আমার প্রিয় পোস্ট
- গানের ভিতরে শ্লোগান: বৃষ্টিতে ভেজার অধিকার চাই ... - ইমন জুবায়ের
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী / রনেশ মৈত্র - ফকির ইলিয়াস
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- বাবা-----যে কথা তোমাকে বলা হয়নি। - অন্তিম
- তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে, যতদুরে আমি ধাই...........! - জানা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- শহীদ, শাহাদাৎ এবং জিয়া - বিতর্কিত বিষয়, বিতর্কিত পোস্ট, বিতর্কিত আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- ব্লগারদের প্রতি – আরিল, সামহোয়্যার ইন... - নোটিশবোর্ড
আহাজারি থেমে যাওয়া, কান্না শুকিয়ে যাওয়া সহস্র অসহায় চোখ আর ক্ষুদ্র এই আমি...
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩১
পর্ব এক:
হেঁটে যাচ্ছি; শরণখোলার সাউথখালির ৪নং সেক্টরের ইট বিছানো সদ্য বিধ্বস্ত এবড়ো-খেবড়ো পথ ধরে। এ যেন প্রলয় পরবর্তি এক অন্য জগত। চারিদিকে প্রায় নিশ্চিহ্ন ঘরদোর, গাছ-গাছালি আর নষ্ট হওয়া সোনার ফসল!
পথের দুধারে শত শত ছোট ছোট ঘর। না বাঁশ, কাঠ, খড় কিছুই না, কুড়িয়ে পাওয়া ছেঁড়া কাপড়, বিধস্ত নারকেল-সুপারী গাছের পাতা আর বুভুক্ষু সাহসী শরীর নিয়েই ওরা গড়ে তুলেছে এই ঘর(!)গুলো। তারই ভেতরে গুটি-শুটি হয়ে শুয়ে আছে অসংখ্য মানুষ! আহত, ক্ষুধার্ত আর ক্লান্ত। বাইরে খোলা আকাশের নীচে অনাহারী হাজারো মানুষ। সন্তান, পরিবার আর প্রিয়জনদের একসাথে হারিয়ে ওরা নির্বাক প্রায়। ওদের প্রায় কেউই আর কাঁদছে না। কেবল জানতে চাইছে ঘর-দোর নয়, কাপড় নয় অন্তত একটু খাবার আর পানি ঐ শিশুগুলোর জন্য আমরা দিতে পারি কিনা। খাবার খুঁজে, পানি চেয়ে ক্লান্ত হয়ে অবুঝ শিশুদের অনেকেই মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়েছে। ক'জন হতভাগা বৃদ্ধের কাতর চাহনি আমার চলা থামিয়ে দেয়। কাছে এগিয়ে যাই। একটু খাবার আর একটুখানি পানিতেই ওদের মুখে আশার আলো ফুটে ওঠে। আমি ওদের মুখে কেবল খুঁজে পেতে থাকি আমার মা, বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-সন্তানের মুখ। নিজেকে শেখাই ওদের মত সাহসী হতে, শক্ত হতে। ক্ষুদ্র এই আমার ভেজা চোখ আর আলিঙ্গন ওদের কাছে মূল্যহীন।
বুকভরে নিশ্বাস নিয়ে, পা-দুটো শক্ত করে এগিয়ে যাচ্ছি। এ আমি কোথায়? একি বাস্তব না দু:স্বপ্ন! মানুষ কেমন করে এভাবে বাঁচে? এখানে অসংখ্য শিশু আছে যাদের জন্য আর মায়ের কোলের আশ্রয়টুকুও নেই। মা নেই ওদের, আর কোনদিন ফিরবে না। কি হবে ওদের ?
