আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন্ত মানব সত্তার অস্তিত্বই নিঃসন্দেহে মানবের সকল ইতিহাসের প্রথম আরম্ভ...

হিজবুত তাহরীর রাজনীতিঃ রিফাত হাসানের মুছে ফেলা পোষ্ট...

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০২

শেয়ারঃ
0 1 0

১। ব্লগার রিফাত হাসানের পোষ্ট "সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর" সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ মুছে দিয়েছেন, আর এর প্রতিবাদে রিফাত তার সকল পোষ্ট কয়েকদিনের জন্য ড্রাফট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পোষ্ট মুছে ফেলার শিকার হওয়া যে কোন ব্লগারের জন্যই বিব্রতকর অভিজ্ঞতা, রিফাতের প্রতি আমাদের কোন ধরনের সমবেদনাই তার ক্লেশ লাঘবের জন্য যথেষ্ট নয়

২। সম্প্রতি ২২ অক্টোবর একটি প্রেস নোটের মাধ্যমে সরকার হিজবুত তাহরীর নামক ইসলামিক সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করবার কথা জানান।প্রত্যাক্ষ ভাবে জঙ্গীবাদের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠা এই দলটি আত্মঘাতী বোমাবাজদের পক্ষে কথা বলার বিস্তর নজীর রেখেছে। তাদের প্রস্তাবিত খেলাফতের রাজ্যে অমুসলিমদের নির্বাচিত হওয়া এবং নির্বাচন করার কোনটারই সুযোগ নাই। আমাদের প্রচলিত গনতান্ত্রিক কাঠামো এবং সংবিধান কোনটার পক্ষেই আনুগত্য না থাকা এই দলটির রাজনীতির চর্চা করার অবাধ সুযোগ প্রদান করে আমরা কি অর্জন করবো এই প্রয়োজনীয় প্রশ্নটা যে কেউ তুলতেই পারেন। সওয়াল উঠতেই পারে, হিজবুত তাহরীর রাজনৈতিক শ্লোগান 'খেলাফত' এবং এ বিষয়ে দলটির অবস্থান এর সাথে কি ধরনের ভিন্ন বোঝাপড়া রিফাত হাসান করতে চান?

৩। দেশের পরিস্থিতিটাই আজ এমন — একটা সফল ও স্বতঃস্ফুর্ত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আসা একটা সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পরেও, সকল ক্ষেত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অধিকার আমরা ভোগ করছি, এমনটা বলা যাবে না। সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষও এমন কোন স্বাধীন নয়। হিজবুত তাহরীর প্রতি বর্তমান সরকারের শক্ত দমন নীতির অবস্থান দেখে সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ হয়তো সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে বিপরীত অবস্থান নিতে ভয় পেয়েছেন। অন্যদিকে সামহোয়্যার ব্লগে হিজবুতের পক্ষে তেমন ভাবে কোন জনমত দানা না বাঁধায়, সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ“ সহজেই রিফাতের পোষ্টের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছেন। ধারনা করি সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষ“কে একটা প্রতিষ্ঠান চালাতে হয়, বিধায় যে কোন পদক্ষেপ তাকে হিসাব করেই নিতে হয়। ফলে তার প্রতিবাদী হওয়ার দায়, রিফাতের সাথে না মিলতেই পারে। পোষ্ট মুছে ফেলায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রিফাতের অভিমান করা সাজে, কিন্তু সামহোয়্যার সরকারী রোষের শিকার হলে সরকারের সাথে কর্তৃপক্ষের অভিমানী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সামহোয়্যারকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট বলে হয়তো বিবেচিত না হতেও পারে। ফলে আমার মতে, সরকারী দমননীতির বিরুদ্ধে জেহাদটা রিফাতের উচিত ছিলো সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে করার। এখন রিফাত ও অন্যান্য ব্লগাররা সামহোয়্যারের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন... আমার মনে হয়েছে এটার পুরো সুবিধা হিজবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষনাকারী আওয়ামীলীগ সরকারই উপভোগ করছেন। রিফাতের যাবতীয় মেধা এবং শক্তি এখন ব্লগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।


৪। আল কায়েদার পাতা বোমার বিরুদ্ধে ঠিক কারা কারা নিরাপদ, এটা নিশ্চি্ত ভাবে জানা গেলে জঙ্গী ইসলামপন্থীদের পক্ষে দাঁড়াতে আমার ততটা আপত্তি ছিল না। যে কোন ধর্মেই আত্মহত্যা মহাপাপ, নরকে গমন। অথচ ২০০৫ সালের জুলাই মাসে, সুইসাইড বোম্বাররা কোন বেহেস্তের আশায় সারা লন্ডন জুড়ে নরকের অবস্থা জারী রেখেছিল? আমি তার উত্তর খুঁজে পাই নাই। আমার চোখের সামনে সেদিন শত শত সাধারন মানুষের জীবনকে আতঙ্কের চূড়ায় তুলে সারা শহরের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা তছনছ করে তুলেছিল, আল কায়েদার কয়েক জন চরমপন্থী। সেদিনের ঘটনায় নিহত/ আহত কিংবা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আল কায়েদার সমর্থক কি একজনও ছিল না? এই বিভৎস বোমা হামলা চালানোর আগে, আল কায়েদার পক্ষ থেকে লন্ডন শহরে বসবাসরত তাদের শুভানুধ্যায়ীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য সেদিন কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল?

