যে প্রশ্নগুলোর গ্রহনযোগ্য জবাব না পেয়ে আমি নাস্তিক
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৬
ব্লগে বেশকিছুদিন ধরে ধর্ম, নাস্তিক-আস্তিক বিতর্কের ঝড় চলছে। আমার পোস্টটি অবশ্য এই ঝড়ো হাওয়ায় নতুন মাতম সংযোগের লক্ষ্যে লেখা নয়। ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত বিক্ষিপ্ত চিন্তা-ভাবনাগুলো এখানে লেখলাম।
আমি কি ধার্মিক?
আমি ব্যক্তিগত জীবনে কোন ধর্মীয় অনুশাসন বা আচার পালন করি না। বাবা-মা উভয়েই মুসলিম। ছোটবেলায় কোরআন শিক্ষার তালিমও নিয়েছিলাম কিছুদিন। আগে নামাজ পড়তাম, রোজা রাখতাম। গত প্রায় বছর সাত বছর হলো এসব পালন করা ছেড়ে দিয়েছি। এখন ধর্মগ্রন্থগুলোর মৌলিকত্ব নিয়ে মনে সংশয় তৈরী হয়েছে। একই সূত্রে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়েও আমি সন্দিহান। তবে ধর্ম সংক্রান্ত যে কোন আলোচনা আমি সর্বদা শান্তিপূর্ণ উপায়ে এড়িয়ে চলি। কারণ মানুষের বিশ্বাস বদলানো খুব কঠিন কাজ।
ধর্মগ্রন্থগুলো নিয়ে এত বিতর্ক কেন?
আমার পড়াশুনা খুব বেশী না। নিতান্তই সামান্য জ্ঞানের একজন সাধারণ মানুষ আমি। কোরআন,গীতা ও বাইবেল পাশাপাশি রেখে পড়েছি। কোনটিই আমার কাছে নির্ভূল মনে হয়নি। আমার দৃষ্টিতে কোনটিই মৌলিক রচনা নয়। সেগুলোর থিম একটি থেকে অন্যটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। যে গ্রন্থটির বয়স যতবেশী সেটিকে তত অগ্রহনযোগ্য বাক্যে ভরপুর মনে হয়েছে। এছাড়া কোন গ্রন্থই একজন লেখকের একক সৃষ্টি বলে বিশ্বাস করতে পারিনি। গ্রন্থগুলোতে লিপিবদ্ধ বাক্যমালা নান্দনিকতার দৃষ্টিতে উৎকৃষ্ট নয়, অন্তত সেগুলোর তুলনায় মানুষের সৃষ্ট অজস্র উৎকৃষ্ট রচনার উদাহরণ দেয়া যায়।
সৃষ্টিকর্তা তার রচিত এক বিধানকে পরবর্তিতে আরেক বিধান দিয়ে বাতিল করেছেন। কিন্তু কেন? তিনি কি চিরকালীন/সার্বজনীন কোন বিধান রচনা করতে পারতেন না? সময়ে সময়ে পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হয় মানুষের রচিত বিধানগুলো। কারণ যখন বিধান রচিত হয় তখনকার বাস্তবতায় হয়তো বিধানটি উৎকৃষ্ট ও সঠিকই ছিল। কিন্তু মানুষ ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নয়। তাই পরবর্তিতে নতুন কোন পরিস্থিতিতে মানুষের মনে হতে পারে যে এটার সংশোধনী দরকার। কিন্তু ধর্মগ্রন্থ তো সৃষ্টিকর্তা একটি রচনা করলেই পারতেন, নয় কি? তাছাড়া একই গ্রন্থে পূর্বে লিপিবদ্ধ এক বাক্যকে নাকচ ও বাতিল করা হয়েছে ঐ গ্রন্থেরই পরবর্তীতে রচিত কোন বাক্য দ্বারা। কেন? সৃষ্টিকর্তা কি অগ্রগামী বাক্যটি রচনার সময় ভবিষ্যত বুঝতে পারেননি? আবার একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের (ধরুন বিবাহ ও তালাক) উপরে রচিত সকল বাক্য একটি নির্দিষ্ট অধ্যায়/ চ্যাপ্টার/ সূরাতে সন্নিবেশিত হয়নি। কেন? বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন সময়ে রচিত হওয়ায় এটা মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে সময়ের প্রয়োজনে ঐগুলো সন্নিবেশিত হয়েছে, অগ্রগামী বাক্যসমূহ রচনার সময় যা সৃষ্টিকর্তার ভাবনাতে আসেনি। কিন্তু এটা কি সম্ভব ও গ্রহনযোগ্য সৃষ্টিকর্তার বেলায়? সৃষ্টিকর্তা কেন কেবল একজন মানুষকে অভিশাপ দিতে সম্পূর্ণ একটি অধ্যায় ব্যয় করলেন? ঐ তুচ্ছ মানুষটির সাথে তার কিসের এতো শত্রুতা? আর শত্রুতা যদি থেকেও থাকে তাহলে সেই অভিশাপমালা কেন সমগ্র মানব জাতির জন্যে রচিত চিরকালীন বিধানের অংশ হতে যাবে? স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা কেন তুচ্ছ একজন মানুষকে নিয়ে এত উৎকন্ঠিত হবেন? তার তো সমগ্র মহাবিশ্বের সকল প্রাণী ও বস্তুকণা নিয়ে চিন্তা করার কথা।
বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম ভাগের (যেখানে মহাহিসাব নিরীক্ষক সম্পর্কে বলা হয়েছে) বাইরে সমগ্র সংবিধানের অন্য কোথাও কি মহাহিসাব নিরীক্ষক সম্পর্কে আর কোন বাক্য পাওয়া সম্ভব? নিশ্চয় নয়। কারণ সেখানে বিষয়ের ক্রমানুসারে সবকিছু লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এটা যে একটা বিধান বা আইনের সর্বোচ্চ দলিল, সেটা হাতে নিয়েই বোঝা যায়, তার ভাষারীতি ও বৈশিষ্টের কারণে। সেখানে সবকিছু স্পষ্টভাষায় বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু ধর্মগ্রন্থগুলো অনুরূপ নয়। সেখানে গল্প, রূপকের আশ্রয় নেয়া হয়েছে যা সাধারণ মানুষের জন্যে সহজ বোধ্যগম্য নয়। সৃষ্টিকর্তা কেন এই হেয়ালী করতে গেলেন তারই সৃষ্ট সীমাবদ্ধ বুদ্ধির মানুষের সাথে? তিনি কি স্পষ্ট জবাবের অভাবে রহস্যের আশ্রয় নিয়েছেন?
সৃষ্টিকর্তার রচিত গ্রন্ত নিয়ে এত কথা উঠবে কেন? কোন মানুষের (সীমাবদ্ধ বুদ্ধির প্রাণী)ধর্মগ্রন্থ নিয়ে মনে সংশয় হতেই পারে।দু’চারটি প্রশ্নও তার মনে উকি দিতে পারে। সেটা তার বিদ্যা ও উপলব্ধির সীমাবদ্ধতার কারণেই হতে পারে। কিন্তু এত অজস্র প্রশ্ন কেন সৃষ্টিকর্তার কর্মকান্ড নিয়ে? সৃষ্টিকর্তা এমন গ্রন্থ কেন লিখলেন যেটা নিয়ে সাধারণ মানুষ তার সাধারণ বুদ্ধি দিয়েই অসংখ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে ওটার অলৌকিকত্ত্ব ও নির্ভূলতা নিয়ে?
প্রেরিত পুরুষঃ
মানব সভ্যতার ইতিহাসে অনেকের ক্ষেত্রেই দাবী করা হয়েছে যে তিনি মহান স্রষ্টার প্রেরিত পুরুষ। তাদের অনেকের জন্মের ক্ষেত্রেই দাবী করা হয়েছে যে তারা কুমারী মাতার গর্ভে কোন পুরুষের সংশ্রব ছাড়াই ধরাধামে এসেছেন। দাবী করা হয়েছে যে তারা ছিলেন অলৌকিক ক্ষমতার আধার। তারা কেউ মৃতকে জীবনদান করতে পারতেন। কেউ মৃত্যুর পরে পূর্ণজন্ম নিয়ে আবির্ভূত হয়েছেন জনসমক্ষে। কেউ বিশেষ বাহনে করে আসমান (যদিও আসমান বলে কিছু নেই)পাড়ি দিয়েছেন মুক্তবেগে।
অথচ তাদের জন্মের জন্যে প্রয়োজন হয়েছিল নারী গর্ভের,তারা জন্মের পর ক্ষুধা অনুভব করেছেন বলে গ্রহন করতেন খাদ্য। তাদের বর্জ্য বিসর্জনের প্রয়োজন হতো অন্য সব মানুষের মতো। তাদেরও ছিল কামের অনুভূতি যা তারা নিবৃত্ত করেছেন এক বা একাধিক নারী দ্বারা। তাদের বয়সকালে গুম্ফ ও শ্মশ্রু গজাতো, ত্বক ঢুলঢুলে হয়ে পড়তো। তারা জ্বরা ও ব্যধীতে আক্রান্ত হতেন এবং একসময় তারা সকলেই প্রকৃতির নিয়মে মৃত্যু বরণ করেছেন। এই সকল অলঙ্ঘনীয় প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে তারা কেউই অতিক্রম করতে পারেননি। অন্য সকল মানুষ যারা প্রেরিত পুরুষদের মতোই উক্ত প্রক্রিয়াগুলোকে অতিক্রম করতে পারে না,তাদের সাথে প্রেরিত পুরুষদের প্রাকৃতিক সক্ষমতার দৃষ্টিতে পার্থক্য থাকলো কোথায়? তবে কি তাদের সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে তা মিথ্যা?
তাদেরকে নিয়ে এত বিতর্ক, এত প্রশ্ন কেন? তারা যদি প্রেরিত পুরুষই হয়ে থাকেন তাহলে তো তাদের এমন সব কাজ করা উচিৎ ছিল যা নিয়ে বিতর্কের সুযোগই থাকবে না। কিন্তু তাদের কর্মকান্ডগুলো কেন সাধারণ মানুষের কর্মকান্ডের মতোই প্রশ্নে আর বিতর্কে ভরপুর? লক্ষ লক্ষ প্রেরিত পুরুষ এসেছেন পৃথিবীতে, গুটিকয়েক বাদে যাদের কেউই পৃথিবীতে তাদের আগমন ও উপস্থিতির স্বাক্ষর রেখে যেতে পারেননি। তাদের কি নিজের নাম ও কীর্তিটুকু ভবিষ্যতের জন্যে স্মারক হিসেবে সংরক্ষন করে যাবার মতো প্রয়োজনীয় মেধা ও যোগ্যতা ছিল না? তাহলে এমন নিম্নমেধা ও যোগত্যা নিয়ে কি করে তারা মানব জাতির জন্যে কল্যানকর কিছু করে গেছেন বলে বিশ্বাস করা যায়?
তাদেরকে যদি প্রেরিত পুরুষ বলে না মানি তবে কি তারা যে গ্রন্থগুলোকে তাদের নিকট অর্পিত হয়েছে বলে দাবী করেছেন, সেগুলোতে বিশ্বাস আনা সম্ভব?
এত বিতর্ক সৃষ্টিকারী হেয়ালী সৃষ্টিকর্তা ও প্রেরিত পুরুষদেরকে আমি তাই অবনতমস্তকে শ্রদ্ধা জানাতে পারছি না।
ধর্মের সংঘবদ্ধতাঃ
প্রতিটি ধর্মই সংঘবদ্ধভাবে পালন করতে হয়।
এটা কি এই কারণে যে কখনো কেউ যেন এর বিরুদ্ধাচারণ করতে সাহস না পায়? কেন কেউ ধর্মচ্যূত হলে তাকে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়? কেন তার মস্তকের মূল্য নির্দেশক টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়? কই কোথাও কেউ কি কখনো শুনেছেন যে ধর্মপালন করার জন্যে নাস্তিকরা কোন ধার্মিকের মাথার দাম ঘোষনা করেছেন? ধর্ম পালন করার জন্যে কি ধার্মিকের প্রাণনাশের চেষ্টা কখনো হয়েছে কোথাও? তাহলে কি করে বলা যায় যে ধর্ম পরমত সহিষ্ণুতা ও শান্তির কথা বলে?
এগুলো আমার মনে বিভিন্ন সময়ে ভর করা বিক্ষিপ্ত কিছু চিন্তা। আরো অজস্র প্রশ্ন, অজস্র চিন্তা মাথায় উকি দেয়। কিন্তু একটিরও কোন গ্রহনযোগ্য জবাব পাই না। যদি কিছু সংশয়, কিছু প্রশ্নের গ্রহনযোগ্য জবাব পেতাম, তাহলে বাকী প্রশ্নগুলোকে নিজের স্বল্প বিদ্যাজনিত উপলব্ধির ভ্রান্তি বলে মেনে নিতাম।
কেউ যদি আলোচনার মাধ্যমে আমাকে আমার চিন্তাগুলির ভ্রান্তি (যদি থেকে থাকে) সম্পর্কে ধারনা দেন, তাহলে খুশি হবো। তবে অযৌক্তিক ব্যক্তি আক্রমন ও অশালীন বাক্য প্রয়োগ আমাকে বাধ্য করবে যে কোন মন্তব্য মুছে দিতে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফুর রহমান।
লেখক বলেছেন: ভাই, আপনি আমাকে যতটা জ্ঞানী ভেবেছেন আমি আসলে ততটা জ্ঞানী না। লিঙ্কের লেখাটিতে সব ইংরেজী, যেটা আমি খুবই কম বুঝি।
সুধাসদন বলেছেন:
নাস্তিক্য চিন্তাধারায় মাইনাস । জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করুন। আপনার সমস্যা নিয়ে কোন বিজ্ঞ লোকের সাথে আলোচনা করুন। তারপর ব্লগে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন।
লেখক বলেছেন: চিন্তাধারা নাস্তিক্য হলেই মাইনাস? জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে হলে কি করতে হবে আমাকে? বিজ্ঞ লোক কারা?
ব্লগে কি নির্দিষ্ট ঘরানার কিছু লোকই কেবল লেখার অধিকার রাখে বলে মনে করেন?
আপনার জ্ঞান বিপুল বলে মনে হচ্ছে। আমার পোস্টে লেখা প্রশ্নগুলোর মধ্যে যে কোন দু'চারটির গ্রহনযোগ্য জবাব কি দিতে পারবেন?
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ....
অরণ্যদেব বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাই ফাইভ...
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
ভাই আমার কেস একটু ভিন্ন।আশে পাশে নানারকম অন্যায়-ভাল মানুষের দুর্ভোগ আর খারাপ মানুষের জয়জয়কার দেখে সেগুলো ঠিক করার ক্ষেত্রে স্রষ্টার সম্পূর্ণ অক্ষমতা অনুধাবন করে আমার বিশ্বাস টলে যায়।এর পর নাস্তিকদের কিছু বইপত্র( প্রবীর ঘোষের "আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা" এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য) পড়ে চিন্তা নাড়া খায়।তখন থেকেই অবিশ্বাসের সূত্রপাত এবং এখনো তা অব্যাহত আছে।নিষ্পাপ শিশুকে বোমাবর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে অক্ষম স্রষ্টার কেরদানি বিশ্বাস করতে মন চায় না।
লেখক বলেছেন: আপনার কেসটি আমার বেলায়ও ঘটেছে। তবে সব তো আর এক পোস্টে লেখা যায় না.......
মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি মদন বলেছেন:
নাস্তিক তিন প্রকারঃ1. There is no God.
2. God is unknown and unknowable.
3. There may be a God or not, but without believing that life can be divine.
এখন দেখে নিন আপনার প্রকার ?
লেখক বলেছেন: আমার কথা তো আমি বললাম। এখন আপনিই বলুন আমি কোন প্রকার।
রিপন জি আর বলেছেন:
লেখক শুরুতেই বলেছেন যে, তিনি জানেন না। এবং যা নিজে জানেন না তাকে মিথ্যা বলছেন। অযথা সন্দেহের মধ্যে না থেকে পড়াশুনা করেন। কারন সৃষ্টি কর্তা মানুষকে প্রথম যে আদেশ করেছিলেন তার প্রেরিত পুরুষের মাধ্যমে তা হচ্ছে পড়।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টে লেখা প্রশ্নগুলোর মধ্যে যে কোন দু'চারটির গ্রহনযোগ্য জবাব দিলে কৃতার্থ হই।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
There may be a God or not, but without believing that life can be divine.
লেখক বলেছেন: may be..
আমি মদন বলেছেন:
নিষ্পাপ শিশুকে বোমাবর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে অক্ষম স্রষ্টার কেরদানি বিশ্বাস করতে মন চায় না।
লেখক বলেছেন: বোমাবর্ষণে স্রষ্টার হাত নেই, যেমন নেই কাউকে রক্ষা করার ক্ষমতা।
প্রদীপ কুমার রায় বলেছেন:
নিজের বিবেককে প্রশ্ন করা অতি উত্তম বিষয়! মানুষের মনুষত্বের বিকাশ সাধিত হয়, নিজেকে প্রশ্ন করার মাধ্যমে। যে প্রশ্নের উত্তর আপনি খুঁজে ফিরছেন, তা খুঁজতে থাকুন মুক্ত মন নিয়ে। মনেহয়, উত্তরটা খুঁজে পাবেন নিশ্চয়ই!আপনি নাস্তিক কি আস্তিক- সে প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়ে চলুন! না জেনে আস্তিক হওয়ার যেমন কোন গুরুত্ব নেই; তেমনি না জেনে নাস্তিক দাবী করাও বোকামী! সুতরাং উত্তর খুঁজতে থাকুন নিজেই।
ধন্যবাদ আপনাকে!
লেখক বলেছেন: আপনি যথার্থই বলেছেন। পরামর্শ ও মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
কালোজাম বলেছেন:
এগনোটিস্ট....
হোরাস্ বলেছেন:
রিপন জি আর বলেছেন: কারন সৃষ্টি কর্তা মানুষকে প্রথম যে আদেশ করেছিলেন তার প্রেরিত পুরুষের মাধ্যমে তা হচ্ছে পড়।তাই নাকি? প্রথম আদেশ তো প্রথম প্রেরিত পুরুষকেই পাঠানোর কথা। সেই হিসাবে আদম (আঃ) কে এই কথা বলেছেন। এটা কোথায় আছে? রেফারেন্স আছে? তখন কয়জন মানুষ আছিলো দুনিয়াতে? কি পড়তে বলেছিলেন উনি?
@ লেখক, লেখায় +
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন...............ধন্যবাদ।
মারুফের রহমান বলেছেন:
আপনার চিন্তা-ধারার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি মদন বলেছেন:
ধর্মের সৃষ্টির উপজিব্য হিসাবে মানুষের দুইটি নিচু শ্রেণীর মোটিভেশন কাজ করেছে। ১. ভয়।
২. লোভ।
বিশ্বাস না হলে দোজখ আর স্বর্গ বাদ দিয়া দেখেন কি থাকে ?
লেখক বলেছেন: ভয় ও প্রলোভন আছে এবং সেটা অত্যন্ত রুচিহীনভাবে।
রিপন জি আর বলেছেন:
১) যেমন ধরুন আপনি বলেছেন সৃষ্টি কর্তা কেন একবারেই ধর্ম গ্রন্থ দেননি। পূর্বে যে গ্রন্থগুলা সৃষ্টকর্তা দিয়েছিলেন তা ছিল একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য। আর কোরআন হচ্ছে সর্বকালের জন্য।২) আপনি নিজেই বলেছেন যে মানুষের সীমিত জ্ঞান । তাই সৃষ্টিকর্তা একসাথে সমগ্র বিষয় উপস্থাপন করেননি। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেছেন।
৩) আমরা সাধারন মানুষরা যেন অনুধাবন করতে পারি সেই জন্য তার প্রেরিত পুরুষকে সেই দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। এবং তিনি মাত্র ২৩ বছরে একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজকে আলোকিত সমাজে রুপান্তরিত করেছিলেন সৃষ্টিকর্তার বিধানের মাধ্যমই।
যদি বুঝতে না চান তাহলে অন্য কথা।
লেখক বলেছেন: ১) প্রথমেই 'সর্বকালের' জন্য গ্রন্থ দিলেন না কেন? ভবিষ্যতে 'সর্বকালের' জন্য গ্রন্থ দিবেন সেটা কি আগের গ্রন্থগুলো দেয়ার সময় জানা ছিল না?
২) ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন বিভিন্ন বিষয় আসবে? যে ঘটনাগুলো আগে ঘটেনি কিন্তু পরবর্তীতে ঘটছে সেগুলোর বিষয়ে কিছু যদি নাই থাকলো, তাহলে সর্বকালীন গ্রন্থ হলো কি করে?
৩) মানুষের অনুধাবন ক্ষমতা একেবারেই বিবেচ্য নয়। যদি সহজবোধ্য কিছু দেয়াই ঈশ্বরের ইচ্ছা হয়ে থাকে তাহলে তিনি সিনেমা বানালেন না কেন?
রাজন৯৩৩ বলেছেন:
ভাই আপনাকে ধন্যবাদ, আপনি সৎ সাহসে এটা লিখেছেন ও মন্তব্য চেয়েছেন। আমি ও যে খুব জ্ঞানী বা জ্ঞান রাখি তা না। তবে আপনি যদি একটু চিন্তা করেন. আপনি আমি যে বেচে আছি, খাচ্ছি. ঘুমাচিছ, এটা কি সৃষ্টিকর্তার রহমত ছাড়া সম্ভব? কোন ধর্মেই কিন্তু নাস্তিকতার স্থান নেই। সব ধর্মই কিন্তু একই মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে বা হুকুম দিয়েছেন। তবে ইসলামের সকল বিষয় আল্লাহ তায়ালা পরিস্কার করে দিয়েছেন বিভিন্ন আয়াতের দ্বারা, পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রমান কিন্তু ইসলামে সুস্পস্ঠ উল্লেখ রয়েছে। আফ্রিকা, আমেরিকা, স্পেন, বেলজিয়াম, মিশর, সৌদিতে কিন্তু আল্লাহর বহু মহীমার প্রমান আছে। আমিও কিন্তু ধর্মান্ধ মানুষ না তবে ধর্মভীরু মানুষ।এবং আধুনিক। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি ড. জাকির নায়েকের বিভিন্ন যৌক্তিক তর্ক দ্বারা প্রমানিত সিডি পাওয়া যায় কাটাবন এর মার্কেটে এছাড়াও প্রসিদ্ধ কিছু তাফসির গ্রন্থ আছে সেগুলো সংগ্রহ করে পড়ুন। ইনশাল্লাহ আপনার সংশয় দূর হয়ে যাবে। সমাজে যেমন বিভিন্ন পেশার মানুষের প্রয়োজন, তেমনি দুনিয়তেও বিভিন্ন ধর্ম বর্ণে র শ্রেনীর মানুষের দরকার। ভলো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভলো থাকবেন।
অক্টোপাস বলেছেন:
ব্লগে এসে এইসব হাইথটের ব্যাখ্যা পাবেন না। নিজে থেকে কঠোর স্টাডি করুন। ব্লগ আস্তিক-নাস্তিক সমস্যা সমাধানের জায়গা না.... এই জ্ঞান অন্তত থাকা উচিত ছিল!
লেখক বলেছেন: ব্লগে অনেক জ্ঞানী মানুষ আছেন বলেই আমার ধারনা।
পেন্সিল বলেছেন:
ধর্ম এবং ধর্মগ্রন্থে বিশ্বাস না করলেও কেন জানি আমি ইশ্বরে বিশ্বাস করি,,আর এটা খুব ভালোভাবেই করি কারন ইশ্বর না থাকলে হয়তো আমরা একা মানুষ গুলো আরো একটু একা হয়ে যেতাম।
লেখক বলেছেন: আপনি ধর্মগ্রন্থকে বিশ্বাস না করলে তো দোযখে যাবেন?
যীশূ বলেছেন:
ভালো লিখেছেন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সমর্পণ বলেছেন:
সবচাইতে বড় কথা আপনি যে এগুলো জানতে চেয়েছেন তার আগে এগুলোর ইত্তর জানার জন্য কতটুকু চেস্টা করেছেন?আরেকটা কথা যদি আপনি আগেই ধর্মগ্রন্থকে অবিশ্বাস করে তারপর পড়া শুরু করেন তাহলে কখনই আপনাকে বুঝানো সম্ভব না ।
আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর ইসলাম দিয়েছে।আপনি যদি আসলেই সমাধান চান তাহলে খোলা মন নিয়ে আরেকটু পড়াশুনা করুন।
লেখক বলেছেন: তাহলে কি আগে থেকে বিশ্বাস নিয়ে পড়তে শুরু করতে হবে? সেক্ষেত্রে কি সঠিকভাবে বুঝা সম্ভব?
আমার সকল প্রশ্নের উত্তর ইসলাম দিয়েছে, কিন্তু কোথায় দিয়েছে বলবেন কি?
হাসিব মীর বলেছেন:
কিছু মৌলিক প্রশ্ন তোলার জন্য ধন্যবাদ ।আমার জানা মতে আলোচনা করার চেস্টা করব ।১। ‘আমার দৃষ্টিতে কোনটিই মৌলিক রচনা নয়। সেগুলোর থিম একটি থেকে অন্যটিতে ছড়িয়ে পড়েছে।‘
......ধর্মগ্রন্থ্ কোন সাহিত্য নয়। প্রথম মানুষ থেকে শেষ নবী পর্যন্ত মানুষের নৈতিক সংশোধনের জন্য দিক নির্দেশনা মাত্র ।সব ধর্মগ্রন্থ্ ই এক সৃষ্টিকর্তার প্রেরিত ।তাই থিম ত এক ই হবে ।শেষ ধর্মগ্রন্থ্ কুরআন বাদে বাকি গুলো কম বেশি পরিবর্তন হয়ে গেছে ।
২. ‘সৃষ্টিকর্তা তার রচিত এক বিধানকে পরবর্তিতে আরেক বিধান দিয়ে বাতিল করেছেন। কিন্তু কেন? তিনি কি চিরকালীন/সার্বজনীন কোন বিধান রচনা করতে পারতেন না?’
‘সৃষ্টিকর্তা কেন এই হেয়ালী করতে গেলেন তারই সৃষ্ট সীমাবদ্ধ বুদ্ধির মানুষের সাথে? তিনি কি স্পষ্ট জবাবের অভাবে রহস্যের আশ্রয় নিয়েছেন?’
......। বিপরিত হয়ে গেল না ? সীমাবদ্ধ বুদ্ধির মানুষের জন্য চিরকালীন/সার্বজনীন কোন বিধান রচনা কি ঠিক হত?
৩. ‘সৃষ্টিকর্তার রচিত গ্রন্ত নিয়ে এত কথা উঠবে কেন?’
