somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি যানজট ও বিভিন্ন ঝগড়ার উৎপত্তি

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মালিবাগ-মৌচাকের ট্যাফিক জ্যাম আমার নিত্য সঙ্গী। প্রতিদিনই গড়ে এক থেকে দেড় ঘন্টা যখন এখানে থমকে থাকি তখন নিজে কে খুবই অভিশপ্ত মনে হয়। জীবনের উপর অভক্তি-বিরক্তি এসে পরে। ক্রমেই মাথাও জ্যাম হতে থাকে। বাসের সিটে ক্লান্ত শরীরে ধৈর্য ধরে বসে বসে জিমাতেও বড্ড কষ্ট লাগে। কখনো কখনো মাথায় রক্ত উঠে যায়। মাঝে মাঝে সামলে নেই নিজেকে। মাঝে মাঝে গালি দিয়ে শান্ত করি মনকে।

একটা বাসের সব যাত্রীর টেম্পার এক না। আমি লক্ষ্য করেছি দীর্ঘক্ষন ধরে জ্যামে থাকার কারনেই বাসের ভিতরকার প্রতিটা মানুষ কম-বেশী অস্থির হয়ে পরেন। যাত্রীরা কখনো ড্রাইভারের সাথে এমন কি সহ যাত্রীর সাথেও ঝগড়ায় লিপ্ত হয়।

যাত্রীদের উত্তপ্ত কথা-বার্তার কিছু নমুনা নীচে দেখুন ঃ-

-১-
(গালি) ড্রাইভার হইছ! (গালি) গাড়ী চালাও! পিছনের সব গাড়ী তোমারে ওভারটেক কইরা চইলা গেল !

-২-
ঐ ব্যাটা পিছনে কি দেখছ ? গাড়ী ছাইরা রিক্সা চালাগা।

-৩-
ঐ ড্রাইভার ! গাড়ী থামায় বইসা আছোস কি জন্য ?
এতক্ষন জ্যামে বসায় রাইখা এখন খাড়ায় যাত্রী উঠাইতাছো।

-৪-
তুমি কোন বালের হেলপারি কর ? পিছনের সব গাড়ী আগে যায় কেমনে ?
যাও নদীতে যাইয়া নৌকার হেলপারি করগা।

-৫-
(গালি) ট্রাফিক দুই/তিন সিগনাল ধইরা গাড়ী আটকায় রাখছে।
আধ ঘন্টা পর পর পাঁচ গাড়ী ছাইড়াই আবার সিগনাল দেয়।

-৬-
১ম যাত্রী - আপনে মোবাইলে এতো জোড়ে জোড়ে কথা কন কেন ? মানুষের ডিস্টাব হয় না।
২য় যাত্রী - আপনি এভাবে কথা বলছেন কেন ?
৩য় যাত্রী - আমরাওতো কথা কই, এতো চিল্লাচিল্ল তো করি না।
৪র্থ যাত্রী - আরে ভাই মোবাইলে কেউ জোড়ে কথা বলে, আর কেউ আস্তে কথা বলে।
৫ম যাত্রী - ভাই ধামেন ! এগুলো নিয়ে আর কথা বাড়াইয়েন না।
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×