আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন্ত মানব সত্তার অস্তিত্বই নিঃসন্দেহে মানবের সকল ইতিহাসের প্রথম আরম্ভ...

খারেজিঃ আপনার প্রতি এক সহব্লগারের কিছু সৎ অনুভূতি...

১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

খারেজি, আমি সব সময় আপনাকে অন্যতম মেধাবী এক ব্লগার হিসাবেই চিনি। বহুদিন ধরে ব্লগান,মাঝখানে কিছুদিন অনিয়মিত, তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগে আপনার উজ্জ্বল উপস্থিতি অনেকের মতো আমিও উপভোগ করতাম। আপনার ব্লগের বয়েস আমার চেয়ে অনেক বেশি। ফলে বিগত মার্চের আগে আপনার লিখা যে আমার চোখে পড়ে নাই, তার দায় একান্তই আমার।

আপনার ব্লগ দেখে আমার মনে হয়েছে এমন একজন ব্যাক্তি যার যথেষ্ট মাত্রায় লেখা পড়া আছে, বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি শানানোতে পারঙ্গম, বিষয়ের ওপর সুস্পষ্ট দখল, বিতর্ককে হাল ধরে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারেন, ধর্ম বিষয়ে অবস্থান খুব আশাবাদী হবার মতো(ধর্মের সমালোচনা নয় বরং পর্যালোচনা করতে চান- আর এটা করতে গিয়ে আশেকানদের দিলে দাগা দিতে চান না), যুক্তির জায়গায় দাড়িয়ে যথাযথ প্রশ্নটা তুলতে পারেন, চমৎকার রসবোধ এবং উদার মনের...

আপনার বেশ কিছু পোষ্ট (মায়া দরজা, সিরাতুল মুস্তাকিম, রুপকথা নিয়ে... ইত্যাদি) পড়ে আমার মুগ্ধতায় বাগরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে। আমি আপনার লিখার নিয়মিত এক পাঠক হয়ে উঠেছিলাম। অনেককেই আমি আপনার ব্লগের রেফারেন্স দিয়েছি, পড়ার জন্যও লিঙ্ক দিয়েছি। সাম্প্রতিক সময়ে খারেজি বেশ ব্যাস্ত হয়ে পড়েছিলেন ব্লগে, এবং তার ব্লগ আলোচনা, সমালোচনা, যুক্তি-পালটা যুক্তির এক চমৎকার আসরে পরিনত হয়েছিল। আমাদের সামগ্রিক ব্লগ পরিবেশের জন্য এটা একটা আশা ব্যঞ্জক পরিস্থিতি বলে মনে হয়েছিল।

খারেজি, আপনার ব্লগে যাওয়া সব সময়ই এক দারুন অনুভুতি- ভীষন বন্ধুত্বপুর্ণ এক পরিবেশ। গভীর সব দার্শনিক আলোচনা- মেধা আর মনীষার বিপুল দ্যুতি, তারুণ্যের প্রান চাঞ্চল্যে ভরা।


অন্ততঃ কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত খারেজির ব্লগ বলতে আমরা তাই ভাবতাম। যখন পর্যন্ত শওকত হোসেন মাসুমের সাথে আপনার সেই কুখ্যাত কুস্তি লাগা শুরু হয় নাই। (আমি দুঃখিত এটা আমার কাছে সুস্থ্য বিতর্ক মনে হয় নাই, কুস্তিই লড়া মনে হয়েছে)। ঘটনার শুরু বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে মাসুমের পোষ্টে আপনার মন্তব্য থেকে। সেখানে সেই স্টিকি পোষ্টে বিগত আওয়ামী জমানায় অর্থমন্ত্রী থাকার সময়কার শেয়ার স্ক্যামে কিবরিয়ার পরিবারের কোন সংপৃক্ততা ছিল কিনা তা নিয়ে খারেজির একটা প্রশ্ন ছিল। খারেজির অভি্যোগ মাসুম তার সেই প্রশ্নের উত্তর দেন নাই। তর্কের খাতিরে আমরা ধরেই নিলাম মাসুম বিরাট পাপ করে ফেলেছেন-স্টিকি পোষ্টে শেয়ার স্ক্যামে কিবরিয়ার পরিবারের সংপৃক্ততা নিয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ায়। কিন্ত এটা কি মাসুমের সাথে খারেজির ব্যাক্তিগত লড়াই ছিল? কোন ভেনডেট্টা( Vendetta )। বিষয়টাতো মতাদর্শিক লড়াই, তাই না? আপনি প্রশ্ন তুলতে চাইছিলেন কিবরিয়া শেয়ার স্ক্যামে নিরাপরাধ ছিল কিনা—এবং আপনার অভিযোগ ছিল মাসুম এই প্রশ্নটা এড়িয়ে যাচ্ছে—সঠিক উত্তর দিচ্ছে না।

এখন আপনি যদি এটাকে একটা আদর্শ মতাদর্শিক সংগ্রামের জায়গায় নিয়ে যেতে চাইতেন, তাহলে আমরা দেখতাম পরবর্তীকালে খারেজি, আপনি শেয়ার স্ক্যামে কিবরিয়ার দায়-দায়ীত্ব বিষয়ক আরও প্রমানাদি হাজির করছেন, কিবরিয়ার বিরুদ্ধে একটা লাগাতার সমালোচনার জায়গা তৈরি করছেন। একই সঙ্গে প্রথম আলো তথা সেখানে কর্মরত মাসুমের এহেন নীরবতার একটা যৌক্তিক কারনও দাঁড় করাচ্ছেন।

প্রথম আলোর মতো প্রতিষ্ঠানের (সমাজে যার একটা মতাদর্শিক শক্ত অবস্থান আছে) বিরুদ্ধে একটা কার্যকর সমালোচনার জায়গা চিহ্নিত এবং তা প্রমাণ করা নিঃসন্দেহে একটা বড় মাপের কাজ বলে বিবেচিত হতো। একই সাথে মাসুমের সীমাবদ্ধতা, (বিভিন্ন ধরনের হতে পারে—জানার সীমাবদ্ধতা, প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা, ব্যাক্তিগত সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি) যদি খারেজি ধরিয়ে দিতে পারতেন—তবে আলোচনাটা নিঃসন্দেহে একটা স্বাস্থ্যকর জায়গায় থাকতো।

খারেজি, আমি জানি না এই মতাদর্শিক সংগ্রাম চালানোটা আপনার কাছে কেন আয়াসসাধ্য এবং পরিশ্রমের কাজ বলে বিবেচিত হলো—আমরা লক্ষ্য করলাম আপনি দ্রুত সংগ্রামটাকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে আসলেন। কামান দাগা শুরু করলেন ব্যাক্তি মাসুমের বিরুদ্ধে। যাবতীয় মেধা এবং ক্ষমতা নিয়োজিত করলেন মাসুমের চরিত্র হননে- আপনার স্ট্যাটাস অবনমনের সাথে মাসুমকে জড়িয়ে, প্রমাণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন অর্থনীতি নিয়ে মাসুম কত কম জানেন। এ ক্ষেত্রে ব্যঙ্গ আর বিদ্রুপ হলো খারেজির প্রধান হাতিয়ার, তীব্র অসূয়া হলো প্রধান চালিকাশক্তি।

আর এই ঘটনা থেকে শুরু করে এরপর যে কোন জায়গায় খোঁচাখুচির নুন্যতম সুযোগও খারেজি আর হারাতে চাইলেন না, সেটা মেঘ এর লেসবিয়ানিজমের পোষ্টই হোক, বা অন্যমনস্ক শরৎএর মন্তব্যই হোক।

ব্লগে আমরা যারা একটা স্বাস্থ্যকর বিতর্ক দেখতে চাই—হতাশ বিস্ময়ে আবিস্কার করলাম—শেয়ার স্ক্যামে কিবরিয়ার দায়-দায়ীত্ব বিষয়টি বেমালুম উধাও হয়ে গেলো, অর্থনৈতিক বিষয়ক আলোচনাও আর চালু থাকলো না। প্রথম আলোকে নিয়ে একটা কার্য্যকরী সমালোচনা বা কিবরিয়া বিষয়ক একটা অনুসন্ধানী আবিস্কারের যাবতীয় সম্ভাবনারও ততক্ষনে দফা রফা। আমরা যারা একটা সমৃদ্ধ আলোচনা পর্যালোচনার অপেক্ষায় ছিলাম—তাদের উৎসাহে খারেজি দিলেন ঠান্ডা পানি ঢেলে। গুরুত্বের বিচারে ব্যাক্তি মাসুমকে নস্যাৎ করাকে আপনার কর্মতালিকার সবার উপরে ঠাঁই দিলেন আপনি, আমাদের খারেজিভাই!!!

অনেকদিন পর আজ আপনার পোষ্ট (১৪ই মে পোষ্ট করা) আবার নজরে পড়লো, আমার খুব ভাল লাগছিল পুরানো খারেজিকে আবার স্বভুমিকায় দেখতে পেয়ে। সেই রকম যুক্তিপুর্ণ পোষ্ট, সেই রকম বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য আর প্রতিউত্তরে সাবলীল ভাষায় তীক্ষ্ণ যুক্তির অবতারনা। একটা দারুন উৎসাহ নিয়ে ব্লগটা পড়া শুরু করে মন্তব্য গুলো পড়ে যাচ্ছিলাম। কিন্ত হোঁচট খেলাম মন্তব্যের শেষের দিকে এসে— আলোচনা পালটা আলোচনায় পরিবেশ জমে উঠেছে- ৩১ নম্বর মন্তব্যের ঘরে এসে দেখলাম অন্যমনস্ক শরৎএর একটা মন্তব্য।

এবং হতাশ হয়ে আবিস্কার করলাম, আপনি খোঁচাখুচি করার নুন্যতম সু্যোগ না হারানোর সিদ্ধান্ত থেকে একটুও সরে আসেন নাই। অন্যমনস্ক শরৎএর মন্তব্যের সুত্রে এরপর আপনি আবার সেই চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং সমকামীদের বিষয়ে পুরানো বিতর্ককে সামনে টানলেন, আর শরৎকে খোঁচালেন। শরৎএর সাথে আপনার চিন্তার একটা মতপার্থক্যের জায়গা আছে, কিন্ত্ তাকে বিতর্কের মাধ্যমে একটা ঐক্যমতের জায়গায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে সেই মতো বিতর্কের সুর তুললেন না।

