যারা কম্পিউটার ব্যবহার
১. First কম্পিউটারের CD/DVD ROM তে Xp CD প্রবেশ করান ।
২. তারপর কম্পিউটারের Restart দিন । চালু হলে Del or F2 কী চাপুন।
BIOS mode দেখা যাবে তাতে চেক করে দেখুন First Boot Device CD Rom কিনা না হলে Enter দিয়ে First Boot Device CD Rom and Second Boot Device Hard Disk করে দিন। তারপর F10 কী চাপুন। Y press করুন।
৩.তারপর কম্পিউটার Restart নিবে ।চালু হলে Press any key to … দেখলে Enter চাপুন ।
৪.Xp set up শুরু হবে
৫. তারপর I agree বললে F8 চাপুন
৬. তারপর আপনি কোন drive a Xp set up দিতে চান তা আসবে
৭. By Default C Drive তে নেয়া আপনি অন্য Drive দিতে পারেন
সেজন্য অন্য Drive Select করুন
৮. তারপর Format the drive using NTFS select করুন
৯.Format শেষ হলে কিছু File C dreive a কপি হবে তারপর Restart দিন ।
১০.পুনরায় কম্পিউটার চালু হলে Press any key to … দেখলে Enter চাপ দিবেন না । কম্পিউটার auto Xp set up শুরু করবে ।
১১. আপনি কিছু সময় বসে থাকুন
১২.তারপর CD KEY চাবে তখন XP CD
packet ar KEY দিন ।
১৩. কম্পিউটার বাকি কাজ নিজে করবে । শেষ হতে ১৫-২০ মিনিট সময়
লাগবে ।
১৪.set up শেষ হলে CD বের করে নিন ।
১৫.তারপর MotherBoard CD কম্পিউটারের CD/DVD ROM তে প্রবেশ করান ।
১৬ .MotherBoard CD Install করে কম্পিউটার Restart দিন l
১৭.আপনার Xp set up শেষ হবে ।
৩০ টি প্রয়োজনীয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিপস্
সার্চ ইঞ্জিন যাতে আপনার সাইটটিকে সহজে খুজে পায় তার জন্য কিছু কিছু কাজ করতে হবে আপনাকে
০১. আপনার ব্লগের/লিখিত বিষয়ের শিরোনামটি
০২. প্রতিটি পেজে ভিন্ন ভিন্ন মেটা ভিন্ন ভিন্ন মেটা ব্যবহার করুন।
০৩. টেবিল ব্যবহার না করে css ব্যবহার করুন।
০৪. কী ওয়ার্ডগুলো h1 ট্যাগের মধ্যে শিরোনামে ব্যবহার করুন।
০৫. আপনার সাইট ম্যাপ দেখান যেমন-Home >> Service >> SEO
০৬. লিংক গুলো ছবি না দিয়ে টেক্সটে দিন।
০৭. নেভিগেশন লিংকে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
০৮. ফাইলের, ছবির, লিংকের নামে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
০৯. ভাল মানের লিঙ্ক ব্যবহার করুন।
১০. প্রথম দিকে আপনার সাইটে বেশি বেশি লিংক ব্যবহার বর্জন করুন।
১১. কোন লিংকের সাথে আপনার মতামত বা রিভিও দিন।
১২. আপনার সাইটর ছবি ও লগোর সাথে আপনার কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
১৩. ভিন্ন ভিন্ন ফাইলে জাস্ক্রিপ্ট ও css ব্যবহার করুন।
১৪. আপনার সাইটে robots.txt ফাইল যুক্ত করুন।
১৫. গুগল সাইটম্যাপ তৈরী করুন।
১৬. ব্লগ ও ফোরামে যোগদিন, সেখানে আপনার সাইটের উল্লেখ করুন।
১৭. বিভিন্ন ডিরেক্টরীতে লিঙ্ক সাবমিট করুন।
১৮. ফিড তৈরী করুন।
১৯. গুগল এনালাইসিস দিয়ে আপনার সাইটের রিপোর্ট দেখুন।
২০. আপনার লখার বিষয় বস্তুকে বড় ও কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ করুন।
ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে বাংলা ভাষার ওয়েবসাইট বানানোর পদ্ধতি
একটি বাংলা ওয়েব সাইট
* ১. বাংলা ভাল ফন্টের জন্য থিমের style.css ফাইলটি সম্পাদনা করতে হবে।
* ২. থিম ফোল্ডারের ফাইলগুলোর ইংরেজী কিছু কিছু শব্দের বাংলা অনুবাদ করা।
* ৩. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে ফন্ট সেটআপ ছাড়াই যাতে বাংলা পড়া যায় তার ব্যবস্থা করা: eot ফাইল বানানো, আপলোড করা ও থিমের header.php তে প্রয়োজনীয় কোড সংযোজন করা।
* ৪.বাংলায় পোস্ট লেখার সুবিধা দেয়ার জন্য banglakb প্লাগইন সেটআপ করা, বাংলায় মন্তব্য দেয়ার জন্য comments.php ফাইল ইডিট করা।
* ৫. এডমিন প্যানেল বাংলা করার জন্য bn.mo ফাইল আপলোড করা। প্রয়োহনে bn.po ফাইলটি সম্পাদনা করা। কনফিগারেশন ফাইলে প্রয়েজনীয় কোড সম্পাদনা করা। অথবা,
* এডমিন প্যানেলের ইংরেজী শব্দগুলো ধরে ধরে বাংলা করা
* ৬. এডমিন প্যানেলের ফন্ট স্টাইল, সাইজ পরিবর্তনের জন্য সিএসএস ফাইল সম্পাদনা করা।
* ৭. বিভিন্ন স্থানে wordpress শব্দটি মুছে দেয়া
* ৮. বাংলা সাইটরে উপযুক্ত ব্যানার বানানো এবং তা image ফোল্ডারে রিপ্লেস করা।
style.css ফাইলটি সম্পাদনা
মনে করি আপনার সাইট yoursite.com এবং আপনার থিম classic তাহলে আপনার style.css ফাইলের পাথ হবে yoursite.com>wp-content>theme>classic>style.css
ফাইলটি সম্পাদনা করার আগে ব্যাকআপ নিয়ে নিন
১. ফন্ট স্টাইল
ফাইলের যেখানে
font-family: ‘Lucida Grande’, ‘Lucida Sans Unicode’, Verdana, sans-serif;
আছে সেখানে SolaimanLipi শব্দটি যুক্ত করে দিন। নিচের মতো করে দিন
font-family:SolaimanLipi,’Lucida Grande’, ‘Lucida Sans Unicode’, Verdana, sans-serif;
২. ফন্টসাইজ
বাংলা ফন্ট একটু বড় না হলে ভাল দেখায় না তাই সব জায়গায় ফন্ট সাইজ দুই করে বাড়িয়ে নিতে পারেন
font-size: 11px; এর জায়গায়
font-size: 13px; করে দিন
গ্রাফিক ডিজাইনারের জন্য ১৬টি টিপস:
১। সংগ্রহকারী হোন:
যখনই কোন ভাল ডিজাইন দেখবেন তা সংগ্রহ করুন বাসায় এনে রাখুন। সফট কপি হলে তা কোন ফোল্ডারে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে
২। বই কিনুন ;
শিক্ষার জন্য বইয়ের বিকল্প নাই। বই কিনুন বিষেশ করে ডিজাইন বই কিনুন ।
৩। ব্লগ পড়ুন:
ডিজাইন সম্পর্কিত ব্লগ পড়ুন । অংশ গ্রহন করুন ।মতামত দিন। নিজেও লিখুন।
৪।ব্লগ খুলুন:
নিজের ব্লগ খুলুন। হতে পারে ব্লগ স্পট বা অন্য কোথাও।
৫।অংশগ্রহন:
ডিজাইন কমিউনিটিতে অংশ গ্রহন করুন, সক্রিয় সদস্য হিসেবে থাকুন।
৬।ছবি তুলুন :
ছবি তুলুন বেশি বেশি । কোন ছবি ভাল লাগলেই তুলে ফেলুন।
৭।কাল্পনিক প্রজেক্ট বানানো :
কাল্পনিক একটি প্রতিষ্টানের নাম দিন লগো বানান ,ব্যানার ও ওয়েবসাইটের ডিজাইন করুন ।
৮। অন্যে প্রজেক্ট নিজে করুন:
অন্যের তৈরী করা কোন প্রজেক্ট নিজে নিজে চেস্টা করে বানান । আপনার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তাহবে।
৯।ডিজাইনার মিটিঙে যোগদান:
এটি আপনাকে অনেককিছু শিখাতে সহায়তা করবেন।
১০।পুরানডিজাইন নতুন করুন:
নিজে আগের কোন ডিজাইন নতুন ভাবে গড়ে তুলুন।
১১।অন্যান্য ডিজাইনারদের সাথে যোগাযোগ:
অন্যান্য ডিজাইনারের সাথে যোগাযোগ রাখুন ।কাজের ক্ষেত্রে আলোচনা করুন ।
১২। ফ্রি ক্লাস নিন:
অনলাইনে বা অফলাইনে একটি সিডিঊল করে ফ্রি ক্লাস নিন।
১৩। ইন্টারভিউ:
অন্যান্য ডিজাইনারের ইন্টারভিঊ নিন । নিজে ও ইন্টারভিঊ দিন ।
১৪। ভ্রমন:
ভ্রমন করুন । অনেক সুন্দর আমাদের এপৃথিবী। নতুন কোন থিম পেতে জরুরী।
১৫। নতুন কিছু শিখুন:
নতুন নতুনকাজ শিখতে আগ্রহী হোন । এবং শিখুন।
১৬। স্কেচ করুন:
আঁকতে থাকুন । চেস্টা করুন। পেন্সিল দিয়ে আঁকুন নিয়মিত ।
আজ এই পযন্ত ......................................
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


