আমার প্রিয় পোস্ট

নিরব যোদ্ধা।

কুয়াকাটা টিপস

৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

গ্রীস্মকাল ও শীতকালের মধ্যে কুয়াকাটার পার্থক্যঃ

শীতকালের আকাশে কুয়াশা থাকে যার দরুন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা থেকে পর্যটক বঞ্চিত হতে পারে। গ্রীস্মকালে কুয়াকাটা ভ্রমন করলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই উপভোগ করা যেতে পারে।

শীতকালে সাগর শান্ত থাকে যার ফলে সাগরের রূপ হতে বঞ্চিত হতে হয়। তখন শুধু গ্রামীণ পরিবেশ বিরাজ করে। গ্রীস্মকালে কুয়াকাটার সাগর খুবই উত্তাল থাকে, যা পর্যটকদের জন্য সময়টি খুবই উপভোগ্য হয়।

কুয়াকাটা ভ্রমনটি পূর্নিমা অথবা পূর্নিমার পরবর্তি সময়ে হওয়া উচিৎ, তাহলে পর্যটকরা জোস্না রাতটি ভালভাবে উপভোগ করতে পারে। কুয়াশার জন্য তা থেকেও পর্যটক বঞ্চিত হতে পারে। গ্রীস্মকালে তা ভালভাবেই উপভোগ করা যায়।

জানামতে এখন পর্যন্ত কেউ কুয়াকাটার সমুদ্রে গোছল করতে গিয়ে হারিয়ে যায়নি। শীতকালে সাগর শান্ত থাকার কারনে সেটি ঠিকমত উপভোগ করা যায় না। উত্তাল সাগরে গোছলের আনন্দই আলাদা, তা গ্রীস্মকালে সম্ভব।

শীতকালে ইলিশ মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ সম্ভব হয়না। গ্রীস্মকালে ইলিশ মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

শীতকালে শুটকি পল্লীতে শুটকি শুকানোর দৃশ্য চোখে পরবে গ্রীস্মকালে তা সম্ভব নয়।

শীতকালে ঝড় বৃষ্টির ঝামেলা কম থাকে গ্রীস্মকালে ঝড় বৃষ্টির ঝামেলা থেকে যায়।

শীতকালে সমুদ্র সৈকত ও সুন্দরবন উভয়ই দেখা সম্ভব গ্রীস্মকালেও সম্ভব তবে সাগর উত্তাল থাকার কারনে পর্যটক ভয় পেতে পারে।

 

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ৭৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২০
comment by: অরণ্য আনাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

আমি আদো কুয়াকাটা যাই নি। গেলে আপনার ট্রিপস গুলো কাজে লাগবে
২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
comment by: হুমায়ুন বলেছেন: কুয়াকাটা গেলে আসলেই মনটা ভাল লাগবে। ঘুরে আসুন ঈদের ছুটিতে....

Click This Link
৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
comment by: শিবলী বলেছেন: দইন্যা পাতা।
থাংকু
:)
৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮
comment by: চানাচুর বলেছেন: আমি কোন কুয়াকাটায়ই যাইনি।:(
৫. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: সৌম্য বলেছেন: কিছু এড করলাম,
১। কুয়াকাটায় পরিবেশ দুষন কক্সবাজারের মত মারাত্নক না, তাই পরিচ্ছন্ন এবং চোরাবালী বা এরকম বিপদ নেই (কেউ হারিয়ে যায়নি এই তথ্যটা ভুল, মাসখানেক আগে খুলনা ইউনিভার্সিটির কয়েকজন বেকুবের মত জোয়ারের টাইমে নামছিলো, পরে অবশ্য লাশ পাওয়া গেছে)
২। এখানে একই সাথে সুন্দরবনের একটা প্রান্ত আর সাগর দুটাই পাওয়া যায়।
৩। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সাগরে পুর্নীমার রিফ্লেকশন দেখলে বোঝা যায় বেচে থাকার সুখ।
৪। কুয়াকাটা মেইনবীচ থেকে সুর্যাস্ত দেখা গেলেও সুর্যদয় দেখতে গঙ্গামতির চর (বীচেরই এক্সটেন্ড পার্ট) থেকে সুর্যোদয় দেখা লাগে।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: আসিফ বলেছেন: ভাল পোস্ট

একটা পয়েন্ট মিস করছেন - শীতকালে অসহ্য গরম থাকে না।

আমার কুয়াকাটা, সুন্দরবন দুইটাই যাওয়ার ইচ্ছা - দেখি কোনদিন যাইতে পারি কিনা।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৮০