আমি জানি না আমার বক্তব্যগুলো আপনার ওপর অতিরিক্ত কোন আশাবাদ থেকে উচ্চারন করছি কিনা, এ সব বিষয়ে এ ক’দিন মুখ বুজেই ছিলাম, হয়তো থাকতামও-- কিন্ত আজ যখন সবাইকে দিব্যজ্ঞানী ভাই ও বোন বলে সম্বোধন করলেন- মনে হলো সহব্লগার হিসাবে আপনার প্রতি আমার কিছু দাবী তো আছেই... যে ভাবে আপনি এখন ব্লগে কন্ট্রিবিউট করেন- আমি যদি ভাবি, আপনার এর চেয়ে বহুগুন ভাল ভাবে কন্ট্রিবিউট করার ক্ষমতা আছে, তো আমি আপনাকে গায়ে পড়ে হলেও কিছু কথা তো বলতেই পারি। আমার বিশ্বাস, আমি এবং আপনাকে পছন্দ করে এরকম অনেক ব্লগার, দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে—গত কয়েক সপ্তাহ আপনি যা যা নিয়ে ব্যাস্ত ছিলেন, তা যাস্ট আপনার শক্তি আর সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। এত এত ব্লগার এই কয়দিনে আপনাকে এত ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন—তাদের সেই স্নেহ, ভালবাসা আর শ্রদ্ধার মুলসুরটা আপনি ধরতেই পারলেন না। বড়ই আফসোস... ব্লগে লড়াই করার সময় আপনার কখনো খেয়াল থাকে না, ব্লগে শুধু আপনি আর আপনার প্রতিপক্ষই নাই, আমরা সহ ব্লগাররাও আছি, যারা সব কিছুই আমরা খেয়াল করছি, এবং সব কিছু নিয়ে আমাদের একটা নীরব রায়ও আছে।

আমি মনে করি খারেজি, আপনার জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু আপনার অসূয়াবোধ। প্রতিপক্ষের মতামতের বিরোধিতা আপনার কাছে হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষকে আক্রমন। অথচ আপনি নিজেও খুব ভাল করে জানেন—ব্যক্তি আর তার চিন্তা কখনই এক নয়। ব্যাক্তি—যিনি চিন্তাকে ধারন করেন মাত্র, তিনি নিজে চিন্তা নন। ব্যক্তির চিন্তাকে আক্রমন করা যায়, চিন্তাকে যুক্তি দিয়ে পরাজিত করা যায়, চিন্তার উপর আধিপত্য এনে, তাকে বদলে দিয়ে চিন্তার যিনি ধারক, সেই ব্যক্তিকে স্বপক্ষে আনা যায়।

এর বদলে আপনি যদি চিন্তা বাদ দিয়ে সেই ব্যাক্তিকে আক্রমন করেন... লড়াইয়ে হয়তো আপনি জিততেও পারেন, প্রতিপক্ষ সেই ব্যক্তির শারিরীক বিনাশ সাধনের মধ্য দিয়ে হলেও...।

চিন্তার কিন্ত তাতে পরাজয় হয় না, ক্ষতিকর বা ভূল চিন্তাটা সমাজে রয়েই যায়।

খারেজি, আপনি কেন আপনার প্রতিপক্ষকে জিতে নেওয়ার চেষ্টা করেন না? ধরেন আপনি যদি বিশ্বাসই করেন যে নৃবিজ্ঞানের পড়ুয়াদের প্রতি আপনার একটা যৌক্তিক সমালোচনা আছে এবং আপনার চিন্তার অবস্থান তাদের চিন্তার অবস্থানের চাইতে সঠিক এবং সেরা... তবে আপনার অন্যমনস্ক শরৎ কে কটাক্ষ বা খোঁচানোর কি কোন প্রয়োজন আছে? চিন্তার শ্রেষ্ঠত্বই তো আধিপত্য বজায় রাখে—এটা যদি বিশ্বাস করি, তবে এক্ষেত্রে আপনার বিনয়ী হতে সমস্যা কোথায়? এতে করে লড়াইয়ের কোন জমিন আপনি হারাবেন, খারেজি???

কে জানে আগামীতে শরৎ আপনার মতবাদ বা চিন্তার প্রধান সমর্থক হবেন না? আপনার সেরা বন্ধু (চিন্তার ঐক্যের দিক থেকে) হবে না?? সে সম্ভাবনা আপনি কেন নস্যাৎ করবেন?

খারেজি, আজ এখানেই থামি, আমার কিছু সৎ অনুভূতি আপনাকে জানানোর ভীষন তাগিদ অনুভব করছিলাম..., জানিয়ে গেলাম। যদি তা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়ের সীমানা অতিক্রম করে ফেলে—তবে আগেই আমি দোষ স্বীকার করে মাফ চেয়ে নিচ্ছি।

কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে মানূষের ব্যক্তিগত সীমানার পরিসীমা নিয়ে সচেতন থাকার চেষ্টা করবো। ভাল থাকবেন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মতাদর্শিক সংগ্রাম ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনার লেখাটা থেকে সবারই শেখার আছে। একটু আগেই ফারুক ওয়াসিফের একটা ভাল পোস্টে স্রেফ কুতর্ক করতে গিয়ে আরেকজনের সাথে ১০০ কমেন্ট চালাচালি করে পুরো পোস্টের আলোচনার পরিবেশটাকেই নষ্ট করে ফেলেছি,এখন নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে। আশপাশের ১০০ জন ব্লগারের দিকে খেয়াল রাখাটাও কমিউনিটি ব্লগিংয়ের অংশ সেটা মাঝে মাঝেই খেয়াল থাকে না।
১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগলো ফারহান, আপনার সাহসী আত্মসমালোচনার অংশটুকু। আপনার জন্য শ্রদ্ধা রইলো...

শুধু চিন্তা করে দেখেন--খারেজির যা ক্ষমতা, তা কি রকম অকাজে উনি ব্যায় করছেন? সহব্লগার হিসাবে আমরা কি তা মেনে নিতে পারি?

১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, বিডি আইডল। ভাল থাকবেন...

১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...

৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৬
মোহাইমেন বলেছেন: ভালো লাগলো, আর উপলব্ধি হলো অনেক বেশী +
১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মোহাইমেন, মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।

৫. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৮
তনুজা বলেছেন: এ লেখায় মন্তব্য করা কঠিন--উপরে ফারহানের ও আপনার একটা কথা খুব সত্যি -----দুজন ব্লগারের মধ্যে বাদবিসম্বাদ বাকিদের জন্য খুব স্বস্তিদায়ক নয়

শুধু এটা যোগ করব ভ্রান্ত মডারেশনের প্রভাব, মাসুম ভাইয়ের ব্লগ বিরতির সিদ্ধান্ত এবং তৎপরবর্তী কিছু পক্ষ নির্ধারণি পোস্ট বিষয়টিকে আরও জটিলতার দিকে নিয়ে গেছে । তাই আমি আপনার সাথে ভিন্নমত পোষণ করি না, তবে সমস্যা নিরসনে একই ভাবে মাসুম ভাই ও মডারেটরদেরও ভূমিকা রাখা দরকার বলে মনে করি


জানিনা এই সুলিখিত পোস্টটিও সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে না অগ্নিতে ঘৃতাহুতি দেবে । এখনও যেসব পোস্ট আসছে দলাদলিমূলক সেগুলোও বন্ধ হওয়া উচিত ।অনেকেই এটাকে দ্বিদলীয় করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং করছেন----যেটা অনভিপ্রেত

এখানে আমাদেরকেও সংযত হতে হবে , দুজন ব্লগারই পাঠকনন্দিত, দুজনেই শ্রদ্ধেয়---- যে আচরণ এই ভুল বোঝাবুঝির রেশকে দীর্ঘায়িত করে সেটা সর্বতোভাবে পরিহার করা উচিত
১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: আসলে কাউকে দায়ী করার জন্য আমার এ পোষ্ট নয়, তনুজা।

আমার কাছে মনে হয়েছে একটা সৎ মতাদর্শিক সংগ্রাম চালানোর জন্য নুন্যতম যে বিষয়গুলো আমাদের নজরে নেওয়া উচিত--তার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। আমরা কারো মতের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আর ব্যক্তিগত ভাবে কারো বিরুদ্ধে দাঁড়ানোকে আলাদা করে ভাবতে এখনো শিখি নাই। কারো প্রতি আমার সমালোচনা থাকবে, আমার বিরুদ্ধে কারও সমালোচনা থাকতে পারে, কিন্ত ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার জায়গা আমি কি ভাবে নষ্ট করতে পারি?

যারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর বা শক্র হিসাবে প্রমাণিত, সে সব যুদ্ধাপরাধী রাজাকার বা স্বাধীনতার শক্রদের বাদ দিলে যে আমার সহব্লগার তার প্রতি আমার সমালোচনার উদ্দেশ্যই হবে মতাদর্শিক লড়াইয়ে জিতে তাকে আমার পক্ষে নিয়ে আসা। তাকে ব্যক্তি আক্রমন করা নয়, তাকে হেয় করা নয়। কাউকে হেয় করলে নগদ ক্ষতি হলো আমার একজন সম্ভাব্য বন্ধু হারানো, যে কিনা হয়তো ভবিষ্যতে আমার মতবাদেই বিশ্বাসী হতো।

ব্লগে আমরা অনেক অনেক বিতর্ক করতে চাই, অনেক চিন্তার লড়াই চালাতে চাই। কিন্ত কিছুতেই ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার জায়গাটা নষ্ট করে নয়।

৬. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২০
ম. রহমান বলেছেন: "ব্যক্তি আর তার চিন্তা কখনই এক নয়। ব্যাক্তি যিনি চিন্তাকে ধারন করেন মাত্র, তিনি নিজে চিন্তা নন। ব্যক্তির চিন্তাকে আক্রমন করা যায়, চিন্তাকে যুক্তি দিয়ে পরাজিত করা যায়, চিন্তার উপর আধিপত্য এনে, তাকে বদলে দিয়ে চিন্তার যিনি ধারক, সেই ব্যক্তিকে স্বপক্ষে আনা যায়।

এর বদলে আপনি যদি চিন্তা বাদ দিয়ে সেই ব্যাক্তিকে আক্রমন করেন... লড়াইয়ে হয়তো আপনি জিততেও পারেন, প্রতিপক্ষ সেই ব্যক্তির শারিরীক বিনাশ সাধনের মধ্য দিয়ে হলেও...।

চিন্তার কিন্ত তাতে পরাজয় হয় না, ক্ষতিকর বা ভূল চিন্তাটা সমাজে রয়েই যায়। "

চমৎকার লেখা...
১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২২

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন শূন্য, অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য... ভালো থাকবেন।

৮. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২২
নুশেরা বলেছেন: প্রতিটি অক্ষরে ডিটো দিলাম। খারেজিভাইকে যা বলার ছিলো, সাধ্য অনুযায়ী আগেই বলেছি; আপনার মতো এতো গুছিয়ে বলার ক্ষমতা নেই।

ফারহানের উপলব্ধি দেখে আশাবাদী হলাম। যাদের কাছে প্রত্যাশা বেশী থাকে, তাদের প্রতিভার অপচয় দেখতে ভালো লাগে না।
১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ......এত এত ব্লগার এই কয়দিনে আপনাকে এত ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন—তাদের সেই স্নেহ, ভালবাসা আর শ্রদ্ধার মুলসুরটা আপনি ধরতেই পারলেন না। বড়ই আফসোস...

