আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ইউনুসবন্দনা করি সবেঃ এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে।

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

( উৎসর্গ সেসব শহীদদের যারা এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার কবলে পড়ে মৃতু্যবরন করেছেন, ঋন ফেরারী হয়েছেন, এবং যারা এই ক্রমিক ধারাবাহিক মৃতু্যর জন্য অপেক্ষা করছেন, এবং যারা স্বচ্ছলতার লোভে আবার শ্রমদাসত্বের কবলে পড়েছেন, সেসব বীর সেনানিদের)

মানবিকতার কথা বলে গলার রগ ছিড়ে ফেলা মানুষগুলোও ইশ্বর পেলে মানবিকতা ভুলে যায়-ঈউনুসের নোবেল প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এই বুঝলাম আমি। ইউনুস নোবেল পেয়েছে, খুবই ভালো খবর, তার এই মাইক্রোক্রেডিটের আইডিয়াটাও পুরোনো, এভাবে গরীবের ভাগ্যউন্নয়ন সম্ভব এমন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়েও সমাজ গিয়েছে, অর্থনীতি এই পরীক্ষন এর আগেও চালিয়েছে। সাফল্য কতটুকু এসেছিলো জানি না, তবে বেশ কয়েকজন এই নিরীক্ষন বন্ধ করেছে একটা পর্যায়ে।

অর্থনীতি এমন একটা বিজ্ঞান যেখানে গিনিপিগ মানুষ ও সমাজ, ইউনুসের এই আইডিয়া প্রয়োগের আগে থেকেই মানুষ গিনিপিগ, অর্থনৈতিক ব্যাবস্থার গিনিপিগ, যে কোনো অর্থনৈতিক ব্যাবস্থাই মানুষের দৈনন্দিনতাকে ঘিরেই বেড়ে উঠে। তবে সব অর্থনৈতিক ব্যাবস্থার সমালোচনা করা যায়, এর ত্রুটি বিচু্যতি প্রকাশ করা যায়, এর প্রায়োগিক দিক নিয়েও প্রশ্ন চলতে পারে, এ নিরীক্ষা সার্বক্ষনিক। ব্যাক্তিবিযুক্ত আলোচনা সম্ভব না এই মডেলের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে, যেখানে এই অর্থনৈতিক মডেলের আহবায়ক, পরিচালক, প্রতিষ্ঠাতা ইউনুস, তাই তার প্রায়োগিক অর্থনীতির সমস্যা-দোষ আলোচিত হলে সেখানে ইউনুসও থাকবে।
পুঁজিবাদের কোনো একক নির্মাতা নেই,কার্ল মার্কস সাহেবের সমাজতন্ত্র নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বেশির ভাগ বিতর্কই শেষ পর্যন্ত প্রায়োগিক জায়গাটাকে ঘিরে চলে। চীনের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা নিয়ে লোক জন আলোচনা করছে, করছে রাশিয়ার ব্যাবস্থা ও এর সংস্কার নিয়ে, এসব আলোচনা করলে কেউ যদি ভাবে ইশ্বরঅবমাননা হইতেছে তাহলে তাদের বামহস্তের হস্তমৌথুনজাতিয় ভাবনাকে আসলে ফ্লাশ করে ফেলে দেওয়া দরকার।

এক দল মানুষের ধারাবাহিক মৃতু্য, একদল মানুষের ধারাবাহিক নিঃস্ব হওয়া এবং আত্মহত্যার বিষয়টা যদি এমন কোনো মানবিকতাসম্পন্ন মানুষকে স্পর্শ না করে তাহলে তার মানবিকতার বিচারটা ফেলে দিয়ে হাতে জপমালা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়া দরকার।

ইউনুস নোবেল পাওয়ার এখন ব্লগপাতা জুড়ে ইউনুসের আলোচনা হচ্ছে, রমজান এসেছিলো, সবাই রমজান, রামাদান, রামাডান নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে, এটাই তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, মানুষের ভাবনা এভাবেই চলে, ইউনুসের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে দোষ খুঁজে পাওয়াটা পরচর্চার নাম দিয়ে যেসব মানবতাবাদী মানুষের মৃতু্যকে অস্ব ীকার করে যাচ্ছে তাদের জন্য সামান্য করূনা অনুভব করছি, অনুভব করছি আসলে সবাই মনে মনে উপাস্যই চায়, ওটা মিলে গেলে সবাই মুক্তকচ্ছ হয়েই উপাসনা করে, মানবিকতার জায়গাটা তখন কোথায় গিয়ে পড়লো তা ভাবে না।
আমি এর পরও আশায় আশায় থাকি, এই নিরীক্ষার ফলে যেসব মানুষ 25000 টাকার বাসায় থেকে, 5000 টাকা সঞ্চয় রেখে বছরে 10000 টাকা ঋণ শোধ করে, সেসব মানুষকে দারিদ্্ররেখা অতিক্রান্ত ভেবে রাতের বালিশ ভিজিয়ে ফেলা অন্ধত্ব একদিন কাটবে। একদিন মানুষ বুঝবে, 5000 টাকা সঞ্চয়ের বিপরীতে 10 হাজার টাকা বাৎসরিক ঋণের বোঝা টেনে বেড়ানো আসলে কার্যকর কোনো উন্নয়ন না, এটা কলুর বলদের জোয়াল। এটা শ্রমদাসত্ব, এটা ভুমিদাসত্ব, অভাবের শৃংখল থেকে মুক্ত হতে চেয়ে দাসখত লিখে দেওয়া।

মাইক্রোক্রেডিট ব্যাবস্থার প্রধান ত্রুটি চিহি্নত হয়েছিলো এর অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা, এই ঋন নির্ভরতা থেকে স্বাবলম্বি হয়ে উঠার পথটা কিংবা দারিদ্্র সীমারেখার উত্তরনের পথটা চিহি্নত হওয়া উচিত ছিলো, তাদের মাসিক উপার্জন, আর ঋন মুক্ততার হিসাব দেখে, এই বাৎসরিক 10000 টাকা শোধা 46% গিনিপিগ কবে ঋণ মুক্ত হবে এর কোনো সময়সীমা দেয় নাই আমাদের ইউনুস সাহেব, আমাদের মানবতাবাদী নতুন ইশ্বর বাংলাদেশের।

আমাদের ইশ্বর খুঁজে পাগল হয়ে ঘুরে বেড়ানো মানবিক মানুষদের ত্রাতা হয়ে এসেছেন শান্তির নোবেল বগলে নিয়ে। যারা ইশ্বরের সমালোচনা পছন্দ করেন না, যারা ইশ্বরনিযুক্ততাকে মৌলবাদিতা চিহি্নত করে একই মৌলবাদিতার চর্চা করে যায়, আমরা আনন্দিত হই, আমরা গর্বিত হই, আমরা সমালোচনা বাদ দেই , আসলেই শান্তিতে নোবেলটা পেয়ে আমাদের নবনিযুক্ত ইশ্বর এবং তার প্রতিষ্ঠানের জন্য যেই কয়জন মানুষ মরেছে এবং মরবে ভবিষ্যতে তারা সবাই ইশ্বরের রাস্তায় শহীদ, তারা জেহাদ করতে করতে মরে গেলো, তাদের সরাসরি বেহেশত নসীব করা হবে, এই বেহেশত তৈরি করবেন আমাদের নতুন ইশ্বর ইউনুস।

