somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গত দেড় বছরের চিন্তা ও আপডেট :

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি রেগুলার মোটামুটি ভাবে সবার আগেই অফিস এ আসি।
আমার আইটি সি-টি-ও, সেও খুব সকাল সকাল অফিস এ আসে, তবে বেশীর ভাগ সময় আমার আসার ঠিক একটু পরেই আসে।
অফিসে এসে আমার নিত্তদিনের প্রথম কাজ হলো অফিস মেইল, নিজের জি-মেইল চেক করে ১-২ ঘন্টা প্রথম-আলো পেপার পড়া।
আমার অফিসে এসেই পেপার পড়া দেখে সে ভাবে আমি হয়ত কোন প্রার্থনা পড়ি,সে তো আমার ভাষা বুঝে না,মাঝে মাঝে জিজ্ঞেসও করে প্রার্থনা কিনা!



এরপর যখন লিংকডইন এ রেজিষ্টার করলাম,শুরুতে তখন সারা দিন কামের বারোটা বাজাইয়া চিন্তা করতাম
কিভাবে নেটওয়ার্ক বাড়ানো যায়, সারাদিনে চোদ্দবার সাইটে ঢুকতাম , এটা সেটা করতাম। কিছু দিনের
মধ্যে সেই ভুত গেলো...গা !যদিও প্রফেসনালদের জণ্য ওটাই সবথেকে ভাল ও উপকারী নেটওয়ার্ক সাইট।

তারপর লাগলাম টেকনিকাল আর্টিকেল লেখার পিছনে। সারাদিন অফিসে বসে কাজের ফাকে আর্টিকেল লেখা, পষ্টও
করলাম কোন এক পপুলার সাইটে। প্রথম আর্টিকেলটা রিতিমতো সেই মাসের বেস্ট আর্টিকেল হিসাবে সীকৃতও হইল। দুই মাসের
মধ্যে আর্টিকেল লেখার ভুত মাথার থেকে গেল গা! কারন এর জন্য চিন্তা ও সময়ের দরকার হয়।
যদিও ভাবছিলাম এটা কনটিনিউ করবো, কিন্তু আর হয়না। এচ্ছা আছে শুধু এটাকেই ঠিকমত কনটিনিউ করার।

তারপর লাগলাম ফেসবুকের পিছনে, হলাম রেজিষ্টার, শুরুতেই ২০০ নাম না জানা, না চেনা ছেলে মেয়েকে
ফেরেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠালাম, কেউ কেউ একসেপ্ট করলো আবার কেউ কেউ করলো না, তবে যারা একসেপ্ট
করল তারা সবাই, পাবলিকের জন্য নিবেদিত বন্ধু বলে মনে হলো, তার কারন তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে সংখা ৫০০ - ২০০০
বা তারও বেশী দেখলাম। এরপর, কয়েকমাস পরে শুধু কয়েক জনকে ছারা তাদের সবাই কে আবার ডিলিট করলাম!

সেই ফেসবুকেও একই অবস্থা, সারাদিনে অফিসে বসে চৌদ্দবার লগইন করা, এটা সেটা দেখা, কমেন্ট করা ইত্যাদি।
যদিও এদানিং ভাবছি এটারও কনট্রল দরকার,এটাও সাভাবিক চিন্তা ও কাজকর্মে ব্যঘাত ঘটায়।

এরপর লাগলাম গুগোল ব্লগার এর পিছনে, আবার রেজিষ্টার, কিছু লেখার চেষ্টা, যদিও এখানে আমার ঘুরাঘুরি টা
খুবই কম। তবুও মাঝে মাঝে লেখার চেষ্টা করি।

তবে আরও অনেক সামাজিক সাইট ও ভিন্ন সাইটেও রেজিষ্টার করেছি ও করা আছে, সেগুলাতে খুবই রেয়ার ঢু মারি।

এরপর লাগলাম সামহোয়ারআউট(ইন) এর পিছনে। গত কয়েকদিন ধরে টানা এর পিছনে আছি। সারাদিন ধরে
অনেক সময় কাজের বারোটা বাজাইয়া, কাজের মাঝে ১০০ বার ব্লগ পড়া, লেখার চেষ্টা, কমেন্ট দেখা, জবাব দেয়া ইত্যাদি।
যদিও সবসময় নির্ধারিত কাজ আগেই শেষ করে কিংবা না থাকলেই এগুলা করি, কাজের প্রাধান্যটায় বেশী এবং আগে।
বস ও কলিগ রা কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞ্যেস করে, জাকির- এটা কি, ওটা কি, কোন ভাষা, ইত্যাদি !
আমিও তাদের কে বোঝাবার চেষ্টা করি সবসময় সবকিছু। তবে বুঝতে পারছি এটাও আমার আসল কন্সেনট্রেশানে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
তাই ভাবছি মাঝে মাঝে শুধু কিছু ভাবণা, চিন্তা, অনুভুতি ও অভিজ্ঞতা লিখে রাখব।
কারও কমেন্ট পাবার আশাই নয়, শুধু সংরক্ষনের জন্যে।
তবে সামুতে একটা ব্যাপার খুবই প্রসংসনীয়, কিছু ব্লগার এমন কিছু তথ্যভিত্তিক পষ্ট দেয় যাহা অন্নসবার জানা ও জ্ঞ্যান বিদ্ধিতে
যথেষ্ট সহায়ক।



তবে এটা আমার মনে হয়েছে যে, যারা কর্মের মধ্যে থাকে, এগুলা তাদের প্রডাক্টিভিটি বাধা গ্রস্থ্য করে।
আমার মতে, সবার ক্ষেত্রেই এটাই হওয়া সাভাবিক। যদিও চিন্তাশিল কর্মের মাঝে বিনোদনের খুবই দরকার রয়েছে।
তবে কাজের মাঝে রিলাক্স বা বিনোদন নিতে গিয়ে বাড়াবারি রকমের ভিন্ন কাজে সময় ব্যয় বা
ভিন্ন কাজে মস্তিষ্ক কে বিজি রাখা অনেকটা দায়িত্তের প্রতি অবহেলা বা নিজের প্রডাক্টিভিটির অবনতির শামিল।
তবে সামাজিক সাইট গুলো শুধুই বিনোদন না, আরও অনেক কল্যানকর কাজেও লাগে। তবে আমরা কেউ কেউ
এর পিছনে অনেক মুল্যবান সময়ও ব্যায় করি অকারনে, কেনণা এগুলার জন্য অনেক সময়ের দরকার হয়।
যার কারনে অনেক সময়, আমাদের ভিন্ন কোন ভাল কাজের চিন্তা করা বা কল্যানকর কাজ করারও সময় থাকে না!

ভাল কাজত দিনরাত ব্লগের পাতার ব্লগ লিখে সম্ভব না...! :)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×