somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাইদী সমগ্র

২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


=====================================
Click This Link
জামাতে ইসলামীর প্রথম সারির নেতা মওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী মুক্তিযুদ্ধকালে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কুখ্যাত। জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ ও শিশুসাহিত্যিক ড. জাফর ইকবালের পিতা তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমানসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা হত্যা, নির্যাতন, নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে অভিযুক্ত ধর্মের লেবাসধারী এই নেতা স্বাধীন বাংলাদেশেও দীর্ঘ সাড়ে ৩ দশক ধরে নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। মওলানা সাঈদী পবিত্র ইসলাম ধর্মকে পুঁজি হিসেবে
ষ প্রথম পাতার পর ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলসহ তার দল জামাতের হীন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করে চলেছেন।
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ (সদর ও নাজিরপুর উপজেলা) আসনে বিএনপি-জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হন। বিগত সপ্তম সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে নগণ্য ব্যবধানে জয়ী হলেও সাঈদীর এই জয়ের পেছনে ছিল সা¤প্রদায়িক অপপ্রচার, সংখ্যালঘু হিন্দু স¤প্রদায়ের ওপর নির্মম নির্যাতন, ভোট চুরিসহ নানা গুর"তর অভিযোগ।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজ জেলা পিরোজপুরে হিন্দু স¤প্রদায়ের ঘরবাড়ি, সম্পদ লুট করেছেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে গণহত্যা ও নির্যাতনে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন সাঈদী। পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নির্যাতন, লুটতরাজসহ নানা যুদ্ধাপরাধের অন্যতম হোতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। তার এসব অপকর্মের বহু নজির ও সাক্ষী আজো পাওয়া যাবে তার হাতে নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বেঁচে থাকা পিরোজপুরের স্বজনহারা মানুষের ঘরে ঘরে।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধী ও ঘাতক সাঈদীর দুষ্কর্মের কিছু বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে গঠিত জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের রিপোর্ট’-এ। ওই রিপোর্টে বলা হয় :
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জামাত নেতা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য তার নিজ এলাকায় আল বদর, আল শামস এবং রাজাকার বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের সরাসরি সহযোগিতা করেন। ১৯৭১ সালে তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন না, তবে তথাকথিত মওলানা হিসেবে তিনি তার স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতা পরিচালনা করেছেন। তার এলাকায় হানাদারদের সহযোগী বাহিনী গঠন করে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লুটতরাজ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, হত্যা ইত্যাদি তৎপরতা পরিচালনা করেছেন বলে তার বির"দ্ধে অভিযোগ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তার এলাকায় অপর চারজন সহযোগী নিয়ে ‘পাঁচ তহবিল’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যাদের প্রধান কাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী বাঙালি হিন্দুদের বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল করা এবং তাদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা। লুণ্ঠনকৃত এ সমস্ত সম্পদকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ‘গনিমতের মাল’ আখ্যায়িত করে নিজে ভোগ করতেন এবং পাড়েরহাট বন্দরে এসব বিক্রি করে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পাড়েরহাট ইউনিয়নের সাবেক কমান্ডার মিজান তালুকদার একাত্তরে সাঈদীর তৎপরতার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে পাড়েরহাট বন্দরের হিন্দু স¤প্রদায়ের ঘরবাড়ি লুট করেছেন ও নিজে মাথায় বহন করেছেন এবং মদন নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বাজারের দোকানঘর ভেঙে তার নিজ বাড়ি নিয়ে গেছেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেববাজারের বিভিন্ন মনোহারি ও মুদি দোকান লুট করে লঞ্চঘাটে দোকান দিয়েছিলেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর অপকর্ম ও দেশদ্রোহিতার কথা এলাকায় হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম আজো ভুলতে পারেনি। (মাসিক নিপুণ, আগস্ট ১৯৮৭)।
মিজান তালুকদার আরো বলেন, একাত্তর সালের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার বড়ো ভাই আব্দুল মান্নান তালুকদারকে ধরে পাড়েরহাটে শান্তি কমিটির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুল মান্নান তালুকদারের ওপর সাঈদী অকথ্য নির্যাতন চালায় এবং তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মিজান তালুকদার কোথায় আছে জানতে চায় ও তার সন্ধান দিতে বলে।

গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা (বর্তমানে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়) পিরোজপুরের এডভোকেট আলী হায়দার খানও সাঈদীর বির"দ্ধে অনুরূপ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাঈদীর সহযোগিতায় তাদের এলাকার হিমাংশু বাবুর ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করা হয়েছে। পিরোজপুরের মেধাবী ছাত্র গণপতি হালদারকেও সাঈদী ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তৎকালীন মহকুমা পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও) ফয়জুর রহমান আহমেদ ( ঔপন্যাসিক হূমায়ূন আহমেদের পিতা), ভারপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক (এসডিও) আবদুর রাজ্জাক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান, স্কুল হেডমাস্টার আব্দুল গাফফার মিয়া, সমাজসেবী শামসুল হক ফরাজী, অতুল কর্মকার প্রমুখ সরকারি কর্মকর্তা ও বুদ্ধিজীবীদের সাঈদীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তথ্য সরবরাহকারী ভগীরথীকে তার নির্দেশেই মোটরসাইকেলের পিছনে বেঁধে পাঁচ মাইল পথ টেনে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
পাড়েরহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন খান জানিয়েছেন, সাঈদীর পরামর্শ, পরিকল্পনা এবং প্রণীত তালিকা অনুযায়ী এলাকার বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রদের পাইকারি হারে নিধন করা হয়। পাড়েরহাটের আনোয়ার হোসেন, আবু মিয়া, নূর"ল ইসলাম খান, বেনীমাধব সাহা, বিপদ সাহা, মদন সাহা প্রমুখের বসতবাড়ি, গদিঘর, সম্পত্তি এই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী লুট করে নেন বলে তিনি গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন।
পাড়ের হাট বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা র"হুল আমীন নবীন জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদী এবং তার সহযোগীরা পিরোজপুরের নিখিল পালের বাড়ি তুলে এনে পাড়ের হাট জামে মসজিদের গনিমতের মাল হিসেবে ব্যবহার করে। মদন বাবুর বাড়ি উঠিয়ে নিয়ে সাঈদী তার শ্বশুরবাড়িতে স্থাপন করেন। র"হুল আমীন জানান, ১৯৭১ সালের জুন মাসের শেষের দিকে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশন সংগ্রহ করতে পাড়েরহাটে গেলে দেখেন স্থানীয় শান্তি কমিটি ও রাজাকারদের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৬০/৭০ জনের একটি দল পাড়ের হাট বন্দরে লুটপাট করছিল। পিরোজপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার নেতাদের মধ্যে সেদিন পাকিস্তানি সেনা দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সেকান্দার শিকদার, মওলানা মোসলেহ উদ্দিন, দানেশ মোল্লা প্রমুখ। এ ছাড়াও সাঈদীকে একটি ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন র"হুল আমীন।
র"হুল আমীন নবীন আরো জানান, সাঈদী এবং তার সহযোগীরা তদানীন্তন ইপিআর সুবেদার আব্দুল আজিজ, পাড়েরহাট বন্দরের কৃষ্ণকান্ত সাহা, বাণীকান্ত সিকদার, তর"ণীকান্ত সিকদার এবং আরো অনেককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন। সাঈদী হরি সাধু ও বিপদ সাহার মেয়েদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। বিখ্যাত তালুকদার বাড়িতে লুটতরাজ করেছেন। ওই বাড়ি থেকে ২০/২৫ জন মহিলাকে ধরে এনে পাকসেনাদের ক্যাম্পে পাঠিয়েছেন।
ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শহীদের অপর পুত্র কথাশিল্পী মুহম্মদ জাফর ইকবাল জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সহযোগিতায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে পাকিস্তানি সৈন্যরা হত্যা করে এবং হত্যার পরদিন সাঈদীর বাহিনী পিরোজপুরের ফয়জুর রহমান আহমেদের বাড়ি সম্পূর্ণ লুট করে নিয়ে যায়।

======================================

Click This Link
"লোকটা দৌড়াচ্ছে। পিছনে এক বাঘ তাড়া করতেছে। লোকটা জীবন হাতে নিয়ে দৌড়াচ্ছে। প্রচন্ড বেগে দৌড়াতে হচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরপর পিছনে ফিরে থাকাতে হচ্ছে কখন বাঘটা কাছে চলে আসে আবার। দৌড়াতে দৌড়াতে একটু দূরে একটা গাছ দেখা গেল। গাছের কাছে আসল। তাড়াতাড়ি গাছে বেয়ে উঠল। উঠে একটা ডালে উঠে বসল। নিচে বাঘটা এসে গাছের নিচে দাড়ি্য়ে আছে। যে পাশে বাঘ দাড়িয়ে আছে সেপাশ ছাড়া অন্য সবপাশে বিশাল গর্ত। গর্তের মধ্যে বিরাট বিরাট সাপ, বিচ্ছু অন্য ভয়ংকর পোকামকড়। নিচে নামলেই বাঘে ধরবে। গাছ থেকে পড়ে গেলেই সাপে খাবে। এমন সময়ে দেখা গেল একটা সাদা পাখি আরেকটা কাল পাখি যে ঢালে সে বসে আছে সে ঢালে ঠোঁট দিয়ে আঘাত করতেছে আর ঢালটা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে। ঢাল কেটে গেলেই সে গর্তে পড়ে যাবে। মহাভয়ংকর অবস্থা। সে চিন্তা করে কাঁপতেছে প্রচন্ডভাবে। হঠাৎ তার মাথায় একটা কি যেন পড়ল। উপরের দিকে থাকিয়ে দেখে একটা মধুর চাক। সেখান থেকে ফোঁটা ফোঁটা মধু পড়তেছে।একটু চেখে দেখল সে জিবে নিয়ে। খুব মিষ্টি। সে গাল হা করে মধু খেতে আরম্ভ করল। মধুর চাকের দিকে হা করে মধু খেতে খেতে সে বাঘের কথা, গর্তের কথা, সাপের কথা, পাখির কথা ভুলে গেল।সে সুমিষ্ট মধুর জগতে হারিয়ে গেল।"

হঠাৎ লোকটার স্বপ্ন ভেংগে গেল। বুঝল এতক্ষণ সব স্বপ্ন ছিল। এরকম অদ্ভুত স্বপ্ন দেখার কারন কি সে বুঝতে চেষ্টা করল। এক বুজুর্গ লোক ছিলেন এলাকায় যিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতেন। সকাল উঠেই তার কাছে গেল। তিনি সব শুনে বললেন "আসলে এটা সব মানুষের জন্যই বাস্তবতা, স্বপ্ন নয়। যে বাঘটাকে দেখলেন সেটা আজরাইলের প্রতিমূর্তী। মৃত্যু যে আমাদের প্রতিমুহুর্ত্যে তাড়া করতেছে সেটাই এটা বুঝাচ্ছে। গর্তটা হল কবর। কবরের আযাব বুঝাচ্ছে গর্তের মধ্যে সাপ, বিচ্ছু দিয়ে। পাখি দুটা দিন আর রাতকে বুঝাচ্ছে। গাছের ঢালটা হল আমাদের হায়াত। রাতদিন কাটতে কাটতে আমাদের হায়াত ফুরিয়ে যাচ্ছে। যেকোন সময় মৃত্যু হবে আর কবরে যেতে হবে। মধুটা হচ্ছে দুনিয়ার লোভ, সম্পত্তি, টাকা পয়সা। আর দুনিয়ার লোভে পড়ে আমরা মৃত্যুর কথা, কবরের কথা, হায়াতের কথা সব ভুলে বসে আছি, আছি দুনিয়ের সুখ নেওয়ার তালে।

২.

এই কাহিনীটা ছিল ক্লাশ ফাইভে থাকাকালীন সময়ে শুনা। সাইদীর ওয়াজের ক্যাসেট ছিল আমার কাজিনের কাছে। সেখানে প্রথম সাইদীর ওয়াজে শুনেছিলাম এটা। চট্টগ্রামে সাইদী'র সম্মেলন "ইসলামী সমাজকল্যান সংস্থা" নামক জামাত শিবিরের একটা সংগঠনের ব্যানারে হয়। সম্মেলনের নাম "তাফসীরুল কোরআন মাহফিল"। আমার এক চাচাতভাই সাইদীর খুব ভক্ত ছিল। সাইদীর ওয়াজের সব ক্যাসেট উনার কাছে ছিল। আমার সাইদীর সাথে পরিচয় খুব ছোট বয়সে। চাচাতভাইয়ের বাসায় সাইদীর ওয়াজের ক্যাসেট শুনলাম। বলতে দ্বিধা নেই যে সাইদীর ওয়াজ মনে খুব দাগ কেটেছিল। আমি প্রায়ই সাইদীর ওয়াজ শুনার জন্য চাচাতভাইয়ের কাছে যেতাম। সাইদীর কন্ঠ
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮
৪৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

লাখো পরিবারের বেঁচে থাকার গল্প অনিশ্চয়তার মুখে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



যেখানে আইন, ধর্ম আর রাজনীতি একসাথে জট পাকায়- সেখানে সবচেয়ে আগে হারিয়ে যায় সাধারণ মানুষের শান্তি ও জীবিকা।
গরু শুধু প্রতীক নয়, এটা লাখো পরিবারের বেঁচে থাকার গল্প।
এই গল্প এখন অনিশ্চয়তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার শিশুকে শিল্পীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪০



আমার সাড়ে চার বছর বয়সী মেয়ে সোহানা স্কেটম্যান জনের গান খুব পছন্দ করে। আমিই তাকে স্কেটম্যান জনের সাথে এভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম - ''উনি তোমার একজন দাদা।"... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ধর্ম আল্লাহ'র মত করে পালন করিনা, করি আমাদের নিজেদের মত করে!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২২ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯


পবিত্র কোরআন-এ শূকরের মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে চারটি জায়গায়। কিন্তু দেখুন, আমরা মুসলমানরা এই নির্দেশটি আজ পর্যন্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছি। পৃথিবীর প্রায় সব মুসলিমকে আপনি চেষ্টা করলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন অতল অন্ধকার গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে দেশ

লিখেছেন অর্ক, ২২ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২



নাহ, আইনের শাসন নেই! চারিদিকে হত্যা ধর্ষণসহ বিভিন্ন জঘণ্য অপরাধ ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। যে কোনও সমাজ রাষ্ট্র জাতির জন্যই অশনি সংকেত। কোথায় যাচ্ছি আমরা? কোন অন্ধকার অতল গহ্বরে তলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯১

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১৮



রামিসার ঘটনা নিয়ে আমার মনটা ভালো নেই।
গতকাল সারারাত আমি ঘুমাইনি। ঘুম আসেনি। কেমন দম বন্ধ হয়ে আসছিলো! আমার কন্যা আমার পাশে গভীর ঘুমে। রামিসার চেয়ে আমার কন্যা আড়াই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×