আমার প্রিয় পোস্ট
- গানের ভিতরে শ্লোগান: বৃষ্টিতে ভেজার অধিকার চাই ... - ইমন জুবায়ের
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী / রনেশ মৈত্র - ফকির ইলিয়াস
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- বাবা-----যে কথা তোমাকে বলা হয়নি। - অন্তিম
- তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে, যতদুরে আমি ধাই...........! - জানা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- শহীদ, শাহাদাৎ এবং জিয়া - বিতর্কিত বিষয়, বিতর্কিত পোস্ট, বিতর্কিত আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- ব্লগারদের প্রতি – আরিল, সামহোয়্যার ইন... - নোটিশবোর্ড
পৃথিবী কি অসম্ভব সুন্দর আর আনন্দময়.......।
২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
ঘুম থেকে উঠেই ছোট ছোট ব্যস্ততায় জড়িয়ে যাওয়া আমার জন্যে নিত্যনৈমিত্তিক....। এর পর এক কাপ চা আর একটু মুড়ি নিয়ে খবরের কাগজের অন্তত শিরোনামগুলোয় চোখ তাড়িয়ে নিয়ে ঝটপট তৈরী হয়ে কাজে বেরিয়ে যাওয়া- এটা প্রায় রুটিনের পর্যায়ে।
চা হাতে দরজার ওপাশ থেকে খবরের কাগজ তুলে নেবার সময় একটি ছোট্ট চিরকুট পাওয়া গেল যাতে এভাবে লেখা আছে " ছরি ম্যাডাম, আপনার ওরকিড গাছের একটা ফুলও আর নাই। কেহ বা কাহারা চুরি করিয়া নিয়া গেছে।"
উহঃ! এই 'আর নাই' জাতীয় দু:সংবাদ খবরের কাগজ ছাপিয়ে এবার চিরকুটে এবং তা আমার ভাগ্য? মুহূর্তেই মেজাজ বদলে গেল( প্রিয় অরকিড হারানোর বেদনা আর এলোমেলো অক্ষরে অসাধারণ বাংলায় লেখা আমার মালী বেচারার দায়িত্বশীল চিরকুটের কৌতুক মিলেমিশে যে ভীষন অনুভূতি হলো তার নাম আমার জানা নেই)।
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ আর বিশুদ্ধ ক্ষোভ নিয়ে দরজার বাইরে পা বাড়াতেই ইন্টার-কমে ফোন বেজে ওঠে:
হ্যালো! (নিজের কন্ঠস্বর নিজের কানেই কর্কশ ঠেকলো)
গুড মন্নিং ম্যাডাম, আমি ইব্রাহিম! (আর কোন কথা নেই)
হুম বলেন ইব্রাহিম! (আমার ঠান্ডা হিম কন্ঠস্বরে অনভ্যস্ত বেচারা ইব্রাহিম খানিকটা অপ্রস্তুত স্বরে যুক্ত করলো, ছ'টা গোলাপ গাছে একটা গোলাপও নেই)
আমি আসছি নীচে আপনি থাকেন। (দুঃখে- বেদনায় চোখ দু'টো আমার ভিজে উঠলো)!
লিফ্টে বন্দী হতে মন চাইলো না বরং ছটফটিয়ে সঁিড়ি বেয়ে নেমে গেলাম। পায়ের চটির ক্রমশঃ বেড়ে চলা শব্দে নিজেই লজ্জা পেয়ে সামলে নিই নিজেকে।
হিমায়িত ইব্রাহিম আমার চোখের সামনে। আমার মত তাকেও বেশ আহত মনে হচ্ছে। আমার ক্ষোভের তীব্রতা হেরে গেলো ওর নিরব সমবেদনায়।
এটা কিভাবে হলো ইব্রাহিম? আমার হাত দুটো পরম মায়ায় প্রিয় গাছগুলো ছঁুয়ে চলে কেবল......। গাছগুলোও কি কষ্ট পাচ্ছে না সৌন্দর্য হারিয়ে?
