ইউনুসবন্দনা করি সবেঃ এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:১৪
( উৎসর্গ সেসব শহীদদের যারা এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার কবলে পড়ে মৃতু্যবরন করেছেন, ঋন ফেরারী হয়েছেন, এবং যারা এই ক্রমিক ধারাবাহিক মৃতু্যর জন্য অপেক্ষা করছেন, এবং যারা স্বচ্ছলতার লোভে আবার শ্রমদাসত্বের কবলে পড়েছেন, সেসব বীর সেনানিদের)
মানবিকতার কথা বলে গলার রগ ছিড়ে ফেলা মানুষগুলোও ইশ্বর পেলে মানবিকতা ভুলে যায়-ঈউনুসের নোবেল প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এই বুঝলাম আমি। ইউনুস নোবেল পেয়েছে, খুবই ভালো খবর, তার এই মাইক্রোক্রেডিটের আইডিয়াটাও পুরোনো, এভাবে গরীবের ভাগ্যউন্নয়ন সম্ভব এমন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়েও সমাজ গিয়েছে, অর্থনীতি এই পরীক্ষন এর আগেও চালিয়েছে। সাফল্য কতটুকু এসেছিলো জানি না, তবে বেশ কয়েকজন এই নিরীক্ষন বন্ধ করেছে একটা পর্যায়ে।
অর্থনীতি এমন একটা বিজ্ঞান যেখানে গিনিপিগ মানুষ ও সমাজ, ইউনুসের এই আইডিয়া প্রয়োগের আগে থেকেই মানুষ গিনিপিগ, অর্থনৈতিক ব্যাবস্থার গিনিপিগ, যে কোনো অর্থনৈতিক ব্যাবস্থাই মানুষের দৈনন্দিনতাকে ঘিরেই বেড়ে উঠে। তবে সব অর্থনৈতিক ব্যাবস্থার সমালোচনা করা যায়, এর ত্রুটি বিচু্যতি প্রকাশ করা যায়, এর প্রায়োগিক দিক নিয়েও প্রশ্ন চলতে পারে, এ নিরীক্ষা সার্বক্ষনিক। ব্যাক্তিবিযুক্ত আলোচনা সম্ভব না এই মডেলের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে, যেখানে এই অর্থনৈতিক মডেলের আহবায়ক, পরিচালক, প্রতিষ্ঠাতা ইউনুস, তাই তার প্রায়োগিক অর্থনীতির সমস্যা-দোষ আলোচিত হলে সেখানে ইউনুসও থাকবে।
পুঁজিবাদের কোনো একক নির্মাতা নেই,কার্ল মার্কস সাহেবের সমাজতন্ত্র নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বেশির ভাগ বিতর্কই শেষ পর্যন্ত প্রায়োগিক জায়গাটাকে ঘিরে চলে। চীনের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা নিয়ে লোক জন আলোচনা করছে, করছে রাশিয়ার ব্যাবস্থা ও এর সংস্কার নিয়ে, এসব আলোচনা করলে কেউ যদি ভাবে ইশ্বরঅবমাননা হইতেছে তাহলে তাদের বামহস্তের হস্তমৌথুনজাতিয় ভাবনাকে আসলে ফ্লাশ করে ফেলে দেওয়া দরকার।
এক দল মানুষের ধারাবাহিক মৃতু্য, একদল মানুষের ধারাবাহিক নিঃস্ব হওয়া এবং আত্মহত্যার বিষয়টা যদি এমন কোনো মানবিকতাসম্পন্ন মানুষকে স্পর্শ না করে তাহলে তার মানবিকতার বিচারটা ফেলে দিয়ে হাতে জপমালা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়া দরকার।
ইউনুস নোবেল পাওয়ার এখন ব্লগপাতা জুড়ে ইউনুসের আলোচনা হচ্ছে, রমজান এসেছিলো, সবাই রমজান, রামাদান, রামাডান নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে, এটাই তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, মানুষের ভাবনা এভাবেই চলে, ইউনুসের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে দোষ খুঁজে পাওয়াটা পরচর্চার নাম দিয়ে যেসব মানবতাবাদী মানুষের মৃতু্যকে অস্ব ীকার করে যাচ্ছে তাদের জন্য সামান্য করূনা অনুভব করছি, অনুভব করছি আসলে সবাই মনে মনে উপাস্যই চায়, ওটা মিলে গেলে সবাই মুক্তকচ্ছ হয়েই উপাসনা করে, মানবিকতার জায়গাটা তখন কোথায় গিয়ে পড়লো তা ভাবে না।
আমি এর পরও আশায় আশায় থাকি, এই নিরীক্ষার ফলে যেসব মানুষ 25000 টাকার বাসায় থেকে, 5000 টাকা সঞ্চয় রেখে বছরে 10000 টাকা ঋণ শোধ করে, সেসব মানুষকে দারিদ্্ররেখা অতিক্রান্ত ভেবে রাতের বালিশ ভিজিয়ে ফেলা অন্ধত্ব একদিন কাটবে। একদিন মানুষ বুঝবে, 5000 টাকা সঞ্চয়ের বিপরীতে 10 হাজার টাকা বাৎসরিক ঋণের বোঝা টেনে বেড়ানো আসলে কার্যকর কোনো উন্নয়ন না, এটা কলুর বলদের জোয়াল। এটা শ্রমদাসত্ব, এটা ভুমিদাসত্ব, অভাবের শৃংখল থেকে মুক্ত হতে চেয়ে দাসখত লিখে দেওয়া।
মাইক্রোক্রেডিট ব্যাবস্থার প্রধান ত্রুটি চিহি্নত হয়েছিলো এর অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা, এই ঋন নির্ভরতা থেকে স্বাবলম্বি হয়ে উঠার পথটা কিংবা দারিদ্্র সীমারেখার উত্তরনের পথটা চিহি্নত হওয়া উচিত ছিলো, তাদের মাসিক উপার্জন, আর ঋন মুক্ততার হিসাব দেখে, এই বাৎসরিক 10000 টাকা শোধা 46% গিনিপিগ কবে ঋণ মুক্ত হবে এর কোনো সময়সীমা দেয় নাই আমাদের ইউনুস সাহেব, আমাদের মানবতাবাদী নতুন ইশ্বর বাংলাদেশের।
আমাদের ইশ্বর খুঁজে পাগল হয়ে ঘুরে বেড়ানো মানবিক মানুষদের ত্রাতা হয়ে এসেছেন শান্তির নোবেল বগলে নিয়ে। যারা ইশ্বরের সমালোচনা পছন্দ করেন না, যারা ইশ্বরনিযুক্ততাকে মৌলবাদিতা চিহি্নত করে একই মৌলবাদিতার চর্চা করে যায়, আমরা আনন্দিত হই, আমরা গর্বিত হই, আমরা সমালোচনা বাদ দেই , আসলেই শান্তিতে নোবেলটা পেয়ে আমাদের নবনিযুক্ত ইশ্বর এবং তার প্রতিষ্ঠানের জন্য যেই কয়জন মানুষ মরেছে এবং মরবে ভবিষ্যতে তারা সবাই ইশ্বরের রাস্তায় শহীদ, তারা জেহাদ করতে করতে মরে গেলো, তাদের সরাসরি বেহেশত নসীব করা হবে, এই বেহেশত তৈরি করবেন আমাদের নতুন ইশ্বর ইউনুস।
আমরা তার নামে জয়ধ্বনি দেই, আমরা মুক্তকচ্ছ হয়ে বন্দনা করি তার। আমাদের নোবেল প্রাপ্ত মানুষটির ভুল হলেও আমরা সেটাকে ইশ্বরোচিত ভুল ভাববো, খামখেয়ালিপনা ভেবে ভুলে যাবো, আমাদের যেসব কাফের বান্দা এখনও নবনিযুক্ত ইশ্বরের বিপরীতে লিখছে, যেমন আমি, তাদের অচিরেই জেল জরিমানা ফাঁসি এবং পাথর ছুড়ে হত্যার বিধান দেওয়া হোক। আমরা দেখি জাতিয়তাবাদী অন্ধত্ব কতটা মৌলবাদী চরিত্র বের করে আনতে পারে আমাদের তথাকথিত মানবিক মানুষদের ভেতর থেকে। কতটা অমানবিক করে ফেলতে পারে আমাদের মানবিক মানুষদের জাতিয়তাবোধ দেখা যাক।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
রাসেল এ লেখাটাকে সার্চ ইঞ্জিনের সুবিধা দেয়ার সুযোগ দিন। ইউনুস লিখে যারা সার্চ করবে তারা এটা পেয়ে যাবে। আমি নিচে এটাকে ইউনিকোডে কনভার্ট করে দিয়েছি। জাস্ট কাটপেস্ট করুন। প্লিজ।
অতিথি বলেছেন:
ইউনুসবন্দনা করি সবে: এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে।( উৎসর্গ সেসব শহীদদের যারা এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার কবলে পড়ে মৃত্যুবরন করেছেন, ঋন ফেরারী হয়েছেন, এবং যারা এই ক্রমিক ধারাবাহিক মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন, এবং যারা স্বচ্ছলতার লোভে আবার শ্রমদাসত্বের কবলে পড়েছেন, সেসব বীর সেনানিদের)
মানবিকতার কথা বলে গলার রগ ছিড়ে ফেলা মানুষগুলোও ইশ্বর পেলে মানবিকতা ভুলে যায়-ঈউনুসের নোবেল প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এই বুঝলাম আমি। ইউনুস নোবেল পেয়েছে, খুবই ভালো খবর, তার এই মাইক্রোক্রেডিটের আইডিয়াটাও পুরোনো, এভাবে গরীবের ভাগ্যউন্নয়ন সম্ভব এমন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়েও সমাজ গিয়েছে, অর্থনীতি এই পরীক্ষন এর আগেও চালিয়েছে।