‘তাদেরকে নিয়ে এত বিতর্ক, এত প্রশ্ন কেন? তারা যদি প্রেরিত পুরুষই হয়ে থাকেন তাহলে তো তাদের এমন সব কাজ করা উচিৎ ছিল যা নিয়ে বিতর্কের সুযোগই থাকবে না।‘
......... পৃথিবীতে কিছুই অবিমিশ্র নয়, সহজলভ্য ও নয় ।শুধু সৃষ্টিকর্তা কেন সহজলভ্য আর সরল রৈখিক হবেন? সৃষ্টিকর্তার ধারনাই বা কেন সর্বজনগ্রাহ্য হবে? তার পথে বিতর্ক থাকবে আবার সত্য কে বোঝার সুযোগ ও থাকবে। এখানেই তো সৃষ্টিকর্তার সাথে মানুষের সম্পর্কের অসাধারন সৌন্দর্য ।
হাসিব মীর বলেছেন:
৪. ‘অন্য সকল মানুষ যারা প্রেরিত পুরুষদের মতোই উক্ত প্রক্রিয়াগুলোকে অতিক্রম করতে পারে না,তাদের সাথে প্রেরিত পুরুষদের প্রাকৃতিক সক্ষমতার দৃষ্টিতে পার্থক্য থাকলো কোথায়? তবে কি তাদের সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে তা মিথ্যা?’......... প্রেরিত পুরুষরা মানুষ ই ছিলেন।কারন সৃষ্টিকর্তার কাছে মানুষের মর্যাদা অনেক।মানুষের চাইতে অলৌকিক ফেরেশ্তা তো বেশি মহান না ।আবার মানষ ই সৃষ্টিকর্তার সাথে বিশেষ সম্পর্কের কারনে অলৌকিকত্ত অর্জন করতে পেরেছে।এই যে ধর্ম মানুশকে নিয়েই আবর্তিত হছেছ – এটাই ধর্মের অসাধারন সৌন্দর্য।আর এই জন্য ই সে টিকে থাকে মহাকাল ।
৫.‘লক্ষ লক্ষ প্রেরিত পুরুষ এসেছেন পৃথিবীতে, গুটিকয়েক বাদে যাদের কেউই পৃথিবীতে তাদের আগমন ও উপস্থিতির স্বাক্ষর রেখে যেতে পারেননি। তাদের কি নিজের নাম ও কীর্তিটুকু ভবিষ্যতের জন্যে স্মারক হিসেবে সংরক্ষন করে যাবার মতো প্রয়োজনীয় মেধা ও যোগ্যতা ছিল না? তাহলে এমন নিম্নমেধা ও যোগত্যা নিয়ে কি করে তারা মানব জাতির জন্যে কল্যানকর কিছু করে গেছেন বলে বিশ্বাস করা যায়?’
......আপনি যদি প্রেরিত পুরুষদের ধারাবাহিকতা মানেন, তাহলে তাদের সবার কি নিজের নাম ও কীর্তিটুকু ভবিষ্যতের জন্যে স্মারক হিসেবে সংরক্ষন করে যাবার কোনো প্রয়োজন আছে কি? তাদের আদর্শ ত এক প্রেরিত পুরুষ হয়ে আরেক প্রেরিত পুরুষের মাধ্যমে বহমান।
৬. ‘আমার পড়াশুনা খুব বেশী না। নিতান্তই সামান্য জ্ঞানের একজন সাধারণ মানুষ আমি। কোরআন,গীতা ও বাইবেল পাশাপাশি রেখে পড়েছি। কোনটিই আমার কাছে নির্ভূল মনে হয়নি।‘
...।। আমি কোরআন কিছুটা পরেছি। এর নির্ভূলতা নিয়ে শেষ কথা বলার আগে আর ও কিছুটা পড়াশুনার প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয়।
.........। আপনি ব্যক্তিগত ভাবে অবিশ্বাসী হলে সেই অধিকার আপনার আছে। আমি সেই অধিকার কে শ্রধ্যা করি। তবে আলোচনা আর জানার দরজা খোলা রাখলেই ভাল।
এগুলো তো আছেই,সাথে আমার জন্যে......
বলা হয়,ভেতর থেকে কোন কিছু চাইলে ঈশ্বর ফেরান না।মাত্র দুটো জিনিস কামনা করে দিনের পর দিন প্রার্থনা করেছি.....পাই নি।লাইফ ট্র্যাক পরিবর্তন হয়ে গেছে আমূল।
যুক্তিহীন বলবেন হয়ত............
যে ঈশ্বর আমাকে কষ্ট দিয়ে পরীক্ষা করেন,সে ঈশ্বর আমার নয়।
লেখক বলেছেন: আসলে ঈশ্বর জানেন না যে তিনি আছেন এবং তিনি আমাদেরকে কষ্ট দিচ্ছেন।
মেঘ_কম বলেছেন:
আরেকটি ব্যাপার, সকল প্রেরিতই পুরুষ, নারী একজনও নেই।
আবার প্রেরিতরা সবাই আরব কেন্দ্রিক।
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: পুরুষরা নারীর জন্যে ইপরে উঠার পথ রুদ্ধ করে রেখেছিল ঈশ্বরের দোহাই দিয়ে।
আরব ছাড়া অন্যত্র বিষবৃক্ষের জন্য উর্বর জমি ছিল না বোধহয়।
ধন্যবাদ।
ব্রাইট স্মাইল্ বলেছেন:
সুধাসদন বলেছেন: নাস্তিক্য চিন্তাধারায় মাইনাস । জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করুন। আপনার সমস্যা নিয়ে কোন বিজ্ঞ লোকের সাথে আলোচনা করুনআপনিও আপনার সমস্যা নিয়ে কোন বিজ্ঞ লোকের সাথে আলোচনা করুন।
রিপন জি আর বলেছেন: কারন সৃষ্টি কর্তা মানুষকে প্রথম যে আদেশ করেছিলেন তার প্রেরিত পুরুষের মাধ্যমে তা হচ্ছে পড়।
সৃষ্টি কর্তা মানুষকে সে আদেশ না দিলে গোটা পৃথিবীর মানুষ অজ্ঞ থাকিতো।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ভালো লেগেছে......
(আমার পোস্টে আপনার কমেন্টে ভেবেছিলাম- কোন আস্তিক ব্যাটায় আমারে চ্যালেঞ্জ জানায়া গেলো...)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন:
মাঝে মাঝে যখন ভাবি ধর্মের এইসব ফাক-ফোকর / গোজামিল তখন একে ভূয়া মনে হয়। মানুষের বানোয়াট মনে হয়।আবার, মাঝে-মাঝে মনে হয় এই সব ফাক-ফোকর/ গোজামিল সৃষ্টিকর্তা ইচ্ছা করে করেছেন না তো? কারন, যদি এইসব আসমানী কিতাবে নির্ভুল সত্য থাকে, কোন গোজামিল না থাকে, কোন কনফিউশান না থাকে তো কোন অবিশ্বাসী(অমুসলিম) থাকবে নাহ, মানে সবাই সরাসরি বেহেস্তে যাবে, সবাই পাস!
ব্যাপারটা অনেকটা পরিক্ষার হলে উত্তর পত্র সাপ্লাই দেওয়া মত হয়ে যেত নাহ??
কাজেই ঊনি কি করলেন? কিছু কনফিউশান ক্রিয়েট করার মেটারিয়েল দিয়ে দিলেন, দেখি কয়জন পাশ করতে পারে??!!
***আমি জানিনা, কিছুই জানি নাহ, আমার এই রিপ্ল্যাই থেকে আবার আমাকে প্রশ্ন করে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা কইরেন নাহ প্লিজ, আমি এম্নিতেই বেকায়দায় আছি (আস্তিক হমু, নাকি নাস্তিক)!
আমার যা মনে হয় তাই বললাম।
লেখক বলেছেন: আপনি যথার্থই বলেছেন। সৃষ্টিকর্তা কনফিউশান ক্রিয়েট করার মেটারিয়েল দিয়ে দিলেন, দেখি কয়জন পাশ করতে পারে??!!
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আপনি যদি স্পেসিফিকলি কোরআন নিয়ে বলেন। তাহলে বলতে হয়, কুরআনের প্রকাশভঙ্গি/বর্ণনাভঙ্গি যা আপনার কাছে বিষ্ময়, রহস্য, বিতর্ক, অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে; কিন্তু তা আমার কাছে স্রষ্টার প্রজ্ঞার বিশালতাকে মুর্ত করে তোলে। আমার জন্য, এটাও কোরআনকে ভাল লাগার একটা কারণ হতে পারে। স্রষ্টার বৈশিষ্ট্য এখানেই, তিনি একটা নিদর্শন দিয়ে কাউকে নাস্তিকতায় নিমজ্জিত করেন...... আবার কাউকে আলোর পথ দেখান।কোরআন কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়, নয় কোন কবিতার বই, না তা কোন গল্প, না কোন সংবিধান, না সেটা উপন্যাস, কেবল নীতিবাক্যের সমষ্টি নয়। পৃথিবীর কোন বিশেষ প্যাটার্নের গ্রন্থের সাথে এর তুলনা তুলনাকারীকে কেবল বিভ্রান্তির মধ্যেই ফেলবে।
এটা স্রষ্টার তরফ থেকে মানবজাতির জন্য সর্বশেষ নিদর্শন। যা সত্য এবং মিথ্যাকে পার্থক্য করে, যা মানবজাতির জন্য হেদায়াতের উদ্দেশ্যে নাযিলকৃত, মানুষকে এমন কিছু অজানা জানিয়ে দেয় যা অভিজ্ঞতা থেকে বা অন্য কোন উৎস থেকে জানা সম্ভব নয়।
আল্লাহ চাইলে তো সবই পারতেন। চাইলে সবাইকে জোর করে তাঁর শোকরগুজার বান্দা বানিয়ে রাখতে পারতেন। কোরআন, নবী কিছুরই প্রয়োজন ছিলো না। কিন্তু, আপনি কি আমাকে বলবেন, আপনি যেভাবে চাইতেছেন কেন সেভাবেই তা হতে হবে?
প্রেরিত পুরুষের ব্যপারে কোরআন বলছে, " আমি তোমাদের প্রতি স্বয়ং তোমাদেরই মধ্য হতে একজন রাসুল পাঠিয়েছি, যে তোমাদেরকে আমার আয়াত পড়ে শোনায়, তোমাদের জীবন পরিশুদ্ধ ও উৎকর্ষিত করে তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় এবং যেসব কথা তোমাদের অজ্ঞাত তা তোমাদেরকে জানিয়ে দেয়।" (বাকারাঃ১৫১)
সংশয়বাদী সবসময়ই ছিলো। তারাও বলতো, নবী কেন এরকম, আমাদেরই মত মানুষ? তার সাথে নবীর বৈশিষ্ট্যসূচক কিছু চিহ্ন থাকা উচিত। মানুষ থেকে আলাদা কিছু হওয় উচিত। কোরআন বলছে....
"আর তারা এই বলে যে, এই নবীর প্রতি তার খোদার তরফ হতে কোন নিদর্শন কেন নাযিল করা হয়নি? তার জবাবে তুমি বলোঃ অদৃশ্য জগতের একমাত্র মালিক এবং মুখতার একমাত্র আল্লাহই। ঠিক আছে, তোমরা অপেক্ষা করো, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় রইলাম। (ইউনুসঃ২০)
সর্বশেষ কথা, আপনি উল্লেখ করেছেন..... কোরআন,গীতা ও বাইবেল পাশাপাশি রেখে পড়েছেন। আপনার প্রতিটি কথারই জবাব কোরআনে আছে বলে আমার মনে হচ্ছে। আপনি তো সেখানেই জবাবগুলি পেয়েছেন। হয়তো মানেননি। কিন্তু পোস্ট করে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে চিন্তার ভ্রান্তি দুর করতে চাইছেন কেন বুঝলাম না। মনে হচ্ছে, কুরআন আপনি সেভাবে পড়েননি। জবাবগুলি সেখানে রয়ে গেছে..... প্লিজ আরেকবার খুঁজে দেখুন, অবশ্যই খোলা মন নিয়ে।
সিংহ বলেছেন:
সৃষ্টিকর্তা কেন কেবল একজন মানুষকে অভিশাপ দিতে সম্পূর্ণ একটি অধ্যায় ব্যয় করলেন? ঐ তুচ্ছ মানুষটির সাথে তার কিসের এতো শত্রুতা? আর শত্রুতা যদি থেকেও থাকে তাহলে সেই অভিশাপমালা কেন সমগ্র মানব জাতির জন্যে রচিত চিরকালীন বিধানের অংশ হতে যাবে? স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা কেন তুচ্ছ একজন মানুষকে নিয়ে এত উৎকন্ঠিত হবেন? তার তো সমগ্র মহাবিশ্বের সকল প্রাণী ও বস্তুকণা নিয়ে চিন্তা করার কথা।. hmmmm....
লেখক বলেছেন: হুমমমমম....
আমি আপনার ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে কথা বলব না। আপনি যেহুতু ধর্ম নিয়ে কিছু পারা লেখা করেছেন সেহেতু আপনি মানবেন যে প্রত্যেক ধর্মই আমাদের শ্রিং্খলা শিখায় যা আমাদের জিবনে অনেক বেশি জরুরী।
চুরকে ধরার জন্যে পুলিশ আছে, কিনতু পোলিশই যখন চুরি কোরে তখন তাকে থামাবে কে?
এটার জন্যে দরকার বিবেক। আর বিবেক কে জাগ্রত রাখাই ধর্মের কাজ।
সুতরাং আপনি যাহাই বিস্বাস করেন না কেন, তা দারা মানুষের মাঝে জেন বিস্রিংখলা চিরিষ্টি না হয়।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পুলিশকে থামানো জন্য ধর্ম?
হাস্যকর!
ধ্রুব তারা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
১নং= আলকোরান গভীরভাবে পড়ুন।বাংলা অনুবাদসহ। তারপর লিখুন পবিত্র কোরানশরীফে কি ভুল বা অসংগতি পেয়েছেন।২নং=নবীজি কে নিয়ে কি বিতর্ক চালু আছে? একটু বলুন তো শুনি।
৩নং= নামাজ একা পড়তে নিষেধ আছে,কোথায় দেখেছেন তা?আর রোজার বেলায় এমন আজগুবি প্রশ্নের কোনও সুযোগই নেই। কোনও মুসলমান ধর্মান্তরিত হলে তাকে কতল করতে হবে এমন কথা হাদিস বা কোরানশরীফে পড়েছেন?
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
/
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
ভাইজানরে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম উত্তর দেওয়ার সময় পাননি বোধহয়?
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নগুলোর জবাব আমার পোস্টেই আছে। ভালোভালে আবার পড়ুন।
আ শী ষ বলেছেন:
আপনার লেখাটা অত্যন্ত সাবলীল। আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভকামনা আপনার জন্য। নাস্তিকতা নিয়ে অনেক লেখা পড়েছি এই ব্লগেই। কিন্তু আপনার লেখাটা সত্যিই অসাধারণ। আপনার কোন প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। জানা থাকার কথা নয়। যে প্রশ্ন আমার মনে ঘুরে সে প্রশ্নের উত্তর আমি কোথায় পাব। ধর্ম নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যায় না। করলে আস্তিকদের মাথায় বজ্রপাত হয়। তারা এককথায় বলে দেন....। আসলে গালি দেন। একবারও কি ভাবেন না তারা কেন প্রশ্নগুলো হচ্ছে। ধর্ম সত্যিই ভাল, ধর্ম পালন করাও ভালো। কিন্তু যুগের সাথে ধর্মকে যদি যুযোপোযুগি না করা যায় তাহলে তা মুখ থুবড়ে পড়বে। ধর্মের সংস্কারক প্রয়োজন। হিন্দু ধর্মের কয়েকজন সংস্কারক আছেন। আসলে আমি তাদের ঠিক সংস্কারকও বলবো না। তারা আসলে ধর্ম থেকে অধর্মকে বিদায় করেছেনে। ধর্মকে যারা ধারণ করেন তারাই যদি ধর্মকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করেন তাহলেই সম্যার সৃষ্টি হয়।মন্তব্য কি বেশি হয়ে গেল??
এ বিষয়ে একটা পোস্ট লেখার ইচ্ছা আছে।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো বেশ ভালো লাগলো। একটা বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই। ধর্মের সংস্কার। দেখুন কোন ধর্মগ্রন্থে যদি দাবী করা হয় যে সেটা নির্ভূল এবং চিরকালীন, তাহলে কিন্তু সংস্কারের সুযোগই থাকছে না।
একটি নির্ভূল গ্রন্থে এমন উপাদান থাকা অনুচিত যার গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে পরবর্তী সময়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
আপনার পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: মেইল দরকার নেই। এখানেই আলোচনা করুন।
তবে সত্যি কথা হল পৃথিবীতে গোড়া আস্তিকদের মত অসংখ্য গোড়া নাস্তিকও আছেন। আসলে আস্তিকতা এবং নাস্তিকতা দুটোর সংগেই বিশ্বাসের একটা যোগ আছে। এবং সব বিশ্বাসের সংগেই যুক্ত থাকে কিছু উপলব্ধি। আপনি যেমন কিছু উপলব্ধি থেকে নাস্তিক হয়েছেন আমিও তেমনি কিছু উপলব্ধি থেকে আস্তিক থেকে গেছি।
কাজেই আমি এমন দাবী করব না যে আপনার বিশ্বাস থেকে আপনাকে আমি সরিয়ে আনার ক্ষমতা রাখি। আমার বিশ্বাস থেকে বলছি সে ক্ষমতা একমাত্র ঈশ্বরই রাখেন। কাজেই আমি যদি আপনাকে আপনার বিশ্বাস থেকে টলাতে না পারি তবে ধরে নেব ঈশ্বর সেটা চাচ্ছেন না।
কারণ আমার ধারণা ঈশ্বরের ইচ্ছেতেই কিছু মানুষ নাস্তিক হয়- ঈশ্বরের ইচ্ছেতেই নানান ধর্ম সৃষ্টি হয়েছে। তবু আপনার বক্তব্যের মধ্যে সততা দেখেই এই থ্রেডে কমেন্ট করলাম।
এখন আপনি আমার ঈশ্বর বিশ্বাস দেখে দয়া করে কুপিত হবেন না। কারণ আগেই বলেছি যে আমরা উভয়েই কিছু উপলব্ধি থেকে নিজ নিজ ধারণায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। কাজেই আমি যেমন আপনার বক্তব্যটুকু মন দিয়ে পড়লাম- আপনিও তেমনি আমার বক্তব্যটুকু মন দিয়ে পড়বেন এটাই আশা করব। ব্লগ ক্ষেত্রবিশেষে কারো কারো আন্তরিক বক্তব্য দেয়ার চাইতে আরো নানান চিন্তা প্রত্যাশা দিয়ে প্রভাবিত হয়। কাজেই আপনার প্রতি রিকোয়েষ্ট আপনি যদি সত্যি আপনার এ বক্তব্যটুকুতে আন্তরিক হন তবে নিচে আমার দেয়া ইমেল অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করবেন।
এ প্রসংগে আর সামান্য একটা কথাই বাকী- আপনার এ প্রশ্নগুলো আমার মনেও এসেছিল- কিছুদিন আমাকে একটা সংশয়বাদী অবস্থানে ঝুলে থেকে প্রশ্নগুলোর উত্তর সন্ধান করতে হয়েছে। সন্তুষ্ট হয়েই আবার আস্তিকতায় ফিরে গেছি। আপনি যে সে উত্তরগুলো গ্রহণ করতে পারবেন এমন দাবী আমি করব না। তবে আমাকে সুযোগ দেবেন এ আশাটুকু তো করতে পারি। যাই হোক আমার ইঠিকানা নীচে-
লেখক বলেছেন: আসুন আমরা এখানেই আলোচনা করি।
মুশফিক- রহমান বলেছেন:
আপনার পোষ্ট দেখে একটা কুরানের আয়াত মনে পরলো তা হলো এই-মানুষ কি দেখে না যে আমি তাকে সৃষ্টি করিয়াছি শুক্রবিন্দু থেকে?অথচ পরে সে হয় প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী।এবং সে আমার সন্বন্ধে উপমা রচনা করে,অথচ সে নিজের সৃষ্টির কথা ভুলিয়া যায়।সূরা ইয়াসীন-৭৭-৭৮
লেখক বলেছেন: আপনার কোরআনের আয়াত মনে করিয়ে দিতে পেরেছি ভেবে ভালো লাগছে।
মুশফিক- রহমান বলেছেন:
আপনার পোষ্ট দেখে একটা কুরানের আয়াত মনে পরলো তা হলো এই-মানুষ কি দেখে না যে আমি তাকে সৃষ্টি করিয়াছি শুক্রবিন্দু থেকে?অথচ পরে সে হয় প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী।এবং সে আমার সন্বন্ধে উপমা রচনা করে,অথচ সে নিজের সৃষ্টির কথা ভুলিয়া যায়।সূরা ইয়াসীন-৭৭-৭৮
saamok বলেছেন:
আপনি যেহেতু ইসলাম ধর্মে জন্ম গ্রহন করেছেন সেহেতু স্বাভাবিক ভাবে আপনার ইসলাম ধর্মমতে বিশ্বাসি হওয়ার কথা। আপনি "কোরআনুল করিম" পরেছেন। এই মহা গ্রন্থের একেবারে প্রথমেই(সুরা বাকারা, আয়াত -৩) উল্লেখ করা আছে যে " যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে" অর্থাৎ একজন মুসলমানকে অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসি সকল মানুষই অনুসারি মাত্র। যেমন একজন অন্ধ একজন দৃষ্টি শক্তি আছে এমন একজন লোকের কাধে হাত রেখে চলে। আর এই অনুসারিরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে।কুরআন এবং বাংলাদেশের সংবিধান সম্পুর্ন দু্টি ভিন্ন বিষয়। সংবিধান একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগোষ্ঠির জন্য আর কোরআনুল করিম সম্পুর্ণ বিশ্ব জগতের জন্য বিশ্ব প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এটা সু-সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞানময়। এটা মুসলিম জাতির জন্য সংবিধান বৈকি। এর রচনা বিন্যাস প্রাসাংগিক ও প্রয়োজন অনুসারেই রচিত হয়েছে।
যে একজন ব্যক্তির কথা আপনি উল্লেখ করেছেন তার সাথে অবশ্যই আল্লাহর কোন শত্রুতা নেই। আল্লহ শুধু তার দাম্ভিকতাকে আল্লাহর বিশ্বাসিদের সতর্ক করার জন্য তুলে ধরেছেন। আর এখানে আপনার জন্য একটি বিষয় বিনিত ভাবে উল্লেখ করছি। মোহাম্মাদ (ছ
মোহাম্মদ (ছ
কোরআনের সংরক্ষক আল্লাহ নিজেই। তাই এর সংরক্ষনের কোন দায়িত্ব কোন মানুষকে সুর্নিদিষ্ট ভাবে দেয়া হয় নাই। আর এজন্যই পৃথিবীর সকল কোরআনুল করিম এখনো সম্পুর্ণ অবিকৃত ভাবে আছে। মানুষকে যে সকল ধর্ম গ্রন্থ সংরক্ষনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সেগুলোর কোনটিই আদি অবস্থায় নেই। এগুলোর মৌলিকত্ব মানুষ পরিবর্তন করে অনক সংস্করন, পরিবর্ধন, সংযোজন করেছে।
এক লাইনের প্রশ্নের উত্তর কখনোই একলাইনে দেওয়া সম্ভব নয় তথাপি স্বল্প পরিসরে সামন্য কিছু আলোচনা করলাম।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এটা সু-সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞানময়।
ব্যাখা করে বলবেন প্লিজ?
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
++++++++++++++
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
++++
বিন্দু উদ্ভিদ বলেছেন:
তথ্যের ভান্ডারে অজস্র পথ ধরে জমা হচ্ছে প্রতিদিন জানা অজানা অনেক তথ্য, কখনো সত্য তাহা কখনো কথ্য। প্রকৃতির লক্ষ কোটি পৃষ্ঠা জুড়ে জগৎ এর একটি খানি বই ঘুরে আমি আজ স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, 'প্রকৃতিকে পড়, দেখ সত্য কোথায়'?---এস ডাব্লিও উদ্ভিদ
ভাল লাগল।
অনেক শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: আসলে প্রকৃতিতেই সব রহস্য নিহিত। সেটা উত্তমরূপে পাঠ করা প্রয়োজন। সন্দেহ নেই পাঠোদ্ধার কর্ম বড়ই জটিল।
আপনার মন্তব্য ভালো লাগলো।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন; আমি ব্যক্তিগত জীবনে কোন ধর্মীয় অনুশাসন বা আচার পালন করি না। বাবা-মা উভয়েই মুসলিম। ছোটবেলায় কোরআন শিক্ষার তালিমও নিয়েছিলাম কিছুদিন। আগে নামাজ পড়তাম, রোজা রাখতাম। গত প্রায় বছর সাত বছর হলো এসব পালন করা ছেড়ে দিয়েছি। হে হে হে ,,,,,,,,,,, আপনি নাগরিকের পরিচয় এই লেখাতে পেলাম। প্রথমে বেশ মনযোগ দিয়ে পড়ছিলাম, যখন আপনার এই লেখাতে আসলাম,
তখন মন ডায় কইছিল......
লেখক বলেছেন: পরিচয় তো আমি নিজে থেকেই দিলাম।
ফাহাদ বাপ্পী বলেছেন:
আপনার মতো নাস্তিক কে আল্লাহ দুনিয়াই না পাটালে ও পারতো, কিন্তু পাটিয়েছেন যারা আস্তিক তাদের গ্ঞান বৃদ্দীর জন্য আপনাদের ছালা হিসেবে ব্যবহার করতে। আপনার শুভ ভোদের জয় হোক....
লেখক বলেছেন: তিনি যদি সত্যি থাকেন তাহলে তিনি আপনাকে বানান শুদ্ধ করে লেখার সক্ষমতা দিন।
লেখক বলেছেন: মরে জানতে হবে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা?
বলিহারি!
লেখক বলেছেন: এই হচ্ছে আপনার ঈমান!!!!
যদি'র উপর নির্ভর করে ধর্ম চলে না। আপনাকে বিশ্বাস করতে মতভাগ এবং নিঃশর্তভাবে।
লেখক বলেছেন: তার মানে হলো কোরআন পড়ে কোরআনকে বিশ্বাস করতে হবে সঠিক রাস্তা হিসাবে, আর যদি বিশ্বাস না করি তাহলে আমি বেঠিক রাস্তায় আছি?
এগুলাকে যুক্তি বলে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাকে তো আল্লাহ বুঝিয়ে দিয়েছেন।
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
চিন্তা-ভাবনায় অতিমাত্রায় অপরিপক্কতা লক্ষ্য করা গেল এবং সেই সাথে শেষ অব্দি পড়ার ধৈর্য রহিল না।মাইনাস প্রদান না করিবার হেতু খুঁজিয়া পাইলাম না।
লেখক বলেছেন: আপনার মতের পক্ষে দু'চারটা যুক্তি দিয়ে গেলে ভালো হতো না?
কোন প্রশ্নের জবাবও তো দিয়ে গেলেন না।
এটাই আপনার পরিপক্কতা?
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
দেখুন, আপনার মুরগি আপনি যেদিক দিয়ে ইচ্ছা সেদিক দিয়ে কাটুন। যুক্তি দেয়ার প্রয়োজন বোধ করলে অবশ্যই যুক্তি দিতাম। আলস্য এবং অনিচ্ছা দুটো ব্যাপারই যুক্তি প্রদানে বিরত রাখিয়াছে। আপনি চিন্তা করতে থাকুন। চিন্তা-ভাবনায় সৎ এবং সঠিক হলে আপনার আমার সবার জন্য, সর্বপরি মানবতার জন্য ভাল।ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: এত আলস্য বোধ করলে কমেন্ট করতে এসেছেন কেন?
ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে মনে হল ধর্মগ্রন্থ কিভাবে লিখতে হয় তা আল্লাহর চেয়ে আপনি বেশী বুঝেন। আপনার দৃষ্টিতে মহান ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন মানুষ রচনা করেছে, কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসেও আল কোরআনের আবেদন একটুও কমেনি ধর্মপ্রিয় মুসলমানদের কাছে। আপনি যখন বুঝতেই পেরেছেন এই মহান ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন পুরনো হয়ে গেছে বা আল্লাহ প্রদত্ত নয় তাহলে আপনি এবং মুক্তমনারা মিলে লিখুন না এর চেয়ে ভালো কোন গ্রন্থ যা সত্যিই মানব জাতিকে সঠিক পথ দেখাবে। নিজে সঠিকটা করে দেখান না......
লেখক বলেছেন: এই আধুনিক যুগে এসেও আল কোরআনের আবেদন একটুও কমেনি ধর্মপ্রিয় মুসলমানদের কাছে।
ধর্মপ্রিয় হলে ধর্মের সবকিছুই তার ভালো লাগবে সেটাই স্বাবাবিক। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিচার করলেই কেবল বেরিয়ে আসবে প্রকৃত সত্য।
লেখক বলেছেন: কেন নিজে গ্রন্থ পড়ে বুঝা যায় না?
