আমার প্রিয় পোস্ট

নিরব যোদ্ধা।

কুয়াকাটায় কিভাবে জাবেন, কোথায় খাবেন দাবেন

৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

যেভাবে যাবেন কুয়াকাটাঃ
রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি কুয়াকাটা যেতে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ৫/৬ টি গাড়ি প্রতিদিন বিকেলে ছেড়ে যায়। ইচ্ছে করলে ওই বাসের যে কোন একটিকে বেছে নিতে পারেন ও পরদিন প্রত্যুষে কুয়াকাটায় পৌঁছে যাবেন। তবে সেদিন আপনার ভাগ্যে সূর্যোদয় দেখা সম্ভব নাও হতে পারে।

নৌ রুটে বরিশালে আসার জন্য ঢাকা হতে বরিশাল, খুলনা রুটে চলাচলকারী বিআইডব্লিউটিসির জাহাজ পি.এস. মাহমুদ, অস্ট্রিচ, লেপচা, কিংবা শেলা ছাড়াও দ্বীপরাজ, সুন্দরবন ও সৈকতকে নিতে পারেন আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য। এছাড়া বরিশাল পর্যন্ত পৌঁছার জন্য রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল লঞ্চ। তারপর বরিশাল থেকে আরামদায়ক যাত্রার জন্য আপনি মাইক্রোবাস বেছে নিতে পারেন অথবা সেখান থেকে কুয়াকাটায় যাওয়ার জন্য রয়েছে বিআরটিসি ও বেসরকারি সংস্থার বাস।

এক্ষেত্রে আপনার পথ আরও ছোট করার একটা সুযোগ রয়েছে। আপনি লঞ্চযোগে পটুয়াখালী হয়েও বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বরিশালের চেয়ে ৩ ঘন্টা সময় সময় কম লাগবে। তবে সবচেয়ে আরামদায়ক ভ্রমণ করতে হলে আপনি সরাসরি গাবতলী দিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হওয়াটাই ভাল। সেক্ষেত্রে বাড়তি কোন ঝুট ঝামেলায় পড়তে হবে না। খুলনা ও পাবনা থেকেও প্রতিদিন বিআরটিসির বাস ছেড়ে আসে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে।

শীতকালে অল্প সময়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে কুয়াকাটা যেত পারেন, তা হচ্ছে- ঢাকা হতে মাওয়া হয়ে বরিশাল (সেক্ষেত্রে মাওয়া ফেরী স্পিডবোডে পার হতে হবে। অথবা ঢাকার নয়াবাজার থেকে এসি ও নন এসি দুধরণের বাসে ৪০ মিনিটে মাওয়া ঘাটে, সেখান থেকে স্পিট বোডে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে নদী পাড় হয়ে মাইক্রেবাস বা পাবলিক বাসে করে বরিশাল। বরিশাল হতে দপদবিয়া ঘাট, সেখান থেকে যে কোন বাসে আমতলী। আমতলী হতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে মোটর সাইকেলে কলাপাড়া। কলাপাড়া থেকে মটর সাইকেলে ১ ঘন্টায় কুয়াকাটা। এভাবে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা কম সময়ে আপনি কুয়াকাটা পৌছতে পারবেন। অথার্ৎ সময় ৭ ঘন্টা।

কোথায় থাকবেন ও খাবেনঃ
কুয়াকাটাতে ৩০-৪০ টি ব্যক্তি মালিকাধিন হোটেল, পর্যটন মটেল ও গেষ্ট হাউজ রয়েছে। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০ টি হোটেল থাকার জন্য বেশ মানসম্মত। এসব হোটেলগুলোর ভালমানের নিজস্ব রেষ্টুরেন্ট আছে। তবে যারা হোটেলে বাইরে কোন রেষ্টুরেন্টে খেতে চান তাহলে সেগুলো হলো- খাবার ঘর, হোটেল বরিশাল, হোটেল রাজধানী, হোটেল জয় উল্লেখযোগ্য। তবে আপনি ইচ্ছা করলে এসব হোটেলে আপনার পছন্দমত খাবার অর্ডার করলে তা তারা তৈরী করে দিতে পারবে।

 

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ১১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: হমপগ্র বলেছেন: শিরোনামে বানান ভুলের জন্য মাইনাস!
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: ভুলটা শুদ্ধ করে দেন।

২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: ড্রাকুলা বলেছেন: এইবার খুলনায় আসলে জানায়েন, একলগে কুয়াকাটা যাবো।:) +
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: ভাই এবার তো প্লান ছিল কটকা যাওয়ার,কিন্তু ছুটি কম কি হয় কে জানে।

৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
comment by: অরণ্য আনাম বলেছেন: ভাল লাগলো। যন্তে রেখে দিলাম।

তবে ভাড়ার ব্যাপারটা উল্লেখ করলে ভাল হতো। আমি ভাই অতি দরিদ্র... :(
৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: মামু বলেছেন: হুতেলের পুন নং কই?
৫. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
comment by: মেহবুবা বলেছেন: ভাল পোষ্ট ,ধন্যবাদ ।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৮৩