বাংলাদেশ থেকে শান্তিতে দুজনের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। সে দুজন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা। পাবর্ত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য তাঁদের নোবেল পাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলম।
গতকাল মঙ্গলবার মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালকদের রিটের আদেশের পর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এই মত প্রকাশ করেন।
মাহ্বুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা নোবেল প্রাইজটাকে এত বড় করে দেখছেন কেন? বাংলাদেশে যদি শান্তির জন্য নোবেল প্রাইজ পেতে হয়, তাহলে আমি বলব, দুজনের পাওয়া উচিত ছিল—শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমার। কারণ একটি বিরাট এলাকা সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিল। যেখানে সেনাবাহিনী ছাড়া আমাদের যাওয়ার অবস্থা ছিল না। সেখানে আজ আমরা স্বাধীনভাবে বিচরণ করছি। শান্তি ফিরে এসেছে। এই শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য দুজন কাজ করেছেন, শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমা। তাঁরা নোবেল প্রাইজ পাননি বলে কি শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তাঁদের যে কাজ, তা কম হয়ে যাবে?’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহ্বুবে আলম বলেন, ‘নোবেল প্রাইজের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থাকা না-থাকার কোনো যোগাযোগ বা যোগসূত্র নেই। নোবেল সাইটেশনে কি তিনি (ইউনূস) গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সেটি উল্লেখ ছিল?’ অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ড. ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া হবে কি না, তা অনর্থক তর্ক। কারণ গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কাজ করা আর নোবেল পাওয়া সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