একজন যুবক উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে আমাদের দিকে। আমাদের পত্রিকা টেলিভিশনের লোক ভেবে গড়গড় করে বলে যেতে লাগলো তার সর্বনাশের কাহিনি। ২৬/২৭ বছর বয়স্ক এই যুবক আসলাম আলী মাত্র ঘন্টা খানেক আগেই তার একমাত্র সন্তানের লাশের সন্ধান পেয়েছে। ৪ বছর বয়সি শিশুটি ঐ রাতে ঘুমিয়ে ছিল তার মায়ের বুকে। ভয়াবহ ঢেউয়ের তোড়ে মাসহ শিশুটি কোথায় হারিয়ে যায় কেউ জানে না। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ মেলেনি এই ৫ম দিনেও। স্ত্রী-পুত্র, মা-বাবা, ঘর-সংসার হারিয়ে এই যুবক পাথর হয়ে আছে। হাঁটু অবদি কাদা মাটি। জানালো, নিজে হাতেই কোন মতে মৃত সন্তানের সৎকার করে এলো ...! আমার কণ্ঠ রুদ্ধ হতে থাকে। একটু খাবার আর বিশুদ্ধ পানি ওর হাতে তুলে দিতে হাত কেঁপে যায়।
এগিয়ে যাচ্ছি সামনের দিকে। একটি সংগঠন এদের শুকনো খাবার আর পুরানো কাপড় দিয়ে সাহায্য করছে। হাজারো অসহায় মানুষের ভিড়ে ২০/২১ বছর বয়সী একটি মেয়ে একটু খাবার আর কাপড় পাওয়ার প্রানপণ চেষ্টা করে বিফল হয়ে ফিরে এলো আমাদের কাছে। "একটু খাবার দেন- সকালে ২কেজি চাল সাহায্য পেয়েছি। কিভাবে রান্না করি ঘর নেই, হাঁড়ি নেই, আগুন নেই পানি নেই। চারিদিকে কেবল পচা বিষাক্ত পানি।'' আমার হাতদুটো খুব শক্ত করে ধরে খুব কাছে এসে দাঁড়িয়ে রইলো যেন আমি ওর অবলম্বন, ওর বোন। আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার শক্তি ওর নেই। অন্যদের কাছে জানতে পারি ওর একমাত্র সন্তান, স্বামী, আর বৃদ্ধা মাকে হারিয়ে ও এখন কিছুটা মানষিক ভারসাম্যহীন। চতুর্থ দিনে ৩ বছর বয়সী একমাত্র মেয়ের লাশ খুঁজে পেয়েছে। বাকীরা এখনও আঁধারেই। ও জানে কেউই আর ফিরবে না। তবুও সারাক্ষণ খুঁজেই চলছে।
এমন হাজারো মানুষের বেদনা-দুর্দশা! আমি কার কথা বলবো? ওরা তো অসংখ্য! আর ওদের ক'জনের কথাই বা আমি জানতে পেরেছি?
ত্রাণ নিয়ে ওখানে পৌঁছে গেছেন অনেকেই। খাবার পানি, পুরনো কাপড়, কিছু ওষুধ, পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, লবণ, দেশলাই, মোমবাতি অনেক কিছুই নিয়ে। কিন্তু তার অপর্যাপ্ততা আর সুষ্ঠু বিতরণ ব্যবস্থার অভাবে ওদের অনেকেরই প্রকৃত সাহায্য হচ্ছে কোথায়? আরও দু:খজনক এবং লজ্জার বিষয় হচ্ছে প্রায় সকলেই তাদের সংস্হার ব্যানার প্রদর্শন আর বিভিন্ন মিডিয়ার নজর কাড়ায় ব্যতিব্যস্ত। এমনকি একটি পুরনো ময়লা কাপড় দান করে টিপসই নেয়ার এবং তার ছবি তুলে রাখার আত্মতৃপ্তিও দেখা গেল অনেকের মধ্যে! হায়.....