অর্থনীতি এমন একটা বিজ্ঞান যেখানে গিনিপিগ মানুষ ও সমাজ, ইউনুসের এই আইডিয়া প্রয়োগের আগে থেকেই মানুষ গিনিপিগ, অর্থনৈতিক ব্যাবস্খার গিনিপিগ, যে কোনো অর্থনৈতিক ব্যাবস্খাই মানুষের দৈনন্দিনতাকে ঘিরেই বেড়ে উঠে। তবে সব অর্থনৈতিক ব্যাবস্খার সমালোচনা করা যায়, এর ত্রুটি বিচ্যুতি প্রকাশ করা যায়, এর প্রায়োগিক দিক নিয়েও প্রশ্ন চলতে পারে, নিরীক্ষা সার্বক্ষনিক, ব্যাক্তিবিযুক্ত আলোচনা সম্ভব না এই মডেলের ক্ষেত্রে, যেখানে এই অর্থনৈতিক মডেলের আহবায়ক, পরিচালক, প্রতিষ্ঠাতা ইউনুস, তাই তার প্রায়োগিক অর্থনীতির সমস্যা-দোষ আলোচিত হলে সেখানে ইউনুসও থাকবে।
পুঁজিবাদের কোনো একক নির্মাতা নেই,কার্ল মার্কস সাহেবের সমাজতন্ত্র নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বেশির ভাগ বিতর্কই শেষ পর্যন্ত প্রায়োগিক জায়গাটাকে ঘিরে চলে। চীনের অর্থনৈতিক ব্যাবস্খা নিয়ে লোক জন আলোচনা করছে, করছে রাশিয়ার ব্যাবস্খা ও এর সংস্কার নিয়ে, এসব আলোচনা করলে কেউ যদি ভাবে ইশ্বরঅবমাননা হইতেছে তাহলে তাদের বামহস্তের হস্তমৌথুনজাতিয় ভাবনাকে আসলে ফ্লাশ করে ফেলে দেওয়া দরকার।
এক দল মানুষের ধারাবাহিক মৃত্যু, একদল মানুষের ধারাবাহিক নি:স হওয়া এবং আত্মহত্যার বিষয়টা যদি এমন কোনো মানবিকতাসম্পন্ন মানুষকে স্পর্শ না করে তাহলে তার মানবিকতার বিচারটা ফেলে দিয়ে হাতে জপমালা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়া দরকার। ইউনুস নোবেল পাওয়ার এখন ব্লগপাতা জুরে ইউনুসের আলোচনা হচ্ছে, রমজান এসেছিলো, সবাই রমজান, রামাদান, রামাডান নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে, এটাই তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, মানুষের ভাবনা এভাবেই চলে, ইউনুসের অর্থনৈতইক কাঠামোর মধ্যে দোষ খুঁজে পাওয়াটা পরচর্চার নাম দিয়ে যেসব মানবতাবাদী মানুষের মৃত্যুকে অস্ব ীকার করে যাচ্ছে তাদের জন্য সামান্য করূনা অনুভব করছি, অনুভব করছি আসলে সবাই মনে মনে উপাস্যই চায়, ওটা মিলে গেলে যুতপত পেলে সবাই মুক্তকচ্ছ হয়েই উপাসনা করে, মানবিকতার জায়গাটা তখন কোথায় গিয়ে পড়লো তা ভাবে না।
আমি এর পরও আশায় আশায় থাকি, এই নিরীক্ষার ফলে যেসব মানুষ ২৫০০০ টাকার বাসায় থেকে, ৫০০০ টাকা সঞ্চয় রেখে বছরে ১০০০০ টাকা ঋণ শোধ করে সেসব মানুষকে দারিদ্্ররেখা অতিক্রান্ত হয়েছে ভেবে রাতের বালিশ ভিজিয়ে ফেলা অন্ধত্ব একদিক কাটবে। একদিন মানুষ বুঝবে, ৫০০০ টাকা সঞ্চয়ের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা বাৎসরিক ঋণের বোঝা টেনে বেড়ানো আসলে কার্যকর কোনো উন্নয়ন না, এটা কলুর বলদের জোয়াল। এটা শ্রমদাসত্ব, এটা ভুমিদাসত্ব, অভাবের শৃংখল থেকে মুক্ত হতে চেয়ে দাসখত লিখে দেওয়া।
মাইক্রোক্রেডিট ব্যাবস্খার প্রধান ত্রুটি চিহ্ণিত হয়েছিলো এর অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা, এই ঋন নির্ভরতা থেকে স্বাবলম্বি হয়ে উঠার পথটা কিংবা দারিদ্্র সীমারেখার উত্তরনের পথটা চিহ্ণিত হওয়া উচিত ছিলো, তাদের মাসিক উপার্জন, আর ঋন মুক্ততার হিসাব দেখে, এই বাৎসরিক ১০০০০ টাকা শোধা ৪৬% গিনিপিগ কবে ঋণ মুক্ত হবে এর কোনো সময়সীমা দেয় নাই আমাদের ইউনুস সাহেব, আমাদের মানবতাবাদী নতুন ইশ্বর বাংলাদেশের। আমাদের ইশ্বর খুঁজে পাগল হয়ে ঘুরে বেড়ানো মানবিক মানুষদের ত্রাতা হয়ে এসেছেন শান্তির নোবেল বগলে নিয়ে। যারা ইশ্বরের সমালোচনা পছন্দ করেন না, যারা ইশ্বরনিযুক্ততাকে মৌলবাদিতা চিহ্ণিত করে একই মৌলবাদিতার চর্চা করে যায়,
আমরা আনন্দিত হই, আমরা গর্বিত হই, আমরা সমালোচনা বাদ দেই , আসলেই শান্তিতে নোবেলটা পেয়ে আমাদের নবনিযুক্ত ইশ্বর এবং তার প্রতিষ্ঠানের জন্য যেই কয়জন মানুষ মরেছে এবং মরবে ভবিষ্যতে তারা সবাই ইশ্বরের রাস্তায় শহীদ, তারা জেহাদ করতে করতে মরে গেলো, তাদের সরাসরি বেহেশত নসীব করা হবে, এই বেহেশত তৈরি করবেন আমাদের নতুন ইশ্বর ইউনুস।
আমরা তার নামে জয়ধ্বনি দেই, আমরা মুক্তকচ্ছ হয়ে বন্দনা করি তার। আমাদের নোবেল প্রাপ্ত মানুষটির ভুল হলেও আমরা সেটাকে ইশ্বরোচিত ভুল ভাববো, খামখেয়ালিপনা ভেবে ভুলে যাবো, আমাদের যেসব কাফের বান্দা এখনও নবনিযুক্ত ইশ্বরের বিপরীতে লিখছে, যেমন আমি, তাদের অচিরেই জেল জরিমানা ফাঁসি এবং পাথর ছুড়ে হত্যার বিধান দেওয়া হোক। আমরা দেখি জাতিয়তাবাদী অন্ধত্ব কতটা মৌলবাদী চরিত্র বের করে আনতে পারে আমাদের তথাকথিত মানবিক মানুষদের ভেতর থেকে।
অতিথি বলেছেন:
জাতীয় চেতনা আর জাতীয়তাবাদকে গুলিয়ে ফেললে তো মুশকিল ।উ হুঁ । এই সব ঈশ্বরদের নিয়ে সমালোচনা করা যাবেনা । সমালোচনার টু দা পয়েন্ট জবাবের বদলে ব্যক্তিগত প্রোফাইল সার্চ হবে । তুমি শালা নিজে কতোটুকু ভন্ড, বিদেশে এসে টাকা কামাও , ফরেন টিসু্য পেপারে পুরিষ পরিস্কার করো .... অতএব নো ওয়ে তোমার কোনো অধিকার নেই , ভন্ডদের ইশ্বরকে নিয়ে সমালোচনা করার !
দুলাভাই বলেছেন:
রাসেল ইউ আর রাইট। থ্যাঙ্কস।
অতিথি বলেছেন:
মোরশেদ ভাই আমি আশ্চর্য হয়েছি বেশ, ইউনুস সাহেব দারিদ্্র বিমোচনের একটা পদক্ষেপ নিয়েছেন, 20 বছর হলো, তিনি দাবি করছেন 46% মানুষ দরিদ্্র রেখা পার করেছে, তার নির্ধারিত দরিদ্্র রেখা অতিক্রমের নিয়মাবলী অনুসারে। তবে এই একই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মানুষ নিঃস্বতর হচ্ছে, অনেকগুলো মানুষ মৃতু্য বেছে নিচ্ছে, এই গলদটাকে সামনে আনলে কেনো ওটা ইশ্বর অবমাননার দায় হিসেবে সামনে আসবে?মানুষকে ঘিরে অর্থনীতির চাকা চলে, আমরা মানবিকতা নিয়ে কথা বলছি, সেটা ইশ্বরের বিধান হলেও সেটাকে অমানবিকতার ছোঁয়া দেখলে বর্জনের মতো সিদ্ধান্তও নিচ্ছি, সেই একই বিচারের প্রয়োগ করতে পারছি ক্যানো এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার ক্ষেত্রে?
অতিথি বলেছেন:
পারছি না কেন হবে সম্ভবত।
অতিথি বলেছেন:
ব্যাপারটাই এরকম, যারা বুশ বাবাজীর পক্ষে না যারে, তারা সবাই সন্ত্রাসী। নিরপেক্ষ ও সমালোচক দের পৃথিবী ক্রমশ:ই ছোট হয়ে আসছে কুপমুন্ডকতার ভারে....।
অতিথি বলেছেন:
নিজেকে নিরপেক্ষ বলাটা উচিতহবে না, তইউনুসের নোবেল পাওয়ায় আমিও আনন্দিত, তবে সেই আনন্দ এবং ভক্তি আলোচনায় আনছি না, তাকে কেনো নোবেল দেওয়া হলো এই প্রশ্নও তুলছি না, তবে তার নোবেল পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সবাই তাকে নিয়ে বাজে কথা বলছে এই ভাবধারাটাই আমাকে অবাক করছে বেশী।
অতিথি বলেছেন:
ইউনূসরে রাইখা নোবেল-রে হাইলাইট করোন যায় না? তাইলেই তো অনেক গুলা জটিলতা আপাত: সইরা যায়।সোজা কথা হইলো, তারে পূজা দিয়া পশ্চাৎদেশে চুম্মা দেবারো কিছু নাই, আবার তার কারণে যে জিনিষটা পাইলাম আমরা, সেটারেও অস্বীকার করার জো নাই।
অতিথি বলেছেন:
হাচা কথা।
অতিথি বলেছেন:
কল্কি টান । উন্নয়ন হইবো ।
অতিথি বলেছেন:
এখন হেয় কী সেটা পশ্চিমের পোঙ্গায় আঙুল দিয়া আনছে নাকি নিজের পশ্চাৎদেশ পাইত্যা দিয়া আনছে, সেটা নিয়া এতো গ্যানগর্ভ আলোচনা ক্যান।
অতিথি বলেছেন:
কোনটা নিয়া আলোচনা?