হায়! আল কায়েদার পাতা বোমায় তার সমর্থকরাও নিরাপদ নয়।

৫। হিজবুত তাহরীর করনীয় নিয়ে আমার জ্ঞান স্বল্প। তাদের খিলাফত প্রতিষ্ঠার খুটিনাটি দিক নিয়েও আমার ভাল ধারনা নাই। রিফাত আমাদের জানাচ্ছেন হিজবুত তাহরীরের কোন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কোনরকম চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন, বা অস্ত্রসহ গ্রেফতার অথবা নাশকতামূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নাই সরকার। দুই হাজার এক সালে কার্যক্রম চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই দলটি সবচেয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর একটি। রিফাতের সাথে দ্বিমত নাই, এমনটা হতেই পারে। কিন্ত হিজবুত তাহরীর কি আল কায়েদার সন্ত্রাসী পন্থাকে সমর্থন করে? এ পর্যন্ত তাদের ছাপানো শত শত পৃষ্ঠার প্রচার পুস্তিকায় হিজবুত আমাদের কি জানিয়েছে-- তাদের খিলাফত প্রতিষ্ঠার রাজনীতি চালানোর পথে তারাও আত্মঘাতী বোমাবাজদের স্কোয়াড বানাবে কি না? সহজ সরল ভাষায় চরমপন্থা নিয়ে তাদের তাদের অবস্থান কি, তার ব্যাখা দেবার দায়ীত্বটা অবশ্যই হিজবুতের!!

যতক্ষন হিজবুত তার বক্তব্যে এটা আমাদের পরিস্কার না করছে, কি ভাবে আল কায়েদার সাথে তাদের আমরা পার্থক্য করবো?


৬। যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো ধর্মকে তাদের রাজনৈতিক আদর্শ বানায়, তাদের নিয়ে আমাদের বিস্তর শঙ্কা, এক ধরনের অস্বস্তি তো আছেই। দেশে বর্তমান বিরাজিত গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের অনেক সমালোচনা আছে, দুঃসহ যাতনা আর দুর্ভোগও আছে, হিজবুত এই প্রচলিত গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার উচ্ছেদ করে ধর্মীয় বিধানের মোতাবেক খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্ত হিজবুতের খেলাফত প্রতিষ্ঠা আমদের বর্তমান যাতনা আর দুর্ভোগময় দিনগুলোর পরিসমাপ্তি টানবে — এতটা আশাবাদী কি আমরা হতে পারি? অন্য সব কিছু বাদ দেই, অন্ততঃ পক্ষে নারী অধিকারের প্রশ্নে এ সমস্ত দলগুলো যখন ধর্মীয় বিধি বিধানের বাইরে যাওয়ারই তাগদ রাখে না!!

৭। আফগানিস্তানে প্রাক্তন তালেবান জমানায় এবং বর্তমানে পাকিস্তানের অঞ্চল বিশেষে আমরা যে সব ইসলামিক শাসন ব্যবস্থা নমুনা হিসাবে দেখেছি, এরপরেও কি আমাদের দেশে আমরা ইসলামিক শাসন ব্যবস্থার খোঁদলে আমাদের মাথা ঢুকাতে চাই?

৮। পরিশেষে --- কোন ব্লগারের পোষ্ট মুছে দিয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষ প্রকারান্তরে জরুরী বিতর্কগুলো তোলার রাস্তাই বন্ধ করে দেন। ব্লগের কার্যকারীতা এতে বিনষ্ট হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনমত গঠনের প্রক্রিয়া। এটা কোন স্বাস্থ্যকর পন্থা হতে পারে না। আশা করি কর্তৃপক্ষ রিফাত হাসানের পোষ্টটি দ্রুত ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা করে তার স্ট্যাটাস অবনমন প্রত্যাহার করে নেবেন, যাতে করে জরুরী বিষয়ের আলোচনাগুলো এই ব্লগেই আমরা তুলতে পারি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হিজবুত তাহরীরজঙ্গীবাদ ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
আবদুল হক বলেছেন: লেখকের সঙ্গে একমত। সামহোয়্যারের আরো সাহসী হওয়া উচিৎ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: কিন্তু একই সাথে মনে রাখতে হবে, যার শক্তির উৎস লুকানো (হিডেন), সেই হিজবুত তাহরীর পক্ষে অনাবশ্যক দাঁড়ানোটাও সামহোয়্যারের জন্য হঠকারী হবে।

যারা আমাদের প্রচলিত সংবিধান এবং গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নাকচ করে, মেনে নেয় না, তাকে আমি গনতান্ত্রিক চর্চার সুযোগের মধ্যে রাখতে পারি না।

২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
শয়তান বলেছেন: অস্পষ্ট বক্তব্য ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: কিছুটা এডিট করেছি, আবার পড়ার জন্য মহামান্যকে অনুরোধ করছি...

অনেক ধন্যবাদ।

৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
মিহির আহমেদ বলেছেন: হিজবুত তাহরীরে ভাল পাই না, লেখককে অনেক ধন্যবাদ হিজবুতের আসল চেহারা প্রকাশ করার জন্য।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৫. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
মগ্নতা বলেছেন: শয়তান বলেছেন: অস্পষ্ট বক্তব্য ।

@ শয়তান, আপনের স্পষ্ট বক্তব্য জানতে চাই। তয় তা হতে হবে এই পোষ্টের প্রেক্ষিতে।
৬. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
৭১ বলেছেন: ৮। পরিশেষে --- কোন ব্লগারের পোষ্ট মুছে দিয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষ প্রকারান্তরে জরুরী বিতর্কগুলো তোলার রাস্তাই বন্ধ করে দেন। ব্লগের কার্যকারীতা এতে বিনষ্ট হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনমত গঠনের প্রক্রিয়া। এটা কোন স্বাস্থ্যকর পন্থা হতে পারে না। আশা করি কর্তৃপক্ষ রিফাত হাসানের পোষ্টটি দ্রুত ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা করে তার স্ট্যাটাস অবনমন প্রত্যাহার করে নেবেন, যাতে করে জরুরী বিষয়ের আলোচনাগুলো এই ব্লগেই আমরা তুলতে পারি।

সহমত।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৮. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
শয়তান বলেছেন: মগ্নতা @ যার পোষ্ট তাকেই অন্য যারা এখানে বক্তব্য দিবে তাদেরকে বলার অধিকারটা দেয়া উচিৎ । আমার বা আপনার অন্যদের উপর চড়াও হওয়াটা কি সাজে ??
৯. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
জিপিএস বলেছেন: আফনের লগে একটা জাম্পেশ আড্ডা দেওনের খায়েশ জমতাছে...