৭ বছর বয়সী তোফায়েল বাড়ীর ভাগ্যবান শিশু হোসেন বোঝেনা তাদের সর্বনাশের ভয়াবহতা। ও অন্তত মা-বাবা হারায় নি। ও জানে ওদের ঘরদোর নেই, খাবার নেই। কেবল ক্ষুধাই ওকে কষ্ট দেয়। একটা পুরনো লাল রঙের ফুলহাতা সোয়েটার পরে বেশ খুশি। মিষ্টি চেহারাটা ক্ষুধায় ক্লান্ত। একটা পানির বোতল আর সামান্য খাবার পেয়েই মুখে একটুখানি হাসি ফুটে ওঠে। ওর বৃদ্ধাঙ্গুলিতে অনপনেয় কালীর দাগ দেখে আমার প্রশ্নের জবাবে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে বললো, " ওরা আমারে এই লাল জামফারটা দিছে। তাই আমার হাতে......." । আমার চোখ ভিজে আসে। বড্ড অসহায় আর অপরাধী মনে হয় নিজেকে। আমার দু'টো পয়সা, একটু পানি আর একটু খাবার এই অসহায় মানুষ আর অবুঝ শিশুদের ক'জনের ক'ফোঁটা সাহায্য?
আমার ঠান্ডা হাত দু'টো আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরে হোসেনকে। আমার সন্তানের মুখ দেখতে পাই ওর মুখে। বুকের ভেতর এক ধরনের যু্দ্ধ অনুভব করি। মজবুত জুতোর ভেতর অনুভব করি ক্রমশ হীম হয়ে আসা নিজের পা দুটো। ওদের জন্য আমি কি পারি-কতটা পারি? কি হবে ওদের?
ভেতরে ভেতরে আমি কেবল ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে থাকি...!
(...চলবে )
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সামনে মনে হয় আরো খারাপ দিন আসছে!
চে বলেছেন:
অনেক কষ্টে নিজেকে সামলালাম। ছোট ছোট শিশুদের মাঝে আমি আমার শিশুটিকেও কল্পনা করে!
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
কষ্টের
রুধীণ বলেছেন:
কষ্ট লাগে এই সব শুনলে। ভাবছি , কি হবে ওদের।
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
কিছুই বলার নাই....বাকরূদ্ধ....আসছে শীতে ওদের কি হবে? শুধু এই চান্তাই মাথায় ঘুরপাক খায়....
এলোমেলো বলেছেন:
এখানে অসংখ্য শিশু আছে যাদের জন্য আর মায়ের কোলের আশ্রয়টুকুও নেই। মা নেই ওদের আর কোনদিন ফিরবে না। কি হবে ওদের ?৫
আলমগীর আহসান বলেছেন:
বিধাতা দোষ করি আমরা.. এই দালান কোঠার লোকগুলো..কিন্তু শাস্তি হয় কেন অসহায় সেই লোকগুলোর, যারা অন্যায় করার সুয়োগই পায়না। দু-মুঠো ভাতের জন্যই তাদের যুদ্ধ। সত্যিই বাবা-মা হারা শিশু গুলোর দিকে তাকানো যায়না! সবাইকে আরো বেশী..অনেক বেশী সাহায্য করা দরকার।
দ্বিধা বলেছেন:
৫
জানা বলেছেন:
আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আর অনুরোধ, শুধু দু'টাকা ব্যয় করে একটি এস এম এস পাঠি্যে দিন ৫৪৫৫এ- আপনার এই মমতাটুকু একটি অনাথ শিশুর অধিকার। ওকে বন্চিত করবেন না! সাথে আপনার আশেপাশের সবাইকে বলুন- শুধু একটি এস এম এস করতে ৫৪৫৫-এ।
নামিরা নাওয়ার বলেছেন:
আমরা আছি আপনাদের সাথে, আমার মনে হয় খালি এসএমএস এর মাধ্যমে নয় যদি কোন স্পনসরেরও কেউ খোঁজ দিতে পারে তাহলেও এ মুহুর্তে " জাগরণ ক্যাম্পেইনের" সাহায্যে আসবে....।
মাহিরাহি বলেছেন:
৫ দিলাম, কিছু কমেন্ট করতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু আপনার লেখায় যে কঠিন বাস্তব ফুটে উঠেছে তাতে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
সুমি বলেছেন:
আমাদের হাত বাঁধা, আমারা অন্ধ -----তা না হলে আমাদের ছোট্ট দেশটাকে কেন আমরা সাজাতে পারি না ----?