মুড়িওয়ালা বলেছেন:
সপ্তাহ তিনেক আগের কথা, অফিসের ট্রিপ শেষে নিজের ডেরায় ফিরছিলাম। ফেরার পথে এয়ারপোর্টে পাসপোর্ট দেখেই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার চেহারা পালটে গেল: "ওহ বাংলাদেশ! লটস অফ টেরোরিস্টস, হাহ?" মেজাজটাই খিঁচরে গেসিল। চড়া গলায় বলেছিলাম, "তোমাদের দেশের চেয়ে কম আছে।" খ্যাক খ্যাক করে হাসছিল ব্যাটা। এরকম অভিজ্ঞতা প্রায়ই হয়। যেখানেই গেছি, পাসপোর্ট দেখেই লোকের চেহারা পালটে যেতে দেখেছি। নিজের সবুজ পাসপোর্টটা নিয়ে হালকা একটা হীনমন্যতাও চলে আসছিল বোধ করি।গতকাল হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা । ফেরার পথে যখন ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলাম, ইমিগ্রেশনের লোকটার এবার ভিন্ন চেহারা, "তোমাদের দেশ তো এবার নোবেল প্রাইজ পেল, কংগ্রাচুলেশনস।" গর্বে বুকটা কয়েক হাত উঁচু হয়ে উঠল। বহু বহু দিন এমন অনুভূতি হয়নি। সবুজ পাসপোর্টটা হাতে নিয়ে এমনভাবে হাঁটছিলাম যেন সবাই দ্যাখে। এইটুকুই তো কখনো পাইনা। আগে মানুষ চিনত গরীব, বন্যা আর দুর্ভিক্ষের দেশ হিসেবে, আজকাল এর সাথে যোগ হয়েছে সন্ত্রাসও। এতসব নেগেটিভের মাঝে এইটুকু পজিটিভ কম কি? অন্ততঃ এইটুকুর জন্য হলেও আমি ইউনুস বন্দনা করতে রাজী আছি।
অতিথি বলেছেন:
আমারো একই কথা @ মুড়িম্যান।কাহা ব্লগের তাল ছিড়া আলোচনার কথা কই। হাবিবমহাজনের মতো রামগর্দভ ও বিবৃতি দেয় হেয় নাকি অসন্তুষ্ট।
হের অসুন্তষ্টির লাইগ্যা না আবার নোবেল সিলেকশন কমিটি একযোগে পদত্যাগ করে দেহেন।
অতিথি বলেছেন:
সব্বোনাশ। হাবিব মিয়ারে রামগর্দভ বলার কারণে ধুসর গোধূলি ওরফে চোর ওরফে নয়া বোকাইয়ের বিরুদ্ধে পোরোগতির অনশন শুরু হইয়া যাইবো।আসলে সব শালাই চোর। সুযোগ পাইলে কেউ ছাড়ে না। মাঝখান থাইকা সবুজ পাসপোর্ট নিয়া হীনমণ্যতা একটু কমলে লাভ না থাকুক, ক্ষতি তো নাই। ইউনুস মিয়া জাস্ট পলিটিক্সে নামলে না হয়।
অতিথি বলেছেন:
গরীব আর দরিদ্র বিমোচনের জন্য মাঠে নামেন, তারপর কথা কন। মধ্যবিত্তগো এই সব গরিবী কান্নার ভন্ডামি কবে যে বন্ধ হইবো।
কালপুরুষ বলেছেন:
যে কোন বড় অর্জনের প্রধান বৈশিষ্ট হলো হাজার বিরূপ মন্তব্য সত্ত্বেও এবং নানা অমতের চুলচেরা বিভাজনেও তার আসল দু্যতি হারায় না বরং তা বেশী করে চমকায়। কারণ প্রাপ্তির মাত্রা এবং উচ্চতা এত বেশী থাকে যে নিন্দুকেরা অনেক কষ্টেও তার নাগাল পায় না।জায়নামাজে বসে কোন মমিন ঈশ্বর বন্দনায় মগ্ন থাকলেও শয়তান কিন্তু তার বিভ্রান্তির কলকাঠি নাড়তে ভুল করে না। আর সেটা জেনেই মমিন তার ঈশ্বরের প্রতি একাগ্রতা প্রাণপণে ঢেলে দেবার চেষ্টা করে এবং তা চোখ কান খোলা রেখেই। ধ্যানের তীব্রতা সেক্ষেত্রে শয়তানের প্ররোচনা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখে। তবুও ঈশ্বর বন্দনা অব্যাহত থাকে।
অতিথি বলেছেন:
এমন মমিন (না কি মোমিন) কই পাইবেন ভাই আইজকার জগতে? নবী, পয়গম্বরের রেখাও টানা শেষ মোমিনের আয়ুও শ্যাষ!
অতিথি বলেছেন:
মানুষকি আসলেই অন্ধ নাকি তাদের ভেতরে বাংলা ভাষার প্রবেশাধিকার রহিত?স্তুতি করার অধিকার নিয়া কেউ টানটানি করে নাই, যা বলা হইতাছে তা হইলো এই মতবাদের সমালোচনার জায়গাটাকেও মুক্ত রাইখেন শ্রদ্ধেয় ভাইজানেরা। সমালোচনা বা বিপরীত কথা কইলে গিয়া মান অভিমান করবেন এইটা ক্যামোন কথা, ইউনুস মিয়া এই অর্থনৈতিক মতবাদ লয়া গরীবগো ভোক্তা বানাইতাছে এই লাইগ্যা কেউ ওর পিঠে থাবড়া দিবো কেউ গালি দিবো, কিছু মানুষ মইরা গেলে আরও কিছু মানুষ তার দোষ চাপাইবো তার প্রতিষ্ঠানের উপর,তাগোর মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারন এই প্রতিষ্ঠান।
অতিথি বলেছেন:
নাম সাহেব মধ্যবিত্ত আমিও মধ্যবিত্ত আপনেও, আমি কান্দি মানুষ মরতাছে কইয়া আপনে লাফান মানুষ মরতাছে কইয়া, একই ঘটনা মানুষের দর্শন বদল হইলে আলাদা ভাব আনে মনে। দারিদ্্র বিমোচনের জন্য মাঠে নামি নাই কইয়া একটা অর্থনৈতিক মডেলের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাইতে পারুম না ক্যান, যেই খানে এই মডেলের কারনে কিছু মানুষ মরতাছে,মুক্তিযোদ্ধা জামিল শ্যাখ রিকশা চালায় মইত্যা নিজামী গাড়ীতে পতাকা লাগায়া ঘুরে এই নিয়াও কথা কইলে আপনে যদি কন জামিল শ্যাখ শালার পুত বাঞ্চোত গ্লোবালাইজেশনের লগে তাল মিলাইতে পারে নাই, শালার পুতে ধান্দাবাজি করতে পারে নাই। তাইলে তো কোনো সমস্যা নাই, আপনে কইতেই পারেন, আমিও কইতে পারি ইউনুস মিয়ারে নিয়া এমুন কথা, গরীর লইয়া ধান্দাবাজী করছে, কিছু গরীব মইরা গেছে সমস্যা কি, গরীবগো বৌ এর জন্ম হয় আমাগো মধ্যবিত্তগো ধন নিজের ভোদায় ভরনের লাইগ্যা, আর গরীবগো জন্ম হয় আমাগো মধ্যবিত্তগো ধন হোগায় ভরার লাইগ্যা, আমরা সেমিনার করি সিম্পোজিয়াম করি, ইউনুস মিয়া ঋন দিয়া দাস বানায় আমরা কই এই দাসত্ব উচিত না, ইউনুস মিয়া নোবেল পায়, আমরা ইউনুস ভক্তদের গালি খাই, একটা চক্র, সবাই যে যার মতো আচরন করতাছে, আপনেদের আচরনে কোনো বাধা কেউ দিতাছে না, আপনে প্রশংসা কইরা খাল বানায়া ফেলান কেউ কিছু কইবো না, তয় সমালোচনা করার অধিকারটা হরন করেন ক্যান।
কালপুরুষ সাহেব আপনের কথা মাঝে মধ্যেই উদ্দেশ্যবিহীন হইয়া যায়, যেমুন এই মন্তব্যটা হইছে। তার অর্জন নিয়া কোনো প্রশ্ন তুলি নাই এইখানে, বলা হইছে সমালোচনার অধিকারের কথা, হ্যায় নোবেল পাইলেও এই অধিকারটা রদ হয়া যায় না। যাউকগা আপনে ভালো কথা কইতে পারেন কইয়া সুন্দর কইরা আবঝাব কইতে হইবো এইটার মানে নাই।
সদরুল বলেছেন:
রাসেল ডট কম, ভাইটুআপনি গেছেন, দেশে থাকলে মানুস আপনাকে পিটিয়ে ভর্তা বানিয়ে ফেলত। মনে রাখবেন এখন থেকে আপনি গ্রামীন ফোন নিয়ে কথা বলার অধিকারও হারিয়েছেন, এই নামের সংগে জুড়ে আছে ইউনুস সাহেবের নাম। কিছু বললেই আমাদের নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হবে, যারা এর সংগে জড়িল তাদের নাম হবে নোবেল রাজাকার। রাসেল ডট কম নোবেল রাজাকারের বিচার চাই।
মদন বলেছেন:
রাসেল এর সমালোচনা অবশ্যই যথার্থ।ডঃ ইউনুস এর নোবেল প্রাপ্তি আমাদের বিশাল অর্জন। দেশে এবং বিদেশে আমাদের ভাবমুর্তি অনেক উজ্বল করে দিয়েছে। মুড়িওয়ালার কথাই তার প্রমান। কিন্তু তার সমালোচনা থাকবেনা তাতো হতে পারেনা। কেউই সমালোচনার উর্দ্ধে নয়। বরং তার সমালোচনা তাকে ভুল থেকে সংশোধনের পথ করে দিবে।
শুভ বলেছেন:
রাসেল,ব্রাদার, ওনাকে নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম এপ্রিল মাসে- এটা ডিলেট করে ফেলা উচিৎ, কি বলেন?
GbyQbvgv-Lvebvgv!
অরূপ বলেছেন:
বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না ল্যান্ড অফ দ্য ফ্রীতে বসে চিৎকার করলে,বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না বিদেশী ধুয়া টেনে ফিরিঙ্গি শোষন নিয়ে কাব্য লিখলে
বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না শুধু ইনিশিয়েটিভ না নিয়ে তত্ত্বকথা আওড়ালে
মুহম্মদ ইউনুসদের উত্থানে দায়ী তো আপনি আমি সবাই
আটশ টাকা নিয়ে উনার মতো প্রজেক্ট আপনি হাতে নেন নাই!