গুড মর্নিং আন্টি- ছুটে এসে আমায় দু'হাতে জড়িয়ে ধরে প্রতিবেশী ছয়-সাত বছরের ফুটফুটে মেয়েটি।
গুড মর্নিং সোনামনি! তুমি আজ স্কুলে যাওনি?
না- না, আজকে তো আমার দাদুভাইয়ের হ্যাপি বার্থডে- তুমি জানো না?
ও, তাই নাকি? তা হলে তো খুউ-উ-উব মজা হবে?
হ্যাঁ তো! আজকে আমার দাদুর সেভেনটি টু ইয়ার্স হবে জানো? দাদু অনে--ক বড় হয়ে যাবে। তাই মা আর বাবাও আজকে বাইরে কোথাও যাবে না। আমি আর ভাইয়া অনেক বেলুন হ্যাং করে দাদুর রুম ডেকরেট করেছি। ঘুম থেকে উঠে দাদুতো অবাক হয়ে যাবে- আ' অ্যাম শ্যিয়র.....। আরও অনেক কিছু বলতে চায় ও....।
ওর খুশি আরো একটু বাড়িয়ে দেবার উদ্দেশ্যে আদর করে বলি, 'শোনো আমারও খুব আনন্দ হচ্ছে, বিকেলে আমি তোমার দাদুকে উইশ করতে আসবো।
ও-কে! তা হলে তো তোমাকে শপিং-এ যেতে হবে। তুমি দাদুর জন্য কি গিফ্ট কিনতে চাও আন্টি? (কি অসম্ভব নির্দোষ মিষ্টি একটি প্রশ্ন!)
তাই তো! আমার মনে হয় অনেকগুলো লাল গোলাপ আমি কিনতে পারি।
আমার এমন একটি উপহারের আকাংখায় ও খানিকটা নিভে যায়- সাথে সাথেই বলে ওঠে,
না- না! আমিইতো দাদুকে ফুল দিয়ে উইশ করবো। জানো, আমি না এই এখান থেকে অ---নে--ক ফুল তুলে নিয়ে নিজে হাতে একটা বি--উটিফুল 'বুকে' বানিয়ে দাদুর বেডের পাশে রেখে দিয়েছি চুপিচপি। দাদু ঘুম থেকে জেগে ওটাই প্রথম দেখতে পাবে। তুমি কিন্তু এসো, বা-বাই আন্টি..। ছুটে চলে গেল মিষ্টি মেয়েটি।
আমার মন ভালো হয়ে যায়- অসম্ভব আনন্দে আমার হাত দু'টো প্রিয় গাছগুলো ছঁুয়ে যায় কৃতঞ্গতা আর মমতায়.....। ওদের পাতাগুলো কেমন চকচকে সবুজ হয়ে ওঠে! যেন ওরা সবই শুনেছে, সবই বুঝতে পেরেছে।
আমি মনে মনে দেখতে পাই, একটি ফুলের মত শিশুর বিজয়ী হাসি আর একজন বাহাত্তর বছর বয়সী যুবকের একজোড়া বিজয়ী, উজ্জল চোখ আর নির্মল হাসি।
পৃথিবী কি অসম্ভব সুন্দর, আনন্দময়.......।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
পৃথিবী অসম্ভব সুন্দর আনন্দময়!
লেখক বলেছেন:
সত্যিই.......
আপনাকে ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
সব সুখ-আনন্দ নিজের কাছে
লেখক বলেছেন:
কি জানি! হয়তো তাই ঠিক।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন:
আসল কথা হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গী। দৃষ্টিভঙ্গী সুন্দর হলেই আপনার চোখে সুন্দর হয়ে উঠতে পারে সব কিছু।
লেখক বলেছেন:
সুন্দর মন্তব্যের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
গুড আফটারনুন।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
ইরতেজা বলেছেন:
জানা ভাবী ভালো আছেন? লিখা পড়ে মজা পাইচি
লেখক বলেছেন:
পড়তে ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগছে আমারও।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
ভাল থাকুন, আনন্দে থাকুন সত্যি সত্যি।
ধন্যবাদ।
কৌশিক বলেছেন:
লেখকের নামটা মিলছে না। বিখ্যাত লেখক কেউ নিশ্চয়ই "জানা" ছদ্মনামটা নিয়েছে।
লেখক বলেছেন:
হা: হা: হা:
মনে হয় অতখানি নয়। সম্ভবত আপনার হিসেবে ভুল হচ্ছে কৌশিক।
ধন্যবাদ আপনাকে।
মিলটন বলেছেন:
হ্যাঁ সত্যিই পৃথিবীটা সুন্দর।
লেখক বলেছেন:
আমিও তাই বিশ্বাস করি।
ধন্যবাদ
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
আমি কি আপনাকে চিনি? ক্রমাগত ব্যস্ততায় বাসার সিনিয়রদের দিকে তাকানোর ফুরসত যখন শুন্যের কোঠায় ... তখন এই বাচ্চাটি ... এই বাচ্চাটি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের ভাবতে শিখায়... আমাদের চিনতে শেখায় বয়োবৃদ্ধ এইসকল মানুষগুলোর মুখের হাসিটা কত দামি। তাদের গড়ে দেয়া জীবন নিয়ে আমরা কতইনা ব্যাস্ত ..
"আমি মনে মনে দখতে পাই, একটি ফুলের মত শিশুর বজয়ী হাসি আর একজন বাহাত্তর বছর বয়সী যুবকের একজোড়া বিজয়ী, উজ্জল চোখ আর নির্মল হাসি।"
মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ..
ভাল থাকুন
লেখক বলেছেন:
অন্তত আমি আপনাকে চিনি না। শুধু জানি একটুখানি..। এটাই কম কি!
হুমমম!
একটু ভালবাসা মানুষের জীবন কতসুন্দর করে দিতে পারে।
ভাল থাকুন আপনিও।
আপনাকে ধন্যবাদ
চিকনমিয়া বলেছেন:
ওরেরেরে, খাইচে!!!আফায় দেকি পুষ্ট দিচেরেরেরে
পেলাচ
মনডা কেমুন জানি খারাপ হইলো
ঠিকাচে
লেখক বলেছেন:
ওরেরেরে, খাইচে!!!
চিকনমিয়ায় দেকি পেলাচ দিচেরেরেরে। ![]()
মন খারাপ হলো কেন চিকন মিয়া? দেখুন সবকিছু কত সুন্দর!
ঠিকাচে?? ![]()
লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ বিমা!
চিকনমিয়ার জন্য একটা মন ভাল করা লেখা পোষ্ট করে দিন ঝটপট। ![]()
লেখক বলেছেন:
কেন কেন চিকনমিয়া?
লেখক বলেছেন:
নাটক তো জীবন থেকেই নেয়া। তফাৎটা হলো, নাটক স্বল্প সময়ের জন্যে সাজানো গোছানো একটি তৈরী করা জীবন আর জীবন হলো দীর্ঘ সময়ে আনন্দ-বেদনায়, রোদে-ছায়ায়, রঙে-রুপে, সাদা-কালোয়, মন্দ-ভালোয় আপন ইচ্ছায় গড়ে ওঠা একটি নাটক। (ব্যক্তিগত দর্শন)
ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
রেটিং বলেছেন:
ওরে খাইছে, আমি নাই।লেখাই বড়ই টেস্টি হইসে। পিলাচ।
জীবনডা অনেক সুন্দর আচে, আমিও এই বুইড়া বয়সে আইসা বুঝলাম।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
বলছি,
সন্ধেবেলায় আমি ঐ বাহাত্তর বছর বয়সী যুবকের সাথে দেখা করার আকাংখা সংবরন করতে পারিনি। একটি দুর্লভ প্রজাতির প্রানময় সবুজ অর্কিড গাছ তঁার হাতে তুলে দিয়ে বলি, আজ বিশেষ দিনে আপনার জন্যে এই সবুজপ্রাণ। আপনার আনন্দে ফুল ফোটাবে ও অনেক গুলো উজ্জল দিন।
খুশীতে ঝলমলিয়ে ওঠা গর্বিত চোখে জানালেন, আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই পৃথিবীর সবচে' দামী উপহার পয়েছেন আদরের নাতনীর কাছ থেকে।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
পৃথিবী আসলেই সুন্দর যদি পৃথিবীর মানুষগুলোকে ভালবাসি এবং অনুভব করতে পারি।ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন:
হুমম!
ধন্যবাদ।
সাইফুর বলেছেন:
আপু..অনেক দিন পরে..লিখলেন....খুব ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন:
জ্বী,
আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
একজন ব্লগার বলেছেন:
এত সুন্দর লিখনী আর গত প্রায় একবছরে মাত্র তিনটা পোস্ট? এভাবে পাঠকদের বন্চিত করার মানে কি? লেখক বলেছেন:
হুমমমমমম!
খুব খারাপ পারফর্মেন্স ![]()
মডারেটরদের বলুন, এই অপরাধে জানা নিকটি ব্যান করে দিতে।![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
পৃথিবী কি অসম্ভব সুন্দর আনন্দময়......তাই?কতদিন বাঁচতে চান আপনার সুন্দর পৃথিবীতে?
লেখক বলেছেন:
তাইতো!
অনেক অনেক দিন।
ধন্যবাদ।
মুকুল বলেছেন:
হু ম ম... কোথাও কেউ নেই... তারপরও বেঁচে থাকাটাই এক আশ্চর্য সুন্দর কবিতা...
লেখক বলেছেন:
সত্যিই !
জীবন এক আশ্চর্য সুন্দর কবিতা।
ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
ভাল থাকুন।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
আমি মনে মনে দেখতে পাই, একটি ফুলের মত শিশুর বজয়ী হাসি আর একজন বাহাত্তর বছর বয়সী যুবকের একজোড়া বিজয়ী, উজ্জল চোখ আর নির্মল হাসি।কে চায় না? পেলাচ।
লেখক বলেছেন:
পেলাচের জন্য ধন্যবাদ দস্যু !
মাইনুল বলেছেন:
অন্যকে আনন্দ দিতে পেরে আপনার যে ভাললাগা , তা সত্যিই সুন্দর।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মাইনুল,
আনন্দ ভাগাভাগি করতে বা অন্যকে একটু আনন্দ দিতে কার না ভাল লাগে বলুনতো?
ভাল থাকুন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
পৃথিবী কি অসম্ভব সুন্দর আনন্দময়.......।জানা আপু নভেম্বর এর পর মে মাসে এসে আপনার নতুন লেখা পেলাম।
লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন শামীম?
হুম! আমিতো ভয় পেয়ে লিখেছি ভাই! শুনলাম লেখালেখিতে দীর্ঘ মেয়াদী বিরতি যাদের, তাদের কঠিন একখানা পত্রে খুব করে বকে দেয়া হবে সাথে একটি 'চিকন ব্রযান্ডের' মোটা মাইনাচ। ![]()
![]()
![]()
![]()
কর্তৃপক্ষের ওসব পত্র-টত্র থেকে এই যাত্রা বোধ হয় বঁেচে গেলাম ![]()
ধন্যবাদ ।
বি পজেটিভ বলেছেন:
নামেই পরিচয়! +
জানা বলেছেন:
উম???
জানার কোনো শেষ নাই জানার চেষ্টা বৃথা তাই...
------এটা আমার ধ্রুব বিশ্বাস।
আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
জানা বলেছেন:
হ!
দুইন্যাডা বরই সোন্দর!
মানুষ যতদিন বাইচ্যা থাকে সব কিছুর মইদ্যে আরাম খুইজ্যা ন্যাওয়া উছিৎ।
কষ্ট না থাকলে আরাম বিচার করুম কুন বস্তু দিয়া?
কি কন, বুল কইয়্যা ফালাইলাম নাকি???
আরাম করেন!
দইন্যবাধ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দারুন লাগলো.......।ছোটবেলায় ফুল চুরি করে শহীদ মিনারে যাবার ঘটনা মনে পড়লো।
শুভেচ্ছা নিন।
জানা বলেছেন:
ধন্যবাদ সাজি!
হুম! কি ভীষন নিষ্পাপ সেই দিনগুলো!
চেষ্টা করলে আমরাই পারি শিশুদের একটি বঁঁাধভাঙা নির্মল আনন্দের শৈশব নিষ্চিত করতে।
ভালো থাকুন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হুমম ভালো আছি আপু। আপনি কেমন আছেন?'চিকন ব্র্যান্ডের' মোটা মাইনাচ ভালা জিনিষ। তয় ইট্টু টক টক লাগে
জানা বলেছেন:
ভাল আছি ভাইয়া,
'চিকন ব্র্যান্ডের' মোটা মাইনাচ ইট্টু টক লাগলেও ওসুবিদা নাই,
তিতা না লাগলেই হইলো।
উস্তা তিতা, করোল্লা তিতা, নীম তিতা....... কিন্তুক জিনিস বালা। ফালায়া তো দেইনা; তিতা না থাকলে মিঠা বুজবেন ক্যামনে???? কি কন?
লেখক বলেছেন:
খুব ভাল আছি ভাইয়া, ধন্যবাদ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
হৃদয় ছুয়ে গেল। ধন্যবাদআপনি নিয়মিত লেখেন না কেন?
আওয়াজে রেজিস্ট্রেশন করলেও পরে আর ঢুকতে পারিনি। ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড লিখলে এরর দেখায়। মেইলে জানতে পেরেছিলাম আপনি আওয়াজে আমাকে এড করেছিলেন। কিন্তু ঢুকতে না পারায় এক্সেপ্ট করতে পারিনি। দূংখিত, ভূল বুঝবেন না।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্যে।
আওয়াজের বিষয়টা চেক করে নিয়ে পরে আপনার সাথে যোগাযোগ করছি।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
জানা আপু, আপনি আসলেই অনেক কিছু জানেন। কিভাবে লিখতে হয় তা আপনার ভালভাবেই জানা। নিয়মিত লিখলে অনেক ভাল করতেন।।।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
ঠিক আছে।।।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
আরিফুর রহমান বলেছেন:
দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছে শিবিরের 'ডিয়ার'...
লেখক বলেছেন:
এমন অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য পড়ে নিজেকেই নির্বোধ মনে হচ্ছে।
জানা বলেছেন:
খুব আশায় থাকি, আমাদের বোধ, রুচি আর আত্নসম্মান সম্মিলিত হয়ে বিশুদ্ধ নিশ্বাস নিয়ে বাঁচার জন্যে একটি সংযমী আবহাওয়া বুঝি তৈরী হতে যাচ্ছে....
হায়!!!!!!
আমরা কেবল পেছনে হঁেটেই আত্নহনন করে যাই------
কি ভীষন বেদনার,
কি ভয়াবহ লজ্জার!
লেখক বলেছেন:
হা: হা: হা:
তবে, শেষেরটা সবচে' দুঃসাহসী।
ধন্যবাদ উন্মনা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ স্ট্রিং!
বেঁচে থাকা এক আশ্বর্য ব্যাপার
একটু অন্যরকমভাবে বলা......
