বুয়েটে সুন্দর মেয়ে কম থাকে।একটা দুইটা।আর এদের পেছনে সবাই ঘোরে।সবাই মনে মনে এদের কামনা করে এবং সবচেয়ে আশ্চর্য্য হল তাদেরকে কেউ কখনো প্রপোজ করেনা।তাকে সামনে রেখে আশেপাশে জুটি হয়ে যায়।সে একাই থেকে যায়।এই মেয়েরা আসলে খুবই কষ্টে থাকে।বন্ধু বলতে তাদের কেউ থাকেনা।একাকীত্ব এড়াতে এরা বেছে নেয় বই। আস্তে আস্তে বইয়ের ভিতরে আরো ঢুকে যায়।পরে তাদের বিয়ে হয় টাকমাথা বিদেশফেরত টাকাওয়ালা কোন ইঞ্জিনিয়ারের সাথে।তাদের লাইফটা তারা এনজয় করতে পারেনা।
বুয়েটের আরেক শ্রেনীর ছেলে আসে যারা কোন কারনে রেজাল্ট খারাপ করে হতাশায় ডুবে যায়।নষ্ট হয়ে যায়।অনেকে ফিরে আসে অনেকে ফিরে আসতে পারেনা।
এইরকম একটি মেয়ে আর একটি ছেলের কাহিনী নিয়ে তিন পর্বের একটা লেখা লিখেছি।প্রথমে ফেসবুকে নোট আকারে দিয়েছিলাম।লেখার সময়ে প্রতিপর্বে আমার বন্ধুরা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন।পরবর্তীতে ব্লগে দেয়ার পরে অনেকেই পজিটিভ রিস্পন্স করেছেন।কমেন্টে ভাল লাগা জানিয়েছেন।তাদের সহায়তায় সিরিজটা শেষ করতে পেরে ভাল লাগছে।
যে ঘটনা আমাকে আন্দোলিত করেছে সেটা হল গল্পটা ফেসবুকে নোট আকারে দেয়ার পরে আমি অনেক গুলো মেসেজ ইনবক্সে পেয়েছি।আমার ফ্রেন্ড না আমি তাদের চিনিনা।তারা আমাকে ভাল লাগা জানিয়েছেন।তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
এই গল্পটার সাথে আমার অনেক আবেগ জড়িত।শেষ করতে পেরে নিজেকে মুক্ত মনে হচ্ছে।পেজা তুলার মত হালকা লাগছে।বিশাল এক দায়িত্বের বোঝা নেমে গেল বলে অনুভুত হচ্ছে।
আমি হয়তো ভাল লেখক নই।ভাল লিখতে পারিনা।তারপরেও সবাই যেভাবে আমাকে সাপোর্ট দিয়েছে তা সত্যিই অসাধারন।বিশেষ করে আমার বন্ধুদের কথা বলতে হয়।এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
গল্পটার তিনটা পর্বঃ
রিমিরা কোনদিনই আমাদের হয়না।
রিমিরা কখনোই আমাদের হয়না -রিমিরা আমাদের জন্যে না।(দ্বিতীয় ভাগ)
রিমিরা কখনোই আমাদের হয় না-রিমির ডাইরি,অবুঝ তরুনী আর দ্যা বাটারফ্লাই ইফেক্ট।(সমাপ্ত)
ব্লগে প্রথম দিকে কয়েকজন ব্লগারের সাথে আমার মনোমালিন্য হয়েছে।বিভিন্ন কারনে।তাদের অনেকেই আর আমার ব্লগে আসেন না।এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।নো হার্ড ফিলিংস প্লীজ।টাইম চেঞ্জ ব্রিং মেন্টালিটি চেঞ্জ।
মানুষ মরে গেলে পচে যায়,আর বেচে থাকলে বদলায়।
কষ্ট করে আমার লেখা পড়া জন্যে ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