আপনার এবং আরও কয়েকজনের কথা ভেবেই আমি উপরের কথাগুলো লিখেছিলাম। যখন আপনারা প্রানপন চেষ্টা করছেন তাকে বোঝাতে, তখনও খারেজি ব্যাস্ত তার মান-অভিমানের হিসাব মিলাতে।

অথচ কে না জানে এবং খারেজি নিজেও বুঝে কত কত গুরুত্বপুর্ণ পোষ্ট লিখা তার বাকী রয়ে গেছে... তার সর্বশেষ পোষ্টের মন্তব্য দেখেন, সে বিরাট এক লিষ্ট দিছে... কি কি নিয়ে সে লিখতে চায়।

আর যে লোক মায়া দরজা লিখতে পারে... তাকে কি এসব চ্যাংড়ামী মানায়?? বলেন দেখি...

৯. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
সবাক বলেছেন:
ছাড় দেয়া শিখিনি বা নিজের হেরে যাওয়া মেনে নিতে পারি না। সমস্যা সেখানেই।
১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: না, ছাড় দেবার তো প্রশ্নই আসে না, কেন ছাড় দিবেন?

তবে সব জায়গায় জিততে চাওয়াটাও ভাল লক্ষন নয়। মাঝে মাঝে তো আপনার হার হবেই। সেই হারটাকে স্পোর্টিংলি নিতে পারাটাই হল আসল স্পিরিট। মাঝে মাঝে আপনার উচিত আপনার প্রতিপক্ষের বিশেষ কোন গুনের প্রশংসা করা। এটা বরং আপনাকে সবার মাঝে উদার হিসাবেই প্রতিষ্ঠা করবে।

আর এই সব কাজগুলিই আপনি করতে পারেন, প্রতিপক্ষকে এক ইঞ্চিও ছাড় না দিয়ে...

১০. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:০০
বাফড়া বলেছেন:
দুইবার কমেন্ট করলাম.. দুইবারই হাপিস হয়া গেল:(

পোস্টের জন্য থ্যংকু বস... একদম জায়গামত কইছেন... মনে হইতাছে পোস্ট টা যেন আমি নিজেই লিখছি... এইটা নিয়া একটা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা ছিল... থ্যংকু যে কষ্ট টা থিকা বাচায়া দিলেন :)


মাসুম ভাইয়ের চইলা যাওয়াটা ভাল্লাগে নাই... মাসুম ভাই ফিইরা আসুক... আর খারেজীর ও অথেন্টিক বলগিং চলতে থাকুক... দুইজনের মাঝে প্রপার বিতর্ক দেখার লিগা উন্মুখ হয়া বইসা আছি :)
১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন: শুধু খারেজি আর মাসুম কেন, প্রপার বিতর্ক তো সবার মাঝেই হওয়া উচিত। আগামীতে আমার সাথেও খারেজির বিতর্ক হতে পারে, আপনার সাথেও হতে পারে... বিতর্ক না করলে নতুন জিনিষ শিখবো কি ভাবে? একার পক্ষে তো সব কিছু জানা সম্ভব নয়।

শুধু বিতর্কের মধ্যে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার জায়গাটা যেন নষ্ট না হয়।

শুধু মনে রাখতে হবে-আমি নিশ্চয় গোলাম আযমের সাথে তর্ক করছি না... যারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর বা শক্র হিসাবে প্রমাণিত, সে সব যুদ্ধাপরাধী রাজাকার বা স্বাধীনতার শক্রদের বাদ দিলে যে আমার সহব্লগার তাকে তো আমি চুড়ান্ত ভাবে উৎখাতের জন্য লড়ছি না।

কারন আমার সহ ব্লগার আমার নিজ কমুনিটির লোক, সে যে সমাজের জন্য ক্ষতিকর এটা তো প্রমাণ হয় নাই। ফলে সামাজিক লড়াইয়ের কোন না কোন ক্ষেত্রে এই লোকটারে তো আমার দরকার হবে, সুতরাং তাকে হেয় করে আমি তো আমার শত্রুর লিস্ট লম্বা করতে পারি না।

অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন, বাফড়া।

১১. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: জ্বী ভাইজান ভালো আছি ।

আপনি কেমন আছেন ?

খারেজী সাহেবের ব্যাপারে অনেক জল ঘোলা হয়েছে।

মাঝখান দিয়ে আমরা আমব্লগাররা কিলগুতা খাচ্ছি।

যারা দুই পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন তাদেরকে কিছু বলার নাই।
যা বুঝলাম তা হলো আমাদের বুঝার বাইরেও অনেক ঘটনা আছে -
সে ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নাই।

দেশীয় রাজনীতিও চেয়ে দেখলাম .. ব্লগীয় রাজনীতিও চেয়ে চেয়ে দেখলাম ।

খারেজী সাহেব, মাসুম ভাই দুজনেই লিখুন এটাই চাই।

তবে একটা ব্যাপার দেখে খুব অবাক লাগে এত জানাশোনা এত পড়ালেখা এত জ্ঞান নিয়েও মানুষ কেমনে ছেলেমানুষী করতে পারে। ফারুক ওয়াসিফের ঘটনাটাও দেখলাম।


মায়াদরজাটা আসলে মানুষের মন ।
আর কিছু না।
১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: শূন্য, ফিরে এসেছেন, ভাল লাগলো, আমব্লগার হিসাবে আমার মন্তব্য শওকত হোসেন মাসুম আর খারেজি'র লড়াই তো আর রাজাকার মুক্তিযোদ্ধার লড়াই নয়, ফলে কেউ কারো জাত শক্রও নয়... দুই পক্ষের কেউ কাউকে চুড়ান্ত ভাবে খতম/নির্মুল করে দেওয়ার জন্যও লড়ছে না।

এটা আমাদের ঘরের লড়াই, দুই সহব্লগারের ইগোর লড়াই। আমরাই এটা মিটায়ে ফেলতে পারবো।

একটু সময় লাগবে হয়তো... ইনশাল্লাহ, সব ঠিক হয়ে যাবে।

১২. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১১
ডা. সৈকত বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।
আসলে আমাদের মেধা এমন কোন কাজে ব্যবহার করা উচিত নয় যা অপরকে আঘাত করতে পারে। সবারই উচিত নিজ নিজ মেধার সঠিক প্রয়োগ যা দ্বারা অপর কারও উপকার না হলেও যেন ক্ষতি না হয়।

ধন্যবাদ, এমন শিক্ষণীয় বিষয় তুলে ধরার জন্য।
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ......আসলে আমাদের মেধা এমন কোন কাজে ব্যবহার করা উচিত নয় যা অপরকে আঘাত করতে পারে।....

খুব সত্যি কথা, বিশেষ করে যতক্ষন আপনি কাউকে আপনার নিজ অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসাবে চিহ্নিত না করছেন...

১৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১২
কৌশিক বলেছেন: চমৎকার তো বটেই। তবে মতাদর্শিক লড়াই-এ ব্যক্তিবিশেষের চরিতও একটা অংশ। ব্যক্তি ও চিন্তার ব্যাখ্যায়। চিন্তা যেহেতু ব্যক্তি ধারণ করে, বিকাশ করে - একে কখনই ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য থেকে বিচ্ছিন্ন পরিচালন সম্ভব নয়। কোন চিন্তাই ব্যক্তি ছাড়া প্রকাশ ও বিকাশ হয় নাই - সেজন্য চিন্তা ব্যক্তি অনুগামী, নির্ভরশীল এবং তজ্জন্যে বিকাশে প্রভাবক; যদি এমন হয় চিন্তার নিজস্ব কথন যন্ত্র থাকতো তবে হয়তো এর স্বয়ংক্রিয় আবেদন নির্মাণ করা সম্ভব হতো।

এই ক্ষেত্র থেকে নৈর্ব্যক্তিক আলোচনার প্রচলন রয়েছে এবং ফলপ্রসুও বলে চিহ্নিত। যা আপতত নিরস ও আবেদনশূণ্য মনে হলেও এ্যাকাডেমিক চর্চায় একমাত্র যুক্তিবোধই কেবল রস সঞ্চালন করে, চিন্তার ধারক ব্যক্তিদের পারস্পরিক বিরোধ ও সদালাপ/অপালাপের কোন বৈশিষ্ট্য রসাধার নয় বলে বিবেচিত। যদি কোন চিন্তা-সঞ্চালকের রসবোধ যুক্তিবোধের সিদ্ধি থেকে ব্যক্তিক মুখচ্ছবির কৌনিকতা বিচারে পারঙ্গম হয় - উহা তত্ত্বীও আলোচনায় খারেজ হতে বাধ্য।

ব্লগে একাডেমিসিয়ান চর্চা খুব কম হয়। নৈর্ব্যক্তিক ঢঙ সবাই ক্ষুন্ন করে ব্লগের প্রলুব্ধকর নিজস্ব রসালো প্যাটার্নের মোহে পড়ে। ব্যাপারস না, ব্লগ - ইটস ব্লগ আফটার অল।
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: জ্বী না, কৌশিক ভায়া, আমি মতাদর্শিক সংগ্রামে বিপরিত চিন্তার লড়াইকে উৎসাহ দিয়েছি, খেয়াল রাখতে বলেছি তা যেন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আক্রমন না হয়ে যায়। চিন্তার লড়াইএর মধ্যেই তা যেন সীমিত থাকে, কারন চিন্তার ধারক ব্যক্তিটার বদল ঘটানো সম্ভব। কারন চিন্তার পুনর্গঠন হয়। এক্ষেত্রে নৈব্যক্তিকতার চর্চা করার কথা বলি নাই। যে কোন চিন্তা যেহেতু অবস্থান করে ব্যক্তির কর্ম এবং তৎপরতার মধ্যে, ফলে ব্যক্তির প্রসঙ্গতা এখানে আমরা এড়াতে পারি না। নৈব্যক্তিকতার চর্চা আমাদের এখানে সাহায্য করবে না।

কিন্ত মুশকিল হল আপনার ব্যক্তিবিশেষের চরিতকেও আপনি যখন মতাদর্শিক লড়াই এর অংশ বানাতে চান। এর অর্থ কি বিশেষ ধরনের ব্যক্তির চরিত, বিশেষ ধরনের মতাদর্শের প্যাটার্ণ নির্দেশ করে?

ব্যক্তি বিশেষ (ধরা যাক তসলিমা নাসরিন) যখন নির্দিষ্ট একটা মতাদর্শের পক্ষে দাঁড়ায় (ধরা যাক নারীমুক্তির প্রশ্নে তসলিমার যা মতাদর্শিক অবস্থান) তা কি তার (তসলিমার) বিশেষ কোন চরিতকে(ট্যবুমুক্ত হয়ে পছন্দের পুরুষের সাথে শুয়ে পড়া) নির্দেশ করে?

চরমোনাইয়ের পীর সাহেবকে অবশ্য অনেকবার বলতে শুনেছি—এই মহিলার খাসলতই (কৌশিক যাকে চরিত বলছেন) খারাপ, এই জন্যই এই সব কিতাব লেখে...।

দেখছেন পীর সাহেব আমাদের কাজ কত কমায়ে দিল? তসলিমা তো এম্নে লেখবই, তার চরিতই তো এমন...

১৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সবখানে আসলে ব্যক্তিগত ক্যাচাল ভাল লাগে না। এক পোস্টে মত যখন মিলেনা, দেখা যাছে অন্য একটা পোস্টে মত মিললেও শুধু অপরপক্ষ এই মতানুসারী বলে বিরোধিতা কররা হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যক্তিগত ক্যাচাল উদারপন্থীদের চরমপন্থী বানায়।
এক পোস্টে মত না মিললে, একেবারেই অন্য বিষয় সম্পর্কিত পোস্টে ঝগড়া ঝাটি লেগে যায়।
আর, ব্যক্তিগত আক্রমণ সবসময়ই নিকৃষ্ট পন্থা।
আর, অপরিণত মডারেশন এই প্লাটফর্মটাকে অগোছাল হতে আরও ইন্ধন জোগায়। পরস্পর ব্যক্তিগত আক্রমণে যখন মডারেশনের পক্ষপাতিত্ব দেখা যায়, খুব দ্রুতই তখন দুই পক্ষে দুইটা গ্যাং দাঁড়িয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা আনব্যালেন্সড।
পরে, গালিগালাযে দুর্বল আর মডারেটরদের চক্ষুশূল হওয়া গ্রুপকে সব ধরণের পোস্টেই হেনস্তা হতে হয়।


আসলে, মনমানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া এই অক্র কাঁটানো সম্ভব না। একজন ব্লগার কখনও একজনকে ধরাশায়ী করতে পারেনা, যদি না তার কোন গ্যাং থাকে। সেখানে, স্বজনপ্রীতির কারণেই নেকের মতামত ভিন্ন হলেও সাপোর্ট দিয়ে যায়।

এই চিন্তাধারা ত্যাগ করতে না পারলে এমন ঘটোনা আরও বহু ঘটবে। অনেকি যখন পক্ষে থাকে, নীরবে অথবা সরবে, কমেন্টে অথবা ইমেইলে, শত জ্ঞানী হলেও নিজের ভুলটা চোখে না পড়াই স্বাভাবিক।
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: পাগলা ভাই, ক্যচালকে আপনি এত অপছন্দ করেন কেন? বিরোধিতা দেখলেই বা এত ডরায়ে যান কেন? মতের বৈপরিত্য আছে বলেই তো দুনিয়াটা এত রঙিন, এত আকর্ষনীয়!!!

পৃথিবীর সবাই একই রকম ভাবত, একই মতে হ কইতো, তবে দুনিয়ার মতো বোরিং জায়গা আপনি কোত্থাও খুঁজে পাইতেন না।

ফলে দুনিয়ায় মতপার্থক্য তো থাকবেই, কিন্ত এই পার্থ্যকের মধ্যেও আপনি চিন্তার ঐক্যও দেখতে পাবেন।

১৫. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
'লেনিন' বলেছেন: পুরোটা পড়ার সময় হলোনা। কিন্তু চমৎকার লিখেছেন।

একটি কথা আছে, 'দুর্জন বিদ্যান হইলেও তাহার সঙ্গ পরিত্যাজ্য'।

খারেজি পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার মানসিকতাটা খুবই বেশি রকমের দৃষ্টকটূ। নেটিকেট-এটিকেট, সভ্যতা-ভব্যতা কোনো পর্যায়েই তা পড়ে না। নিজের মনন এবং চিন্তনের গভীরতাই যদি থাকবে, তবে অপরের ক্ষুদ্রতা, বিপরীতভাব - ইত্যাকার অনুভবে নিজের ক্ষুদ্রতার প্রকাশ হবে কেনো?
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: সময় করে আমার পুরো পোষ্টটা পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। আরও একটু সময় পেলে খারেজির পোষ্ট গুলোও ঘুরে আসবেন--আমার মনে হয় খারেজিকে আপনার দুর্জন নাও মনে হতে পারে...

খারেজির কথায় একটু ঝাঁজ হয়তো কখনও কখনও ফুটে বের হয়, কিন্ত আমার মনে হয় না কারো সাথে ঝগড়া করাটাই খারেজির প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাড়ায়।

১৬. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বিনা যুদ্ধে নাহি দিব এক সূচাগ্র মেদিনী- ভালো কথা।
কিন্তু, এটি তো প্রতিপক্ষের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়।
ব্লগে প্রতিপক্ষ কে?
সবাই একটি ভার্চুয়াল সমাজের এমনই অবিচ্ছেদ্য অংশ যাদের মাঝে ব্যক্তিগত জীবন বিশ্বাস সংক্রান্ত মতদ্বৈততা থাকলে ও এ সমাজকে এগিয়ে নেবার ব্যাপারে কারোই দ্বিমত নেই।
এ ব্যাপারটুকু মাথায় রাখলে, আমার মনে হয়, লখক যে বিষয়ে দ্ররষ্টি আকর্ষন করেছেন তার বাস্তব এবং ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।
............................................................................................
আর লেখককে উত্তম ঝাজা। বোঝা গেলো, তিনি 'জাতেমাতাল' হলেও তালে ঠিক!
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: সঠিক পর্যবেক্ষন... অনেক ধন্যবাদ, তায়েফ।

১৭. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: চমৎকার ভাবে অনেকের মনের কথাই বলে দিয়েছেন...
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, বৃত্ত।

১৮. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
শিরোনাম বলেছেন: @বৃত্তবন্দী আপনি সে সুযোগটা কেন নিলেন না? নাকি কাক ভুষুন্ডী দিয়া কিছু বলবেন?
১৯. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
শিরোনাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া ধারুন ভাবে গুছিয়ে পোস্ট লিখার জন্য। খারেজী মাসুম ভাই দুইজনেই ব্লগে থাকুক।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: অবশ্যই শিরোনাম, দারুন ভাবে একমত। আমরা কাউকেই যেতে দিতে চাই না।

সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্লগারদের সেটাই মনের কথা...

২০. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @শিরোনাম- আমি আমার মনের কথাগুলা খরেজির একটা পোস্টেই বলে এসেছি। ঠিকাছে? আর আমি নিজে এত সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারি না। এটা আমার ব্যর্থতাও বলতে পারেন। ধন্যবাদ।
২১. ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০০
সোজা কথা বলেছেন: আমি তুলনামূলক ভাবে নতুন এবং খারেজী এবং মাসুমের অল্প কিছু লেখা পড়েছি। আমার কাছে যুক্তিগত বিতর্ককে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে রূপান্তর অগ্রহণযোগ্য এবং তার জন্য ব্লগ বিরতি একটু বাড়াবাড়ি মনে হয়। প্রথমত: ব্লগের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী( আমি যতদুর জানি) খারেজী কিংবা মাসুম নয়। একটি পোষ্ট মাসুম কেন দিলেন না যেখানে অপর ব্লগারের অতিরিক্ত কোন আচরণের প্রতিবাদ থাকবে। (নাকি দিয়েছিলেন? যদি হয় লিংকটি পেলে কৃতজ্ঞ থাকবো) ; যদি মডারেটরদের সহানুভুতি না মেলে তবে অন্তত: সাধারণ ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষিত হতো।

সামাজিক ব্লগ সাইট হিসেবে ইন্টারএকশন থাকবেই ।ভুল বুঝাবুঝি থাকবেই যেমন থাকবে বাররকম মানুষ । সুতরাং সবার সম্পর্কটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে না গিয়ে সুস্হ সুন্দর ভাবে বজায়ে থাকুক। লেখকের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানাই।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: সোজা কথা-- আমি আপনার সুরে সুর মিলিয়ে এই কথাটাই বারবার বলতে চাই... আমার কাছে যুক্তিগত বিতর্ককে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে রূপান্তর অগ্রহণযোগ্য ......

এটা কোন কথার কথা নয়, উই মিন ইট...

বিতর্ক দেখলেই কেউ যেন মন খারাপ করে না বলে--আহা ওরা আবার বিতর্ক করে কেন?
আমরা আগামীদিন গুলোতে অনেক বেশি বেশি বিতর্ক করতে চাই। আমাদের শুধু খেয়াল রাখতে হবে কেউ যেন যুক্তি দেবার বদলে ব্যক্তিগত আক্রমন না করে... কাউকে হেয় না করে।


২২. ১৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: কথা হইলো গিয়া- খারেজি 'খারেজি' তো! সম্প্রদায় থেইকা খারেজ হইলেই না তবে খারেজি!
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: খারেজি সম্ভবতঃ নিজকে সম্প্রদায় থেকে খারেজ ভাবেন...

অঃটঃ কেমন আছেন? পেশাগত ব্যাস্ততা...?

১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: দারুন লাগল, রেজওয়ান শুভর মন্তব্য...

২৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
ভালো লাগল।
মাসুম, খারেজী দুজনের লেখাতেই ধার আছে।
ব্লগে সবার সহাবস্থান কাম্য।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ব্লগে সবার সহাবস্থান কাম্য। সম্পূর্ণ সহমত...

২৬. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৯
শয়তান বলেছেন: পোস্টটা একপেশে লাগলো
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: কোন পেশে তা অবশ্য বললেন না...

তবুও আপনার বোঝার সুবিধার জন্য বলি--আমি কিন্ত নিজকে কখনো নিরপেক্ষ বলে দাবী করি না। কোন বুদ্ধিমান লোকই তা করে না...

ফলে আমার লিখা কোন এক পেশে হতেই পারে।

২৭. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: এই কথাগুলো অত্যধিক ভদ্রতা নিয়ে একজন বলতে গিয়েছিলেন তাঁকে ততোধিক অপমানের সাথে হিপোক্রেট বলে হয়েছে ,যদিও তিনি এই ব্লগে সবার প্রচন্ড প্রিয় একজন ব্লগার ।

দেখা যাক , আপনার জন্য কি কি অপেক্ষা করছে ।

সুন্দর লিখেছেন ভাই ।আপনার টা দেখেই ঐ পোস্টে গেলাম , তবে অন্যমনস্ক শরৎ এর টোন এও কিছু সমস্যা ছিলো বলা মনে হয়েছে । অ্যান্সার এর ব্যাপারে আপনার সাথে পূর্নভাবে একমত ।দুজনকেই এই ব্লগে দরকার - দুজনেই থাকুন , মডারেশন আরো স্বচ্ছ হোক ,এটাই কামনা।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: আরে, এপুভাই-- কেমন আছেন? সব খবর ভালো?

