আমার প্রিয় পোস্ট

নিরব যোদ্ধা।

কুয়াকাটায় ইলিশ মাছ ধরা

৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

সাগরে ইলিশ মাছ ধরা
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ। সাগর থেকেই ইলিশ মাছ অন্যান্য নদীতে আসে। বর্ষার সময়টাই মাছ ধরার আসল মৌসুম। এ সময়ে জেলেরা সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরে। শুধু ইলিশ মাছই নয় অন্যান্য মাছও ধরা পরে প্রচুর। ওদের রোজগারের আদর্শ সময় বর্ষাকাল। জেলেদের মুখে হাসি ফুটে উঠে মাছ ধরার মধ্যে দিয়ে।

ট্রলারে ফাতরা বনে ভ্রমণ
ফাতরার বন কুয়াকাটা থেকে কাছেই। এই বনে যেতে হলে ট্রলারে সাগর পাড়ি দিয়ে শাখা নদীতে ঢুকে বনে যাওয়া যায়। বনটি সুন্দবনেরই লেজের একটি অংশ বিশেষ। এখানে সুন্দরী গাছ ছাড়াও হাজারও রকমের উদ্ভিদ আছে। বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ ছাড়াও রয়েছে বানর, শিয়াল, বাগদাস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রাণী। বনে প্রবেশ করলে মনে হয় সুন্দরবনে চলে এসেছি। তবে বেশি ভেতরে যাওয়াটা উচিৎ হবে না। শোনা যায় বেশ কিছু দাস বাঘের আনাগোনা রয়েছে ফাতরার চরে।
ফাতরার চরের চেয়েও সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য সময় যখন সাগরের বুক চিরে ট্রলারটি দৌড়াবে। মাঝ পথ দিয়ে চলার পথে হঠাৎ করে ৩০ ফুট উঁচু ঢেউ দেখলে হয়ত আঁতকে উঠবেন, মনে হবে ট্রলারের উপর ঢেউ আছড়ে পড়ছে। কিন' না, মাঝি এমনভাবে ঢেউ কাটিয়ে ট্রলার চালাবেন আপনি স্বচোখে ঢেউয়ের উচ্চতাই উপভোগ করতে পারবেন। ফাতরাচরকে আরও আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য সরকারী উদ্যেগে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ইকোপার্ক। এ পার্কে রয়েছে লেক, পাকা টয়লেট, সিমেন্ট দিয়ে তৈরী করা বসার সিট ও ফাতরারচরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে বেড়ানোর জন্য ইট দিয়ে সড়ক তৈরি করা হয়েছে। ট্রলার, নৌকা ও জাহাজ ভিড়ানোর জন্য দেয়া হয়েছে জেটি গ্যাংওয়ে। গড়ে তোলা হয়েছে ৫/৭ টি স্টল।

পিকনিক পার্টি ফাতরাচরে গিয়ে যাতে রান্না করে খেতে পারে তার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য বন বিভাগের ধার্যকৃত টাকা দিতে হবে। তা হচ্ছে ৫০০/- টাকা হতে ১০০০/- টাকার মধ্যে। ফাতরারচর যেতে হবে সবার ব্যক্তিগত উদ্যেগে এক্ষেত্রে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কোন যান নেই সাগরে।

 

 

  • ০ টি মন্তব্য
  • ৪৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১২৪৬৫