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
কেবল এই প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় স্মরণ করে অশ্রু ও ত্রাণ ঝরালে চলবে না, দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই উন্নতীর নকশা আঁকতে হবে। সমাজ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত ভালনারিবিলিটি ক্রমশ বাড়তেই থাকবে। লেখক হিশেবে তো এ+, চুপা রুস্তম নিকলা।
নিধিরাম সর্দার বলেছেন:
কৌশিক তোমার সমস্যা কি? তেল মারা ছাড়া কোন কথা কইতে পারোনা কেন?
মুজিব মেহদী বলেছেন:
'দু:খজনক এবং লজ্জার বিষয় হচ্ছে প্রায় সকলেই তাদের সংস্হার ব্যানার প্রদর্শন আর বিভিন্ন মিডিয়ার নজর কাড়ায় ব্যতিব্যস্ত। এমনকি একটি পুরনো ময়লা কাপড় দান করে টিপসই নেয়ার এবং তার ছবি তুলে রাখার আত্মতৃপ্তিও দেখা গেল অনেকের মধ্যে! হায়...'এরকম ত্রাণকর্ম তো আসলে দুর্গতের জন্য নয়, বরং নিজেরই জন্য। কিন্তু এটাই রক্ষে যে, সবাই এরকম নন।
এসএমএস, কমিউনিটি ফান্ড, স্টুডেন্টস ফান্ড-- যেখানে যেভাবে সুযোগ ঘটছে কন্ট্রিবিউট করছি আর মনকে বুঝ দিচ্ছি এই বলে যে 'এই তো বেশ ত্রাণ করা হলো!'। আসলে আমরা খুব কমজনই পেরেছি স্বাভাবিক বিলাসযাপন কিছুদিনের জন্য বন্ধ করে সেই টাকা উপকূলে পাঠাতে। ধন্যবাদ জানা। আপনারা সত্যি কিছু একটা করতে পারছেন।
তবু, আমার এবং আমাদের অশেষ ভোগেচ্ছাকে ধিক!!!
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ভেতরে ভেতরে আমি কেবল ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে থাকি...!প্রতিনিয়তই এই বোধ কুরে কুরে খায়।
মহারাজা বলেছেন:
ধন্যবাদ জনা । পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায়। বাকী বিল্লা তোমার গ্রুপের খবর কি ? আজই কিছু ত্রান অন্য গ্রুপকে দিয়ে দিলাম যা তোমাদের জন্য ছিল। কৌশিক - তোমার ও খবর নাই............।
মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেছেন:
জানা আপা @ আশা করি ভালো আছেন। আমি এখন পটুয়াখালিতে। স্বরনখোলা নিয়ে আমার একটা পোষ্ট আছে নিচের লিংকে: Click This Link
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
রূঢ় বাস্তব!! চারিদিকে ত্রাণের হাহাকার,পুনর্বাসন সমস্যা তো রয়েছেই। যে পরিমান সাহায্য আসছে, তার সঠিক বন্টনও নেই। এত কেন অসহায় আমরা!
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
শরনখোলার পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চলে সাহায্য পৌছানো খুবই জরুরী এখন...পত্রিকায় দেখলাম গৌরনদীর লোকেদের আহাজারি - কোন ত্রান যায়নি ওখানে !!!
অপরদিকে মুলাদিতে অসহায় জনগণ উপজেলা কার্যলয়ে ঘেরাও করেছে - এখন পর্যন্ত কোন ত্রাণ বিতরণকারী দল যায়নি !!!
***
সিডর : জীবনের প্রয়োজনে একটি জীবন পাশে দাঁড়াবে কি ?
Click This Link
বাঙাল যুবক বলেছেন:
ধন্যবাদ জানা। পোষ্টটি পড়ে চোখের পানি এসে গেল। প্রতিমূহূর্তে যখন এমন সংবাদ শুনছি তখনই আবেগে আপ্লুত হচ্ছি। আমার অফিস থেকে এক দিনের বেতন দেয়া হয়েছে। ভাবছি তাতেও হবেনা। আগামী ঈদ বোনাস এবং আগামী মাসের বেতন থেকেও কিছু দিব আশা করছি।
নিহন বলেছেন:
৫
পদ্মানন্দ বলেছেন:
৫
মুজিব মেহদী বলেছেন:
নতুন পোস্ট আসুক, আপনার ব্লগে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
আপনি কে তা আমার জানা
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
+
মুকুল বলেছেন:
(প্রথমেই পোস্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জন্য দূঃখ প্রকাশ করছি।)জানা,
আমার মনে হয়, আমার স্মৃতিতে নোয়াখালীর মুক্তিযুদ্ধ সিরিজের শেষ পর্বটি যেহেতু নির্বাচিত পোস্টে আছে এবং এই পোস্টের প্রথম দুই পর্বও নির্বাচিত পোস্টে আছে, তাই প্রথম দুই পর্ব নির্বাচিত পোস্ট থেকে মুছে দিলেই ভালো হয়।
নির্বাচিত পোস্টে এই মুহুর্তে অনেকগুলো পোস্টে আছে। আমার এই সিরিজটি পর্বে ভাগ করার কারণে তিনটি জায়গা দখল করে আছে। এটা কারো কারো কাছে বিরক্তিকর ঠেকতে পারে। তাই শুধু শেষ পর্বটি নির্বাচিত পোস্টে রাখলেই ভালো হবে। পরিশেষে আবারো ধন্যবাদ। আশা করছি আঞ্চলিক ইতিহাস তুলে ধরায় অন্যরাও উদ্যোগী হবে। শুভেচ্ছা।
মানুষ বলেছেন:
thanks
মশিউর রহমান মেহেদী বলেছেন:
খুবই হৃদয়গ্রাহী পোষ্ট ! আরও লিখে যান !
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
নতুন পোস্ট খুঁজতে আসছিলাম ।
আবু সালেহ বলেছেন:
খারাপ দিন সামনে....অপেক্ষায় থাকেন...
কতবতবকতকত বলেছেন:
সিডরের প্রলয়ঙ্কারী থাবা পরবর্তী জীবনকেন অসম্ভব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন জানা ভাবী। +++। (প্রথমেই পোস্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জন্য দূঃখ প্রকাশ করছি।)
আমারটা সহ অনেকের পোস্ট মুছে দিয়েছেন তাতে কোন কষ্ট নেই বরং অনেক রাজাকার নিককে ব্যান করেছেন সে জন্য অন্তরের গহীন ধেকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা আপনাদের প্রতি। কিন্তু আমরা, এই এতগুলো ব্লগাররা গতকাল থেকে যে দাবীটি করে আসছি, সেটা কি এক্ষুনি মেনে নেয়া যায় না? প্লিজ।
জানা ভাবী, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
ভালো লাগলো
চিকনমিয়া বলেছেন:
আফায় কি লেকা লেকি ছাইড়া দিলেন নিকি?
দস্যু বনহুর বলেছেন:
পরের পর্ব ছাড়েন, ম্যালা দিন হইছে ...
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
==========================
পোস্ট করেছেন: ২টি
মন্তব্য করেছেন: ১১৮টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৭২টি
ব্লগ লিখছেন: ২ বছর ২ মাস
ব্লগটি মোট ২৮৬৩ বার দেখা হয়েছে
==========================
আপনের ব্লগিং স্ট্যাটাস
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
প্রকৃতি আর ঈশ্বরের কাছে ক্ষুদ্র আমি.......আপনি........আমরা সবাই........



















আপনাকে ৫