আমরা তার নামে জয়ধ্বনি দেই, আমরা মুক্তকচ্ছ হয়ে বন্দনা করি তার। আমাদের নোবেল প্রাপ্ত মানুষটির ভুল হলেও আমরা সেটাকে ইশ্বরোচিত ভুল ভাববো, খামখেয়ালিপনা ভেবে ভুলে যাবো, আমাদের যেসব কাফের বান্দা এখনও নবনিযুক্ত ইশ্বরের বিপরীতে লিখছে, যেমন আমি, তাদের অচিরেই জেল জরিমানা ফাঁসি এবং পাথর ছুড়ে হত্যার বিধান দেওয়া হোক। আমরা দেখি জাতিয়তাবাদী অন্ধত্ব কতটা মৌলবাদী চরিত্র বের করে আনতে পারে আমাদের তথাকথিত মানবিক মানুষদের ভেতর থেকে। কতটা অমানবিক করে ফেলতে পারে আমাদের মানবিক মানুষদের জাতিয়তাবোধ দেখা যাক।

 

 

  • ৯১ টি মন্তব্য
  • ৮৬৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল এ লেখাটাকে সার্চ ইঞ্জিনের সুবিধা দেয়ার সুযোগ দিন। ইউনুস লিখে যারা সার্চ করবে তারা এটা পেয়ে যাবে। আমি নিচে এটাকে ইউনিকোডে কনভার্ট করে দিয়েছি। জাস্ট কাটপেস্ট করুন। প্লিজ।
২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: ইউনুসবন্দনা করি সবে: এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে।

( উৎসর্গ সেসব শহীদদের যারা এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার কবলে পড়ে মৃত্যুবরন করেছেন, ঋন ফেরারী হয়েছেন, এবং যারা এই ক্রমিক ধারাবাহিক মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন, এবং যারা স্বচ্ছলতার লোভে আবার শ্রমদাসত্বের কবলে পড়েছেন, সেসব বীর সেনানিদের)

মানবিকতার কথা বলে গলার রগ ছিড়ে ফেলা মানুষগুলোও ইশ্বর পেলে মানবিকতা ভুলে যায়-ঈউনুসের নোবেল প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এই বুঝলাম আমি। ইউনুস নোবেল পেয়েছে, খুবই ভালো খবর, তার এই মাইক্রোক্রেডিটের আইডিয়াটাও পুরোনো, এভাবে গরীবের ভাগ্যউন্নয়ন সম্ভব এমন প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়েও সমাজ গিয়েছে, অর্থনীতি এই পরীক্ষন এর আগেও চালিয়েছে।

অর্থনীতি এমন একটা বিজ্ঞান যেখানে গিনিপিগ মানুষ ও সমাজ, ইউনুসের এই আইডিয়া প্রয়োগের আগে থেকেই মানুষ গিনিপিগ, অর্থনৈতিক ব্যাবস্খার গিনিপিগ, যে কোনো অর্থনৈতিক ব্যাবস্খাই মানুষের দৈনন্দিনতাকে ঘিরেই বেড়ে উঠে। তবে সব অর্থনৈতিক ব্যাবস্খার সমালোচনা করা যায়, এর ত্রুটি বিচ্যুতি প্রকাশ করা যায়, এর প্রায়োগিক দিক নিয়েও প্রশ্ন চলতে পারে, নিরীক্ষা সার্বক্ষনিক, ব্যাক্তিবিযুক্ত আলোচনা সম্ভব না এই মডেলের ক্ষেত্রে, যেখানে এই অর্থনৈতিক মডেলের আহবায়ক, পরিচালক, প্রতিষ্ঠাতা ইউনুস, তাই তার প্রায়োগিক অর্থনীতির সমস্যা-দোষ আলোচিত হলে সেখানে ইউনুসও থাকবে।

পুঁজিবাদের কোনো একক নির্মাতা নেই,কার্ল মার্কস সাহেবের সমাজতন্ত্র নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বেশির ভাগ বিতর্কই শেষ পর্যন্ত প্রায়োগিক জায়গাটাকে ঘিরে চলে। চীনের অর্থনৈতিক ব্যাবস্খা নিয়ে লোক জন আলোচনা করছে, করছে রাশিয়ার ব্যাবস্খা ও এর সংস্কার নিয়ে, এসব আলোচনা করলে কেউ যদি ভাবে ইশ্বরঅবমাননা হইতেছে তাহলে তাদের বামহস্তের হস্তমৌথুনজাতিয় ভাবনাকে আসলে ফ্লাশ করে ফেলে দেওয়া দরকার।

এক দল মানুষের ধারাবাহিক মৃত্যু, একদল মানুষের ধারাবাহিক নি:স হওয়া এবং আত্মহত্যার বিষয়টা যদি এমন কোনো মানবিকতাসম্পন্ন মানুষকে স্পর্শ না করে তাহলে তার মানবিকতার বিচারটা ফেলে দিয়ে হাতে জপমালা নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়া দরকার। ইউনুস নোবেল পাওয়ার এখন ব্লগপাতা জুরে ইউনুসের আলোচনা হচ্ছে, রমজান এসেছিলো, সবাই রমজান, রামাদান, রামাডান নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে, এটাই তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, মানুষের ভাবনা এভাবেই চলে, ইউনুসের অর্থনৈতইক কাঠামোর মধ্যে দোষ খুঁজে পাওয়াটা পরচর্চার নাম দিয়ে যেসব মানবতাবাদী মানুষের মৃত্যুকে অস্ব ীকার করে যাচ্ছে তাদের জন্য সামান্য করূনা অনুভব করছি, অনুভব করছি আসলে সবাই মনে মনে উপাস্যই চায়, ওটা মিলে গেলে যুতপত পেলে সবাই মুক্তকচ্ছ হয়েই উপাসনা করে, মানবিকতার জায়গাটা তখন কোথায় গিয়ে পড়লো তা ভাবে না।

আমি এর পরও আশায় আশায় থাকি, এই নিরীক্ষার ফলে যেসব মানুষ ২৫০০০ টাকার বাসায় থেকে, ৫০০০ টাকা সঞ্চয় রেখে বছরে ১০০০০ টাকা ঋণ শোধ করে সেসব মানুষকে দারিদ্্ররেখা অতিক্রান্ত হয়েছে ভেবে রাতের বালিশ ভিজিয়ে ফেলা অন্ধত্ব একদিক কাটবে। একদিন মানুষ বুঝবে, ৫০০০ টাকা সঞ্চয়ের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা বাৎসরিক ঋণের বোঝা টেনে বেড়ানো আসলে কার্যকর কোনো উন্নয়ন না, এটা কলুর বলদের জোয়াল। এটা শ্রমদাসত্ব, এটা ভুমিদাসত্ব, অভাবের শৃংখল থেকে মুক্ত হতে চেয়ে দাসখত লিখে দেওয়া।