......দুজনকেই এই ব্লগে দরকার - দুজনেই থাকুন , মডারেশন আরো স্বচ্ছ হোক ,এটাই কামনা।... আপনার সাথে পুরোপুরি একমত।

যাই হোক, সময় একটু গড়ালে সব কিছু আরো সহজ হয়ে যাবে... আশা করি।

২৮. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১০
খারেজি বলেছেন:


জাতে মাতাল, আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই।
স্বীকার করি, দু'দুবার আপনার পোস্টের জবাব দিতে গিয়ে আমি লগআউট করে চলে গিয়েছি।
ভয়ানক ক্রোধ আমাকে আচ্ছন্ন করেছিল, কেননা আমি এখনো আমার প্রতিটি অবস্থান অন্তত নিজের কাছে ন্যায় সংগত বলেই মনে করি, যতক্ষণ এটা যুক্তির প্রশ্ন। আমি অপরাধ ত্রুটি যদি কিছু করে থাকি, তা অসম্ভব উস্কানির দরুণ এবং সেই উস্কানিতে সাড়া না দেয়াটা নিজের কাছে গর্হিত মনে হয়।

কিন্তু এটা সত্যি, যুক্তির বাইরেও কিছু স্পেস থাকে, সেই পরিসরেও যে মায়া বিস্তার করতে পারে, শেষবিজয় তারই। নিরেট যুক্তি দিয়ে কেউ শত্রুকে বড়জোড় পরাজিত করতে পারে, জনতাকে বিজয় করতে পারে না।

কিন্তু আবারও পক্ষ-বিপক্ষের আলোচনায় যেতে চাই না, আমরা উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান যথাসম্ভব পরিস্কার করতে চেয়েছি। এ নিয়ে আর নতুন কিছু বলার নেই।

আমি বরং আমার ক্রোধ নিয়ে বলি। ব্যক্তিগত জীবনে আমি ততটা ক্রুদ্ধ চরিত্র না, টিকে থাকার জন্যই কত রকম আপোষ আমাদের করতে হয়! কিন্তু 'খারেজি' বলে একটা চরিত্রকে আমি দিনের পর দিন ধরে নির্মাণ করেছি যা মানুষকে চেপে রাখতে হয়, তার-ই একটা ভাবকল্প হিসেবে। খারেজি তার নিকের মালিকের আনকনসাসের একটা অংশ হতে চেয়েছে, তাই একটা স্প্লিটেড সেলফ হিসেবে তার বিকাশ দিনের পর দিন ধরে। খারেজি আরও অনেকের মনের শেকড় ধরে টান দিতে চেয়েছে, কেননা আমাদের হৃদয়ে বিদ্রোহের যে তাড়না খেলা করে, খারেজি তাই।

কিন্তু দেখেন, আমার বরাবরই সন্দেহ সাইবার গোপনীয়তার সুযোগ নিয়াও, ভার্চুয়াল চরিত্র হয়াও আপনার কনসাস ব্যক্তিত্ব ঠিকই সময় মত হাজিরা দেয়, রাশ টেনে ধরে। যা ভেবে খারেজির জন্ম, সে তার পথে দু'কদম হাঁটামাত্র ফেরত চলে। খারেজি চরিত্রটাকে আমি যখন ভাবি, তখন তাকে উদ্দেশ্য করে আমি একটা মাঝারি দীর্ঘ পদ্য লিখেছিলাম, তার দু'লাইন এমন-
"রোজ ভোরে খারেজিটা শান দেয় দাঁতে
আপন দাঁতের বিষে কাঁদে রোজ রাতে..."

কিন্তু খারেজি তেমন আর হৈতে পারল কই! আপনি তাকে লাগাম ধরার কথা বলেছেন, প্রতিবার নিজেই সে লাগাম টেনে ধরেছে, যখন অপরপক্ষ অসহায় প্রলাপ বকেছে।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: খারেজি ব্যক্তিগত একটা কাহিনী বলি...

আমার বিয়ের বয়স তখন মাত্র কয়েক মাস। দাম্পত্য যুগের প্রাথমিক সেই অনভ্যস্ততার দিন গুলোতে আমাদের সম্পর্কের ভারসাম্য ছিল একদম তলানীর পর্যায়ে।

পুলাপান দুজন দুজনকে আগে থেকে চিনে, বিস্তর বাতচিতও হইছে। তো এখন গ্যঞ্জাম করো কেন? ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বন্ধু-বান্ধব সবার কাছেই আমরা দু'জন ছিলাম মুর্তিমান সমস্যা।

আজীবনই আমার প্রধান সহায় আমার উস্তাদ। (আমার প্রিয় কাজ-উনার সাথে বেয়াদপি করা) উনার নিদানই আমাকে বিভিন্ন ঝুট ঝামেলা থেকে বারবার রক্ষা করেছে। গুরুবাদের প্রতি আমার পক্ষপাতিত্ব তাই চিরকালই প্রবল।

আমার দাম্পত্য সমস্যায় হস্তক্ষেপ করলেন উস্তাদ--আমাকে ডেকে পাঠালেন উনার ইউনির ল্যাবে... আমাকে দেখে উনার প্রথম প্রশ্নই ছিল--তুমি সবসময় এত জিততে চাও কেন? তুমি কি নিশ্চিত --জিতা কাকে বলে তুমি জানো???

খারেজি-- ডু য়্যু...???

২৯. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: খারেজি কে ধন্যবাদ এভাবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য...
৩০. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৭
খারেজি বলেছেন: এই পোস্টেই দু'জন আছেন, যাদের নিয়ে খারেজি বিস্তর মস্করা করে নিজেই বিরতি দিয়েছে। কেননা চিন্তায় অপারগ মানুষকে নিয়ে ঠাট্টা করার মত নির্মমতা আর কিছু নাই। হাসিবকে নিয়া বাজে কথা বলা এক লোককে নিয়া লেখা পোস্ট বন্ধুদের না মোছার অনুরোধ সত্ত্বেও ডিলিট করে দিয়েছে।

এমনকি আমার বর্তমান অন্তরঙ্গদের অনেকের সাথেও শত্রুতা এবং নির্মম শত্রুতা দিয়েই আমার ব্লগজীবন শুরু। আমি ব্লগে প্রথম যার মন্ত্রমুগ্ধ হই, সেই সুফীর সাথে আমার পরিচয় তিক্ত অনেকগুলো বিবাদ দিয়ে। যতবার ভুল করেছি, বোঝামাত্র মাফ চাইতে আমি কখনো কার্পণ্য করি নাই। নিজের পক্ষে এটুকু আমি বলতেই পারি।

ব্লগে যাদের সাথে নিয়মিত আমার তর্ক হয়, তারা সকলেই আমার শত্রু নয়। মুনিরের লেখার শিরোনামের সমালোচনা আমি তার পোস্টে করেছিলাম, কিন্তু এখনও মনে করি ঐ পোস্ট বিষযবস্তুর কারণে একসপ্তা লটকে থাকা উচিত ছিল। মনিরের লেখায়ও ঐ ত্রুটি আছে, তার লেখায় যুক্তির বাইরে প্রেম ছিল না। কিন্তু মনিরের লেখার ভক্ত হতে, তার বন্ধু হতে আমার সমস্যা হয় নাই। একই কথা শয়তান, অরণ্যদেবের জন্য সত্য, সত্য মনজুরুল হকের জন্য।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: আপনার এই কথাগুলো আমি আগেও শুনেছি। বলা বাহুল্য মর্মের দিক থেকে অবিশ্বাস করার কোন কারন খুঁজে পাই নাই। আপনার উদারতা বোধ নিয়েও আমরা সন্তষ্ট...

আপনি বিতর্ক করতে জানেন না, এটা আমার কখনই মনে হয় নাই।

হয়তো অনুশীলনের সময় কিছু জিনিষ আপনার নজর এড়িয়ে যায়...

৩১. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৯
খারেজি বলেছেন:
আমার আরও কিছু বলার আছে। কিন্তু এখনই আমাকে দৌড় দিতে হ্চছে।
কাল নিশ্চয় আবার বলবো। জাতেমাতাল, শেষে যে ভালবাসাটা জানাতাম, তাই এবার হুড়মুড় করে জানাচ্ছি।

(এভাবে জানালে নারীদের সাথে সর্বদা সফল হবেন...)
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: ভালবাসা জানানোর টিপসের জন্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ ভালবাসা জানানোর জন্যও।

আপনার বাকী কথা গুলো শুনার অপেক্ষায় থাকলাম...

খারেজির জন্য আমাদের সবার অনেক ভালবাসা...

৩২. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: খারেজি,এইখানে তাইলে আপনার জন্য একটা প্রশ্ন আনি। আপনি আপনার আনকনশাস অংশটার জন্য খারেজিকে নির্মাণ করলেন,সেইটা নেটে আপনার সবার জানা চরিত্রের বাইরে যা আছে সেটাকে প্রকাশ করবে,নাকি বুঝতে ভুল করলাম? এখন প্রশ্নটা হইলো,এইটা করার দরকার হইলো কেন? আপনার মাঝে কি এমন কোন শংকা কাজ করে যে আপনার যে পরিচয়টা সবাই জানে সেইটাতেই এই কথাগুলি বললে আপনার ব্যক্তি ইমেজের জন্য সেইটা ক্ষতিকর হইতে পারে? তাইলে সেইটা একধরণের দ্বিমুখী নীতি হয়া গেল না,যে মুখোশ পরে স্বচ্ছতার যুক্তি দেয়ার মত?
৩৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩১
শয়তান বলেছেন: ব্রাভো খারেজি ।ওয়েল এ্যান্ড বোল্ড সেইড ।
৩৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: পোস্টে প্লাস, এই কারণে যে আপনার সৎ অনুভূতির প্রকাশভঙ্গীমা। মাসুম ভাই প্রচণ্ড প্রিয় একজন মানুষ। তার অভিমানী পোস্টে খেয়াল আছে এইটাও লিখছি যে খারেজীরে খারিজ করে দেন। অথচ খারেজীর সঙ্গে আমার কোনোকালে কোনো কটুক্তি বিনিময় হইছে বইলা মনে পড়ে না। হয়তো এইটাই গোষ্ঠীপক্ষতা যা বিবাদে মানুষকে পক্ষপাতমূলক করে তোলে। তারপরও ছাগুপার্টির বাইরে কারো সঙ্গে কারো হানাহানি সবসময়ই আমার কাছে পীড়াদায়ক, যদিও নিজেই এর বাইরে থাকতে পারি নাই অনেকসময়। আবারও ধন্যবাদ, উপলব্ধির জন্য
১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: অন্য মানুষের সাথে বিবাদ করার সময় আমদের উচিত গোষ্ঠীপক্ষতার উর্ধ্বে উঠা। খোলা মনে বিচার করার চেষ্টা করা, এই বিবাদে কার অবস্থান কোথায়, এবং কার বক্তব্য কি?

এই পোষ্টে আমি কিন্ত খারেজিকে সমালোচনা করেছি অত্যন্ত নির্মম ভাবে, তাকে প্রায় কোন ছাড় না দিয়ে। অথচ আমি নিশ্চিত, আমাকে তার বন্ধু হিসাবে ভাবতে খারেজির কোন সমস্যা হবে না।

প্রিয় মানুষরা কখন গাড্ডায় পড়ে জানেন? যখন তার প্রিয় বন্ধুরা তাকে তার ভুল নিয়ে এই নির্মম অথচ প্রয়োজনীয় সমালোচনাটা করেন না, বরং গোষ্ঠীপক্ষতার পক্ষপাতমূলক অবস্থানে থেকে তাকে
অন্ধ সমর্থন দিয়ে যান।

অথচ আমার প্রিয় বন্ধু তো সেই, যে আমার ভুলটা ধরিয়ে দেয়।

৩৫. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

জাতেমাতাল, হে বন্ধু! এখানে কি আমার কিছু বলবার আছে ? মাঝে মাঝে নিরবতাই ভয়ানক এক কথ্য হয়ে ওঠে! না হয় তা-ই হয়ে রইল।

একলব্যের পুনর্জন্ম কে আর একবার একটু আসতে অনুরোধ জানাচ্ছি..... তার মন্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অসমাপ্ত। আসবেন কি অপু ?
১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মনজুভাই, আপনার মন্তব্য সবসময়ই আমার বাড়তি প্রণোদনা হিসাবে কাজ করে...

