আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলা সার্চের সুবিধা সম্বলিত অর্থসহ আল কুরআন, বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ শরীফ সহ কিছু ইসলামীক বইয়ের ডাউনলোড লিঙ্ক - আইইউটিয়ান
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- বাংলার স্বাধীনতা আনলো যারা - আমাদের সেই সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা (রিপোস্ট) - রাগিব
- ক্লিক করেই কি শুধু পয়সা পাওয়া যায়? - হাসান
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- গু বাবার সাক্ষাত - ঝড়ো হাওয়া
- ভাই ! একটু চাপেন, সমুদ্রটা দেখি !! - ঝড়ো হাওয়া
- নাটক : আমি ব্লগ ছেড়ে দিচ্ছি - ঝড়ো হাওয়া
দিনাজপুর ভ্রমন : কান্তজী মন্দির, রাজ বাড়ি, রাম সাগর এবং ... (২)
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে মেইন রাস্তায় বাস পেয়ে গেলাম। এবার আমাদের গন্তব্য কান্তজী মন্দির (কান্তনগর মন্দির)। পনের মিনিট পর সকাল ৯টার দিকে কাঞ্চন নদীর উপর নির্মিত ভাদকা ব্রীজ পাড় হয়ে রায়পুর নামক এক জায়গায় বাস থেকে নামলাম। সেখান থেকে ভ্যান গাড়ী ভাড়া করে গ্রামের ভিতর দিয়ে আমরা চললাম কান্তজি মন্দির দর্শনে। প্রকৃতির অপরূপ শোভা দেখতে দেখতে ২৫/৩০ মিনিট পরেই কান্তজি মন্দিরের গেটে এসে পরলাম। এখানে পুজা ও মেলা চলছে। মন্দির কে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ।
দিনাজপুরের জমিদার মহারাজা প্রান নাথ ও তার পুত্র রামনাথ কর্তৃক এই মন্দিরের নির্মান কাজ শুরু হয় ১৭০৪ইং সালে শেষ হয় ১৭৫২ইং সালে। টেরাকটার নিপুন কাজ করা অসাধারন সুন্দর এই মন্দিরটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রন্ততাত্তিত নিদর্শন।
পুরো মন্দিরটা ঘুরে দেখলাম। শত শত লোকের সমাগম মন্দিরকে ঘিরে। মেলা বসেছে মন্দিরের বাউন্ডারি ওয়ালের ভেতরে আর বাইরের মাঠে। ভিতরের দোকানগুলোতে ধর্মীয় বই, পুজা সামগ্রী বিক্রি হচেছ আর বাইরে খাবার, খেলনা ইত্যাদির দোকান। মিষ্টির দোকান থেকে আমরা ০৩ জন বিশাল সাইজের মিষ্টি স্থানীয় নাম নেংচা খেলাম।
এবার যাওয়ার পালা। পেছনের মেঠো পথ ধরে হাটতে লাগলাম। ২০/২৫ মিনিট হাটার পর চড় পরা একটা নদীর সামনে আসলাম। বাঁশ দিয়ে নদীর উপর ব্রীজ করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে সেটার উপর দিয়ে মানুষ ভ্যান গাড়ী, রিক্সা পারাপার হয়। আমরা ধীর গতিতে নদীর স্বচ্ছ পানি আর হালকা স্রোত দেখতে দেখতে ব্রীজ পার হোলাম। সামনেই কান্তনগর বাস স্ট্যান্ড।
বাসে উঠে পরলাম। আমাদের এবারের গন্তব্য দিনাজপুর রাজরাড়ি।
স্মৃতি: ১৪ নভেম্বর ২০০৮, শুক্রবার।
তথ্য: http://en.wikipedia.org/wiki/Kantajew_Templ
প্রথম পর্বের লিংক :
Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দিনাজপুর, কান্তজী মন্দির, রাজ বাড়ি, রাম সাগর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ভ্রমন বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাওন বলেছেন:
মামা প্রকৃতিক সাথে নিজের কিছু ছবি দিলে কিন্তু জোশ হতো । পরের পর্বে জিনিসটা খেয়াল রাইখেন ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















কান্তজিউর মন্দিরে মেলার সময় এক রকম সব্জি খিচুরী রাঁধে, অসাধারন। অন্য সময় সময় করে যাবেন, তাহলে মন দিয়ে টেরাকোটা দেখা যাবে।
আপনি দেখি দুই রাস্তাই ব্যবহার করেছেন ! জায়গাটা সুন্দর না ?
চেহেলগাজীর মাজারের সামনে গণকবর দেখতে যান নাই ? ৭২ এ দিনাজপুর জেলা স্কুলের মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে এ বিস্ফোরনে এক সাথে কয়েকশ মুক্তিযোদ্ধা আহত ও নিহত হয়। নিহত শহীদদে গণকনর দেয়া হয় ভেহেলগাজীর মাজারে। কতজন এক সাথে সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে সেটা শখানেকের বেশী হবে। এরকম গণকবর দেশে কিন্তু আর নেই, অথচ মানুষ এটার কথা মনে রাখে না।