মাইক্রোক্রেডিট ব্যাবস্খার প্রধান ত্রুটি চিহ্ণিত হয়েছিলো এর অতিরিক্ত ঋণ নির্ভরতা, এই ঋন নির্ভরতা থেকে স্বাবলম্বি হয়ে উঠার পথটা কিংবা দারিদ্্র সীমারেখার উত্তরনের পথটা চিহ্ণিত হওয়া উচিত ছিলো, তাদের মাসিক উপার্জন, আর ঋন মুক্ততার হিসাব দেখে, এই বাৎসরিক ১০০০০ টাকা শোধা ৪৬% গিনিপিগ কবে ঋণ মুক্ত হবে এর কোনো সময়সীমা দেয় নাই আমাদের ইউনুস সাহেব, আমাদের মানবতাবাদী নতুন ইশ্বর বাংলাদেশের। আমাদের ইশ্বর খুঁজে পাগল হয়ে ঘুরে বেড়ানো মানবিক মানুষদের ত্রাতা হয়ে এসেছেন শান্তির নোবেল বগলে নিয়ে। যারা ইশ্বরের সমালোচনা পছন্দ করেন না, যারা ইশ্বরনিযুক্ততাকে মৌলবাদিতা চিহ্ণিত করে একই মৌলবাদিতার চর্চা করে যায়,

আমরা আনন্দিত হই, আমরা গর্বিত হই, আমরা সমালোচনা বাদ দেই , আসলেই শান্তিতে নোবেলটা পেয়ে আমাদের নবনিযুক্ত ইশ্বর এবং তার প্রতিষ্ঠানের জন্য যেই কয়জন মানুষ মরেছে এবং মরবে ভবিষ্যতে তারা সবাই ইশ্বরের রাস্তায় শহীদ, তারা জেহাদ করতে করতে মরে গেলো, তাদের সরাসরি বেহেশত নসীব করা হবে, এই বেহেশত তৈরি করবেন আমাদের নতুন ইশ্বর ইউনুস।

আমরা তার নামে জয়ধ্বনি দেই, আমরা মুক্তকচ্ছ হয়ে বন্দনা করি তার। আমাদের নোবেল প্রাপ্ত মানুষটির ভুল হলেও আমরা সেটাকে ইশ্বরোচিত ভুল ভাববো, খামখেয়ালিপনা ভেবে ভুলে যাবো, আমাদের যেসব কাফের বান্দা এখনও নবনিযুক্ত ইশ্বরের বিপরীতে লিখছে, যেমন আমি, তাদের অচিরেই জেল জরিমানা ফাঁসি এবং পাথর ছুড়ে হত্যার বিধান দেওয়া হোক। আমরা দেখি জাতিয়তাবাদী অন্ধত্ব কতটা মৌলবাদী চরিত্র বের করে আনতে পারে আমাদের তথাকথিত মানবিক মানুষদের ভেতর থেকে।
৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: জাতীয় চেতনা আর জাতীয়তাবাদকে গুলিয়ে ফেললে তো মুশকিল ।

উ হুঁ । এই সব ঈশ্বরদের নিয়ে সমালোচনা করা যাবেনা । সমালোচনার টু দা পয়েন্ট জবাবের বদলে ব্যক্তিগত প্রোফাইল সার্চ হবে । তুমি শালা নিজে কতোটুকু ভন্ড, বিদেশে এসে টাকা কামাও , ফরেন টিসু্য পেপারে পুরিষ পরিস্কার করো .... অতএব নো ওয়ে তোমার কোনো অধিকার নেই , ভন্ডদের ইশ্বরকে নিয়ে সমালোচনা করার !
৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৬
comment by: দুলাভাই বলেছেন: রাসেল ইউ আর রাইট। থ্যাঙ্কস।
৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: মোরশেদ ভাই আমি আশ্চর্য হয়েছি বেশ, ইউনুস সাহেব দারিদ্্র বিমোচনের একটা পদক্ষেপ নিয়েছেন, 20 বছর হলো, তিনি দাবি করছেন 46% মানুষ দরিদ্্র রেখা পার করেছে, তার নির্ধারিত দরিদ্্র রেখা অতিক্রমের নিয়মাবলী অনুসারে। তবে এই একই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মানুষ নিঃস্বতর হচ্ছে, অনেকগুলো মানুষ মৃতু্য বেছে নিচ্ছে, এই গলদটাকে সামনে আনলে কেনো ওটা ইশ্বর অবমাননার দায় হিসেবে সামনে আসবে?
মানুষকে ঘিরে অর্থনীতির চাকা চলে, আমরা মানবিকতা নিয়ে কথা বলছি, সেটা ইশ্বরের বিধান হলেও সেটাকে অমানবিকতার ছোঁয়া দেখলে বর্জনের মতো সিদ্ধান্তও নিচ্ছি, সেই একই বিচারের প্রয়োগ করতে পারছি ক্যানো এই অর্থনৈতিক নিরীক্ষার ক্ষেত্রে?
৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: পারছি না কেন হবে সম্ভবত।
৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ব্যাপারটাই এরকম, যারা বুশ বাবাজীর পক্ষে না যারে, তারা সবাই সন্ত্রাসী। নিরপেক্ষ ও সমালোচক দের পৃথিবী ক্রমশ:ই ছোট হয়ে আসছে কুপমুন্ডকতার ভারে....।
৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: নিজেকে নিরপেক্ষ বলাটা উচিতহবে না, তইউনুসের নোবেল পাওয়ায় আমিও আনন্দিত, তবে সেই আনন্দ এবং ভক্তি আলোচনায় আনছি না, তাকে কেনো নোবেল দেওয়া হলো এই প্রশ্নও তুলছি না, তবে তার নোবেল পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সবাই তাকে নিয়ে বাজে কথা বলছে এই ভাবধারাটাই আমাকে অবাক করছে বেশী।
৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ইউনূসরে রাইখা নোবেল-রে হাইলাইট করোন যায় না? তাইলেই তো অনেক গুলা জটিলতা আপাত: সইরা যায়।

সোজা কথা হইলো, তারে পূজা দিয়া পশ্চাৎদেশে চুম্মা দেবারো কিছু নাই, আবার তার কারণে যে জিনিষটা পাইলাম আমরা, সেটারেও অস্বীকার করার জো নাই।
১০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হাচা কথা।
১১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: কল্কি টান । উন্নয়ন হইবো ।
১২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: এখন হেয় কী সেটা পশ্চিমের পোঙ্গায় আঙুল দিয়া আনছে নাকি নিজের পশ্চাৎদেশ পাইত্যা দিয়া আনছে, সেটা নিয়া এতো গ্যানগর্ভ আলোচনা ক্যান।
১৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: কোনটা নিয়া আলোচনা?
১৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৮
comment by: মুড়িওয়ালা বলেছেন: সপ্তাহ তিনেক আগের কথা, অফিসের ট্রিপ শেষে নিজের ডেরায় ফিরছিলাম। ফেরার পথে এয়ারপোর্টে পাসপোর্ট দেখেই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার চেহারা পালটে গেল: "ওহ বাংলাদেশ! লটস অফ টেরোরিস্টস, হাহ?" মেজাজটাই খিঁচরে গেসিল। চড়া গলায় বলেছিলাম, "তোমাদের দেশের চেয়ে কম আছে।" খ্যাক খ্যাক করে হাসছিল ব্যাটা। এরকম অভিজ্ঞতা প্রায়ই হয়। যেখানেই গেছি, পাসপোর্ট দেখেই লোকের চেহারা পালটে যেতে দেখেছি। নিজের সবুজ পাসপোর্টটা নিয়ে হালকা একটা হীনমন্যতাও চলে আসছিল বোধ করি।