রাজি হইলে কইয়েন, রেড়ি আছি। এইখানে না আলাদা কইরা তাও কইতে পারেন। যেটা ভালা পান।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আড্ডা তো দেওয়াই যায়... যে কোন জায়গাতেই হতে পারে। কিন্ত আড্ডার এজেন্ডা কি?

১০. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
শয়তান বলেছেন: দাদা এই দুইটা পোষ্ট সময় নিয়া একটু পৈড়েন

হিযবুত তাহরীর কিছ তথ্য

হিযবুত তাহরির কিছু প্রশ্ন...?

অনেক কিছু পরিষ্কার হবে আশা করি । রাতে আসবো হাতে সময় নিয়া আবারও ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ভাল পোষ্ট, লিংক দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ...

১১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
মনির হাসান বলেছেন: জাতেমাতাল ভাই ... হিজিবুত্তির কামলা সদস্য'রা আল'কায়দাকে বা তাদের পন্থা'কে ঘৃনা করে, ফেস বুকে প্রায় দেড় বছর ধরে ওদের সাথে আমাদের হতে । এদের নেতাদের খবর জানিনা। আমি প্রায় দেড় বছর ধরে হিজবুত্তি মেম্বার দের ফেসবুকে তর্ক করে আসছি ... এমনকি স্বয়ং ব্রিটিশ হিজবুত্ত তাদের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ওমর বকরী(কসম এইটা আসলেই তার নাম) -কে বের করে দিয়েছে(তাদের ভাষ্য) আল কায়দাকে সমর্থন করার জন্য । অপরদিকে বকরী সাহেব উলটা কথা বলে, মত না মিলায় সে নিজেই পদত্যাগ কর ।


হিজবুত্ত ভয়ংকরতম সন্ত্রাসী ... কোন সন্দেহ নাই ... তবে সেটা মনমানসিকতায়, আদর্শিক অবস্থানে, ধর্মীয়গোড়ামির দিকথেকে ... এ পর্যন্ত ফিজিকাল জঙ্গিবাদের প্রমান আমি পাইনি।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: লম্বা মন্তব্যের জন্য মনির হাসান কে অনেক ধন্যবাদ।

হিজবুত যে আলকায়েদাকে ঘৃনা করে, এ বিষয়টা পুরোপুরি প্রমানিত নয়। এর পক্ষে বিপক্ষে দু দিকেই যুক্তি আছে। সন্ত্রাস নিয়ে তাদের অবস্থানও স্পষ্ট নয়। খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য তারা যে জিহাদের ডাক দেয়, সে জিহাদ সশস্ত্র হতেই পারে। এতে করে রক্ত ঝরতেই পারে।

কোন কোন ক্ষেত্রে তারা সুইসাইড বম্বারদের মৃত্যুকে শহিদের মৃত্যু হিসাবে বর্ননা করেছে। আবার কোথাও জঙ্গী দলগুলোর জন্য নতুন নতুন কর্মীদের রিক্রুট সেন্টার হিসাবে হিজবুত তাদের বৈধ সংগঠনগুলিকে ব্যবহার করতে দিয়েছে। কখন কখনও তাদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের আয়োজন করে দিয়েছে। হিজবুতের প্রাক্তন কর্মীদের অনেককেই পরবর্তীকালে আল কায়েদার মত জঙ্গী সংগঠনের পক্ষে কাজ করতে দেখা গিয়েছে।

তবে মনির, আপনার সর্বশেষ মন্তব্য হিজবুত্ত ভয়ংকরতম সন্ত্রাসী ... কোন সন্দেহ নাই ... তবে সেটা মনমানসিকতায়, আদর্শিক অবস্থানে, ধর্মীয়গোড়ামির দিকথেকে এর সাথে আমি সম্পুর্ন একমত।

সামনে আরো কথা হবে, ভালো থাকবেন।

১২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
শূদ্র বলেছেন: আমার মনে হয় new world Oder মার্কিন যুক্তরাস্ট্র অর্থনৈতিক মন্দা (পূঁজিবাদি অর্থনৈতিক সংকট) কাটানেরা জন্য যা যা কিছু করার দরকার, তাই করবে।
সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দুনিয়াজোড়া এই যুদ্ধে শ্রেণী ও জাতিয় বিষটি যারা pick করতে পারবে
তারাই আগামী দিনের পৃথিবিতে নেতৃত্ব দিবে
১৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
*পাগলা জগাই* বলেছেন: হিজবুতের ফান্ডের সোর্স কি? ইউরোপের বাজারের জোর গুজব আছে সর্ষের মাঝে ভূত থাকবার!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: তাদের ফান্ডের সোর্স নিয়ে আমার তেমন কোন তথ্য জানা নাই। সর্ষের মাঝে ভূত বিষয়টা কি?

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...

১৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
ফিনিক্সম্যান বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিছুটা এডিট করেছি, আবার পড়ার জন্য মহামান্যকে অনুরোধ করছি...

ওহ, মহামান্য শয়তানের অশেষ দয়া। :)
১৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৪
রিফাত হাসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। সময় করে আলোচনায় অংশগ্রহণ করার ইচ্ছে আছে। ভাল থাকবেন।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার অবস্থা এখন কি? জিনাড়েল নাকি?

১৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩০
শূদ্র বলেছেন: লেখকের একটি ব্যপারে আলোকপাত করেত চাই তাহলো, কোনো ইসলামি সংগঠন সন্ত্রাসী হলো আর শান্তিপূর্ণ হলো তার উপর তাকে বর্জন বা গ্রহণ করার বিষয় নয়। আসল বিষয় হলো তরিকা।
ধর্রের তরিকা দিয়ে কি মুক্তির আন্দোলন সম্ভব কিনা।
আপনাকে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দু বা ফোকাস করেত হবে ঠিক এই জায়গা হতে
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: ধর্মের তরিকা দিয়ে কি মুক্তির আন্দোলন সম্ভব কিনা... এ বিষয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক মতামতই আছে। কোনটা সঠিক সেটা এত বড় সিদ্ধান্ত... আমি এখনো নিতে পারি নাই।

আমি বিষয়টা নিয়ে ভাবছি।

১৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪০
শয়তান বলেছেন: শূদ্রের পয়েন্টটাই প্রথম কমেন্টে বলেছিলাম । পোষ্টের বক্তব্য অস্পষ্ট এবং নানামুখি ।মুল ফোকাসটা আনতে হবে লেখককে প্রথম । তারপর আলোচনা ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হে মহামান্য, আমি এখনও ধর্ম-কর্ম পালন করি, অহনতরি নাস্তিক হইবার পারি নাই...

