http://www.mediafire.com/?jyotwtkzemd
ব্রাউনের প্রতিটা বইই পেজ টার্নার, মানে রুদ্ধশ্বাসে পড়তে হয়। কিন্তু শেষ করার পর মোটামুটি একই অনুভূতি জাগে মনে- ওহ, এই! ধুর!! সোজা বাংলায় শেষটা পাংখা হয়না, বড্ড অর্ডিনারি। লস্ট সিম্বলের ব্যাপারটা আরেক ধাপ এগিয়ে, শুধু অর্ডিনারি বললে কম বলা হয়- বলা উচিত 'যাচ্ছে তাই'।
বইয়ের শুরু থেকেই প্রাচীণ গোপন কিছু দলিলপত্র নিয়ে হাউকাউ শুরু হইলো। এইসব দলিল শত শত বছর ধরে নিজেদের মধ্যে সংরক্ষণ করে আসছে 'মেসন' নামের এক ব্রাদারহুড। লিউনার্দো দ্যা ভিঞ্চি থেকে শুরু করে নিউটন, জর্জ ওয়াশিংটন সবাই নাকি এই মেসন গোষ্ঠির সদস্য। ব্রাউন সাহেবের পুরনো রোগ এইটা, দুনিয়ার তাবড় তাবড় যত বৈজ্ঞানিক আছেন সবাইরেই উনি কোন না কোন ব্রাদারহুডের সদস্য বানাইছেন। এরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাইকা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ কেমনে রক্ষা করতো? মোবাইল দিয়া?
যাক সেই কথা, যা কইতেছিলাম। তো এই প্রাচীণ 'সিক্রেট' দলিলপত্র হাতানোর জন্য ওয়ান ম্যান আর্মি নিয়া মাঠে নামে মালাক নামের এক ম্যানিয়াক। তার বিশ্বাস এই দলিল হাতাইতে পারলেই সে 'খোদা' হইয়া যাইবো। আর এই জন্য তার সাহায্য দরকার প্রাচীণ দলিল-দস্তাবেজ, চিহ্ন ইত্যাদি বিশেষজ্ঞ রবার্ট ল্যাংডনের। কিন্তু পুরা বিষয়টা এক সময় আমেরিকার 'ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইস্যু' (এই আরেক আজব চীজ)
সবশেষে প্রাচীণ 'সিক্রেট' এর নামে যা বাইর হয়..............থাক কমুনা, পড়েন নিজেই বাইর করেন। তবে বইটা একটা রিয়েল 'পেজ টার্ণার', শুরু করলে আর থামাথামি নাই। শুধু ভিলেন মালাকের অতি মানবীয় পারফর্মেন্স অবাস্তব মনে হইছে। আর আগেও কইছি, শেষটা 'ডিসাপয়েন্টিং'।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