গতকাল হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা । ফেরার পথে যখন ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলাম, ইমিগ্রেশনের লোকটার এবার ভিন্ন চেহারা, "তোমাদের দেশ তো এবার নোবেল প্রাইজ পেল, কংগ্রাচুলেশনস।" গর্বে বুকটা কয়েক হাত উঁচু হয়ে উঠল। বহু বহু দিন এমন অনুভূতি হয়নি। সবুজ পাসপোর্টটা হাতে নিয়ে এমনভাবে হাঁটছিলাম যেন সবাই দ্যাখে। এইটুকুই তো কখনো পাইনা। আগে মানুষ চিনত গরীব, বন্যা আর দুর্ভিক্ষের দেশ হিসেবে, আজকাল এর সাথে যোগ হয়েছে সন্ত্রাসও। এতসব নেগেটিভের মাঝে এইটুকু পজিটিভ কম কি? অন্ততঃ এইটুকুর জন্য হলেও আমি ইউনুস বন্দনা করতে রাজী আছি।

১৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আমারো একই কথা @ মুড়িম্যান।

কাহা ব্লগের তাল ছিড়া আলোচনার কথা কই। হাবিবমহাজনের মতো রামগর্দভ ও বিবৃতি দেয় হেয় নাকি অসন্তুষ্ট।

হের অসুন্তষ্টির লাইগ্যা না আবার নোবেল সিলেকশন কমিটি একযোগে পদত্যাগ করে দেহেন।
১৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সব্বোনাশ। হাবিব মিয়ারে রামগর্দভ বলার কারণে ধুসর গোধূলি ওরফে চোর ওরফে নয়া বোকাইয়ের বিরুদ্ধে পোরোগতির অনশন শুরু হইয়া যাইবো।

আসলে সব শালাই চোর। সুযোগ পাইলে কেউ ছাড়ে না। মাঝখান থাইকা সবুজ পাসপোর্ট নিয়া হীনমণ্যতা একটু কমলে লাভ না থাকুক, ক্ষতি তো নাই। ইউনুস মিয়া জাস্ট পলিটিক্সে নামলে না হয়।
১৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: গরীব আর দরিদ্র বিমোচনের জন্য মাঠে নামেন, তারপর কথা কন। মধ্যবিত্তগো এই সব গরিবী কান্নার ভন্ডামি কবে যে বন্ধ হইবো।
১৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: যে কোন বড় অর্জনের প্রধান বৈশিষ্ট হলো হাজার বিরূপ মন্তব্য সত্ত্বেও এবং নানা অমতের চুলচেরা বিভাজনেও তার আসল দু্যতি হারায় না বরং তা বেশী করে চমকায়। কারণ প্রাপ্তির মাত্রা এবং উচ্চতা এত বেশী থাকে যে নিন্দুকেরা অনেক কষ্টেও তার নাগাল পায় না।

জায়নামাজে বসে কোন মমিন ঈশ্বর বন্দনায় মগ্ন থাকলেও শয়তান কিন্তু তার বিভ্রান্তির কলকাঠি নাড়তে ভুল করে না। আর সেটা জেনেই মমিন তার ঈশ্বরের প্রতি একাগ্রতা প্রাণপণে ঢেলে দেবার চেষ্টা করে এবং তা চোখ কান খোলা রেখেই। ধ্যানের তীব্রতা সেক্ষেত্রে শয়তানের প্ররোচনা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখে। তবুও ঈশ্বর বন্দনা অব্যাহত থাকে।
১৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: এমন মমিন (না কি মোমিন) কই পাইবেন ভাই আইজকার জগতে? নবী, পয়গম্বরের রেখাও টানা শেষ মোমিনের আয়ুও শ্যাষ!
২০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১১:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: মানুষকি আসলেই অন্ধ নাকি তাদের ভেতরে বাংলা ভাষার প্রবেশাধিকার রহিত?
স্তুতি করার অধিকার নিয়া কেউ টানটানি করে নাই, যা বলা হইতাছে তা হইলো এই মতবাদের সমালোচনার জায়গাটাকেও মুক্ত রাইখেন শ্রদ্ধেয় ভাইজানেরা। সমালোচনা বা বিপরীত কথা কইলে গিয়া মান অভিমান করবেন এইটা ক্যামোন কথা, ইউনুস মিয়া এই অর্থনৈতিক মতবাদ লয়া গরীবগো ভোক্তা বানাইতাছে এই লাইগ্যা কেউ ওর পিঠে থাবড়া দিবো কেউ গালি দিবো, কিছু মানুষ মইরা গেলে আরও কিছু মানুষ তার দোষ চাপাইবো তার প্রতিষ্ঠানের উপর,তাগোর মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারন এই প্রতিষ্ঠান।
২১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১২:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: নাম সাহেব মধ্যবিত্ত আমিও মধ্যবিত্ত আপনেও, আমি কান্দি মানুষ মরতাছে কইয়া আপনে লাফান মানুষ মরতাছে কইয়া, একই ঘটনা মানুষের দর্শন বদল হইলে আলাদা ভাব আনে মনে। দারিদ্্র বিমোচনের জন্য মাঠে নামি নাই কইয়া একটা অর্থনৈতিক মডেলের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাইতে পারুম না ক্যান, যেই খানে এই মডেলের কারনে কিছু মানুষ মরতাছে,
মুক্তিযোদ্ধা জামিল শ্যাখ রিকশা চালায় মইত্যা নিজামী গাড়ীতে পতাকা লাগায়া ঘুরে এই নিয়াও কথা কইলে আপনে যদি কন জামিল শ্যাখ শালার পুত বাঞ্চোত গ্লোবালাইজেশনের লগে তাল মিলাইতে পারে নাই, শালার পুতে ধান্দাবাজি করতে পারে নাই। তাইলে তো কোনো সমস্যা নাই, আপনে কইতেই পারেন, আমিও কইতে পারি ইউনুস মিয়ারে নিয়া এমুন কথা, গরীর লইয়া ধান্দাবাজী করছে, কিছু গরীব মইরা গেছে সমস্যা কি, গরীবগো বৌ এর জন্ম হয় আমাগো মধ্যবিত্তগো ধন নিজের ভোদায় ভরনের লাইগ্যা, আর গরীবগো জন্ম হয় আমাগো মধ্যবিত্তগো ধন হোগায় ভরার লাইগ্যা, আমরা সেমিনার করি সিম্পোজিয়াম করি, ইউনুস মিয়া ঋন দিয়া দাস বানায় আমরা কই এই দাসত্ব উচিত না, ইউনুস মিয়া নোবেল পায়, আমরা ইউনুস ভক্তদের গালি খাই, একটা চক্র, সবাই যে যার মতো আচরন করতাছে, আপনেদের আচরনে কোনো বাধা কেউ দিতাছে না, আপনে প্রশংসা কইরা খাল বানায়া ফেলান কেউ কিছু কইবো না, তয় সমালোচনা করার অধিকারটা হরন করেন ক্যান।
কালপুরুষ সাহেব আপনের কথা মাঝে মধ্যেই উদ্দেশ্যবিহীন হইয়া যায়, যেমুন এই মন্তব্যটা হইছে। তার অর্জন নিয়া কোনো প্রশ্ন তুলি নাই এইখানে, বলা হইছে সমালোচনার অধিকারের কথা, হ্যায় নোবেল পাইলেও এই অধিকারটা রদ হয়া যায় না। যাউকগা আপনে ভালো কথা কইতে পারেন কইয়া সুন্দর কইরা আবঝাব কইতে হইবো এইটার মানে নাই।
২২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:৫৩
comment by: সদরুল বলেছেন: রাসেল ডট কম, ভাইটুআপনি গেছেন, দেশে থাকলে মানুস আপনাকে পিটিয়ে ভর্তা বানিয়ে ফেলত। মনে রাখবেন এখন থেকে আপনি গ্রামীন ফোন নিয়ে কথা বলার অধিকারও হারিয়েছেন, এই নামের সংগে জুড়ে আছে ইউনুস সাহেবের নাম। কিছু বললেই আমাদের নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হবে, যারা এর সংগে জড়িল তাদের নাম হবে নোবেল রাজাকার। রাসেল ডট কম নোবেল রাজাকারের বিচার চাই।
২৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:০৫
comment by: মদন বলেছেন: রাসেল এর সমালোচনা অবশ্যই যথার্থ।
ডঃ ইউনুস এর নোবেল প্রাপ্তি আমাদের বিশাল অর্জন। দেশে এবং বিদেশে আমাদের ভাবমুর্তি অনেক উজ্বল করে দিয়েছে। মুড়িওয়ালার কথাই তার প্রমান। কিন্তু তার সমালোচনা থাকবেনা তাতো হতে পারেনা। কেউই সমালোচনার উর্দ্ধে নয়। বরং তার সমালোচনা তাকে ভুল থেকে সংশোধনের পথ করে দিবে।
২৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫০
comment by: শুভ বলেছেন: রাসেল,
ব্রাদার, ওনাকে নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম এপ্রিল মাসে- এটা ডিলেট করে ফেলা উচিৎ, কি বলেন?
GbyQbvgv-Lvebvgv!
২৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫৭
comment by: শুভ বলেছেন: সরি লিংকটা ভুল হয়েছে:
GbyQbvgv-Lvebvgv!
২৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৭
comment by: অরূপ বলেছেন: বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না ল্যান্ড অফ দ্য ফ্রীতে বসে চিৎকার করলে,
বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না বিদেশী ধুয়া টেনে ফিরিঙ্গি শোষন নিয়ে কাব্য লিখলে
বাংলাদেশে কোনদিনই ভোর হবে না শুধু ইনিশিয়েটিভ না নিয়ে তত্ত্বকথা আওড়ালে
মুহম্মদ ইউনুসদের উত্থানে দায়ী তো আপনি আমি সবাই
আটশ টাকা নিয়ে উনার মতো প্রজেক্ট আপনি হাতে নেন নাই!
নীতিবাক্য লেখা সহজ, বলাও সহজ.. যে এতো নীতিবাক্য বোঝে তার কি ঘরে বসে থাকলে হয়.. ঘরে বসে থাকেন বলেই দাদনদাররা বিখ্যাত হয়
তাদের বিখ্যাত হবার সুযোগ দিতে যখন পেরেছেন, তখন একটু হজম করাও শিখলে ভালো হয়রে দাদা..

তত্ত্ববাজ, নীতিবাজের চেয়ে লিডারশীপ আর ইনিশিয়েটিভ নেওয়ার মতো মানুষ দরকার। ভোর হবার মিষ্টি গপপো গপপোই থাকবে..

ডালমেশিয়ান-অ্যালসেশিয়ানের মতো আপনি আমি কাউ কাউ করি.. মাঝে থেকে নেড়ীরা হাড্ডি নিয়ে দৌড় দেয়
২৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:১৮
comment by: অরূপ বলেছেন:
২৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: সমালোচনা করার জন্য তাহলে কি পুর্বে ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে? ইউনুস সাহেব ইনিশিয়েটিভ নিয়েছেন দারিদ্্র বিমোচনের, অন্ত্যজ জনকে ভোক্তা বানানোর চেষ্টা করছেন, অর্থনীতি সমপ্রসারিত হবে এই প্রক্রিয়ায় সবই ভালো, কিন্তু এই প্রচেষ্টার উপজাত হিসাবে যেসব অমানবিক ঘটনা ঘটছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, এই পলিসির সমালোচনা করা যাবে না আমি কোনো উদ্যোগ নেই নি বলে এটা কোনো গ্রহনযোগ্য পলিসি হতে পারে না।
ইউনুসের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতরে যদি গলদ থাকে, এখানে যেভাবে আলোচিত হচ্ছে তাতে আত্মনির্ভরশীলতা আসলেই তৈরি হতে পারে কি না এই মৌলিক বিষয়টাকে প্রশ্ন করার সাথে সাথে ঋনজনিত মৃতু্যকেও আত্তিকৃত করলে এর যেসব গলদ সাদা চোখে দেখা যাচ্ছে এসব নিয়ে কোনো প্রশ্ন না তুললে, এই প্রক্রিয়া প্রশ্ন না করলে বদল আসবে কিভাবে? এই প্রক্রিয়ার সংশোধন প্রয়োজন, সংশোধন হবে কিভাবে এটাও আলোচনার ভিত্তিতেই ঠিক হবে, আরও সফল কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভবপর হবে।
তবে এই প্রশ্ন করা, সমালোচনা করার অধিকারটা ছিনিয়ে নিলে আসলে কোনো সময়ই পরিবর্তনটা আসবে না।
স্তুতি ভালো জিনিষ,প্রশংসা করা খারাপ না, মানুষের উদ্দিপনা বাড়ে তবে এমন ব্যাপক নিরীক্ষার শুধুমাত্র প্রশংসা না করে শক্ত সমালোচনা করারও প্রয়োজন আছে। এটা শুধু 100-200 মানুষ নিয়ে না, এর আওতায় প্রায় 2 কোটি মানুষ এখন, 55 লক্ষ পরিবার নিয়ে কথা বলছি, 54% মানে প্রায় 30 লক্ষ পরিবারের লোকদের কথা বিবেচিত হচ্ছে। ইউনুস সাহেব নোবেল পেয়েছেন বলে আমরা এই 30 লক্ষ পরিবারকে হাতের ঝাপটায় উড়িয়ে দিবো এমনটা বোধ হয় উচিত হবে না।
২৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৫১
comment by: অরূপ বলেছেন: হাবিব মহাজনও সমালোচনা করে
আপনেও করেন
কাজ = বল . সরন

জিরো সরন আর অসীম বলে কাম হয় না। সমালোচনার আবর্জনায় বড় হই। আমরা পজিটিভলি কিছু ভাবার ক্ষমতালুপ্ত জাতি। হয় কিছু ইফেক্টিভ কিছু করেন না হলে এমন কিছু করেন যাতে মানুষ উদ্দীপিত হয়। লীডারশীপ, মোটিভেশন অনেক ক্ষমতাধর বস্তু সমালোচনার চাইতে । আপনের লেখায় দাদনদার বদলাবে না, কিন্তু যে ছেলেটা স্বপ্ন দেখা শুরু করতো, সে বলবে "শালার চু..মারানির দেশে জন্ম আমার"। এরা বড় হয়ে দেশের টাকায় খেয়ে বিদেশে আমার আপনার মতো ঘর বাধে আর বাক্যবান ছাড়ে..
৩০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ব্লগ বন্দনা শেষ হয় নাই এখনো?
যাইহোক, বদনাতে শর্ট না পড়লেই হয়!
৩১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: dabs অরূপ ভাই....
নবেল প্রাইজের সমালোচকদের ধইরা দেওয়া উচিত একটা....

