একজন ব্লগারের বক্তব্য, `নারীকে আপাদমস্তক আব্রুতে ঢাকার ইসলাম প্রদর্শিত যৌক্তিকতা হলো পুরুষের কামভাব জাগ্রত না হওয়া। এখানে নারীকে আব্রুর খাচায় পুরেই ক্ষান্ত হয়নি ইসলাম। একবার ভাবুন পুরুষকে কি দৃষ্টিতে দেখা হলো? পুরুষ মানে একটা যৌনসর্বস্ব জানোয়ার বিশেষ যে নারীর এমনটি একটি কেশাগ্র দেখলেও উত্থিত হয়ে পড়ে, তৎক্ষণাৎ ঝাপিয়ে পড়তে মন চায়। কোথায় প্রেম, কোথায় ভালবাসা। কেবল নারী দেখলেই সে কার্তিকের কুকুর হয়ে উঠে, মুখ দিয়ে অবিরল ঝরতে থাকে যৌনলালা। পুরুষের প্রতি ইসলামের এই দৃষ্টিভঙ্গিটি নিয়ে ভাবতে গেলে একজন পুরুষ হিসাবে আমি প্রচন্ড অপমানিত বোধ করি।' আমি জানিনা, এর কোন্ কথাটা কুরান বা হাদীসে আছে? তিনি যে সকল কথা বলেছেন এসব কথা কুরান-হাদীসে নেই। কিছু জিনিষ আমরা নিজেরা তৈরি করে ইসলামের নামে চালিয়ে দিতে চাই। আপনারনারীকে সম্মান করার জন্য ইসলাম তাগিদ দিয়েছে। পুরুষ এবং নারী উভয়কে কুরান বলেছে দৃষ্টিকে সংযত রাখতে। যৌন আকাঙ্খা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি, এটা দোষের নয়। কিন্তু সে আকাঙখাকে সংযত রাখাই মনুষ্যত্ব, যত্র-তত্র প্রয়োগ করা পশুত্ব। ইসলাম মানুষকে মানুষ হতে এবং পশুত্ব বর্জন করতে বলেছে।
নারীদের আপদমস্তক ঢাকার কথা যারা বলেন তারা বানিয়ে বানিয়ে এ সব বলেন। খলিফা ওমরের সময় মসজিদে নববীতে দাঁড়িয়ে মহিলারা তার সাথে কথা বলেছেন। ওমর মদীনার বাজার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব এক মহিলাকে দিয়েছিলেন। আমরা কি ওমরের চেয়ে ইসলাম বেশি জেনে ফেলেছি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


