না..........., জনপ্রিয় এবং ফ্রী এই ওয়েব সার্ভিস দুটি সত্যি সত্যি বন্ধ হচ্ছেনা। তবে বাংলাদেশের জন্য এদের বন্ধ হবার একটা আশংকা তৈরী হয়েছে। উড়া-ধুরা খবর নয়, খোদ নিউইয়র্ক টাইমসের খবর। পুরো ব্যাপারটা বেশ ইন্টারেস্টিং তাই NYT এর রিপোর্ট টা পড়ে যা বুঝেছি তা সবার জন্য তুলে ধরলাম।
আমরা ইন্টারনেটে সবকিছু ফ্রী পেয়েই অভ্যস্ত। মাসে আইএসপি দের ৬০০/৮০০/১০০০ টাকা দেই এটাই তো অনেক বেশী। কিন্তু এই যে ইউ টিউব, বা ফেসবুক থেকে আমরা চমৎকার চমৎকার সেবাগুলো পাচ্ছি তারা কিন্তু ফ্রী তে চলেনা। তাদেরও খরচ আছে এবং সেটা টাকার অংকে খুব একটা কমও নয়। ছবি, ভিডিও, গেম.....আরো কত আমরা আপলোড বা ডাউনলোড করি এই দুটো এপ্লিকেশনে।প্রতিমাসে ফেসবুকে আপলোড হচ্ছে প্রায় ৮৫ কোটি ফটো আর ৮০ লাখ ভিডিও। এর জন্য দরকার হচ্ছে দৈত্যাকার স্টোরেজ, অসংখ্য সার্ভার আর সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তো আছেই। হ্যাঁ, এই বিশাল খরচের একটা অংশ পাওয়া যাচ্ছে বিজ্ঞাপন থেকে। কিন্তু ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং নিত্য নতুন চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞাপনদাতাদের টাকাতেও আর চলছেনা ইউটিউব আর ফেসবুক। ২০০৯ সালে ইউ টিউবের মোট লোকসানের পরিমাণ এস্টিমেট করা হয়েছে প্রায় ৪৭০ মিলিয়ন ডলার। ফেসবুকও এখনো লাভের মুখ দেখেনি। তাই কথা উঠছে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে কম আকর্ষণীয় তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এই সেবা বন্ধ করার।
আরেকটু বুঝিয়ে বলি, যেসব ওয়েব সাইট ফাইল হোস্টিং সেবা প্রদাণ করে তাদের অন্যতম প্রধাণ খরচ হচ্ছে ব্যান্ডউইডথ এর ভাড়া। এই যে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী কত সহজে ভিডিও বা অন্যান্য ফাইল উঠাচ্ছে বা নামাচ্ছে, সেটা সম্ভব হতো না যদি না প্রয়োজনমত ব্যান্ডউইডথ কিনে রাখা হতো। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য আরো বেশী ব্যান্ডউইডথ প্রয়োজন হয় কারণ তাদের নেট কানেকশন তুলনামূলক ভাবে স্লো। অন্যদিকে যেসব বিজ্ঞাপনদাতা ইউটিউব আর ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে তাদের পণ্যের বাজার তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নেই বললেই চলে। সুতরাং খরচ কমানোর জন্য যদি বাংলাদেশের মত কিছু দেশে সেবা বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে স্পন্সর কোম্পানীগুলো একটুও মাইন্ড করবেনা।
তবে আশার কথা এই যে, এত বড় লোকসান দেয়ার পরও ইউটিউবের মালিক গুগল এখনি হাল ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি- তারা আরো কিছু দিন দেখবে। তারা আপাতত: চিন্তা করছে অলাভজনক মার্কেটগুলোতে (যেমন বাংলাদেশ) সেবা প্রদাণ একেবারে বন্ধ করে না দিয়ে ভিডিওর কোয়ালিটি কমিয়ে ব্যান্ডউইডথের উপর চাপ কমাতে। ফেসবুকও মোটামুটি একই লাইনে চিন্তা করছে।
আরো বিস্তারিত জানতে-
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