শালারা, ভাত পায়না চা খায় আবার হোন্দা নিয়া হাগতে যায়।

এই এটিচুড নিয়া আমাদের উন্নতি সম্ভব নয়। পৃথিবীর বুকে আমরা গরীব দেশ, অথচ বাড়ীতে মেইড সারভেন্ট না থাকলে আমাদের চলে না....
৩২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ইউনুসের স্তুতি যারা করছে তাদের যেমন অনেক ভাগ আছে, তেমন যারা তার পলিসির সমালোচনা করছে তাদেরও আলাদা আলাদা অবস্থান আছে, এন জি ও, নারীর ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মৌলাবাদী দলগুলোর সমর্থক যে কারনে বিরোধিতা করছে ইউনুসের সেটার সাথে অন্য একদল মানুষের ইউনুসের নীতির বিরোধিতা এক না, শত্রুর শত্রু বন্ধু এমন কোনো নীতি নিয়ে চললে আসলে মিত্র চিনতে ভুল হবে।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়েও একই কথা বলা যায়, তারাও গরীব মুক্তির একটা সফল প্রচেষ্টা, এর পরও গার্মেন্টসের মালিকদের কেউ কি মানবিক বলতেছে??
৩৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:২৮
comment by: অরূপ বলেছেন: টানলেন ভালোভাবে..
গার্মেন্টস মালিকদের মানবিক বলে না, কারন এইটা ট্রাডিশনাল ইকোনোমিক সিস্টেমে চলে, বাট নারীর এমপাওয়ারমেন্টে কিংবা চাকুরী সংস্থানে অবদান সামান্য হলেও আছে।
ড. ইউনুসও (আপনার ভাষায় ইউনুস) ইকোনোমিক সিস্টেমে তার প্রতিষ্ঠান চালায়, লোন দিলে তাই আদায়ও করে, কারন মুনাফা দিয়া চলে। সুদের হার আপটু 33%, যেইটা সরকারী লোনের অনেক উপরে। কাউ কাউ করার মতো বিষয়ের কমতি নাই। বাট উনি ঢাকা ইউনির মলে আড্ডা না মাইরা জিনিসটারে যাদের বেশী দরকার সেই পর্যন্ত টানছেন। কেউ উন্নতি করছে, কেউ নিঃস্ব , ক্যাপিটালিস্টিক সিস্টেমে স্বাভাবিক।

স্তুতি যারা গায় তারা পয়সা পায় না। বুকের গভীরে অনেক আবেগ নিয়া গায়। একটা অরূপ স্তুতি গাইলে ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) বা তার সাপোর্ট গ্রুপ এর কিছু আসে যায় না। প্রশ্ন হইল যারা কুৎসা গায় তারা কেন গায়। আপনেরটা বিনোদন সেইটা "ইউনুস ভাই"রে নিয়া তামাশাই প্রমান করে। উপাত্ত পরে দায় পইরা আনলেন। হাম্বাদিক কেন কুৎসা করে সেইটা ব্যাখ্যার দরকার নাই। কেউ করে বামরাজনীতির বিশ্বাসে, কেউ করে সত্যোৎঘাটনে । বছরের 364 দিনে এইসব কথা বাইর হয় না। নোবেল প্রাইজ দিলে কেন শুরু হয়। কারও কারও বাইর হয়, কিন্তু ব্যক্তি জীবনে তারা আমার মতোই হিপোক্রেট। দুঃখিত, হিপোক্রেটদের মুখের ঝাল খাইতে উৎসাহী না।

আপনের স্তুতি না গাওয়াতে সমস্যা নাই, একটা অনুপ্রেরনায় প্রস্রাব করার চেষ্টা দুঃখজনক। ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) হয়তো এখন গরীবের টাকায় স্যাটেলাইট ফোনে আলাপ করে, তার উদ্যোগটা মন্দ ছিল না। উনার দাদনে সুদ 33% হইতে পারে, দাদনদাররা যে 200% নেয় সেইটা চাইপা যান কেন? শর্টটার্ম লোনতো এটলিস্ট মানুষ পায়.. নিয়া নিঃস্ব হইলে সেইটা ড. ইউনুস (আপনার ভাষায় ইউনুস) এর একার দোষ না।

বিতর্ক চালায়া যাইতে পারেন, তাতে ওই অ্যালসেশিয়ান-ডালমেশিয়ান কাউ কাউ শুনবো সবাই.. । দেশে প্রচুর নেড়ী কুত্তা আছে হাম্বাদিকের মতো.. পদার্থবিদ রাসেল তাতে যোগ দিল আর না দিল কেউ ভাবে না। আমি চিল্লাই কারন এই তালগাছ আমি সহজে ছাড়ুম না!
৩৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অপু তোর ফোন নাম্বার টা দেতো!
৩৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা আমি ইউনুস কইলে সমস্যা নাকি? ঠিকাছে ডঃ ইউনুস সাহেব, আমাদের মহান উদোক্তা তার পলিসি নিয়া গ্রামে গেছেন, ডঃ ইউনুস আমার মতো ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা না মাইরা ভোক্তা বাড়ানোর কৌশল লইয়া গ্রামে গেছে, গার্মেন্টস না খুইল্যা শ্রমদাসত্বের একটা নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করছে।
আমি ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা মারা পোলা( যদিও আমার ইউনিভার্সিটিতে আড্ডা দেওয়াটা ঠিক কোন পর্যায়ে সমালোচনার অযোগ্যতা এইটা পরিস্কার হইলো না) ডঃ ইউনুসরে লইয়া কথা কই এইটা তালগাছ-বাল গাছের বিষয় না।
গার্মেন্টস কর্মির শ্রম দাসত্ব আর করিমনের শ্রম দাসত্ব, ঋন দাসত্ব একই প্রথার ভিন্ন রূপ, এই বিষয়টা তুমি অরূপ যদি মানতে না পারো তাহলে আমার কিছু বলার নাই,
তুমি তালগাছ লইয়া থাকো, তালগাছ বাসায় নিয়া গাইড়া দাও, টাল হোক, তালের রস হোক, আমার সমস্যা নাই কোনো।
আমার কাছে মনে হইতাছে এই ঋনদাসত্ব এই শ্রম দাসত্ব অমানবিক তাই আমি বিদেশি সিগারেট টানতে টানতে, ইন্টারনেট লইয়া এইরম কথা কইতাছি। আমার সেন্টিমেন্টের মানবিকতার জায়গাটাও মধ্যবিত্ত তোমার জায়গাটাও মধ্যবিত্ত জায়গা। ঐটা নিয়া কেউ প্রশ্ন করতাছি না, তুমি করতাছো কারন তোমার মনে হইতাছে ডঃ ইউনুসের সমালোচনা করার যোগ্যতা বা অধিকার আমার নাই, তার কর্ম তার উদ্যোগকে প্রশ্ন করার যোগ্যতা আমার নাই, সে নোবেল পাইছে বলেই এই পরশ্র ীকাতরতা- সমস্যাটা অন্য খানে, ইউনুস নোবেল পাওয়ায় এই নিয়া আলোচনাটা শুরু হইছে, এর আগেও বিচ্ছিন্ন ভাবে ইউনুস গ্রামীন ব্যাংক নিয়া পোষ্ট আসছে, সেই খানেও এই কথাগুলা আলোচিত হইছে,
তয় ডঃ ইউনুস নোবেল পাওয়ায় সবাই সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করতাছে, শুভেচ্ছা দেওয়ার চেষ্টা করতাছে, সবাই পিঠ চাপড়ানোর চেষ্টা করতাছে, এর মাঝে কেউ পিঠ চাপড়ানোটা পছন্দ করে নাই, তারাও লিখছে, আলোচনা চলতাছে, তুমি তালগাছ লইয়া বইয়া থাকো।
৩৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: অই মিয়া আপনেরা কী অহন মল্লযুদ্ধে নামবেন নি? নামলে আর দেরী ক্যা, রেফারী হিসেবে হিমুরে লইয়েন, কারণ আমি লোক ভালা না, ঘুষ খাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
৩৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৫৫
comment by: অরূপ বলেছেন: দাসত্ব ক্রেডিট কার্ডেরও হয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লোনেরও হয়, মাইক্রোক্রেডিটের হয়। কেউ দাস হয় কেউ হয় না। যারা হয় তারা দুর্ভাগ্যের স্বীকার। সবাই না। আপনে এইটা চাইপা গেলে বিপদ। তাইলে ব্যাংকিং সিস্টেম উঠায়া ইসলামী ব্যাংকিং ধরতে হয় (জানি না আদৌ সেইটা মানবিক কিনা)!

