আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যাদের মুখাপেক্ষী প্রায় প্রতি মুহূর্ত

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে জীবন যাপন নিয়ে কম-বেশী অনেকেই কথা বলে থাকি আমরা। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে আবার ঘুমোতে যাওয়ার মাঝখানটা প্রতিদিন প্রায় একই ছকে, একই নিয়মে চলতে থাকে। শুধু ক্ষেত্রটি আলাদা যার যার মতন। কারো কারো ক্ষেত্রে যে এর ব্যাতিক্রম নেই তা বলছি না। তবুও .......!

ক'দিন আগের এক সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফিরে একটু বৈচিত্র্যতা পেতে আমরা বাইরে বেরুবো ঠিক করি। পরের দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন তাই ভাবলাম আশেপাশের কিছু বাচ্চাদের সাথে নিয়ে ওদের মত করেই আজ কিছুক্ষণ কাটাবো। বেরুতেই দেখি বিশাল খোলামেলা গ্যারেজটার ভেতরে ওরা খুব হৈচৈ করে খেলছে। ওরা তিনজন। ৬ থেকে ৮ বছর বয়সের এই তিনটি শিশুর আশেপাশেই রয়েছে আরও তিনজন যাদের বয়স ১০ থেকে ১২বছরের মধ্য; যারা সর্বক্ষণ দায়িত্বশীল নজর রাখছে ঐ তিনটি শিশুর ওপর!

বল্লাম, 'কে কে আমাদের সাথে এখন খেলতে চায় দেখিতো?( মাঝে মাঝেই আমরা এমন একসাথে খেলি, একসাথে কেক-কুকিজ বেক করি, পার্কে নিয়ে যাই)

আমি আমি আমি; তিনজনই প্রায় ছুটে এলো আমাদের দিকে। ওদের সাথে ছুটে এলো বাকী তিনটি শিশুও, যাদের দায়িত্ব অনেক! এদের মধ্যে একজন অস্ফুটে বলেই ফেল্লো, আমরাও আপনাগো লগে যামু?

আমি ভাবি, খুব ভাল হয় যদি ওরাও সঙ্গী হতে পারে, ওরাও একটুখানি অন্যরকম সময় পাবে। চেষ্টা করে দেখি না একবার! অনুমতি মিললো না ওদের! মায়েরা খুশী হয়ে বাচ্চাদের পাঠিয়ে দিলেন আমাদের সাথে। ওরা শুধু আমাদের বৈচিত্র্যময় জীবন-যাপনের দিকে চেয়ে রইলো। এক রকম অপরাধ বোধ আর বৈচিত্র্যতার কষ্ট আমায় ঘিরে রইলো।

এ,সব নতুন কিছু নয়; বরং আমাদের প্রতিদিনের হাজারো গল্পের একটির ছোট্ট একটি দৃশ্য মাত্র! তবু আমরা কি কখনও একটিবার ওদের কথা ভাবি না? কেউ কেউ তো ভাবেন নিশ্চয়!

প্রকৃতপক্ষে ওরা তো আমাদের পরিবারেরই একজন। আমরা ক'জন ভাবি ওদের প্রকৃত শ্রমের বিনিময় মূল্য ঠিকমত দিচ্ছি কিনা, একটুখানি ভালবাসা, স্নেহ-মমতা, নিদেনপক্ষে দু'টো মিষ্টিকথা আমরা কি ওদের দিয়ে থাকি? যে খাবার আমার জন্যে আর খাদ্য বিবেচনা করছিনা তা কি করে আরেকটি মানুষের হাতে তুলে দেই?

একটি মর্মান্তিক দৃশ্য আমি অনেকবার দেখেছি!

খাবারের দোকানে টেবিল ভরা খাবার নিয়ে খাওয়ায় আর গল্পে মেতে উঠেছে সুখী পরিবার; আর তাদের শিশুটিকে যে দেখাশানা করে (১০/১২ বছর বয়সী আরেকটি প্রায় শিশু) সে দঁাড়িয়ে রয়েছে খানিকটা দুরে। মাঝে মাঝে কর্তৃর হুকুম অনুযায়ী কাছে এসে নানান দায়িত্ব পালন করে আবার দুরে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে। কেউ একটিবারও ভাবলো না ওর খাওয়ার কথা...! ভোজনানন্দ নিয়ে মহাতৃপ্তিতে ফিরে যায় তারা...!

এক অদ্ভুত অনুভূতি আমাকে ছঁিড়ে খঁুড়ে ফেলে। চোখ জ্ব্ালা করতে থাকে...ক্ষুদ্রতার দায়ভার নিজের ভেতরেই অনুভব করি, গড়ার চেয়ে ভাঙ্গার প্রবল ইচ্ছা আমাকে বিভ্রান্ত করে দেয় বারবার...।

আর একটু অন্যভাবে যদি ভেবে দখি? যারা আমাদের সাহায্য(প্রশ্নাতীত বিনিময়ে) করে জীবন ধারণ করে, তাদের সংখ্যা তো কম নয়; একটি বিশাল জনগোষ্ঠি এই পেশায় নির্ভরশীল বলতে পারি। ওদের জন্যে আমাদের ভাবনাটা কি হতে পারে? আমরা যদি 'কাজের লোক' বর্জন করে আত্ননির্ভরশীল হওয়ার কথা ভাবি সেতো ভাল কথা, কিন্তু ওরা কিভাবে বঁাচবে?

