যদি নির্বাসন দাও.................................................................. আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো আমি বিষ পান করে মরে যাবো! বিষণ্ন আলোয় এই বাংলাদেশ নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ, প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ- এ আমারই সাড়ে তিন হাত তুমি।

এক চিলতে সুনীল আকাশ
২৮ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
তোমাদের জানালা বেয়ে নামে না মায়াবী চাঁদ,
কার্নিশ জুড়ে খেলা করে বাহারী মানি প্ল্যান্ট।
শীতাতপের ঘেরাটোপ থেকে বের হয়ে
কখনো নেয়া হয়নি মাটির সুবাস, দেখা হয়নি
প্রজাপতির ডানায় রোদের ঝিলিক।
তোমাদের গ্রীণ হাউজ জীবনে খেলা করে
মাল্টিকালার বায়বীয় স্বপন, উচ্চতা ভাঙ্গার সাধ,
বুদ হয়ে থাকা স্বেদাক্ত শরীর, নির্জীব রুপোলি ফানুস।
তোমরা বোঝ না নদী আর নারীর ফারাক, দেখো না
ছুঁয়ে কখনো নিথর জলের বুক।
প্রশ্ন রাখি- কতোটা অন্ধ হলে বলো তোমরা অবলীলায়
ভুলে যাও কিশোরী ফুল্লরার কান্না ভেজা মুখ,করুন আর্তনাদ?
আমি শুধু প্রার্থনা করি- তোমরা বেরিয়ে এসো সম্মোহনের
রঙিন পৃথিবী থেকে, ঘুমঘোর ছেড়ে, তোমাদের হৃদয় যেন
হয়ে ওঠে এক চিলতে সুনীল আকাশ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কাকাবিতা, কাকাবিতা, কাকাবিতা কাকাবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অহেতুক কাব্য বিভাগে ।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
কতোটা অন্ধ হলে... কি দারুন কথা বলেনগো ভাই।
রুবেল শাহ বলেছেন:
প্রশ্ন রাখি- কতোটা অন্ধ হলে বলো তোমরা অবলীলায়ভুলে যাও কিশোরী ফুল্লরার কান্না ভেজা মুখ,করুন আর্তনাদ?
আপনার এ লাইন টা পড়ে আমার একটু আগে দেওয়া সুমির একটা পোষ্টের কথা মনে পড়লো,
পুরো পাঁচ দিলাম
ঝরা পাতা বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা নজমুল আলবাব ও রুবেল শাহ।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
আহবানে সাড়া দেবে এই আশায়..
ঝরা পাতা বলেছেন:
জলিল ভাই,আমিও অনেকদিন পরে আজকে আপনার ব্লগে ঢুকে কিছু কবিতা পড়লাম। এতদিন সময়াভাবে লেখা বা পড়া কোনটাই হয়নি। এখন থেকে নিয়মিত আপনার লেখা চাই।

















