somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সকল 'অস্ত্রাগারে' কড়া পাহারার ব্যবস্থা করা হোক

০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা মনে করছেন সংকট কেটে গেছে তারা ভুল করছেন। এমন হতে পারে যে এটা কেবল সূচনা। প্রিয় সহকর্মীদের হারিয়ে সেনা অফিসারদের মনে যে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে তা সামাল দিতে না পারলে সে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠতে পারে। ষড়যন্ত্রকারীরা সম্ভবত সেটাই চায়। পুরো জাতি এখন বারুদের উপর দিয়ে হাঁটছে, একটু বেতাল হলেই বিস্ফোরণ হতে পারে- তখন এমনকি ২৫ ফেব্রুয়ারীকেও মামুলি ঘটনা বলে মনে হবে। দেশের মানুষ রাজনীতিবিদদের যে কত 'পেয়ার' করে তা ১/১১ র পরই বোঝা গিয়েছে। তারা যদি নিজেদের দোষে আবারও সেই অবস্থায় পতিত হয় সাধারণ মানুষের তাতে কিছু আসবে যাবেনা।

তাই এখনি সশস্ত্রবাহিনীর সকল অস্ত্রাগারে বিশেষ পাহারার ব্যবস্থা করা হোক। সাধারণ সেপাহীরা যে কত বিশৃংখল আর বিভ্রান্ত হতে পারে পুরো জাতি তা প্রত্যক্ষ করেছে। তাই কর্মকর্তাদেরই এই দায়িত্ব নিতে হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক অফিসারকে সার্বক্ষনিক ভাবে একাজে নিয়োজিত করতে হবে। বিডিআরের অস্ত্রাগারের দায়িত্বে ছিলেন মাত্র একজন মেজর (সম্ভবতঃ মেজর সালাম)। অথচ বাকী প্রায় ১৩০ জন অফিসারের মধ্যে যদি অন্ততঃ ১০ জন দরবার হলে চিরাচরিত বক্তৃতা না শুনে অস্ত্রাগার পাহারা দিতেন তাহলে হয়ত এ ঘটনা এড়ানো যেত। নিদেনপক্ষে নিহত অফিসারগণ কিছু দুস্কৃতিকারীদেরকে সংগে করে নিয়ে যেতে পারতেন। দেশের সবচেয়ে দক্ষ, অস্ত্রচালনায় পারদর্শী সন্তানেরা একটি গুলিও ছোঁড়ার সুযোগ না পেয়ে অসহায় মৃত্যু বরণ করলেন এটা ভাবতেই বুকটা ভারী হয়ে আসে।

দেশে সিপাহী আর অফিসারের বিরোধ নতুন নয় এবং এ জাতীয় ঘটনায় প্রাণহানীও নতুন নয়। আবারও এরকম কিছু ঘটার আশাংকা উড়িয়ে দেয়া যায়না। দেশের নেতৃবৃন্দকে বলবো এখনো সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি, এখনো অনেক কিছুই করার আছে। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে সংসদে অপ্রয়োজনীয় বাহাস বিতর্ক না করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

পাদটীকাঃ আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর উপর আমি কেন যেন একেবারেই ভরসা পাইনা। কত বাহাদুরীর সাথে আত্নসমর্পণ করিয়ে, অস্ত্রাগারে তালা মেরে গাড়ি হাঁকিয়ে চলে গেলেন! অথচ ততক্ষণে প্রায় ১০ হাজার বিডিআরের সবাই পালিয়েছে, পরদিন মাঠেঘাটে পড়ে থাকতে দেখা গেল গাদাগাদা গুলি, বন্দুক আর গ্রেনেড। একেবারে মন থেকে কথাটা বললাম, সত্যিই ভরসা পাইনা।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×