আপনার নীরবতা আমাকে যথাযথ ভাবে কমুনিকেট করতে পেরেছে... ভাল থাকবেন।

৩৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০১
শয়তান বলেছেন: Click This Link

একপেশে বলার জন্য পোস্ট শিরোনামটাই কি যথেষ্ট নয় ?
১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন: আপনার যেহেতু মনে হয়েছে, হতে পারে হয়তো। আসলে নিজেরটা নিজে ঠিক বিচার করা যায় না।

আপনার মতামতের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখাতে চাই না।

তাছাড়া ২৬ নং মন্তব্যে তো স্বীকার করেই নিয়েছি যে ......আমার লিখা কোন এক পেশে হতেই পারে।

৩৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১০
প্রতিদিন বলেছেন: কী ভাই আমার কমেন্ট কই গেল? বাগ, নাকি অন্য কিছু? দেইখা দেখেনত আমিত অই মন্তব্যের মইধ্যে কুনো আলফাল কথা ই নাই।


কইছিলাম:

ভাই জাতেমাতাল, আপনের লেখায় বহুত আগেই প্লাস দিয়া গেছি। ইটি খারেজি বা মাসুমএর লেখার ভক্ত হওনের জন্য নয়, তাগো কারো লেখাই আমার পড়া হয় না। যদ্দুর চোখে পড়সে মাসুমরে বিশি মাত্রায় সুশীল মনে লয়, পরে শুনছি লোকটা প্রথম আলোর চাকরীজীবি আর এই নিয়া তার বড় গণমাধ্যমের অহংকার আছে। তা থাকতারে, আমার কিছু কওনের নেই এই নিয়া। খারেজির ব্যাপারও ঐ একই। তার লেখাজোখা মাসুমের থুন পক্ক মনে হইসে, তয় তার ভিত্রেও কুনো এক অহংকার বইসা আছে। তাই দুজনের লাগসে। জীবনানন্দের কাব্য মনে পড়ে খালি: স্বপ্ন নহে, বিত্ত নহে, স্রেফ এক ফালি অহংকার।..

তয় খারেজি ভাইজানের সব থিকা বিরক্তিকর আকাইম্যা কাম হইল হাসিব নামের এক নবাবের পুত যে এক টাইমে ব্লগে ভিলেজ পলিটিকসের নামে হেন কর্ম নেই যা কইরা ফালান নাই, তারে নিয়া কি এক পলিটিকস মারাইতে চায়। বুঝপার পারি নাগো। জীবনানন্দের কাব্য মনে পড়ে খালি।..

হাসিব ভাইয়ের কথা মনে পড়তেই চক্ষে পানি আয়া পড়লো বস। টিস্যু আছে?
১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: ......স্বপ্ন নহে, বিত্ত নহে, স্রেফ এক ফালি অহংকার।..
বাঃ জীবনদা এই কবিতা লেখছে নাকি?? নাকি আপনার কবিতা জীবনদার নামে চালাইলেন?

তো জীবনদায় যদি এ কবিতা লিখে থাকে, তাহলে তো অহংকার দেখা যাইতেছে তো বুরা চিজ নয়... তাহলে?

খারেজির হয়তো আমার মতো গুরুবাদএ অচলা ভক্তি। হাসিবরে সে ভালা পায়।

৩৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: খুবই নিরপেক্ষ ও চমৎকার বিশ্লেষণ। মুগ্ধ হলাম। তবে খারেজির জনাকয়েক সাঙ্গাতের ভূমিকা বোধহয় আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারতো আপনার বিশ্লেষণে। এরা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে
খারেজিকে ক্রমাগত উস্কে দিয়ে গেছে- একে আক্রমণ করো, ওর ওপর হামলা চালাও! ব্লগার হয়রানির সাম্প্রতিক ঘটনায় খারেজির স্বভাবজাত অসূয়াবোধের বাইরে বন্ধুবেশীদের এই উস্কানিও একটা বড়ো প্রভাবক ছিল।
২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার অভি্যোগ যদি সত্য হয়,-তবুও শেষ পর্যন্ত দায়টা আমি খারেজির ওপরই চাপাতে চাই। কেউ যদি অন্যের উস্কানীতে ভুল কাজ করে, তবে তার জন্য সেই নিজেই দায়ী।

৪০. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: "প্রথম প্রশ্নই ছিল--তুমি সবসময় এত জিততে চাও কেন? তুমি কি নিশ্চিত --জিতা কাকে বলে তুমি জানো???"
আপনার ওস্তাদের এই কথা মানার চেষ্টা করি আজকাল,খাঁটি কথা। আসলেই সফলতা কি? জয় কি? পুরাটাই তো আপেক্ষিক,আমরা যেটাকে সাফল্য বা জয় ভাবি,আসলেই সেইটা তাই কি? দার্শনিক বা ভাবের কথা মনে হইতে পারে,কিন্তু শেষমেশ আসলে প্রাপ্তিটা কি?
২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: কিন্তু শেষমেশ আসলে প্রাপ্তিটা কি? এটা একটা গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন...

আমাদের জয় কোথা থেকে আসে? কোন কিছু পাওয়ার মধ্য দিয়ে, নাকি কাউকে কিছু পাইয়ে দেয়াব মধ্য দিয়ে? কি ভাবে জয় অর্জন করি, আমরা?

৪১. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৮
খারেজি বলেছেন:

হাঃ হাঃ জাতে মাতাল, আপনার ওস্তাদের কথায় মজা পাইছি।
বিজয় নিয়া আমার নিকের মালিকের প্রিয় ডায়লগ হৈল এই:
লোকরে জিততে হৈলে নিয়ম কইরা তার কাছে তুচ্ছ বিষয়ে হারতে হয়।

কিন্তু খারেজি তো তার নিকের মালিকের ব্যক্তিত্ব হইতে চায় নাই, চাইছে তাকেও ছাপায়া যাইতে। এইটাই আমি বারবার বলতে চাইতেছে। সে প্রতিদিন যে শত তুচ্ছ কাজে ছাড়া দেয়, সেইখানেও ভয়ঙ্কর হওয়ার বাসনা নিয়া ব্লগে আসছিল।

মুশকিল (যেমন গোয়েন্দা ফারহান বুঝে নাই, সে খেয়াল করল না আমি বললাম যে নিকের মালিক আইসা বারবার খারেজির রাশ টাইনা ধরে) এই যে, আমি আদতেই দেখলাম দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব নির্মাণ এবং তার জীবন যাপন ভয়ানক কঠিন। খারেজিকে মুক্তভাবে বিকাশের সুযোগ দিতে গিয়া তার মালিক অনেক চায়ের আড্ডা বর্জন করেছে, বক্তব্যের প্রকাশে বহু কাটছাট করে ফেলেছে, সদ্য মাথায় আসা তাজা আইডিয়াগুলো শেয়ার করা বন্ধ করেছে... কেননা ব্লগের কেউ কেউ অম্নি ধরে ফেল্বে।

১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: খারেজি নিকের মালিকের কাছে আমাদের ঐতিহাসিক অনেক ঋণ আমরা স্বীকার করি। খারেজির বিকাশে তার আত্মত্যাগ ইতিহাস নিশ্চয়ই মনে রাখবে...

১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ ভালই কইসেন, কি আর করা খারেজি সাহেব মানী লুক...

৪৩. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২০
খারেজি বলেছেন:

এই দফায় আমি আমার মূল কথায় আবার আসি:
আমরা প্রায়ই একটা কর্ম করি, সেটা হল বন্ধুত্ব বা পরিচতির কারণে ছাড় দেয়া এবং পক্ষ নেয়া। খারেজি নিকটা আমাকে এটুকু সুবিধা দিচ্ছে যে, যে খানটাতে আমাকে আগে অন্তত ভদ্রতা বা সৌজন্য বশতঃ চুপ থাকতে হতো বা মেনে নিতে হতো, সেখানেও খারেজি কথা বলতে পারে।


কিন্তু তাই বলে খারেজি কি সব বিষয়ে কথা বলবেই? আলপিন নিয়ে ওই পোস্ট না দিলেও কি চলত না?

না, চলত না।
আপনি ব্লগে গণতন্ত্রায়ন নিয়া আমার পোস্টে দেখবেন বৃত্তবন্দী একটা দারুণ কমেন্ট করেছেন নুশেরার প্রতি, সারসংক্ষেপ করলে সেটা দাঁড়ায় এই: কেবলমাত্র একজন ব্লগার যদি কোন পোস্টকে অবমাননাকর বলে মনে করেন, আর অন্য সকল পাঠকের কাছে যদি সেটা সঙ্গত হয়, তবে পোস্টটা মুছে ফেলবার মত দাপট দেখানো কি যথাযথ?

আমি পরের সবগুলো পোস্ট আসলে এই অযথাযথ কাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার কারণেই দিয়েছি। লড়াইয়ে আর কোন হাতিয়ারই আমার ছিল না, কিন্তু এটা জোর দিয়ে বলতে পারি আলপিন সংক্রান্ত ঐ পোস্টের বিষয়বস্তু ভুল ছিল না। ফান করেও আপনি খুব ভুল অর্থনীতির চিন্তার প্রকাশ করতে পারেন, অন্য কেউ নরম বা চরম পদ্ধতিতে তা ধরিয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমার যুদ্ধকৌশল ছিল তাকে মাঠে আনা... এই অবিচারে তার যুক্ততাকে ক্রমাগত জাস্টিফাই করতে বাধ্য করা।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

লেখক বলেছেন: ভালই তো, যে খানটাতে আপনাকে আগে অন্তত ভদ্রতা বা সৌজন্য বশতঃ চুপ থাকতে হতো বা মেনে নিতে হতো, সেখানে খারেজি নিক যদি আপনাকে বাড়তি সুবিধা দেয়...

৪৪. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৮
খারেজি বলেছেন:

আর ঐ তরিকা নেয়ার ফল কিন্তু হল প্রতিপক্ষ তার চেপে রাখা ব্যক্তিত্ব নিয়ে হাজির হলেন।

আমি শওকত সাহেবকে আর যাই বলি, 'চুতমারানি' 'বেশ্যারদালাল' বলি নাই, অভিমানী একটা পোস্ট দিয়ে মিত্রদের আহবান করি নাই শত্রুকে ধূলায় লুটায় দিয়ে জনগণকে (আমব্লগারদের!) শিক্ষা দিতে!

কিন্তু ওনার পোস্টের মানসিক পরিস্থিতি নিয়াও আমার দুটো অবজার্ভেশন আছে (একটা আমি কেন নিকের পক্ষে নামের একটা পোস্টে বলতে চাই)। একটা হলো এই ক্রমাগত আক্রমণ ওনাকে একটা সঙ্কটে ফেলেছে, তিনি তার মিত্রদের বন্ধুত্ব প্রদর্শনে আহবান করেছেন, সকলকে অবস্থান ঘোষণা করতে বলেছেন। তারা তা করেছেনও।

কিন্তু দ্বিতীয় বিষয়টা হলো তিনি এই যুদ্ধসাজে এসে বিশাল কোন সমর্থন পাননি। তার মিত্ররা আমাকে সর্বোচ্চ খারিজ করতে কিংবা 'অযোনিসম্ভুত কুকুর শাবক' ইত্যাদিই বলেছে। বিশ্লেষণাত্মক মন্তব্য ওখানে যে কটা ছিল, তা হয় আমার প্রতি সহানুভূতিশীল কিংবা অন্তত শওকত সাহেবের প্রতি বিরুপ।

এটা ওনাকে আরও আহত করেছে। এটার ফল খারাপ হতে বাধ্য।
৪৫. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
মদনকুমার বলেছেন: জ্ঞানের মেলা বসছে .।
খারেজীরে নাস্তিকগো নবী ঘোষনা করা হৌক
৪৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭
খারেজি বলেছেন:
কিন্তু ব্লগে যারা উভয়কেই চান, সেই আপোষকারীদের নিয়াই মুশকিল। আমি তো শওকতা সাহেবকে কোনকালে না চাই নাই। ওনার সাথে চায়ের আড্ডা কোন কালে খারাপ লাগে নাই।
আমি বেশ্যার দালালও হতে পারি, ইন্টারনেটের স্পেসে রাখা তার প্রিয়জনদের ছবির অসদ্বব্যহার করতে পারি, এইগুলার বাইরে উনি ব্লগে না আসার কি যুক্তি দিয়েছেন?

নুশেরা হয়তো আমার এই মন্তব্য পড়বেন না, কিন্তু তাকে বলতে চাই, এই যুক্তিতে ব্লগ ছাড়ার সেন্টিমেন্টাল আওয়াজ তোলায় উনি তাকে ফেরানোর জন্য পোস্ট দেয়া বন্ধ করার ঘোষণা দিলেন, আহমদ মুস্তফা কামাল (গায়ে পড়ে ঝগড়া করেছি, পরেরবার আবার করব) তাকে পোস্ট উৎসর্গ করলেন... কিন্তু তার ওপর তো তিনি নিজে ছাড়া আর কেউ ব্লগ ছাড়ার মত অবিচার করে নাই।

অবিচার মডারেটররা করেছে খারেজির প্রতি। সিনিয়র ব্লগাররা করেছে খারেজির প্রতি। তার "একেকটা দিন যায়..." মুছে গেছে। কিন্তু স্বল্পপরিচিত খারেজির প্রতি করা অন্যায় নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা সামান্য- পুরোটা ভদ্রতার দায় নিয়ে।

৪৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
খারেজি বলেছেন:

জগতের সবচে' বড় বাধন হচ্ছে মায়ার বাধন। মা 'বাবুরে এটা করিস না' বলা করা কাজটা এখনও করতে বাধে।

আপনার প্রীতি আমি অনুভব করি, তাও আপনার অনুরোধ আমি রাখছি না। 'ব্লগে দু'জনকেই দরকার' এই মধ্যপন্থী মতাদর্শীদের জন্য বলছি: ব্লগে বিতর্কের পরিবেশের দরকার আরও বেশি। আর এই দুজনের কথা আমাকে কেন বলা হচ্ছে? আমি তো কখনো চাই নাই ওনাকে ব্লগ থেকে বিতাড়িত করতে। উনি তার পোস্টে প্রকারন্তরে আমাকে বিতাড়ন করতে চেয়েছেন।

এই বিতর্ক জেনারেল করা ছাড়া আমার আর কি ক্ষতি করেছে! কিচ্ছু না। একগাদা বন্ধু পেয়েছি আমি... যাদের ওপর এই ভরসা অন্তত করা যায় যে আমার অবস্থান সৎ থাকলে তারা আমার সাথে থাকবে।

আর এটা তো ছিল মোটে প্রথম যুদ্ধ, ওনার মিত্ররা আগেই জমাটবদ্ধ, আমার মিত্ররা পরস্পর সম্পর্কে খু্বই ভাসাভাসা (অবশ্য অল্প যে ক'জনের অবস্থান নেয়ার জন্য যুক্তির সঠিকতাই যথেষ্ট, তাদের কথা বাদ)। পরেরবার লড়াই হবে আরও কঠিন।

ফিউশন ফাইভ যে আমার পক্ষে নাই, যুদ্ধে জেতার জন্য এরচেয়ে বেশি কি অস্ত্র আমার দর্কার! হাঃ হাঃ

কিন্তু আজকের মত বিরতি দেই, আর অভয় দেই যুদ্ধ তেমন একটা হবে না, ঐ যে নিকের মালিক এসে লাগাম টেনে ধরে।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: খারেজি, পুরো আলোচনাটার একটা সার সংক্ষেপ দাঁড় করানো যাক। শুরুতে আবার পরিস্কার করে নেই, মাসুম আর খারেজির বিবাদ মিটানো আমার এই পোষ্টের আশু লক্ষ্য ছিল না, দু’জনকে আবার ব্লগের লিখালিখিতে ফিরিয়ে আনাও নয়। লক্ষ্য করবেন আমি এই পোষ্ট দিবার আগেই আপনি লিখালিখি আবার শুরু করেছেন।

আপনারা দু’জনই ব্লগে আমার নিয়মিত লিখা শুরু করেন, অনেক ব্লগারই মন্তব্যের ঘরে এই আকাঙ্খা প্রকাশ করেছে, আপনাদের দুজনের বিবাদ মিটে গেছে—এটা দেখা ব্লগারদের দিক থেকে সাধারন ভাবেই একটা আকাঙ্খার দিক ছিল। এ ধরনের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আমি ব্লগারদের এই আকাঙ্খাকে সমর্থন করেছি, শ্রদ্ধা দেখিয়েছি। আমি নিজেও মনে করি মাসুমের সাথে যদি মিটমাটের একটা পথ বের করতে পারেন—অবশ্যই সেটা অধিকতর ভাল। কিন্ত তার চেয়েও ভাল হয়—বিরোধের মত পরিস্থিতি গুলো কেন তৈরি হয়—যদি সে গুলো আমরা খুঁজে দেখি।

একজন ব্লগার—যে ব্লগে প্রচুর বিতর্ক তোলার গুরুত্ব বোঝে, যে চায় বিতর্কের মধ্য দিয়ে সত্যের নতুন নতুন উ্পলদ্ধিকে তুলে আনতে, যুক্তিগ্রাহ্য তথ্য উপস্থাপন করতে... কিন্ত সামান্য কিছু ব্যাবহারিক ক্রটির কারনে সে জড়িয়ে পড়ছে—অনুৎপাদনশীল কথা ছোঁড়াছুড়িতে, মেধা খরচ হচ্ছে- কাউকে শিক্ষা দেওয়ার বা এক হাত দেখিয়ে দেবার মত অপ্রয়োজনীয় কাজে...।

এটা আমার কাছে একটা বিরাট অপচয় বলে মনে হয়েছে। ফলে আমার দিক থেকে খারেজিকে জানানোর তাগিদ বোধ করেছি যে—নতুন করে অন্যমনস্ক শরৎকে শিক্ষা দেবার চাইতে ব্লগে একটা ডায়ালেক্টিক্যল ডিবেট চালানো অনেক বেশি কাজের কাজ হবে। খুব আকর্ষনীয় ভঙ্গীতে খারেজি এর আগেও জটিল দার্শনিক প্রশ্নগুলো ব্লগে তুলে এনেছে। এমনিতে আমাদের মাঝে শত শত অমিমাংশীত আলোচনা রয়ে গেছে, ধর্ম আর ধর্মতত্ব নিয়েই তো আমাদের কত প্রশ্ন কত আলোচনা। তেমনি চির চেনা, চির পরিচিত অনেক ইস্যুও আছে, যেগুলো সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন করে যুক্তির কষ্টি পাথরে যাচাই করে নেওয়ার দরকার হয়ে পড়ে।

একমাত্র চিন্তার আদান প্রদান আর ভাব বিনিময়, সেই সাথে যুক্তি দিয়ে ভিন্ন মতকে জিতে নেওয়ার চেষ্টা... এভাবেই আমরা পৌছতে পারবো নতুন নতুন উপলদ্ধিতে। এই দিকে নজর দেওয়ার জন্যই আমি খারেজিকে পরামর্শ দিয়েছি।

সাম্প্রতিক মড়ারেশন প্রক্রিয়া নিয়ে খারেজির বেশ কিছু ক্ষোভ আছে, যার অনেক কিছুই আমি যৌক্তিক মনে করি। বিশেষ করে কারো পোষ্ট মুছে দেওয়া, বা গায়েব করে দেওয়া সত্যি সত্যি ভীষন অপমানজনক, ক্রোধউদ্রেককারী এবং একই সঙ্গে হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। কাউকে মানসিক ভাবে নিস্তেজ এবং অকার্যকর করে দেবার জন্য এটা একটা মোক্ষম অস্ত্র। ব্লগের আমরা সবাই এই ফাসিস্ত আচরনের জোর নিন্দা জানাই।

কিন্ত খারেজির মুল পোষ্টে আমি এটা নিয়ে কিছু লিখি নাই, ইচ্ছা করেই। এটা নিয়ে আসলে সান্ত্বনা দেওয়ার কিছু আছে কিনা, আমার জানা নাই। কর্তৃপক্ষের মডারেশনের কোপে পড়লে সেটা নিয়ে চিল্লা-ফাল্লা করাকে আমার সব সময়ই- পাঠশালার বালকের গুরুম’শায়ের কাছে নালিশ করার মত লাগে। বাস্তবিকই, এ ব্লগ জমানায় কারো ছিঁচকাদুনি শোনার কারও সময় আছে? এটা আমরা সবাই দিব্যি জানি যে ব্লগিং সর্বযুগে-সর্বদা দুই ভাবে করা যায়, এক, কর্তৃপক্ষের কোলে বসে অথবা আর একটা হল খটখটে শক্ত জমিনে নিজের পশ্চাৎদেশের কুশনের ওপর ভরসা করে বসে। দ্বিতীয় পন্থায় আপনি যদি পশ্চাৎদেশে দুঃখ পান, ব্যাথা পান-তাহলে আপনাকে শিখতে হবে-কি ভাবে কর্তৃপক্ষের কোলে বসার সুযোগ ম্যনেজ করা যায়। যদি সে বিদ্যা আপনার থাকে, তাহলে সাধু সাধু!! আর যদি না থাকে তো খানিক প্যান প্যান করতে পারেন...

