হায় ইউনুস!!হায় টেলিনর!!হায় গ্রামীন ফোন!!হায় তারেক জিয়া!!হায় বাংলাদেশ। এত হায় হায় করে কি লাভ হইবেক। হায় হায়!! কিছুই হইবেনা। তারপরেও আমরা লিখি। কথা বলো। মন্তব্য করি। আমরা বুঝি টেলিনর আপনার থেকে বাকি শেয়ার নিতে না পেরে আপনার নামে অপপ্রচারে নেমেছে।
কোটি কোটি ডলার 'আত্মসাতের' এ ঘটনা প্রকাশ যেন না হয়, সে বিষয়ে আপনি সতর্ক ছিলেন এবং এ নিয়ে নোরাডের তখনকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আপনি চিঠিও লেখেন বলে আমরা আজকে খবরে জানতে পারলাম। ১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল লেখা ওই চিঠিতে ইউনূস বলেন, "আপনার সাহায্য দরকার আমার। ... সরকার এবং সরকারের বাইরের মানুষ বিষয়টি জানতে পারলে আমাদের সত্যিই সমস্যা হবে।" দেখছেন পাপের ফল পড়ে হলেও পেতে হয়। তা আবার আপনি প্রমান করলেন।
কিন্তু আরেকটি পাপের প্রায়চিত্ত জাতিকে কতকাল বহন করতে তা আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে বলে মনে হচ্ছেনা। সেটা এমনই পাপ যা বাংলাদেশকে সাবেক ইস্ট ইন্ডিয়া থেকেও বেশি চুষছে। মন পাপ আমাদের গাড়ে তুলে দিলেন কেন সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে। সেই পাপের নাম "টেলিনর" ওরফে "গ্রামীন ফোন"। টেলিনর- বাঙালীর রক্তচোষা ব্যাবসা করে যাচ্ছে! প্রতি মাসে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার নরওয়ে নিয়ে যাচ্ছে গ্রামীন ফোনের মাধ্যমে। অথচ এই গ্রামীন ফোনের ব্রেন্ড নেম এবং শুরু ইউনূসের হাত ধরে। টেলিনরের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত গ্রামীন ফোন-ই বাংলাদেশে সব চেয়ে বেশী অবৈধ "ভিওআইপি" ব্যবসা করেছে এবং এখনো করে যাচ্ছে। যা তাদের বৈধ ইনকামের চেয়ে শত গুন বেশী। এজন্য তারা এ বহুবার ধরা খেয়েছে এবং বিপুল অংকের জরিমানাও গুনেছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যখন গ্রামীন ফোনের "ভিওআইপি" ব্যবসা ধরা পড়ে তখন সেই বিতকে গ্রামীনের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন।
হে ইউনুস আপনি একদিন নোবেল নামে পদক এনে জাতিকে করেছিলেন গর্ভিত, কিন্তু আজকে আপনাকে যারা সেই নোবেল দিয়েছিল তাদেরই ষড়যন্ত্রে জাতির কাছে ধরা খেলেন আজকে। আর আপনের সেই নোবেলের খেসারতে নোবেল দেয়ার পয়সা বৈধ অবৈধ দুই পথে-ই বাংলাদেশ থেকে হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নরওয়ের রাষ্ট্র পরিচালিত টেলিনর।
তবে স্যার আজকের এই প্রচারণা এটাই প্রমান করে যে সাম্রাজ্যবাদীরা যাকে যখন প্রয়োজন আকাশে তুলে প্রয়োজন ফুরালে ছুড়ে ফেলে দিতে দ্বিধা করে না। কারন তাদের হাতে রয়েছে সবচেয়ে বড় অস্র "মিডিয়া"।
সবশেষের হায়!! রইলো বাংলাদেশের একমাত্র সৎ এবং বিশ্বস্ত পত্রিকা "প্রথম কালো" এর জন্য। বুঝে নিয়েন।
শেষ করছি মজুমদার ভাইয়ের একটা কমেন্ট দিয়ে-
বিদ্রোহের কারনেই বিদ্রোহী কবি নজরুল নোবেল পেলেননা। তেলের উপর ডিগ্রি নিতে না পারার কারনেই মাইকেল মধুসুদন দত্ত ফিরে এলেন আপন ভুমিতে। অনেক আক্ষেপ করেই কপোতাক্ষ নদের কবিতা প্রসব করলেন।
পরের মুখে শেখা বুলি
পাখির মত কেন বলিস
পরের ভঙ্গী নকল করে
নটের মত কেন চলিস?
তোর নিজস্ব সর্বাঙে যা
দিলেন প্রভু আপন হাতে
মুছে সেটুক বাজে হলি
গৌরব কিছু বাড়লো তাতে?
আপনাকে যে ভেঙ্গে চুরে
গড়তে চায় পরের চাচে
অলীক ফাকি মেকি সেজন
নামটি তাহার কদিন বাচে?
গড ব্লেস বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

