somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতবর্ষে মুসলমানদের চেপে রাখা ইতিহাস !! - ২ --সভ্যতা ও বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান

১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আর্যদের বর্হিভারত থেকে আগমণের তথ্যঃ "আর্যদের সম্বন্ধে ব্যাবিলনীয় ও এশিয়া-মাইনরের প্রাচীন ভাষায় লেখা যেসব বিবরণ পাওয়া গেছে তাই এ বিষয়ে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উল্লেখ । এই উল্লেখ হতে অনুমান হয় যে উত্তর হতে ককেশাস পর্বত পার হয়ে, অথবা উত্তর-গ্রিসে মেসিডন ও থ্রেস প্রদেশ হয়ে, কৃষ্ঞসাগরের দক্ষিণে উত্তর এশিয়া-মাইনরের পথ ধরে মেসোপটেমিয়া ও এশিয়া মাইনর অন্চলে আর্যদের আগমণ ঘটে ।" [বিনয়ঘোষ, ভারতজনের ইতিহাস, পৃষ্ঠা-৭০]

"কেউ কেউ মধ্য এশিয়ার বদলে পূর্ব ইউরোপকে আর্যদের আদি বাসকেন্দ্র বলেন । " [দ্রষ্টব্য ঐ লেখকের ঐ গ্রন্হ ]

আর্য এবং মুসলমান জাতি যাঁরা নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষায় ভারতে এসেছেন, এখানে বাস করছেন, উন্নতি অবনতির শেষ ফল অর্থাৎ স্হাবর-অস্হাবর, সম্পদ-সম্পত্তি, সন্তান-সন্ততি ভারতেই রেখে শ্মশান কিংবা কবরের মাটিতে নিজেদের মিশিয়ে দিতে চেয়েছেন তাঁরাই স্বদেশী । আর ইংরেজ, তাঁরাও এসেছিলেন ভাগ্য পরীক্ষা করতেই । তারা বণিকের বেশে তুলদন্ড রাজদন্ডে পরিণত করে ভারত দখল করে ভারতের সম্পদ, শস্য , অর্থ যতটা সম্ভব নিংরে নিয়ে চলে গেছেন নিজের দেশে । তারা ব্রিটেনকে করেছেন অধিকতর সমৃদ্ধশালী । অতএব তারা বিদেশী হলেও কোনক্রমেই মুসলমান ও আর্যজাতি বিদেশী নয় ।

ইসলাম সম্পর্কে মনীষীদের মতামতঃ ভারত তথা পৃথিবী খ্যাতনামা মনীষীরা ইসলাম সম্বন্ধে সু-ধারণা পোষণ করতেন । এখানে অল্প কয়েকজনের মতামত তুলে ধরা হলোঃ

১.
"প্রতীচ্য যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত, প্রাচ্যের আকাশে তখন উদিত হলো এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং আর্ত পৃথিবীকে তা' দিল আলো ও স্বাস্তি । ইসলাম একটি মিথ্যা ধর্ম নয় । শ্রদ্ধার সঙ্গে হিন্দুরা অধ্যয়ন করুক তাহলে আমার মতোই তারা একে ভালোবাসবে " মাহাত্না গান্ধী ।

২. শ্রী জওহরলাল নেহেরু বলেন- " হযরত মুহাম্মদের প্রচারিত ধর্ম, এর সততা, সরলতা, ন্যায়নিষ্ঠা এবং বৈপ্লবিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্হা, সমতা ও ন্যায়নীতি পার্শ্ববর্তী রাজ্যের লোকদের অনুপ্রাণিত করে । কারণ , ঐ সমস্ত রাজ্যের জনসাধারণ দীর্ঘদিন যাবৎ একদিকে শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নিপীড়িত, শোষিত ও নির্যাতিত হচ্ছিল; অপরদিকে ধর্মীয় ব্যাপারে নির্যাতিত - নিস্পেষিত হচ্ছিল পোপদের হাতে ।...তাদের কাছে এ [ইসলাম] নতুন ব্যবস্হা ছিল মুক্তির দিশারী ।"

৩.
মি. জি.সি ওয়েলস বলেছেন-
'আরবদের ভেতর দিয়েই মানব জগৎ তার আলোক ও শক্তি সন্চয় করেছে । ...ল্যাটিন জাতির ভেতর দিয়ে নয় ।'

৪. মেজর আর্থার গ্লিন লিরওয়ার্ড বলেন- ' আরববাসীদের উচ্চশিক্ষা সভ্যতা ও মানসিক উৎকর্ষ এবং তাদের উচ্চশিক্ষার প্রণালি প্রবর্তিত না হলে ইউরোপ অদ্যাবধি অজ্ঞনতার অন্ধকারে নিমগ্ন থাকতো । বিজেতার ওপর সদ্ব্যবহার ও উদারতা তারা যে প্রকার প্রদর্শণ করেছিলেন তা প্রকৃতই চিত্তাকর্ষক ।"

৫. পরিব্রাজক ব্যারিষ্টার চন্দ্রশেখর সেন লিখেছেন- "কেবল মাত্র ষোল বছরের বালক হযরত আলীকে ও বিবি খাদীজাকে সাথে করে যিনি সংসারে সনাতন ধর্মপ্রচার করতে সাহসী ও প্রবৃত্ত হন এবং সে প্রচারের ফলে সহস্রাধিকবর্ষ পৃথিবীর অর্ধেক স্হান ব্যাপিয়া এ ধর্ম চলছে, তিনি ও তার সে ধর্ম যে বিধাতা প্রেরিত তাতে তিলমাত্র সন্দেহ নেই ।" [ ভূ-প্রদক্ষিণ ,- ৫২৫ পৃষ্ঠা]

৬. আচার্য প্রফুল্ল রায় বলেন- "জগতের বুকে ইসলাম সর্বোৎকৃষ্ট গণতন্ত্রমূলক ধর্ম । প্রশান্ত মহাসাগর হতে আরম্ভ করে আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল পর্যন্ত সমস্ত মানবমন্ডলীকে উদারনীতির একসূত্রে আবদ্ধ করে ইসলাম পার্থিব উন্নতির চরম উৎকর্ষ লাভ করেছে "

৭. ডক্টর তেজ বাহাদুর সাপ্রু বলেন- "হিন্দুদিগকে রক্ষা করিবার একমাত্র উপায় ইসলাম ধর্মের কতিপয় মূলনীতি - আল্লাহর একত্ববাদ ও মানবের বিশ্বজনীননত্ব ।"

মুসলিম জাতির মূল্যায়নঃ ভারতের হিন্দু-মুসলমান জাতি একসূত্রে বাঁধা । যদিও ধর্ম পৃথক তবুও মিলনমৈত্রী, দেশের সু-গঠন, সংরক্ষণ বা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে এই দুই সম্প্রদায় মস্তক ও দেহের মতো সংযুক্ত ।

হিন্দু জাতির পাশে মুসলমানদের চিন্তা করতে যে উপকরণ ও বৈশিষ্ট্য মেলে, অন্য ক্ষেত্রে তা মেলে না । আমরা জানি ইংরেজ শাসকগণ বিদেশী, কারণ তারা এদেশকে নিজের দেশ বলে মনে করতে পারেন নি । তারা শাসনের নামে শোষণ করে ভারতীয় সম্পদ নিজের দেশে নিয়ে গিয়ে স্বদেশকে সমৃদ্ধশালী করেছে । আর বাবর, আকবর, জাহাঙ্গীর, শাহজাহান, আলমগীর, শেরশাহ এরা ভারতকে স্বদেশ প্রমাণ করেছেন - অন্য কোন দেশে ভারতের ধনরত্ন নিয়ে যাননি ।

মুসলমান জাতি সাতশ বছরের কিছু বেশি সময় ধরে ভারতে প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত করেছেন । মুসলমান জাতি ছাড়া ভারতে আর কোন সংখ্যালঘূ সম্প্রদায় এই উন্নতির উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারেন নি । যদি শক্তিশালী ইংরেজকেও তুলনার জন্য টেনে আনা হয় তাহলেও দেখা যাবে ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তারা শাসন চালাতে পেরেছেন, অর্থাৎ ২০০ বছরেরও কম ।

স্বামী বিবেকানন্দের লেখা 'প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য' পুস্তকের ১১৫ পৃষ্ঠা থেকে তুলে ধরছি- " ইউরোপের উদ্দেশ্য - সকলকে নাশ করে আমরা বেচে থাকব, আর্যদের উদ্দেশ্য সকলকে আমরা সমান করব । ...ইউরোপের সভ্যতার উপায় তলোয়ার; আর্যদের উপায় - শিক্ষা সভ্যতার তারতম্যে, সভ্যতা শেখবার সোপান - বর্ণবিভাগ । ইউরোপে বলবানের জয়, দুর্বলের মৃত্যু । "

স্বামী বিবেকানন্দ আরো বলেন , " দেখা যাবে ইসলাম যেথায় গিয়েছে, সেথায়ই আদিম নিবাসীদের রক্ষা করেছে । সেসব জাত সেথায় বর্তমান । তাদের ভাষা, জাতীয়ত্ব আজও বর্তমান ।" [দ্রঃ ঐ, পৃষ্ঠা-১১৮]

স্বামীজির কথার সত্যতা চিন্তা করলেই দেখা যাবে হাজার হাজার বছর ধরে মুসলমানদের প্রশাসন চললেও ভারতের কোন জাতি ও ধর্মকে তাঁরা শেষ করে দেন নি । যদি ঐ মতলব তাঁদের থাকতো তাহলে ভারতে একটিও অমুসলমান থাকার কথা নয় ।

ভারতের শুধু সংখ্যালঘু জাতিই নয়, যেকোন জাতির সঙ্গে মুসলমানদের তুলনা করলে দেখা যাবে তাঁরা শুধু ভারতীয় জাতি-ই নয় বরং বিশ্ব বা জাগতিক জাতি । কারণ ভারতের সমস্ত মুসলমান যদি কোনভাবে শেষ হয়েও যায় তবু এই পৃথিবীতে এই জাতি ও ধর্মের বিলুপ্তি ঘটবে না । কারণ, আরব, ইরান, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়শিয়া ও উগান্ডার মতো গন্ডা গন্ডা দেশ আছে যেখানে মুসলমান সংখ্যাধিক্য ।

সভ্যতা ও বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদানঃ মুসলমান সভ্যতা বিশ্বের উন্নতির সর্ব বিভাগে এমন সৃজনশীলতা ও আবিস্কারের জনক হয়ে আছে যা ঐতিহাসিক সত্য । বিজ্ঞান বিভাগে দৃষ্টি দিলেই দেখা যায়, রসায়ন বা কেমিষ্ট্রির জন্মদাতা মুসলমান । রসায়নের ইতিহাসে জাবিরের নাম সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য । তাছাড়া ছোটখাট জিনিস ধরলে তো ফিরিশ্তি অনেক লম্বা হয়ে যাবে । বন্দুক, বারুদ, কামান, প্রস্তর নিক্ষেপ যন্ত্রের আবিস্কারেও তাদের অবদান । ভূগোলেও মুসলমানদের অবদান এত বেশি যা জানলে অবাক হতে হয় । ৬৯ মুসলিম ভুগোলবিদ পৃথিবীর প্রথম যে মানচিত্র একেছিলেন তা আজও বিশ্বের বিস্ময় । তার আরবী নাম হচ্ছে 'সূরাতুল আরদ' , যার অর্থ হচ্ছে বিশ্বের আকৃতি । জনাব ইবনে ইউনূছের অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা মন্ডল নিয়ে গবেষণার ফল ইউরোপ মাথা পেতে নিয়েছিল । জনাব ফারগানি, জনাব বাত্তানি ও আল-খেরজেমি প্রমুখের ভৈাগলিক অবদান স্বর্ণমন্ডিত বলা যায় । কম্পাস যন্ত্রের আবিস্কারকও মুসলমান । তার নাম ইবনে আহমাদ । বিজ্ঞানের উপর যেসব মূল্যবান প্রাচীন গ্রন্হ পাওয়া যায় আজও যা বিজ্ঞান জগতের পুজিঁর মতো ব্যবহৃত হচ্ছে । ২৭৫টি গবেষণামূলক পুস্তক যিনি একাই লিখেছেন তিনি হচ্ছেন জনাব আলকিন্দি । প্রাচীন বিজ্ঞানী জনাব হাসান, জনাব আহমাদ ও মুহাম্মাদ সম্মিলিতভাবে ৮৬০ সালে বিজ্ঞানের একশ রকমের যন্ত্র তৈরীর নিয়ম ও ব্যবহার প্রণালি এবং তার প্রয়োজন নিয়ে গ্রন্হ রচনা করে গেছেন ।

মুসলমানরাই পৃথিবীতে প্রথম চিনি তৈরী করেন । ভূতত্ব সম্বন্ধে বিখ্যাত গ্রন্হ 'মুজাম আল-উবাদা'র লেখক হচ্ছেন ইয়াকুব ইবনে আবদুল্লাহ । ৭০২ খ্রিষ্টাব্দে তুলো থেকে তুলট কাগজ প্রথম সৃষ্টি করেন ইউসুফ ইবনে উমার । তার দু'বছর পর বাগদাদে কাগজের কারখানা তৈরী হয় ।