শেলী বলেছেন:
সৃষ্টিকর্তা তার রচিত এক বিধানকে পরবর্তিতে আরেক বিধান দিয়ে বাতিল করেছেন।- কারণ,যদিও আল্লাহ একটাই বিধান দিতে পারতেন,কিন্তু মানুষ সবসময় একরকম matured ছিলনা। যখন যে বিধানের যোগ্য হয়েছে তখন তা পাঠিয়েছেন। সবশেষের টা সার্বজনীন করেছেন। আর আকীদা সবসময় এক ছিলো শুধু আনুষ্ঠানিকতায় পরিবর্তন করেছেন।
ধর্মপালন করার জন্যে নাস্তিকরা কোন ধার্মিকের মাথার দাম ঘোষনা করেছেন?
আমি শুনেছি চীনে তাই করা হয়। আরো অনেক জায়গাতে হয়। আর চীনারা যত সহজে মানুষ মারতে পারে আর কেউ তা পারেনা।
আসলে ঈশ্বর জানেন না যে তিনি আছেন এবং তিনি আমাদেরকে কষ্ট দিচ্ছেন।
আল্লাহ ভালো করেই জানেন। আল্লাহ তাদেরকেই বেশী কষ্ট দেন যাদের ভালো চান। এটা উনার নিয়ম।
সৃষ্টিকর্তা কেন কেবল একজন মানুষকে অভিশাপ দিতে সম্পূর্ণ একটি অধ্যায় ব্যয় করলেন?
উনি কোন তুছছ মানুষ ছিলেননা, প্রভাবশালী ছিলেন। উনাকে অভিশাপ দেয়া হয় অনেক কারণে। আর আমাদের তা পড়তে হয় কারণ যাতে প্রভাবশালী কাউকে আমরা ভয় না পাই।ষব আল্লাহর হাতে তা বুঝার জন্য
লেখক বলেছেন: তাহলে কি গত ১৫০০ বছর যাবত মানুষের ম্যাচিউরিটির লেভেল এক জায়গাতেই রয়েছে?
-- কুরানের অলঙ্করণ ও সাহিত্য বুঝতে আপনাকে আরবি ভাষা জানতে হবে। “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” বাংলায় যত মধুর শোনায় ইংরেজী ট্রানস্লেট করলে ততটা মধুর শোনায় না।
-- আপনি যদি পিপড়ার কাছে কোনো ম্যাসেজ পাঠাতে চান তবে মৌমাছি পাঠালে হবে না। কারণ দুটোর প্রকৃতি আলাদা। তাই সৃষ্টিকর্তা তার ম্যাসেনজার হিসাবে মানুষকেই পাঠিয়েছেন, কোনো ফেরেশতা নয়। মহানবী (সাঃ) বলেছেনঃ “আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ”
-- বাংলাদেশের সংবিধানে যদি বলা হয় ”টাইম মেশিনের ব্যবহারের নীতি হবে ওমুক ওমুক” তবে আপনার কছে কেমন লাগবে? যে যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি তার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হাস্যকর। সৃষ্টির ১ম ধর্মগ্রন্হ ছিল সেই সময়ের উপযোগী, পরবতী ১ লক্ষ বছর পরের নিয়মকানুন জানার তাদের কোনো দরকার ছিল না। তাই যখন প্রয়োজন হয়েছে নূতন গ্রন্থের, সৃষ্টিকর্তা তখন তা অবতীর্ণ করেছেন।
-- যারা নেশা করে তারা কি ১ দিনে নেশা ছেড়ে দিতে পারে? নেশা/অভ্যাস ছাড়তে হয় ধীরে ধীরে। কুরআনের ১টি আয়াতকে অন্য একটি আয়াত দ্বারা রদ করা হয়েছে এসব ক্ষেত্রে এবং উন্নত বিধি আনা হয়েছে। যেমন মদে অভ্যস্ত আরবদের প্রথমে বলা হয়েছে, মদ্যপান করে নামায নিষিদ্ধ। ধিরে ধিরে পুরো মদ্যপানকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
-- অন্যন্য গ্রন্থ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কুরআন নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আপনি কুরআনের কোন অংশে ভুল পেয়েছেন জানানি।
-- মহানবী (সাঃ) এর জীবনের কোন অংশ বিতর্কীত জানান নি। ভালোভাবে তার জীবণী পড়ে জানাবেন।
প্রজ্ঞা অর্জন করতে হয়। আপনি একটি পাতার দিকে প্রজ্ঞা নিয়ে তাকান, এর মেকানিজম নিয়ে ভাবুন। ভাবুন এটি কিভাবে এল, আপনার উত্তর পাবেন।
লেখক বলেছেন: কুরআনের ১টি আয়াতকে অন্য একটি আয়াত দ্বারা রদ করা হয়েছে এসব ক্ষেত্রে এবং উন্নত বিধি আনা হয়েছে। যেমন মদে অভ্যস্ত আরবদের প্রথমে বলা হয়েছে, মদ্যপান করে নামায নিষিদ্ধ। ধিরে ধিরে পুরো মদ্যপানকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গত চৌদ্দশ বছর যাবত তাহলে যেসব পরিবর্তন হয়েছে সেগুলোর জন্যও তো তাহলে নতুন বিধান দরকার অথবা নতুন আয়াত দ্বারা কুরআনের পুরানো আয়াত রদ করা দরকার কি বলেন?
উদাহরণ দিয়ে বুঝায়, আজকাল ইন্টারেনেটে ফেইসবুকিং, চ্যাটিং, ব্লগিং অনেকের কাছেই নেশায় পরিনত হয়েছে। এখন এটাকে ধরী ধীরে নিষিদ্ধ করতে হবে, যেহেতু নেশা একদিনে কাটে না। সেক্ষেত্রে প্রথমে একটা আয়াত যোগ করা যায় যে, কাজ ফাকি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে না। বছর পাঁচেক পরে আবার একটি আয়াত যুক্ত করে আগের আয়াত রদ করা হবে এবং তখন ইন্টারনেট ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে।
আপনি কি একমত?
আচ্ছা, কোন বয়স্ক নারীর জন্য কি পরপুরুষের সাথে চ্যাটিং (টেক্সট) করা জায়েজ আছে?
-- কুরানের অলঙ্করণ ও সাহিত্য বুঝতে আপনাকে আরবি ভাষা জানতে হবে। “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” বাংলায় যত মধুর শোনায় ইংরেজী ট্রানস্লেট করলে ততটা মধুর শোনায় না।
-- আপনি যদি পিপড়ার কাছে কোনো ম্যাসেজ পাঠাতে চান তবে মৌমাছি পাঠালে হবে না। কারণ দুটোর প্রকৃতি আলাদা। তাই সৃষ্টিকর্তা তার ম্যাসেনজার হিসাবে মানুষকেই পাঠিয়েছেন, কোনো ফেরেশতা নয়। মহানবী (সাঃ) বলেছেনঃ “আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ”
-- বাংলাদেশের সংবিধানে যদি বলা হয় ”টাইম মেশিনের ব্যবহারের নীতি হবে ওমুক ওমুক” তবে আপনার কছে কেমন লাগবে? যে যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি তার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হাস্যকর। সৃষ্টির ১ম ধর্মগ্রন্হ ছিল সেই সময়ের উপযোগী, পরবতী ১ লক্ষ বছর পরের নিয়মকানুন জানার তাদের কোনো দরকার ছিল না। তাই যখন প্রয়োজন হয়েছে নূতন গ্রন্থের, সৃষ্টিকর্তা তখন তা অবতীর্ণ করেছেন।
-- যারা নেশা করে তারা কি ১ দিনে নেশা ছেড়ে দিতে পারে? নেশা/অভ্যাস ছাড়তে হয় ধীরে ধীরে। কুরআনের ১টি আয়াতকে অন্য একটি আয়াত দ্বারা রদ করা হয়েছে এসব ক্ষেত্রে এবং উন্নত বিধি আনা হয়েছে। যেমন মদে অভ্যস্ত আরবদের প্রথমে বলা হয়েছে, মদ্যপান করে নামায নিষিদ্ধ। ধিরে ধিরে পুরো মদ্যপানকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
-- পূর্বের সব গ্রন্থই কোনো নিদিষ্ট জাতীর জন্য নিদির্ষ্ট সময়ের জন্য ছিল। শুধুমাত্র কুরআন সবজাতীর জন্য এবং শ্বাশ্বত। তাই শুধু কুরআন নিয়েই ভাবুন। অন্যন্য গ্রন্হগুলো পরিবর্তীত হয়েছে।
-- অন্যন্য গ্রন্থ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কুরআন নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আপনি কুরআনের কোন অংশে ভুল পেয়েছেন জানানি।
-- মহানবী (সাঃ) এর জীবনের কোন অংশ বিতর্কীত জানান নি। ভালোভাবে তার জীবণী পড়ে জানাবেন।
প্রজ্ঞা অর্জন করতে হয়। আপনি একটি পাতার দিকে প্রজ্ঞা নিয়ে তাকান, এর মেকানিজম নিয়ে ভাবুন। ভাবুন এটি কিভাবে এল, আপনার উত্তর পাবেন।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
একজন ডাক্তার হিসেবে তানজিল জানেন ঈশ্বর আছেন! আমি অবশ্য এখনকার ডাক্তারদের বিজ্ঞানের ছাত্র মনে করি কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক মনে করি না। এই ব্লগে অসংখ্য মন্তব্য এসেছে। যার মধ্যে কয়েকটিতে বলা হয়েছে. নবীকে প্রথমে এই বলা হয়েছে, কোরআনে এই লেখা আছে। আরে ভাই ঐখানে কি লেখা আছে সেটা আমি বিনা বাক্যব্যায়ে মানব কেন? আর যেটিতে আস্থাহীনতা নিয়ে বিতর্ক চলছে সেটি কি উদাহরণ হতে পারে!!!চোরকে বিচারক বানিয়ে চোরের বিচার!!!!একটি বিষয় বুঝি না, সৃষ্টিকর্তা কি ইউরোপীয় নাবিকদের চেয়েও বোকা যে, পয়গম্বর পাঠানো সময় আমেরিকা মহাদেশসহ আরও অসংখ্য জায়গার কথা জানতেন না। আর সে কারণেই নবুয়ত খতম করে দিয়েছে মোহাম্মদ-এ যে কিনা ঐসব অঞ্চলে তথাকথিত পরিপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মের পতাকা ওড়ানোর আগেই মারা গেল। অর্থাৎ যুক্তি মানলে মোহাম্মদ আরববাসির জন্যই প্রেরিত ছিলেন!!!!আইনইস্টাইনের সাথে একমত পোষণ করি বলেই বলি স্রষ্টা মহোদয় দুরদৃষ্টি সম্পন্ন নয়!
লেখক বলেছেন: তারা কোরআনের নির্ভূলতা প্রমানের জন্য বলেন যে, কোরআনে বলা আছে যে কোরআন নির্ভূল, তাই কোরআন নির্ভূল!
লেখক বলেছেন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর থেকেও অনেক বড় জ্ঞানী অনেকেই নাস্তিক ছিলেন। তাতে কি প্রমানিত হয়?
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
আমার বিজ্ঞান মনস্ক মন 'যদি' নির্ভর নয়। আপনাকে এবং শহীদুল্লাহ সাহেবকে একটা প্রশ্ন: আপনারে যাকে ঈশ্বর মানেন পরকালে দেখলেন তিনি অস্তিত্বহীন বরং অন্য ধর্মের কোন ঈশ্বর আসল। তখন আসল ঈশ্বরের প্রতি আস্থাহীন থাকার কারণে আপনাদের কি অবস্থা হবে??????????? এটি ঠিক জিজ্ঞাসা নয় সক্রেটিসের যুক্তিচর্চার মত করে বলা আর কি?
লেখক বলেছেন: ডাঃ তানজিল-এর দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
আমি তাদের সাথে কথা বলতে আগ্রহী যারা পড়াশোনা করে এবং নাস্তিক্যবাদ নিয়েভালো মত চিন্তা করে। ভাসা ভাসা জ্ঞানের আলোচনায় মজা পাই না।
হাফিজুর রহমাস মাসুম ভাইকে বলি আপনি বিজ্ঞারমনস্ক হলে কথাটা এরিয়ে যেতেন না। যদি আবহাওয়া অধিদপ্তর বলে আজ রাতে ১০.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হবে তবে “যদি” তে আবিশ্বাসী আপনি ঘরে থাকবেন আশা করি। এবং লোকে আপনার এই আচরণকে বিজ্ঞারমনস্ক মনে করবে আশা রাখি।
লেখক বলেছেন: তার মানে আল্লাহ হিন্দু ও ইহুদী ধর্মেও রয়েছেন?
তারা কি আল্লাহর নির্দেশ মত নামাজ, রোজা, হজ্জ্বও পালন করে?
অর্থাৎ একজন মুসলমান তার নিজস্ব ধর্ম পালন করেই (হিন্দু ধর্ম পালন না করেও) হিন্দু ধর্মের স্রষ্টার নির্মিত স্বর্গে যেতে পারবেন??
লেখক বলেছেন: তাহলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ'র প্রসঙ্গ উত্থাপন করে আপনি আসলে কি বলতে চাইছিলেন? দয়া করে বলবেন কি?
আর কোনো বিধানের দরকার নেই। আপনি কি পুরো কোরআর বুঝে পরেছেন না পড়ার খাতিরে ২-৪ লাইন পড়েছেন? আসুন এবার দেখা যাক আপনি কোরআন কে চ্যালেন্জ করেন না কোরআন আপনাকে চ্যালেন্জ করে..
”যদি 14 শ’ বছর আগে কোন মূর্খ লোক কোরআন লেখে (যা ঈশ্বরের বাণী নয়) তবে শিক্ষিত হিসাবে আপনি অবশ্যই পারবেন কোরআনের মত একটি গ্রন্থ লিখে ফেলতে। সুতরাং আপনি লিখে ফেলুন একটি সূরা এবং প্রকাশ করুন। আশা করি কোরআনের মত আপনার গ্রন্থও সম্মানিত হবে এবং লোকে তা পড়ে আমল করবে।”
লেখক বলেছেন: কাব্যিক মান ও নান্দনিকতার বিচারে কোরআনের থেকে সহস্রগুনে উৎকৃষ্ট গ্রন্থের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।
'কোরআনের মত একটি' বলতে আপনি কি বুঝিয়েছেন? যখন একটি বস্তুর সাথে অপর একটি বস্তুর তুলনা আসে তখন দুটো বস্তুর মান বিচারের জন্য একটি গ্রহনযোগ্য স্কেল নির্ধারণের প্রয়োজন হয়। একটি লেখায় ঠিক কি কি বৈশিষ্ট থাকলে আপনি বলবেন যে সেটা কোরআনের তুলনায় ভালো বা খারাপ হয়েছে? তুলনাটা করবেন কিসের ভিত্তিতে?
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
জনাব চিকিৎসক আপনার জবাবে আপনার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পাচ্ছে। আপনি ধর্মের যে তালিকা দিয়েছেন তা সংর্কীর্ণ। দেশের সর্বচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে নৃবিজ্ঞানে সর্বচ্চ ডিগ্রি নেয়ার পর আমি আপনার সাথে দ্বিমত না পোষণ করে পারছি না। অনেক মানুষের মানা ধর্মগুলোর বাইরেও অসংখ্য ধর্ম আছে এই পৃথিবীতে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বিজ্ঞান ও গণিতের সাহায্যে যে আশংকা প্রকাশ করে তা বিজ্ঞানসম্মত। আর আপনার ধর্ম বিষয়ে যে 'যদি' নির্ভরতা তা আপনার বিশ্বাস মাত্র। আর বিশ্বাস হচ্ছে যুক্তির অভাব। আমি বিশ্বাসের দুর্গে আঘাত করাটাকে কর্তব্য জ্ঞান করি। আমি তিনবার অর্থসহ কোরআন পড়েছি। বিনয়ের সাথে বলছি, পারলে কাউকে বলুন, আজ আর একটি 'ইলিয়াড' বা 'মেঘদূত' লিখতে। আপনার কি মনে হয় এই লিখতে না পারার অর্থ কোন কিছুই না পারা। আর কোনটি সুখপাঠ্য আর কোন সুখপাঠ্য নয়, এ রায় কি জনপ্রিয়তা দিয়ে দেওয়া যায়? রবীন্দ্রনাথের চেয়ে শরৎচন্দ্রের বই বেশি বিক্রি হতো মানে কি এই যে রবীন্দ্রনাথ শরৎবাবুর চেয়ে কম ভালো লিখতেন? একটা মজার জিনিস নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, মধু অত্যন্ত উপকারি হওয়া সত্বেও প্রচুর লোক মধুর চেয়ে ফেনসিডিল বেশি খায়। লেখককে আক্রমণ করার আগে আপনার উচিৎ যুক্তিকে চাপিয়ে দেওয়া বক্তব্যের অবতারণা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে পরিপূর্ণভাবে সহমত পোষন করছি।
মূল্যবান আলোচনার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
পারভেজ আলম বলেছেন:
আস্তিক নাস্তিক এইগুলা কোন ঘটনা না। জিজ্ঞাসা করতে শেখা আর কোন কিছুকে বুদ্ধি বিচার ছাড়া মাইনা না নেওয়াই হইল আসল। আপনি জিজ্ঞাসু হইলে আর আপনার সময়োপযগি নৈতিকতা ধারন করতে পারলে আপনার কখনো আস্তিক অথবা নাস্তিক ক্যাটাগরি দিয়া নিজের পরিচয় দিতে হবে না, মানুষ পরিচয়েই উজ্জ্বল হবেন। আপনার প্রশ্ন থেকে ভরষা পাই আপনি সঠিক পথে আছেন।
লেখক বলেছেন: আপনার সিরিজের কয়েকটি আমি অফলাইনে পড়েছি। ভালো লেগেছে। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ফাহরুখ খান বলেছেন:
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।
লেখক বলেছেন: সর্বদাই এবং সকলের ক্ষেত্রেই।
পারভেজ আলম বলেছেন:
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: নামাজ একা পড়তে নিষেধ আছে,কোথায় দেখেছেন তা?আর রোজার বেলায় এমন আজগুবি প্রশ্নের কোনও সুযোগই নেই। কোনও মুসলমান ধর্মান্তরিত হলে তাকে কতল করতে হবে এমন কথা হাদিস বা কোরানশরীফে পড়েছেন? রাজিব খান, শারিরিক সক্ষমতা সত্ত্বেও একা নামাজ যারা পরে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হাদিস আছে। মুসলমান ধর্মান্তরিত হলে কতলের বিধানও আছে। মুহাম্মদ (স) এর মৃত্যুর পর গণহারে ইসলাম ত্যাগের ঘটনা ঘটেছিল। তখন কোরআন হাদিসের উধৃতি নিয়েই কঠোর ভাবে এই বিদ্রোহ দমন করা হয়। লিংক চাইলে কালকে দিমু নে। এখন ঘুমাইতে যাই।
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে শতভাগ সহমত।
“ফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না।” (সূরা মুনাফিকুনঃ আয়াত ৩)
“এদের (অবিশ্বাসীদের) অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজেদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে।” (সূরা মুহাম্মদঃ আয়াত ১৬)
... কোরআনের আয়াত মিথ্যা হতে পারে না, যাদের অন্তরে মোহর মারা তাদের কখনোই বোঝানো সস্ভব নয়। তাদের কর্মের দায় দায়িত্ব তাদের নিজের। এবং আল্লাহই তাদের ফয়সালা করবেন কারণ তিনিই তাদের অবকাস দিয়েছেন। সূরা আল মুরসালাতঃ আয়াতঃ ৪৬ এ আল্লাহ বলেছেন-
“হে কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও।”
মহান আল্লাহ সূরা কাফিরুনের ০৬ নম্বর আয়াতে আবিশ্বাসীদের এভাবে উত্তর দিতে বলেছেনঃ
“ না তোমাদের ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসিত হবে না আমার ব্যাপারে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে। তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।”
...সুতরাং আমি আপনাকে বোঝানোর চেষ্ঠায় অব্যহতি দিলাম। মহান আল্লাহই আপনাকে ভালো বোঝাতে পারবেন। আল্লাহ আপনাকে উপলদ্ধি করার তৈফিক দান করুন।
লেখক বলেছেন: কোরআন এর গ্রহনযোগ্যতা বিচারের ক্ষেত্রে স্বয়ং কোরাআন কোন বিচারক হতে পারে না।
পারভেজ আলম বলেছেন:
ডাঃ তানজিল অত্যন্ত উন্নত প্রজাতির ডাক্তর।
লেখক বলেছেন:
![]()
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
পারভেজ আলম বলেছেন: ডাঃ তানজিল অত্যন্ত উন্নত প্রজাতির ডাক্তর।...আমি বলছি এই ডাকতার একটি উন্নত প্রজাতির কবরেজ। তার ঈমানের এত জোর থাকলে কেন তিনি এমবিবিএস পড়তে গেলেন? কোরআনের আয়াত পড়ে জ্বীন হাজির করে ফুক-তাক দিয়েইতো সব রোগ সারা যায়। আর সারতে না পারলে বুঝতে হবে উনার খোদা সারতে চাচ্ছেন না। সুতরাং খোদার ইচ্ছাকে সন্মান জানিয়ে মরতে দেয়া হউক!!!! পুরনো কাসুন্দি - উদাহরণ দেয়ার একমাত্র স্থান ঐসব 'গ্রন্থ' যাদের বক্তব্যেই আমরা আস্থা রাখতে পারছি না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই আজ সংশয় প্রকাশ করছে ঈশ্বরে আর আমাদের বিজ্ঞানের ছাত্ররা ক্রমেই আস্থা ফিরে পাচ্ছে অতিপ্রাকৃতে!!!!! দেশের বিজ্ঞান শিক্ষাকে কতটা বিজ্ঞানসম্মত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন: আসলেই সিজোফ্রেনিক লোকেরা নিজেরা যা বোঝে তাদের কাছে তাই সত্য।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
ডাঃ তানজিল বলেছেন: তোদের কল্পনা রাজ্যে তারা মহাজ্ঞানী।......................বেশি করে পড়াশোনা করুন, কারণ অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ....ধন্যবাদ আমার ক্ষুদ্রতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু সমস্যা থেকেই গেল। অতিপ্রাকৃতে আস্থাহীনতা রয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: অতিপ্রাকৃতে আস্থা আনা যেতে পারে যদি অতিপ্রাকৃতের অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হয়। সেটা যতদিন না হচ্ছে সংশয় থেকেই যাচ্ছে এবং সেটাই যৌক্তিক।
.. আপনি বাতাস দেখেননি কিন্তু তা অনুভব করতে পারেন, এটা অতিপ্রাকৃত নয় সত্য। আমি আমার উপলদ্ধিদ্বারা সৃষ্টিকর্তাকে আনুভব করতে পারি। কারণ প্রত্যেক জীবনের একজন প্রাণদাতাকে আমরা উপলদ্ধি করতে পারি।.. আপনি কোরআনের ৬,৬৬৬ আয়াতকে মিথ্যা বললেও ১টি আয়াতকে মিথ্যা বলতে পারবেন না, তা হল মৃত্যু। আপনি কি খুব কাছ থেকে মৃত্যূকে দেখেছেন? আপনি কি জানেন সেটি কতটা যন্ত্রণাদায়ক? শুধুমাত্র ঘরে বসে “সৃষ্টিকর্তা নেই” বলাটা যৌক্তিক নয়। আপনি জীবন ও মুত্যুকে কাছ থেকে দেখুন, কিছু বাস্তব জ্ঞান অর্জন করুন। অনেক কিছু শিখবেন। জীবনের উৎপত্তি নিয়ে পড়াশোনা করুন কেননা সৃষ্টিকর্তার প্রকৃতি পাওয়া যায় তার সৃষ্টিতে।
.. আপনি আপনার ব্রেনের সিন্যাপ্সের সংযোগে আসংখ্য যুক্তি দেখাচ্ছেন। আপনার এই মোটর ফাংশনে সাহায্য করছে নিউরোট্রান্সমিটার ও এসিটাইল কোলিন। যেকোনো একটি আকার্যকর হলে আপনি ভারসাম্য হারাবেন। আপনার এই যুক্তি দেবার ক্ষমতাও থাকবেনা। আপনার এই ব্রেন এসেছে একটি কোষ থেকে। আপনার তো আস্তিত্বই ছিলনা। কে আপনার ভ্রূনকে বিভাজিত করলো এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্মে? অতপরঃ আপনার এক্টোডার্ম থেকে পরিণত করলো মস্তিস্ক, যা দিয়ে আপনি যুক্তি দেখান। আপনি ভাবুন। নিজের শেকরের ব্যাপারে যদি না জানেন, যদি বলেন এমনিতেই হল সবকিছু তবে আমার কিছুই বলার নেই।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় হিউম্যান এনাটমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপন করা না করার ক্ষেত্রে। আপনার হয়তো ওই পার্টিকুলার বিষয়ে ভালো জ্ঞান আছে, কিন্তু কোটি কোটি মানুষ রয়েছে বিশ্বে যারা কখনো হিউম্যান এনাটমি পড়েনি কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাসী।
অর্থাৎ পৃথিবীর বেশির ভাগ আস্তিক যৌক্তিক বিশ্লেষনের অনুসিদ্ধান্ত হিসেবে আস্তিক হয় না বরং তারা উত্তরাধিকার ও পারিপার্শ্বিকতার সূত্রে আস্থা লাভ করে। এবং অধিকাংশ মানুষই এরূপে অর্জিত বিশ্বাসের বাইরে কিছু চিন্তা করে না। ফলে বয়োবৃদ্ধির সাথে সাথে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কীয় ধারনা বা বিশ্বাসে পরিবর্তন ঘটে না।
তাই একজন মানুষ হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহন করলে সে হিন্দু ধর্মের প্রতি বিশ্বাস করে এবং আজীবন হিন্দু থেকে যায়। অন্য ধর্মগুলোর ক্ষেত্রেও এটা সমভাবে প্রযোজ্য।
আপনি নিজে যদি অমুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করতেন সেক্ষেত্রে কি আপনিও সেই ধর্ম আঁকড়ে থাকতেন না এবং সেই ধর্মের বিধানগুলোকে নির্ভূল বলে দাবী করতেন না?
আর যেখানে বিশ্বাসটা আরোপিত, সেখানে যুক্তির স্থান কোথায়?
পারভেজ আলম বলেছেন:
মহামতি ডাক্তর তানজিল, এতো সুন্দর এবং নিখুত এনাটমিতে এপেন্ডিক্সএর মতো একটা বেদরকারি খুত ক্যামনে আইল?আপনে তো গেরাম দ্যাশের হুজুরগো মতো যুক্তি দিতাছেন। মানুষের মৃত্যুর অনিবার্যতা আর যন্ত্রনার সাথে স্রষ্টার অস্তিত্বের সম্পর্ক কি? কোন যৌক্তিক সম্পর্ক দেখাইতে পারবেন?