সেন্টিমেন্ট পায়ু না হুদয় থেকে আসলো সেইটা দিয়া তর্ক অগ্রসর করা যায়, বাট কথা হইল আপনের মানবিকতা দিয়া ইফেক্টিভ কিছু হয় না অরূপের পায়ুস্থ মানবিকতার মতোই বাকসর্বস্ব!

ইউনুস ভাই (হা হা হা) ভোক্তা বাড়াইতে প্রজেক্ট হাতে নিসিল এইটা কি জিবরাইল অহী দিয়া জানাইছে? মনে হয় না। বামপন্থী অ্যাজাম্পশন সব সময় গ্রাহ্য না।

সমালোচনা কনতেছে অনেকেই। ড. আকাশ করে, উৎস করে, আরও অনেকে। সমালোচনার ভঙ্গিটা কি রকম দেখার বিষয়।

আমি টিপিক্যাল হিপোক্রেট মধ্যবিত্ত (সাথে হয়তো উচ্চ যোগ করতে পারেন যদি আমারে আর গিরিঙ্গি দেখাতে চান), বাট প্রশ্ন হইল আপনের মানবিকতা কতোটা মাটিকে স্পর্শ করে! ওইটা না হইলে আপনি আমি দুই জনেই বাংলাদেশ ঘেউ সমিতির সাধারন সদস্য!

বেশী বুঝলে বেশী করতে হয়! কবে করবেন? না মানবিকতা আপাতত পকেট ম্যাট্রেসের খাটে খিচুড়ী খেয়ে ঘুম পাড়ে?
৩৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: গরীবের অর্থনৈতিক সংজ্ঞাটা এইরকমই, ভোক্তা হওয়া, পারচেজিং পাওয়ার বাড়ানো হইলো গরীব থেইক্যা মধ্যবিত্ত হওনের রাস্তা। এইটা ইউনুস মিয়াও ভালো ভাবে জানে, ভোক্তা হওয়াটাই আসল জিনিষ, অর্থনীতিতে এইগুলাই সব নির্ধারন করে, চাহিদা, ভোগ, ভোক্তা,
কেউ চাহিদা পুরন কইরা ভোগ করতে পারলে সে ভালো ভোক্তা, হ্যার কদর আছে, হ্যায় বড়লোক,
কারো চাহিদা থাকলেও ভোগ করার ক্ষমতা নাই, হ্যায় দুর্বল ভোক্তা, ইউনুস মিয়ার গরীব। এই ভোক্তা ক্ষমতা বাড়লে গরীব বড়লোক হয়। এই সংজ্ঞাটারেও কুতর্ক কিংবা এঁড়ে তর্ক করতে গিয়া ভুইল্যা গেলে বিপদ।
৩৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: একমত@ অরুপ।

আমি মনে করি, এই বিরাট অর্জন টা পুরো দেশের মানুষের জন্য একটা দারুন পজেটিভ মটিভেশন এর কাজ করবে, বিশেষতঃ যখন আমাদের দেশের জন্য ভালো কোন অর্জনের সংবাদের চরম অকাল। ঠিক নোবেল পাওয়ার আনন্দের সময়টাতেই সমালোচনা না করলে হয় না? গ্রামীন ব্যাংক ও পালিয়ে যাচ্ছেনা, ডঃ ইউনুস ও না।

আর সমালোচনার অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারে না। নেওয়া টা অন্তত এই ব্লগে সম্ভবও না। বরং সমালোচনা যে কোন সিস্টেমকে ত্রূটিমুক্ত করতে সাহায্য করে।
৪০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:১৫
comment by: অরূপ বলেছেন: আপনে কি ফান্ডামেন্টাল ইকোনোমিক্স বদলানোর ধান্দায় আছেন? তাইলে থামি..

কুতর্ক করায় ক্ষমা চাই, তবে আপনে সব পয়েন্টের উত্তর দেন না.. বাচ্চা পোলাপানরে পাত্তা না দিলে আহত হই..
৪১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: এই অর্থনীতির সংজ্ঞাটাকে আমি বদলাচ্ছি না, বরং এমন একটা মতবাদ বাজারে আছে 120 বছর ধরে, যেখানে বলা হইছে মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো যেগুলো পুঁজিবাদী সমাজ ব্যাবস্থায় কিনতে হয়, যেই সব মৌলিক চাহিদা পুরন করার ক্রাইটেরিয়া দিয়াছে আমাদের ইউনুস ভাই, সেইসব অধিকারগুলো মানুষমাত্রই পাওয়ার অধিকার রাখে, এবং এটার জন্য কোনো ঋনের মৌলিক অধিকার সামনে আনতে হয় না, এটা রাষ্ট্রের পুরন করার দায়িত্ব। আমি নতুন করে কেনো এইসব কনসেপ্ট নিয়া আসবো, পুরাতন কনসেপ্টের ভিত্তিতেই কথা বলি ভাই।
আর পুঁজিবাদের সংশোধন চলতেছে, চলবে,ঐউনুসের মুল আইডিয়াটা হয়তো আরও সামান্য অদলবদল করে ব্যাবহার করবে অন্যান্য দেশ- কারন এটা অর্থনীতি সমপ্রসারনের একটা প্রচেষ্টা,
৪২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:৫৫
comment by: অরূপ বলেছেন: রাসেল ভাই,
ইউটোপিয়ান সিস্টেম নিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করলেন মনে হয়! ভালো আপনি কোন দলের মানুষ জানি না, তবে আরও দুইটা দল এই গানটা গায়। ইউটোপিয়ান সঙ্গীত গাইলে আপনে আইদার মহামানব নাইলে হাম্বাদিকের নিকটজন..