জাবীর ইবনে হাইয়ান - ইস্পাত তৈরী, ধাতুর শোধন, তরল বাস্পীকরণ, কাপড় ও চামড়া রঙ করা, ওয়াটার প্রুফ তৈরী করা, লোহার মরিচা প্রতিরোধক বার্নিস, চুলের কলপ ও লেখার পাকা কালি কলম সৃষ্টিতে অমর হয়ে রয়েছেন ।

ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড থেকে কাচ তৈরীর প্রথম চিন্তাবিদ মুসলিম বিজ্ঞানী আররাজীও অমর হয়ে আছেন । ইংরেজদের ইংরেজী শব্দে ঐ বিজ্ঞানীর নাম Razes লেখা আছে । একদিকে তিনি ধর্মীয় পন্ডিত অপরদিকে গণিতজ্ঞ ও চিকিৎসা বিশারদ ছিলেন । সোহাগা, লবণ, পারদ, গন্ধক, আর্সেনিক ও সালমিয়াক নিয়ে তার লেখা ও গবেষণা উল্লেখযোগ্য । আরা মজার কথা , পৃথিবীতে প্রথম জল জমিয়ে বরফ তৈরী করাও তার অক্ষয় কীর্তি । ইউরোপ পরে নিজের দেশে বরফ প্রস্তুত কারখানা চালু করে ।

(চলবে )

সূত্রঃ চেপে রাখা ইতিহাস, গোলাম আহমদ মোর্তজা, মদীনা পাবলিকেশন্স ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৭
২৪টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবনের শেষ কথা

লিখেছেন সূচরিতা সেন, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৪

জীবনের শেষ কথা
যেন সব স্মৃতি মূখর অনুভবের ব্যাথা।
চলে যেতে চাই
যেখানে নাগরিক কোলাহ নাই ।
নাই কোনো সন্ত্রাস চাঁদাবাজীর আহাকার
নেই কোনো ব্যাথা হারাবার ।
নেই নির্যাতিত,লাঞ্ছিত,অবহেলিত কোনো জীবন
নেই ভয় আত্মরক্ষার
নেই আবির্ভাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূমি দখলের নতুন কৌশল: পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙালী বিতাড়নের নীল নকশা

লিখেছেন মাহের ইসলাম, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:২১



পার্বত্য চট্রগ্রামে অশান্তি বিরাজ করছে মর্মে একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা নতুন কিছু নয়। প্রায়শই, পার্বত্য চট্রগ্রামের অশান্তির পিছনে অনেকগুলো বিষয়কে দায়ী করা হয়। তন্মধ্যে,ভুমি সমস্যা সবচেয়ে জটিল বলে বিবেচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইহুদী ও খৃষ্টানদের ব্যাপারে লজিকবিহীন ভুল ব্যাখ্যা কেন দেয়া হচ্ছে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২০



যারা সঠিক মতো ইহুদীদের ইতিহাস জানেন, বুঝেন, লজিক্যালী এনালাইসিস করতে পারেন, তাদের কাছে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, ইহুদীরা প্রাচীনকাল থেকে শিক্ষিত ছিলেন; হযরত মুসা শিক্ষিত ছিলেন, এবং তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

*** আছে কি আপনার confidence ? ***

লিখেছেন মোস্তফা সোহেল, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১২




confidence অর্থ আত্ববিশ্বাস।প্রতিটি মানুষের মধ্যেই কম বেশি কনফিডেন্স থাকা উচিত।যার মধ্যে কনফিডেন্স নেই সে নাকি আত্বনির্ভরশীল নয়।অনেক সময় অনেকে কথার মাঝে অন্যকে বলে তোর মাঝে এতটুকু কনফিডেন্স নেই তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে ব্লগে সেফ হলাম

লিখেছেন সোনালী ঈগল২৭৪, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

সামু ব্লগে একাউন্ট খোলার ১ মাস ১ সপ্তাহের মাথায় আজ সেফ স্ট্যাটাস পেলাম । ভাবতেই আনন্দ লাগছে আমার মত একজন ক্ষুদ্র ব্যাক্তির লিখা সামুব্লগের প্রথম পাতায় প্রকাশিত হবে , যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×