এক বুজুর্গ ব্যাক্তির কাছে তার শিষ্য এসে বললেন, 'হুজুর আশ্চর্য ব্যাপার ঘটেছে। আমার এক পরিচিত ব্যাক্তি রাতে সুস্থ অবস্থায় বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল, কিন্তু সকালে তাকে মৃত পাওয়া গেছে। সে ছিল টগবগে এক যুবক, তার কোনো অসুখও ছিল না কেউ তাকে হত্যাও করেনি, সে আত্যহত্যাও করেনি। অথচ মৃত। আশ্চর্য ব্যাপার।" বুজুর্গ বললেন,' চিন্তা করে দেখ, মৃত্যুটা কোনো আশ্চর্যের ব্যাপার নয়। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে আমাদের এই বেঁচে থাকাটা। এই যে জীবন না চাইতে পেয়েছি এটাই হচ্ছে সত্যিকারের আশ্চর্যের বিষয়। তোমার জন্ম হওয়ার পর তুমি জানতে পারছ যে, মৃত্যু তোমাকে বরণ করতেই হবে। কিন্তু তোমার জন্মের আগে কি তুমি জানতে যে, এরকম সুন্দর একটা জীবন তোমাকে গ্রহণ করতে হবে? তাহলে কোনটা বেশী আশ্চর্যের ব্যাপার জানা জিনিষটা না অজানা জিনিষটা, তোমার জন্মের আগে তুমি জানতে না যে, সুখ-দুঃখ আর হাসিকান্না ভরা একটা জীবন তোমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। এখন বল আশ্বচর্যর বিষয় এ জীবনটা না মৃত্যুটা?" শিষ্য বললেন,' আমি বুঝতে পেরেছি'।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
রেটিং বলেছেন:
আরো কিছু লিখুন যেখানে থাকবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের হাসি,, ভালবাসা, কান্না এবং আমাদের বেচে থাকার কারন। একটি শিশুর জন্য জখন আমাদের মনটা আনন্দের ভরে ওঠে , ঠিক তকনই আরেকটি শিশুর দুখ কস্টে আমরা কেদে উঠি। লিখুন যতদূর মনটা যায়। আজকে আবার চেক করলাম নতুন কিছু আছে কিনা
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
আমি ঘটনাটাকে এভাবে দেখি যে, ৭২ বছরের বৃদ্ধ ও ৬/৭ বছরের শিশুর আনন্দটা যিনি নিরানন্দে পরিণত হতে দিলেন না তিনি তো আসলে জানা। না বলে সব ফুল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে জানা যদি ব্যাপক একটা হৈচৈ বাঁধিয়ে বসতেন (যেরকমটা সাধারণত ঘটে থাকে), তাহলে ওই ফ্ল্যাটবাড়ির সবকটা মানুষের সুন্দর আর আনন্দময় জীবন অনেকদিনের জন্য অসুন্দর ও নিরানন্দময় হয়ে যেতে পারত।গ্রেট জানা!!!
লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন কবি?
পুরো ব্যাপারটা শুধু ঘটে গেছে। আসলে পরিনতিটা যা হবার কথা ছিল তাই হয়েছে। ভাগ্যিস, যা হতেও পারতো তেমনটা হয়নি।
ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ, পড়ার জন্যে।
আপনার লেখার হাত তো খুবই ভাল। ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে ফাঁকে এরকম দু'একটা লেখা দিলে আমাদেরও ভাল লাগবে।
উন্মনা রহমান বলেছেন: ফুল, খাবার আর হৃদয় চুরিতে দোষ নেই।
লেখক বলেছেন: হা: হা: হা: তবে, শেষেরটা সবচে' দুঃসাহসী।
খুব ব্যক্তিগত মনে না করলে আপনার দ্বারা আরিলের বা আরিল দ্বারা আপনার হৃদয় চুরির উপাখ্যান টা আমাদের জন্য পোষ্ট করবেন। আমাদের দেশের ছেলেরা তো হরহামেশাই বিদেশী মেয়ে বিয়ে করছে, সেই তুলনায় মেয়েদের বিদেশী ছেলে বিয়ে করার ঘটনা খুব একটা ঘটে না। তবে আমার আগ্রহের বিষয় সেটা না। আরিল গত ১৪ বৎসর যাবৎ এদেশে আছে এবং এদেশের ভাষা এবং সঙস্কৃতিকে সে ভালভাবেই গ্রহন করেছে। চোখ বন্ধ করে বলা যায় এর পিছনের মূল প্রেরণাদাত্রী আপনি। আমার আগ্রহের বিষয় সেটাই। কিভাবে সম্ভব করলেন ? তবে একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় মনে করলে আগেই ক্ষমা চেয়ে রাখছি।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
অন্তত নিশ্চিত করে বলতে পারি, লেখার হাতের চে' হাতের লেখা কঁাচের মত ঝকঝকে। তাই আপনার পড়তে খারাপ লাগেনি। ![]()
আমারও ভাল লাগছে আপনাদের ভাললাগার কথা জেনে।
জানিনা, কিভাবে বলবো তবে হৃদয়ের মত অমূল্য জিনিষ চুরি করে দুঃসাহসি হবার চে' জয় করে নেবার শক্তি ও সৎসাহস লালন করি দু'জনই।
তার সাথে দু'জন মিলে অধিকার করে বসে আছি পৃথিবীর দু'প্রান্তের দু'টো দেশ, ভাষা, সংস্কৃতি, আনন্দ-বেদনা আর অহংকার করবার মত অসাধারণ সাধারণ দু'টো পরিবার।
কোন কিছুই আমার একার প্রাপ্য নয়।
আপনাকে ধন্যবাদ ।
ভাল থাকুন।
হনলুলু বলেছেন:
অনেক ভাল্লাগছে জানাপু .......