বাতাস অনুভব আর সৃষ্টিকর্তার অনুভব এক জিনিস না। বাতাস আমাগো গায়ে লাগে, টের পাওয়া যায়, বাতাসে কি কি গ্যাস আছে, জলবায়ুর আদ্রতা কতো, গতিপথ কি, এইসব পরিমাপযোগ্য। সৃষ্টিকর্তা এইরকম শারিরীক অনুভব বা পরিমাপযোগ্য বিষয় না, বিশ্বাসের বিষয়। এইরকম বাচ্চা পোলাপানের মতো যুক্তি দিয়া নিজের মান সম্মান কমায়েন না।
লেখক বলেছেন: বাতাস হলো পদার্থ। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা হলো বিশ্বাস বা অপদার্থ। কোন কিছুর অস্তিত্ব প্রমানিত হলেই কেবল সেটা পদার্থ হয়। অপদার্থ বা অস্তিত্বহীন বলে কোন কিছুকে দাবী করা হলে তার উপস্থিতি প্রমানের জন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক প্রমান।
পারভেজ আলম বলেছেন:
ডাঃ তানজিল বলেছেনঃ আপনি আপনার ব্রেনের সিন্যাপ্সের সংযোগে আসংখ্য যুক্তি দেখাচ্ছেন। আপনার এই মোটর ফাংশনে সাহায্য করছে নিউরোট্রান্সমিটার ও এসিটাইল কোলিন। যেকোনো একটি আকার্যকর হলে আপনি ভারসাম্য হারাবেন। আপনার এই যুক্তি দেবার ক্ষমতাও থাকবেনা। আপনার এই ব্রেন এসেছে একটি কোষ থেকে। আপনার তো আস্তিত্বই ছিলনা। কে আপনার ভ্রূনকে বিভাজিত করলো এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্মে? অতপরঃ আপনার এক্টোডার্ম থেকে পরিণত করলো মস্তিস্ক, যা দিয়ে আপনি যুক্তি দেখান। আপনি ভাবুন। নিজের শেকরের ব্যাপারে যদি না জানেন, যদি বলেন এমনিতেই হল সবকিছু তবে আমার কিছুই বলার নেই। হাহাপগে
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@পারভেজ আলম:আপনার নামের শেষা;স " আলম ".....।
এই "আলম" কথার অর্থ কী......?? আর আপনার মত লোকের নামের শেষে এইটার প্রয়োজনীয়তাটাই বা কী.....?? জানালে এই মূর্খ্য বাধিত হইবো...........
পারভেজ আলম বলেছেন:
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, "আলম" শব্দের অর্থ যতটুকু জানি "দুনিয়া", তুর্কিশ ভাষায়। অন্য কোন ভাষায় অন্য কোন অর্থ আছে কিনা জানা নাই। আর "আপনার মত লোক" মানে কি বলতে চাইতাছেন? ঝাইড়া কাসেন।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
আপনার মত বলতে বুজাইছি, আল্লাহ-খোদারে বেইল না দেউন্যা পাবলিক নামের শেষে "দুনিয়া" রাখার দরকারটা কী....... আলফা, বিটা, পাই, থেটা জাতীয় নাম বেশী মানাইতো........
লেখক বলেছেন: মানুষের নাম ভাষা থেকে উদ্ভুত, ধর্ম থেকে নয়। কারণ নাম কোন বিশ্বাস নয়, নাম হলো শব্দ।
পারভেজ আলম বলেছেন:
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, দ্যাখেন, আপনে যেই প্রশ্ন করছেন সেই ধরণের প্রশ্নের উত্তর ভদ্র ভাষায় দেয়া খুব কষ্টকর। তাও একটু সময় নষ্ট কইরা ভদ্র ভাষায় উত্তর দেই যাতে আপনে বুঝতে পারেন যে আপনের এই প্রশ্ন কত নিন্মবুদ্ধিসম্পন্ন। মানুষের নামের কোন না কোন অর্থ হবেই। আপনে পরিষ্কার ভাষায় বলতে পারেন নাই আসলে যা বলতে চাইছেন। আলফা, বিটা এইসব গ্রিক এলফাবেট, আমার জানা মতে এইগুলা কারো নাম হয় না। একটা মানুষের ধর্ম বিশ্বাসের সাথে তার নামের কোন সম্পর্ক নাই। মুসলমানি নাম বইলাও কিছু নাই। পারভেজ আরবি শব্দ না, ফারসি। পারভেজ নামে নামকরা একজন পৌত্তলিক অগ্নিপুজারি ইরানি বাদশাহ ছিলেন। ইরানে ইসলাম ধর্ম যাওয়ার পর ঐ দেশের মানুষ মুসলমান হওয়ারা লাইগা নিজেগো বাপ দাদাগো নাম ত্যাগ কইরা আরবি নাম নেয় নাই। তুর্কিশরাও তা করে নাই। করছে খালি এই দেশের লোকজন, অবশ্য ঐতিহাসিক কারনেই। নামের মধ্যে আপনে যেইভাবে ধর্ম খোঁজেন সেইটা আপনের সাম্প্রদায়িক চরিত্রের পরিচায়ক আর যেই ধরনের প্রশ্ন আপনে করছেন সেইটা আপনার খুব উন্নত মস্তিষ্কের পরিচয় দেয় না। জ্ঞান বাড়াইতে বেশি পয়সা লাগেনা, সামান্য মুক্ত চিন্তা আর একটু পড়াশোনা। আপনার লাইগা শুভ কামনা রইল।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@ পারভেজ আলম:
ভদ্র ভাষায় উত্তর দেয়া যায় না বলে আবার ভদ্র ভাষায় উত্তর......
যাক আপনি বলেছেন:
একটা মানুষের ধর্ম বিশ্বাসের সাথে তার নামের কোন সম্পর্ক নাই..............
---------->> তাহলেতো যে কোন মুসলমান তার সন্তানের নাম নিতাই চন্দ্র পাল আর যে কোন হিন্দু তার ছেলের নাম মোহাম্মদ রহিম রাখতে পারে কি বলেন.....???
আর আপনারতো কোন সম্প্রদায় নেই, সেখানে আমি আপনার সম্প্রদায় খুজতে যাবো কেন....??
তার পরও বলি মানুষর নামের মাধ্যমেই কি আমরা প্রাথমিক ভাবে যেনে যাই না যে লোকটি কোন সম্প্রদায়ের.......??
এনি ওয়ে নো মোর আর্গুমেন্ট.....
লেখক বলেছেন: আশা করি আপনার এতটুকু উপলব্ধি করার মেধা রয়েছে যে মানুষের নাম ভাষা থেকে উদ্ভুত, ধর্ম থেকে নয়। কারণ নাম কোন বিশ্বাস নয়, নাম হলো শব্দ।
লেখক বলেছেন: মৃত্যু থেকে জীবনের কি বাস্তব শিক্ষা নেয়ার আছে? মৃত্যু কতটা যন্ত্রনাদায়ক, তাই?
প্রাণের যেহেতু সৃষ্টি আছে, তাই বিনাশও আছে। সৃষ্টির জন্য যেমন রয়েছে প্রক্রিয়া, বিনাশের জন্যও রয়েছে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া।
উদ্ভিদের রয়েছে প্রাণ। এবং তারা নিঃশব্দে প্রাণ ত্যাগ করে। উদ্ভিদের প্রাণ ত্যাগ থেকে আমরা কিভাবে অনুসিদ্ধান্তে আসতে পারি যে সৃষ্টি কর্তা আছেন?
লেখক বলেছেন: আপনার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা নিসন্দেহ। কারণ আপনি কমেন্ট করছেন। আপনার রয়েছে কম্পিউটার যা বিদ্যুত চালিত। আপনার রয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ এবং আইপি। এবং রয়েছে অনেক অনেক প্রমান।
কিন্তু আপনার কি জানা আছে সৃষ্টি কর্তা কিভাবে আছেন?
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ডাঃ তানজিল...আপনে অন্য ধর্ম গ্রন্থ গুলা পরছেন কি? পারলে কোনটা কোনটা পরছেন....নাকি খালি কোরান পরছেন ?
লেখক বলেছেন: ধর্মগ্রন্থগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে সেগুলোর থিম একটি থেকে অন্যটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। কোরআনকে বিচার করতে হলে অন্যগুলো পড়া ভীষন জরুরী।
শয়তান বলেছেন:
হঠাত কৈরা এই পোস্টে জোকার নায়েকের গন্ধ পাওয়া যাইতেসে . কেইস কি ?
লেখক বলেছেন: তিনি কি সামহোয়ার-ইন এর ব্লগার? ![]()
পারভেজ আলম বলেছেন:
কেন, আর্গুমেন্ট করবেন না কেন? আপনে মনে হয় আমি কি কইছি বুঝেনই নাই। এই কারনেই বলছি একটু মুক্ত বুদ্ধি দিয়া চিন্তা করা শিখা দরকার, গোরামি ভালো না। আমি আমার নামের উৎপত্তির উদাহরণ দিয়াই আমি আপনেরে বুঝাইলাম যে নামের কোন ধর্ম নাই। ইরানি বা তুর্কিসগো মতো যদি আমাগো পূর্বপুরুষরাও বাপ দাদাগো ঐতিহ্যবাহী নাম পরিবর্তন করা ছাড়াই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতো তাইলে আমার বা আপনার নামও নিতাই চন্দ্র পাল হইতে পারতো। ধর্মের সাথে সাথে নাম পরিবর্তন করার ঘটয়া আমাগো এই অঞ্চলেই ঘটছে। তারপরও দেখবেন এখনো এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনো ডাক নামটা আরবিতে না বরং বাঙলা ভাষায়ই রাখে। পারভেজ আলম আমার বড় নাম, ডাক নামটা কিন্তু বাঙলা ভাষায়ই, আপনের ভাষায় অবশ্য হিন্দু নাম হবে। দেশি নামরে যারা বিধর্মী ভাবে তারা প্রকারান্তরে নিজের মাতৃভাষারেই বিধর্মী ভাবে, এই কাজটা একসময় এই দেশের পাকিস্তানপন্থীরা করছে। আর আমার কোন সম্প্রদায় নাই এইটা আপনেরে কে কইল। একজন মানুষ একাধিক সম্প্রদায় বা গোষ্টির অংশ হইতে পারে। ইসলাম নামক সম্প্রদায়ে আপনার আর আমার অবস্থান এক কাতারে না হইলেও বাংলাদেশ নামক দেশের নাগরিকের কাতারে আপনে এবং আমি একই সম্প্রদায়ের হইতে পারি। তবে তার আগে আপনার নাম এবং ভাষা সংক্রান্ত সাম্প্রদায়িক অবস্থান থেইকা বাইর হইয়া আসতে হবে।
পারভেজ আলম বলেছেন:
ডাক্তর তানজিল, অবশ্যই মেডিকেল সাইন্স নিয়া আপনের চেয়ে বেশি পড়ি নাই, যেহেতু আপনে ডাক্তর মানুষ, তয় কোন ১৯ শতকিয় জিনিস না, ইদানিংকার আর্টিকেল পইড়া যা জানছি, এপেন্ডিক্সএর প্রয়োজনিয়তা সম্পর্কিত এক নম্বর স্বিকৃত থিওরী, এইটার এখন কোন কাজ নাই, দ্বিতীয় থিওরীটা একটা সম্ভাব্য থিওরী যেইটা আপনে বলছেন। আমি সর্বাধিক স্বিকৃতটার কথাই বলছি। এই বিষয়ে মেডিকেল সাইন্সের বই না, আপাতত আমার দৌঁড় উইকিপিডিয়া পর্যন্ত Click This Link
আর আজব, আপনে নিজেই কইলেন মানুষের মৃত্যর যন্ত্রনা দেইখা আপনে জানেন স্রষ্টা আছে আর বাতাস গায়ে লাগার অনুভুতির মত আপনি স্রষ্টার অস্তিত্ব টের পান, আর এখন কথা ঘুরাইয়া কন আমি বুঝি নাই, কমেন্টস পড়ি নাই, অল্প বিদ্যা ভয়ংকরি এইসব। আরে মিয়া, পারলে বাতাস আর আল্লা নিয়া আমি যা কইলাম সেইটা ভূল প্রমান করেন অথবা আপনের মন্তব্য থাইলা বাতাসের অস্তিত্বর দিয়া আল্লাহর অস্তিত্বের তুলনা দেয়া যায়গাটায় আপনের ভূল হইছে স্বিকার করেন।
লেখক বলেছেন: মৃত্যু যন্ত্রনা থেকে কিভাবে সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে নিঃসন্দেহ হওয়া যায়-বুঝতে পারছি না। যুক্তিটা কি?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
২০০০ সালের দিকে আমেরিকার একটি মেডিকেল জার্নাল সে দেশের হার্টের সার্জনদের প্রশ্ন করেছিলেন যে, তারা সার্জারীর সফলতায় সৃষ্টি কর্তার কোন অবদান দেখেন কি না.....??৭৬% ডাক্তার বলেছিলেন তাদের সার্জারী করার দক্ষতার সাথে সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছা-অনিচ্ছাও রোগীর বাচা মরা সম্পর্ক যুক্ত......!!!
আমেরিকা-কানাডার প্রতিটা হাসপাতালে রোগী ও রোগীর পরিবারের জন্য "স্পিরিচু্য়্যাল রুম" আছে প্রার্থনার জন্য, এব; যে কোন ধর্মের রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের জন্য "স্পিরিচুয়্যাল কাউন্সিলর" আছে|
লেখক বলেছেন: অনেক ডাক্তার বলেছেন তাই সৃষ্টিকর্তা আছেন??
হাসপাতালে 'স্পিরিচু্য়্যাল' রুম আছে বলে সৃষ্টিকর্তা আছেন??
এখন যদি অনেক পদার্থবিদ বা দার্শনিক এসে বলেন যে সৃষ্টিকর্তা নেই, তাহলে কি সৃষ্টিকর্তা 'নাই' হয়ে যাবেন?
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
আমেরিকা-কানাডার প্রতিটা হাসপাতালে রোগী ও রোগীর পরিবারের জন্য "স্পিরিচু্য়্যাল রুম" আছে প্রার্থনার জন্য, এব; যে কোন ধর্মের রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের জন্য "স্পিরিচুয়্যাল কাউন্সিলর" আছে|@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত..আচ্ছা একেক জন ঈশ্বর কি আলাদা আলাদা ভাবে বান্দাদের সহযোগিতা করে? কোন ঈশ্বর কে ডাকলে বেশি ভাল ফল পাওয়া যাবে? আমার জানামতে পৃথিবীতে বহু ধর্ম আছে. ওইখানে পারসিকদের কোনো "স্পিরিচুয়্যাল কাউন্সিলর" আছে কি?
অবস্য চাইলে আমাকেও ডাকতে পারেন?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:আচ্ছা একেক জন ঈশ্বর কি আলাদা আলাদা ভাবে বান্দাদের সহযোগিতা করে? কোন ঈশ্বর কে ডাকলে বেশি ভাল ফল পাওয়া যাবে?
------------>> প্রশ্নটা আপনার বাবা-মা কে করেন|
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
আমার জানামতে পৃথিবীতে বহু ধর্ম আছে. ওইখানে পারসিকদের কোনো "স্পিরিচুয়্যাল কাউন্সিলর" আছে কি?
---------->> হাসপাতালে যোগাযোগ করেন, আমেরিকা-কানাডা দাবী করে প্রায় সব দেশের সব ধর্মের লোক তাদের দেশে আছে|
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ...বলছেন আপনে জবাব দেবেন আপনে . ..একটা কথা বৈলা ..এইভাবে পিছলাইয়া যাওয়া ঠিক না
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@ হায় ঈশ্বর! বলেছেন: যান পিছলামু না|
আমার বিশ্বাস সৃষ্টি কর্তা একজন.......
আল্লাহ.....।
ভগবান....।
গড.........।
যেই নামেই ডাকা হোক|
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত...পরলেন তো মিয়া বিপদে.....আচ্ছা বলুন তো একজন সৃষ্টি কর্তার এতগুলা ধর্ম কেন?.....
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@ হায় ঈশ্বর! :ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যাবার হাজারটা পথ থাকতে পারে.........!!!
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত .....রামকৃষ্ণ এর ডায়ালগ(পিছলানি ). তার মনে অন্য ধর্ম গুলাও ঠিক ? ...কিন্তু আমার জানা মতে (ইসলাম অনুসারে রাস্তা একটাই)...হিন্দু অনুসারেও তাই ....ও ভাই হিন্দু হয়ে জন্মাতে হয়. কেও হিন্দু ধর্ম গ্রহন করতে পারে না .
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হিন্দু ধর্ম নিয়া আমারে প্রশ্ন না করাই ভাল|আর ইসলাম নিয়া একটা কথা আপনি জানেন কি-না জানিনা, হযরত মোহাম্মদ ( স
সুতরা; ইসলাম ধর্মালম্বী হইলে রাস্তা একটাই রাসুল ও আল্লাহ...., ভুল তো দেখি না.....|
হিন্দু হইলে তারও রাস্তা একটাই সেটা হইলো তার নিজ ধর্ম.....।
ঘৃষ্টান হইলে তারও রাস্তা একটাই সেটা হইলো তার নিজ ধর্ম.....।
সমস্যা তো দেখি না.....
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ..এইটাই তো সমস্যা এক রাস্তার লোক অন্য রাস্তার লোক কে ওভারটেক করবার দেয় না. আর পিছলানি জবাব বাদ দেন.......
আপনে ভালো হুজুর হইতে পারবেন ..তারাও আপনের মতই প্চ্লানি জবাব দেয়.
তাহলে ভাই রাসুল আরবদের ট্রেক পরিবর্তন করাইল কেন? যদি রাস্তা ঠিকই থাকে
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:তাহলে ভাই রাসুল আরবদের ট্রেক পরিবর্তন করাইল কেন? যদি রাস্তা ঠিকই থাকে
-------->> ট্র্যাকের বাইরের মানুষকে রাসুল ট্র্যাকে তুলেছেন....., যাদের কোন ট্র্যাকই ছিল না তাদেরকে ট্র্যাক পরিবর্তনের কথাই আসে না....
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
ট্র্যাকের বাইরের মানুষকে রাসুল ট্র্যাকে তুলেছেন....., যাদের কোন ট্র্যাকই ছিল না তাদেরকে ট্র্যাক পরিবর্তনের কথাই আসে না...@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত..ভাইজান এটাই হলো সমস্যা ....একদল ভাবে অন্যদলের ট্র্যাক নাই. তাগো কিন্তু একটা ধর্ম বিশ্বাস ছিলো ..সেটা আপনের চোখে যত আজব লাগুক না কেন.....যেমন হিন্দুগো অনেক জিনিস আপনাদের আজব কাজে ..তেমনি হিন্দুদের লগে . ....তাই তো রাসুলের পর তার অনুসারীরা ভারত বর্ষে এসে ট্রেক পরিবর্তনের পর .....আচ্ছা ইহুদিদেরও কি ট্রেক নাই?
অফটপিক : ভাইজান আরব রা এখনো ট্র্যাক এ আসে নাই . কোনদিন আসবেও না ....পৃথিবীর সব কয়টা ধর্ম এই জায়গায় গিয়া ফেইল মারসে .
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত..ভাইজান এটাই হলো সমস্যা ....একদল ভাবে অন্যদলের ট্র্যাক নাই. তাগো কিন্তু একটা ধর্ম বিশ্বাস ছিলো .....
-------->> তাদের ধর্ম বিশ্বাসটা জানতে ইচ্ছা করে......
ফাইলান কথা:
মোহাম্মদ বিদায় হজ্বের সময় স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, "যার যার ধর্ম তার তার......." এই কথা বলার পরও আপনি কই পাইলেন যে মুসলমানরা মনে করে অন্যদের ট্র্যাক ঠিক নাই......??
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
অফটপিক :ভাইজান আরব রা এখনো ট্র্যাক এ আসে নাই . কোনদিন আসবেও না ....পৃথিবীর সব কয়টা ধর্ম এই জায়গায় গিয়া ফেইল মারসে .
---------->> ওকে আপনার "আরব" অ্যালার্জি আছে যাক আপনে একটু ট্র্যাকে আনার চেষ্টা করেন.....
মোজেজ, যীশু, মোহাম্মদ আরব এলাকায় ধর্ম প্রচার শুরু করেন, খুবই কাক তালীয়.....!!! সাউথ আমেরিকানরা খুবই গরীব হলেও বিশ্বের নামী ফুটবলারারা সেখানেই বেশী জন্মায় কাকতালীয়........!!!
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
প্রশ্ন গুলা কিন্তু নাস্তিকের মত হইছে! সেই হিসেবে আপনের নাস্তিকই হওনের কথা!!হায় ঈশ্বর!@ কিছু মনে কইরেন না, আপনে কি নোয়াখালীর?! আপনে প্রশ্নগুলো শুনে নোয়াখাইল্লা মনে হইলো আর কি!!
লেখক বলেছেন: সংশয় নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না? প্রশ্ন না করলে আপনি জানবেন কিভাবে?
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এপেন্ডিক্স নিয়ে আলোচনা না করেও ইশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
ভাই অন্যন্য গ্রন্থগুলো এখনো পড়া হয়নি তবে পড়ার ইচ্ছা আছে। আপাতত আমি কোরআনের ছাত্র, এবং এর উপর ভালো জ্ঞান রাখি।
লেখক বলেছেন: শুধু একটি গ্রন্থ পড়ে এই অনুসিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া অনুচিৎ হবে যে আপনি যে গ্রন্থটি পড়েছেন সেটিই সেরা।
গড থাকলে এখানে এসে তার প্রমাণ দেখাক! তার মুর্খ চামুচদের চেছামেছির প্রয়োজন পড়ছে কেনো?
জবর পোষ্ট। লেখককে প্লাস। তার সাহসের জন্য তাকে ডাবল প্লাস।
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ...তাদের ধর্ম বিশ্বাস যদি খুন খুনিও হয় সেইটা তাদের ধর্ম এবং তাদের ট্রেক ..কারো অধিকার নাই.জোর কইরা মারধর কইরা ট্রেক বদলানোর . আরে বাবা যদি মুসলমানের বিশ্বাস করতো যার যার ধর্ম তার তার কাছে ..তবে ধর্মের নামে দেশ দখল করলো কেন. এবং রাসুলই বা কেনো আরবদের তাদের ধর্ম থেকে লড়াইয়ের মাধ্যমে ট্রেক চেন্জ করলেন.অফটপিক :ভাইজান একবার মিডল ইস্ট আসেন..তাহলে বুজবেন
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ ডাঃ তানজিল ..না পরেই এইরকম মন্তব্য কেনো করলেন ?-- পূর্বের সব গ্রন্থই কোনো নিদিষ্ট জাতীর জন্য নিদির্ষ্ট সময়ের জন্য ছিল।
শুধুমাত্র কুরআন সবজাতীর জন্য এবং শ্বাশ্বত। তাই শুধু কুরআন নিয়েই ভাবুন। অন্যন্য গ্রন্হগুলো পরিবর্তীত হয়েছে। -- অন্যন্য গ্রন্থ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কুরআন নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আপনি কুরআনের কোন অংশে ভুল পেয়েছেন জানানি। -- মহানবী (সাঃ) এর জীবনের কোন অংশ বিতর্কীত জানান নি। ভালোভাবে তার জীবণী পড়ে জানাবেন।
হযরত মূসা (আঃ) এর অনুসারীদের বলা হত ইয়াহূদি তারা আল্লাহ কে বিশ্বাস করত এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
আর হিন্দুদের ব্যাপারটা তাদের কাছ থেকে জেনে নেবেন আমি এ ব্যাপাবে বিশেষজ্ঞ নই, এবং আন্দাজ ভিত্তিক কথা বলতে পছন্দ করি না।
আল্লাহ কে বিশ্বাস করাটা হচ্ছে ঈমাণ। ঈমাণ অর্থ বিশ্বাস করা বা মেনে নেয়া। আল্লাহকে না দেখে মেনে নেয়াকে বলা হয় ঈমান। আর নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব হচ্ছে আমল বা কর্ম। ইসলামের ১ম ভিত্তি হছ্ছে ঈমান। কেউ ঈমান না এনে নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব পালন করলে সে মুসলমান বলে গণ্য হবে না।
লেখক বলেছেন: তার মানে ইহুদিরাও মুসলমান?
লেখক বলেছেন: অন্যান্য গ্রন্থ সম্পর্কে কোরআনের দাবী গ্রহনযোগ্য নয়। কারণ একটি ধর্মগ্রন্থ অন্য ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলতেই পারে। তাই ইতিহাসের আশ্রয় নিতে হবে নিরপেক্ষতার জন্য।
হারান সত্য বলেছেন:
এই ব্লগের লেখক এবং যারা ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে ব্যাপক চিন্তাশীল মন্তব্য করেছেন তাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে আপনারা যে বিষয় নিয়ে কথা বলছেন তার মধ্যে সবচেয়ে লেটেস্টটির ( ইসলাম ) বয়সও দেড় হাজার বছরের উপরে। এই দীর্ঘ সময়ে মানুষের দ্বারা সম্প্রচারিত হতে গিয়ে অধিকাংশ মৌলিক সত্যই হারিয়ে গেছে। এ'খন এ'সব নিয়ে যত তর্ক বিতর্কই করুন না কেন সেইসব মৌলিক সত্যসমুহ পুন:অনুধাবন করা ছাড়া কোন সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়। আমি এ'ব্যাপারে দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমে একটি লেখা তৈরী করেছি - কিন্তু খুব কমসংখ্যক পাঠকই সেই দীর্ঘ(৪০ পাতা) লেখা বুঝে পড়ার ধৈর্য দেখাতে পেরেছে। আশা করি আপনারা যারা এই বিষয় নিয়ে খুব আগ্রহী তারা এই লেখাটি পড়ারমত ধৈর্য দেখাতে পারবেন। লেখাটি পাবেন এখানে:হারান সত্যএ'ব্যাপারে আলোচনার কিছু থাকলে আমার ব্লগে সাদর আমন্ত্রন রইল।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। পিডিএফ টি ডাউনলোড করেছি, সময় করে পড়ব।
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ডাঃ তানজিল ..আচ্ছা ওই সময় তো রাসুল চীন সম্পর্কে জানতেন . তা চিনের ধর্ম মত সম্পর্কে কোরান কি বলে গিয়েছে? তাদের তা আসমানী কিতাব ..নাকি শয়তানি কিতাব ?
লেখক বলেছেন: চীনে কোন নবী বা প্রেরিত পুরুষের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে আমরা শুনিনি।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
আমাদের ডাক্তার(তানজিল) সাহেবের কাছ থেকে অনেক অনেক অল্পবিদ্যা শেখার আছে। উনি ভালো এনাটমি জানেন, কিন্তু দর্শনে উনার অস্পষ্ট জ্ঞান আমদের মুগ্ধ করেছে। উনি আর দশজন প্রতিক্রিয়াশীলের মত আসমান থেকে বাণী আনছেন জমিনের মানুষকে জ্ঞান দিতে। নবুয়ত উনার পাওনা আছে। আমরা মূর্খ মানুষ জানি কম। কিন্তু উনি অন্য কোন ধর্মগ্রন্থ সঠিকভাবে না পড়ে কোরআনের শ্রেষ্ঠত দাবি করছেন। আমার কাছে এটিকে অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করি মনে হয়েছে। তখনই কোন কিছুকে অপেক্ষাকৃত ভালো বলা যায় যখন আরও কয়েকটির সাথে তার তুলনা করে দেখা যায়। বেদ-উপনিষদ, আবেস্তা কিছুই যার পড়া নাই তার কাছ থেকে জ্ঞান নিলে আমার অল্পবিদ্যা নিঃশেষ হতে সময় লাগবে না!!! বিজ্ঞানের একর পর এক আবিস্কার যেখানে ঈশ্বরের মৃত্যু ঘোষণা করছে তখন কতিপয়ের ঈশ্বর সৃষ্টির প্রচেষ্টা অভিনব। বিষয়টি হলো স্রষ্টা মানুষের তৈরি। কারণ মানুষই অন্য মানুষকে জানিয়েছে স্রষ্টার কথা। আরও একটি সত্য হচ্ছে এইসব ধর্মান্ধরা এটি ভেবে দেখে না পৃথিবীর ধর্মবিশ্বাসী মানুষদের সিংহভাগই উত্তরাধিকারের মাধ্যমে ধর্মবিশ্বাস গ্রহণ করে। অর্থাৎ যুক্তির কোন বালাই-ই প্রায় এক্ষেত্রে থাকে না। আমরা হাতে গোণা কিছু আঁতেলকে পাই যারা ধর্মান্তরিত হয় কারণ তারা মনে করে যে, যে ধর্মটি তার গ্রহণ করতে যাচ্ছে সেটিই উত্তম। পৃথিবীতে ধর্মান্তরের যে ইতিহাস সেখানে অর্থনীতির মত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আর কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না। সাম্যের যে বাণীর কথা বলা হয় সেখানেও সুপ্ত থাকে অর্থনৈতিক শোষণ। এর বেশি বিদ্যা আপাতত নাই।
লেখক বলেছেন: আপনি প্রমান করুন যে ইশ্বর আছেন।
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ডাঃ তানজিল ..হুমমম...সত্য বহু হতে পারে না ...সত্য একটাই হবে ..কিন্তু বর্তমান পৃথিবীতে বহু ধর্মের বিচরন বলে দেয় যে ....সত্য বহু...তাই আসলে ঈশ্বর বহু....তাই ঈশ্বর নাই.
পরমাণুতে ইলেকট্রন বিন্যাস নিয়ে বেশ কয়েকটি মতবাদ প্রচলিত আছে। প্রত্যেকটি ই কিছু না কিছু সত্য। আপনার বক্তব্য অনুসারে সত্য মতবাদ ১টি হবে.. যৌক্তিক কথা। কিন্তু বেশ কয়েকটি মতবাদ প্রচলিত আছে বলে পরমাণুতে ইলেকট্রনই থাকবেনা.. আপনার যুক্তি সেটাই বলে!
লেখক বলেছেন: এই কথাটা ভাই যুক্তি হিসাবে মেনে নিতে পারছি না।
লেখক বলেছেন: যদি বলা হয় কোরআনে ভুল আছে, তখন আপনি কি বলবেন?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:...তাদের ধর্ম বিশ্বাস যদি খুন খুনিও হয় সেইটা তাদের ধর্ম এবং তাদের ট্রেক ..কারো অধিকার নাই.জোর কইরা মারধর কইরা ট্রেক বদলানোর ....
----------->> আর কি কওয়ার আছে....?? কারো ধর্ম খুন করা, নারী শিশু হলে তাকে জ্যান্ত পুতে ফেলা..........., মোহাম্মদ, যীশু, মোজেজ তাদেরকে ঠিক পথে ফিরিয়ে এনেছেন সেটা বিড়টা বড় অন্যায়......!!!!
লেখক বলেছেন: ইতিহাস সম্পর্কে আপনার জ্ঞান একেবারেই সামান্য, প্রায় নেই বললেই চলে।
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত মোহাম্মদ বিদায় হজ্বের সময় স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, "যার যার ধর্ম তার তার......."
আপনি বলেন আপনেই প্রতিবাদ করেন .
পারভেজ আলম বলেছেন:
ডাক্তর তানজিল, ট্রাডিশনাল শব্দের অর্থ বোঝার মত ইংরাজি জ্ঞান আমার আছে। এইখানে কি ট্রাডিশনাল বলতে সাধারণ মানুষের ট্রাডিশনাল জ্ঞানের কথা বলছে? বলছে মেডিক্যাল সাইন্সের ট্রাডিশনাল থিওরির কথা। এই লিংকেই আছে ট্রাডিশনাল ধারণা হইল এপেন্ডিক্স এর কোন ফাংশন নাই, এইটা ইভোলুশনারি ফল্ট, এবং দ্বিতীয় সম্ভাব্য ধারণা হইলো এইটার জীবানু বিষয়ক ফাংশন থাকতে পারে। আর, যদি এপেন্ডিক্স বিষয়ে আমার ভুলও হইয়া থাকে তাইলে সেইটা এই বিষয়ে সাধারণ যেইসব লেখা পাওয়া যায় তার ভূল, আমিতো আর মেডিকেলের ছাত্র না। কিন্তু আপনে বারবার বাতাস দিয়া আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমান করতে গিয়া যে আবোলতাবোল কইলেন সেই বিষয়ে এড়াইয়া যাইতাছেন ক্যান?
মনে হইতাছে, রায়হান ভাইয়ের তালগাছে ভাগ জমানের লাইগা এই ব্লগে আপনার মহান আবির্ভাব হইয়াছে।
তবে বিশ্বাস যা-ই হোক, সেটা মনের মধ্যে রাখাই উত্তম মনে হয় না কি? কারণ বিশ্বাস-অবিশ্বাস তো আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
লেখক বলেছেন: আলোচনা করা অনুচিৎ কোন কাজ নয়। অন্তত এতে ভ্রান্তি দুর হবার সুযোগ থাকে।
হরিসূধন বলেছেন:
জানি না আপনার বয়স কত? তবে যাই হোক আপনার চিন্তা চেতনার শেষ কিন্তু এখনো হয় নি আশাকরি ভবিষৎতে এই সব প্রশ্নের উত্তর পাইবেন। সেটা যে কোন সময় হতে পারে। শুধু মন এবং বিবেক খোলা রাখবেন।
আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: আপনার কি চিন্তা চেতনার বয়স শেষ হয়ে গেছে? একেবারে স্থির এবং নির্ভূল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে মনে করেন?
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
অনেক দিন পর সামুতে একটি ভালো লেখা পড়লাম। রেটিং ও তাই বলে। চালিয়ে যান, আপনার কাছ থেকে আরো অনেক হাই রেটেড লেখা পাওয়ার আশা রাখি।আপনি তো আমার গুরু বনে গেলেন, বসের এক্টু দক্ষিণা নিবার মনচায়...
লেখক বলেছেন: মন্তব্য ও উৎসাহদানের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন।
বাতাস আমাগো গায়ে লাগে, টের পাওয়া যায়, বাতাসে কি কি গ্যাস আছে, জলবায়ুর আদ্রতা কতো, গতিপথ কি, এইসব পরিমাপযোগ্য। সৃষ্টিকর্তা এইরকম শারিরীক অনুভব বা পরিমাপযোগ্য বিষয় না।
... আপনি বোঝাতে চাছ্ছেন যা আপনি শারিরীক অনুভব করতে পারেন শুধূ তাই বাস্তবে রয়েছে? ”সময়” কে আপনি দেখতে পারেন না, ছুতেও পারেন না। আবার আইনস্টাইনের মতে একে পরিমাপ ও করতে পারবেন না। কেননা সময় আপেক্ষিক। হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি অনুসারে আবস্থান নির্দিষ্ট করার সাথেই সময়ের পরিবর্তন হবে আপনি যা পাবেন তা আপেক্ষিক সময়.... তাহলে আপনার যুক্তি অনুসারে শারিরীক অনুভব বা পরিমাপযোগ্য না হবার কারণে সময়ের অস্তিত্ব না থাকার কথা। আরো হাজারটা উদাহরণ টেনে দেখাতে পারি অনুভব ও পরিমাপ না করেও অনেক কিছুই আপনি বিশ্বাস করেন। আপনার সিনিয়ররা যে পয়েন্টে কথা বলছে সেই পয়েন্টে ভাবুন। আর ৫ মিনিট উইকিপিডিয়া পড়ে নতুন কোনো থিওরী নিয়ে আলোচনায় না আসলেই খুশি হব।
লেখক বলেছেন: ভাই, ধর্মগ্রন্থ থেকে আমরা কি নতুন শিক্ষা পাই যা ওই ধর্মগ্রন্থ প্রবর্তীত হবার আগে মানুষের জানা ছিল না?
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
ডাঃ তানজিল---আমাদের নৈতিকতার ভিত্তি বুঝতে পারবেন মোতাহার হোসেন চৌধুরী'র সংস্কৃতি কথা পড়লে। আর ধর্মগ্রন্থ থেকে শুধু নৈতিকতা নয় অবাস্তবতার শিক্ষাও ধার্মিকরা পায়। নৈতকতার চেয়ে ধর্মের অন্যান্য কন্ট্রিবিউশান নিয়েই আমাদের আপত্তি। নারীর বিরুদ্ধে পুরুষতান্তিকতার যে নিপীড়নী অভ্যাস তার বৈধতা পুরুষ আদায় করতে চায় ধর্ম প্রদত্ত সুবিধাজনক অবস্থান থেকে।ঈশ্বর নেই একথা কি করে বলি? ঈশ্বরতো আপনাদের অবেচেতন মনে আছেন চিরন্তন!!!! যাই হোক, আমি আগেই বলেছি, মানুষই ঈশ্বরের স্রষ্টা। কারণ মানুষের দাবিতেই কেবল তিনি বিরাজমান।
আপনি নিশ্চয়ই রোকেয়া সাখাওয়াৎ-এর লেখা পড়েছেন। তিনি লিখেছেন:-''আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্ম্মগ্রন্থগুলিকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন"। রোকেয়া আরও লিখেছেন, ''পুরাকালে যে ব্যক্তি প্রতিভাবলে দশজনের মধ্যে পরিচিত হইয়াছেন, তিনিই আপনাকে দেবতা বা ঈশ্বরপ্রেরিত দূত বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন..............................তবেই দেখিতেছেন, এই ধর্মগ্রন্থগুলি পুরুষ-রচিত বিধিব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে।..."
মজার ব্যাপার হলো তথাকথিত মুসলমানরা রোকেয়ার মৃত্যুর পর তাকে বেগম বানিযে ছেড়েছে। এমনকি তাকে মুসলিম নারী জাগরণের নেত্রী বলে প্রচার দিয়েছে। জাকির নায়েক-রা এই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত!!!
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
ডাঃ তানজিল---আমাদের নৈতিকতার ভিত্তি বুঝতে পারবেন মোতাহার হোসেন চৌধুরী'র সংস্কৃতি কথা পড়লে। আর ধর্মগ্রন্থ থেকে শুধু নৈতিকতা নয় অবাস্তবতার শিক্ষাও ধার্মিকরা পায়। নৈতকতার চেয়ে ধর্মের অন্যান্য কন্ট্রিবিউশান নিয়েই আমাদের আপত্তি। নারীর বিরুদ্ধে পুরুষতান্তিকতার যে নিপীড়নী অভ্যাস তার বৈধতা পুরুষ আদায় করতে চায় ধর্ম প্রদত্ত সুবিধাজনক অবস্থান থেকে।ঈশ্বর নেই একথা কি করে বলি? ঈশ্বরতো আপনাদের অবেচেতন মনে আছেন চিরন্তন!!!! যাই হোক, আমি আগেই বলেছি, মানুষই ঈশ্বরের স্রষ্টা। কারণ মানুষের দাবিতেই কেবল তিনি বিরাজমান।
আপনি নিশ্চয়ই রোকেয়া সাখাওয়াৎ-এর লেখা পড়েছেন। তিনি লিখেছেন:-''আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্ম্মগ্রন্থগুলিকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন"। রোকেয়া আরও লিখেছেন, ''পুরাকালে যে ব্যক্তি প্রতিভাবলে দশজনের মধ্যে পরিচিত হইয়াছেন, তিনিই আপনাকে দেবতা বা ঈশ্বরপ্রেরিত দূত বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন..............................তবেই দেখিতেছেন, এই ধর্মগ্রন্থগুলি পুরুষ-রচিত বিধিব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে।..."
মজার ব্যাপার হলো তথাকথিত মুসলমানরা রোকেয়ার মৃত্যুর পর তাকে বেগম বানিযে ছেড়েছে। এমনকি তাকে মুসলিম নারী জাগরণের নেত্রী বলে প্রচার দিয়েছে। জাকির নায়েক-রা এই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত!!!
হমপগ্র বলেছেন:
আমি বেশ কিছুদিন মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম ধর্ম জিনিসটা বিবর্তন কেবলই মানুষের হাতে। এতে কোন অতি প্রাকৃত শক্তির হাত পা নেই। ধর্মকে যারা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে তারা সত্যিকার অর্থে মানুষকে নিজেদের বশে রাখার জন্যই ধর্মকে ব্যবহার করে। ধর্ম নিয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করে আমি বেশ যুক্তিসঙ্গত আলোচনা করব। সেটা আমার পোস্টে দেখতে পাবেন, আরও দিন কয়েক পরে। আপনার লেখাটার জন্য +
লেখক বলেছেন: আপনার বেশ কিছু পোস্ট পড়েছি এবং ভালোও লেগেছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
হমপগ্র বলেছেন:
নাস্তিকদের নৈতিকতার ভিত্তি তাদের বিবেক...যেটা কোন ধর্মগ্রন্থের থেকে কোন অংশে কম নয়। বরং আরও বেশি উন্নত এবং ডায়নামিক!
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
সংস্কুতি স্থান ভেদে ভিন্ন বটে ভিন্ন উপলদ্ধিও। আমি ঠিক জানি না আপনার সাথে হায়ার ফিলোসফির কোন বিষয় নিয়ে বিতর্কে গিয়ে মজা পাওযা যাবে কিনা। আপনি কি মিশেল ফুকো এবং নোয়াম চমস্কি-র সেই বিখ্যাত বিতর্কটির কথা জানেন, যেখানে তারা মানব প্রকৃতি, ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন? আপনি যে ধর্মে আস্থা রাখছেন সেই ধর্মের অসংখ্য বিধান আঞ্চলিকা দোষে দুষ্ট বলে আমার বিচার। মরুভূমির বেদুইনদের জন্য যা প্রযোজ্য সাংস্কুতিক ভিন্নতার কারণেই তা সার্বজনীন হতে পারে না, সুতরাং আপনার ধর্মও শ্বাসত নয় আমার নিকট। আবার আমি যে কারণে ধর্মে আস্থাহীন সকলেই সেই একই কারণে আস্থাহীন হবেন এমন দাবি আমি করতে পারি না। আর নৈতিকতার ভিত্তি বিষয়টিও আপেক্ষিক। একজনের বা এক সমাজে বা এক সংস্কৃতির মানদণ্ডে নৈতিক মানে তার সর্বত্র নৈতিক নাও হতে পারে। আমার কাছে বিশ্বাসটি মূখ্য নয় বরং যুক্তিটিই বিবেচ্য। আমি ফ্লেক্সিবল থাকতে অস্বস্তিবোধ করি না। কিন্তু যেটির ভিতরে সংকটে বিরাজমান তাকে আকড়ে ধরব যুক্তিহীনভাবে এটা অসম্ভব বটে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ ডাঃ তানজিলঃনাস্তিকদের নৈতিকতার ভিত্তি হলো মার্ক্সিজম। কার্ল মার্ক্স হলেন নৈতিক মানুষের ভিত্তি বা আদর্শ পুরুষ। হলো?
নৈতিকতা সম্পর্কে আপনি কি বুঝেন? নৈতিকতার সঙ্গা কি? কোন ব্যক্তি ধার্মিক হবার অর্থ কি এই যে সে উন্নত নৈতিকতা বোধ সম্পন্ন?
আপনি কি জানেন ধর্মে যেগুলোকে নৈতিকতা বলে সেগুলোর অধিকাংশই চরমভাবে অসুস্থতা?
নাস্তিকদের নৈতিকতা বোঝার চেষ্টা করেছেন কখনো?
এই বাংলাদেশের কথাই ধরুন। কাদের অনৈতিকতায় দেশের এই দূর্দশা?
এ দেশের সেই সকল নাস্তিকদের কথা বলব যাদের নাম শুনলেই ধার্মিকরা নাকে রুমাল চেপে গালাগালি করে। হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ, আব্দুর রাজ্জাক, তসলিমা নাসরীন এই দেশের কি কি ক্ষতির কারণ হয়েছে? বরং তারা প্রত্যকেই দেশটিকে তাদের সাধ্যমত দেয়ার চেষ্টা করেছেন। আর ধার্মিকেরা যারা তাদের সমালোচনায় পঞ্চমুখ, তারা কি করেছে?
এই আধুনিক দুনিয়ায় কোন কোন আইন, রীতি, নীতি প্রনয়নে ধার্মিকদের/ ধর্মের ভূমিকা ছিল? মনে করুন সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনা যা পৃথিবীর যে কোন ধর্মগ্রন্থের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও উন্নত, সেটা কি কোন ধর্মের আলোকে হয়েছে? নাকি ধর্মের নির্দেশকে উপেক্ষা করে প্রণীত হয়েছে?
আপনি কি জানেন এই ঘোষনা ইসলামের বিধানের সাথে কতটা সাংঘর্ষিক? এবং তারপরও এটাই পৃথিবীর মানুষের শ্রেষ্ট একটি অর্জন এখন পর্যন্ত। মানুষ কি করে এমন কি উন্নত জিনিস তৈরী করলো, আর আপনার সৃষ্টিকর্তা কেন অত সংকীর্ণ বিধান দিলেন?
কি বুঝলে জানাইয়েন।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ ডাঃ তানজিলঃনাস্তিকদের নৈতিকতার ভিত্তি হলো মার্ক্সিজম। কার্ল মার্ক্স হলেন নৈতিক মানুষের ভিত্তি বা আদর্শ পুরুষ। হলো?
নৈতিকতা সম্পর্কে আপনি কি বুঝেন? নৈতিকতার সঙ্গা কি? কোন ব্যক্তি ধার্মিক হবার অর্থ কি এই যে সে উন্নত নৈতিকতা বোধ সম্পন্ন?
আপনি কি জানেন ধর্মে যেগুলোকে নৈতিকতা বলে সেগুলোর অধিকাংশই চরমভাবে অসুস্থতা?
নাস্তিকদের নৈতিকতা বোঝার চেষ্টা করেছেন কখনো?
এই বাংলাদেশের কথাই ধরুন। কাদের অনৈতিকতায় দেশের এই দূর্দশা?
এ দেশের সেই সকল নাস্তিকদের কথা বলব যাদের নাম শুনলেই ধার্মিকরা নাকে রুমাল চেপে গালাগালি করে। হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ, আব্দুর রাজ্জাক, তসলিমা নাসরীন এই দেশের কি কি ক্ষতির কারণ হয়েছে? বরং তারা প্রত্যকেই দেশটিকে তাদের সাধ্যমত দেয়ার চেষ্টা করেছেন। আর ধার্মিকেরা যারা তাদের সমালোচনায় পঞ্চমুখ, তারা কি করেছে?
এই আধুনিক দুনিয়ায় কোন কোন আইন, রীতি, নীতি প্রনয়নে ধার্মিকদের/ ধর্মের ভূমিকা ছিল? মনে করুন সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনা যা পৃথিবীর যে কোন ধর্মগ্রন্থের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও উন্নত, সেটা কি কোন ধর্মের আলোকে হয়েছে? নাকি ধর্মের নির্দেশকে উপেক্ষা করে প্রণীত হয়েছে?
আপনি কি জানেন এই ঘোষনা ইসলামের বিধানের সাথে কতটা সাংঘর্ষিক? এবং তারপরও এটাই পৃথিবীর মানুষের শ্রেষ্ট একটি অর্জন এখন পর্যন্ত। মানুষ কি করে এমন কি উন্নত জিনিস তৈরী করলো, আর আপনার সৃষ্টিকর্তা কেন অত সংকীর্ণ বিধান দিলেন?
কিছু বুঝলে জানাইয়েন।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
ডা: তানজীল:প্লীজ, বা;লাদেশের নীতিহীন মার্কসবাদী বাম পন্হীদের কে ধর্মের সবক দেয়া থেকে বিরত থাকুন| গলির মোড়ে'র সেই প্রানীর বাকা লেজ সোজা করতে পারবেন কিন্ত বা;লাদেশের অল্প বিদ্যা ভয়;ন্করী বাম নাস্তিক গুলারে একটি বাক্যও বুজাতে পারবেন না|
আরেক পন্ডিত বলতেছে, জাতি স;ঘের মানবাধিকার ঘোষনা নাকি সৃষ্টি কর্তার বিধানের চেয়েও ......
দেশে কাডাল পাতা শর্ট পড়বো....!!!
আপনি আরো বলেছেনঃ আমার কাছে বিশ্বাসটি মূখ্য নয় বরং যুক্তিটিই বিবেচ্য। .. শুন খুশি হলাম আপনার নৈতিকতার ভিত্তি হল যুক্তি। এবার একটি গাণিতিক যুক্তি দেখাই-
“একলোক জব্বার সাহেব যার কেউ নেই। নিজে যা কামাই করে তাই খায়। ভালো চাকুরি করেন, অনেক টাকা বেতন। একদিন বেতন পেয়ে (ধরলাম ১ লাক্ষ টাকা বেতন পান) বাসায় যাচ্ছেন। পথে এক ছিন্তাইকারী তার সব টাকা নিয়ে পালালো। ছিন্তাইকারীর পরিবারে সদস্য সংখ্যা ১০। দরিদ্র পরিবার, এত টাকা পেয়ে তাদের দিন এখন ভালই যাচ্ছে। কিন্তু খতিগ্রস্থ হলো হাসান সাহেব। এখন বলেন তো ভাই ছিন্তাই করা কি খারাপ নাকি ভালো?? আপনার মতে খারাপ তাই না?? কিন্তু আমি দেখছি ভালো। কারন এতো টাকা পেয়ে ১০ জন লোক উপকৃত হলো। ক্ষতি হলো মাত্র ১ জনের। যুক্তি বলে ছিন্তাই ভালো কাজ যার মাধ্যমে বেশিরভাগ লোকের উপকার হয়। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষই দরিদ্র। এখন বলেন তো দেখি এই ভালো মন্দের মানদন্ডটা কি আপনার পছন্দ হয়েছে?? আমি কিন্তু ভাই যুক্তি দিয়া বলছি। আর যদি মন্দ বলেন তা হলে আপনার যুক্তিটা বলেন।”
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ ছাগু অক্লান্ত, অফ যাও। সব জায়গা ছাগলামী কইরো না। কাঠাল পাতা না খাইয়া বই পড়ো দুই পাতা।
@ ডা. তানজিলঃ আপনি তেনা পেচাইতেছেন ক্যান? এই পোস্টের বা অন্যদের কোন প্রশ্নের জবাব দিতে পারছেন? প্রশ্নের উত্তরে একেক সময একেক প্রশ্ন করলে কি চলবে? আপনি পারলে পোস্টের জবাব দেন।
আপনি নৈতিকতার বুঝেন কিছু?
দখিনা বাতাস বলেছেন:
ডা: তানজিলের মত এক ডাক্তার একবার আমারে বুঝাইতেছিল মানব শরীরের এত জটিল প্রক্রিয়া কি সুন্দর সব চলে। মা'র পেটে মানব শিশুর বেড়ে উঠা-- সব একটা সুন্দর সাজানো সিস্টেম। এই ভাবে বলতে বলতে একটু পরে বলে, তোমরা যেমন কম্পিউটারে কাজ করো, সব কিছু প্রোগ্রাম করা, কোন ভুল হওয়ার উপায় নাই। সৃষ্টি কর্তা বিরাট বড় প্রোগ্রামার। আমি একটু আস্তে কইরা কইলাম, আমগো প্রোগ্রামে BUG থাকে। মাঝে মাঝে MALFUNCTION করে। লগে লগে ডাক্তার ভাই কয়, তুমরাতো নাদান মানুষ, তুমাগো প্রোগ্রামে বাগ থাকবো, কিন্তু তার প্রোগ্রামে নাই। কেমনে জানি, হটাৎ মুখ দিয়া বার হইয়া গেল, তাইলে যে মাঝে মাঝে দেহি ২ মাথাওলা বাচ্চা, ৩ ঠ্যাং ওলা গরু, --- এই গুলা কি? ডাক্তার ভাই কেমন জানি একটু চেইত্যা গেল। আমিও আরো চেতাইয়া দেওয়ার খায়েশ নিয়া কইলাম, আপনেরা তো সব রোগ ভাল করতে পারেন না, রোগীর বাচা মরা নিজেগো চিকিৎসাসেবা দিয়া সবসময় শিউর করতে পারেননা। যখন পারেন না, তখন ঐটা "সৃষ্টিকর্তার ইচ্চা'র উপরে চাপাইয়া দেওয়াই সহজ। সৃস্টিকর্তা আছে, এইটা মানতে না চাইলেও নিজের পিঠ বাচানির জন্য হইলেও মানতে হইবো আপনেগো? কি কন?
আমার উপরে এমুন রাগ করলো, কি আর কমু------
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ডাঃ তানজিল ..ধর্ম আমাকে শিখিয়েছে পৃথিবীর সব মানুষ এক নয় . একজন শ্রেষ্ঠ ধর্মালম্বী ..আর একজন কাফের ..যে কোনদিনই বেহেস্তে যাবে না ...সেইসব কাফেরদের জন্যে আমার অনুকম্পা . সেইসব কাফেরদের গনিমতের মাল ভোগ কর. বাল ছাল যত্তসব
১. যুক্তিখন্ডনঃ সৃষ্টিকর্তার প্রোগ্রামের যেটিকে আপনি BUG বলছেন সেটি একটি আসলে একটি অপশন (২ মাথাওলা বাচ্চা, ৩ ঠ্যাং ওলা গরু)। মনে করুন একটি সফটওয়্যার তৈরী করা হল কিন্তু সেটা সেপআপ দেবার পর পিসি বার বার শাটডাউন হয়ে যাচ্ছে এটা হল বাগ বা ত্রুটি বা প্রোগ্রামারের ভুলের জন্য হয়েছে। কিন্তু একজন ভাইরাস লেখক একটি প্রোগ্রাম লিখলেন যা দ্বারা পিসি শাটডাউন হয়ে যাচ্ছে এটা কিন্তু কোন ভুল নয়। এটা পরিকল্পিত এবং নির্দিষ্ট নিয়মে জ্ঞান প্রয়োগ করে বানানো।
(২ মাথাওলা বাচ্চা, ৩ ঠ্যাং ওলা গরু) যাকে মেডিকেল সায়েন্সর “অ্যানোমালি” অংশে আলোচিত হয় সেগুলো স্রষ্টার জ্ঞানের ভুল নয় বরং ভাইরাস লেখকের মত তার জ্ঞানের আওতায় বানানো একটি প্রকরণ। নিদিষ্ট কিছু শর্ত প্রয়োগ করে (রেডিয়েশন, তেজস্ক্রিয় ধাতবের ব্যবহার) ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিমভাবে এসব প্রকরণ সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। ট্যাক্সোনমিতে ভ্যারাইটি নামের একটা কথা আছে.. Evolution বা বিবর্তন বিষয়ে পড়াশোনা করলে ই বুঝতে পারবেন এগুলো স্রষ্টার জ্ঞানের ভুল নয় বরং জ্ঞানের অংশ।
2. যুক্তিখন্ডনঃ একজন ডাক্তার বিশেষ কোনো রোগীকে সারাতে না পারলে সে দোষ ডাক্তারকে দেবেন কেন? এটা বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। ক্যানসারের ট্রিটমেন্ট বিজ্ঞান আবিষ্কার না করা পর্যন্ত ডাক্তার কিভাবে রোগ সারাবেন? ডাক্তার তো ঈশ্বর নন। অপরদিকে ঈশ্বর কোনা গ্রন্থে কাউকে ওয়াদা দেননি যে কারো রোগ হলে তিনি সারিয়ে দেবেন। আল্লাহ ধর্মগ্রন্থে কোনো নির্দেশ দেননি চিকিৎসার দায়িত্ব তার হতে ছেড়ে দিয়ে বসে থাকতে, বরং তো ছেড়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানের হতে (এ ব্যাপারে স্পস্ট রেফারেন্স দেখাতে পারি হাদীস থেকে যদি আপনি চান)। তিনি আল্লাহ কি কি নির্দেশ দিয়েছেন আর দেননি তার উল্লেখ আছে ধর্মগ্রন্থগুলোতে। আপনি যদি ধর্মগ্রন্থগুলোতে বিশ্বাস না রাখেন তবে তার নির্দেশের ব্যাপারে আপনাকে বলে লাভ কি?
পারভেজ আলম বলেছেন:
দখিনা বাতাসরে ঝাজা। দুরন্ত স্বপ্নচারী, আমি কাইলকাই বুঝছি, ডাক্তর তানজিলের লগে তর্ক কইরা লাভ নাই। সে তালগাছ ওয়ালা লোক, ঐটা সে ছাড়বেনা। সে আটাকাইয়া গেলেই পিছলাইয়া বাইর হইয়া যাবে, সে উলটা আপনেরে বলবে- অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করি, আমার লেখা আপনি বুঝেন নাই, আপনার জ্ঞান নাই, এই সেই নানা কিছু। টপিক ঘুরাইয়া আবার উলটা প্রশ্ন করবে। অথচ এই পোস্টের কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে নাই এখন পর্যন্ত। কতক্ষন আগে সে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমান করছে 'বাতাস' দিয়া, ঐখানে ধরা খাইয়া এখন আবার আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমান করতাসে 'সময়' দিয়া, এর সাথে তর্ক ক্যামনে চলে বলেন। এই রকম অদ্ভুদ উদাহরণ দিয়া গেরাম দেশের হুজুর ছাড়া কেউ আল্লাহর অস্তিত্ব্ব প্রমনা করতে আসবে না। ডাক্তর তানজিলরে আল্লাহর বৈশিষ্ট আর গুন নিয়া মুসলিম বিজ্ঞানী/দার্শনিকদের থিওরি পড়াইতে হবে। কোন বস্তু কল্পনা করতে গেলেও যে মিনিমাম কিছু যৌক্তিক মাপকাঠি পুরণ করতে হয় যেইগুলা হাওয়া বাতাস দিয়া সম্ভব না এইটার বুঝ থেইকা ওনার বসবাস বহুত দূরে।
হাফিজুর রহমাস মাসুম বলেছেন: আর নৈতিকতার ভিত্তি বিষয়টিও আপেক্ষিক .. ধন্যবাদ এটা স্বীকার করে নেবার জন্য যে আপনাদের নৈতিকতার কোনো মানদন্ড নেই বরং যার যা খুশি সেই মতবাদ অনুসারে তাদের নৈতিকতাকে লালন করে।
আপনি আরো বলেছেনঃ আমার কাছে বিশ্বাসটি মূখ্য নয় বরং যুক্তিটিই বিবেচ্য। .. শুন খুশি হলাম আপনার নৈতিকতার ভিত্তি হল যুক্তি। এবার একটি গাণিতিক যুক্তি দেখাই-
“একলোক জব্বার সাহেব যার কেউ নেই। নিজে যা কামাই করে তাই খায়। ভালো চাকুরি করেন, অনেক টাকা বেতন। একদিন বেতন পেয়ে (ধরলাম ১ লাক্ষ টাকা বেতন পান) বাসায় যাচ্ছেন। পথে এক ছিন্তাইকারী তার সব টাকা নিয়ে পালালো। ছিন্তাইকারীর পরিবারে সদস্য সংখ্যা ১০। দরিদ্র পরিবার, এত টাকা পেয়ে তাদের দিন এখন ভালই যাচ্ছে। কিন্তু খতিগ্রস্থ হলো জব্বার সাহেব। এখন বলেন তো ভাই ছিন্তাই করা কি খারাপ নাকি ভালো?? আপনার মতে খারাপ তাই না?? কিন্তু আমি দেখছি ভালো। কারন এতো টাকা পেয়ে ১০ জন লোক উপকৃত হলো। ক্ষতি হলো মাত্র ১ জনের। যুক্তি বলে ছিন্তাই ভালো কাজ যার মাধ্যমে বেশিরভাগ লোকের উপকার হয়। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষই দরিদ্র। এখন বলেন তো দেখি এই ভালো মন্দের মানদন্ডটা কি আপনার পছন্দ হয়েছে?? আমি কিন্তু ভাই যুক্তি দিয়া বলছি। আর যদি মন্দ বলেন তা হলে আপনার যুক্তিটা বলেন।”
দখিনা বাতাস বলেছেন:
একটা মানুষ জন্মের পর থেকেই অন্দ্ব। শিশু প্রতিবন্দ্বী। এই গুলা কি? 'বাগ" নাকি "জ্ঞানের অংশ"??? আরেকটা কথা, আপনি কিন্তু ভাইরাস আর BUG--- 2টারে এক করে ফেলছেন। ভাইরাস ইচ্ছাকৃত "ভুল" আর PROGRAMMING BUG-- অনিচ্ছাক্বত বা ভুলের ফলাফল।বিবর্তন বা evoulation -- এই নিয়ে আপনার মতামত কি? স্কুলে ধর্ম ক্লাসের শিক্ষকতো আদম হাওয়ার জায়গায় ডারউইনের কথা শুনলেই ৩ নম্বর জালি বেত নিয়া দৌড়ানি দিত।
পারভেজ আলম বলেছেন:
নীতিবিদ্যা বিষয়ক প্রাচীন যুগের সবচেয়ে প্রামানিক এবং গুরুত্বপূর্ণ দর্শনের বইয়ের নাম "নিকোমেনিয়ান এথিক্স"। বইটা লিখেছিলেন এরিস্টটল, ইঞ্জিল শরিফের ৩৫০ বছর আর কুরআন শরিফের প্রায় ৯০০ বছর আগে। নিকোমেনিয়ান এথিক্স এর আগেও সক্রেটিস এবং প্লেটো নীতিতত্ত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। তাদেরও আগে কনফুসিয়াস (৫৫১খ্রীঃ-৪৭৯খ্রীঃ) নীতিশাস্ত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু পুস্তক রচনা করেন যা চীনে বৌদ্ধ ধর্ম যাওয়ার আগে পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল এমনকি আধুনিক চীনে এখনো কনফুসিয়াসের নীতিতত্ত্বের অনেক কিছুই টিকে আছে। কনফুসিয়াসের সমসাময়িক ছিলেন ভারতে গৌতম বুদ্ধ, তার ধর্ম দর্শনে স্রষ্টার কোন ধারণা ছাড়াই তিনি বিশাল এক নীতি শাস্ত্র রেখে গেছেন তার অনুসারীদের জন্য। ডাক্তর তানজিল, মেডিকেল সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন ভাল। কিন্তু ইতিহাসে যে আপনি নেহায়েত দুগ্ধপোষ্য শিশু সেইটা পরিষ্কার। সুতরাং, ধর্মগ্রন্থ থেকে দার্শনিকরা নীতিশাস্ত্র তৈরি করেছে এই ধরণের হাস্যকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।
বো কা মা ন ব বলেছেন:
ভালু ভালু, তয় মরার পর বুঝবা চান্দু কুনটা ঠিক, কিন্তু আফসুস, তখন আর টাইম পাইবা না।@ ডাঃ তানজীলঃ ভাই উলুবনে মুক্তা ছড়ানোর মানেই হয় না। হুদাই এই পোষ্টে হিট বাড়াইয়া লাভ নাই। কারণ যে যে চেতনায় বিশ্বাসী তারে হাজারটা যুক্তি দিয়েও তার পথ থেকে সরানো যাবে না। আসলে যে ঘুমায় তার ঘুম ভাঙানো সম্ভব, কিন্তু যে ঘুমানোর ভান করে থাকে তাকে জাগাবেন কিভাবে?
আল্লাহ এই সব মাথা মোটাদের মাথায় গোবর কোয়ালিটির হলেও কিছুটা বুদ্ধি দান করুন। আমিন।
১. ৭খন্ড রামায়ন পাঠের পর সিতার কে?.. আপনার ইন্দ্রিয়গাহ্য ও পরিমাপযোগ্যতার যুক্তিখন্ডনের পর আপনি যা বুঝলেন তা হলঃ স্রষ্টার সাথে সময়ের তুলনা!!.. হাঃ হাঃ হাঃ .. ভাই আপনি আসলেই একটা কঠিন চিজ!! মজা পেলাম!
২. আপনি ইতিহাস নিয়ে যা বলছেন তাতে বুঝা যাচ্ছে আপনার ধারণা কোরআন শরীফ থেকে নৈতিকতার শুরূ (এটি ই ১ম ধর্মগ্রন্থ) ! ... হাঃ হাঃ হাঃ
... দুঃখিত কিছু মনে করিয়েন না।.. ভাই ধর্মগ্রন্থ অনেকপ্রাচীন বিষয়, সহজ ভাষায় বলি ঐ যে ফেরাউন (ইতিহাস থেকে সালটা দেখে নিয়েন) তার সময় এসেছিল মূসা (আঃ) যিনি ছিলেন কিতাবধারী। উনারা ছিলেন শেষের দিকের তাদের আগে এসেছিল আরো ১/২ লক্ষ ২৪ হাজার। নমরুদ কে মনে আছে তো? (ইতিহাস থেকে সালটা দেখে নিয়েন) তার সময় ছিলেন ইব্রাহিম (আঃ) যাকে বলা হয় মুসলমান জাতীর পিতা। আজ আরো পেছনে (আদম হাওয়া পর্যন্ত) না হয় নাই বা গেলাম।
# ভাই পারভেজ সেই প্রথম থেকেই উল্টা পাল্টা তথ্য এবং ব্যাক্তিগত আক্রমণের চেষ্ঠা নিয়ে আপনি যে তর্ক করছেন তাতে তো আপনার পক্ষের সিনিয়রদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে (তয়তোবা আপনার তথ্যে তারাও বিব্রত বোধ করছেন)। আপনার সিনিয়রা আপনাকে কিছু সদ উপদেশ দেবেন সেটাই কামনা করছি।
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
@ডাঃ তানজিল....নৈতিকতা বলতে কি বুঝায় একটু দয়া করে বলবেন কি ?
বিবর্তন বা evoulation -- এই নিয়ে আপনার মতামত কি? .. মিউটেশন হল জিনের পরিবর্তনের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন। এটা সত্য। ডারউইনের মতবাদ মিউটেশন ধারণার উপর ১টি মতবাদ। অন্যন্য বৈজ্ঞানিক ধারণা (পরমাণুবাদ, ইলেকট্রন মতবাদ ইত্যাদি) ধারণার মত এটাও কিছু ভালোদিক আছে আবার আছে কিছু সীমাবদ্ধতা। ভালোদিক,সীমাবদ্ধতা এর উপর অসংখ্য রেফারেন্স নেটে আছে পড়ে নিন। আপনার জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য জানিয়ে রাখি “ডারউইন এটা বলেন নি মানুষ বানর থেকে এসেছে। তিনি বলেছিলেন “প্রায় বানর” সেটা সুস্পস্ট কিছু ইঙ্গিত করে না।
পারভেজ আলম বলেছেন:
আরে, আদম, ইব্রাহিম, নমরুদ এরা আবার ঐতিহাসিক চরিত্র হইল কবে। তা, ধর্মগ্রন্থের বাইরে কোন কোন ইতিহাসের বই পরলে নমরুদের সালটা জানা যাবে? ১/২ লক্ষ ২৪ হাজার পয়গম্বরের ইতিহাসটাও ইতিহাসের কোন বই থেকে পাবো একটু বলে দেন না ভাই, একটু জ্ঞান বাড়াইয়া লই। কোরআন শরিফ প্রথম ধর্মগ্রন্থ এইটা কখন বললাম? আমি তো ইঞ্জিলের কথাও বললাম। আমি যে উদাহরণগুলা দিলাম সেটা এটা বুঝাতে দিলাম যে একত্ত্ববাদী ধর্মগুলার সংস্পর্ষের বাইরে থেকেও দার্শনিকরা স্বাধীন ভাবেই শুধুমাত্র স্থানিয় সংস্কৃতি এবং যুক্তিবিদ্যার ওপর নির্ভর করে নীতিশাস্ত্র রচনা করেছেন। এই কারনেই আরব দুনিয়ার বাইরের গ্রিক এবং চীন দেশের দার্শনিকদের উদাহরণ দিয়েছি। আবার স্রষ্টা সংক্রান্ত কোন ধারণা ছাড়াই যে শুধুমাত্র নীতিকেন্দ্রিক ধর্ম থাকতে পারে তার উদাহরন হিসাবে দিয়েছি বৌদ্ধ ধর্মের উদাহরণ। আপনে না বুঝলে কিছু করার নাই। আপনে বুঝবেন সেইটা আমি আশাও করি নাই অবশ্য। বারবার মন্তব্যের জবাব দিতাছি যাতে অন্যদের বুঝতে সুবিধা হয় সেইজন্য।
পারভেজ আলম বলেছেন:
ভাল কথা, আমার সিনিয়র কারা? সেই কখন থেকে সিনিয়র সিনিয়র করে আসছেন। কাদের কথা বলছেন?
খুব মজা পাইলাম। এসব বালসুলভ যুক্তি শুনে সময় নষ্ট।
পারভেজ আলম বলেছেন:
এইবার দেখ হাতে নাতে, ডাক্তর তানজিল ক্যামনে পিছলায়। পারলে একটা বইয়ের নাম কন, ইতিহাসের বই, ধর্মের বই না, মিথের বই না। পারবেন না। আপনে যেই হারে মিথ, গল্প, বাচ্চা পোলাপানের যুক্তি, ইতিহাস, বিজ্ঞান সব এক কইরা ফালাইতাছেন এইটাই তার প্রমান।
পারভেজ আলম বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: "নৈতিকতার পূর্ণ বিবরণ পাবেন কোরআন ও হাদিসে।.. যারা দর্শন ও ধর্মগ্রন্হ দুটোই পড়েছেন তারা জানেন দর্শনের নৈতিকতার ছায়া ধর্মগ্রন্থ গুলো থেকে নেয়া। "
খুব মজা পাইলাম। এসব বালসুলভ যুক্তি শুনে সময় নষ্ট। কথা সত্য, আসলেই বালসুলভ। কিন্তু সমস্যা হইল উনি আবার নিজেরে মহাজ্ঞানি মনে করেন। কার সাথে যুক্তিতে পারতাছেন না, কিন্তু ভাব ধরতাছেন যে সবাইরে উনি যুক্তি তর্ক তথ্য দিয়া কঁচুকাটা কইরা ফালাইছেন।
সূরা ফুরক্বান
(১) কত মহান তিনি যিনি তাঁর দাসের প্রতি নাযিল করেছেন যাতে সে, বিশ্ববাসীর জন্য সকর্তকারী হতে পারে। (২) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব তারই; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেননি; সার্বভৌমিকত্বে তার কোন অংশী নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং প্রত্যেককে যথোচিত প্রকৃতি দান করেছেন। (৩) তবুও কি তারা তাঁর পরিবর্তে উপাস্যরূপে অপরকে গ্রহণ করেছে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং ওরা নিজেরাই সৃষ্ট এবং ওরা নিজেদের ভালও করতে পারে না, মন্দ করতে পারে না এবং জীবন ও মৃত্যুরও তারা মালিক নয়। পুনরুত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না। (৪) কাফেররা বলে, 'এ মিথ্যা ব্যতীত কিছু্ই নয়; মোহাম্মদ এ উদ্ভাবন করেছেন এবং ভিন্ন কওমের লোক তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করেছে।' ওরা অবশ্যই সীমালংঘন করে ও মিথ্যা বলে। ৫) ওরা বলে, 'এগুলি তো সেকালের উপকথা, যা সে লিখে নিয়েছে; এগুলি সকাল-সন্ধ্যা তার নিকট পাঠ করা হয়। ৬) বল, 'এ তিনিই অবতীর্ণ করেছেন যিনি আকাশ ও পৃথিবীর সমুদয়' রহস্য জানেন। নিশ্চয়ই, তিনি ক্ষমতাশীল, পরম দয়ালু। (৭) ওরা বলে, 'এ কেমন রাসূল যে আহার করে এবং হাটে-বাজারে চলাফেরা করে; তার নিকট কেন কোন ফেরেশতা অবতীর্ণ করা হল না যে তার সঙ্গে সতর্ককারীরূপে থাকত?' (৮) 'তাকে ধনভান্ডার দেয়া হয় না কেন অথবা তার একটি বাগান নেই কেন যা হতে সে আহার করত?' জালিমরা আরও বলে, 'তোমরা এক যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ। (৯) দেখ, ওরা তোমাকে কি উপমা দেয়, ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং ওরা পথ পাবে না। (১০) কত মহান তিনি, যিনি ইচ্ছা করলে তোমাকে এ অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু দিতে পারেন- উদ্যানসমুহ যার নিম্নদেশে নদীনালা প্রবাহিত এবং দিতে পারেন প্রাসাদ সমূহ। (১১) কিন্তু ওরা কিয়ামতকে মিথ্যা জানে এবং যারা কিয়ামতকে মিথ্যা জানে তাদের জন্য আমি অগ্নিশিখা প্রস্তুত রেখেছি। ১২) দূর হতে অগ্নি যখন ওদের দেখবে তখন ওরা এর ক্রুদ্ধ গর্জন ও চীৎকার শুনতে পাবে; (১৩) এবং যখন ওরা শৃঙ্খলিত অবস্থায় উহার সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষিপ্ত হবে তখন ওরা সেখানে মৃত্যু কামনা করবে। (১৪) (ওদের বলা হবে), 'আজ তোমরা একবারের জন্য মৃত্যুকে ডেকো না, বরং বহুবার মৃত্যু চাও।' (১৫) ওদের জিজ্ঞেসা কর, এটিই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যার ওয়াদা দেয়া হয়েছে সাবধানীদের? এটিই তো তাদের পুরষ্কার ও বাসস্থান। (১৬) সেখানে তারা যা কামনা করবে তাই পাবে এবং স্থায়ী হবে; এ প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার রবেরই দায়িত্ব। (১৭) এবং যেদিন তিনি অংশীবাদীদের একত্রিত করবেন এবং আল্লাহ ব্যতীত ওরা যাদের উপসনা করত তাদের একত্রিত করে বলবেন আমার এ দাসদের তোমরাই কি পথভ্রষ্ট করেছিলে না ওরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হয়েছিল। (১৮) ওরা বলবে, 'পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে বন্ধরূপে গ্রহণ করতে পারি না; তুমিই তো এদের এবং এদের পিতৃপুরূষদের সম্পদ দিয়েছিলে; পরিনামে ওরা তোমায় ভুলে গিয়েছিল এবং এ এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে পরিনত হয়েছিলে। (১৯) (দেখ) আল্লাহ অংশীবাদীদের বলবেন 'তোমাদের উপাস্যরাই তোমাদের মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে। তাই তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারবে না, সাহায্যও পাবে না। কেহ সীমালংঘন করলে আমি তাকে মহাশাস্তির আস্বাদ করাবই।'(২০) তোমার পূর্বে আমি যে সব রাসূর প্রেরণ করেছি তারা সকলেই তো আহার করত ও হাটে-বাজারে চলাফেরা করত। হে মানুষ! আমি তোমাদের মধ্যে এককে অপরের জন্য পরীক্ষারূপ করেছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে কি? তোমার রব সমস্ত কিছু দেখেন। (২১) যারা আমার সাক্ষাৎ আশা করে না তারা বলে, 'আমাদের কাছে ফেরেশতা আসে না কেন? বা আমরা আমাদের রবকে দেখিনা কেন? ওরা ওদের মনে অহঙ্কার রাখে এবং সীমালংঘন করে। (২২) যেদিন ওরা ফেরেশতাদের দেখবে সেদিন অপরাধীদের জন্য সুসংবাদ থাকবে না এবং ওরা বলবে, 'রক্ষা কর, রক্ষা কর'। (২৩) আমি ওদের কৃতকর্মগুলির বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলিকে সম্পূর্নরূপে নিষ্ফল করে দেব। (২৪) সেদিন জান্নাতবাসীদের বাসস্থান হবে উৎকৃষ্ট এবং বিশ্রামস্থল হবে মনোরম। (২৫) যেদিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হবে এবং ফেরেশতাদের নামিয়ে দেওয়া হবে- (২৬) সেদিন প্রকৃত কর্তৃত্ব হবে দয়াময়ের এবং অবিশ্বাসীদের জন্য সে দিন হবে কঠিন। (২৭) সীমালংঘনকারী সেদিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, 'হায়, আমি যদি রাসূলের সাথে সৎপথ অবলম্বন করতাম!" (২৮) 'হায়, দুর্ভোগ আমার, আমি যদি শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম!"(২৯) 'আমাকে অবশ্যই সে বিভ্রান্ত করেছিল আমার কাছে কোরআন পৌঁছানোর পর।' শয়তান তো মানুষকে বিপদকালে ধোকা দেয়। (৩০) এবং রাসূল বলেন, 'হে আমার রব! আমার কওম তো এ কোরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করে।' (৩১) (আল্লাহ বলেন), এভাবেই আমি পাপীদের প্রত্যেক নবীর শত্রু কিছিলাম। তোমর জন্য তোমার রবই পথ প্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট। (৩২) অবিশ্বাসীরা বলে কোরআন তার নিকট একেবারে অবতীর্ণ হল না কেন?' এ আমি তোমার কাছে এভাবেই অবতীর্ণ করেছি এবং ক্রমে ক্রমে অবতারণ করেছি তোমার হৃদয়কে শক্ত ও দৃঢ় করার জন্য। (৩৩) ওরা তোমার নিকট কোন সমস্যা উপস্থিত করলে আমি তোমাকে ওর সঠিক সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা দান করি। ৯৩৪) যাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায় একত্রিত করা হবে ও জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে, ওদেরই স্থান হবে অতি নিকৃষ্ট এবং ওরাই পথভ্রষ্ট। (৩৫) আমি অবশ্যই মুসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম এবং তার ভ্রাতা হারুণকে করেছিলাম তার সাহায্যকারী। (৩৬) এবং বলেছিলাম, 'তোমরা সে কওমের কাছে যাও যারা আমার আয়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে।' আমি সে কওমকে স্বমূলে ধ্বংস করেছিলাম। (৩৭) একং নূহের কওম ওদের রাসূলগণকে মিথ্যারোপ করলে আমি ওদের নিমজ্জিত করে মানুষের জন্য নিদর্শন বানালাম। জালিমদের জন্য আমি কঠিন শাস্তি প্রস্তুত রেখেছি। (৩৮) এবং আমি আ'দ, সামূদ, রসবাসী এবং ওদের মধ্যবর্তী বহু কওমকেও ধ্বংস করেছিলাম। (৩৯) আমি ওদের প্রত্যেককে দৃষ্টান্ত দ্বারা সতর্ক করেছিলাম, এবং প্রত্যেককেই সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম। (৪০) সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা তো সে বিধ্বস্ত জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে তবে কি ওরা এ দেখে না? বস্তুত ওরা পুনরুত্থানের আশা করে না। (৪১) ওরা যখন তোমাকে দেখে তখন ওরা কেবল তোমাকে বিদ্রুপের পাত্ররূপে গণ্য করে এবং বলে, এ-কি সে, যাকে আল্লাহ রাসূল করে পাঠিয়েছেন?(৪২) সে তো আমাদের দেবতাগণ থেকে দূরে সরিয়েই দিত যদি না আমরা তাদের আনুগত্যে দৃঢ় থাকতাম।' যখন ওরা শাস্তি দেখবে তখন ওরা জানবে কে সর্বাধিক পথভ্রষ্ট। (৪৩) তুমি কি দেখ না তাকে যে তার কামনা-বাসনাকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে? তবুও কি তুমি তার কর্মবিধায়ক হবে? (৪৪) তুমি কি মনে কর যে, ওদের অধিকাংশ শোনে ও বোঝে? ওরা তো পশুরই; বরং ওরা আরও অধম। (৪৫) তুমি কি দেখ না কিভাবে তোমার রব ছায়া বিস্তার করেন? তিনি তো ইচ্ছা করলে একে স্থির রাখতে পারতেন; বরং তিনি সূর্যকে এর নির্দেশক করেছেন। (৪৬) অতঃপর তিনি একে ধীরে ধীরে গুটিয়ে আনেন। (৪৭) এবং তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে আবরণস্বরূপ করেছেন এবং বিশ্রামের জন্য তোমাদের দিয়েছেন নিদ্রা এবং কর্মের জন্য দিয়েছেন দিন। (৪৮) তিনিই স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহীরূপে বায়ু প্রেরণ করেন এবং আকাশ হতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করেন। (৪৯) এ দ্বারা মৃত ভূখন্ডকে সঞ্জীবিত করার জন্য এবং অসংখ্য জীবজন্তু ও মানুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য। (৫০) এবং আমি এ ওদের মধ্যে বিতরণ করি যাতে ওরা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক কেবল অকৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করে। (৫১) আমি চাইলে প্রতিটি জনপদে একজন সতর্ককারী পাঠাতে পারতাম। (৫২) তাই তুমি বিধর্মীদের আনুগত্য কর না এবং কোরআনের সাহায্যে ওদের সঙ্গে কঠোর সংগ্রাম কর। (৫৩) তিনিই দুটি সাগরকে প্রবাহিত করেছেন, একটির পানি মিষ্ট, সুপেয় এবং অপরটির পানি লোনা, বক্ষজ্বলনকারী, উভয়ের মধ্যে তিনি রেখে দিয়েছেন এক সীমারেখা, এ অনতিক্রম্য ব্যবধান। (৫৪) এবং তিনি মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন; পরে তিনি মানুষকে রক্তগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করেছেন। তোমার রব সর্বশক্তিমান। (৫৫) ওরা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর উপাসনা করে যা ওদের না উপকার না ক্ষতি করতে পারে। কাফেররা তো স্বীয় রবের বিরোধী। (৫৬) আমি তো তোমাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সকর্তকারীরূপেই পাঠিয়েছি। (৫৭) বল, 'আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; কেবল এ-ই চাই প্রত্যেকে যেন স্বইচ্ছায় রবের পথ ধরে। (৫৮) তুমি তাঁর উপর নির্ভর কর যিনি চিরঞ্জীব, যার মৃত্যু নেই এবং তাঁর প্রশংসা পবিত্রতার সাথে ঘোষণা কর, তিনি তাঁর দাসদের পাপসমূহ জ্ঞাত। (৫৯) তিনি আকাশ মন্ডলী, পৃথিবী ও ওদের মধ্যবর্তী সব কিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেন; অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হন। তিনিই দয়াময়, তার সম্বন্ধে যে অবগত আছে তাকে জিজ্ঞেসা করে দেখ। (৬০) যখন বলা হয়, 'দয়াময়কে সিজদা কর।' তখন বলে, 'দয়াময় আবার কে?' তুমি কাকেও সিজদার নির্দেশ দিলেই কি তাকে সিজদা করব?' এতে ওদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়। (৬১) কত মহান যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং ওতে স্থাপন করেছেন সূর্য ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র। (৬২) এবং যারা অনুসন্ধিৎসু ও কৃতজ্ঞচিত্ত তাদের জন্য রাত এবং দিনকে সৃষ্টি করেছেন পরস্পরের অনুগামীরূপে। (৬৩) তারাই দয়াময়ের দাস যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন অজ্ঞরা কথা বলতে আসে, তখন তারা বলে সালাম, ৬৪) এবং তারা রবের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে ও দাড়িয়ে থেকে রাত যাপন করে; (৬৫) এবং তারা বলে, 'হে আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি নিবৃত্ত কর; জাহান্নামের শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ'। (৬৬) আশ্রয়স্থল ও বসবাস হিসাবে তা কত নিকৃষ্ট! (৬৭) এবং যখন তারা ব্যয় করে তখন তারা অমিত্বব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তারা মধ্যবর্তী পন্থা অবলম্বন করে। (৬৮) এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এগুলি করে তারা শাস্তিভোগ করবে। (৬৯) কিয়ামতের দিন ওদের শাস্তি বর্ধিত হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (৭০) তারা নয়, যারা তওবা করে, বিশ্বাস করে ও সৎ কাজ করে। ফলতঃ আল্লাহ, পূণ্য দ্বারা ওদের পাপরাশি ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (৭১) যে ব্যক্তি তওবা করে ও সৎকাজ করে সে সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর অভিমূখী হয়। (৭২) যারা মিথ্যা সাক্ষ্যদেয় না এবং অসার কার্যকলাপের সম্মুখীন হলে স্বীয় মর্যাদা রক্ষার্থে তা পরিহার করে চলে। (৭৩) এবং যাদেরকে তাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ বোঝানো হলে তাতে অন্ধ এবং বধির সদৃশ আচরণ করে না। ৭৪) যারা প্রার্থনা করে, 'হে আমাদের প্রভূ! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর কর' এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর। (৭৫) তাদেরকে তাদের সবরের প্রতিদান স্বরূপ জান্নাত দেয়া হবে। সেখানে তাদের অভিবাদন ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে। (৭৬) সেখানে তারা স্থায়ী থাকবে। আশ্রয়-স্থল ও বসতি হিসাবে তা কত উত্তম। (৭৭) বল, 'তোমরা আমার রবকে না ডাকলে তাঁর কিছু আসে যায় না। তোমরা মিথ্যা বলছ, ফলে অনিবার্য শাস্তি নেমে আসবে।"
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ ডাঃ তানজিল, ভাই, আপনার বক্তব্য খুবই কঠিন। আপনার সাথে তারা না পেরে এখন উল্টা পাল্টা বলে আপনাকে ক্ষেপানোর চেষ্টা করছেন। আপনি চালিয়ে যান। আল্লাহ নিশ্চয় আপনার সাথে আছেন। তাদেরকে ভয় করার দরকার নেই।
মনির হাসান বলেছেন:
প্রিয় ডাক্তার ভাই, আপনে অযথাই সময় নষ্ট করলেন এই বেএলেম সীলগালা অন্তরের কাফের মুনাফেক নাস্তিকদের সাথে অতি সোন্দর্য্যবান তর্ক করে।আল্লাহ আছেন, এবং তার ধর্মই শ্রেষ্ঠ ধর্ম, একমাত্র যেবনবিদান ...
আল্লাহ আছেন এর খাটি প্রমান আপনার মতো নিরেট মস্তকের মানুষ তিনি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছেন ... যারা তাকে যুগ যুগ প্রমান করেই ছাড়বে।
আসেন ভাই এই নাস্তিক বেএলেম মুনাফিকদের সাথে তর্ক না করে তালগাছ সাহেবের দরবারে যাই। অনেক ফজিলত হাসিল হবে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ড. তানজিল, আপনার কিছু কথা ঘেটে দেখলাম এই পোস্টে... বিশেষত ৬৩ নং কমেন্টে।
আপনি ভাই ডাক্তার কিভাবে হলেন, ভাবছি... কারন 'ক্রিয়েশনিস্ট' বা 'খোদা সব কিছু সৃষ্টি করেছেন মতবাদ' নামের বিষয়টাতে 'বিশ্বাস' এক ধরনের রোগ, ধর্মে বিশ্বাস যেমন রোগ, তেমনি। রোগাক্রান্ত মানুষ ডাক্তার কিভাবে হয়... আজিব!
যা হৌক.. আপনার করা কমেন্টের একটু ব্যাবচ্ছেদ করি..
১. কোন বইয়ের অনুবাদে তার সাহিত্য-রসের হয়তো খামতি পড়ে, কিন্তু তার বক্তব্যের রকমফের হয় না। তার ওপর কুরান কোন সাহিত্য কর্ম নয়, ্মানুষের জন্য এক প্রকার জীবনবিধান। এতে বলা সবকিছুই অনুবাদে নিশ্চয় হারিয়ে যায় না?
২. মানুষের কাছে 'মেসেজ' এসেছে.. কিন্তু মেসেঞ্জার মিয়া নিজেই বলছে তার কাছে মেসেজ আছে... কোনো প্রমান তার কাছে নাই..।
ধরেন আপনার কাছে একজন এসে বললো কুদ্দুস মিয়া যে আপনার কাছে টাকা পায় সেটা দিয়া দেন.. আপনি এই 'একজনকে' চেনেন না, আপনি কি টাকা দিয়ে দেবেন? না দিবেন না, কারন আপনার নিশ্চিত হওয়া দরকার এইলোক কুদ্দুসের লোক। তাই কুদ্দুসকে ফোন দিবেন।
আমাদের ক্ষেত্রে, কুদ্দুস ওরফে আল্লাকে ফোন দেয়া সম্ভব না, কারন তার কোনো লাম্বার নাই, আর ডাক দিয়া জিগাইলেও উত্তর দেয়া না.. (দিবো কেমনে.. ওইখানে তো আসলে কেউই নাই)
আর কিছু বলবো না.. হুদাই সময় নষ্ট..
তীব্র রঙিন বলেছেন:
হয়রান বাবার দরবারে, কত পাগল, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ঘুরে রে, কজনায় আসল পাগল কে জানে????
আলিম আল রাজি বলেছেন:
তালগাছওয়ালা ডাক্তরসাব ভ্যাপক ভিনুডন দিচ্ছেন...।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
..............আর লিখতে মন চায় না! দুই লাইন পরপর আজিব চিড়িয়ার মত আয়াত নাজিল হতে থাকে। এরা বাস্তবতা দিয়ে যুক্তি বের করতে না পেরে ঐ তথাকথিত 'ঐশী' বাণী বিলোতে থাকে!!!এদের জন্য ওমর খৈয়াম থেকে কিছুটা লিখলাম(ভুল হলে কিছু করার নাই অনেক আগে পড়া কিনা),
শুধাইনু গগণে গগণে
বল মহারথ; কোন দ্বীপ হাতে লয়ে
ভাগ্যদেবী নির্দেশিবে পথ,
এই তার ভ্রান্তমতি শিশুপুত্রদের;
আঁধারে চলিতে পথে স্খলিত চরণে
নিত্য যারা ব্যাথা পায় ঢের।
আকাশ উত্তর দিল- মেঘমন্দ্রে মোরে,
"শুধু অন্ধবিশ্বাসের জোরে"!
এ
ই সকল ধর্ম সর্বস্বদের কথা ওমর খৈয়ামও ভালোমত জানতেন সন্দেহ নেই।।।
শয়তান বলেছেন:
তীব্র রঙিন বলেছেন: হয়রান বাবার দরবারে, কত পাগল, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ঘুরে রে, কজনায় আসল পাগল কে জানে????
লেখক বলেছেন:
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
সংশয় নিয়া অবশ্যই প্রশ্ন করন যায়! তবে সংশয়ের সমাধান নিজের মত করলে সেখানে ভুলের সম্ভাবনা থাকে! সব জ্ঞান হয়ত আমাদের জন্য না, মানে আমাদের পক্ষে ধারন করা সম্ভব নাও হতে পারে! সংশয়ের উত্তর গুলা হয়ত দেয়াই আছে, কিন্তু আমরা সেটা বুঝতে অক্ষম!! এই সংশয় গুলোর একটাই সমাধান, বিশ্বাস!
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
লেখাটা মিস করেছিলাম...
লেখক বলেছেন: okay, no prob.
আইয়ূ২০১০ বলেছেন:
আমাদের সমাজের মাওলানাদের কথা শুনলে আপনার কেন বেশির ভাগ মানুষেরই তাই মনে হবে. আপনি নাস্তিক এটা মাওলানাদের ধর্ম সংক্রান্ত কু-ধারণার ফসল...
লেখক বলেছেন: ধর্মগ্রন্থগুলো কি সব উৎকৃষ্ট, মানবিক ও সার্বজনীন কথায় ভরপুর?
ওখানে কোন গলদ নেই?
সন্যাসী বলেছেন:
আগেও পড়েছিলাম কীনা মনে করতে পারছি না। তবে এবার পড়ে খুব ভাল লাগল। + সহ প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি আপনার লেখার নিয়মিত পাঠক।
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন:
ভাই আল্লাহ জানেন মানুষের মনে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে.. কোরআনের অনেক জায়গাতে সে উত্তর তিনি দিয়ে রেখেছেন। আপনি কিছু আয়াত লিখে দেখাতেন.. আপনার মত মানুষের জন্যই ২৩ নং আয়াত রে ভাই। ভাইজান.. মীরজাফর বলতে কি বোঝেন? শুধু কি সেই পলাশীর মীরজাফর কে বোঝেন? না.. তাবত বিশ্বাস ঘাতকদের বোঝেন... মীরজাফর শুধু মাত্র আইকন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কোরআনে "আবু লাহাব" এর উল্লেখ আছে .. আসলে সেখানে আবু লাহাব গোত্রের সবাইকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সত্য বলতে কি ভাই আমি নিজেও খুব ধার্মিক গোছের কেউ না... আমার কখনো কখনো মনে হয়েছে এ্রই আবু লাহাবের প্রেতাত্মা আমার ভেতরে ও আছে.... আমিও তার মত বিপথগামী..
তবে আমি আপনাদের মত স্বঘোষিত নাস্তিক না.....
আপনার প্রশ্ন গুলো যদি পয়েন্ট আকারে পোষ্ট করেন তবে ..আমি উত্তর বের করার চেস্টা করবো.... হতে পারে আপনার উত্তর খুজতে গিয়ে আমারো ..সুদ্ধি বা উপলব্ধি হবে...
নিচের আয়াত দুটি পড়েন ....
যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে। অতএব, আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাকেও সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব তোমরা জান।
وَإِن كُنتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَى عَبْدِنَا فَأْتُواْ بِسُورَةٍ مِّن مِّثْلِهِ وَادْعُواْ شُهَدَاءكُم مِّن دُونِ اللّهِ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ
23
এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন:
ভাই সামুতে অনকে আগে সাইন ইন করছিলাম.... এত পন্ডিত মানুষ তখন ছিলনা। ... যাক এখানে এসে আর কুতর্কে না জড়াইলাম.....সবাই ভাল থাকেন..
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন।
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
মানুষ দুরকমঃ-১) যারা পরের খেয়ে ঘরে ঘুমাতে চায়।
২) যারা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায়। মানে কিছু ভালো কাজ করতে চায়।
যারা ভালো কাজ করতে চায় তাদের মনে রাখা উচিত যে সেই কাজে ঈশ্বরের সাহায্য পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ভেবে লাভ নেই। ঈশ্বর যদি থেকেও থাকেন, তিনি খারাপ কাজে যে কম সাহায্য করেন তার কোনো প্রমাণ নেই। দুনিয়ায় এত খারাপ কাজ দেখে উল্টোটাই মনে হয়। কাজেই আপনি যদি ভালো কাজ কিছু করতে চান, ঈশ্বর আপনার শত্রুকেও সাহায্য করতে পারেন। তাঁর ভরষায় থাকবেন না।
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
আমরা এক সময় যে রাজনীতিতে বিশ্বাস করতাম তা ছিলঃ-একজন রাজা থাকবেন। তাঁর কথাই হবে আইন।
রাজার চামচেরা মানুষের চেয়ে বেশি আরামে থাকবেন, কিন্তু কাজ করবেন কম।
আজ আমরা সেই দিন পেরিয়ে এসেছি। আজ মানুষের ইচ্ছায় রাজা (শাসক) নির্বাচিত হন। মানুষের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি হয়। জনগণ আজ রাজার চেয়ে উপরে। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ আজ এই রাজনীতিতেই বিশ্বাস করে।
আমরা কি ধর্মে এই রকম পরিবর্তন আনতে পারি না? আল্লা আর মোল্লা আর কতদিন মানুষের চেয়ে উপরে থাকবে? আল্লা কে হয়তো নির্বাচন করা সোজা হবে না কারন তিনি একাই আছেন। কিন্তু মোল্লাদের যদি নির্বাচন নির্ভর করা যায় তাহলে একদিন আল্লারও নির্বাচন করা যাবেই। আধুনিক পৃথিবীর ইংলন্ডের গণতন্ত্র শুরু হয়েছিল মন্ত্রী নির্বাচন দিয়ে।
******************************************
ঈশ্বর বলে কিছু আছে কিনা তা নিয়ে মাথা ঘামনোর কোনো মানে হয় না। কারণ ঐ বস্তুটি কেমন তার কোনো পরিস্কার খবর নেই। যেটা ভাবার বিষয়, তা হলঃ-
১) মানুষের চিন্তা ভাবনা ও কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করার মত কেউ/কিছু আছে কিনা (মানুষ ছাড়া)।
২) যদি থাকে তবে তা কি সত্যিই মানুষের ভালোর জন্য করা হয়?
৩) পূজা প্রার্থনা করে কি তাঁর মত বদলানো যায়?
৪) তিনি কি সবার ভালো করেন? নাকি কেবল তাঁর নিজের দলের লোকের?
৫) মানুষ কি তাঁর বিধান (ধর্মের বইয়ে লেখা) না মানলে সত্যিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়? নাকি ভালোই হয়?
ইতিহাসের পাতা খুলে উত্তর খোঁজা দরকার।
লেখক বলেছেন: প্রসংশার জন্যে ধন্যবাদ।
ভাবছি এখন থেকে নিয়মিত হবো।
প্রভাষক বলেছেন:
এধরণের লেখা পেলে যা করি... প্লাস এবং প্রিয়-তে... (লেখক আস্তিক বা নাস্তিক-এটা কোনো বিষয় না!!!)...~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার মতেঃ...
জ্ঞান-ই নাস্তিক্য... আর অন্ধ বিশ্বাস-ই আস্তিক্য...
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন:
জ্ঞান-ই নাস্তিক্য... আর অন্ধ বিশ্বাস-ই আস্তিক্য...
চিরকালীন সত্য। ধন্যবাদ প্রভাষক সাহেব। জ্ঞানাণ্বেষনের প্রয়াস জাগরুক থাক।
ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন:
ব্লগে ৩৮টা ধর্মোম্মাদ আছে, আল্লাহ ওদের ঈমান দিন।
লেখক বলেছেন: আরো বেশি হবে। জামাতের বেতনভূক্তই তো আছে ৩০ টা।
নীড় ~ বলেছেন:
ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন: ব্লগে ৩৮টা ধর্মোম্মাদ আছে, আল্লাহ ওদের ঈমান দিন।
লেখক বলেছেন: আমীন।
রুদ্র নীল বলেছেন:
প্রবীর ঘোষের "আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা" বই টা পরে আমি আরো আস্তিক হইলাম।আমি বিজ্ঞানের ছাত্র,তাই প্রবির ঘোশের লেখা বইটা পুরা আজগুবি লাগসে,science এর কোনো টার্ম সে use না করেই আবলতাবল লেখসে...নাস্তিক হইতে হইলে বিজ্ঞান পরে আসুন।দেখুন science কি বলে...আর clear scientific tarm নিয়া আইশা তরক করেন।সব নাস্তিক গ লেখা দেখি হুদাই পেচাল... বাল একেকটা...
রুদ্র নীল বলেছেন:
নীতিবিদ্যা বিষয়ক প্রাচীন যুগের সবচেয়ে প্রামানিক এবং গুরুত্বপূর্ণ দর্শনের বইয়ের নাম "নিকোমেনিয়ান এথিক্স"। বইটা লিখেছিলেন এরিস্টট।এরিস্টট ত বিজ্ঞান থেকে সঙ্গিত,শব বিশয়েই বই লিখসে আর শব বইএর তত্ত গুলা আখন শবি ভুল।হাহাহাহা।
লোকটা অনু পরমানু নিয়া যে তত্ত দিসে তা শুনলে পাগল অ হাসব।আসেন আমরা এই লোক্তারে বাদ দেই।
বিসাম বলেছেন:
১॰আমার পড়াশুনা খুব বেশী না। নিতান্তই সামান্য জ্ঞানের একজন সাধারণ মানুষ আমি। কোরআন,গীতা ও বাইবেল পাশাপাশি রেখে পড়েছি। কোনটিই আমার কাছে নির্ভূল মনে হয়নি>তাহলে কী আন্ডা নিয়া কোরানের সমালোচনা করতে আসছেন।
2॰গ্রন্থগুলোতে লিপিবদ্ধ বাক্যমালা নান্দনিকতার দৃষ্টিতে উৎকৃষ্ট নয়, অন্তত সেগুলোর তুলনায় মানুষের সৃষ্ট অজস্র উৎকৃষ্ট রচনার উদাহরণ দেয়া যায়।
>কোরানের একটা আয়াত এনে তার চেয়ে উৎকৃষ্ট মানুষের সৃষ্ট রচনার একটা উদাহরণ দিন।
"মানুষের সৃষ্ট রচনা" বলে কি কোরানকে ঐশরিক মেনে নিলেন?
৩॰সৃষ্টিকর্তা তার রচিত এক বিধানকে পরবর্তিতে আরেক বিধান দিয়ে বাতিল করেছেন। কিন্তু কেন? তিনি কি চিরকালীন/সার্বজনীন কোন বিধান রচনা করতে পারতেন না? সময়ে সময়ে পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হয় মানুষের রচিত বিধানগুলো। কারণ যখন বিধান রচিত হয় তখনকার বাস্তবতায় হয়তো বিধানটি উৎকৃষ্ট ও সঠিকই ছিল। কিন্তু মানুষ ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নয়। তাই পরবর্তিতে নতুন কোন পরিস্থিতিতে মানুষের মনে হতে পারে যে এটার সংশোধনী দরকার। কিন্তু ধর্মগ্রন্থ তো সৃষ্টিকর্তা একটি রচনা করলেই পারতেন, নয় কি? তাছাড়া একই গ্রন্থে পূর্বে লিপিবদ্ধ এক বাক্যকে নাকচ ও বাতিল করা হয়েছে ঐ গ্রন্থেরই পরবর্তীতে রচিত কোন বাক্য দ্বারা। কেন? সৃষ্টিকর্তা কি অগ্রগামী বাক্যটি রচনার সময় ভবিষ্যত বুঝতে পারেননি।
>"আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম"আল্লাহর এই ঘোষণার পর কোন বিধান পরিবর্তণ হয়েছে?তার আগে যা হয়েছে তা অপূর্ণ অবস্থায় হয়েছে এবং সেটা করতে হয়েছে তখনকার মানুষের উপর ভিত্তি করে। প্রাথমিক অবস্থায় তাদের জন্য যে বিধানটা যথাযোগ্য ছিল সেটাই দেয়া হয়েচে।আস্তে আস্তে যখন তাদের মধ্যে পূর্ণতা এসেছে তখন সে অবস্থার উপর ভিত্তি করে নতুন বিধান দেয়া হয়েছে
৪.সৃষ্টিকর্তা এমন গ্রন্থ কেন লিখলেন যেটা নিয়ে সাধারণ মানুষ তার সাধারণ বুদ্ধি দিয়েই অসংখ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে ওটার অলৌকিকত্ত্ব ও নির্ভূলতা নিয়ে?
>চ্যালেঞ্জটা মনে হয় কোরআন ই আগে ছুড়েছে।পারলে গ্রহণ করুন
৫॰অথচ তাদের জন্মের জন্যে প্রয়োজন হয়েছিল নারী গর্ভের,তারা জন্মের পর ক্ষুধা অনুভব করেছেন বলে গ্রহন করতেন খাদ্য। তাদের বর্জ্য বিসর্জনের প্রয়োজন হতো অন্য সব মানুষের মতো। তাদেরও ছিল কামের অনুভূতি যা তারা নিবৃত্ত করেছেন এক বা একাধিক নারী দ্বারা। তাদের বয়সকালে গুম্ফ ও শ্মশ্রু গজাতো, ত্বক ঢুলঢুলে হয়ে পড়তো। তারা জ্বরা ও ব্যধীতে আক্রান্ত হতেন এবং একসময় তারা সকলেই প্রকৃতির নিয়মে মৃত্যু বরণ করেছেন। এই সকল অলঙ্ঘনীয় প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে তারা কেউই অতিক্রম করতে পারেননি। অন্য সকল মানুষ যারা প্রেরিত পুরুষদের মতোই উক্ত প্রক্রিয়াগুলোকে অতিক্রম করতে পারে না,তাদের সাথে প্রেরিত পুরুষদের প্রাকৃতিক সক্ষমতার দৃষ্টিতে পার্থক্য থাকলো কোথায়? তবে কি তাদের সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে তা মিথ্যা?
>সূরা ফুরকনের ৭॰৮॰৯ আয়াত তিনটি দেখেন উত্তর পেয়ে যাবেন।এমন বোকা বোকা প্রশ্ন তখন করত কিছু মানুষ।
দাদা আপনার পড়াশোনা যে নিতান্তই কম তার পুরোপুরি প্রমাণ দিলেন।
৫.তাদের কি নিজের নাম ও কীর্তিটুকু ভবিষ্যতের জন্যে স্মারক হিসেবে সংরক্ষন করে যাবার মতো প্রয়োজনীয় মেধা ও যোগ্যতা ছিল না?
>নবী রাসূল পৃথিবীতে কেন প্রেরণ করতেন এ বিষয়ে আপনি সম্যক অবগত নন মনে হচ্ছে।তারা দুনিয়াতে নিজের নাম রেখে যাওয়ার জন্য আসতেন না তারা যে উদ্দেশে এসেছেন টা পূর্ণ করে ই গেছেন তা নাহলে সকল যুগে আল্লাহ কে চেনে এমন লোক পাওয়া যেতনা। তাছাড়া দেখুন সূরা আনআমের ১৬২ নং আয়াত কী বলে।
> সময়ের অভাবে একসাথে আপনার সব গুলো সন্দেহের উত্তর দিতে পারলাম না ইনশাল্লাহ বাকি গুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব
ত্রিভুজ বলেছেন:
অনেক পরে দেখলাম লেখাটা। পুরোটা নিয়ে আলোচনার সময় নেই শুধু শেষ অংশ (ধর্মের সংঘবদ্ধতাঃ) নিয়ে বলি-আপনি ভুল জানেন। অন্তত ইসলামে ধর্মচ্যুত হলে হত্যা করার নির্দেশ দেয় না। আপনি এবং আপনার মত বেশির ভাগ নাস্তিক ইসলাম জানার আগেই নাস্তিক হয়ে গিয়েছেন, সমস্যাটা হচ্ছে এখানেই। এই বিষয়ে আমার কিছু পর্যবেক্ষণ ছিলো, পড়লে হয়তো নিজের সাথে মিল পাবেন কিছুটা- Click This Link
আর সর্বশেষে, শুভকামনা।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
তিনকোনা, তোমাগো নতুন ধর্মগুরু জোকারের নিজের মুখের বাণী শোনো.. http://www.youtube.com/watch?v=AJ44MDiwUkk
রানা চৌধুরী বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাই ফাইভ...সোজা প্রিয়তে...
আরিফুর রহমান বলেছেন: তিনকোনা, তোমাগো নতুন ধর্মগুরু জোকারের নিজের মুখের বাণী শোনো..
আরিফুর রহমান নামের এই ছাগলডার কচুক্ষেতের মোড়ে নিয়ে পুন্দানো দরকার। কারা কারা পুন্দাবেন জানায়েন আমারে ।
রানা চৌধুরী বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাই ফাইভ...সোজা প্রিয়তে...
আরিফুর রহমান বলেছেন: তিনকোনা, তোমাগো নতুন ধর্মগুরু জোকারের নিজের মুখের বাণী শোনো..
আরিফুর রহমান নামের এই ছাগলডার কচুক্ষেতের মোড়ে নিয়ে পুন্দানো দরকার। কারা কারা পুন্দাবেন জানায়েন আমারে ।
ল্যাটিচুড বলেছেন:
আপনি বলেছেন : "যে প্রশ্নগুলোর গ্রহনযোগ্য জবাব না পেয়ে আমি নাস্তিক" আপনি নাস্তিক বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন পরিস্কার করে বলুন ...
অন্ধকার রাত বলেছেন:
There is no god except Allah..................এই বাক্যে দুইটা অংশ. ১.there is no god
২.except Allah
লেখক ১ম অংশ মেনে নিয়েছেন... আশা করি ২য় অংশ মেনে নিতে সময় লাগবে না.....
আল্লাহকে দেখেন নাই তাই বিশ্বাস করেন না। জানিনা আপনার মাকে বিশ্বাস করেন কিনা। কারণ আপনি হওয়ার সময় নিশ্চই দেখেননি, কোনদিকে বের হইছেন...............
হারুন আল নাসিফ বলেছেন:
আল্লাহকে দেখেন নাই তাই বিশ্বাস করেন না। জানিনা আপনার মাকে বিশ্বাস করেন কিনা। কারণ আপনি হওয়ার সময় নিশ্চই দেখেননি, কোনদিকে বের হইছেন...This kind of inconsistent and vulgar logic weakens the moral ground of the Believers.
মাকে দেখা যায়,বাবা কেও,তবু চাইলে ডিএনএ টেস্ট করে শিউর হওয়া যায়।
আল্লাহকে কি রুপে শিউর হওয়া যায়?উনার ডিএনএ টেস্ট কি করা যাবে?
মুসাফির... বলেছেন:
পড়তে ছিলাম মনোযোগ দিয়েই: ৫৯ নং কমেন্ট পর্যন্ত পড়ার পরই এশার নামাজের আজান হলো... তাই মসজিদে যেতে হবে। তবে আপনার পোষ্টের প্রসঙ্গেই বলছি দুটো কথা: আপনি স্রষ্টাকে অনেক প্রশ্নের মুখমুখী করেছেন... উত্তর হলো.. স্রষ্টাকে আপনার আইনে চলতে হবে সেটা স্রষ্টার জন্য জরুরী নয়... সৃষ্টির কোন আইন স্রষ্টার জন্য প্রযোজ্য নয়- তবে স্রষ্টার আইন সৃষ্টি মেনে চলতে বাধ্য... না মানলে ... যেমন : পৃথিবীতে তৈরি করা করা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং তার নির্মাতা প্রসঙ্গই কল্পনা করুন। (যদিও এসবকে সৃষ্টি নয় তৈরি বলতে হবে)
যাক.. আপনার সকল প্রশ্নের জবাব দিতে হলে যে সময় প্রয়োজন সে সময় ব্লগের কারো ই নাই। আপনি সরল এবং সাবলীল ভাষায় আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তাই দু'চার কথা লিখতে ইচ্ছে হলো: যদিও ৫৯ নং কমেন্ট পর্যন্ত আসতে আপনার কয়েকটা কমেন্টের জাবাবগুলি পড়তে পড়তে মনে হয়েছে আপনি কোন নাস্তিকদেরই ছদ্ম নিক। ধৈর্য সঞ্চয় করে বলছি: - আপনি মেজর জাকারিয়া কামাল এর লেখা আল কোরআন দ্যা চ্যালেঞ্জ- মহাকাশ পর্ব-০১, অথবা পরের পর্বগুলো মন দিয়ে পড়ুন: বিজ্ঞান এবং কোরআনের প্রাসঙ্গিক আলোচনার সমম্বয়ে এক বিশেষ অনুভুতি পাবেন। তাছাড়া এই পোষ্টটিও পড়ে দেখতে পারেন।
অনেক কমেন্টগুলোর উত্তরের মত যদি বিরক্তি ও এখানেই আলোচনা করতে বলেন: তাহলে বলব আপনি আপনার পথে বিভ্রান্তি ছড়াবেন। আর সত্য তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। আপনার সময় আছে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কিন্তু আমার বা অন্যের সত্য বুঝানোর সময়কে আপনি আপনি আপনার ভাষায় চাইবেন-যেমনটি আপনার আইনে পৃথিবীটাকে পরিচালনা করার চেষ্টার মত।
যে কমেন্ট গুলোর জবাবে আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারিনী তাও উঠিয়ে দিলাম-- বাকীটা পরে অনুসন্ধান করার ইচ্ছা রইল।
২২ নং কমেন্টে আপনার জবারের অংশ :
আমার সকল প্রশ্নের উত্তর ইসলাম দিয়েছে, কিন্তু কোথায় দিয়েছে বলবেন কি?
২৬ নং কমেন্টে জবারের অংশ :
আরব ছাড়া অন্যত্র বিষবৃক্ষের জন্য উর্বর জমি ছিল না বোধহয়।
৩২ নং কমেন্টে আপনার জবারের অংশ :
পুলিশকে থামানো জন্য ধর্ম? হাস্যকর!
৪৩ নং কমেন্টে জবারের অংশ :
এটা সু-সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞানময়।
ব্যাখা করে বলবেন প্লিজ?
৫১ নং কমেন্টে জবারের অংশ :মরে জানতে হবে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা? বলিহারি!
৫২ নং কমেন্টে জবারের অংশ :২২ নং কমেন্টে জবারের অংশ :২২ নং কমেন্টে জবারের অংশ :ই হচ্ছে আপনার ঈমান!!!!
যদি'র উপর নির্ভর করে ধর্ম চলে না। আপনাকে বিশ্বাস করতে মতভাগ এবং নিঃশর্তভাবে।
৫৪ নং কমেন্টে জবারের অংশ :তার মানে হলো কোরআন পড়ে কোরআনকে বিশ্বাস করতে হবে সঠিক রাস্তা হিসাবে, আর যদি বিশ্বাস না করি তাহলে আমি বেঠিক রাস্তায় আছি? এগুলাকে যুক্তি বলে?
৫৭ নং কমেন্টে জবারের অংশ :আপনার মতের পক্ষে দু'চারটা যুক্তি দিয়ে গেলে ভালো হতো না? কোন প্রশ্নের জবাবও তো দিয়ে গেলেন না।
এটাই আপনার পরিপক্কতা?
৫৯ নং কমেন্টে জবারের অংশ : এত আলস্য বোধ করলে কমেন্ট করতে এসেছেন কেন?
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ধর্ম হলো বিশ্বাসের ব্যাপার। আমি খুব বেশী জানি না।
ইশতিয়াক বলেছেন:
ভাই, আপনার লেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা,কিন্তু ব্যপারটা কি, ধর্ম জিনিসটার মূল কথাই কিন্তু বিশ্বাস।
সবার উপরে বলা হয়েছে বিশ্বাস করতে হবে।
যুক্তি হয়ত অনেক সময়ই এই বিশ্বাস মানতে চায় না,
কিন্তু ধর্ম ছাড়া এই সমাজের নৈতিক অধঃপতনের কথাটা একবার ভাবুন।
এখনো মানুষ খারাপ কিছু করতে যাওয়ার আগে একবার হইলেও পরকাল চিন্তা করে।
বলছি না, খারাপ কাজ হচ্ছে না, হচ্ছে। কিন্তু এটি না থাকলে মাত্রা টা কোথায় ঠেকবে একবার ভেবে দেখেন।
ভালো থাকবেন !
অবুঝ ম্যান বলেছেন:
মানুষের জ্ঞান যদি ১০০ হয়। তাহলে তার ৫% সম্পর্কে সে জানে সে কি কি জানে। ১৫% সম্পর্কে বলতে হয় সে জানে সে কি কি জানে না। আর ৮০% সম্পর্কে সে জানেই না সে কি কি জানে না। আপেক্ষিকতার দিক দিয়ে দেখলে বোঝা যায় সব মিথ্যা। যদি আমরা ঈশ্বরবিহীন হবো তাহলো বলতে হয় জগতা মিথ্যা । তো বলুন আপনি আমি এখন কি করব। আপনার প্রশ্ন গুলোর উত্তর .....................................। আপনি নিজে কে বলুনতো মানুষ ? নাকি একটি পিপড়া যদি বলে আমি মানুষের চেয়ে বেশী বুদ্ধিমান তাহলে আমি আপনি কি?????????????????????
বোরহান উদদীন বলেছেন:
জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করুন। আপনার সমস্যা নিয়ে কোন বিজ্ঞ লোকের সাথে আলোচনা করুন.আপনি যে হেতু মুসলমানের সন্তান, আপনার উচিৎ সত্যিকারের একজন ধার্মিক জ্ঞানী ব্যাক্তির সান্যিদে জ্ঞান অর্জন করা। আমি মনে করি আপনি যদি কোন অলিয়ে কামেল মকাম্মেলের সহিত একটা মাস সময় দেন আপনার মনের সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন আশাকরি।
বোরহান উদদীন বলেছেন:
তবে আপনার লিখাটা কিন্তু খুব ভাল হয়েছে। অনেকের মনেই এই ধরনের প্রশ্নের জন্ম হতে পারে। আর পারলে এই লিঙ্কে গিয়া নিয়মিত ২-৩ মাসের মাসিক পত্রিকা টা পড়লে ও অনেক উত্তর পেতে পারেন।
মাজহার অপু বলেছেন:
আছেন কোথায় স্বর্গপুরে কেউ নাহি সন্ধান জানে, কেন জিজ্ঞাসিলে খোদার কথা দেখায় আসমানে ,আপন ঘরে কে কথা কয় না জেনে আসমানে তাকায়। আকাশ তো দেখে সকলে ,খোদা দেখে কয়জনে...
এইতোআমি০০৭ বলেছেন:
ছাগলের আবাল কথা পইরা হুদাই time নষ্ট করলাম. এমন বল পোস্ট কইরা লাভ নেই , পারলে একটা সুরা লেইখা দেখান । হুদা পড়লে হইব না , বুইঝার চেষ্টা করেন। তাই কপি মারলাম--ডাঃ তানজিল বলেছেন: আমি তর্ক আর বাড়াবো না কেননা যাদের অন্তর কে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে বলে আল্লাহ বলেছেন, আমি তাদের আন্তরে বিশ্বাস স্থাপন করে তার আয়াত কে ভুল বানানোর ক্ষমতা রাখি না। এটাই আমার শেষ পোস্ট। আপনাদের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর বক্তব্য প্রকাশ করছিঃ
সূরা ফুরক্বান
(১) কত মহান তিনি যিনি তাঁর দাসের প্রতি নাযিল করেছেন যাতে সে, বিশ্ববাসীর জন্য সকর্তকারী হতে পারে। (২) আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব তারই; তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেননি; সার্বভৌমিকত্বে তার কোন অংশী নাই। তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং প্রত্যেককে যথোচিত প্রকৃতি দান করেছেন। (৩) তবুও কি তারা তাঁর পরিবর্তে উপাস্যরূপে অপরকে গ্রহণ করেছে যারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং ওরা নিজেরাই সৃষ্ট এবং ওরা নিজেদের ভালও করতে পারে না, মন্দ করতে পারে না এবং জীবন ও মৃত্যুরও তারা মালিক নয়। পুনরুত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না। (৪) কাফেররা বলে, 'এ মিথ্যা ব্যতীত কিছু্ই নয়; মোহাম্মদ এ উদ্ভাবন করেছেন এবং ভিন্ন কওমের লোক তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করেছে।' ওরা অবশ্যই সীমালংঘন করে ও মিথ্যা বলে। ৫) ওরা বলে, 'এগুলি তো সেকালের উপকথা, যা সে লিখে নিয়েছে; এগুলি সকাল-সন্ধ্যা তার নিকট পাঠ করা হয়। ৬) বল, 'এ তিনিই অবতীর্ণ করেছেন যিনি আকাশ ও পৃথিবীর সমুদয়' রহস্য জানেন। নিশ্চয়ই, তিনি ক্ষমতাশীল, পরম দয়ালু। (৭) ওরা বলে, 'এ কেমন রাসূল যে আহার করে এবং হাটে-বাজারে চলাফেরা করে; তার নিকট কেন কোন ফেরেশতা অবতীর্ণ করা হল না যে তার সঙ্গে সতর্ককারীরূপে থাকত?' (৮) 'তাকে ধনভান্ডার দেয়া হয় না কেন অথবা তার একটি বাগান নেই কেন যা হতে সে আহার করত?' জালিমরা আরও বলে, 'তোমরা এক যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ। (৯) দেখ, ওরা তোমাকে কি উপমা দেয়, ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং ওরা পথ পাবে না। (১০) কত মহান তিনি, যিনি ইচ্ছা করলে তোমাকে এ অপেক্ষা উৎকৃষ্ট বস্তু দিতে পারেন- উদ্যানসমুহ যার নিম্নদেশে নদীনালা প্রবাহিত এবং দিতে পারেন প্রাসাদ সমূহ। (১১) কিন্তু ওরা কিয়ামতকে মিথ্যা জানে এবং যারা কিয়ামতকে মিথ্যা জানে তাদের জন্য আমি অগ্নিশিখা প্রস্তুত রেখেছি। ১২) দূর হতে অগ্নি যখন ওদের দেখবে তখন ওরা এর ক্রুদ্ধ গর্জন ও চীৎকার শুনতে পাবে; (১৩) এবং যখন ওরা শৃঙ্খলিত অবস্থায় উহার সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষিপ্ত হবে তখন ওরা সেখানে মৃত্যু কামনা করবে। (১৪) (ওদের বলা হবে), 'আজ তোমরা একবারের জন্য মৃত্যুকে ডেকো না, বরং বহুবার মৃত্যু চাও।' (১৫) ওদের জিজ্ঞেসা কর, এটিই শ্রেয়, না স্থায়ী জান্নাত, যার ওয়াদা দেয়া হয়েছে সাবধানীদের? এটিই তো তাদের পুরষ্কার ও বাসস্থান। (১৬) সেখানে তারা যা কামনা করবে তাই পাবে এবং স্থায়ী হবে; এ প্রতিশ্রুতি পূরণ তোমার রবেরই দায়িত্ব। (১৭) এবং যেদিন তিনি অংশীবাদীদের একত্রিত করবেন এবং আল্লাহ ব্যতীত ওরা যাদের উপসনা করত তাদের একত্রিত করে বলবেন আমার এ দাসদের তোমরাই কি পথভ্রষ্ট করেছিলে না ওরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হয়েছিল। (১৮) ওরা বলবে, 'পবিত্র ও মহান তুমি! তোমার পরিবর্তে আমরা অন্যকে বন্ধরূপে গ্রহণ করতে পারি না; তুমিই তো এদের এবং এদের পিতৃপুরূষদের সম্পদ দিয়েছিলে; পরিনামে ওরা তোমায় ভুলে গিয়েছিল এবং এ এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিতে পরিনত হয়েছিলে। (১৯) (দেখ) আল্লাহ অংশীবাদীদের বলবেন 'তোমাদের উপাস্যরাই তোমাদের মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে। তাই তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারবে না, সাহায্যও পাবে না। কেহ সীমালংঘন করলে আমি তাকে মহাশাস্তির আস্বাদ করাবই।'(২০) তোমার পূর্বে আমি যে সব রাসূর প্রেরণ করেছি তারা সকলেই তো আহার করত ও হাটে-বাজারে চলাফেরা করত। হে মানুষ! আমি তোমাদের মধ্যে এককে অপরের জন্য পরীক্ষারূপ করেছি। তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে কি? তোমার রব সমস্ত কিছু দেখেন। (২১) যারা আমার সাক্ষাৎ আশা করে না তারা বলে, 'আমাদের কাছে ফেরেশতা আসে না কেন? বা আমরা আমাদের রবকে দেখিনা কেন? ওরা ওদের মনে অহঙ্কার রাখে এবং সীমালংঘন করে। (২২) যেদিন ওরা ফেরেশতাদের দেখবে সেদিন অপরাধীদের জন্য সুসংবাদ থাকবে না এবং ওরা বলবে, 'রক্ষা কর, রক্ষা কর'। (২৩) আমি ওদের কৃতকর্মগুলির বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলিকে সম্পূর্নরূপে নিষ্ফল করে দেব। (২৪) সেদিন জান্নাতবাসীদের বাসস্থান হবে উৎকৃষ্ট এবং বিশ্রামস্থল হবে মনোরম। (২৫) যেদিন আকাশ মেঘপুঞ্জসহ বিদীর্ণ হবে এবং ফেরেশতাদের নামিয়ে দেওয়া হবে- (২৬) সেদিন প্রকৃত কর্তৃত্ব হবে দয়াময়ের এবং অবিশ্বাসীদের জন্য সে দিন হবে কঠিন। (২৭) সীমালংঘনকারী সেদিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, 'হায়, আমি যদি রাসূলের সাথে সৎপথ অবলম্বন করতাম!" (২৮) 'হায়, দুর্ভোগ আমার, আমি যদি শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম!"(২৯) 'আমাকে অবশ্যই সে বিভ্রান্ত করেছিল আমার কাছে কোরআন পৌঁছানোর পর।' শয়তান তো মানুষকে বিপদকালে ধোকা দেয়। (৩০) এবং রাসূল বলেন, 'হে আমার রব! আমার কওম তো এ কোরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করে।' (৩১) (আল্লাহ বলেন), এভাবেই আমি পাপীদের প্রত্যেক নবীর শত্রু কিছিলাম। তোমর জন্য তোমার রবই পথ প্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট। (৩২) অবিশ্বাসীরা বলে কোরআন তার নিকট একেবারে অবতীর্ণ হল না কেন?' এ আমি তোমার কাছে এভাবেই অবতীর্ণ করেছি এবং ক্রমে ক্রমে অবতারণ করেছি তোমার হৃদয়কে শক্ত ও দৃঢ় করার জন্য। (৩৩) ওরা তোমার নিকট কোন সমস্যা উপস্থিত করলে আমি তোমাকে ওর সঠিক সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা দান করি। ৯৩৪) যাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায় একত্রিত করা হবে ও জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে, ওদেরই স্থান হবে অতি নিকৃষ্ট এবং ওরাই পথভ্রষ্ট। (৩৫) আমি অবশ্যই মুসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম এবং তার ভ্রাতা হারুণকে করেছিলাম তার সাহায্যকারী। (৩৬) এবং বলেছিলাম, 'তোমরা সে কওমের কাছে যাও যারা আমার আয়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে।' আমি সে কওমকে স্বমূলে ধ্বংস করেছিলাম। (৩৭) একং নূহের কওম ওদের রাসূলগণকে মিথ্যারোপ করলে আমি ওদের নিমজ্জিত করে মানুষের জন্য নিদর্শন বানালাম। জালিমদের জন্য আমি কঠিন শাস্তি প্রস্তুত রেখেছি। (৩৮) এবং আমি আ'দ, সামূদ, রসবাসী এবং ওদের মধ্যবর্তী বহু কওমকেও ধ্বংস করেছিলাম। (৩৯) আমি ওদের প্রত্যেককে দৃষ্টান্ত দ্বারা সতর্ক করেছিলাম, এবং প্রত্যেককেই সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম। (৪০) সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা তো সে বিধ্বস্ত জনপদ দিয়েই যাতায়াত করে তবে কি ওরা এ দেখে না? বস্তুত ওরা পুনরুত্থানের আশা করে না। (৪১) ওরা যখন তোমাকে দেখে তখন ওরা কেবল তোমাকে বিদ্রুপের পাত্ররূপে গণ্য করে এবং বলে, এ-কি সে, যাকে আল্লাহ রাসূল করে পাঠিয়েছেন?(৪২) সে তো আমাদের দেবতাগণ থেকে দূরে সরিয়েই দিত যদি না আমরা তাদের আনুগত্যে দৃঢ় থাকতাম।' যখন ওরা শাস্তি দেখবে তখন ওরা জানবে কে সর্বাধিক পথভ্রষ্ট। (৪৩) তুমি কি দেখ না তাকে যে তার কামনা-বাসনাকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে? তবুও কি তুমি তার কর্মবিধায়ক হবে? (৪৪) তুমি কি মনে কর যে, ওদের অধিকাংশ শোনে ও বোঝে? ওরা তো পশুরই; বরং ওরা আরও অধম। (৪৫) তুমি কি দেখ না কিভাবে তোমার রব ছায়া বিস্তার করেন? তিনি তো ইচ্ছা করলে একে স্থির রাখতে পারতেন; বরং তিনি সূর্যকে এর নির্দেশক করেছেন। (৪৬) অতঃপর তিনি একে ধীরে ধীরে গুটিয়ে আনেন। (৪৭) এবং তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে আবরণস্বরূপ করেছেন এবং বিশ্রামের জন্য তোমাদের দিয়েছেন নিদ্রা এবং কর্মের জন্য দিয়েছেন দিন। (৪৮) তিনিই স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহীরূপে বায়ু প্রেরণ করেন এবং আকাশ হতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করেন। (৪৯) এ দ্বারা মৃত ভূখন্ডকে সঞ্জীবিত করার জন্য এবং অসংখ্য জীবজন্তু ও মানুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য। (৫০) এবং আমি এ ওদের মধ্যে বিতরণ করি যাতে ওরা স্মরণ করে। কিন্তু অধিকাংশ লোক কেবল অকৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করে। (৫১) আমি চাইলে প্রতিটি জনপদে একজন সতর্ককারী পাঠাতে পারতাম। (৫২) তাই তুমি বিধর্মীদের আনুগত্য কর না এবং কোরআনের সাহায্যে ওদের সঙ্গে কঠোর সংগ্রাম কর। (৫৩) তিনিই দুটি সাগরকে প্রবাহিত করেছেন, একটির পানি মিষ্ট, সুপেয় এবং অপরটির পানি লোনা, বক্ষজ্বলনকারী, উভয়ের মধ্যে তিনি রেখে দিয়েছেন এক সীমারেখা, এ অনতিক্রম্য ব্যবধান। (৫৪) এবং তিনি মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন; পরে তিনি মানুষকে রক্তগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করেছেন। তোমার রব সর্বশক্তিমান। (৫৫) ওরা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর উপাসনা করে যা ওদের না উপকার না ক্ষতি করতে পারে। কাফেররা তো স্বীয় রবের বিরোধী। (৫৬) আমি তো তোমাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সকর্তকারীরূপেই পাঠিয়েছি। (৫৭) বল, 'আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না; কেবল এ-ই চাই প্রত্যেকে যেন স্বইচ্ছায় রবের পথ ধরে। (৫৮) তুমি তাঁর উপর নির্ভর কর যিনি চিরঞ্জীব, যার মৃত্যু নেই এবং তাঁর প্রশংসা পবিত্রতার সাথে ঘোষণা কর, তিনি তাঁর দাসদের পাপসমূহ জ্ঞাত। (৫৯) তিনি আকাশ মন্ডলী, পৃথিবী ও ওদের মধ্যবর্তী সব কিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেন; অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হন। তিনিই দয়াময়, তার সম্বন্ধে যে অবগত আছে তাকে জিজ্ঞেসা করে দেখ। (৬০) যখন বলা হয়, 'দয়াময়কে সিজদা কর।' তখন বলে, 'দয়াময় আবার কে?' তুমি কাকেও সিজদার নির্দেশ দিলেই কি তাকে সিজদা করব?' এতে ওদের বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়। (৬১) কত মহান যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং ওতে স্থাপন করেছেন সূর্য ও জ্যোতির্ময় চন্দ্র। (৬২) এবং যারা অনুসন্ধিৎসু ও কৃতজ্ঞচিত্ত তাদের জন্য রাত এবং দিনকে সৃষ্টি করেছেন পরস্পরের অনুগামীরূপে। (৬৩) তারাই দয়াময়ের দাস যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন অজ্ঞরা কথা বলতে আসে, তখন তারা বলে সালাম, ৬৪) এবং তারা রবের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে ও দাড়িয়ে থেকে রাত যাপন করে; (৬৫) এবং তারা বলে, 'হে আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি নিবৃত্ত কর; জাহান্নামের শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ'। (৬৬) আশ্রয়স্থল ও বসবাস হিসাবে তা কত নিকৃষ্ট! (৬৭) এবং যখন তারা ব্যয় করে তখন তারা অমিত্বব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তারা মধ্যবর্তী পন্থা অবলম্বন করে। (৬৮) এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এগুলি করে তারা শাস্তিভোগ করবে। (৬৯) কিয়ামতের দিন ওদের শাস্তি বর্ধিত হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (৭০) তারা নয়, যারা তওবা করে, বিশ্বাস করে ও সৎ কাজ করে। ফলতঃ আল্লাহ, পূণ্য দ্বারা ওদের পাপরাশি ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (৭১) যে ব্যক্তি তওবা করে ও সৎকাজ করে সে সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর অভিমূখী হয়। (৭২) যারা মিথ্যা সাক্ষ্যদেয় না এবং অসার কার্যকলাপের সম্মুখীন হলে স্বীয় মর্যাদা রক্ষার্থে তা পরিহার করে চলে। (৭৩) এবং যাদেরকে তাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ বোঝানো হলে তাতে অন্ধ এবং বধির সদৃশ আচরণ করে না। ৭৪) যারা প্রার্থনা করে, 'হে আমাদের প্রভূ! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর কর' এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর। (৭৫) তাদেরকে তাদের সবরের প্রতিদান স্বরূপ জান্নাত দেয়া হবে। সেখানে তাদের অভিবাদন ও সালাম সহকারে অভ্যর্থনা করা হবে। (৭৬) সেখানে তারা স্থায়ী থাকবে। আশ্রয়-স্থল ও বসতি হিসাবে তা কত উত্তম। (৭৭) বল, 'তোমরা আমার রবকে না ডাকলে তাঁর কিছু আসে যায় না। তোমরা মিথ্যা বলছ, ফলে অনিবার্য শাস্তি নেমে আসবে।"
খইকাঁটা বলেছেন:
১১ নভেম্বর ২০০৯ এ লেখা এ পোষ্ট। মন্তব্য পেয়েছেন ২০৬ টা। ১৫ আগস্ট ২০১১ শেষটা। ২৭ আগস্ট ২০১০ এর মন্তব্যটায় শেষবার লেখক মন্তব্য করেছেন।কতটা ভালো পোস্ট হলে এতগুলো মন্তব্য পাওয়া যায় ভাবেনতো। আমি নিশ্চিত আপনি যথেস্ট চিন্তা ভাবনা করে এগুলো লিখেছেন। আমার ধারনা আপনি যথেষ্ট পড়াশুনাও করেন। আপনার পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
গ্লাসের অর্ধেক খালি, গ্লাসের অর্ধেক ভরা, গ্লাসের অর্ধেক খালি ও অর্ধেক ভরা। এই তিন প্রকার উত্তর কোন প্রশ্নের তা মোটামুটি অনেকেরই জানা। লেখকও জানেন নিশ্চয়ই।
আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে আমি মাঝে মাঝে আপনার বিরক্তির কারন হতে চাই।
আমার পরিচয় হিসাবে বলার কিছু নাই। আপাতত এটুকু বলি। 'আপনার চিন্তার সাথে একমত' এ ঘোষনা দেয়ার জন্য আমি অপেক্ষা করছি অনেকগুলো দিন। কিন্তু সাহস করতে পারিনাই। কারন এত ভাল ভাল যুক্তি আমার জানা নাই। আমি যখনই যুক্তি খাড়া করি তথাকথিত ছাগুগণ আমাকে বিভ্রান্ত করে ফেলে। তারা আমার সামনে এমন সব যু্ক্তি খাড়া করে যে আমি কাত হয়ে যাই। তাই যদি আমি আপনার কোন মেইল এড্রেস পাই তাহলে মাঝে মধ্যে আপনার কাছ থেকে বুদ্ধি ধার করব।
আমার মেইল আইডি
ধন্যবাদ, অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করব।
মাহবুব মাসুম বলেছেন:
এরকম কিছু প্রশ্ন নিয়ে ২০০৭ এ সামুতে হাজির হয়েছিলাম,View this link তখন সামুর ব্লগাররা আরো উগ্র সাম্প্রদায়িক এবং অসহিষ্ণু ছিল। অবশ্য প্রশ্নগুলো নাস্তিক্য নিয়ে ছিল না। ছিল কিছু বিষয়ের অস্পষ্ট বা মোল্লাতান্ত্রিক ব্যখ্যা নিয়ে। এই পোস্টের মন্তব্য পড়ে তুলনা করলাম সেই সময়ের । এখন অনেক যৌক্তিক এবং সহনশীল মন্তব্য হচ্ছে বলে আমার মনে হয়েছে। ব্যক্তিগত আমি মনে করি, প্রশ্নহীন মানুষ অসম্পূর্ণ । তাই প্রশ্ন চলতে থাকুক। যারা উত্তর দিতে ভয় পান, বা ভয় পান প্রশ্নের মুখোমুখী হতে তারা দয়া করে এসব জায়গা দূষিত করবেন না। আর, কোরানের আয়াত দিয়ে মহাবিশ্ব নিয়ে বিজ্ঞানের গবেষণার যাথার্থ যাচাই করার মত অযোক্তিক কাজ করবেন না।
মহম্মদ মহসীন বলেছেন:
নাগরিক এই অনবদ্য সুন্দর লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নগুলি শুধুই কি একান্ত আপনার? আমার তো মনে হয় এই মৌলিক প্রশ্নগুলো আমাদের অনেকেরই।যাই হোক জ্ঞানীরা কি বলেন সেটাই দেখার আশায় রইলাম।
শরিফুল ইসলাম সীমান বলেছেন:
লেখক নিজেই বলেছেন: তবে ধর্ম সংক্রান্ত যে কোন আলোচনা আমি সর্বদা শান্তিপূর্ণ উপায়ে এড়িয়ে চলি। কারণ মানুষের বিশ্বাস বদলানো খুব কঠিন কাজ।" সুতরাং আপনি যদি অলরেডী বিশ্বাস করেই ফেলেন যে সৃষ্টিকর্তা নেই তবে, আমি আপনাকে এড়িয়েই চলার চেষ্টা করবো, তবে বিতর্কের খাতিরে নয় জানার জন্য আলোচনা করলে, আপনার বিশ্বাস বদলাতে বাধ্য।
আমার বয়সও কম মগজও কম, সুতরাং সোজা কথায় উত্তর গুলো দিই..
১। না আপনি ধার্মিক নন্। কারন আপনি ধর্ম পালন করেন না।
**** সৃষ্টিকর্তা তার রচিত এক বিধানকে পরবর্তিতে আরেক বিধান দিয়ে বাতিল করেছেন। কিন্তু কেন? তিনি কি চিরকালীন/সার্বজনীন কোন বিধান রচনা করতে পারতেন না?
২। সৃষ্টিকর্তা কখনোই তার বিধান কে বাতিল করেননি, বাতিল করেছে ওই সময়ের সুবিধাভোগী ধর্মাবতার রা, যারা আদতে কখনোই ধার্মিক ছিলেন না, কিন্তু ধর্মের সুবিধাভোগের বেলায় আগে ছিলেন, তারা নিজেদের জন্য অসুবিধাজনক নিয়মকানুন গুলো পরিবর্তন করে নিজেরাই ওই স্থানে সংশোধন করেছেন। যা কোরআনের বেলায় কখনোই সম্ভব না। এক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টে দায়েরকৃত মামলায় সূরা বাক্বারা সহ আরো কয়েকটি সূরার আয়াত নিষিদ্ধ করার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ তাঁর ওয়াদা অনুযায়ী কোরআনে কোন পরিবর্তন হতে দেননি।
এ ব্যাপারে বেশি কথা নয়, আল্লাহর চ্যালেঞ্জ টাই শুনেন, তিনি সমগ্র সন্দেহপ্রবণ মানবজাতির প্রতি চ্যলেঞ্জ দিয়েছেন কোরআনের একটি সূরার মত করে, সূরা বানিয়ে দেখান।
"এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।"
জানি পারবেন না, যদি না পারেন তাহলে বিশ্বাস পরিবর্তন করুন দয়া করে। আর পবিত্র কোরআনে সমস্ত মানবজাতির জন্য কল্যাণকর বিধান দেওয়া হয়েছে। সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি হতে শুরু করে মানবজীবনের দোলনা হতে কবর। শুধু জানার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আমি আপনাকে ডাঃ জাকির নায়েক এর বই ও লেকচার গুলো পড়ার ও দেখার অনুরোধ করব।
আর বেশি কিছু না... খালি এইটা ভাবেন এত সুন্দর নিয়তান্ত্রিকভাবে পৃথীবিসহ পুরো বিশ্বব্রক্ষান্ধ আবর্তিত হচ্ছে। এগুলো কি এমনি এমনি হইছে???? আরে ভাই ছোট একটা সফটওয়্যার বানাইতে ও তো একজন সফট ইঞ্জিনিয়ার এর দরকার আছে। আর আপ্নে কইতে চান এই বিশাল দুনিয়া টা এম্নি ই তৈরি হয়া গেছে,......
যাই হোক... জানার চেষ্টা করলেই জানবেন, খালি ব্লগে পোষ্ট দিলেই হইবো না... হাততালি দেওয়ার লোক অনেক ই আছে, .... কিন্তু কাজের বেলায় কাউরে পাবেন না..
ইমরান খান সবুজ বলেছেন:
বাল
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















সোজা প্রিয়তে...