ওদের সম্মান-সম্মানি(!!!), নিরাপত্তা, ভালবাসা ও মমতার অধিকার সর্বোপরি সুস্থ বিনিময় নিয়ে আমাদের সচেতনতাই বা কতটুকু? উন্নয়নশীল/ কল্যানমূখী দেশ হলেও এ, দেশে হাতে গোনা দু'একজন ছাড়া, এমন কি যাদের সামান্যই সামর্থ তারা প্রায় সবাইতো ওদের উপর নির্ভরশীল এবং তা ক্রমশ: বেড়েই চলেছে দিন বদলের(সামাজিক প্রেক্ষাপট) প্রেক্ষিতে। আমরা কি প্রকৃতপক্ষে ওদের মুখাপেক্ষী নই? উভয় পক্ষেরই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার সহজ পথ খঁুজে পাওয়া বোধ করি অনিশ্চত সময়সাপেক্ষ।

অন্যদিকে ওদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অহরহ ক্ষুন্ন হয় বাড়ির অসৎ পুরুষ সদস্যের কাছে এবং বাড়ির কর্তৃর কাছ থেকে পাওয়া লাঞ্ছনাও তাদের নিত্যপ্রাপ্য! আর এ,ভাবেই পরিবারের ছোটরা জানে, দেখে, শেখে এবং অনুকরণ করে।

আমাদের বোধ আর বিবেককে আমরা যদি জাগিয়ে রাখতে পারি, প্রতিটি পরিবার যদি এ, বিষয়টিতে আন্তরীক হই; সুফল আসবেই। এ,জন্যে পরিবারের দায়িত্বই সবার উপরে। ভাল আর মন্দের শিক্ষা আর চর্চ্চাতো পরিবার থেকেই শুরু হয়।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে আবার ঘুমোতে যাবার অনিশ্চিত সময় পর্যন্ত এরা শ্রম দিয়ে যায় আমাদের; রঙহীন, বৈচিত্র্যহীন প্রানহীন এই জীবন-যাপন নিয়ে বোধ করি আমাদের ভাবনা আর দায়িত্ববোধ কোথাও, কোন গভীরে চাপা পড়ে গেছে! তবু আমরাতো হতাশ হই আমাদের একঘেয়েমী এই জীবন-যাপনে!













 

 

  • ১২৫ টি মন্তব্য
  • ১২৩২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
comment by: নুশেরা বলেছেন: সুন্দর ভাবনা। ভাল লেখা।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন:
পড়ার জন্য ধন্যবাদ নুশেরা।

২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
comment by: সাইফুর বলেছেন: সবাই কি এভাবে ভাবে? ভাবে না
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন:
সবাই না হলেও অনেকেই ভাবে। চর্চ্চা রাখলে এই 'অনেকেই' একদিন অসংখ্য হবে। ধন্যবাদ সাইফুর।

৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কথা সত্য। পড়ে মনে হচ্ছে আমরাতো এরকমই, বদলে যেতে হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আবারও আমরা আবার সেই একঘেয়েমি জীবন যাপনে ফিরে যাই।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন:
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শওকত হোসেন মাসুম।

৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন:
এভাবে হয়তো আমরা অনেকেই ভাবি কিন্তু কেউই কিছু করি না।

আপনার বাসায় কাজের জন্য ছেলে-মেয়ে কি আছে ? যদি থাকে তবে কি তারা একই টেবিলে বসে আপনাদের সাথেই ব্রেকফাস্ট-লান্চ-ডিনার করার সৌভাগ্য পায় ?
আগে দরকার আত্মশুদ্ধি তার পর অন্য কিছু।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন মাহবুব সুমন? জানি সদ্য বাবা হওয়ার অসম্ভব আনন্দে দিন কাটছে আপনার :)

দেখুন আমি/আমরা কাজ করি। দিনের অনেকটা সময় ঘরের বাইরে কাটে। ঘরের কাজে আমাদেরও সহযোগিতা করার জন্যে তারা আছে, আমরা যাদের মুখাপেক্ষি। আপানার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি সত্যিই বিব্রত বোধ করছি। কারণ আমার ভাবনা এবং জীবন-যাপনের মধ্যে তেমন দুরত্ব নেই বলেই বিষয়টি নিয়ে দু'টো কথা বলবার সাহস করি।

একই টেবিলে বসে আমাদের সাথে তাদের ব্রেকফাস্ট-লান্চ-ডিনার করার সৌভাগ্য বিবেচনার চেয়ে আরো অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন বিষয় রয়েছে বিবেচনা করবার জন্যে যা তাদের অন্তত স্বাভাবিক জীবন-যাপনের জন্য জরুরী। তারা দিনের কতটুকু সময় আমাদের জন্যে ব্যয় করছে এবং তার সম্মান ও সম্মানজনক বিনিময়মূল্য আমাদের কাছ থেকে পাচ্ছে কিনা, তাদের প্রয়োজনীয় খাবার ও স্বাস্থ্য নিয়ে আমি/আমরা সচেতন কিনা, আমার/আমাদের বাক্য এবং আচরণ তাদের কষ্ট দিচ্ছে কিনা, তাদের কতটুকু নিরাপত্তা দিতে পারছি এ,সব প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলোই বোধ করি আগে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আর দশটা সাধারণ মানুষের মত আমারও ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে এবং তার জন্যে 'আত্নশুদ্ধি'র প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করি না। ভাল থাকবেন।

মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


৫. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: নিঃসঙ্গ বলেছেন: অনেক দিন পরে আরো একটা ভালো লিখা পরলাম :)
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: লেখাটি পড়বার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
comment by: পলাশমিঞা বলেছেন: আপাগো

খাবারের দোকানে টেবিল ভরা খাবার নিয়ে খাওয়ায় আর গল্পে মেতে উঠেছে সুখী পরিবার; আর তাদের শিশুটিকে যে দেখাশানা করে (১০/১২ বছর বয়সী আরেকটি প্রায় শিশু) সে দঁাড়িয়ে রয়েছে খানিকটা দুরে। মাঝে মাঝে কর্তৃর হুকুম অনুযায়ী কাছে এসে নানান দায়িত্ব পালন করে আবার দুরে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে। কেউ একটিবারও ভাবলো না ওর খাওয়ার কথা...! ভোজনানন্দ নিয়ে মহাতৃপ্তিতে ফিরে যায় তারা...!

পড়েই আমার নির্লজ্জ চোখ জল এসেছে :( আপনি একজন মমতাময়ী।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: জ্বী ভাইয়া, আমরা একটু একটু করে আরো উদার হতে পারবো আর ওদের মুখে হাসি ফুটবে। মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: প্রথমত প্রতিটা কাজের সাথে জড়িতদের সমান সম্মানের চোখে দেখা দরকার।
তাদের জীবন যাত্রার মানের একটা লেভেল, শ্রমিক হিসাবে নয়, একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে।
ওদেরকে দমিয়ে, ঠকিয়ে আমরা দালান তুলতে চাই, কি হাস্যকর। ওদের কে ছাড়া আমরা শুণ্যাতীত।

অনেক ভালো লাগলো লেখাটা। প্রিয়তে সাজিয়ে রাখার মতোই।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: " প্রতিটা কাজের সাথে জড়িতদের সমান সম্মানের চোখে দেখা দরকার"---
জরুরী কথাটাই বলেছেন। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: সবার ভাবনা কেন এমন নয়।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: একদিন আমাদের বোধ আর মমতা মিশে আলোময় দিন আসবে বিশ্বাস করতে চাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

৯. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
comment by: সোমেশ্বর অলি বলেছেন: ''ওদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অহরহ ক্ষুন্ন হয় বাড়ির অসৎ পুরুষ সদস্যের কাছে এবং বাড়ির কর্তৃর কাছ থে পাওয়া লাঞ্ছনা ও তাদের নিত্যপ্রাপ্য! আর এ,ভাবেই পরিবারের ছোটরা জানে, দেখে, শেখে এবং অনুকরণ করে''

উপরোক্ত ব্যাপারে একটু সচেতন হলেই যুগ যুগ ধরে একই অন্যায় আচরন টিকে থাকতোনা। ওরা পেত অবহেলাহীন ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ...

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সোমেশ্বর অলি।

১০. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: জানাপু আপনাকে পাইছি---আমি বিশ্বাসী ব্লগার হওয়ার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করছি।মোবাইল নম্বর সত্যায়িত করার জন্য বেশ কয়েকবার মেইল পাঠিয়েছি। আমার টিকেট নং ২২৫ । আমার প্রথম পাতায় পোস্ট এক্সেস ও নিরাপদ ব্লগার হওয়ার বিষয়টি দেখলে উপকৃত হব।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে মেইলে যোগাযোগ করছি, এখানে নয়।
ভাল থাকবেন রাঙা মীয়া।

১১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: সুন্দর বোধ..........সচেতন যারা হবার কথা তারা তো চোখ বন্ধ করে থাকে......একটু অনুভব করলেই তো হয়।কবে তারা চোখ খুলবে মনের?
শুভকামনা আপনাকে।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুলতানা শিরীন সাজি।
ভাল থাকবেন।

১২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
comment by: প্রজ্ঞা বলেছেন: ভাবনাটি ভাল লেগেছে।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: মনডা উদাস হইচে:(
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন:
আমারও একইরকম চিকনমিয়া!
পড়ার জন্য আপনাকে পেলাচ।

১৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১২
comment by: রাতমজুর বলেছেন: এভাবে ভাবাটা জরুরি সবার জন্যেই।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: হুমমম! খুবই জরুরী। আর এ,জন্য দরকার একটু ভালবাসা, একটু মমতা। ভালবাসাই বদলে দিতে পারে অনেককিছু।
ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৫. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১
comment by: নাভদ বলেছেন:
@জানা,

কমেন্ট মুছে দেয়াটা কি খুব জরুরী ছিল?
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন:
আমি দু:খিত নাভদ! মুছে দেয়াটা প্রায় জরুরী ছিল। কারণ তা মন্তব্যের ঘরে লেখা একটি অপ্রাসংগিক( যদিও জরুরী) একটি বিষয়। এ,টি আমার ব্লগের পাতা। এখানে প্রসংগের বাইরে কোন কিছু নিয়ে আলোচনা করতে আমার আগ্রহ নেই। আপনার সাথে মেইলে যোগাযোগ করছি।
ভাল থাকবেন।

১৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: নিহন বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিহন।

১৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সুন্দর ভাবনা এবং লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম।

১৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪০
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
অফটপিক:
কদিন আগে, ঈদের সময়, আমাদের এক ব্লগার এরকম কজনা গৃহকর্মীকে নিয়ে অসাধারন একটা কাজ করেছে, পুরা স্টেজ প্রোগ্রাম, ছোট করে, নিজেদের কম্যিউনিটিতে।
১৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০১
comment by: লুকার বলেছেন: ‌হুম্‌ম্‌ম্‌ম্‌ !
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: :( !

২০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: আমাদের বড়ত্ব,অহংকার,পশুত্ব,বিবেকহীনতা ,মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়তা,শ্রেণীগত বৈষম্যের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায় বিচারের অভাব ইত্যাদি উপসংগ আমাদের মনুষ্যত্ব বোধকে দিন দিন পংগু করে দিচ্ছে।
শুধু চোখ দিয়ে দেখে যাই, অবলোকন করি,কিন্তু হৃদয়ের সত্বাকে জাগ্রত করতে পারিনা।

আপনার পোস্টটি ভাবনা জাগানিয়া।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেকদিন পর এখানে দেখতে পেয়ে খুব ভাল লাগছে বিহংগ। দেশে ফিরছেন কবে?

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এইভাবে অন্তত ভাবা দরকার সবার।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: খুব দরকার।
ধন্যবাদ।

২২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন:

একটা সময় এই সমাজের মানুষে চোখে এগুলো পড়তনা, এগুলো স্বাভাবিক ছিল। এখন খারাপ লাগে, পরের জেনারেশনের কাছে অসহ্য লাগবে। তারপরের জেনারেশন সমস্যার সমাধার করবে।
প্রথমপর্যায় শুরু হয়েছ। আপনার পিচ্চিরা দ্বিতীয় পর্যায়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আর ওদের পিচ্চিরা সমস্যার সমাধান করবে।

কি ঠিক বললাম?
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: খুবই আশার কথা। আপনার কথাগুলো সত্যি হোক বিবর্তনবাদী। আসুন আমরাই খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যাই এই বোধ!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমম.।ভালোলেখা।

বিংশশতাব্দীর এই দাসপ্রথা সম্পর্কে আমরা জেনে-শুনে-বুঝেও নির্বাক থাকি।মাঝেমধ্যে হয়তোবা বিব্রত হয়।এর বেশি কিছু না।

এই দাসপ্রথার অবসান ঘটুক।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: এই অসুস্থ প্রথার(!) অবসান হোক।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২২
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:

ভাবনা গুলো সুন্দর.....ভালো লাগলো....
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: পারভেজ বলেছেন: আপনি তো দেখতে পেলেন অনেক কিছু। অনেকে তো দেখতেই পায় না এই সব ছকে বাঁধা বাস্তবতাগুলিকে। আমরা আসলে খুব দ্রুতই অভ্যস্ত হয়ে পরছি আধুনিকতার নিষ্ঠুরতায়। পরের প্রজন্মে যদি মূল্যবোধগুলিকে কোন ভাবে সঞ্চারিত করা যেত- তাহলে হয়তো ওরাই প্রতিবাদ করে তাদের অধিকারের জন্য গলা মেলাতো। তিন শিশু হয়তো বাকি তিন জনের জন্যও সেভাবেই চাইত। ধন্যবাদ
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: কেবল আমি একা নয়; আমার বিশ্বাস সবাই দেখতে পায়। শুধু আমরা আমাদের 'বোধ' এর দরজাটা খুলতে চাওয়ার/ইচ্ছার অভাব। চাইলেই 'বোধ আর মমতা' জাগিয়ে তোলা সম্ভব নিজের মধ্যে।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
comment by: রাজামশাই বলেছেন:
মারহাবা মারহাবা

অতি উত্তম ভাবনা।

এই নে স্বর্ণমুদ্রা তোর পুরস্কার



উপযুক্ত পারিশ্রমিক :)
২৭. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: সামগ্রিকভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলে ...সেই সাথে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের পদ্ধতি-অভ্যাসগুলো বেশ কিছু পরিবর্তন, এমনকি একটু আধুনিকায়ন করলে আমার মনে হয় অনেক ধরনের বৈষম্য কমে আসবে ...

যেমন ধরা যাক আমাদের খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন হয়ত, বাড়ীর মা-বউদের রান্নঘরে কম সময় আটকিয়ে রাখতে পারে, সেক্ষেত্রে কমে আসবে বাড়ীতে কাজের মানুষের নির্ভরশীলতা ...
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন:
অবশ্যই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে ভেবে দেখবার আইরিন। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জীবন-যাপনের পদ্ধতি পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের সাথে সাথে আবারও বলতে চাই ঐ 'বোধ ও মমতা' র চর্চ্চার কথা। যার প্রয়োজন সবার আগে।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আইরিন।
ভাল থাকবেন।

২৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
comment by: জানা বলেছেন: ছি, ছি রাজামশাই! প্রজাদের সাথে তুই-তোকারী করবেন না ; মনে লাগে, মানে লাগে :(। এ,ভাবে চলতে থাকলে বলা যায় কি, অচিরেই হয়তো একদিন আপনার প্রজাদের সমাবেশ হবে আপনার রাজপ্রাসাদের সামনে। সমবেত স্বরে সবাই বলবে " দড়ি ধরে মারো টান, রাজা হবে খান খান। ;)
২৯. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: নিজের শরীরের ভিতরেই দেশকে অন্তরংগ করে রেখেছি, ইচ্ছে করে এখনি ছুটে আসি। কিন্তু ঐ যে বৈষয়িক জীবনের জটরজ্বালায় বন্দিত্ব।
মাঝে মাঝে জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন স্টেটে যেতে হয়।
কিন্তু নিজের দেশটিই বার বার পরবাস হয়ে রয়।
কী দুঃখময় জীবন!!
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: 'নিজের দেশটিই বার বার পরবাস হয়ে রয়।'

মন খারাপ হয়ে গেলো বাক্যটিতে! কী ভীষন আকুতি!
তবুও ভালো থাকুন, ছুটে আসার, ফিরে আসার অপেক্ষায়..।

৩০. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: মানুষ বলেছেন: :(
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: :(

৩১. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
comment by: নোবেলজয়ী বলেছেন: আপনি কি ক্যাতা শব্দটির সাথে পরিচিত? আপনি কি ক্যাতা করতে ভালোবাসেন? আপনি কি ব্লগের সব ক্যাতাপ্রেমিকদের সাথে মিলে একটি গ্রুপে আরাম করে ক্যাতা করতে চান? তাহলে আজই যোগ দিন নতুন গ্রুপ..."ক্যাতার কারখানা"য়

http://www.somewhereinblog.net/group/keta


এই গ্রুপে দয়া করে যোগ দিন আপু...সন্মানিত বোধ করব :)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন:

আমার 'গ্রুপ সদস্যপদ প্রক্রিয়াধীন' :)
ভাল থাকুন নোবেলজয়ী।

৩২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভালো চিন্তা। তবে আমরা এইসব লেখি, পড়ি, প্লাস দেই, তার আবার ভুলে যাই। :(

খারাপ লাগা ব্যাপারটা খুব সহজেই মিলিয়ে যায়।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন:
তবুও চাইলে একটু একটু করেই বড় কোন পরিবর্তন সম্ভব। অন্তত একটু ভালবাসা
ও মমতা দিয়েই তো শুরু করা যায়।

ধন্যবাদ রাশেদ।
ভাল থাকবেন সবসময়।

৩৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
comment by: অপ্‌সরা বলেছেন: আমি দেখেছিলাম এক শীতের সকালে একজন কেতাদুরস্ত মহিলা তার প্লে গ্রুপে পড়া বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে এসেছিলেন, একটি ৮/৯ বছরের বাচ্চা মেয়ের কোলে চড়ে বাচ্চাটি এসেছিলো।বাচ্চাটি ও মা পোষাকে আষাকে ছিলো দামী পোষাকের দোকানের জীবন্ত মডেল। আর ঐ ৮/৯ বছরের মেয়েটির পরণে ছিলো ছিন্ন মলিন নোংরা একটা ফ্রক।মহিলাটি জানতে পাননি উনার ও বাচ্চাটির পোষাক আষাক সাজসজ্জা পোষাক আষাকের সৌন্দর্য্য মলিন হয়ে গিয়েছিলো সাথে করে আনা ঐ মেয়েটির নোংরা মলিন জামাটির সাথে সাথে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন:
এমন ছোট-বড় হাজারো দৃশ্য রয়ে যায় আমাদের চোখের সামনে।
মর্মান্তিক!

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: একই টেবিলে বসে আমাদের সাথে তাদের ব্রেকফাস্ট-লান্চ-ডিনার দরকার নাই । নিদেন পক্ষে আমরা যা খাচ্ছি সোটাই ওরা একই ঘরে থেকেও ভাগ পায়না । অনেক বাসায় দেখেছি এমন ।

আমার মা ঈদের সময় সবাইকে সালাম করার সময় আমাদের বাসায় অনেকদিনের পুরনো বৃদ্ধা বুয়াকেও সালাম করাতেন । সত্যি বলতে .. তখন একটু অস্বস্তি বোধ করতাম এই কাজটা করতে । আর বুয়াকে দেখতাম দু'চোখ ভরা পানি নিয়ে সারা গায়ে হাত বুলিয়ে দোয়া করে দিতেন । আমাদের প্রজন্ম কি এই কাজটা আমাদের সন্তানদের দিয়ে কখনো করাতে পারবো ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন:
একই কথা আমিও ভাবি বি.মা. :(

সম্পূর্ন সমতার ভাবনাটি বেশ ভারী এবং দুরের। কিন্তু খাবারের দিকটা, মর্যাদা, নিরাপত্তা, সাধারণ চিকিৎসা সর্বোপরি একটুখানি ভালবাসা, মিষ্টিকথা তো অনেকটাই বদলে দিতে পারে এই পরিস্থিতি। প্রায় সব পরিবারেই লক্ষ্য করি, বাড়ির সাহায্যকারীকে ছোট-বড় সবাই নাম ধরে ডাকে; তুই-তোকারি করে। ওদের সাথে নির্বিকারভাবে এমন আচরণ করা হয় যেন ওরা মনুষ্যের বাইরের কিছু এবং এটাই ওদের প্রাপ্য:(! বড়দের দেখেই শেখে ছোটরা এবং এই চর্চ্চা চলতে থাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
আমি প্রায় সারাজীবন দেখে এসেছি, মাঝবয়সী কোন লোক আমাদের বাড়িতে রান্নার কাজটি করতে যাঁকে আমরা সবক'টা ভাই-বোন চাচা বলেই ডেকেছি, আহ্লাদ-আব্দার করেছি সম্মান করছি, আমার মা'ও তাঁকে আপনি করেই বলেছেন; প্রয়োজনীয় সম্মানটুকু দেখাতে কখনও ত্রুটি রাখেন নি।
আপনাদের বাড়ির বৃদ্ধা সাহায্যকারীর সাথে আপনাদের আচরণ ও সম্পর্কে আপনার মায়ের ভূমিকা উদাহরণ বটে। শ্রদ্ধা ও ভালবাসা রইলো এমন মা'দের জন্য।
ভাল থাকবেন বি.মা. ।






৩৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
comment by: তপন চৌধুরি বলেছেন: বীজহীন টনি ব্লেয়ার
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ?????????? :-*

৩৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: খুব মর্মান্তিক লেখা জানাপু। খুব কষ্ট পেয়েছি। মাঝে মাঝে আমিও এমনটা ভাবি। ভাবি যে আমি যদি থাকতাম আজ ওদের জাগাতে, তাহলে আমার কেমন লাগতো? তখনই নিজেকে প্রচন্ড অসহায় মনে হয় আর...ওদের জন্য কিছু না করতে পারার ব্যর্থটাকে পাশ কাটিয়ে এড়িয়ে চলে যাই।

আমাদের বাসার কাজের মেয়েদের একটা পোস্ট দেবার ইচ্ছা আছে। সেটা পড়লে বুঝতে পারবেন, ওরা সবসময় অসহায় নয়!:(

কথাটা কি বিমাদাকে উদ্দেশ্য কইরা বলা তপোন্দা?;)
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
এ, বিষয়ে লেখা আপনার আসন্ন পোস্টটি পড়ার অপেক্ষায় থাকবো।
ভাল থাকবেন।

৩৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৬
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: আপনার সুন্দর ভাবনাগুলো কেন আমরা ভাবিনা? আমরা কেন এদের কে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করি না। সেটা আমার দুঃখ!!
আমরা আমাদের নিজেরদের কতৃর্ত্ব ও বড়ত্ব দেখাতে গিয়ে অমানবিক কাজ করি। সবাইকে সমান চোখে দেখিনা। কাজকে সমান ভাবে দেখি না।

একেতো নিজের কাজ নিজে করতে শরম পাই, আবার যারা করে তাদের মূল্যায়নও করি না।

সুন্দর পোষ্টের জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ আপনাকে
ভালো থাকুন।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: লেখাটি পড়ে সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ চিটি।
ভাল থাকবেন সবসময়।

৩৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১০
comment by: রাহা বলেছেন: আমরা তো ক্রমশঃ যন্ত্র হয়ে যাচ্ছি!!!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: :(

৩৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
comment by: জয়ন্তী বলেছেন: আমাদের সকলের উচিৎ ওদের কথা ভাবা।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: উচিত কাজটা আমরা সকলে মিলেই করবো এবার।
ধন্যবাদ।

৪০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
comment by: মানবী বলেছেন: অনেক দিন পর জানা'র পোস্ট! ভালো লেগেছে পোস্টের বিষয় ও আলোচনা, গৃহকর্মী ও তাঁদের মতো মানুষদের নিয়ে কিছুদিন ধরে লিখবো ভাবছিলাম!

একটি বিষয় আমরা অনেকেই ভুলে যাই, এই অমানবিক চিত্রটিই কিন্তু পুরো বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করেনা, এর উল্টো চিত্রও আছে। যার প্রমান এই পোস্টটিতে বিভিন্ন জনের সু্স্থ চিন্তার প্রকাশ- পরিবার থেকে না শিখে এলে এই পোস্টের লেখক বা বিবেকবান মন্তব্যকারীরা এমন করে ভাবতেননা।

বাড়িতে গৃহকর্তার সাথে খাবার টেবিলে বসে খাওয়া হয়তো গৃহকর্মীদের কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়(যদিও আমার পরিবারের অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন), আমরা কাছেও তা জরুরী মনে হয়না। যে মানুষটি আমাদের বাসায় থাকছেন, কাজ করছেন.. আমরা যে খাবার খাই তাঁরা তেমন খাচ্ছেন কিনা, যেমন বিশ্রাম করি বা রিক্রিয়েশন করি তাঁরা সেই সুযোগ পাচ্ছেন কিনা, বাড়ির শিশুরা যেমন স্কুলে যায়, খেলাধুলা করে, সমবয়সী বা কাছাকাছি বয়সের গৃহকর্মীরা সেভাবে পড়ার ও সুযোগ পাচ্ছে কিনা তা অনেক বেশি জরুরী ও গুরুত্বপুর্ণ।


বাড়ীর ছোটরা যদি বয়ঃজেষ্ঠ গৃহকর্মীদের "তুই" সম্বোধন করে, আমার ধারনা এতে গৃহকর্মীদের অসন্মানের চেয়ে বাড়ির কর্তা কত্রীর ব্যর্থতা বেশি প্রকাশ পায়।

কয়েকটি মন্তব্যে দেখলাম "ছোট মেয়ে কোলে শিশু নিয়ে বা দূরে অভুক্ত দাঁড়িয়ে আছে, আর গৃকত্রী/কর্তারা শিশু সহ খাদ্য গ্রহন করছে"--- এমন কুৎসিত দৃশ্যে কাদের অসভ্যতা যে প্রকট হয়ে উঠে তা বোধহয় এমন লোকেরা বুঝতে অপরাগ।
কমবয়সী গৃহকর্মীকে অভুক্ত রেখে গৃহকত্রী আহার করছেন এমন দেখার দুর্ভাগ্য হয়নি। বাড়িতে গৃহকর্মীরা নিজেদের মতো আলাদা বসে খাবার খেলেও কোন অনুষ্ঠান বা রেস্টুরেন্টে গিয়ে বাড়ির সকলের সাথে এক টেবিলে বসে আহার করছেন, এম দৃশ্য বহুবার দেখেছি। এটা বেশি স্বাভাবিক মনে হয়, বিপরীত দৃশ্যটি অস্বাভাবিক ও কুৎসিত বলেই আমাদের চোখে এভাবে ধরা পড়ে।


পোস্টের বিষয় ও আলোচনা ছুঁয়ে গেলো বলে মন্তব্যটি বেশি বড় হলো, দুঃখিত।

সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ জানা।
৪১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০০
comment by: কঁাকন বলেছেন: আপনার বা আরিল ভাইর ই-মেইল এড্রেসটা দেয়া যাবে?
ভালো থাকুন
৪২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনার পোস্ট ও পরবর্তিতে আমার মন্তব্য এবং তার পিঠে আপনার মন্তব্যের সাথে কিছু যুক্ত করছি।

আমাদের বাসায় যারা সাহায্যের নামে এক ধরনের আধুনিক দাস হিসেবে আছেন তাদের জন্য হয়তো স্বল্প সংখ্যক মানুষ অনুভব করতে পারে ( এটাও অনেক কিছু অবশ্য ) কিন্তু প্রকৃত কিছু করতে পারে খুব কমই মানুষ , যেটা আসলেই অনেক দরকার।

৮ ঘন্টার কর্মদিবস কি পালন করতে দেয়া হয় ওদের ?
অতিরিক্ত কাজের জন্য কি ওভারটাইম দেয়া হয় ?
উপযুক্ত পারিশ্রমিক কি আদৌ দেয়া হয় ?
বয়সের ব্যপারটা কি আমরা বিবেচনায় আনি ?
পড়াশোনায় সাহায্যের কথা বলি অনেকেই কিন্তু নিজের ছেলেকে পাঠাই আমরেরিকান ইন্টারন্যাশনালে কিন্তু কাজের ছেলেটাকে পাঠাই পাশের বস্তিতে এনজিওর বিনে পয়সার স্কুলে।

নরওয়ে ও বাংলাদেশের তুলনা করার জন্য উপরের প্রশ্নগুলো ব্যবহার করা যায় না !! ;)

যা বলছিলাম, অনেক কিছুই করা উচিত কিন্তু অনেক কিছুই করা হয় না বা সম্ভব হয় না। অন্তত অনুভব করার সাথে সাথে প্রকৃত ( দেখানোর জন্য না ) কিছু করা উচিত।

অনেক কিছুর আগে দরকার মানুষ হিসেবে তাদের সম্মান দেয়া ও নিজের মতোই সমমর্যাদা দেয়া, যেটা আমরা অনেকেই করি না। এজন্য রুপক অর্থে একই টেবিলে বসে খাবারের কথা বলেছি। নরওয়েতে আপনার বাসার কাজের জন্য লোক পাবেন ( টাকা দিলে পাওয়া যায় ) , তাকে যে সুযোগ সম্মান দেয়া হয় তা কি আমরা বাংলাদেশে দেই ?
৪৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
comment by: শফিকুল বলেছেন:
আপনার সব লেখা আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়নি ,

এটা পড়লাম , ভাল , বেশ ভাই লাগল ,

বেশ আবেগ দিয়ে লেখা।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

৪৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: যথারীতি আরেকটি অসামান্য মানবিক আবেদন সম্পন্ন পোস্ট... এক অদ্ভুত অনুভূতি আমাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলে। চোখ জ্বালা করতে থাকে...ক্ষুদ্রতার দায়ভার নিজের ভেতরেই অনুভব করি, গড়ার চেয়ে ভাঙ্গার প্রবল ইচ্ছা আমাকে বিভ্রান্ত করে দেয় বারবার...। ... আবেগতাড়িত হলাম, প্রিয় জানা। আমরা সবাই যদি নিজেদের পরিবার থেকেই এই চর্চ্চা শুরু করি তাহলে অবশ্যই সুফল আসবে।


মণিপুরীদের মহা-রাসোৎসবে আপনাকে নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শারদীয় পূর্ণিমার অগ্রীম শুভেচ্ছা।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ।
প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্তেও এবারের মহা-রাসোৎসবে যাওয়া হলোনা নানান ব্যাস্ততায়। পরের বার আশা করি সুযোগ পাবো।
ভাল থাকবেন।

৪৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

জনিকে বাঁচাতে তহবীল গঠন

জনিকে বাঁচাতে তহবীল গঠন ও রুবী হত্যা মামলার সহযোগিতা করার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি তহবীল গঠন করা হয়েছে। যারা সাহায্য করতে ইচ্ছুক তাদেরকে নিন্ম ঠিকানায় সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করা যাচ্ছে।
একাউন্ট নং- s 91, এসকে দাস, সোনালী ব্যাংক, মুন্সিবাজার শাখা, উপজেলা -কমলগঞ্জ, জেলা -মৌলভীবাজার।

তাছাড়া দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কমলগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক এস কে দাস কে প্রধান করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট জনিকে বাচাঁতে তহবীল গঠন নামে একটি কমিটি করা হয়েছে।

৯ সদস্যের কমিটির মধ্যে রয়েছেন ।

১. এস কে দাস, সাংবাদিক, আমার দেশ-০১৭১১-১৬৪১০৫
২. ব্লগার ও সাংবাদিক ভাস্কর চৌধুরী, বাংলাভিশন ও আমাদের সময়- ০১৭১২-৫২৯৫৬৭
৩. মুজিবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক, প্রথম আলো, কমলগঞ্জ-০১৭১
৪. আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সাংবাদিক, যুগান্তর, কমলগঞ্জ, ০১৭১২-৭১৭৪২৯
৫. ব্লগার শেখ রহিম, সাংবাদিক, বাংলাদেশ সময়-০১৯১২-১৫৭৪৪৭।
৬. ব্লগার হামীম, ব্যবসায়ী, শ্রীমঙ্গল-০১৬৭৩-৯০৬৩৭৭।
৭. ব্লগার ড.বিবেক, ডাক্তার এন্ড ব্যবসায়ী-০১৭১১-৪৬০০৬৯।
৮. ব্লগার আমার আমি, (আহমেদ ফারুক মিল্লাদ), সাংবাদিক, যুগান্তর, শ্রীমঙ্গল-০১৭১৫-১৫৯৩৯৩।
৯. ব্লগার বিকুল চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক, একুশে টিভি, মৌলভীবাজার-০১৭১২-৯৪০৫৭৮।
৪৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
comment by: শফিকুল বলেছেন:
bangla lekha jai na .
৪৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: জানাপু,
সারা জীবন আমার মা বাবা কে দেখে আসছি যে এক টেবিলে খাওয়া দাওয়া না করুক, নিজেরা খেতে বসার আগে বাসার কাজে সাহায্যের জন্য যে মেয়ে বা ছেলেটাক