ক্যাপিটালিজম আর গনতন্ত্র নিয়ে সবাই পারলে একটু থুতু ছিটায়। তবে মহামতিরা ইউটোপীয়ান এবং ধর্মভিত্তিক প্যাচাল ছাড়া কিছু উপহার দিতে পারেন নাই।

এন্ড অফ দ্য ডে, একটু প্র্যাকটিক্যাল হইতে হয় যে দাদা..

বাই দ্য ওয়ে, আপনে দেখি জায়গায় জায়গায় আপনের ড. ইউনুস বিরোধের কারন বদলাচ্ছেন। এইটা আপনের বিনোদনএ রূপ নিচ্ছে, সেইটা ফকফকা এখন.. !
৪৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: অরূপ ইউটোপিয়া না, এইটা একটা ট্রেন্ড কইতে পারো, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ফলে অর্ধেক কাজতো সম্ভব হইছে, চিকিৎসা, শিক্ষা এই দুইটা নাগরিক অধিকার চরম পুঁজিবাদী দেশগুলাও দিতাছে নাগরিকদের, এমন কি বেকার ভাতাও দিতাছে, এইটারে ইউটোপিয়া কও কেনো?
গৃহহীনদের বড় বড় আবাসস্থল বানাইতাছে-
রাষ্ট্রের ট্রেন্ড যাইতাছে ঐদিকটাতেই। মানুষের মৌলিক অধিকার বা নাগরিকের মৌলিক অধিকার পুরনের দায়িত্ব যে রাষ্ট্রের এই সত্যটা মাইনা লইতাছে যখন তখন ঐটারে ইউটোপিয়া কওনা কতটা যুক্তিসংগত এইটা ভাবা দরকার।
জার্মানী না হয় এককালে সোশ্যালিস্ট মুভমেন্টের দেশ আছিলো, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক হল্যান্ড কেন এই ধারায় রওনা দিলো কও? এই আমাগো পুঁজিবাদিগো সেরা দেশ যুক্তরাষ্ট্রও মৌলিক শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করতাছে।
এইটাই ধারা, এইটাই একটা পর্যায়ে স্ব ীকৃত ধারা হইবো,
৪৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি প্রথম যুক্তরাজ্যে এসে টাসকি খেয়েছিলাম । সাদা চোখে অনেকটাই সোসালিজমের স্ট্রাকচার এই সুপার ক্যাপিটালিস্ট দেশে ।
রাষ্ট্র নাগরিকের শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নিচ্ছে ।
একটা ভূল ধারনা দেশে পাই আমরা পুঁজিবাদী কাঠামো মানে রাষ্ট্রের খবরদারী নেই । অথচ এখানে দেখছি কৃষকেরা কতটুকু গম উৎপাদন করবে , সে লক্ষ্যমাত্রা ও রাষ্ট্র নিধর্ারন করে দিচ্ছে । একটা লেভেল পর্যন্ত রাষ্ট্র আইন প্রয়োগ করছে যেনো অর্থনৈতিক বৈষম্য একটা মাত্রা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত থাকে । যার ইনকাম যতো বেশী, ট্যাক্সের হার ততোবেশী । একটা বাড়ীর মালিক, আরেকটা বাড়ী কিনতে গেলে 40% ট্যাক্স দিতে হবে । ফলে একটা সাধারন রেষ্টুরেন্টের ওয়েটার আর ডাক্তারের ইনকাম বড়জোড় 1:3 । আমাদের মতো আকাশ পাতাল নয় ।


৪৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আজকের দিনে মানুষ তো আর স্বপ্ন দেখছেনা বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার কিংবা একক মানচিত্র । বিদ্যমান ব্যবস্থার ভেতরই মানুষ নু্যনতম অধিকারগুলো পেতে চায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে ।
আমাদের দেশে তার চেয়ে ও কম সুবিধা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে সুদের বিনিময়ে, আর এর সমালোচনাটা ও হয়ে যাচ্ছে দেশের সমালোচনা!
আজব ।
৪৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:২৫
comment by: অরূপ বলেছেন: জানতাম স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বেলটে দৌড় দিবেন। উহাদের পার ক্যাপিটা পার অ্যানাম জানি কতো দাদা?

এখন যে দেশে থাকি সেই দেশেও বেকার ভাতা দেয়। পাবলিকে কাম বাদ দিয়া বেকার ভাতা খায়, এবং এই প্রবনতা বাড়ায় এই দেশ চিন্তিত.. ।

রাসেল ভাই,
বই পড়া গল্প দিয়ে তো লাভ নাই, আপনেকে প্রধানমন্ত্রী বানাইলে দেশ উন্নয়নের শিখরে নিতে পারতেন কিনা সেইটা ভাবেন। কনসালট্যান্ট আর ম্যানেজার এর তফাৎটা জানলে কামে দিত। রিয়েলিটি আর বই এর নীতি মিলানো কঠিন। নাহলে লীডারশীপ ডেভেলমেনটের কোচিং খুলে দুটো পয়সা বানানো যেত।

সব রাস্ট্রে সব থিওরী চললে দুনিয়াতে ধর্মীয় থিওরীও ভালো বাজার পাইতো..
বাংলাদেশ কি জিনিস সেইটা অনুধাবন করে লেখা ভালো।

আমরা মানব উন্নয়নে ফ্রগ লিপ দিতে পারবো না। মাহাথির মোহাম্মাদ প্রধানমন্ত্রী হয়া টাকা কম বানায় নাই,ডেপুটিরে গে কয়া জেলে দিছে। প্রবলেম ভালো আছে পাবলিকের, বাট এই একটা বুদ্ধিমান বাটপারের জন্য দেশটা আগায় গেছে 50 বছর। সে ঘুষ খাওয়া বন্ধ করে নাই (যেইটা এখন বাদাওয়ী করতেছে), বাট সে রাজকোষে টাকা ভরছে, নিজেও মারছে।
আমাদেরও একটা কিছু লাগবে.. তবে আপনের বইপড়া মডেল নিয়া তক্কোটাইপ না।

এইটা বিতর্কে মূল বিষয় না। পিছলায় যাইতে চাই না। আপনে একটা মানুষের ফলে যে পজিটিভ ঘটনাগুলা ঘটছে সেইটা মানতে অপারগ.. সেই কারনে এতো ইতং বিতং... আপনে ইভেন ইফতেখারের পোস্টে ক্যাচাল করতে ছাড়লেন না। এতোই মানবিকভাবে দেখলে ছেলেটার আবেগে না পানি ঢালাই ভালো ছিল। বিনোদন দেখি ভেন্ডেটার পর্যায়ে চলে গেল!
৪৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫: