আমার প্রিয় পোস্ট

আমি জবাব দিতে এসেছি, যারা জবাব চায়, তবে অবান্থর নয়।

"হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

মূল লেখাটির লিংক আমি নিচে দিয়েছি।

আমি এই লেখাটির জবাব দুই পর্বে দেব। একটি মূল লেখার আরেকটি লেখার উপর কমেন্টের।

আজকে প্রথম পর্ব।

ইসলাম একটি স্বতন্ত্র ধর্ম এ বিযয়ে কোন সন্দেহ নেই এবং কোন সময়ে ছিল না। ইসলাম কোন পুরনো নীতি দর্শনের ফুলঝুড়ি ছিলনা । এবং সে রকম কিছু হ্ওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছিলেন শুধু একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য আর তাহল "একজন শেষ নবী আসবেন, তার নাম মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার প্রচারিত ধর্ম ইসলাম"। এবং সব নবীই তার উম্মতদের একথা প্রচার করেছিলেন।

Earnet Renan এর যে উদ্বৃতি উক্ত লেখাটিতে দেয়া হল সেখানে একটি কথা "ইতিহাসের আলোময় আবির্ভাব" এর কথা বলা হয়েছে। সত্যিই এটা ইতিহাসের আলোময় আবির্ভাব। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে আল্লাহ পাক অনেক আগে সৃষ্টি করে রেখেছিলেন এবং তিনি এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছে মাত্র। শুধু উনি আসবেন বলে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করে রেখেছিলেন।

দাস প্রথার কথাটিতে ইসলামের ব্যাখ্যাটা আপনার জানা নাই। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) প্রথম হযরত আনাস (রঃ) কে আজাদ করে দিয়েছিলেন। ইসলামেই দাসকে মুক্ত করে দেওয়ার ব্যাপারে প্রথম নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৬৩২ খ্রিস্টাব্দে নবীর ওফাতের ১২০ বছর পর তার জীবনী লিখা হয় এই তথ্যটি কোথা থেকে পেলেন উল্লেখ নাই। এবং তাও আবার হারিয়ে গেল। আবার লিখা হল। এত তথ্য আপনার কোত্থেকে জানা, সত্যিই আজিব!

এবার কোরানের কথায় আসি। ডঃ মরিস বুকাইলির "বাইবেল, কোরআন এবং বিজ্ঞান" এ বিষয়ে আধুনিক এবং ইসলাম না জানাদের জন্য পড়া বাঞ্চনীয়। এখানে কোরআনের ১৫০০ বছর আগের তথ্যগুলো কিভাবে এখন বিজ্ঞান প্রমাণ করছে তা জানা যাবে। কোরান সংকলন করার সময় যে বিভ্রান্তির কথা বলা হচ্ছে তার উত্তরে বলি কোরান যখন নাজিল হতো সেখানে তা আর একজন, দুইজন থাকত তো না অনেক সাহাবী থাকতো। তখন নাজিল হ্ওয়ার পরে নবী (সঃ) সবাইকে তা পড়ে শুনাতেন। এবং মুখস্থ করার জন্য বলতেন। আবার একজন সাহাবী উপস্থিত থাকলে ও তাকে মুখস্থ করে অন্যকে বলার জন্য বলতেন। আবার কেউ উপস্থিত না থাকলে ও তিনি এসে সাহাবীদের বলতেন এবং তা মুখস্থ করতে বলতেন। এভাবে অনেক কোরানে হাফেজ তখন ছিল। কোরান যখন লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে তখন এসব কোরানে হাফেজকে একত্র করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন পড়ে। এবং সেটা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। এতে ভ্রান্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

এক্ষেত্রে জার্মান এক ডাক্তারের কথা বলি, তিনি বলেন "আমি কোরানের সে আয়াত পড়ে সত্যিই অবাক হয়েছি কোরান কিভাবে ১৫০০ বছর আগে যে তত্ত্ব কথা বলেছিল আজ কিভাবে তা সত্যি হচেছ নিশ্চয়ই কোরান একটি সর্বশ্রেষ্ট এবং আসমানী গ্রন্থ।" সে আয়তটি হল "আমি তোমাদরে জন্মের অনেক আগেই তোমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছি।" এবং আমি দেখলাম শিশু তার মায়ের গর্ভে আসার সময় তার পিতার শুক্রাণু এবং মাতার ডিম্বাণুর নিষিক্ত হয়। এবং পিতা মাতার যে শারীরিক গঠন, যে অসুখ বিসুখ সবই সন্তানের নিষিক্ত হওয়ার সময়ই তার পিতা মাতার উপর নির্ভর করে নির্ধারণ হয়ে যায়। কোরআন কোন এলোমেলো এবং জনরবের উপর প্রতিষ্ঠিত নয় এর জন্য এই একটি কথা আপতত লিখলাম।

