somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন মেয়েটিকে নষ্টা গালি শুনতে হয় বারবার !! (পর্ব-১)

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাকলি নামের লম্বা ৫ ফুট ফর্সা গায়ের রঙ্গের মেয়েটি ছোট বেলা থেকেই পড়াশুনায় অনেক ভালো। পঞ্চম শ্রেণীতে বৃত্তি এবং ক্লাস এইটেও বৃত্তি পায়। প্রথম সন্তান হওয়ায় বাবা মা’ও অনেক আশাবাদি তার উপর। তাই বাবা মা’র সিদ্ধান্ত তাকে অনেক পড়াশুনা করাবে, প্রয়োজনে বাবা তার গায়ের চামড়া বৃক্রি করবে, মা শরীরের রক্ত!

শুধু পড়াশুনা আর ভালো লাগছিল না কাকলির। বয়োসন্ধিকালে অন্যান্য মেয়েদের যেমন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রবল আকর্ষন সে লক্ষ্য করে ইদানিং তারও মনে এমন বাসনা জাগে। একজন ভালোবাসার মানুষকে জায়গা করে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাকলি। তখন এসএসসি পরীক্ষার্থী কাকলি, একজনের প্রেমে পড়ে। ছেলেট অনেক আগে থেকেই তাকে ফ্লাট করে আসছিল। দেখতে শুনতে ভালো, রাজি হয়ে যায় কাকলি।

আগের থেকে দিনগুলো তার এখন অনেক ভালো কাটছে। প্রাইভেটে পড়ার ফাকে একবার জিকুর বাইকে চড়ে কিছুটা ঘুরে ফুচকা কফি না খেলে তার বাসায় এসে কোন কিছু ভালো লাগে না। এদিকে পরীক্ষা গুলো ততটা ভালো হয় না কাকলির। পরীক্ষার ফলাফল আশার থেকে একটু খারাপ হওয়ায় বাবা-মা অখুশি। তবুও তাকে পরবর্তী পরীক্ষায় অর্থাৎ কলেজে ভালো কিছু করার কথা মনে করিয়ে দেয় তার বাবা-মা। মেয়ে এবার অনেক সিরিয়াস। বয়ফ্রেন্ডকে একটু ইগনোর করা শুরু করে দিলো কাকলি। বয়ফ্রেন্ড জিকু রেগে গিয়ে বন্ধুদের সাথে কাকলির নামে কুৎসা রটানো শুরু করে। পাড়াপড়শির লোকজনও শুনে ফেলে কাকলির পরীক্ষায় এ প্লাস না পাওয়ার কারন ছেলেদের বাইকের পিছনে ঘোরাফেরা করা।

কলেজে সায়েন্সে ভর্তি হয়েছে কাকলি। কথায় কথায় খোটা শুনতে হয় তার। অতীতে একটি ছেলেকে ভালোবাসার কারনে আজকে ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারে নাই, এমন বকা তাকে প্রায়শই শুনতে হয় মা’র কাছ থেকে।

ইদানিং কাকলি তার নিজের বাবা-মা’র কাছ থেকে মানসিকভারে অসহ্য যন্ত্রনার শিকার হচ্ছিল। (চলমান)
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২২
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পশ্চিমবঙ্গে মমতা দিদি নিশ্চিত জিতে যেতেন যদি..

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৪৯


আগামীকাল পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপ। গোটা রাজ্যে এখন যে উত্তাপ চলছে, সেটা এপ্রিলের গরমকেও হার মানাচ্ছে। এক দিকে মমতা ব্যানার্জি, তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী, টানা তৃতীয় মেয়াদের পর চতুর্থবারও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশি দৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও ভারতের হিন্দুরাষ্ট্র হয়ে ওঠার প্রচেষ্টা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৬


কাল থেকে দুই ধাপে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ভারতের কেন্দ্রীয় শাসনক্ষমতা ও মতাদর্শ দ্বারা যেমন প্রভাবিত, তেমনি এর প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশেও প্রতিফলিত হয়। ভারতে যখন হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৬

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:২৩



আমার নাম শাহেদ। শাহেদ জামাল।
আজ আপনাদের বলবো আমার জেল জীবনের কথা। জেলখানার খাবারের মান ভালো না। ফালতু খাবার। একদম ফালতু। এত ফালতু খাবার হয়তো আপনি জীবনে খান... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য প্লান (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫৪

ষাট বছরের মাজেদা গত দুই সপ্তাহ ধরে শুধু প্লান করেছে, সে তার একমাত্র নাতিটাকে দেখতে যাবে। মেয়ে-জামাই বাড়ি বলে কথা! খালি হাতে কি যাওয়া যায়? তার ওপর তার সাত বছরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

-প্রতিদিন একটি করে গল্প তৈরি হয়-৫০

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯



একটি সাইকেলের জন্য কন্যা অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছে। সে মাটির ব্যাংকে টাকা জমিয়েছে।


ক্লাস ওয়ানে উঠলে তাকে বাই সাইকেল কিনে দেবো বলেছিলাম।

তো একদিন গেলাম, দেখলাম কিন্তু কিনলাম না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×