নীতিবাক্য লেখা সহজ, বলাও সহজ.. যে এতো নীতিবাক্য বোঝে তার কি ঘরে বসে থাকলে হয়.. ঘরে বসে থাকেন বলেই দাদনদাররা বিখ্যাত হয়
তাদের বিখ্যাত হবার সুযোগ দিতে যখন পেরেছেন, তখন একটু হজম করাও শিখলে ভালো হয়রে দাদা..
তত্ত্ববাজ, নীতিবাজের চেয়ে লিডারশীপ আর ইনিশিয়েটিভ নেওয়ার মতো মানুষ দরকার। ভোর হবার মিষ্টি গপপো গপপোই থাকবে..
ডালমেশিয়ান-অ্যালসেশিয়ানের মতো আপনি আমি কাউ কাউ করি.. মাঝে থেকে নেড়ীরা হাড্ডি নিয়ে দৌড় দেয়
অতিথি বলেছেন:
সমালোচনা করার জন্য তাহলে কি পুর্বে ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে? ইউনুস সাহেব ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন দারিদ্্র বিমোচনের, অন্ত্যজ জনকে ভোক্তা বানানোর চেষ্টা করছেন, অর্থনীতি সমপ্রসারিত হবে এই প্রক্রিয়ায় সবই ভালো, কিন্তু এই প্রচেষ্টার উপজাত হিসাবে যেসব অমানবিক ঘটনা ঘটছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, এই পলিসির সমালোচনা করা যাবে না আমি কোনো উদ্যোগ নেই নি বলে এটা কোনো গ্রহনযোগ্য পলিসি হতে পারে না।ইউনুসের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতরে যদি গলদ থাকে, এখানে যেভাবে আলোচিত হচ্ছে তাতে আত্মনির্ভরশীলতা আসলেই তৈরি হতে পারে কি না এই মৌলিক বিষয়টাকে প্রশ্ন করার সাথে সাথে ঋনজনিত মৃতু্যকেও আত্তিকৃত করলে এর যেসব গলদ সাদা চোখে দেখা যাচ্ছে এসব নিয়ে কোনো প্রশ্ন না তুললে, এই প্রক্রিয়া প্রশ্ন না করলে বদল আসবে কিভাবে? এই প্রক্রিয়ার সংশোধন প্রয়োজন, সংশোধন হবে কিভাবে এটাও আলোচনার ভিত্তিতেই ঠিক হবে, আরও সফল কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভবপর হবে।
তবে এই প্রশ্ন করা, সমালোচনা করার অধিকারটা ছিনিয়ে নিলে আসলে কোনো সময়ই পরিবর্তনটা আসবে না।
স্তুতি ভালো জিনিষ,প্রশংসা করা খারাপ না, মানুষের উদ্দিপনা বাড়ে তবে এমন ব্যাপক নিরীক্ষার শুধুমাত্র প্রশংসা না করে শক্ত সমালোচনা করারও প্রয়োজন আছে। এটা শুধু 100-200 মানুষ নিয়ে না, এর আওতায় প্রায় 2 কোটি মানুষ এখন, 55 লক্ষ পরিবার নিয়ে কথা বলছি, 54% মানে প্রায় 30 লক্ষ পরিবারের লোকদের কথা বিবেচিত হচ্ছে। ইউনুস সাহেব নোবেল পেয়েছেন বলে আমরা এই 30 লক্ষ পরিবারকে হাতের ঝাপটায় উড়িয়ে দিবো এমনটা বোধ হয় উচিত হবে না।
অরূপ বলেছেন:
হাবিব মহাজনও সমালোচনা করে আপনেও করেন
কাজ = বল . সরন
জিরো সরন আর অসীম বলে কাম হয় না। সমালোচনার আবর্জনায় বড় হই। আমরা পজিটিভলি কিছু ভাবার ক্ষমতালুপ্ত জাতি। হয় কিছু ইফেক্টিভ কিছু করেন না হলে এমন কিছু করেন যাতে মানুষ উদ্দীপিত হয়। লীডারশীপ, মোটিভেশন অনেক ক্ষমতাধর বস্তু সমালোচনার চাইতে । আপনের লেখায় দাদনদার বদলাবে না, কিন্তু যে ছেলেটা স্বপ্ন দেখা শুরু করতো, সে বলবে "শালার চু..মারানির দেশে জন্ম আমার"। এরা বড় হয়ে দেশের টাকায় খেয়ে বিদেশে আমার আপনার মতো ঘর বাধে আর বাক্যবান ছাড়ে..
অতিথি বলেছেন:
dabs অরূপ ভাই....নবেল প্রাইজের সমালোচকদের ধইরা দেওয়া উচিত একটা....
শালারা, ভাত পায়না চা খায় আবার হোন্দা নিয়া হাগতে যায়।
এই এটিচুড নিয়া আমাদের উন্নতি সম্ভব নয়। পৃথিবীর বুকে আমরা গরীব দেশ, অথচ বাড়ীতে মেইড সারভেন্ট না থাকলে আমাদের চলে না....
অতিথি বলেছেন:
ইউনুসের স্তুতি যারা করছে তাদের যেমন অনেক ভাগ আছে, তেমন যারা তার পলিসির সমালোচনা করছে তাদেরও আলাদা আলাদা অবস্থান আছে, এন জি ও, নারীর ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মৌলাবাদী দলগুলোর সমর্থক যে কারনে বিরোধিতা করছে ইউনুসের সেটার সাথে অন্য একদল মানুষের ইউনুসের নীতির বিরোধিতা এক না, শত্রুর শত্রু বন্ধু এমন কোনো নীতি নিয়ে চললে আসলে মিত্র চিনতে ভুল হবে।গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়েও একই কথা বলা যায়, তারাও গরীব মুক্তির একটা সফল প্রচেষ্টা, এর পরও গার্মেন্টসের মালিকদের কেউ কি মানবিক বলতেছে??
অরূপ বলেছেন:
টানলেন ভালোভাবে..গার্মেন্টস মালিকদের মানবিক বলে না, কারন এইটা ট্রাডিশনাল ইকোনোমিক সিস্টেমে চলে, বাট নারীর এমপাওয়ারমেন্টে কিংবা চাকুরী সংস্থানে অবদান সামান্য হলেও আছে।
ড. ইউনুসও (আপনার ভাষায় ইউনুস) ইকোনোমিক সিস্টেমে তার প্রতিষ্ঠান চালায়, লোন দিলে তাই আদায়ও করে, কারন মুনাফা দিয়া চলে। সুদের হার আপটু 33%, যেইটা সরকারী লোনের অনেক উপরে। কাউ কাউ করার মতো বিষয়ের কমতি নাই। বাট উনি ঢাকা ইউনির মলে আড্ডা না মাইরা জিনিসটারে যাদের বেশী দরকার সেই পর্যন্ত টানছেন। কেউ উন্নতি করছে, কেউ নিঃস্ব , ক্যাপিটালিস্টিক সিস্টেমে স্বাভাবিক।
স্তুতি যারা গায় তারা পয়সা পায় না। বুকের গভীরে অনেক আবেগ নিয়া গায়। একটা অরূপ স্তুতি গাইলে ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) বা তার সাপোর্ট গ্রুপ এর কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হইল যারা কুৎসা গায় তারা কেন গায়। আপনেরটা বিনোদন সেইটা "ইউনুস ভাই"রে নিয়া তামাশাই প্রমান করে। উপাত্ত পরে দায় পইরা আনলেন। হাম্বাদিক কেন কুৎসা করে সেইটা ব্যাখ্যার দরকার নাই। কেউ করে বামরাজনীতির বিশ্বাসে, কেউ করে সত্যোৎঘাটনে । বছরের 364 দিনে এইসব কথা বাইর হয় না। নোবেল প্রাইজ দিলে কেন শুরু হয়। কারও কারও বাইর হয়, কিন্তু ব্যক্তি জীবনে তারা আমার মতোই হিপোক্রেট। দুঃখিত, হিপোক্রেটদের মুখের ঝাল খাইতে উৎসাহী না।
আপনের স্তুতি না গাওয়াতে সমস্যা নাই, একটা অনুপ্রেরনায় প্রস্রাব করার চেষ্টা দুঃখজনক। ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) হয়তো এখন গরীবের টাকায় স্যাটেলাইট ফোনে আলাপ করে, তার উদ্যোগটা মন্দ ছিল না। উনার দাদনে সুদ 33% হইতে পারে, দাদনদাররা যে 200% নেয় সেইটা চাইপা যান কেন? শর্টটার্ম লোনতো এটলিস্ট মানুষ পায়.. নিয়া নিঃস্ব হইলে সেইটা ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) এর একার দোষ না।
বিতর্ক চালায়া যাইতে পারেন, তাতে ওই অ্যালসেশিয়ান-ডালমেশিয়ান কাউ কাউ শুনবো সবাই.. । দেশে প্রচুর নেড়ী কুত্তা আছে হাম্বাদিকের মতো.. পদার্থবিদ রাসেল তাতে যোগ দিল আর না দিল কেউ ভাবে না। আমি চিল্লাই কারন এই তালগাছ আমি সহজে ছাড়ুম না!
অতিথি বলেছেন:
অপু তোর ফোন নাম্বার টা দেতো!
অতিথি বলেছেন:
হা হা হা আমি ইউনুস কইলে সমস্যা নাকি? ঠিকাছে ডঃ ইউনুস সাহেব, আমাদের মহান উদোক্তা তার পলিসি নিয়া গ্রামে গেছেন, ডঃ ইউনুস আমার মতো ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা না মাইরা ভোক্তা বাড়ানোর কৌশল লইয়া গ্রামে গেছে, গার্মেন্টস না খুইল্যা শ্রমদাসত্বের একটা নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করছে।আমি ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা মারা পোলা( যদিও আমার ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা দেওয়াটা ঠিক কোন পর্যায়ে সমালোচনার অযোগ্যতা এইটা পরিস্কার হইলো না) ডঃ ইউনুসরে লইয়া কথা কই এইটা তালগাছ-বাল গাছের বিষয় না।
গার্মেন্টস কর্মির শ্রম দাসত্ব আর করিমনের শ্রম দাসত্ব, ঋন দাসত্ব একই প্রথার ভিন্ন রূপ, এই বিষয়টা তুমি অরূপ যদি মানতে না পারো তাহলে আমার কিছু বলার নাই,
তুমি তালগাছ লইয়া থাকো, তালগাছ বাসায় নিয়া গাইড়া দাও, টাল হোক, তালের রস হোক, আমার সমস্যা নাই কোনো।
আমার কাছে মনে হইতাছে এই ঋনদাসত্ব এই শ্রম দাসত্ব অমানবিক তাই আমি বিদেশি সিগারেট টানতে টানতে, ইন্টারনেট লইয়া এইরম কথা কইতাছি। আমার সেন্টিমেন্টের মানবিকতার জায়গাটাও মধ্যবিত্ত তোমার জায়গাটাও মধ্যবিত্ত জায়গা। ঐটা নিয়া কেউ প্রশ্ন করতাছি না, তুমি করতাছো কারন তোমার মনে হইতাছে ডঃ ইউনুসের সমালোচনা করার যোগ্যতা বা অধিকার আমার নাই, তার কর্ম তার উদ্যোগকে প্রশ্ন করার যোগ্যতা আমার নাই, সে নোবেল পাইছে বলেই এই পরশ্র ীকাতরতা- সমস্যাটা অন্য খানে, ইউনুস নোবেল পাওয়ায় এই নিয়া আলোচনাটা শুরু হইছে, এর আগেও বিচ্ছিন্ন ভাবে ইউনুস গ্রামীন ব্যাংক নিয়া পোষ্ট আসছে, সেই খানেও এই কথাগুলা আলোচিত হইছে,
তয় ডঃ ইউনুস নোবেল পাওয়ায় সবাই সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করতাছে, শুভেচ্ছা দেওয়ার চেষ্টা করতাছে, সবাই পিঠ চাপড়ানোর চেষ্টা করতাছে, এর মাঝে কেউ পিঠ চাপড়ানোটা পছন্দ করে নাই, তারাও লিখছে, আলোচনা চলতাছে, তুমি তালগাছ লইয়া বইয়া থাকো।
অতিথি বলেছেন:
অই মিয়া আপনেরা কী অহন মল্লযুদ্ধে নামবেন নি? নামলে আর দেরী ক্যা, রেফারী হিসেবে হিমুরে লইয়েন, কারণ আমি লোক ভালা না, ঘুষ খাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
অরূপ বলেছেন:
দাসত্ব ক্রেডিট কার্ডেরও হয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লোনেরও হয়, মাইক্রোক্রেডিটের হয়। কেউ দাস হয় কেউ হয় না। যারা হয় তারা দুর্ভাগ্যের স্বীকার। সবাই না। আপনে এইটা চাইপা গেলে বিপদ। তাইলে ব্যাংকিং সিস্টেম উঠায়া ইসলামী ব্যাংকিং ধরতে হয় (জানি না আদৌ সেইটা মানবিক কিনা)!সেন্টিমেন্ট পায়ু না হুদয় থেকে আসলো সেইটা দিয়া তর্ক অগ্রসর করা যায়, বাট কথা হইল আপনের মানবিকতা দিয়া ইফেক্টিভ কিছু হয় না অরূপের পায়ুস্থ মানবিকতার মতোই বাকসর্বস্ব!
ইউনুস ভাই (হা হা হা) ভোক্তা বাড়াইতে প্রজেক্ট হাতে নিসিল এইটা কি জিবরাইল অহী দিয়া জানাইছে? মনে হয় না। বামপন্থী অ্যাজাম্পশন সব সময় গ্রাহ্য না।
সমালোচনা কনতেছে অনেকেই। ড. আকাশ করে, উৎস করে, আরও অনেকে। সমালোচনার ভঙ্গিটা কি রকম দেখার বিষয়।
আমি টিপিক্যাল হিপোক্রেট মধ্যবিত্ত (সাথে হয়তো উচ্চ যোগ করতে পারেন যদি আমারে আর গিরিঙ্গি দেখাতে চান), বাট প্রশ্ন হইল আপনের মানবিকতা কতোটা মাটিকে স্পর্শ করে! ওইটা না হইলে আপনি আমি দুই জনেই বাংলাদেশ ঘেউ সমিতির সাধারন সদস্য!
বেশী বুঝলে বেশী করতে হয়! কবে করবেন? না মানবিকতা আপাতত পকেট ম্যাট্রেসের খাটে খিচুড়ী খেয়ে ঘুম পাড়ে?
অতিথি বলেছেন:
গরীবের অর্থনৈতিক সংজ্ঞাটা এইরকমই, ভোক্তা হওয়া, পারচেজিং পাওয়ার বাড়ানো হইলো গরীব থেইক্যা মধ্যবিত্ত হওনের রাস্তা। এইটা ইউনুস মিয়াও ভালো ভাবে জানে, ভোক্তা হওয়াটাই আসল জিনিষ, অর্থনীতিতে এইগুলাই সব নির্ধারন করে, চাহিদা, ভোগ, ভোক্তা,কেউ চাহিদা পুরন কইরা ভোগ করতে পারলে সে ভালো ভোক্তা, হ্যার কদর আছে, হ্যায় বড়লোক,
কারো চাহিদা থাকলেও ভোগ করার ক্ষমতা নাই, হ্যায় দুর্বল ভোক্তা, ইউনুস মিয়ার গরীব। এই ভোক্তা ক্ষমতা বাড়লে গরীব বড়লোক হয়। এই সংজ্ঞাটারেও কুতর্ক কিংবা এঁড়ে তর্ক করতে গিয়া ভুইল্যা গেলে বিপদ।
অতিথি বলেছেন:
একমত@ অরুপ।আমি মনে করি, এই বিরাট অর্জন টা পুরো দেশের মানুষের জন্য একটা দারুন পজেটিভ মটিভেশন এর কাজ করবে, বিশেষতঃ যখন আমাদের দেশের জন্য ভালো কোন অর্জনের সংবাদের চরম অকাল। ঠিক নোবেল পাওয়ার আনন্দের সময়টাতেই সমালোচনা না করলে হয় না? গ্রামীন ব্যাংক ও পালিয়ে যাচ্ছেনা, ডঃ ইউনুস ও না।
আর সমালোচনার অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারে না। নেওয়া টা অন্তত এই ব্লগে সম্ভবও না। বরং সমালোচনা যে কোন সিস্টেমকে ত্রূটিমুক্ত করতে সাহায্য করে।
অরূপ বলেছেন:
আপনে কি ফান্ডামেন্টাল ইকোনোমিক্স বদলানোর ধান্দায় আছেন? তাইলে থামি.. কুতর্ক করায় ক্ষমা চাই, তবে আপনে সব পয়েন্টের উত্তর দেন না.. বাচ্চা পোলাপানরে পাত্তা না দিলে আহত হই..
অতিথি বলেছেন:
এই অর্থনীতির সংজ্ঞাটাকে আমি বদলাচ্ছি না, বরং এমন একটা মতবাদ বাজারে আছে 120 বছর ধরে, যেখানে বলা হইছে মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো যেগুলো পুঁজিবাদী সমাজ ব্যাবস্থায় কিনতে হয়, যেই সব মৌলিক চাহিদা পুরন করার ক্রাইটেরিয়া দিয়াছে আমাদের ইউনুস ভাই, সেইসব অধিকারগুলো মানুষমাত্রই পাওয়ার অধিকার রাখে, এবং এটার জন্য কোনো ঋনের মৌলিক অধিকার সামনে আনতে হয় না, এটা রাষ্ট্রের পুরন করার দায়িত্ব। আমি নতুন করে কেনো এইসব কনসেপ্ট নিয়া আসবো, পুরাতন কনসেপ্টের ভিত্তিতেই কথা বলি ভাই।আর পুঁজিবাদের সংশোধন চলতেছে, চলবে,ঐউনুসের মুল আইডিয়াটা হয়তো আরও সামান্য অদলবদল করে ব্যাবহার করবে অন্যান্য দেশ- কারন এটা অর্থনীতি সমপ্রসারনের একটা প্রচেষ্টা,
অরূপ বলেছেন:
রাসেল ভাই,ইউটোপিয়ান সিস্টেম নিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করলেন মনে হয়! ভালো আপনি কোন দলের মানুষ জানি না, তবে আরও দুইটা দল এই গানটা গায়। ইউটোপিয়ান সঙ্গীত গাইলে আপনে আইদার মহামানব নাইলে হাম্বাদিকের নিকটজন..
ক্যাপিটালিজম আর গনতন্ত্র নিয়ে সবাই পারলে একটু থুতু ছিটায়। তবে মহামতিরা ইউটোপীয়ান এবং ধর্মভিত্তিক প্যাচাল ছাড়া কিছু উপহার দিতে পারেন নাই।
এন্ড অফ দ্য ডে, একটু প্র্যাকটিক্যাল হইতে হয় যে দাদা..
বাই দ্য ওয়ে, আপনে দেখি জায়গায় জায়গায় আপনের ড. ইউনুস বিরোধের কারন বদলাচ্ছেন। এইটা আপনের বিনোদনএ রূপ নিচ্ছে, সেইটা ফকফকা এখন.. !
অতিথি বলেছেন:
অরূপ ইউটোপিয়া না, এইটা একটা ট্রেন্ড কইতে পারো, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ফলে অর্ধেক কাজতো সম্ভব হইছে, চিকিৎসা, শিক্ষা এই দুইটা নাগরিক অধিকার চরম পুঁজিবাদী দেশগুলাও দিতাছে নাগরিকদের, এমন কি বেকার ভাতাও দিতাছে, এইটারে ইউটোপিয়া কও কেনো?গৃহহীনদের বড় বড় আবাসস্থল বানাইতাছে-
রাষ্ট্রের ট্রেন্ড যাইতাছে ঐদিকটাতেই। মানুষের মৌলিক অধিকার বা নাগরিকের মৌলিক অধিকার পুরনের দায়িত্ব যে রাষ্ট্রের এই সত্যটা মাইনা লইতাছে যখন তখন ঐটারে ইউটোপিয়া কওনা কতটা যুক্তিসংগত এইটা ভাবা দরকার।
জার্মানী না হয় এককালে সোশ্যালিস্ট মুভমেন্টের দেশ আছিলো, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক হল্যান্ড কেন এই ধারায় রওনা দিলো কও? এই আমাগো পুঁজিবাদিগো সেরা দেশ যুক্তরাষ্ট্রও মৌলিক শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করতাছে।
এইটাই ধারা, এইটাই একটা পর্যায়ে স্ব ীকৃত ধারা হইবো,
অতিথি বলেছেন:
আমি প্রথম যুক্তরাজ্যে এসে টাসকি খেয়েছিলাম । সাদা চোখে অনেকটাই সোসালিজমের স্ট্রাকচার এই সুপার ক্যাপিটালিস্ট দেশে ।রাষ্ট্র নাগরিকের শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নিচ্ছে ।
একটা ভূল ধারনা দেশে পাই আমরা পুঁজিবাদী কাঠামো মানে রাষ্ট্রের খবরদারী নেই । অথচ এখানে দেখছি কৃষকেরা কতটুকু গম উৎপাদন করবে , সে লক্ষ্যমাত্রা ও রাষ্ট্র নিধর্ারন করে দিচ্ছে । একটা লেভেল পর্যন্ত রাষ্ট্র আইন প্রয়োগ করছে যেনো অর্থনৈতিক বৈষম্য একটা মাত্রা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত থাকে । যার ইনকাম যতো বেশী, ট্যাক্সের হার ততোবেশী । একটা বাড়ীর মালিক, আরেকটা বাড়ী কিনতে গেলে 40% ট্যাক্স দিতে হবে । ফলে একটা সাধারন রেষ্টুরেন্টের ওয়েটার আর ডাক্তারের ইনকাম বড়জোড় 1:3 । আমাদের মতো আকাশ পাতাল নয় ।
অতিথি বলেছেন:
আজকের দিনে মানুষ তো আর স্বপ্ন দেখছেনা বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার কিংবা একক মানচিত্র । বিদ্যমান ব্যবস্থার ভেতরই মানুষ নু্যনতম অধিকারগুলো পেতে চায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে ।আমাদের দেশে তার চেয়ে ও কম সুবিধা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে সুদের বিনিময়ে, আর এর সমালোচনাটা ও হয়ে যাচ্ছে দেশের সমালোচনা!
