আমার প্রিয় পোস্ট
- আরব আমীরাতে চাকরি পেতে হলে যা জানা দরকার
- বিকল্প ধারা
- কিভাবে একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন? - ওসমাণ
- হে অবিশ্বাসীগণ দেখে (ভিডিও) যাও শিবির কখনো মিথ্যা বলেনা। - ইন্তাজ ভাই
- আউটলুক বিডি গেল, বিডিস্টল গেল; এইবার রেডিও তেহরানের পালা - পাকাচুল
- ২০১১ সালে অষ্কারে নমিনেটেড হল যারা। আপনার দেখা প্রিয় মুভী কোনটি? - বস শাকিল
- জিয়া ও স্বাধীনতা ঘোষণা - শাহেদ সাইদ
- ১৯৫ জনের হিসাব জানি, কিন্তু ৭৫২ জনের হিসেব কে দেবে? - নিঝুম মজুমদার
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের সাধারন ক্ষমা নিয়ে একজন আইনজীবির মিথ্যাচার এবং প্রকৃত ঘটনা - এস্কিমো
- দেশের সব জেলা, উপজেলা, থানার মানচিত্রের মেগা কালেকশন
(আপডেেটড) - মানব সন্তান
- বাংলার গর্ব ‘ওয়ারফেইজ’ এর গল্প ২ ! (২০০০-২০১১) - কবি ও কাব্য
- যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল নিয়ে জামাতের ব্রিটিশ আইনজীবি স্টিভেন এর সমালোচনা ও তার আইনী জবাবঃ পর্ব-১ - নিঝুম মজুমদার
- পলাশ ওরফে আকাশগঙ্গা ওরফে লিচুগাছ এর নাম ও পরিচয়



- পাওয়ার ফ্যালকন
- আমার ছাদে বাগানের ছবি পোষ্ট - ২০১১ - এহ্তেশাম
- আকাশগঙ্গা এই কইলজা নিয়া ব্লগিং হয় না - রাতমজুর
- এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে, এখন যারা গদিতে তারাও একদিন রাজপথে নামবে - চন্দন
- "থাপড়ায়ে তোর দাত ফেলায়ে দেব, শুয়ারের বাচ্চা কোথাকার" (এটিএন ফুটেজ) - রায়হান রাহী
- হরতালের ভিডিওটা দেখুন । আর মন্তব্য করুন । পুলশ কি এমনি মেরেছে? নাকি বাধ্য হয়েছে ? - অনির্বাণ রায়।
- আরশিতে প্রিয়দর্শিণী, নারীত্বের অবসাদ, একটি গল্প, গল্পে গল্পে সাম্প্রতিক ব্লগ এবং আমার কিছু কথা! - আধাঁরি অপ্সরা
- বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী সমূহ - রাকা ও আমি
- আসুন, চিনে রাখি ইসলাম এবং মানবাধিকারের আড়ালে থাকা এক হিংশ্র হায়েনা শাবক - কেলেভুষো
- ধর্ম মানুষকে উদার করে, কিন্তু এর ধর্ম কি? - কালাম আজাদ বেগ
- ইমাম কর্তৃক কলেজ ছাত্রী ধর্ষিত - এম. মাসুদ আলম.
- শতাধিক বিদেশি আইনজীবী পুষবে জামায়াত - পাওয়ার ফ্যালকন
- ব্রেকিং নিউজ : ধর্ষনচেষ্টার অভিযোগে শিবিরকর্মী গ্রেফতার - সবাক
- পূর্ণিমার জবানবন্দি - কবীর হুমায়ূন
- বাবারা, আমার মেয়েটা ছোট তোমরা একজন একজন করে এসো-পুর্নিমা সমাচার। - আকাশের তারাগুলি
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- শহীদ জিয়ার সেই লেখা 'একটি জাতির জন্ম' - পাগশ্রাবনের মেঘ
- ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওয়েব সাইটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকৃতি !!! - আবুল হাসান নূরী
- জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক: কাদের সিদ্দিকী - মোঃ শরিফুল আলম
- Marriage is popular because it combines the maximum of temptation with the maximum of opportunity. - চির সবুজ ২৫
- যেভাবে একটি নতুন ধর্মের প্রবর্তন ঘটাবেন। - ধনাত্মক১০
- কিছুক্ষন আগে একটি প্রেমের লাইভ ট্রাজিক সত্য ঘটনা শুনে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম.. - সমীর কুমার ঘোষ
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের এক গাদা বাংলা রিসোর্স - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- আমাদের শিবিরের ভাইয়ারা আসলে খুব ভালো, তারা খালি হাতে চলাফেরা করেন। ২৮শে অক্টোবরও তারা খালি হাতেই এসেছিলেন! - ক্র্যাক কমান্ডো
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- সফলদের স্বপ্নগাথা-১: আশার কথা বলো স্বপ্ন দেখাও—অপরাহ উইনফ্রে - robot_eee
- অনলাইনেই সেরে নিন ফটোশপের কাজ - Arefin
- পর্যায় সারনী মুখস্থ করুন। (যাদের দরকার) - জিকসেস
- শিবিরের দুটি নৃশংস-ভয়ঙ্কর কিলিং মিশনের মধ্য থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া দুজন ছাত্রনেতার ভাষ্য - অসময়ের আমি
- পিরামিড ট্যুর। টুরিষ্ট কম্পানি খুলতে চাই, তাই পরামর্শ চাই। পার্টনারও চাই। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদঃ ছবিও কথা বলে (ইস্থির ছলচিত্র) - বৃষ্টি বালক
- ঢাবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ( ছবি ব্লগ) - অবিশ্বাসী
- ঢাবিতে ছাত্রদলের অ্যাকশন সমগ্র । (ছবি ব্লগ) - অবিশ্বাসী
- আপনি কি বাংলাদেশের সবগুলা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানেন...?? বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা ওয়েবসাইট লিংক ও ক্যাম্পাসের ছবি সহ..। - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- ধর্মের নামে অত্যাচার এবং আমাদের নাগরিক জীবন - নাগরিক
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দীর্ঘ বারোঘন্টা ব্যাপী বিনেপয়সায় ইসলামী কনসার্ট শুনলাম! - কৌশিক
- ছিঃ কবি - ইফতেখার.আমিন
- জামায়াতের ধর্ম ব্যবসার কিছু নমুনা এবং জামায়াত থেকে যে কারণে দূরে থাকতে হবে। - হা...হা...হা...
- সঠিক পথে গাড়ী চালানোর লাইসেন্স পেতে যা করতে হবে... - মেসবাহ য়াযাদ
- শিবিরের নৃশংসতা মারুফ কি পঙ্গু হয়ে যাবে? - শওকত
- ভিভা এটিম! - লাল মিয়া
- এ'টিমের জন্মদিন ।। সময়ের নবকুমারদের জন্য তিনউল্লাস - হাসান মোরশেদ
- NEW YORK TIMES ঃ সোনার পুলা কোকো এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এইবার মার্কিন আদালতে প্রামানীত!!(বিশ্ব মিডিয়ার লিংক সহ) - বৃষ্টি বালক
- আমেরিকায় সিমেন্সের বিরুদ্ধে ঘুস প্রদানের মামলায় খালেদা জিয়ার পুত্র ও সাংগপাংগদের ৩৭ কোটি টাকা ঘুস প্রদানের স্বীকারোক্তি - কৌশিক
- মুর্তি লইয়া আমার প্রামান্য কথন ১: অপরাজেয় বাংলা - লাল দরজা
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- উইকিতে ত্রিভূজের ভন্ডামী - মুনতাসির হাসান
- অনেকদিন পর টেকি মাতব্বরী করতে গিয়া ধরা খাইলাম
(যারা থান্ডারবার্ড ইউজ করবেন তাদের জন্য ফরজ) - আসিফ আহমেদ
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন। - আহমদ কায়েস
- ধোলাইসমগ্র : একটি ক্ষুদ্র ক্রনোলজি - নার্ভাস নাইনটিজ
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- জীবন এক অন্তহীন সম্ভাবনা , এসএসসি পাশ ছেলেমেয়েদের জন্যও সেই সম্ভাবনা উন্মুক্ত থাকুক - আরিফ জেবতিক
- হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধঃ২৫শে মার্চ ১৯৭১,আজ সেই কালরাতঃ পাকিস্তানি সৈন্যদের বরবর্তায় মুছেগেল হাসনাহেনার গন্ধ । - আবুল বাহার
- বাংলা বর্নমালা শিক্ষা - বড়বেলা - হাসিব
শিবিরের কুকর্মনামা - সাইফ তাহসিন
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
শিবিরের কুকর্মনামা- সাইফ তাহসিন
তারিখ: সোম, ২০০৯-০৮-১৭
গত করেকদিন ধরে সচল বেশ গরম, আর তার জন্যে আমি কাউকে দোষ ও দেই না। তাই অপেক্ষা করলাম দুইদিন এ লেখাটা দেওয়ার জন্যে। আমি এখন পর্যন্ত শিবিরের নামে কোন ভালো কথা শুনিনি, আর কেউ যদি বলতেও আসেন, তাকে হয়ত খুব খারাপ ভাষায় আক্রমন করব, কিন্তু এমন হল কিভাবে, আমার বয়স ৩০ বছর, কাজেই আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ আমি নিজে দেখিনি, বাবা চাচার কাছে গল্প শুনেছি, আমাদের পরিবারের কেউ শহীদ হননি মুক্তিযুদ্ধে, কিন্তু তারপরেও কেন আমি শিবির নামে এই মগজ ধোলাইকৃত ফ্যানাটিক দলের নাম শুনলে ঘৃনায় নাক কুঁচকাই, কেন জান হাতে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ি এদের বিরুদ্ধে, আমাকে তো কেউ আঘাত করে নি বা তাদের দলে ভেড়ানোর ও চেষ্টা করেনি। আমাদের প্রায় সকল কথাই একপেশে ধরনের হয়, কিন্তু আমি আমার কথা বলব, ভুল কিছু বললে আপনারা তো আছেনই শুধরিয়ে দেবার জন্যে।
[আমার লেখা এবং ভাষার ব্যবহারে সংবেদনশীলতার অভাব থাকলে আপনারা নিজগুনে ক্ষমা করে দেবার চেষ্টা করবেন, আমি চেষ্টা করব আমার লাগাম টেনে রাখার, কতটুকু পারব, ঠিক জানি না]
১।উইলো ভাই
আমি তখন দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়ি, প্রতি সন্ধায় পরতে বসা বাধ্যতামূলক, যদি না কারেন্ট চলে যায়। তখন রাজশাহীতে থাকতাম। সপ্তাহে ২-১ দিনতো যাবেই কারেন্ট আর নেমে আসবে ফাঁকিবাজীর সুযোগ, এভাবে চলে যাচ্ছিল সুখের দিন, হঠাৎ দেখি একদিন এক লম্বা চওড়া খোঁচা খোঁচা দাড়িওয়ালা যুবক এসে হাজির, তার সকল কথাই কেমন যেন অসাধারণ লাগে, কিছুক্ষনের মাঝেই জানতে পারলাম ইনার নাম উইলো ভাই, সদ্য পাস করে বের হয়েছেন, পেশায় প্রকৌশলী, তিনি নিজে কিছু করবেন, নিজেই নিজের বস হবেন, তার নানা রকমের প্রজেক্টের মাঝে চার্জার লাইট অন্যতম, ২০” টিউবলাইটের বাল্ব দিয়ে উনার নিজের বানানো চার্জ লাইট লাগিয়ে দিয়ে গেলেন বাসায়। আমার সে কী উত্তেজনা, সেই সাথে মনো কিছুটা খারাপ হল যে, কারেন্ট তো আর যাবে না। কিন্তু তার পরেও চার্জারবাতি জ্বলবে, এই উত্তেজনায় অস্থির, কখন কারেন্ট যাবে! তার পরের বছরের ঘটনা, শুনলাম, উইলো ভাই নাকি হাসপাতালে, ছোট বলে কেউ আমাকে আর কিছু বলতে চায় না। কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে উদ্ধার করলাম, উনি নাকি ছাত্র মৈত্রী করতেন, একরাতে বাসায় ফেরার সময় শিবিরের কিছু লোক তাকে একা পেইয়ে তাকে আঘাত করে, এই অসভ্য ফ্যানাটিকের তাকে অনেক মারে, তারপরেও যখন আর পেট ভরে না, তখন তার ডান হাত ফেড়ে ফেলে কনুই পর্যন্ত, তারপর তাকে বলে, যা এখন দেশের উন্নতি কর গিয়া পারলে। উনি হাসপাতালে ছিলেন মাসখানেক, তার ডান হাত দুইভাগ করে ফেলায় তা অপারেশন করেও কিছু করা যায়নি। রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতেই পারে, তার জন্যে একজনকে সারাজীবনের মত বিকল করে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের কী উন্নতি সাধন হল, এটা আমার ছোট মাথার ছোট বুদ্ধিতে কোনভাবেই ঢুকল না। কাজেই আমার রাজনৈতিক চেতনা হবার আগেই আমি বুঝলাম, শিবির আর যাই হোক ভালো কিছু অবশ্যই না।
২। ডঃ রতন
আমার বয়স তখন ১০ বছর, আমি গভঃ ল্যাবে পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ি, আমাদের মিড টার্ম পরীক্ষা চলছে, আমি পরীক্ষা দিয়ে বের হই, আপনারা যারা রাজশাহী গেছেন, তারা জানেন যে, লক্ষিপুর মোড়ে স্কুলটা, আর তখন থাকি মেডিকেল ক্যাম্পাসে। বাসায় যাবো, কিন্তু কোন রিকশাওয়ালাই যাবে না। ৩য় জন বল্ল, ঐখানে তো অনেক গন্ডগোল হয়েছে, ঐদিকে যাওয়া যাবে না। শুনেই আমার অজানা আশংকায় বুকটা কেঁপে উঠে দুরুদুরু। কেউ যখন যাবে না, তখন আর উপায় কী? হাঁটা শুরু করি আমরা দুই ভাই। আমার বাবার চেম্বার ও পথেই পড়ে, কাজেই চেম্বারের সামনে এসে চেম্বারের পিওনকে জিজ্ঞেস করি, কী ব্যাপার? এর মাঝে দেখি গেট আর গ্যারাজের সামনে টুকরা টুকরা কাঁচ পরে আছে। সে মুখ কাচুমাচু করে বলে, আজকে তো মহা বিপদে পরেছিল স্যার। আমি কিছু বলার আগেই আমার বড় ভাই জিজ্ঞেস করে, মানে? উত্তরে সে যা বলল তা হল এ রকম –
আমার বাবা, সাথে মেডিকেলের আরো কয়েকজন শিক্ষক হলে গিয়েছিলেন ছাত্রদের মাথা ঠান্ডা করে হল ত্যাগ করার ব্যাপারে আলোচনা করে নিস্পত্তি করতে, এক পর্যায়ে পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে, কোন ফলাফল না পাওয়ায় তারা বের হয়ে আসেন, ফিরতি পথে শিবিরের লোকজন আমার বাবার গাড়ীতে আঘাত হানে, ২ টা জর্দার ডিব্বায় আগুন ধরিয়ে ছুড়ে মারে, কিন্তু আমার মত মামদোবাজের বাবা বলেই টান দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন তিনি, ডিব্বা দুটো মাটিতে পড়ে ফাঁটে বলে কেউ আহত হন নি, কিন্তু এই ফাঁকে তারা আবার আঘাত চালায়, হকিস্টিক দিয়ে, গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙ্গে বোমা গাড়ীর ভেতরে ঢুকাতে পারলে না সবাইকে এক ডিব্বায় মারা যাবে!!
আমার বাবা কোনমতে সবাইকে নিয়ে জান হাতে নিয়ে পালিয়ে আসেন। তারপরে বসে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, সে সময়ে গন্ডগোলের সুত্রপাত ছিল ছাত্র মৈত্রী আর শিবিরের মাঝে হল ভাগাভাগি আর অস্ত্র জমা রাখা নিয়ে। যাক, আমরা ২ ভাই হাটতে থাকি বাসা অভিমুখে, পথে একটু পর পর পুলিশের ব্যারিকেড, বাচ্চা কাচ্চা বলে আর গায়ে স্কুলের পোশাক থাকায় কেউ আটকায় না আমাদের। বাসায় ফিরে আসি। আমি তখন ছোট মানুষ, কাজেই গাড়ীর দুঃখে চরম দুঃখিত, এদিকে আমার বাপের জানের উপর যে হামলা হল, তা আমি বুঝতেই যেন পারছিনা। দুপুরে বাবা মা বাসায় ফিরলেন, বাবার চেহারা দেখে আমি ভয়ে কাছে যাইনি দুইদিন। ভয়ে ভয়ে আম্মাকে জিজ্ঞেস করলাম, ঘটনা কী?
আম্মা বললেন, ফিরে এসে বাবা মিটিঙে যায় ঠিকই, কিন্তু সেখানে বেশিক্ষন থাকতে পারেন নি, কারন তার ডাক পড়ে ইমার্জেন্সিতে, তারপর শুরু হয় জমে মানুষে লড়াই একজন ডাক্তারকে নিয়ে। সেই হতভাগা ডাক্তারের নাম রতন। কী তার দোষ? সে মৈত্রী করত, আর এমন দিনে তাকে তারা একা পেয়েছে, আর বাগে পেয়ে আক্রমন করেছে। তাকে ক্যাম্পাসের বড় রাস্তার উপর আক্রমন করে শিবিরের কিছু নরঘাতক, তারপর তার সকল গিরা ধরে ধরে কাটতে থাকে তারা দা দিয়ে। তার হাত কাটা হয় কব্জিতে, কনুইয়ে, স্কন্ধে। দুই হাত কাটে তারা, তারপর শুরু করে পা, একজন জীবিত মানুষকে পশুর মত করে জবাই করে মারা এক জিনিষ, আর অত্যাচারের উদ্দেশ্য নিয়ে হাত পা কাটা আরেক জিনিষ। কাজেই পা কাটে এই নরপিশাচের প্রতিটি গিরা ধরে, অর্থাৎ গোড়ালী, হাটু, কোমর, সব আলাদা করে ফেলে। তারপরে তারা অপেক্ষা করতে থাকে, কতক্ষন তার দেহ নড়াচড়া করে, তা দেখার জন্যে। এক পর্যায়ে তার রক্তক্ষরনের কারনে মস্তিস্কে রক্তসরবরাহ কমে যায় বলে, তিনি জ্ঞান হারান। তারপর এই নরপিশাচেরা চলে যায় রাস্তার উপরে ডাঃ রতনকে ফেলে। এরপরে তাকে হাস্পাতালে নিয়ে আসা হয়, তার বাঁচার প্রশ্নই আসে না, তারপরেও যুদ্ধ চলতে থাকে, কিন্তু কিছুই করার ছিলনা কারো। ব্যাগের পর ব্যাগ রক্ত দেওয়া হতে থাকে, কিন্তু ততক্ষনে তার মস্তিস্কের কোষগুলো এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে যে কোন ভাবেই আর তাকে ফেরানো সম্ভব ছিলো না।
গ্যাদা কাল থেকে শুধু মানূষের মুখোশে শিবিরের দুর্নামই শুনে গেলাম, কারো কাছে ভালো কিছু শুনিনি এসব নরপিশাচদের নামে, এদের নামে কেউ ভালো কিছু বলতে পারলে জানিয়েন। কাজেই কেউ যদি এদের মানুষ বলে গন্য করতে চান, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে আমার প্রশ্ন জাগাটা কী খুব অস্বাভাবিক হবে? আর একটি অনুরোধ করে বিদায় নেই, সবসময় সচলে নিজের গল্প ফেঁদে সবার কানের পোকা বের করে ফেলার ব্যবস্থা করে ফেলেছি, কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে মনটা খুবই বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে যে না বলে পারছি না। কেউ যদি অজ্ঞানতার কারনে এমন ভ্রান্ত ধারনার বশবর্তী হন, তাদের এই সব ভ্রান্ত ধারনা দূর করার জন্যে আমাদের উচিত একটা তথ্য ভান্ডার বানানো এবং স্বাধীন বাংলায় করা শিবিরের সকল কুকর্মের ইতিহাস সেখানে জমা করে রাখা। কেউ যদি ভুল করেও শিবিরের পক্ষে কিছু বলে ফেলেন, তাকে আমরা সেই সব কুকীর্তির ইতিহাস দেখিয়ে দেব চোখে আঙ্গুল দিয়ে, যাতে ভুল পথে চলার কোন সুযোগ কেউ না পান। ছোট মুখে অনেক বড় বড় কথা বলে ফেললাম, সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুস্থ চিন্তা করুন। আজ এখানেই শেষ করছি
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
Click This Link
চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ ১২ জামায়াত শিবির কর্মী গ্রেফতার
জানু: ১৮,২০১০
০ সৈয়দ আবদুল ওয়াজেদ, চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামে অস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক ও জেহাদি বইসহ ১২ জন জামায়াত ও শিবির সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মধ্যরাত থেকে গতকাল সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে নগরীর আগ্রাবাদ মিস্ত্রিপাড়ার একটি ভবন থেকে এদের গ্রেফতার করে ডবলমুরিং থানা পুলিশ।
মিস্ত্রিপাড়ার হক ভিলা নামের চারতলা ভবনটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরিরের সদস্যরা অবস্থান করছে গোপন সূত্রে এই তথ্য পেয়ে ডবলমুরিং থানার সহকারি পুলিশ কমিশনার তানভির আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশ রাত ১২টা থেকে পুরো এলাকা ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে। পুরো ভবনটির অর্ধেকের তিনতলা ও চারতলার মালিক জামায়াত পৃষ্ঠপোষক এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের সাবেক ইসলামী ছাত্র সংঘ নেতা ডা. একরামুল হক (৬৪)। এবং একতলা ও দোতলার মালিক এডুকেশন এন্ড রিসার্স সেন্টার নামের একটি ট্রাস্টের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহ। ভবনটির বিভিন্ন তলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিবির সদস্যদের হোস্টেল ও মেস হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিলো। পুলিশ ভবনটির বিভিন্ন তলা থেকে ৪টি রিভলভার, ৩টি এলজি, ৩৭ রাউন্ড গুলি, ৯এমএ পিস্তলের ১৪ রাউন্ড গুলি, ১১ রাউন্ড কার্তুজের গুলি, ১২ রাউন্ড পয়েন্ট টুটু বোর আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি, শিবিরের সাংগঠনিক বই, জেহাদি বই এবং বিস্ফোরক হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে এরকম সন্দেহজনক পাউডার উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানার এসআই মাহবুবুল আলম মোল্লা বাদি হয়ে অস্ত্র আইনের ১৯-ক, ১৯(চ) ধারায় গতকাল মামলা করেছেন। অভিযানকালে পুলিশ হক ভিলা ভবনটির অর্ধেকের মালিক ছাত্র শিবিরের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি, বর্তমানে চট্টগ্রাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট এফেয়ার্স ডিরেক্টর এবং মহানগর জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহকে খুঁজে পায়নি। জানা গেছে, এই অভিযানের আগে ঐ ভবনে অবস্থানকারী ১০ জন ঢাকা অভিমুখে রওনা হয়ে যায়। অভিযানকালে পুলিশ হক ভিলার অর্ধেক অংশের মালিক জামায়াত পৃষ্ঠপোষক ডা. একরামুল হক ও তার পুত্র কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র গোলাম আজম আব্বাসীকেও (১৬) গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত বাকি ১০ শিবির সদস্য হলো একরামুল হক (১৯), মহিউদ্দিন (২০), সৈয়দ আল-আমিন মাহমুদ (২৪), মিজানুর রহমান (১৯), জহির উদ্দিন বাবর (২৩), লুৎফর রহমান (১৬), জাহেদ মুনতাসির (১৭), মো. রফিকুল হোসাইন (১৮), আরিফ হোসেন (১৭), মনজুর আলম (২০)।
হক ভিলা থেকে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও জেহাদি বইসহ জামায়াত ও শিবির সদস্যদের গ্রেফতার করে সকালে ডবলমুরিং থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাদেরকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
গতকাল বিকালে এই অভিযান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখার জন্য চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপপুলিশ কমিশনার (বন্দর) কুসুম দেওয়ান বলেন, মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া অভিযান সকালেও অব্যাহত রাখতে হয়েছে। অভিযানকালে ভবনটির দোতলার বাম অংশে এক বেসিনের নীচে কংক্রিটের কুঠুরিতে ৩টি অস্ত্র, ডান অংশে ছাদ সংলগ্ন স্টোররুমে রিভলভার, চারতলায় একাংশের বাসা থেকে ওয়াশিং মেশিনের ভেতর থেকে ১টি রিভলবার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা দেখিয়ে দিলে দু’টি অস্ত্র বাথরুমের ফ্ল্যাশের ভেতর থেকে বের করে আনা হয়। ভবনটির চারতলায় ডা. একরামুল হক সপরিবারে বসবাস করছিলেন। তিনতলাটি ডা. একরাম একটি পরিবারকে ভাড়া দিয়েছেন। দ্বিতীয়তলায় পুরোটা এবং একতলার অর্ধেকে শিবির সদস্যদের হোস্টেল বা কথিত মেস রয়েছে। একতলার অর্ধেক অংশে স্পাইন এলিমেন্টরি স্কুল নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকারী ডবলমুরিং থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার তানভির আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃতদের শীঘ্রই রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে আরো তথ্য জানা যাবে। তিনটি ফ্ল্যাটে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিবির সদস্য থাকার মতো ব্যবস্থা দেখা গেছে। অভিযানকালে কয়েকটি রিভলবার লোডেড অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর আগে টেলিফোনে এসি ডবলমুরিং জানান, হিজবুত তাহরির সদস্যরা হক ভিলায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করা হয়েছিল। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টারের (ইআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে হক ভিলার অর্ধেক অংশের মালিক আজম ওবায়দুল্লাহ গতকাল টেলিফোনে বলেন, ‘আমি এখন ঢাকায়। হক ভিলায় বসবাসকারী হোস্টেলের অনেক ছাত্র এখন শিবিরের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকায়। যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা সাজানো। আমি বিস্মিত হয়েছি। এক বছর আগে আমরা হক ভিলা কিনেছি। ভবনটির অর্ধেক মালিক ডা. মো. একরামুল হক, বাকি অর্ধেকের মালিক আমি। ঐ অর্ধেকে দরিদ্র ছাত্রদের লেখাপড়ার জন্য হোস্টেল এবং ইআরসি নামের ট্রাস্ট করেছি। আমি অনুরোধ করবো সংবাদ মাধ্যম যাতে সত্য ঘটনাটি প্রকাশ করে।
ছাত্রশিবিরের দাবি
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রামে শিবিরের আবাসিক ছাত্রাবাসে কোন অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে শিবির নেতারা এক সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন। পুলিশ নিজে শিবির কর্মীদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। অবিলম্বে গ্রেফতার করা ১০ শিবির কর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া না হলে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ছাত্রশিবির মহানগর দক্ষিণ শাখা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিবির নেতারা বলেন, ডবলমুরিং থানার এসআই মাহাবুব রাতে মিস্ত্রিপাড়ায় শিবিরের আবাসিক ছাত্রাবাসে অতর্কিত তল্লাশি চালায়। চারতলা বিশিষ্ট এই ভবনে দ্বিতীয়তলায় শিবির কর্মীরা থাকেন। প্রথম পর্যায়ে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে কোন অস্ত্র না পেয়ে ভবনের নিচে চলে আসে। পরে একটি ফোন পেয়ে পুলিশ আবার ভবনের মালিককে গিয়ে বলেন, আপনার বিল্ডিংয়ে দ্বিতীয়তলায় অস্ত্র পাওয়া গেছে। আপনাকে থানায় যেতে হবে। এ সময় পুলিশ শিবিরের ১০ জন কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ তাদের রাতভর শারীরিক নির্যাতন করে মিথ্যা স্বীকারোক্তি প্রদানে বাধ্য করে। অথচ সেখানে কোন অস্ত্র পাওয়া যায়নি। শিবিরের অগ্রযাত্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। গ্রেফতার করা শিবির কর্মীদের মুক্তি দেয়া না হলে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এতে উপস্থিত ছিলেন শিবিরের মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি আবদুল জব্বার, সেক্রেটারী দেলোয়ার হোসেন, সাবেক শিবির নেতা হাসান আলী।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















prothom alo, 13 Mar, 2011, Sara Desh