নবী (সঃ) যে সব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাতে কোন সময়ে ও তিনি শত্রু পক্ষকে আক্রমণ করেনি। এরকম কোন প্রমাণ নেই। তাই নবী যুদ্ধবাজ নেতা ছিলেন না।

নবী (সঃ) রাজনীতিবিদ ছিলেন এটা সত্যি কথা। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মানুষের যেমন একটি অংগ না থাকলে তা পঙ্গু। তেমনি ইসলামে ও মানুষের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু্ই আছে। না হলে ইসলাম পঙ্গু হিসেবে থেকে যেত। মানুষের জীবনে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি যা প্রয়োজন সবই ইসলাম ধর্মে রয়েছে। তাই নবী (সঃ) একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ ছিলেন।

এবার হাদিস সম্পর্কে বলি। হাদীস সংগ্রহ বিষয়ে বুখারি ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এবং সেখান থেকে বিশ লক্ষ সাক্ষ্য ধ্বংস করেন। প্রথমে একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। একদল হাদীস সংগ্রাহক হাদীস সংগ্রহ করতে গেলেন। যে ব্যক্তিটির কাছে হাদীস আছে বলে তারা শুনেছিলেন তার কাছে যখন পৌছল তখন ব্যক্তিটি তার মেষপাল নিয়ে মাঠে বসে আছেন। এবং দেখতে পেলেন একটা মেষের মুখের কাছে একটি গাছের ডাল একবার ধরছে এবং মুখের কাছাকাছি গেলে আবার টেনে নিয়ে নিচ্ছে। এরকম তিনি কয়েকবার করলেন। তখন হাদিস সংগ্রহকারী দল তার কাছ থেকে হাদীস সংগ্রহ না করে চলে এলেন। তাদের কথা ছিল "যে ব্যক্তিটি তার প্রাণীর সাথে এরকম তামাশা করছে সে হাদীস বলার সময় ও কিছু রং মিশ্রিত করে বলতে পারে, অথবা কিছু বাদ দিয়ে ও বলতে পারে সুতরাং তার কাছে থেকে হাদীস সংগ্রহ করা যাবে না। হাদীস এবং কোরান সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে শুধু নবী (সঃ) এর কথা বললেই সংগ্রহ করা হতো না বরংচ দেখা হতো তার ব্যক্তি জীবন, সামাজিক জীবন, পারিবারিক জীবন এসব ক্ষেত্রে উতরাতে পারলে তবে তারা কাছ থেকে হাদীস এবং কোরানের বাণী সংগ্রহ করা হতো। একটি হাদীস এবং একটি কোরানের বাণী শত শত এমনকি হাজার হাজার সাহাবীর জানা ছিল। তাই হাদীস এবং কোরাণের বাণী সংগ্রহ করার সময় একই হাদীস এবং কোরানের আয়াত বারবার পাওয়া যেত। তাই বুখারী যখন হাদীস সংগ্রহ করেন তখন ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ করলে ও ব্যক্তি জীবনের, সমাজ জীবনের এবং পারিবারিক জীবনে যাদোর সামান্যতম ও বিচু্যতি দেখা গেছে তাদের মুখে বলা বানী বাদ দেওয়া হয়েছে।

নবী (সঃ) মৃগীরোগী ছিলেন কিনা সে বিষয়ে বলি।

হযরত মূসা (আঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে গেলেন তখন আল্লাহ তার সাথে কথা বলতেন কিন্তু সাক্ষাত করতেন না।
মূসা (আঃ) যখন বললেন তাকে দেখা দেওয়ার জন্য তখন সামন্যতম আলো দেখে মূছা (আঃ) মূর্ছা গেলেন, তুর পাহাড় পুড়ে গেলো।

আর হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর যখন কোরআন নাজিল হতো তখন তার সর্বাঙ্গ কাঁপতে থাকতো, ঠাণ্ডা দিনেও তার শরীর দিয়ে ঘাম ছুটত। কারন কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে এই ঐশ্বরীক বাণী বহন করা সম্ভব নয়। একমাত্র হযরত মুহাম্মদ (সঃ) দ্বারাই এটা সম্ভব।

একদিন ওহী নাজিল হচ্ছিল তখন তিনি গাধা/ঘোড়ার উপর উপবিষ্ট ছিলেন। গাধা/ঘোড়াটি পেট মাটির সাথে লেগে যেতে লাগল। তখন সাহাবীরা বলল এ কি হচ্ছে। তখন এক সাহাবি বুঝতে পারলেন কোরান নাযিল হচ্ছে, তখন সাহাবিটি বললেন, "কোরান নাযিল হচ্ছে, তোমরা চুপ থাক"।

এই মহাগ্রন্থ যার উপর নাজিল হয়েছে তার এত কষ্ট হতো তবুও হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উম্মতরা সত্যিই সৌভাগ্যবান যে নবীর (সঃ) এত কষ্টের পর মুসলমানার সত্য ধর্ম ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে পেয়েছেন।


Click This Link


 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৪৫৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কোন মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছেন?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: দুর্ভাগ্য আমার। কোন মাদ্রাসায় পড়ার সুযোগ হয়নি।

২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কোন মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছেন?
৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
comment by: সিটিজি৪বিডি বলেছেন: অনেকদিন পর আসলেন। কেন চলে গিয়েছেন? কাদের উপর রাগ করেছিলেন? আশাকরি নিয়মিত লিখে ................
৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
comment by: পথ হারা পথিক বলেছেন:
৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
comment by: অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: যেই লুক বাচ্চা মাইয়া কে বিয়া করে ৫১ বছর বয়সে আবার মরার পরে কবরে গিয়া ৭০ হাজার হুরের সাথে থাকার কথা ভাবে তার চেলা রে কইষা মাইনাচ

৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
ফালতু রেপা...
মাইনাচ্...
৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
comment by: বিবিধ বলেছেন: প্লাস। + + + + +
৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
comment by: এমিল বলেছেন: বাপধন কোরান কম্পাইল করা হইসে তোমগো নবীর মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর।আর তাতে জের জবর পেশ লাগানি হইসে আরো পরে।তইলে তোমগো কোরান কেমনে প্রামান্য গ্রন্থ হয়?
তার পরেও তোম্গো কোরানের কুনো রেপরেন্স নাই
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আন্দাজে আপিন কথা বলতেই পারেন কেউ নিষেধ করবে না।

তবে কোরানের অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জের যবর ছাড়া ও কোরান শরীফ পড়া যায়। যাতে অর্থের কোন পরিবর্তন হয়না।

কোরানের রেফারেন্সের জন্য ম্ওলানাদের কাছে আপনার যেতে মন না চাইলে ও বিভিন্ন মহামনীষীর কাছে যেতে পারেন যারা মুসলিম নয়।

৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: --
আপনেরা আছেন বইলাই তো ধর্ম বাইচ্যা আছে।
১০. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কোন মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছেন?
১১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
comment by: ডালটন বলেছেন: ভাল। তবে আরও ইনফরমেটিভ হওয়া দরকার। অন্য ধর্মের মনিষীরা ইসলাম সম্পর্কে কি বলছেন কোট করলে ভাল হয়।

আরেকটা কথা- যুক্তি দিয়ে এসব কাউকে বোঝান কঠিন।
১২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
comment by: ভুডুল বলেছেন: +
১৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪
comment by: কাল্পনিক বলেছেন: ভালো লেগেছে।

যারা এর বিরোধিতা করছে, তাদের বলছিঃ আজেবাজে কথা না বলে, যুক্তি সহকারে উপস্থাপন করুন, মেনে নেবো।
১৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৯
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ধন্যবাদ কাল্পনিক - যাক অন্তত একজন তো পাওয়া গেল যে যুক্তি মানবে।

তো আসেন শুরু করা যাক, এই পোষ্টের বক্তব্যই আগে খন্ডন করি।
১৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৫
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ইসলাম একটি স্বতন্ত্র ধর্ম এ বিযয়ে কোন সন্দেহ নেই এবং কোন সময়ে ছিল না। ইসলাম কোন পুরনো নীতি দর্শনের ফুলঝুড়ি ছিলনা । এবং সে রকম কিছু হ্ওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

এই বক্তব্যে যুক্তি কোথায়? ইসলাম পরিষ্কারভাবেই ইহুদি আর খ্রীষ্ট ধর্মের মিথের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে...কোরানের বেশিরভাগ গল্প-কাহিনীই হয় খ্রীষ্ট বাইবেল নয় ইহুদী বাইবেল থেকে ধার করা। আদম-হাওয়ার গল্প, শয়তান, মূসা, ফেরাউন, কুমারী মাতার গর্ভে ঈসার জন্ম, ক্রুশেবিদ্ধ মৃত্যু (কিংবা আকাশে উত্থান), নূহের নৌকা, মহাপ্লাবন - এরকম অসংখ্য কেচ্ছা দুই বাইবেল থেকে নেয়া হয়েছে।