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
বুমবুম বলেছেন:
হুমমম আসলেই পৃথিবীটা সুন্দর আনন্দময়চুরি হওয়া ফুলগুলো কি কাজে ব্যাবহার হল তা নিয়ে একটা জরিপ হইতে পারে।ব্লগে ইদানিং জরিপ সিজন চলতেছে
লেখক বলেছেন:
আপডেট নিউজ তো জানিয়েছি ।
হ, হইলেও হইতে পার ।যেই সিজনে যেইটা মানায় আরকি ![]()
ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
পৃথিবী আসলেই সুন্দর। আর এই সুন্দরের পেছনে আছে প্রকৃতির বিশাল দান- সৌন্দর্যের অসীম ভান্ডার। প্রকৃতির সেই অফুরন্ত সুন্দরের সাহায্য নিয়ে মানুষও কখনও কখনও হয়ে ওঠে অনন্য সুন্দর। প্রকৃতির যথার্থ ব্যবহারে ফুটে ওঠে মননশীলতা। পক্ষান্তরে এই মানুষই আবার প্রকৃতিকে নির্বিচারে ধ্বংস করে চলেছে। পৃথিবীর সকল সুন্দরকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা তবুও ক্ষান্ত নই, সুন্দর অহরহ ছিনতাই হয়। আর সেই ছিনতাই সময়ে অন্যকে, সময়ে নিজেকে ক্ষণিকের জন্য হলেও আনন্দ দান করে। বিষাদ দূর করে। ভাল থাকুন। অর্কিড/গোলাপ শুভেচ্ছা সেই বয়সী যুবকের জন্য। আপনার জন্য ফুল হারানোর ক্ষণিক সমবেদনা। আর সেই পিচ্চির জন্য সৃষ্টিশীল ছিনতাইয়ের অপরিসীম সাহসিকতার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা, সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
'সৃষ্টিশীল ছিনতাই'- চমৎকার লাগলো শুনতে।
ভাল থাকুন।
কেএসআমীন বলেছেন:
ফুল, খাবার আর হৃদয় চুরিতে দোষ নেই..... চমৎকার...
নিলা বলেছেন:
ভালো লাগায় মন ছোয়ে গেলো। পৃথিবীটা আসলেই অসম্ভব সুন্দর লাগে যখন এই রকম নিষ্পাপ সুন্দর মুখগুলো ভেসে উঠে চোখের সামনে। যখন একজন মানুষের মুখে আনন্দের নির্মল হাসি ফুটে উঠে।
দাদাজানের জন্য বিলেটেড হাফি বার্থডে। শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ নিলা,
ভাল থাকুন।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
পৃথিবী অসম্ভব সুন্দর আনন্দময়!
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
প্রত্যেকটা জিনিসের ভিতরে কিছু না কিছু থেকে যায় যেটার জন্য সেটাকে হালকা হলেও খারাপ দেখায়। ফুলের মধ্যে পোকা, ব্লগের মধ্যে াাারএদেরকে এড়িয়ে গেলেই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ করা হবে আপু।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
আপু, ভোট দিয়ে নির্বাচন করুন সেরা এন্টিভাইরাস
আরোও জানতে এবং ভোট দিতে এখানে ক্লিক করুন।

















?