ফলে ধর্মকে নাকচ করতে পারি নাই এখনও। ব্লগে নাস্তিক আস্তিক মল্লযুদ্ধে কোনদিন অংশ নেই নাই। এটাই আপনাকে অস্পষ্ট এবং নানামুখি বলে মনে হয়েছে।

বিষয়টা নিয়া ভাবতেছি। নাস্তিক হয়ে যাওয়া ছাড়া তো উপায়ও দেখতেছি না।

ইয়া মাবুদ, ইয়া আল্লাহ... আপনি আমারে মাফ করেন...

১৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১০
ব্রুটাস বলেছেন: হিজবুত তাহরীর টাকা পায় বৃটেন থেকে
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? বৃটেনের কে বা কারা কারা টাকা দেয় তাদের? জানেন কিছু?

২০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:০২
শয়তান বলেছেন: ভুল ইন্টারপ্রেট করলেন ।লুক্কায়িত ইতিহাসটা জানার জন্য আমার মেসেজটা ছিল।




সব কিছুতে গৎবাঁধা আস্তিকতা নাস্তিকতা টানার ব্যরাম দেখি আপনারেও গ্রাস করলো । ব্যপক আফসুস খাইলাম । আলোচনার আগ্রহ অনেকটাই মৃতপ্রায় এখন ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: বস, কুনো কারনে আপনার মিজাজ কি বিলা হয়া আছে...? আমার উপর বিলা হইছেন? কন দেখি কি করলে আপনার শরীফ মেজাজ পামু।

আওয়াজ দিয়েন। :) :)

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: ডবল কমেন্টের একটা মুছে দিলাম...

২১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১২
বিডি আইডল বলেছেন: ব্লগে এইসব আলোচনা করে লাভ কি?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ব্লগে আলোচনার জন্য এইসব খুব ভালো জিনিষ... বিডি

আর ক্ষতিই বা কি, আলোচনাই তো, পয়সা তো খরচ হচ্ছে না... :) :)

২২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৩
বিডি আইডল বলেছেন: গত কিছুদিন যাবৎ ব্লগকে সরকারী পলিসিবান্ধব করে ঘষামাজা করা হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়...ভালো...ব্লগে লিখা-লিখি আর রাজনীতি করেও কারো কারো যদি অন্নসংস্হান হয়...মন্দ কি?!!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: ভালই কইছেন... দেখা যাচ্ছে, ব্লগে কারও কারও অন্নসংস্থান হচ্ছে লিখা-লিখি আর রাজনীতি করে, আর কারও কারও অন্নসংস্হান হচ্ছে লিখা মুছে দিয়ে.....

কোনটাই মন্দ না। :| :|

২৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

বাধ্য হয়ে এন্ট্রি দিলাম। দেখি আলোচনা কতদূর গড়ায়....ইচ্ছে আছে শেষকালে সূতো ধরবার, দেখি.............
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মনজু ভাই। সাথে থাকার জন্য...

(দুইবার এসেছে, তাই একটা মন্তব্য মুছে দিলাম)

২৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
শয়তান বলেছেন: মিজাজ ঠান্ডা করার কথা তো ছিল ঈদের পর পরই । জনগন স্বইচ্ছায় ভুইল্লা গেলে কি আর করা /:)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: জনগনের উপর ঈমান মজবুত রাখেন, হে মহামান্য... ইনশাল্লাহ...

২৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
জিপিএস বলেছেন: ফিরা আসতে নানা কারণে দেরি হইয়া গেল।

আপাতত, আপনার তোলা এই সওয়াল,
''আমাদের প্রচলিত গনতান্ত্রিক কাঠামো এবং সংবিধান কোনটার পক্ষেই আনুগত্য না থাকা এই দলটির রাজনীতির চর্চা করার অবাধ সুযোগ প্রদান করে আমরা কি অর্জন করবো এই প্রয়োজনীয় প্রশ্নটা যে কেউ তুলতেই পারেন।''
--ধইরাই আগান যায়।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: আমাদের প্রচলিত গনতান্ত্রিক কাঠামো এবং সংবিধান কোনটার পক্ষেই হিজবুতের কোন আনুগত্য নাই কেন, এ সওয়ালের উত্তর নিয়ে আগান যাইতেই পারে...

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: সবাই আছেন, সহী সালামতেই... @মগ্নতা।

২৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
রিফাত হাসান বলেছেন: প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ। মনজুরুল হক শেষকালে আলোনার সুত্র ধরার কথা দিলেন দেখলাম। তাহলে, আপাতত অপেক্ষা করি।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা করা উচিত, আজ অথবা কাল...

