আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলা সার্চের সুবিধা সম্বলিত অর্থসহ আল কুরআন, বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ শরীফ সহ কিছু ইসলামীক বইয়ের ডাউনলোড লিঙ্ক - আইইউটিয়ান
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- বাংলার স্বাধীনতা আনলো যারা - আমাদের সেই সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা (রিপোস্ট) - রাগিব
- ক্লিক করেই কি শুধু পয়সা পাওয়া যায়? - হাসান
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- গু বাবার সাক্ষাত - ঝড়ো হাওয়া
- ভাই ! একটু চাপেন, সমুদ্রটা দেখি !! - ঝড়ো হাওয়া
- নাটক : আমি ব্লগ ছেড়ে দিচ্ছি - ঝড়ো হাওয়া
দিনাজপুর ভ্রমন : কান্তজী মন্দির, রাজ বাড়ি, রাম সাগর এবং ...
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
দিনাজপুর যখন পৌছালম তখন রাত ৯টা। আমরা ঢাকা (গাবতলি) থেকে রওনা দিয়েছিলাম দুপুর ১:৩০মিনিটে। হানিফের বাস কাউন্টারে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল খাইরুল (কলিগের বন্ধু)। রাতে থাকলাম মালদাহ পট্টির হোটেল ডায়মন্ডে। খাইরুল কে নিয়ে স্টেশনরোডের মাসুম হোটেলে খেতে বসলাম আর আগামীকাল কে কোথায় কোথায় ঘুরবো তা ঠিক করলাম। খাইরুল আমাদের প্লান শুনে টেনশনে পরে গেলো। বলে, বস! এতো কম সময়ে কেমনে এতো ঘুববেন? আগামীকালও দিনাজপুরে থেকে যান। বললাম, আমাদের স্পিডে ঘুরার অভ্যাস আছে, টেনশন নিয়েন না। দিনাজপুর ঘুরে আমাদের আগামীকাল রাতেই রাজশাহী থাকতে হবে।
ওকে বলা হলো আমাদের ভোর ৫টার দিকে ফোন দিয়ে ঘুম ভাঙ্গাতে আর সকাল ৬:৩০টার সময় হোটেলে হাজির থাকতে।
১৪ নভেম্বর ২০০৮, শুক্রবার।
ভোর ৫:৩০মিঃ এ ঘুম ভেঙ্গে গেলো। গোছল করে রেডি হয়ে গেলাম দুজন। খাইরুলের খবর নাই, ফোনও নাই, অথচ ওর আমাদের ফোন করে ঘুম ভাঙ্গানোর কথা ছিল। আমরা যা সন্দেহ করেছিলাম তাই হয়েছে, খাইরুল মনে করেছিল আমরা ঢাকার পাবলিক দেরী করে ঘুম থেকে উঠবো, হোটেল থেকে বের হতে কমপক্ষে ১০টা বাজবে।
সকাল ৬:৪০টার দিকে আমি আর হাসান ভাই হোটেল থেকে নেমে, নীচে হাটাহাটি করছি। খাইরুলের খবর নাই। মেজাজ খারাপ লাগছে, ওরে ফালায় চলে যাবো কি না ভাবছি। সময় নষ্ট না করে পাশের হোটেলে নাস্তা করতে বসলাম। খাইরুল কে ফোনে পাওয়া গেলো, সে আসছে।
বাস স্ট্যান্ড বাসে করে রওনা দিলাম প্রথমে গেলাম হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘড়ির কাটায় সকাল ৮টা। সারা ক্যম্পাসে ৩-৪ জন মানুষ দেখলাম। সবাই মনে হয় ঘুমাচ্ছে। পরিচ্ছন্ন ছিমছাম ক্যম্পাস। ঢাকা থেকে আসার সময় একটা অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে আসছি সেটা হলো, এখানকার এক স্টুডেন্ট এর হাতে একটা গিফট প্যাক পৌছিয়ে দেয়া। দায়িত্ব শেষ করে আবার বাসে উঠলাম ... গন্তব্য কান্তজী মন্দির।
--- (আশা করি চলবে)---
প্রকাশ করা হয়েছে: ভ্রমন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভাইগনা তেলা !
এতো হিস্ট্রি লেখার টাইম নাই। তোমার কোন প্রশ্ন থাকলে করো ... উত্তর দিবো ইনশাআল্লাহ।
এতো বড় দুই পোষ্টের সমান একটা পুষ্ট দিলাম ... তোমার মনে ধরলো না।
নতুন রাজা বলেছেন:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ। ওটা আমার ক্যাম্পাস...। আপনি কি বরেন্দ্র প্রকল্পের খায়রুলের কথা বলছেন???
লেখক বলেছেন: হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ঘটনা নিয়ে পোষ্ট দিয়েছিলাম - লিংক Click This Link
এম আই এইচ রাজন বলেছেন:
ভাই শিরোনামে কি লিখলেন আর মূল বক্তব্য কি দিলেন। কিছুইতো বুঝলাম না। বুঝাইয়া বলেন।
মিলটন বলেছেন:
হঠাৎ কই থিকা উদয় হইলেন?
শাওন বলেছেন:
ছবি চাই । ভটভটিতে ( তেলু ভাইজানের নকল করিলাম ) কেমনে বসে আড্ডা মারতে মারতেছেন > কেমনে কি করতেছেন সব ছবি চাই ।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
তার মানে এটা সিরিজ হবে ? কিন্তু কোন উল্লেখ দেখছি না। যদি শেষ হয়ে থাকে তাহলে কান্তজীর মন্দির, ( প্রকৃত শব্দটি হবে কান্ত জিউ। কান্তজীই প্রচলিত হয়ে গেছে।) রাজবাড়ী বা রামসাগরের কোন বর্ণনাতো দেখছি না।
লেখক বলেছেন: আরো ২/১ টা পর্ব লেখার ইচ্ছা আছে। সেখানে আশা করি বর্ননা থাকবে। ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভ্রমণ মুবারক।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এৃত বড় লেখা !!
মুহিব বলেছেন:
দিনাজপুর গিয়েছিলাম। ভাল লেগেছে।
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করলাম। কিন্তু ভাই যে গতিতে আগাচ্ছেন তাতেতো দশ পর্ব লাগবে পুরোটা শেষ করতে। যাহোক পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
বড় মাঠের সামনে থেইক্কা জিরো পয়েণ্টের ছবিটা তুলন মনে হয়। ভালৈ। সামনে আপনার কঠিন পরীক্ষা প্রতি পদে পদে...দিনাজপুর নিয়া উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করুম।
কাঊসার রুশো বলেছেন:
আমিও আপনার লগে ঘুরতাছি..
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















মামা ভ্রমন কাহিনী লিখতে হয় সময় নিয়ে। বিস্তারিত বর্ণনা সহ। কিভাবে কত পয়সা খরচ করে হেলিকপ্টার না ভটভটি দিয়ে কোথায় কোথায় গেছেন তার বিস্তারিত গবেষণা মেলে ধরতে হয়, বুঝছেন!
নাহ্ আপনি বরাবর অধৈয্যবান ব্লগার। এখনো আগের মতনই। তবে, লেখার পরিধি দুয়েকলাইন বাড়ছে। আর কোন পরিবরিতন নাই।
যাক, আপনার দিন কাল কেমন যাচ্ছে?