আজব ।
অরূপ বলেছেন:
জানতাম স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বেলটে দৌড় দিবেন। উহাদের পার ক্যাপিটা পার অ্যানাম জানি কতো দাদা? এখন যে দেশে থাকি সেই দেশেও বেকার ভাতা দেয়। পাবলিকে কাম বাদ দিয়া বেকার ভাতা খায়, এবং এই প্রবনতা বাড়ায় এই দেশ চিন্তিত.. ।
রাসেল ভাই,
বই পড়া গল্প দিয়ে তো লাভ নাই, আপনেকে প্রধানমন্ত্রী বানাইলে দেশ উন্নয়নের শিখরে নিতে পারতেন কিনা সেইটা ভাবেন। কনসালট্যান্ট আর ম্যানেজার এর তফাৎটা জানলে কামে দিত। রিয়েলিটি আর বই এর নীতি মিলানো কঠিন। নাহলে লীডারশীপ ডেভেলমেনটের কোচিং খুলে দুটো পয়সা বানানো যেত।
সব রাস্ট্রে সব থিওরী চললে দুনিয়াতে ধর্মীয় থিওরীও ভালো বাজার পাইতো..
বাংলাদেশ কি জিনিস সেইটা অনুধাবন করে লেখা ভালো।
আমরা মানব উন্নয়নে ফ্রগ লিপ দিতে পারবো না। মাহাথির মোহাম্মাদ প্রধানমন্ত্রী হয়া টাকা কম বানায় নাই,ডেপুটিরে গে কয়া জেলে দিছে। প্রবলেম ভালো আছে পাবলিকের, বাট এই একটা বুদ্ধিমান বাটপারের জন্য দেশটা আগায় গেছে 50 বছর। সে ঘুষ খাওয়া বন্ধ করে নাই (যেইটা এখন বাদাওয়ী করতেছে), বাট সে রাজকোষে টাকা ভরছে, নিজেও মারছে।
আমাদেরও একটা কিছু লাগবে.. তবে আপনের বইপড়া মডেল নিয়া তক্কোটাইপ না।
এইটা বিতর্কে মূল বিষয় না। পিছলায় যাইতে চাই না। আপনে একটা মানুষের ফলে যে পজিটিভ ঘটনাগুলা ঘটছে সেইটা মানতে অপারগ.. সেই কারনে এতো ইতং বিতং... আপনে ইভেন ইফতেখারের পোস্টে ক্যাচাল করতে ছাড়লেন না। এতোই মানবিকভাবে দেখলে ছেলেটার আবেগে না পানি ঢালাই ভালো ছিল। বিনোদন দেখি ভেন্ডেটার পর্যায়ে চলে গেল!
অতিথি বলেছেন:
একি !রাসেল আর অরূপ দেখি বাকযন্ত্রের একটা ভালো ব্যায়াম কইরা লইছে ফাকতালে !
আনন্দিত হও বৎস!
গান কর ...রবি ঠ্যাকার গান :
আনন্দের sea থেকে এসেছে আজ flood !
অতিথি বলেছেন:
সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক রাষ্ট্রগুলার বাৎসরিক আয়ের হিসাব বলে লাভ আছে কোনো, বিষয়টা হিসাবের না, কত টাকা জনপ্রতি বাৎসরিক আয় এইটা দিয়া রাষ্ট্রের আন্তরিকতা প্রমানিত হয় না, তুমি যদি বলো ওদের অনেক টাকা তাই ওরা এই কাজ করতেছে তাহলো এইটা ঠিক কথা হইবো না, এইটা আরও একটা অর্থনৈতিক মডেল, এইটারে সেইভাবে দেখো। বাংলাদেশের দুর্ন ীতি নিয়া সবাই কথা বলে অথচ দুর্ন ীতির মাত্রা কমানোর জন্য স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে কেউ কথা বলে না, সবকিছুর এক একটা ধাপ থাকে, বাংলাদেশের ইউনুস ভাইয়ের গরীবকে ভোক্তা বানানোর মধ্যে এই উন্নতির ধাপ নাই,ঋনের দায়ে জর্জরিত কইরা ফেললে 50% নাগরিককে আমাদের বাৎসরিক আয়ের উন্নতি হইবো না তেমন।বাংলাদেশের বাৎসরিক আয় বাড়ছে, গত 2 দশকে ইন ফ্যাক্ট 2 গুন হইছে বাৎসরিক আয়, এর কতটুকু গ্রামীনের কার্যক্রমে এইটা নির্দিষ্ট কইরা বল। সম্পদের অসম বন্টন নিয়া গরীবের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। এইসব বড় মাপের কাজ করার জন্য রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে হবে আর ঐটা করবে জনতা, ইউনুস মিয়া রাজনীতিতে আসলে এই গ্রামীন ব্যাংকিংএর ধারায় পরিবর্তন আসবে না, ওরা সুদ বিনা মুলধন দিবে না গরীবকে, এখনও দিতাছে না, যদি কাজটা ইউনুস মিয়া ব্যাবসা চিন্তার বাইরে করতো তাহলে আলাদা কোনো ব্যাবস্থা করতো বা সহনীয় পর্যায়ে রাখতো এই ঋন আদায়ের ব্যাবস্থাটা।কিছু হইলেই জনগন যেমন মালোয়শিয়া ইন্দোনেশিয়া ধইরা টানাটানি করে এমন কইরা স্কান্ডেনেভিয়ান বেলট ধইরা টানলে সমস্যা কি, দুই দেশের অর্থনৈতিক মডেল আলাদা কিন্তু দুইটাই তো বিশ্বের দেশ।
অরূপ বলেছেন:
সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক মডেলে রান করে একটা গরীব দেশ দেখান..আপনে এইবার কুতর্ক করা শুরু করলেন, শাখা প্রশাখা তৈরি কইরা। কেন করলেন ধরতে পারলাম না। কি নিয়া তর্ক হচ্ছিল সেইটা ভাইবা লেখা ভালো।
আপনে এই স্টাইলে আগাইলে আমােের হিজাব পইড়া প্রিনসেস নাম নিতে হবে।
ভেরী ফানি যে আপনি বিনা সুদে ঋন এর কথা বললেন। আপনের স্টাইলে উত্তর দিলে লিখতাম, হা হা হা। দাড়িওয়ালা ভাইদের মতো কথা বললে কি চলে? অতি মানবিকতা আপনে সুপার সোসাইটির চিন্তা করা শুরু করছেন। এই সময় তর্ক থামায় দিতে হয়.. আপনে ইমপ্র্যাকটিকাল কথা বলে স্বপ্ন দেখতে পারেন, বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। ইউনুস সাহেবের মতো এক্সপিরিমেন্ট কইরা দেখলেও না..
ওয়েক আপ!
অতিথি বলেছেন:
ইউনুস সাহেব নিরীক্ষা চালাইতাছে এইটা কইলে তুমি বেজার হও ক্যান তাইলে। একদল মানুষরে নিয়া নিরীক্ষা চালাইতাছে, স্বনির্ভর গ্রাম কইতে চাইতাছে। এই মডেলটা কাম করে কিনা এইটা নির্নয় করা হইলো না, এইটার জন্য মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কইরা দেখতে হবে। এখন তুমি যা কইতাছো তাও ইমপ্রাক্টিক্যাল, ইউনুস সভেবের কথায় কইতাছো এইটাই উন্নতির আসল মডেল। আমি এইটার বিরোধিতা করতাছি। তুমি যদি আমারে সেইরম স্বাধীনতা দাও, দেশ চালানোর ভার দাও তাহলে ইউনুস মিয়ার মতো 20 বছর লাগবো না, এর আগেই দেশের চেহারা পালটায়া ফেলবানে।
সেই সুযোগ আমারে কেউ দিবো না এইটা সত্য কথা। যদি আমারে যাইতে হয় তাহলে সেই চিরচারিত রাজনৈতিক প্রথা মাইনাই যাইতে হইবো।
অরূপ বলেছেন:
আপনের হল কি? পছন্দ মতো জায়গা থেকে কথা শুরু করেন কেন?লজিক আউলায় গেলে তর্ক করার কি মানে?
আমি কোন কথা না কইতেই ইমপ্র্যাকটিকাল কথা আবিস্কার করলে তো মহাবিপদ!
শেষের প্যারাগুলা পইড়া হাসি পাইল। যারা করে তারা এইটা দাও সেইটা দাও বইলা কান্দে না..। আমি এইটার জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম। এখন আপনার আর হাম্বাদিকের সাথে বিতর্ক করা একই প্রমাণিত হইল।
এখন আমার পশ্চাৎদেশে দুইটা লাথি মারতে পারেন! কারন শুননের আর কিছু বাকি নাই..