বিশেষ করে পাভেল করচাগিন কিছু গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন রিফাত হাসানের উদ্দেশ্যে। এ বিষয়ে আমরা কে কি ভাবছি, তা খোলাসা করে তুললে আমরা নিজ নিজ অবস্থান পরিস্কার করতে পারবো।

এ বিষয়ে যাবতীয় বিতর্ক আমাদের চিন্তা ভাবনাকে পরিশীলিত করবে।

২৮. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
পাভেল করচাগিন বলেছেন: হি-উ-তা কি চায়?
১. মানুষের সার্বভৌমত্ব নয়, শুধু আল্লার।
২. প্রচলিত গনতন্ত্রের বিপরীতে খেলাফতের শসন প্রতিষ্ঠা চায়, (যদিও আমি জানি না খলিফা কিভাবে নির্বাচিত হবে)।
৩. কোন নারী কখনো বিচাবক বা রাস্ট্র প্রধান হতে পারবে না।
৪. কোন ভিন্ন ধর্মাবলম্বি কখনো নির্বাচনে অংশ নিতে এবং ভোট দিতে পারবে না।
ইত্যাদি ইত্যাদি।

উপরের প্রশ্ন গুলোও মানুষের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইস্যু। বেসিক এই প্রশ্ন গুলোকে না মানলে তাকে রাজনীতি করতে দেয়া যায়না। এ শুধু বাংলাদেশে নয়, কোনও দেশে তা দেয়ার কথা না।

জাতেমাতাল, রিফাতের পোস্ট নিয়ে তো লিখলেন, কিন্তু স্বয়ং রিফাত কি ভাবে হি-উ-তা নিয়ে? নাকি রিফাতও মানুষের এই মৌলিক অধিকারের বিরূদ্ধে?
রিফাত আপনিই বলেন না একটু খোলাসা করে।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: রিফাত হাসান নিশ্চয় মানুষের মৌলিক অধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারেন না।

রিফাতের খোলাসা জবাবের অপেক্ষায় আমিও রইলাম...

২৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
হিতা কি চায়?
ইসলামি খিলাফাত।
তো?
খিলাফত গণতন্ত্র বিরোধী।
তো?
আমরা গণতান্ত্রী?
তাহলে তো সবারই মনমতো মতাদর্শ ধারণ ও প্রচার করার অধিকার থাকার কথা।
জনস্বার্থে আমরা তা করতে দিতে পারি না!
হিতা কি জনস্বার্থ বিরোধী কিছু করেছে?
নিশ্চয়ই করেছে।
কি কি করেছে?
এত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। আপনারা প্রশ্ন বেশি করেন।

রাষ্ট্রের এই বিব্রতকর অবস্থাটি প্রমাণ করে এটি এখনো গণতান্ত্রীক হয়ে উঠতে পারেনি। এখনেই আমার খানিকটা আপত্তি।

একদিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ধর্ম প্রচার ও শিক্ষা দেয়া হবে আবার অন্যদিকে সেই ধর্মশিক্ষার ফলাফল যদি স্বাধীন ক্ষমতা অর্জনে স্বচেষ্ট হয় তাকে নিষিদ্ধ করতে হবে এটি দিনভর গর্ত খুঁড়ে আবার বুজে দেয়ার মতই কাজ। তাই আমাদের 'সেক্যুলার' ভেক ধরা পার্টির সরকার জনগণের নৈতিক শিক্ষার দায়ীত্ব আবার ধর্মের হাতেই তুলে দিতে বদ্ধপরিকর। কয়েক বছর পর আবার গজাবে আরেক জাতের ধর্মবাদী যারা চাইবে রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং ভবিষ্যতের আরেক সরকার তাদেরকে নিষিদ্ধ করবে।

গলদটা গোড়ায়, আগা কেটে মানুষকে বিভ্রান্ত করা কেন?
৩০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: এদিকে আবার সামু নিজেকে রাষ্ট্রের এক্সটেনশন ভেবে বসেছে কি না বুঝতে পারছি না। রাষ্ট্রে যখন যেদিকে বাতাস বেচারা সেদিকেই হেলে পড়ছে। তাই কখনো দেখি তাকে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে নামছে আবার কখনো দেখি রাজাকারী চেতনার তোষণ করছে, রাষ্ট্র যদি বলে বিডিআর ম্যাসাকার করেছে তারাও বলে বিডিআর ম্যাসাকার করেছে।

নিপীড়ক রাষ্ট্রের পক্ষ নেবার মধ্যে বাহাদুরীর কিছু নেই। মানুষের জন্যই রাষ্ট্র আর মানুষ নির্যাতিত হলে রাষ্ট্র দুর্বল হয়; সে রাষ্ট্র ক্ষুব্ধ মানুষের ক্ষোভ থেকে কেমন করে রক্ষা করবে সামুকে?
৩১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১১
শয়তান বলেছেন: প্রশ্নোত্তর দেখি সহজিকরনের বদলে আরও ক্যারফা লাগায়া দিলেন :)
৩২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
পাভেল করচাগিন বলেছেন: প্রশ্নোত্তর, আপনি বিষয়টাকে আরো বড় জায়গায় নিয়ে গেলেন সাথে সাথে ধোয়াটেও করে দিতে চাইলেন মনে হয়। বড় জমিনে আলোচনাটা করা দরকার। কিন্তু আমি শুরু করতে চাই ৩/৪টা প্রশ্ন করে। আমার প্রশ্ন গুলো হয়তো ছোট কিন্তু খুবই বেসিক। এগুলোর উত্তর আগে বের করে আসুন পরের প্রশ্নে যাই।

আপনি প্রশ্ন করেছেন "হিতা কি জনস্বার্থ বিরোধী কিছু করেছে?"
নিশ্চয় করেছে, একটা উদাহরন দিয়ে বলা যায়। মানুষ হিসাবে নারীর অধিকারকে কেটে যদি লিমিট করে দেওয়া হয় - নারী কখনো প্রধান হতে পারবে না, এর চেয়ে জনস্বার্থ বিরোধী আর কি হতে পারে?

এটা সমাজের বেসিক প্রশ্ন। গনতন্ত্রের নামে এটাকে জায়েজ করা যায় না।

রিফাতকে প্রশ্ন করেছিলাম উপরের ৪টি প্রশ্নে হি-উ-তা'র যে অবস্থান, তার অবস্থান একই কি না? তিনি কোন উত্তর করেন নাই।
প্রশ্নোত্তরকেও বলছি, আপনিও কি একই মত রাখেন?
৩৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @পাভেল

আমি চেষ্টা করলাম বিষয়টাকে সহজ-সরল রাখতে আর হয়ে গেল ধোঁয়াটে, আমার প্রকাশেরই দুর্বলতা নিশ্চয়ই!

আপনার প্রথম বক্তব্যে আসি -

হিতা কি জনস্বার্থ বিরোধী কিছু করেছে? আপনি বলছেন তাদের নারী অধিকার বিরোধিতার কথা। এটা ঠিক কেমন করে জনস্বার্থ বিরোধী হলো বুঝতে আমি অপারগ। তারা তাদের কথা বলছে বলুক। তারা তো আর আইন প্রনয়ণের দায়িত্বপ্রাপ্ত নয় যে তাদের ইচ্ছাতে আইন হবে। তাহলে জনস্বার্থ বিরোধী কিছু তারা কেমন করে করল? নাকি জনস্বার্থ বিরোধী কিছু চাইলেই করা হয়ে যায় ধরতে হবে?

গনতান্ত্রীক ব্যবস্থাটাতে কেউ যদি চায় তার নারীকে বন্দী করে রাখতে চাইবার অধিকার অবশ্যই থাকতে হবে। ব্রিটেইনে ইসলাম ফর ইউকে নামের একটা সংগঠন আছে আনজাম চৌধুরী চালায়। তারা 'মার্চ ফর শারীয়া' নামক কর্মসূচী পালন করছে এ শনিবার। তাকে নিষিদ্ধ করা হয়নি তো! তাহলে কেমন করে লড়তে করা হবে এ ধরণের গনতন্ত্রের শত্রুকে? উত্তর একটাই, গনতান্ত্রীক পদ্ধতিতেই লড়তে হবে - সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত দিয়ে আউটনাম্বার করে দিতে হবে এধরণের গনতন্ত্র বিরোধী চাওয়াকে।

আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া আসলে বাহুল্য তারপরও বলছি ১ থেকে ৪ সবগুলোই আমার ব্যাক্তিগত মতাদর্শের বিরুদ্ধে। তবুও কেউ যদি এটা চায় তাহলে আমার তাকে বলপূর্বক বাধা দেবার অধিকার নেই। তাহলে আমি নিজেই গনতন্ত্র অস্বীকার করছি।
৩৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
পাভেল করচাগিন বলেছেন: আমার শব্দ নির্বাচন ভালো না। লিখেছি "...ধোয়াটেও করে দিতে চাইলেন..", আসলে বলা উচিৎ ছিল আমার কাছে ধোয়াটে ঠেকেছে। সরি।

আগে বলে নেই কেন আমি ঐ ৪টি প্রশ্নে আপনার অবস্থান জানতে চাইলাম। আমার মনে হয়েছে আলোচনার শুরুতে আপনার অবস্থান জানতে পারলে আমি বুঝতে পারবো আলোচনাটা কোন দিক দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।

যতটুকু বুঝলাম আপনি বলতে চাইছেন একটা গনতান্ত্রিক সমাজে যে কোন চিন্তা নিয়ে যে কেউ হাজির হতে পারে। তাকে সবলে বাধা দেয়া উচিৎ না, যদি চিন্তাটা অগ্রহনযোগ্য হয় সমাজের মানুষ তা পর্যায়ক্রমে বর্জন করবে।
আমি বোধ হয় ঠিক ধরতে পেরেছি, তাই না?

এ যদি সঠিক হয় তবে আমার কিছুটা ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।
৩৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫১
পাভেল করচাগিন বলেছেন: গনতন্ত্রে যে কেউ যে কোন মতামত দিতে পারে এবং তা নিয়ে সংগঠনও করতে পারে। কিন্তু সমাজ এসব ক্ষেত্রে লিখিত ভাবে কিংবা আচরন গত ভাবে একটা সীমানাও নির্ধারন করে দেয়। যে সীমানার বাইরে মতপ্রকাশ ও মত সংগঠন করা যায় না। যেমন উদাহরন হিসেবে বলতে পারি সমাজ এমন কোন মতামত কিংবা মতাদর্শ চর্চাকে প্রশ্রয় দিবেনা যার কারনে কোন ধরনের এথনিক ক্লিনজিং প্রবনতা সৃস্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি না - তারা তো শুধু এথনিক ক্লিনজিং এর পক্ষে মত প্রকাশ করছে মাত্র, কার্যত তো তা তারা করছে না। এ বিষয়ে সামান্য মত প্রকাশকেই আমরা "জনস্বার্থবিরোধী" বলতে পারি, রাষ্ট্রযন্ত্র যদি সেক্ষেত্রে তাদের মত প্রকাশে বাধা দিতে সবলে হাজির হয় তবে তাকে অন্যায্য বলা যাবে না। (অনেক সময় রাষ্ট্রযন্ত্রের এই বল প্রয়োগ ক্ষমতাসীনদের কায়েমী স্বার্থে পরিচালিত হয় তাও সত্যি। এটা এখনকার বিষয় নয় বলে আলোচনা করছি না)।

তার অর্থ মতপ্রকাশেরও একটা সীমানা থাকা দরকার।
এরপরের কথাটাই হোল সীমানাটা কতটুকু, কে এবং কিভাবে নির্ধারন করবে।

একথা ঠিক এই সীমানা জিনিস টা খুবই আপেক্ষিক। তবে যে সীমানাটা ইউনিভার্সাল সেটা হোল - মানুষের অধিকারের স্বীকৃতি। তার অধিকারকে যদি কেউ ভেদাভেদের মাধ্যমে কর্তন করতে চায় তবে ধরতে হবে বেসিক সীমানাটাকে সে লংঘন করছে। কারন সমাজের প্রধানতম মৌলিক উপাদানটাই হোল - মানুষ।

সমাজটা কিন্তু মানুষের, পুরুষ মানুষ বলে আলাদা কিছুর না। পুরুষের যতটুকু অধিকার নারীর ক্ষেত্রে তা কর্তনের কথা যদি কেউ প্রকাশ করে তবে সে প্রকারন্তরে মানুষের অধিকারকেই খর্ব করে।

মানুষের এই সমাজ তার নিজের অধিকার খর্বের মত বেসিক ইস্যুতে মতপ্রকাশকে কিভাবে বরদাশত করবে?