সিদ্ধান্তঃ পোষ্টের প্রথম প্যারা যুক্তিহীন গলাবাজি।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: আমি লেখাটিতে তা বলেছি,

"আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছিলেন শুধু একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য আর তাহল "একজন শেষ নবী আসবেন, তার নাম মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার প্রচারিত ধর্ম ইসলাম"। এবং সব নবীই তার উম্মতদের একথা প্রচার করেছিলেন।"

সুতরাং তাদের কাহিনী তো সেখানে থাকবে।

১৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৬
comment by: হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: কোন মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছেন?
১৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছিলেন শুধু একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য আর তাহল "একজন শেষ নবী আসবেন, তার নাম মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার প্রচারিত ধর্ম ইসলাম"। এবং সব নবীই তার উম্মতদের একথা প্রচার করেছিলেন।


তাহলে আদমকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি ছিল? মুহাম্মাদের একদিন জন্ম হবে বলে? কোন ভরসায় এই কৌতুককে যুক্তি বলে ভ্রম করছেন? এই বক্তব্য সাপোর্ট করার জাস্ট মত একটা রেফারেন্স দেবেন?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: কোরান হচ্ছে আল্লাহর ডাইরেক্ট অর্ডার, হাদীস হচ্ছে ইনডাইরেক্ট অর্ডার। সুতরাং আপনি বুঝলে ো মানা লাগবে না বুঝলে ো মানা লাগবে। মানুষের চিন্তার যেখানে শেষ আল্লাহর চিন্তা সেখান থেকে শুরু।

১৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: এমিল বলেছেন: ইসলাম ধর্মের প্রধান কাজ গুলো পেইগান ধর্মথেকে নেয়া।
১৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৫
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

ভাইরে, আপ্নে শাক দিয়া শাক সাজালে শাকই দেখা যাবে! ধর্ম দিয়ে ধর্মরে জাস্টিফাই করছেন - হাস্যকর নয়? যৌক্তিক আলোচনায় আলোচকদের চৈন্তিক যোগ্যতায় একটা সামঞ্জস্য থাকতে হয়। দয়া করে আমাকে ভাবতে বাধ্য করবেন না আপনি সেই সামঞ্জস্যের মাপে ঠিক যান না...!
২০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

মানুষের চিন্তার যেখানে শেষ, আল্লাহর চিন্তা সেখানে শুরু!

এর পক্ষে যুক্তি কি?
২১. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৯
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটিতে তা বলেছি,

"আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছিলেন শুধু একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য আর তাহল "একজন শেষ নবী আসবেন, তার নাম মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার প্রচারিত ধর্ম ইসলাম"। এবং সব নবীই তার উম্মতদের একথা প্রচার করেছিলেন।"

সুতরাং তাদের কাহিনী তো সেখানে থাকবে।


একজন নবীর নাম বলুন (অবশ্যই প্রমাণ সহ) যিনি বলে গেছেন যে মুহাম্মাদ নামের একজন নবী আসবেন যিনি হবেন শেষ নবী।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: হযরত ঈসা (আঃ)।

২২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০০
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

ভেরী ইন্টারেস্টিং...!
কোথায় বলেছে? কোন বুক অব রিভিলিশনে? সূত্র দেন দয়া করে,
২৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৬
comment by: নিবেদক বলেছেন: আবালiiuc
২৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন:

iiuc নামক আবাল মাদরাসাই কি এচব বাল ছালই শিকাই!
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: iiuc মাদ্রাসা এটা কোথায় পাইলেন?

আর মানুষের ব্যবহারই নাকি বংশের পরিচয়। আপনার ভাষাতেই আপনার বংশের পরিচয়টা জানিয়ে দিলেন বলে ধন্যবাদ।

২৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
comment by: অচন্দ্রচেতন বলেছেন: এ প্রসঙ্গে লিংকের চতুর্থ অধ্যায়ে অভিজিৎ 'এর **বিজ্ঞানময় কিতাব** প্রবন্ধটা পড়ার অনুরোধ করছি। ভিন্নমত জানতে আপত্তি নেই তো?

Click This Link
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: না, ভিন্নমত জানতে আপত্তি নেই। আপনার লিংকের লেখাগুলো আগে পড়ে দেখি।

 

 


েলইটার
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৭২৮৫