অতিথি বলেছেন:
আমার কিছু বক্তব্য আছে রাসেল আর অরুপের এই বিতর্কে। ইউনুস স্যার যেই তত্ত্ব দিছেন সেইটা নিয়া একটা বই উনি লিখছেন সেই তথ্য আমরা এই বিতর্কের শুরুর দিকেই পাইয়া গেছি। তো অরুপ এই বিতর্কে একটা প্রশ্ন করছে ভোক্তা শ্রেণী বাড়ানের বিষয়টা নিয়া তার লেইগা আমার ছোট একটা জানান্তির মেসেজ আছে...ইউনুস স্যার নিজেই তার বিংশ শতাব্দির সকল সাক্ষাতকারে এই বিষয়টারে উপরে তুলছেন। আর ভোক্তা বাড়াইয়া উন্নয়ণের এই পদ্ধতি পুরান সেইটাও অরুপ জানেন নিশ্চিত, আমিও কেমনে জানি কোনা কাঞ্চি দিয়া জাইনা গেছি। আর ইউটোপিয়ান কোনটাই না অরুপরে জানাইতে চাই, না গ্রাশীণ ব্যাংক না এই অঞ্চলের বামপন্থীরা। ইউটোপিয়ান কইতে গেলে কল্পনার যেই মাত্রা লাগে সেইটা এইখানে প্রযোজ্য না। ইউনুস স্যারের এই তত্ত্ব নিয়া বাংলাদেশে তর্ক নতুন না। 95 থেইকা 98 পর্যন্ত এই এলাকার অর্থনীতি আর উন্নয়ণবিদগো প্রধান আগ্রহের বিষয়ই ছিলো ক্ষুদ্র ঋণ আসলেই একটা জাতীয় উন্নয়ণের পদ্ধতি হইতে পারে কি না? দারিদ্র বিমোচন বিষয়টা কি এইরম বিন্দু থেইকা বিন্দুতে ছড়াইয়া সম্ভব নাকি একটা রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার মধ্য দিয়া আগাইতে হইবো। দেশে কি ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক প্রচেষ্টারে আগাইয়া নিতে হইবো নাকি বৃহৎ কল কারখানার মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরীর পলিসি তৈরী হইবো। ব্র্যাকের ফজলে আবেদরা ছিলো বৃহৎ ঋণের পক্ষে আর ইউনুস স্যার তর্কে অংশগ্রহণ করেন নাই। কারণ তখন আর তার এই সব পলিসিতে আগ্রহ ছিলো না মনে হয়। আমি ফজলে আবেদগোরেও ঠিক কইতাছি না। উন্নয়ণের বা যে কোন নীতিমালাতেই, আমরা গরীবের কিসে ভালো হইবো এইটা ঠিক কইরা দেই, আর সেইটারে দায়িত্বও মনে করি, এই রম চিন্তার প্যাটার্ন শুরু করছে উনারাই। গরীবরা চিরকালই রইয়া গেছে গিনিপিগ। নোবেল প্রাইজ পান এই গিনিপিগগো পালন কর্তারাই। অনেক কিছু কইলাম অপ্রাসঙ্গিক মনে হইতে পারে, কিন্তু আমি যেহেতু তর্কে মাত্র নামলাম অনেক গুলি মন্তব্য পইড়া, তার লেইগা কিছু ভুলও থাকতে পারে কথায় 5% এরর ধইরা পইড়েন। আর একটা কথা খালি তুইলা দিতে চাই বোর্ডে, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে উন্নয়ণের চাইতে তৃতীয় বিশ্বে কৃষির প্রক্রিয়াজাত, উৎপাদনমূলক শিল্পখাতকে উৎসাহী করাটা বেশি কার্যকরী হইবো বইলা কিন্তু অনেকেই মনে করে। তার মধ্যে বামপন্থীরাও আছে। এইটারে ইউটোপিয়ান কইতে চাইলে ক'ন। আমাগো কিছু কওনের থাকবো না মিটিমিটি হাসি দেওন ছাড়া।
অরূপ বলেছেন:
ভাস্কর ভাই,আপনে মিটমিটাইয়া হাসেন! কি জানি বিষয় নিয়া তর্কটা শুরু সেইটা ক্যান যে ভুইলা গেলাম! একটু মনে করায় দিবেন বস?
অতিথি বলেছেন:
আমি ইউনুস স্যারের ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প নিয়া ঝামেলায় আছি। তর্কটা ঐদিকেই আছিলো না? নাকি ভুল দিছি?
অরূপ বলেছেন:
তাইলে বস, আর কথা বাড়ায়েন না.. শিরোপা কান্ধে নিয়া হাসতে হাসতে আরেকটা পোস্ট দেন.. @ ভাস্কর ভাই
অতিথি বলেছেন:
বুঝি নাই
অতিথি বলেছেন:
অরুপ এত সময় পাইলো কই! আশ্চর্য্য - এই পোলার মধ্যে এত কথা জমা ছিল!
অতিথি বলেছেন:
ভাস্করদা ঠিকাছে ।
অরূপ বলেছেন:
ঠিক থাকলে সবই ঠিক থাকতো @ সুমনদা
অতিথি বলেছেন:
কি কমু ? তুমি আর রাসেল পুরা সময়টাই একটা পয়েন্টের চারদিকে ঘুরপাক খাইলা ।ভাস্করদা শেষে উন্নয়ন সম্পর্কে যা কইছে তারপর অনেকরেই অনেক কিছু চাইপা যাওয়া লাগে ।তখন প্রসঙ্গটা আসলে একটা ট্রেন্ড খুইজা পায় ।ইউটোপিয়া হইলো প্রয়োগনিরপেক্ষ কচকচি । একরকমের স্বপ্নদোষ ।উন্নয়নতাত্তি্বকরা এইজন্যেই প্রতিদিন ভোরে খুশীমনে জাঈঙ্গা ঢুকায় ওয়াশিং মেশিনে ।কিছু কই নাই । কারণ সবারই কিছু কিছু কথা ঠিক ।তবে ভাস্করদা মৌলিক পয়েন্টে আঙ্গুল দিছে ।
অরূপ বলেছেন:
চাইপাই যাইতে হয় বদ্দা যখন পাবলিকে ধরবারই পারে কি নিয়া কে ক্ষ্যাপে.. তাই ভাস্করদা আঙুল দিক আর দুইপা দিক, থোর বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোর..
অতিথি বলেছেন:
হা! হা!হা!
অতিথি বলেছেন:
তাইলে থোড় আর খাড়া নিয়া বাড়া দিয়া বেসবল খেলা কেন ? আস খারাপ খারাপ কথা বইলা মন ভালো করি ।
অরূপ বলেছেন:
বেসবল খেলা তো থামাই দিলাম,নাইলে আমি ভাস্করদার লগে রাগবী খেলতে রাজী ছিলাম..
খারাপ কথা শুরু কইরা পোস্ট দেন, লেনজা বাড়ায়া দিমু
অতিথি বলেছেন:
অরূপ সোশ্যাল ডেমোক্রেট মডেলে দেশ চালানোর ব্যাবস্থাবিধি তুমি আমারে দিছো, আমি ঐ দায় কান্ধে লই নাই। ঐ আইডিয়াটা তুমি দিছো আমারে, আমি দেশ চালামু দেশ কি আমার ঘরের কোনে বান্ধে রাখা সাইকেল মন চাইলো চালাইলাম, এইটা যদি ইমপ্রাক্টিক্যাল আইডিয়া না হয় তাইলে কোনটা ইমপ্রাক্টিক্যাল আইডিয়া।কথা শুরু করছিলাম ইউনুস সাহেবের অর্থনৈতিক মডেলের সমালোচনা আমার মতো অভাজনরা করলে সেইটা ইশ্বরবিরোধিতা হয় কি হয় না এইটা লইয়া। তুমি ইশ্বরভক্তের প্রতিনিধি হইয়া তর্ক চালাইতাছো। আমি কইতাছে এই ব্যাবস্থার মধ্যে গলদ আছে, তুমি কইলা আমি মাঠ পর্যায়ে যাই নাই তাই এর সমালোচনা করার অধিকার আমার নাই। প্রথম থেইক্যাই তুমিঈউনুসরে দেবতা বানানোর ধান্দা করতাছো। মডেলটা নিয়া কথা কইতে চাইতেছিলাম না শুধু অধিকারটা চাইতেছিলাম য্যান আমার মতো আড্ডা মারা পাবলিকও কিছু কইতে পারে, য্যান ঐটা ইশ্বরবিরোধিতা, ব্লাসফেমী না হয়া যায়,
এইটা লইয়া এঁড়ে তর্ক করা যায়ই, এখন কইতাছো মালোয়শিয়া ইন্দোনেশিয়া, একটু পরে কইবা দেশের রাজনীতি খারাপ, দেশ ভালো না, ইউনুস ভাই মহান কারন এই পঁচা দেশে সে এই নিরীক্ষা চালাইতাছে। আমাগো দেশে কনডমের টেস্ট করে আমাগো দেশে জন্মনিরোধর বড়ির নিরীক্ষা চলে, ইউনুস মিয়া আরও বড় পর্যায়ে গরীব লয়া নিরীক্ষা চালাইলে আমাগো কি? 2-10টা গরীব মরবো সমস্যা কি, আমাগো অনেক গরীব আছে, এইরম 10-20 হাজার মইরা গেলেও কমবো না,
অরূপ বলেছেন:
কুতর্ক না কইরা মাথায় পানি দেন..টাকি মাছ প্রবৃত্তি নিয়া প্যাচাল হয়, বিতর্ক হয় না! বরং পোস্টে পোস্টে জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য দিতে থাকেন..
অতিথি বলেছেন:
অরূপ তুমি আলোচনাটারে যেইখানে লইতে চাইতাছো সেই খানে আলোচনা থাকে না বিষয়টা। তোমার লগে বাজে কথা কওনের ইচ্ছা বা প্রবৃত্তি নাই আমার।যদি তুমি তালগাছ লইয়া খুশী থাকো, তাইলে তুমি তালগাছ লয়া যাও গিয়া, আমি যা কইতে চাইছিলাম সেইটাতে এখনও স্থির, যদি আমরা যেকোনো অর্থনৈতিক মডেলের সমালোচনা করতে পারি তাইলে ইউনুস মিয়ার মডেলের সমালোচনা করার অধিকার আছে, ঐটা ইউনুস মিয়া নোবেল পাওয়ার আগেও ছিলো, এখনও আছে।
বৃথা আলোচনা করতে ইচ্ছা হইতাছে না, এইটা কোনো যুক্তির পথে যাত্রা হইতাছে না, তাই ক্ষান্ত দিলাম।
অরূপ বলেছেন:
আমি কোথাও নিতে চাই নাই, আপনে পিছলায় পিছলায় কথা বদলাইলেন। আপনে সমালোচনা করলে ঘটনা এই হইতো না। আপনে করতেছেন সস্তা ভাড়ামী.. আপনের সেইটা চুলকানী পর্যায়ে চলে গেছে। লোকজনের ইমোশানাল পোস্টে আপনে রসিকতা করেন। তাই আর দশটা ইউনুস বিরোধী পোস্ট এর হয়তো জাস্টিফিকেশান আছে, আপনেরটা হইল পিওরলি বুলি কপচাকপচী.. । সমালোচনা মানা যায়, চুলকানী না...