আর লিংগকে উপলক্ষ্য করে কোন দল যখন মানুষের অধিকার খর্বের মতাদর্শ প্রচার করে তখন সেটা জনস্বার্থ বিরোধী হবে তাতে অবাক হবার তো কিছু নাই। যেমন হিতা যখন ধর্ম কে ব্যাবহার করে নারীকে সরকার প্রধানের অনুপযক্ত হিসাবে প্রচার করে তখন নারীর স্বার্থহানি হয় পরিবারে কিংবা কর্মক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত।

সেক্ষেত্রে মানুষ কি বলতে পারে না তার অধিকার খর্বের ও অসন্মানের এই মতপ্রচার করে সমাজের মৌলিক সীমানা হিতা অবৈধ ভাবে অতিক্রম করছে?
হিতা'র জন্য এরচেয়ে বড় জনস্বার্থবিরোধী কাজ আর কিইবা হতে পারে?
৩৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫২
জিপিএস বলেছেন: আসেন শুরু করি।

আমাদের প্রচলিত গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং সংবিধান কোনটার পক্ষেই আমার কোনো আনুগত্য নাই।

এবঙ আমি এর জোর বিরোধিতাই করতে চাই। আমারে কি করবেন বলেন?
৩৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @পারভেজ,

“I may not agree with what you say, but I will defend to the death your right to say it.” - Voltaire


মতপ্রকাশের অধিকারের ক্ষেত্রে আপনি একটা স্পস্ট সীমারেখা আ্যাডভোকেট করছেন। কিন্তু কী করে সে সীমারেখা নির্ধারিত হবে? সে সীমারেখা যে কায়েমী স্বার্থে ব্যবহৃত হবে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে? র‌্যাবকে তথাকথিত 'সন্ত্রাসী' হত্যা করা লাইসেন্স দেয়াতে এখন র‌্যাব যদি নিরীহ ছাত্রও হত্যা করে তাতে কিছু করা যাচ্ছে না। কিংবা অপারেশন ক্লীনহার্টের মাধ্যমে এতগুলো মানুষ হত্যা করার পর সেগুলোকে আইনী কাঠামোতে স্বীকৃতি দেয়া হলো! এই উদাহরণগুলো টানলাম এটা বুঝাতে যে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে সে ধরণের সীমারেখা টানতে গেলে যথেষ্ঠই সাবধানতার প্রয়োজন আছে।

আপনি বলছেন ইউনিভার্সেল সীমানার কথা। আসলে সেভাবে বলতে গেলে ইউনিভার্সেল কোন সীমানা কি আছে? আপনার উদাহরণ নিয়েই বলি। আপনি নারী-পুরুষের সমান অধিকারকে ইউনিভার্সেল বলতে চাইছেন। সেটা বলতে পারলে আমিও খুশি হতাম, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এ ধরনের সকল তথাকথিত ইউনিভার্সেল নর্মই স্থানিক ও কালিক। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি বেশ জটিল। বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে সকল ধর্মের অনুসারীদেরকে স্ব স্ব ধর্ম পালনের সমান ও পূর্ণ সুযোগ দেয়া হয়েছে। আবার বলা হয়েছে নারী পুরুষ সমান অধিকার পাবে। এখন এই দুই যদি কোনভাবে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে সেক্ষেত্রে কোনটা প্রায়োরিটি পাবে? হ্যাঁ আমি আপনি হয়তো চাই সকলের সমান অধিকার আগে বিবেচ্য হোক। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে রিলিজিয়াস ট্র্যাডিশন বাকী সব ধরনের ডিমান্ডকে ওভারডাইড করে যায়, সবসময়।

সুতরাং হিতা যদি তাদের ধর্ম অনুযায়ী নারী-পুরুষের সমান অধিকারের আইনের বিরোধিতা করে তাহলে সেটাকে ঠেকাতে গেলে তার ধর্ম পালনের পূর্ণ অধিকারের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা যায় না।

সমাধান কি? সরল সমাধান হচ্ছে রাষ্ট্র সকল প্রকারের ধর্মীয় সংশ্রব বর্জন করবে। অর্থাৎ রাষ্ট্র কাজ করবে মানুষের ইহকাল নিয়ে, ইহকালের প্রয়োজনেই রাষ্ট্রের কানুন-পদ্ধতি নির্ধারিত হবে। এফেক্টিভলি ধর্মের প্রয়োরিটি রাষ্ট্রকে অস্বীকার করতে হবে, একমাত্র তাহলেই সম্ভব হবে আপনার আলোচিত সেই 'ইউনিভার্সেল' সীমানা টানা।
৩৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ওভারডাইড = ওভাররাইড
৩৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: দুঃখিত পাভেল করচাগিন, আপনাকে পারভেজ বলে সম্বোধন করে ফেলেছি। অনিচ্ছাকৃত ভুলটির জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।
৪১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২০
পাভেল করচাগিন বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর,
আপনার কথাগুলো আরো কিছু ভাবনা সৃস্টি করেছে।
আজ অনেক ঘুম পাচ্ছে। কাল ছুটি।
কাল লিখবো আশা করি।
৪২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০
আ হক বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর কে ধন্যবাদ। অনেকদিন পর এমন কাউকে ব্লগে পেলাম যিনি যুক্তি বোঝেন এবং সাথে সাথে পরমতসহিষ্ণু।

আপনি লিখেছেন:

"সরল সমাধান হচ্ছে রাষ্ট্র সকল প্রকারের ধর্মীয় সংশ্রব বর্জন করবে। অর্থাৎ রাষ্ট্র কাজ করবে মানুষের ইহকাল নিয়ে, ইহকালের প্রয়োজনেই রাষ্ট্রের কানুন-পদ্ধতি নির্ধারিত হবে। এফেক্টিভলি ধর্মের প্রয়োরিটি রাষ্ট্রকে অস্বীকার করতে হবে, একমাত্র তাহলেই সম্ভব হবে আপনার আলোচিত সেই 'ইউনিভার্সেল' সীমানা টানা।"

অর্থাৎ আপনি সেকুলারিজমের কথা বলছেন। সেকুলার রাষ্ট্রগুলোর দিকে তাকালে কিন্তু সমাধানটা এত সরল মনে হয় না। আমেরিকার কথাই ধরুন। সারা দুনিয়াতে গনতন্ত্র আর সেকুলারিজম ফেরি করে বেড়ায়। প্রয়োজনে লাখ লাখ মানুষ মেরে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। অথচ তার আশ্চর্য একটি স্ববিরোধীতা দেখুন। পৃথিবীতে যদি কোন ধর্মীয় রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকে, তবে সেটি হল ইসরাঈল। অথচ এর সাথেই সেকুলার আমেরিকার সব চেয়ে বড় খাতির। কিভাবে এটা সম্ভব?

