somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টিন এজ মেয়েদের প্রায় নগ্ন হয়ে ফেসবুকে ছবি দেয়াটা কি আসলেই ‘কুল ফ্যাক্টর’?

২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টিন এজ মেয়েদের প্রায় নগ্ন হয়ে ফেসবুকে ছবি দেয়াটা কি আসলেই ‘কুল ফ্যাক্টর’?
সামাজিক মিডিয়া জরিপকারী একটা প্রতষ্ঠান বিফোর এর মতে ফেইসবুকে ফটোশেয়ারিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখা যায় টিন এজ মেয়েদের মধ্যে।আর সম্প্রতি তাদের মধ্যে একটা নতুন ক্রেজ শুরু হয়েছে। টিন এজ মেয়েরা প্রায় নগ্ন হয়ে ছবি তুলে সেগুলো পোস্ট করছে ফেসবুকে।

এমনকি বিষয়টা কখনও কখনও এতোদূর চলে যাচ্ছে যে তারা পুরো শরীরে কোনও কাপড়ই রাখছে না। শুধু একটা বিকিনি কিংবা মাথার টুপি দিয়ে যৌনাঙ্গটুকু ঢেকে ছবি তুলে সেগুলো পোস্ট করছে।আমাদের দেশের মেয়েরাও পিছিয়ে নেই।স্বল্প বসনা বা দেশীয় সংস্কৃতির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ড্রেস পড়ে তারা ছবি
আপলোড করছে অহরহ।বিশেষ করে হাই স্কুলের ছেলেমেয়েরা এই কাজে একে অপরকে উৎসাহিত করছে।আর এটাকে তারা অভিহিত করছে ”কুল” (cool) ফ্যাক্টর হিসেবে।কিন্তু সমাজবিজ্ঞানীরা এতে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

সমাজ বিজ্ঞানী ডঃওয়েইনার এর মতে,এতে করে তরুন তরুনীরা যে নিজেদের ভবিষ্যতে ঝুকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন তা নয়; এর ফলে শিশু পর্ণগ্রাফি বেড়ে যাচ্ছে।সমাজে পড়ছে বিরুপ প্রতিকৃয়া।এই সব সোস্যাল মিডিয়াতে অনেক বাজে মানুষ রয়েছে যারা তাদের এই উচ্ছ্বাসকে কাজে লাগিয়ে বিপথে নিয়ে যেতে পারে।
তবে সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টি হলো, এভাবে ছবি পোস্ট করা, আর ব্যক্তিগতভাবে কারো সাথে ছবি শেয়ার করা এক জিনিষ নয়।প্রাইভেসি সেটিং করা না থাকলে, কার কমিপউটার থেকে সেটা কোথায় চলে যাবে, সেটা চিন্তারও বাইরে।এই বয়সের অনেকের কাছেই মনে হতে পারে, এটা এক ধরনের মজা;বেশি মানুষের রেসপন্স পাওয়া তাদের কাছে একটা নেশার মত,কখনো প্রতিযোগিতা!কিন্তু এই ব্যাপারটিই যে ভয়াবহ সামাজিক বিশৃঙ্খলা বয়ে আনতে পারে এটা তাদের কল্পনাতেও থাকে না।

আসলে এই বয়সটাকে সেই আদিকাল থেকেই দেখা হচ্ছে একটা বিপদজনক সময় হিসেবে।আর আজ তার সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তি।আপনার টিন-এজ বাচ্চারা ফেসবুকে কী করছে, সেটা তাদের সাথে অবসর সময়ে খোলামেলা কথা বলে জেনে নিন।এতে লজ্জার কিছু নেই।অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে অনেক অবিভাবকের সোশ্যাল মিডিয়াগুলো নিয়ে জ্ঞানখুবি সীমিত।সম্ভব হলে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে জ্ঞান নিন অভিজ্ঞ কারো কাছে।এরপর তাদের সাথে আলোচনা করুন।তাদেরকে সঠিকপথে গাইড করার দায়িত্ব আপনারই।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:৫৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×