
আজকে চট্টগ্রামে একটি বিশেষ কাজে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজে বের হয়েছিলাম। মোট ১৮ জনের সন্ধান মিলেছে। যাদের ১৫ জনই বলতে গেলে ভিক্ষুক শ্রেনীর। সরকারী অনুদান আর মানুষের অনুকম্পায় তারা বেঁচে আছে। এই ব্যাপারটি নজরে আনলাম কারন জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানরা যখন অনাহারে-অধহারে আর চরম অথকস্টে জীবন যাপন করছে তখন আমরা মুক্তিযু্দ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাবহার করে ক্ষমতার মসনদে বসছি। অতটুকুই শেষ, এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের আর খবর রাখিনা। কারন ঐ যে বললাম জাতি হিসেবে আমরা চরম অকৃতজ্ঞ।
আসি মুল আলোচনায়। আশরাফুল। বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটি অবিশ্চেদ্য নাম। প্রতিভাবান হওয়া যেমন ভাগ্যের ব্যাপার তেমন প্রতিভার ব্যাবহার না করতে পারাও দুভ্যাগ্যের ব্যাপার। আশরাফুলের ক্ষেত্রেও টেমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। নিজের প্রতিভার সুবিচার এবং ফম না থাকলে দল থেকে বাদ পড়তে হবে সেটা সবার জন্যেই প্রযোজ্য। হোক সে টেন্ডুলরকার অথবা রিকি পন্টিং। কিন্তু কাউকে অপমান করাতো ঠিক না। আজকে আশরাফুলকে যেভাবে অপমান করা হলো সেটা নিয়ে হয়তো অনেকে বলবে ঠিক আছে। কিন্তু একবার আশারাফুলের কথা ভাবাও যে আমাদের দরকার।
আজকে খেলা শেষে সবাই যখন উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন তখন কান্না চেপে রাখতে পারছিলেন না মোহাম্মদ আশরাফুল। আনন্দ অশ্রু নয়। হৃদয়ের ব্যথায় চোখের জলে গড়িয়েছে। সাবেক অধিনায়কের এমন আচরণে ক্রিকেটারদের অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। অনেকে সহানুভূতি প্রকাশ করেন। আশরাফুলের সতীর্থরাই এই খবর দিয়েছেন! কেউ কেউ আশরাফুলের কান্নার খবর প্রচার করে আনন্দ পাচ্ছিলেন। আগেও দ্বাদশ ক্রিকেটার ছিলেন আশরাফুল। তখন কষ্ট হয়নি। এখন কষ্ট হওয়া স্বাভাবিক। সাকিব আল হাসান, তিন নির্বাচক এবং কোচ জেমি সিডন্স আশরাফুলকে দিয়ে সেই কাজটিই করিয়েছেন। কিন্তু একাদশ থেকে দ্বাদশ ক্রিকেটার হয়ে যাওয়ার ক্ষত অনেকদিন পোড়াবে লিটল মাস্টার খ্যাত এই ক্রিকেটারকে।
আশরাফুল তুমি ফুরিয়ে যাওনি সেটা প্রমানের জন্য তুমিই যথেস্ট। বাংলাদেশ দলের ম্যানজমেন্টের প্রতি আমাদের অনুরোধ প্লিজ দলের সকল খেলোয়াড়দের মধ্য ঐক্য এবং সুসম্পক বজায় রাখুন। আর তা না হলে একবার দলে যদি পাকিস্তান টিমের মধ্য খেলোয়াড় পলিটিক্স ঢুকে যায় তখন আর সামাল দিতে পারবেন না।
Source- Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


