সেইসব দিনের কথা। ![]()
জোবায়ের বিন ইসলাম বলেছেন:
আপনি যেই ছবিগুলার কথা উল্লেখ করেছেন সেগুলা দেখে ত মনে হলনা যে সেগুলা অসম্ভব মন খারাপ করিয়ে দেয়া । আপনি মনে হয় খুব বেশি হিন্দি সিনেমা দেখেন নাই। ওয়াটার দেখেছেন?
গান্ধী দেখেছেন?
অপুর সংসার দেখেছেন? (বাংল)
সত্যজিত রায়ের কোন ছবি দেখেছেন আজ পর্যন্ত?
না দেখলে আজই দেখা শুরু করেন। তারপর আপনার হাসিমাখা প্রোফাইল পিকচার টা বদল করে একটা কান্না কান্না পিকচার দেন ঃ( আমার ত এখনি চোখে পানি চলে আসছে।
লেখক বলেছেন: ওয়াটার দেখেছি। অনেক কষ্টের।
জোবায়ের বিন ইসলাম বলেছেন:
আপনার নাম কি অনিন্দিতা শাহানাজ?
লেখক বলেছেন: না।
Click This Link
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। দেখবো নিশ্চয়ই। ![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
আর্থ (শাবানা আজমী, স্মিতা পাতিল, কুল ভুষন) সাদমা ( শ্রীদেবী, কমল হাসান)
মাসুম ( নাসিরুদ্দীন শাহ, শাবানা আজমী)
আখির কিউ (স্মিতা পাতিল, রাজেস খান্না)
সাহেব বিবি আউর গুলাম (মীনা কুমারী, নতুন)
আরও নাম পরে দিবো। এই ছবি গুলো দেখো।
লেখক বলেছেন: প্রথম ৩টা দেখেছি (মাসুম অবশ্য পুরো দেখতে পারিনি, কিছুটা দেখেছি)। ভালো লেগেছে সবগুলোই, খুব খুব ভালো। বাকি দু'টোও দেখে ফেলবো আশা করি। থ্যাঙ্কস ফর দ্য সাজেশন ম্যাডাম।
সাজায়ে কালাপানি
চাঁদনী বার
মেট্রো
মিষ্টার এন্ড মিসেস আয়ার
লাজ (আসাম)
লেখক বলেছেন: ১মটা দেখে অনেক কেঁদেছি।
২য়টার কাহিনী শুনে যতটুকু বুঝেছি, এই মুভি দেখতে অনেক নার্ভ লাগবে যা আমার নেই। ![]()
৩য়টা দেখা হয়নি। দেখতে হবে।
৪র্থটা দেখার অনেক ইচ্ছে আছে।
৫মটার তো নামই শুনিনি! ![]()
প্রাইমারী স্কুলের সবচাইতে মেধাবী এবং সম্ভাবনাময় গরিব মেয়েটার স্কুলে না আসার কারণ খোঁজা হয়েছে পুরো ছবিতে।
লেখক বলেছেন: নোটেড। দেখবো আশা করি। ![]()
আলঝেইমার ক্রিস্টোসান বলেছেন:
এইখানে তো দেখি সবাই হিন্দি সিনেমার কথা কয়!মিস্টার এন্ড মিসেস আয়ার দেখছিলাম, ভাল্লাগছিলো, মেজাজ খারাপ হইছিলো ইংরেজীর ইন্ডিয়ান একসেন্ট শুনে।
লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগত জীবনে, ভারতীয় অ্যাক্সেন্টের ইংরেজী শুনতে শুনতে একটা সময় আমি এতই বেশি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে এখন পুরোদস্তুর শুধুমাত্র ভারতীয় উচ্চারণেই ইংরেজী বলি। ![]()
লেখক বলেছেন: ওল্ড বয় দেখার ইচ্ছে আছে। সাহস করতে পারলে একদিন দেখে ফেলবো আশা রাখি।
আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
The Mist এর নাম নেই কেন? হিন্দি ছবির তালিকা বলে? ছবিটা হরর কিন্তু শেষ দৃশ্যে কাঁদতে হয়েছিল।
লেখক বলেছেন: ছবিটার নাম নেই কারণ ওটার নামই আমি শুনিনি কখনও। ![]()
বাদ দেন বলেছেন:
১ আর ৬ দেখসি, অন্যগুলা নিয়া রিভু পড়াও টাইম লস
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




























