গণতন্ত্র খ্রিস্টপুর্ব ৫ম শতাব্দিতে ইহুদিদের দ্বারা উদ্ভাবিত ওপ্রবর্তিত,শাসন ব্যবস্হা।পরবর্তীতে খ্রিস্টানদের দ্বারা সংস্কারকৃত। এই কাফেরগুলি তা জুলুমের অস্ত্র হিসেবে সব মুসলমানের উপরে চাপিয়ে দিয়েছে।
আর মুসলমানরা বোকার মত তা মেনে নিয়েছে।
গণতন্ত্রর যে কাফেরদের থেকে এসেছে তা এর ইংরেজী শব্দই প্রমান করে।গ্রীক‘`Demos’ও‘Kratos’ গণতন্ত্র এর ইংরেজি শব্দ Democracy থেকে এসেছে।
অবার আধুনিক গণতন্ত্রের প্রবক্তা আব্রহাম লিংকন।যা তার ভাষায়,“Democracy is a Gvernment of the people,by the people and for the people”।যার অর্থ,“গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের,জনগণের দ্বারা ও জন্য”।
এই কাফেরটা তার জীবনিতে উল্লেখ করেছে,তার পিতা খ্রিস্টান,মা ইহুদি,সে অবৈধ সন্তান,তার মা অবৈধ সন্তান।(নাউযুবিল্লাহ)
তাহলে দেখা যাচ্ছে গণতন্ত্র এর আবিষ্কার,সংস্কার,প্রচলনে পুরোপুরি ভাবে ইহুদি-খ্রিস্টান সহ তামাম কাফের গোষ্টি সবাত্বক ভাবে জড়িত।
আর তা মুসলমানদের উপর মরণাস্ত্র হিসেবে চাপিয়ে দিয়েছে।
অথচ আল্লাহ পাক উনি সুরা ফাতহা শরীফে দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন ,“বিভ্রান্ত,পথভ্রস্ট,লানৎ গ্রস্ত কাফেরদের পথ থেকে আশ্রয় চাও”।
ইহুদি, খ্রিস্টান ,এককথায় সমস্ত কাফের লানৎগ্রস্ত,অসন্তুষ্টি তে লিপ্ত।
এখন মুসলমানরা ভাবুক তারা কি চায়?
রহমত? না অসন্তুষ্টি?
ভাব!!!
ভাব হে মুসলিম ভাই গণ!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