অতিথি বলেছেন:
অরূপ তুমি বিষয়টারে ব্যাক্তিপর্যায়ে লইয়া যাইতাছো, কাজটা ঠিক হইতাছে কি না এইটা ঠিক করো আগে, কথা কইছো একটা, বিবেচনা কইরাই কইছো মনে হয়, এইবার দেখাও ভাঁড়ামি কোথায় করছি, সস্তা কিংবা দামি ভাঁড়ামি কোন খানে কোন খানে গিয়া করছি এইটা দেখাও?আমার চুলকানীর মলম লইয়া তুমি আইছো এইটা দেখতে পাইতাছি।
এখন এই পোষ্টে আমি কোথায় পিছলাইছি অযথা সেইটা দেখায়া যাও।
যদি ভুল হইয়া থাকে , পিছলামি হইয়া থাকে তাইলে ক্ষমা চাইয়া লমু তোমার কাছে। আর যদি না প্রমান হয় তুমি ক্ষমা চাইবা। বিষয়টা ব্যাক্তি পর্যায়ে লইয়া যাওন টা ঠিক হয় নাই আসলে।যাউকগা কইরাই যখন ফেলছো এখন মন্তব্য নাম্বার আর বক্তব্য দিয়া আলাদা পোষ্ট লিখো নাইলে এইখানে গুছায়া মন্তব্য দাও।
অরূপ বলেছেন:
এই চিন্তাটা এতো পরে আইলে তো হবে না! কুতর্ক শেষে লাইনে আইসা লাভ নাই!..
ব্যক্তি পর্যায়েও নেই নাই, প্রকাশ পদ্ধতি নিয়া আপত্তি, ব্যক্তিপর্যায় টাইনা কুতর্কে টুইস্ট আইনা কাম হবে না!
অরূপ বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে, আমি আপনেরে মলম দেওয়া যোগ্যতা অর্জন করি নাই। সাইলেন্ট থাকাটায় মনকে রাজী করানো গেল না বইলা তাই এতো ক্যাচাল..
অতিথি বলেছেন:
রাসেল ও অরুপ অনেক্ষণ সাইলেন্ট ছিলাম। আর দুইজনের
বক্তব্য শুনলাম। জামাল ভাস্কর ও সুমন চৌধুরী থাকলো অবজার্ভর। জাস্ট কয়েকটা ক্লারিফিকেশন দেন।
১. রাসেল আপনার সমালোচনার অবজেক্টিভটা বলেন এক কথায়।
২. অরুপ - আপনি রাসেলের যুক্তির সমালোচনার অবজেক্টিভটা বলেন।
সহজ কথায়।
অতিথি বলেছেন:
অরূপ তোমারে যা বলছি সেইটা করো ভাই, একটু দেখো মন্তব্য পইড়া সমালোচনা করার অধিকার নিয়াই আলোচনাটা চলতেছিলো, তুমি অর্থনীতির একটা সংজ্ঞারে লইয়া আলোচনাটারে অন্য পর্যায়ে নিয়া গেছো, রেসপন্সিবিলিটি নাও, নিতে শিখো, অযথা আবেগ দিয়া কিছু হয় না, তুমি ইউনুসের নোবেল পাওয়ায় 20 হাত বুক উচায়া ঘুরো তোমারে আমি গিয়া কিছু বলবো না, তোমার ব্যাক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপও করুম না, আমার সমালোচনা করার অধিকার নিয়া তুমি যেই কথা কইতাছো ঐটারে প্রশ্ন করতেছি, সেই রেসপন্সিবিলিটি নাও, আমি নিজের দায়িত্ব নিয়া সচেতন আছি, আমার কথা বক্তব্যে আমি কি কইতাছি এইটা লইয়াও সচেতন, সীমাটা ভব্যতার হওয়া উচিত। যদি আলোচনা সঠিক ভাবে করতে না পারো তাহলে আলোচনা না করাটাই উচিত। তোমার আবেগিমনন যদি কষ্ট পাইয়া থাকে সেইটা নিজের কাছে রাখো। একটা অরূপিয় বাজে কবিতা লিখে ফেলো আমার নামে, এইসব কাজের সবটা স্বাধীনতা তোমার। তবে আলোচনার ধারা পছন্দ না হইলে আলোচনাকে বাদ দিয়ে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন করাটা রূচি সম্মত না। এটা আলোচনার পথটাকে সুন্দর রাখে না মোটেও।
অরূপ বলেছেন:
রেসপনসিবিলিটি নিয়া শুরু করলাম, আপনে সেইটা বাদ দিয়া টাকি মাছ স্ট্রাটেজীতে গেলেন। এখন মাথা গরম কইরা রাবার পুড়াইলেও কিছু হবে না। গেইম ওভার! আপনাকে সিরিয়াস হইতে শিখতে বলা উচিত। বয়সে বড় বইলা কইতে পারলাম না! আপনি বরং একটা নতুন আইডি খুইলা কিছু পোস্টান! আমি বাজে কবিতা অনেক বেশী লিখা ফেলছি এক সপ্তাহে
অতিথি বলেছেন:
একি আবার গৃহযুদ্ধ ক্যা ?
অতিথি বলেছেন:
ঝোপ ঝাড়ে কোপ না দিয়া সিরাতুল মুস্তাকিম ,সরল পথে আসো। টাকি মাছ পলিসি লইলাম কোন খানে এইটা কও। যদি চুলকানি, ভাঁড়ামি জাতিয় শব্দ পরিহার করে পরিস্কার করে বলতে কোন খানে রাবার পুড়াইলাম কোন খানে টাকিমাছ গিরি করলাম সুবিধা হইতো।এইখানে যা দেখা যাইতাছে তা হইলো তুমি আশে পাশের ঝোপঝাড় বাইড়াইয়া সব কাউয়া আর ছ্যাঙ্গা লৌড়াইতাছো।
অরূপ বলেছেন:
যে রিয়ালাইজ করতে পারে না তারে কয়া কি লাভ? সিরাতুল মুস্তাকিমও তার কাছে গরমপানির গলি.. আমি ঝোপেই ছ্যাঙগা নিয়া থাকি.. আপনে বাঘ হইয়া "ইউনুস ভাই" নিয়া আন্দোলন করেন..
অতিথি বলেছেন:
ভাববাদ ছাইড়া বস্তুবাদে আসো ভাইটু, কিংবা অফ যাওএমন কথা কইলা, যা যারে কইলা সে বুঝলো না এমন কথা কওনের কাম নাই ভাইটু।
অরূপ বলেছেন:
রাবার পুড়ায়ে কি লাভ? চুক্তিতে তো এইটা ছিল না!
অতিথি বলেছেন:
কাউকে বিরক্ত করতে চাচ্ছি না। তবে অরুপের অনুভূতি বোধহয় উপলব্ধি কিছুটা করতে পারছি। এখানে দরিদ্রমোচনের জন্য আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা কতটুকু? এত মানবিক আমরা, এতকিছু বুঝি, বাংলাদেশের সবচেয়ে জ্ঞানী, সচেতন, সক্ষম আমরা এখানে ব্লাগাই প্রতিদিন। কিন্তু দরিদ্রমোচনের জন্য আমাদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা কতটুকু? সামষ্টিক কোন প্রচেষ্ঠায় আমাদের কি কোন অংশ গ্রহন আছে? আমাদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা কি করেছি দেশের অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য? এ সব অনুভূ িত আমাকে বিব্রত করে, নিজেকে ক্ষুদ্র করে তোলে। এ জন্য কারও প্রচেষ্টার সমালোচনা করতে লজ্জা করে। সবাই আমার মত ভাবতে হবে তা নয়, তবে মনে হয় আমার মতো অরুপও এ রকম complexএ ভুগতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
অরূপ তুমি যা করতাছো এইটারে কয় হোগায় আঙ্গুল দিয়া গুতাগুতি করা, আমি এই পোষ্টে বা মন্তব্যে তোমার কোথাও আঙ্গুল দিতে চাই নাই। তুমি ক্যান দিতাছো তাও বুঝতাছি না। তুমি যদি তোমার বিশ্বাস আমার উপরে চাপাইয়া দিতে চাও তাহলে সেইটা বোধ হয় উচিত হবে না। আমিও আমার বিশ্বাস তোমারে চাপাইতে চাই না, সীমানাটা মেনে চললে অনেক রকম ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হবে। এইসব সীমারেখা মেনে চলতে শেখাটাও একটা শিক্ষা, আবেগের আতিশষ্যে এই সীমারেখাটা অতিক্রম করা ঠিক না।
অতিথি বলেছেন:
উদ্ভট একটা কথা কইলেন সাজেদ ভাই! দারিদ্র বিমোচনে আমার কোন ভূমিকা না থাকলে আমি কোন সমালোচনা করতে পারুম না!?আমি একজন দরিদ্র নারীকে প্রতিমাসে কিছু টাকা দেই। বিনিময়ে তিনি আমাগো বাড়ির কিছু কাজ করেন যেরম, ঘরমোছা, কাপড় ধোয়া, রান্না করা প্রভৃতি। তাইলে এখন কি আমি সমালোচনা করনের অধিকার অর্জন করলাম?
অতিথি বলেছেন:
এটা তো স্পষ্ট কাউকে নিয়ে সমালোচনা তখনই ভাল লাগে না যখন মানষিকভাবে তাকে ইশ্বর অধিভূক্ত ভাবা হয়। যারা এমন ভাবে তারা সহজে পথ পরিবতর্ন করতে পারে, কনসিসটেনসি একটু কম থাকে।
অরূপ বলেছেন:
ওইটা আমার এরিয়া অফ এক্সপার্টিজ না! সীমারেখে না মাইনা মস্করা কইরা গেলেন তো আপনে! আপনে ত্রিভুজ না, সব বুইঝা না বোঝার ভরংটা ভালো না! আপনে শুরু করলে করেন! পুরাটা পইড়া দেখেন, 13 তারিখ থেকে নিজের কীর্তিগুলাও দেখেন! ভব্যতার সীমানা প্রযোজ্য সবার জন্য! এই থামলাম!
অতিথি বলেছেন:
এক্সপার্ট না হইয়াও ভালোই করতে পারছো, তুমি যদি তোমার বিশ্বাস লয়া খুশী থাকো তাহলেই হইলো।
অতিথি বলেছেন:
ভালো
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















