প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
তব ভুবনে তব ভবনে মোরে আরো আরো আরো দাও স্থান॥
রবীন্দ্রনাথের লেখা উপরের লাইগুলির কি আজ সত্যিই কোন গুরুত্ব নেই? নাকি সবই মেকি, রচণাসর্বশ্য, উদভট খেয়ালের আবরর্জনা হয়ে “গীতাঞ্জলি” নামক ডাস্টবিনে স্থান পেয়েছে!!
আমি সত্যি করেই খুব কনফিউজড! যখন বাইরের জগতের দিয়ে তকাই তখন দেখতে পাই খালি যৌন ক্ষুধায় অতৃপ্ত প্রাণগুলি ছুটে বেরাচ্ছে। তাদের কাছে মায়া, দয়া, প্রেম, ভালোবাসার কোন স্থান নেই। তারা সুধু “গিভ অ্যান্ড টেক পলিসি” জীবনের লক্ষ করে নিয়েছে। তুমি আমাকে উত্তেজিত করো, আমি তোমাকে সুখ দেব, ব্যাস! এই হল মূল মন্ত্র। আরে, সেক্স কি গাছে ধরে? নাকি নদীতে পাওয়া জায়? একটা মন যখন আরেকটা মনের কাছে আসার সময়টুকু পেলো না, সেখানে সেক্স কি করে হয়!! আমি প্রাণ চাই, আমি আমার ভালোবাসার তৃষ্না ভালোবাসাদিয়ে মেটাতে চাই! আমি তার ভুবনে আরো স্থান চাই, কিন্তু হৃদয়হীন সেক্স চাই না। এই সহজ সরল বাংলা ভাষাটি কেন যে বোঝেনা মানুষ!!
এইরকম যৌনতায় ঠাসা কলকাতা, দেখে আমি নিজেই তাজ্জোব হয়ে যাচ্ছি। কি ভীরে ঠাঁসা বাস, কি বাঁদুড় ঝোলা ট্রেন বা মেট্র কোথাও যৌনতার খাম্তি নেই! সোজা তাকানর বুকের পাঁটা নেই, আর আন্যদিকে আঁড়চোখে দেখতেও বাধা নেই। ভীর বাসে পিঠে শুঁরশুঁরি, পাশে বসলে বিকৃত অঙ্গভঙ্গি! এই হয়েছে এদের কাজ! এরা কাউকেই চাড়ে না, এদের কাছে ছেলে, মেয়ে সবই সমান। এটা কি শোভ্য কলকাতা? ধুর ছাই!! বিরক্তি ধরে গেছে, একেবারে। আরে, মেট্রর দজা খোলার আগেই, বুঁড়োভামেরা লাফাতে থাকে! যেন এখনি মেট্রর প্লাটফর্মেই ফুলসজ্যা করে ফেলবে!
চুপ করে বসে আছি টালিগঞ্জ মেট্রতে! এক বুঁড়োভাম আমাকে আনোবরত উত্তক্ত করেই চলেছে! “ভাই, কটা বাজে! ভাই, কোথায় যাবে! ভাই, তুমি কি করো! ভাই, আমার মোবাইলে সিগ্নলা নেই কেন! ভাই, একটা মিস্ডকল দিয়ে দেখবে নেটওয়ার্ক আছে কি না! ধুর মাথা!! আমি ওই বুড়োর ভাই হই???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