এবার আমেরিকার ভিতরের একটি উদাহরন নিন। গত নির্বাচনে ওবামাকে দশ বার কানে ধরে উঠবস করে বলতে হল সে কিছুতেই মুসলমান নয়, বরং একজন খাটী খৃষ্টান, নিয়মিত চার্চে যায়। সেকুলার একটা দেশে কেন এটা করতে হল?

সেকুলারিজম কি আসলেই কোন সমাধান, না পুজিবাদের একটি মুখোশ-যার আড়ালে সে হিংস্র চেহারাটা লুকিয়ে রাখে? ভেবে দেখার অনুরোধ রইল। বুশের মুখ দিয়ে কিন্তু ক্রুসেড শব্দটা বেরিয়েই গেছে। ইরাক, আফগানিস্তান, আর পাকিস্তানের সীমানা ছাড়িয়ে সেই ক্রুসেড আজ আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। সেকুলার হলেও কিন্তু আপনি-আমাকে সে রেহাই দিবে না।

আর যারা more catholic than pope তাদেরকে কিছু বলার নেই।
৪৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৪
জিপিএস বলেছেন: বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পরও আপনার কোনো জবাব পাওয়া যায় নাই।

প্রশ্নটা আপনারা বিশেষত@পাভেল করচাগিন, মৌলিক অধিকারের দিক থেকে তুলতে চেষ্টা করেছেন। ভাল কথা, তিনি গণতন্ত্রকে কিছু অধিকারের সমষ্টি আকারে দেখতে চাইছেন। যতদূর এখানে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু খোদ সেই মৌলিক অধিকারের পাটাতন খসিয়ে দিয়ে। তিনি নিজের গণতন্ত্র বা রাষ্ট্রের ঘোষিত পাটাতন--সবার জন্য সেইসব অধিকারের সুরক্ষা, যা মত ও পথ নির্বিশেষে সবাই ভোগ করবে-- যতক্ষণ না আইনের সুনিদির্ষ্ট সীমা লঙ্ঘন হচ্ছে, তাকেই মানতে চাচ্ছেন না। কায়দা করে এমন একটা সরু পথ বের করতে চাচ্ছেন যেটা দিয়ে সাধারণত ফ্যাসিবাদ ঢুকে।

এখন ধরা যাক আমার মতো নাগরিক/(গণপ্রজার এক প্রজা) এই রাষ্ট্রের প্রচলিত সংবিধান এবং গণতন্ত্রের চলতি বয়ানের উপর কোনো আনুগত্য রাখি না। আমি এর জোর বিরোধিতা করি এবং এটা উল্টায়া দিতে চাই। তাহলে আমার এই রাজনৈতিক অবস্থান, কারে কারো কাছে ''প্রবণতণতা'' কি মৌলিক অধিকার স্বীকৃত সুরক্ষা পাবেনা? যতক্ষণ সেটা মতামত প্রচার ও প্রসারের জন্য বেধে দেওয়া নিয়মতান্ত্রিক পথ অনুসরণ করে? যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা জনগণের ইচ্ছা এবং সংকল্পকে আমার রাজনৈতিক চিন্তার আলোকে পরিগঠিত করে তুলতে আইনের চোখে সুনির্দিষ্ট অপরাধমূলক পন্থা অবলম্বন না করে। অর্থাৎ জনগণের ইচ্ছাকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টা নিয়মতান্ত্রিক উপায় অবলম্বন করে চালিত হয়। তাকে কিভাবে আপনি পারসেপসানের ধূয়া তুলে বাধাগ্রস্ত করতে চান? আপনি কোনো নাগরিককে, তা আপনার যত অপছন্দেরই হোক, তার চিন্তা/আদর্শের আলোকে বাকিদের ইচ্ছার স্বীকৃতি নেবার প্রক্রিয়াকে গলাটিপে হত্যা করতে চান? যদি তাই চান তাহলে আপিনই আর আপনার পাটাতনে দাঁড়িয়ে থাকতে চাচ্ছেন না, বা আপনার চিন্তা বা মতাদর্শিক শক্তি সমাজকে এই ধরণের চিন্তার মোকাবেলায় ডায়লগের মাধ্যমে পরাস্ত করতে অক্ষম বলে প্রকারান্তরে কবুল করছেন। আপনার 'গণতন্ত্র' নিজের অগ্রসরতা দ্বারা টিকে থাককে অক্ষম। তাহলে বেশ....

৪৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
রিফাত হাসান বলেছেন: ami ektu besh byasto achi. ei poster etto bishod montobbogulo porar shujog-o ekhono hoye utheni. maf korben apatoto kichudin.
৪৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৯
মেঘ বলেছেন: যে কোন হিজবুতির পশ্চাতদেশে আ-চাঁছা বাঁশ দেয়া হউক।
কিসের আলোচনা?? ......ফালানোর?? X(
৪৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩
অরণ্যচারী বলেছেন: হিজবুত্ত ভয়ংকরতম সন্ত্রাসী ... কোন সন্দেহ নাই ... তবে সেটা মনমানসিকতায়, আদর্শিক অবস্থানে, ধর্মীয়গোড়ামির দিক থেকে - মনির হাসানের এই কথাই আসল। এ কারণেই হিযবুত তাহরীরের নিষিদ্ধকরণ সমর্থন করি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪২৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
jatematal@googlemail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই