আমার প্রিয় পোস্ট
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ) - আরিফ জেবতিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- সহজিয়া দর্শন - ২: হাসি ফোটাওনা কেন মন - জ্বিনের বাদশা
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
টয়লেটবধ অকাব্য
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪২
হাগা ব্যাপারটা ট্যাবু নয়, ট্যাবু হওয়া সম্ভবও নয়, কিন্তু হাগা নিয়ে খুল্লামখুল্লা আলাপ ভদ্র সমাজে অপাঙক্তেয়। তাই যারা খুব ভদ্র, পারলে না হাগেন, তাঁরা আর আগে বাড়বেন না। সামনে হাগা নিয়ে অনেক গুরু আলাপ আছে। বিদায়।
আর যারা পড়বেন, তাদের জন্যই তো আমার এই হাগাবিষয়ক পোস্ট।
হাগা বড়ই ব্যক্তিগত ক্রিয়া, কারো সাথে পারতপক্ষে শেয়ার করা যায় না। কেউ শেয়ার করতেও চায় না। প্রেমিক চায় না প্রেমিকার সাথে বসে দু'দন্ড হাগতে। হাগার সময় মানুষ খুঁজে পায় একেবারেই অন্য এক নিজেকে। শহুরে মানুষ চার দেয়ালে বন্দী হয়ে আনমনে হাগে, উপভোগ করে সংকীর্ণ পরিসরের নির্জনতায় বসে হাগার আনন্দ। গরীবের বাথরুম অনেক বড়, তারা হাগে চন্দ্রসূর্য সাক্ষী রেখে, কিন্তু হাগার আনন্দ তাতে মলিন হয় না।
মানুষ আজীবন হাগে। না হেগে তার বেশিক্ষণ চলে না। তবে হাগাচক্রটি এক এক জনের জন্য এক এক রকম। নানা ফ্যাক্টর একে প্রভাবিত করে। খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস, পেশা, লিঙ্গ, ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস হাগাচক্রের আকারআকৃতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যে অনির্বচনীয় অনুভূতি আমাদের হাগতে অনুপ্রাণিত করে, তার নাম দেয়া যেতে পারে হাগামোটিভ ফোর্স। সময়ের সাথে হাগামোটিভ ফোর্স বাড়ে নিচের সমীকরণ অনুসারে
HMF = A + Btn
গাণিতিক জ্ঞান সামান্য লাগবে এই সমীকরণের গুরুত্ব বুঝতে, তবে এখানে n হচ্ছে গিয়ে শ্রেণীবিভাগের জন্য নির্ধারিত ক্রম। এর মান কারো জন্য >0 কিন্তু 1। ক্রমভেদে কেউ কেউ দীর্ঘক্ষণ হাগামোটিভ ফোর্সকে পরাস্ত করে থাকতে পারে, কেউ অল্পতেই অস্থির হয়ে ওঠে একটু হেগে নিষ্কৃতি পাবার জন্যে। HMF একটা নির্দিষ্ট মানে পৌঁছুলে সুস্থ মানুষের পক্ষে আর দমন করে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাকে খুঁজে নিতে হয় নিজস্ব নির্জনতা।
সবারই একটা নিজস্ব হাগার ঘরানা আছে। তাল লয় ছন্দ হাগকী এক এক জনের এক এক রকম। কেউ গান গাইতে গাইতে হাগেন, যেমন আমি, সারাটা জীবন টয়লেটেই সঙ্গীত সাধনা করলাম। কেউ কেউ হাগার সময় তেমন একটা শব্দ করতে পারেন না, কারণ তাদের দাঁতে দাঁত পিষে একটা বড়সড় বায়াসিং চাপ যোগ করতে হয় হাগামোটিভ ফোর্সের সাথে, ঐ বাড়তি চাপটুকু না দিলে প্যাকেজ ডেলিভারির ব্যাপারটা আর হয়ে ওঠে না আর কি। কেউ আবার টুকটাক কাজ সারেন, খবরের কাগজ পড়া বা চা খাওয়া বা ফোনে জরুরি আলাপ।
ধূমপায়ীদের নাকি ধোঁয়া না টানলে হাগা হয় না। কাইনেটিক থিওরি অব গ্যাসেস পড়লে ব্যাপারটার একটু পদার্থবিজ্ঞানগত ভিত্তিও হয়তো পাওয়া যাবে। কেউ আবার ধোঁয়ার মতো ধোঁয়াটে ব্যাপার দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন না, নানারকম আরক সেবন করে থাকেন। হাগামোটিভ ফোর্স সবার জন্য ফ্রি নয়, কারো কারো জন্য বেশ খরুচে ব্যাপার।
আমার এক বন্ধু মাঝখানে মারাত্মক পেটব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলো। নানারকম রিপোর্ট দেখে ডাক্তারের মুখে আশঙ্কার কালো ছায়া দেখে ভয় পেয়েছিলো সে-ও। টিউমার? নাকি ক্যান্সার? ডাক্তার জানালেন, পেটে গু জমে একটা অবরুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঔষধ হলো দুই হালি কলা।
সেদিন এক নামজাদা টয়লেটে হাগলাম। আমার আগেও অনেক কীর্তিমান সেখানে হেগেছেন। তাদের কীর্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে টয়লেট কর্তৃপক্ষ কয়েক দফা ফরমান টাঙিয়ে রেখেছেন সেখানে। নানা বিধিনিষেধ, হাগতে গিয়ে পদে পদে হুমকির সম্মুখীন হতে হয়। শেষমেশ দেখা গেলো যে রাজ-আসনটিতে বসে হাগার কাজটি সারবো, তার সামনেই এক বিরাট বিধান পোস্টিত। এইচএমএফ তখন ট্রিগারিং পয়েন্ট টপকে গেছে, বসে পড়েছি সেই হটসীটে, প্রাথমিক ধকলটা কাটিয়ে ওঠার পর খুঁটিয়ে পড়ে দেখলাম সবকিছু। তারপর একটু নিশ্চিন্ত হলাম, যাক, হাগাবিধানের কোন ধারা লঙ্ঘন করিনি। আর্টিকেল ওয়ানেই দেখলাম বলা আছে কমোডের ওপর পা তুলে বসা নিষেধ। তখন বুঝলাম, এই কর্মটি কোন এক কামেল বান্দা আগে করেছেন। অনেকেই সেই অমোঘ আসনটি ছাড়া কর্ম সম্পাদন করতে পারেন না। হাগাশাস্ত্রে এটিকে মিশনারি পজিশন হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু সাহেবদের কল্যাণে নেটিভদর শিখে যাওয়া ডগি স্টাইলে আমি একেবারে অনভ্যস্ত নই, অনেক বছর তো হলো ওভাবেই হাগা সারছি, তাই নিশ্চিন্ত হয়ে কাজে মন দিই। পরবর্তী আর্টিকেলগুলিও নিষেধসূচক, অমুক করিবেন না তমুক করিবেন না, আরে বাবা এতো আইন মেনে হাগলে কি দেশটার এই হাল হয়? তবে কাজ সেরে দেখলাম যে মোটামুটি আইনের সীমানার এপারে থেকেই গোটা ঘটনাটি ঘটাতে পেরেছি। টার্গেট মিস করিনি কোনভাবেই, অপাত্রে বর্ষণ করিনি কিছু, দলিল দস্তাবেজও বেশ দক্ষভাবেই ডিল করেছি, বন্দুকও লোকে ওভাবে পরিস্কার করে উঠতে পারেনা অনেক সময়, ফ্লাশ করার আদেশটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে উঠে দাঁড়িয়ে আবার স্খলিত প্যান্টটিকে স্বস্থানে এঁটে নিতে নিতে দেখলাম, নাহ, আমার পর যিনি এই ক্রিয়ায় নিজেকে ব্যস্ত করবেন, তাঁর ক্রোধের কারণ হবো না আমি। দিব্যি ছিমছাম হাসছে কমোডটা। খুব ভালো লাগে এমন হাগা সারতে পেরে। মনে হয়, জীবনে একটা কিছু করা হলো। অ্যানাদার ফিদার ইন মাই ক্যাপ।
তবে সবাই আমার মত ফিলানথ্রপিস্ট হাগারু নয়। কেউ কেউ থাকেন শুধু নিজকে নিয়ে, নিজের মতো নিজের কাজ সেরে নিজের খেয়ালে বেরিয়ে পড়েন, তাঁর লীলার মঞ্চটি যে উল্কাপাতের কেন্দ্রস্থলের মতো বিধ্বস্ত হয়ে পেছনে পড়ে থাকে, সে ব্যাপারে তার কোন ইয়েই নেই। এরা জাতির শত্রু। এদের চিহ্নিত করে চাবকে মারা দরকার। দেশের বাইরে গিয়ে একবার এক বজ্জাত ফরাসীর প্রতিবেশী হতে হয়েছিলো, শুয়োরের বাচ্চা, রোজ টয়লেট ময়লা করে রাখতো। শেষমেশ একদিন তিন ক্রুগ বিয়ার খাওয়ার পর একটা জেহাদী জোশ এসে যাবার পর ওর কলার ধরে বললাম, আর কোনদিন যদি ক্লো ময়লা করেছিস তো পেঁদিয়ে খাল তুলে নেবো, ব্যাটা মাতাল! স্বদেশে সবাই রাজা, কাকে ফেলে কার কলার ধরি। আরো ঝামেলা হয় যখন এক ফুল দো মালি বা তিন মালি এসে হাজির হয়। সবারই এক এজেন্ডা, তখন একটা ক্ষীণ ডিলেমা হয়। শরাফত আগে না তহবন আগে। ভদ্রতা করতেও ভরসা হয় না, যদি প্রতিপক্ষ প্রতিভদ্রতা না করে! লোকে তৃষ্ণার্ত শত্রুকেও অকাতরে নিজের মশক থেকে শেষ ফোঁটাটা খাইয়েছে, কিন্তু এইচএমএফ ঘন্টি বাজানোর পর কাউকে কমোড ছেড়ে দিয়েছে এমন দেখিনি নিজের চোখে। এক জিগরি দোস্তকে একদিন জোরজবরদস্তি করে বঞ্চিত করলাম, যা ব্যাটা, আমি তোরচেয়ে ভালো হাগি, তুই পরে আয়।
তবে পৃথিবীতে কিছু সুখী হাগারু রয়েছেন। এঁদের রীতিমতো ঈর্ষা করে চলি। কয়েকজনের সাথে রীতিমতো পীড়াপিড়ি করেছি, বলেন ভাই, রহস্যটা কী? তাঁরা সবাই মুচকি মুচকি হাসেন শুধু। খোলাসা করে বলি, এঁরা যখন খুশি যেখানে খুশি হেগে আসতে পারেন। যেখানে আমি বদনা-সাবান বা টয়লেট পেপারের চিন্তায় দিশেহারা, সেখানে তাঁরা নিষ্কম্পচিত্তে কাজে বসে পড়েন, আর এঁদের বসা মানে কাজ ফুরিয়ে নটে গাছ মুড়িয়ে ওঠা। একজন শুধু অস্পষ্টভাবে বলেছিলেন, দামী মোজা কিনবেন না কখনো, আঁ, মোজা কিনবেন খুব সস্তা।
[লেখাটা পরে বাড়াবো কমাবো। আপাতত পড়েন আর কি।]
অতিথি বলেছেন:
পুরা গেছেরের মাথা তোর দোস্ত হিমু। ..............খালি পায়ে হাটা শুরু করছস। হাগচ কই আজকাল ...সেই চিপায় না মুক্ত রাস্তায়
আলী বলেছেন:
ওস্তাদ পদজুগল কই?
অতিথি বলেছেন:
মানুষের কি হাগাও বারণ?
অতিথি বলেছেন:
হিমু , চমৎকার লাগল ! সালাম নিবেন !
সুর বাংলা বলেছেন:
100000000000000000000/1
সুর বাংলা বলেছেন:
হাগারু হিসেবে
অতিথি বলেছেন:
অতিথি বলেছেন:
Very nice writting ever in forum. I will be happy to see more details on Kinetic Theory on Gas & some effects of Catalyst.I am very poor in Bengali typing, my apology.
হিমু বলেছেন:
কেমিকেল প্রসঙ্গে কেমিকেল আলী ভাই খুব আগ্রহী। স্বাভাবিক। তবে আমাদের ব্লগারু আলীর মতো আল্লার ওয়াস্তে মুষলধারে কেমিকেল সংবাদ পোস্ট করবেন না, মেহেরবানি।সবাইকে ধন্যবাদ। হাগা নিয়ে একটা অবদমিত আগ্রহ সবারই ছিলো, আজ সেই রুদ্ধ আগল ছিন্ন হলো দারুণ ইয়ের বেগে ... নিজেকে ইউনুস ইউনুস লাগছে ... এই জাতি পিছিয়ে থাকতে পারে না ... প্রভৃতি ...
অতিথি বলেছেন:
যায়যায়দিনের এক লেখায় পড়ছিলাম হাগার আনন্দের সাথে একমাত্র যৌনান্দের তুলনা করা যায়।আপনাদের কি মত?আমি জানি না কারণ আমার এখনো দ্্বিতীয়টা হয় নাই।
অতিথি বলেছেন:
তোর হয়না-কতোদিন?
হিমু বলেছেন:
রেগুলার হয়। সেশন জট হতে দেই না।
অতিথি বলেছেন:
ya brother, I did not post a thing yet, but u said that not to do that. You are right because this is the place where all of the "ATEL" gather. Some of the poeple are still trying to get them rid off from their ATLAMI. Dont try to give me advise, I am good enough myself with my knowledge. I'm happy with myself.
মাহবুবুর বলেছেন:
হা হা ... ধুন্দুমার লিখছেন ... আস্ত হাগা কাহিনী।
অতিথি বলেছেন:
এইচ.এম.এফ. এর অপটিমাম ভ্যালুর উপরে থাকা অবস্থায় স্ট্রেস রিলিজ এর মজা পাইলাম লেখাটা পড়ে। লেখাটা দারুন হইছে।
একজন পুরুষ বলেছেন:
আমার এক বন্ধু কইছিলো -কোন মাইয়ারে ভুলতে চাইলে তার প্যানে (কমোডে না) বইস্যা তার হাগার দৃশ্য কল্পনা করিস - মগজ থেইক্যা সেই মাইয়্যা চো দৌড়।
হিমু বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
ভালো লিখেছিস!
অতিথি বলেছেন:
হাহা.....ক্লাসিক
নাগরিক কবিয়াল বলেছেন:
বাঙ্গালীর একমাত্র দুর্বলতা যে বদনা, এ কথাটা উল্লেখ করতে বিশিষ্ট হাগাবিদ জনাব হিমু ভুলে গেছেন। অবিলম্বে তথ্যটি যুক্ত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।
অনিক বলেছেন:
লেখাটা পড়ার আগেই হাগা ধরছিল।হাগতে যামু যামু কইরাও গেলাম না। চিন্তা কইরা দেখলাম পেটে গু থাকলে জিলাপীর মত প্যাঁচ মারন যায়। তাই হাগার নতুন কায়দা কানুন শেখার লাইগা লেখাটা পড়তে বইলাম। ব্যাস আর কই যায়। হাগা বন্ধ! কই যে গেল হাগা অহন হাগন খুঁইজা পাইনা। কোত মাইরাও কাম হয় না। নাড়ি বাইর হয়া আইতে চায় মাগার হাগা আহে না।অহন যাইতাছি ব্রুকল্যাক্স নাইলে লারগাটিল কিনতে। দেহি কাম হয় কিনা!
অতিথি বলেছেন:
হলুদ হয়েছে...........
অতিথি বলেছেন:
ওয়াক্.....নাকে গন্ধ লাগে
নীলঅপরাজিতা বলেছেন:
অসহ্য
ঝরা পাতা বলেছেন:
গোপালভাঁড়ের সেই ত্যাগের মত শান্তির কথা মনে করিয়ে দিলো। ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ- এই সত্য উপলব্ধি করা যায় একমাত্র টয়লেট থেকে বেগ মুক্ত হয়ে বেরুলে।
হিমু বলেছেন:
এ কি মিয়াভাই? আপনি দেখি আমার পোস্ট পড়ে দারুণ উদ্্বেলিত হয়ে পড়েছেন? হাগাই কি জীবনের সব? মনে তো হচ্ছে, আপনি হাগাকে ছাড়তে পারলেও হাগা আপনাকে ছাড়ছে না! হাগা নিয়ে আর না ভাই। আর লিখলেও আমার পোস্টে বিজ্ঞাপন দেবেন না। ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
আমার হাগা করতে খুব ভাল লাগে। আমি প্রতিদিন 3 বার করে হাগি।
অতিথি বলেছেন:
হিমু ভাই: আপনার কথা দিয়েই বলি - "না হেগে মানুষের বেশিক্ষন চলে না"।কাজেই এটাকে ছাড়ব কিভাবে! জৈবিক প্রয়োজনেই এটাকে কেউই ছাড়তে পারব না।
আর আমার তো আবার পেশাটাও ওটা ঘেষা! ছাড়ার প্রশ্নই উঠে না।
আর বিজ্ঞাপন দিব না - আগের বারের জন্য ক্ষমা করে দিয়েন। তবে আপনার লেখাগুলা দারুন লাগে।



















যেজন্য মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে সেসব থেকে আপনারা কত দূরে সরে গেছেন।
আল্লাহ পাক আপনাকে শয়তানের ধোঁকা থেকে রক্ষা করুন।