যারে দেহি নাই, হুনি নাই ছুঁই নাই গতর,
বাঁইচা আছে না মইরা গেছে কিছুই যার জানি না।
যার লাইগ্যা,
আমবশ্যা রাইতে শরমের বাতাস দোলা দেয় গায়ে;
তার লাইগ্যা দাঁত কাঁপুনি দিয়া জ্বর ক্যান আহে কইতে পারো?
উজানের যে জল জোয়ায়ের লগে মিশ্যা যায়
কূলে কূলে বড়শি বাইয়া তারে কি আর ধরন যায়?
বিরাট গাঙে ডুইবা মরলে বাঁচাইবো ক্যাডায়!
বিনা জলেই যে মইরা গেছে
হেই হুগনা কইলজ্যা ভিজাইবা কোন গাঙের জলে !
উতরা বাতাস যের গায়ে একবার লাগে
হেরে আর বাঁধন যায় না,
আঁচলের বান্ধন খুইল্যা হে পলাইয়া যায় ।।
রাইত যায় দিন আহে,
অন্তরে খিল দেওয়া জং ধরা কপাট একদিন খুইল্যা যায়,
কোনহানে আর কোন পাও দেহা যায় না,
আর ফেরে না নাগর!
বুবু কবি রাবেয়া রাহীম এর লেখা কবিতা পিরিতের নজির থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই উক্ত কবিতার যা তা একটা উত্তর !
মজার কথা হচ্ছে, কবিতাটি লেখার পর ভাবছিলাম এই কবিতার নাম কি দিব!
অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করলাম কবিতার নাম দিব সুখের অসুখ, এটা লিখে গুগলে সার্চ দেয়ার পর দেখা গেল এই শিরোনামেও বুবুর একটা লেখা আছে ! বুবুরে রাইখা আমি যে কই যাই !!!!!!!!!
দ্রষ্টব্যঃ
পরানের গহীন ভিতর - সৈয়দ শামসুল হক
এবং
পিরিতের নজির- রাবেয়া রাহীম যারা পড়েছেন তাদের কাছে এই কবিতা পানসে লাগবে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