আমাদের ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না, যে সামহোয়্যার কোন গনতান্ত্রিক সংবিধানের অধীনে শাসিত কোন গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয়!! আমরা ব্লগারগন আর কর্তৃপক্ষ মিলে সামহোয়্যারে আমরা এমন কোন গনতান্ত্রিক বিধিবিধান বানাই নাই-যার অধীনে কোন গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকের মত আমার গনতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হলে, তা নিয়ে শোরগোল তুলতে পারি। জবাবদিহি চাইতে পারি।

ফলে ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্লগে কর্তৃপক্ষের কোলে বসে ব্লগিং করা ব্লগারদের একটা লিষ্ট সবসময়ই থাকবে। আমি যেহেতু ঐ লিষ্টে নাম তোলার কোন এলেম জানি না তাই খারেজিকে এ নিয়ে কোন কথা বলা প্রয়োজন মনে করি নাই। আমি সব সময়ই ব্লগিং করতে পারাটাকে একটা অপরচুনিটি হিসাবে দেখেছি, কিভাবে এই অপরচুনিটির বেষ্ট ইউজ করা যায়, সেটাই আমার সবসময় লক্ষ্য থাকে।

প্রশ্ন হল ব্লগীয় এই পরিস্থিতি কি খারেজি বুঝেন না? খারেজি তার মন্তব্যে বলছেনঃ...... এই বিতর্ক জেনারেল করা ছাড়া আমার আর কি ক্ষতি করেছে! কিচ্ছু না। একগাদা বন্ধু পেয়েছি আমি... যাদের ওপর এই ভরসা অন্তত করা যায় যে আমার অবস্থান সৎ থাকলে তারা আমার সাথে থাকবে।........।

এটাই সবচেয়ে সেরা উপলদ্ধি, সেরা সিদ্ধান্ত। মনে হচ্ছে খারেজি বোঝা শুরু করে দিয়েছে।

৪৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮
ভালো-মানুষ বলেছেন: মাসুম ভাইকে এতটা ছেলেমানুষী আচরণ করতে দেখব কখনি ভাবিনি!
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: হুমম...

৪৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
শয়তান বলেছেন: আমিও কিন্তু নিরপেক্ষ না :)
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: আপ্নে কি নিজেরপক্ষ... হাঃ হাঃ হাঃ

রাগ কইরেন না মজা করছি...

৫০. ১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: মেসেঞ্জারে আপনার এই পোস্টের লিংক ক্রমাগত পাচ্ছিলাম। কিন্তু পারিবারিক এক বিয়েতে ব্যস্ত থাকায় পড়তে পারিনি। আজ পড়লাম।
আপনার নিশ্চই মনে আছে পিয়াল ও যৌবনযাত্রা প্রসঙ্গে আপনি আমাকে নিয়েও একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। আমার সমর্থন আপনার ভাল লাগে নাই। আপনি আমারই এক লেখাকে টেনে এনে বেশ কিছু যুক্তি দাঁড় করিয়েছিলেন। আপনার যুক্তির কিছু অংশে দ্বিমত থাকলেও অনেকগুলো নিয়েই আমার আসলে বলার কিছু ছিল না। একমত বা দ্বিমত যাই থাকুক, তাতে পরিবেশ নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি।
এই ব্লগে আমি সময় কাটানোর জন্য আসি। সিরিয়াস কিছু লেখার জন্য ব্লগে আসি না। সেই যোগ্যতাও নেই। আমি কেবলই একজন রিপোর্টার এবং অর্থনীতির ছাত্র। সুতরাং আমার লেখার মধ্যে রিপোর্টিং স্টাইল থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এর মধ্য অহমিকার কোনো ব্যাপার নেই।
যাই হোক অবস্থান জানাতে আমি এখানে আসি নি। আমার জন্য তারা পোস্ট উৎস্বর্গ করেছেন, কথা বলেছেন পক্ষে বা বিপক্ষে, এই বয়সেও ছেলেমানুষী নিয়ে অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন, কেউ আর পোস্ট না দেওয়ার কথা বলছেন-সবাইকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি যে, ব্লগে এসব বিরক্তি বাড়ায়। নিজেদের মধ্যে ঘটা এসব বিষয়ের কারনে নষ্ট হয় ব্লগের পরিবেশ। বিশেষ করে স্বাধীনতা বিরোধীদেরই আমি এই ব্লগে একমাত্র প্রতিপক্ষ মনে করি। সুতরাং ওরা সুযোগ পাক সেটা কাম্য হতে পারে না।
আর বয়স হয়েছে। তাই এসব ভাল লাগে না। তাছাড়া ব্লগ নিয়ে এতোটা পড়ে থাকলে যে চাকরি নিয়ে এতো কথা সেটিও থাকবে না।
তাই সব কিছুর অবসান চাই।
আমার কারণে যা কিছু হয়েছে তার জন্য আমি ক্ষমাও চাই। সকলের কাছে।
ব্লগের যেরকম পরিবেশ আমরা চাই সেটি টিকে থাকুক।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: জ্বী, আমার সেই পোষ্টটার Click This Link কথা মনে আছে, যৌন নিপীড়ক অধ্যাপক জেমস ম্যাস বিরোধী আপনার অবস্থানের সাথে যৌবন যাত্রার পিয়ালকে সমর্থন করাটা আমি ঠিক মেলাতে পারি নাই। তাই এই স্ববিরোধিতা নিয়ে আমি পোষ্টটা লিখেছিলাম।

আমি আপনার সাথে একমত, আপনার সাথে আমার একমত বা দ্বিমতের অংশ যতটুকুই থাক না কেন—ব্লগের পরিবেশে তাতে কোন সমস্যা হয় নাই। সেই পোষ্টের জন্য শুধু আমাকে ওয়াচে রাখা হয়েছিল, বলা হয়েছিল এর পরের ধাপ চিরতরে ব্লগ থেকে নাম নিশানা মুছে দেওয়া। মনে আছে আমি তো যা অস্বস্তিতে পরেছিলাম, হাঃ হাঃ হাঃ। আসলে দীর্ঘ প্রবাস জীবন থেকে সদ্য ফিরলে যা হয় আর কি, তখনও পুরো ধাতস্ত হতে পারি নাই... আর এই ব্যান নিয়ে যেহেতু আমি চিল্লাফাল্লা করি নাই, বা কেউ আমার হয়ে... তাই এতে করে ব্লগের পরিবেশ নিয়ে অবশ্যই কোনো সমস্যা হয়নি।

আমার বউ তখন ক্রিশমাসের ছুটি কাটাতে টরন্টো থেকে ঢাকায়, সে বেচারার জন্য অবশ্য স্টিংরে এবং হাতেম তাঈ এর মন্তব্য গুলো ততটা উপভোগ্য হয় নাই। আসলে আমি বুঝি-আমার আপনার মতো যারা ফ্যমিলিম্যান তাদের বউ বাচ্চার সম্মানের কথা ভেবে ব্লগে খুব সতর্ক ভাবে চলতে হয়। আমাদের এই বউ বাচ্চাদের নিয়েই যত সমস্যা। আমার বউ সেই মুহুর্তে ঢাকায় না থাকলে অবশ্যই অত অত গালিগালাজ আর জুতা রেটিং দেখেও আমার কোন সমস্যা হত না।

৫১. ১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:০০
কৌশিক বলেছেন: মতাদর্শিক লড়াই এ ব্যক্তিবিশেষের চরিত কিভাবে অংশ হয়ে যায় তা কিন্তু তসলিমাকে নিয়ে পীরসাহেবের বক্তব্যেই স্পষ্ট হচ্ছে। আমি কিন্তু এই জায়গা থেকে নৈর্ব্যাক্তিক আলোচনার কথা বলেছি - ব্যক্তি হীন আলাপের কথা নয়। নৈর্ব্যাক্তিক আলোচনায় আপনি আলোচিত চিন্তার যুক্তি পরাম্পরায় থাকবেন, ব্যক্তির অযাচিত মুদ্রাদোষে ঢুকবেন না।
৫৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:২৩
মেঘ বলেছেন: খারেজি কেন এমন অভব্য আচরণ করেছে সেটা আমার কাছে আজো বিস্ময়। খারেজি আর ভালো-মানুষ যেভাবে আমাকে আক্রমণ করেছে কোন কারণ বা পরিচয় ছাড়া সেও আমার কাছে কিমাশ্চর্যম।[খারেজি পরে আমার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছে কিন্তু আমি এ ক্ষমা প্রার্থনায় দেয় অভব্যতাকে ভুলিনি]
কেউ মানিসকভাবে অসুস্থ হলে তাকে চিকিতসার সহায়তা সময় আমি দিতে রাজি উপযুক্ত সহমর্মীতাসহ কিন্তু কেউ জ্ঞানপাপী এবং ছদ্মবেশী শয়তান হলে তাকে আমি শাস্তি দিতে ইচ্ছুক।
"ভালো-মানুষ বলেছেন: মেঘেরে ভাল কতা কওন যায় না, খেক কৈরা ওঠে আর যদি না করে তাইলে বুঝবেন টেলিফোনে...
০৫ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
লেখক বলেছেন: স্বল্পবুদ্ধি।
তবে মানুষ ভাল বইলা মনে হইছে
Click This Link

৫৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০২
খারেজি বলেছেন:


ধন্যবাদ, জাতেমাতাল। আপনার সারসংক্ষেপ বিন্দুতে সিন্ধু ধরে আছে।
আন্তরিক অভিনন্দন।
২৩ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ খারেজি, আশা করি দ্রুত সুস্থ্য হয়ে উঠে ব্লগে নিয়মিত হবেন।

আপনার সুস্থ্যতার প্রত্যাশায়...

৫৬. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৪৯
নির্বাক হাসান বলেছেন: মদনকুমার বলেছেন: জ্ঞানের মেলা বসছে .।


খারেজীরে নাস্তিকগো নবী ঘোষনা করা হৌক
৫৭. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১২
শয়তান বলেছেন: অনেকটা সেরমই । সোলো ।
৫৮. ২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আপনার জন্য দ্বিতীয় বার লগ ইন করলাম। আপনার ঐ পোস্ট নিয়ে এতো কিছু হয়েছে আমি জানতাম না। একটু অবাকই হলাম। এটার জন্য ওয়াচে কেন থাকবেন মাথায় ঢুকছে না।
যাই হোক। ভাল থাকেন।
২৩ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: যাই হোক, এ সব পুরানো দিনের কথা, পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়াই ভালো। আমাদের ছোটখাটো ভুল বুঝাবুঝি গুলো আমরা মনে না রাখলেই, সামনে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

আমার ভাল লেগেছে আপনি আবার ব্লগে ফিরে এসেছেন। নিয়মিত আপনার লেখা পড়তে আমাদের অনেক ভাল লাগবে।

ভাল থাকবেন। সামনের দিন গুলোতে অনেক কথা হবে, এই আশা রাখি।

৫৯. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
দেশী পোলা বলেছেন: নির্বাক হাসান বলেছেন: মদনকুমার বলেছেন: জ্ঞানের মেলা বসছে .।


খারেজীরে নাস্তিকগো নবী ঘোষনা করা হৌক

@নির্বাক হাসান

আপনার বলার অনেক আগে থেকেই উনারে নাস্তিকদের নবী বলা হয়ে গেছে

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
jatematal@googlemail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই