সুবিচার কি আদতেই পাবে মেয়েটি? উৎসর্গ মানবী।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯
আদতে অনেক দিন পর লিখছি তার কারণ মানবীকে ধন্যবাদ জানানো এবং মানবীর পোষ্ট বিষয়ে নিজস্ব মন্তব্য প্রকাশ করা।
যদিও এটা তার পোষ্টেই করা যেতো তবে এখানে আলাদা করে মন্তব্য করার বিষয়টা আমার ব্যক্তিগত অভিরুচি।
অনেকদিন আগের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে ধর্ষণের পর মৃত ভেবে ফেলে রেখে যাওয়া পোশাক শিল্পের শ্রমিকের করুণ মৃত্যু এবং প্রায় ৩ বছর পরে আদালতে মামলার বিচার শুরু হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরবার জন্য এবং এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রচার করার জন্য চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদককেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার অতিধীরগতির কারণে এমন বর্বর ঘটনার বিচার শুরু হতে এতটা সময় লেগেছে তবে আমার নিজস্ব ধারণা এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত মেয়েটার পক্ষে যাবে না। এমন ধারণার নানাবিধ কারণ থাকলে মূলত কয়েকটা স্পষ্ট কারণ আছে।
ঘটনা ঘটেছে ৩ বছর আগে, এবং বাদি মৃত, এ ঘটনার কোনো সাক্ষ্য নেই। পরোক্ষ সাক্ষ্য ছিলো যারা তারাও এখন বিচারের বিষয়ে তেমন আগ্রহী নয়।
মেয়েটার মা বাবার ঠিকানা হারিয়ে গেছে, হয়তো আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কাছে ঠিকানা আছে তবে তারা মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে বেশী বক্তব্য দিতে নারাজ। অপরাধীদের ৩ জন জামিনে বাইরে এবং ১ জন পলাতক।
আদালতে নিসংশয়ে যদি প্রমাণিত না হয় যে অপরাধীরা ধর্ষণ করেছে এবং তারা হত্যার উদ্দেশ্যে মেয়েটাকে ফেলে রেখেছিলো গোপন স্থানে তবে আদালত বেকসুর খালাস দিয়ে দিবে কারণ অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত না হলে আদালত অপরাধীকে বেনিফিট ওফ ডাউট দিয়ে দেয়।
এখন কথা হলো ধর্ষণজনিত ডাক্তারি প্রমাণ আছে কি না?
হয়তো মেয়েটাকে নিয়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে ডাক্তার একটা পরীক্ষা চালিয়েছিলো, সেখানে হয়তো ধর্ষণের চিহ্নও ধরা পড়েছে, তবে যে চিহ্ণ ধরা পড়েছে সেটা যে আদতেই অপরাধীদের দ্বারা সৃষ্ট এই প্রমাণ হবে কিভাবে?
বাংলাদেশের আদালতে এখনও বোধ হয় ফরেনসিক এভিডেন্স সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ার প্রথা প্রচলিত হয় নি। কিংবা যদি হয়েও থাকে ডাক্তার নিশ্চয় তার যৌনাঙ্গ থেকে বীর্য সংগ্রহ করে সেটার ডি এন এ প্রোফাইল তৈরি করে নি, যেটার ভিত্তিতে নিসংশয়ে বলা যাবে এই কয়জন মানুষ মেয়েটার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলো এবং তাদের দেহের ছাপ পাওয়া গেছে মেয়েটার শরীরে।
এখন কথা হলো মানবী যা করছে , একটা বিকল্প জনমত তৈরির চেষ্টা, যদি এটা দিয়ে বিচারক প্রভাবিত হয়, কিংবা যদি প্রচলিত জনমতের উপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত দেয় তবে আদালতে বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা উচিত হবে কি?
যে বিচারক প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত দেয় তার সিন্ধান্তের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে সব সময় একটা সংশয় থেকেই যাবে, কারণ বিচারক পদে আসীন থাকবার সময় তার নির্ভর করবার মতো বিষয়াদি হচ্ছে উপস্থাপিত তথ্য প্রমাণ ও সাক্ষ্য। এর বাইরে তার ব্যক্তিগত অনুভব যদি বিচারের রায়ে প্রতিফলিত হয় তবে সেটা অগ্রহনযোগ্য হবে আদালতে।
অবশ্য আমরা সবাই এ বিষয়ে নিশ্চিত ডেথ বেড স্টেটমেন্টে মেয়েটা ধর্ষকদের নাম বলেছে, এর উপরে ভিত্তি করে কয়েকজনকে চুড়ান্ত শাস্তি দিয়ে দেওয়া যায় হয়তো। কিংবা যদি আদালতের রায় মানবীর মনোবাঞ্ছা পুরণ না করে তবে মানবী আরও বড় একটা ক্যাম্পেইন করতে পারে - এবং জনমত গঠিত করে ধর্ষকদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারে।
আমার এর কোনোটাতেই তেমন আপত্তি নেই। তবে আমার মনে হচ্ছে এই বিচারের রায় কখনই নিসংশয়ে ধর্ষণের অপরাধটা প্রমাণ করতে পারবে না। আর মৃতের স্বামী নিজস্ব প্রয়োজনে দ্বীতিয় বিয়ে করেছে, তার মৃত স্ত্রীর বিচারের বিষয়ে আগ্রহ কমে গেছে সময়ের সাথে- সুবিচার আদতে কি পাবে মেয়েটি?
রাশেদ বলেছেন:
নির্মম বাস্তবতা। আইনের ফাক ফোকরের অভাব নাই।
রাহেলার স্বামীর হয়ত কিছু যায় আসেনা কিন্তু আমরা কষ্ট পাচ্ছি।
মানবিকে ধন্যবাদ দেয়াটাও কম হবে।
মনিটর বলেছেন:
হুমম
নিধিরাম সর্দার বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্ট।ঘুণে ধরা এই দেশটার ভণ্ডামিগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর জন্যে ধন্যবাদ নিন।
লাল দরজা বলেছেন:
ভাইজান, আইন দিয়া প্যাচাইলে ত মইরা জামু।
আমার মনে হয় মানবীর আবেদন বিচারক কে প্রভাবিত করার চেয়ে সংস্লিষ্টদের দায়িত্বটুকুই যাতে যথাযথ ও সিরিয়াসলি পালন করা হয় সে দিকেই ইশারা দেয়। এই যে আমরা সবাই এক সঙ্গে হয়ে কিছু একটা বলতে চাইছি সেটা কেবল এই জন্যই যেন এমন একটি অমানবিক ঘটনার যেন যথাযথ বিচার হয়। কেন অবহেলার সুযোগে, সমাজে যেনো কোন ভযাবহ জীবানু ঘুরে না বেড়াতে পারে।
ক'দিন আগে ঢাকা মেডিক্যাল এর বারান্দায় শুয়ে শুয়ে বিনা চিকিত্তসায় এক বেওয়ারিশ লোক পচে গলে মরছিল। ব্যাপারটা টিভিতে সংবাদ হয়ে আসার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে লোকটির যথাযথ চিকিত্তসার জন্য এগিয়ে আসে অন্য একটি প্রাইভেট ক্লিনিক। লোকটি সম্ভবত বেচে যাবেন ভালোভাবে এ যাত্রা। অথচ তার তো সবার অলক্ষ্যে ঢাকা মেডিক্যালের ওয়াশরুমের পাশে বেওয়ারিশ মরে যাবার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়তো এখন আর সম্ভব না।
এবার ধরুন লোকটি যদি মেডিক্যালে বেওয়ারিশ মরে যেত সে জন্য হয়তো কাউকে দায়ী ও করা যেত না। কতই ত এমন ঘটনা ঘটে এ দেশে, মরণ এসেছে মরে গেছে কথাতো তেমন অপরিষ্কার নয়। তাছাড়া এ বেওয়ারিশের দায়িত্বইবা কার, শত সহস্র প্রতিকুলতায় ওখানে প্রতি দিনই ত এমন ঘটনা ঘটতে পারে। সিস্টেমে যা আছে তাই ত হবে এখানে অনিয়মের কি আছে সিট নাই পরিচয় নাই ওষুদ নাই ডি.এম.সি ইবা কি করবে! সকল নিয়ম নীতির ফাক গলেই কিন্ত মানুষটা পচে গলে বেওয়ারিশ হতে পারত। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি, মানুষ আর মানুষের অন্যরকম চেতনা। একে আমরা মানুষের থকথকে ইমোশন-টিমোশন যে নামেই অপবাদ দেই না কেন শেষমেষ কাজেরকাজ কিছু হয় এটা ত সত্যি?
এখন ফিরে আসি মানবীর আবেদনে, ভাই রাসেল আপনি ব্যাপারটির একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। প্রকৃত আইন ত আর বিভূতি বাবুর অপু-দূর্গার ইমোশনে চলে না। চোখে কালো পট্টি বেধে, স্বাক্ষী-সবুদ দেখে শুনে যুক্তি প্রমান বিচারে এগিয়ে যায় আইনের পৃথিবী। এত মার প্যাঁচের ভেতর কৈ থেকে কে আসবে রাহেলার জন্য আর। ঠায়ঠিকানা যাদের নেই তাদের কি তবে এই ভাবে কচু বনের আড়ালে একদিক দিয়ে ধর্ষন চলবে আর এক দিক দিয়ে চলবে গলায় ছুরি। আর আইনের চোখে কালো পট্টি মেরে লেকের পচা জলে শিষ্ন ধুয়ে হলুদ দাতের হাসি হেসে বেচে থাকবে এক পাল হায়না। ঘুরে বেরাবে পাড়ায় মহল্লায় হাটে বাজারে পরবর্তী শিকার কোন রাহেলার খোজে!
আপনি মেটাদাগের ইমোশনাল মানুষদের আইনের চিকন ফাক-ফোকরের কথা গুলো দেখিয়ে দিয়ে ভালো করলেন, এখন সবাই মিলে আরো মনোযোগ দিয়ে চেষ্টা করবে এই কেইসটার যেনো বিন্দু মাত্র অবহেলা না হয়। নিরবে নিভৃতে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমানের অভাবে যেটার আশঙ্কা ছিল একশত ভাগ। এখন সম্ববত সেই বেনিফিট টা ডাউট হিসেবে থাকতে পারবেনা আর। বিচারপতি তার চোখ কান মুখ সব বন্ধ করেই নিরপেক্ষ বিচার করবেন, তার সাথে ও কারো কোন সম্পর্ক নাই। প্রচেষ্টা যেটা চলবে সেটা হচ্ছে কেউ যেন কোন ভাবে এক চুল পর্য্যন্ত অবহেলা করতে না পারে এমন হতভাগ্যদের। আমার বিশ্বাস কোথাও না কোথাও কোন না কোন ভাবে কিছু না কিছু আছেই যা দিয়ে অপরাধী'দের শাস্তি নিশ্চিত করা যেতে পারে।
ধন্যবাদ রাসেল আপনাকে, রূঢ়হ বাস্তবতা নিয়ে আপনার চিন্তশীল অন্যদৃষ্টি'র জন্য।
মানুষে বিশ্বাস হারাবোনা কোন দিন, মানুষের জয় হবেই।
লাল সালাম
তুষার ০০৭ বলেছেন:
হৃষ্টপুষ্ট পোস্ট। ক্ষমতাধরদের শাজনীন হত্যা মামলারই কি গতি হল? আর হতদরিদ্রদের রাহেলা.........??
মানবী বলেছেন:
"এখন কথা হলো মানবী যা করছে , একটা বিকল্প জনমত তৈরির চেষ্টা, যদি এটা দিয়ে বিচারক প্রভাবিত হয়, কিংবা যদি প্রচলিত জনমতের উপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত দেয় তবে আদালতে বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা উচিত হবে কি?"- --- বক্তব্যের সাথে একমত নই, দুঃখিত। বিচারককে প্রভাবিত করার কোন উদ্দেশ্য নেই। ঘৃণ্য অপরাধ করে কতোগুলো নরকের কীট স্বাধীন ভাবে ঘুরছে। যিনি তাদের পাশবিকতার শিকার হয়ে চলে গেছেন, তিনি ছাড়াও..আরো অগুনিত নারী তাদের শিকার হতে পারে যেকোন সময়। আইন তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। সমস্যা হলো হতদরিদ্র মানুষের জন্য সেই নিজস্ব নিয়মে আইনকে চালানোর খুব বেশি প্রয়াস চোখে পড়েনা। যেমন আপনিই বলেছেন রাহেলা'র মা ওর স্বামীর কথা। তাঁরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামেই ব্যস্ত, এই নরপশুদের বিচারে খুব বেশি উৎসাহ নেই। এই কুলাঙ্গার গুলোর প্রাপ্য শাস্তি আইন আদালত দিবে, তবে তার আগে প্রয়োজন এদের বিশেষ করে নরপশু লিটনকে আইনের হাতে সোপর্দ করা। তাই, আমাদের এই প্রচেষ্টা..
ধন্যবাদ জানানো এবং রাহেলার কেস সম্পর্কে নিজের মতামত জানিয়ে আলাদা পোস্ট দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ রাসেল ( ........)।
নিজের পেশাগত শিক্ষা থেকে বলতে পারি, ডেথবেড স্টেটমেন্ট অত্যন্ত জোরালো একটি সাক্ষ্য। শুধুমাত্র একজন ভিকটিমের ডেথবেড স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে একাধিক মানুষের মৃত্যুদন্ড হতে পারে।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মানবী একটা জনমত সংগঠনের প্রচেষ্টাকে অগ্রাহ্য করবার পরেও যা বক্তব্যে স্পষ্ট হলো যে একটা পুর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত এই ঘটনায় আছে তোমার।নরপশু লিটনের উপযুক্ত শাস্তির বন্দোবস্ত করা। যদি এমন জাজমেন্টাল হয়ে কোনো কিছু শুরু হয় তবে আমি তোমাকে কোনো আদালতে বিচারকের আসনে বসতে দেবো না। কোনো রকম পুর্বানুমান কিংবা ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা থেকে কোনো ঘটনা যাচাই করা যায় না।
আমাদের মানবীয় অনুভুতি দিয়ে চালিত হওয়া সব ঘটনার একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে থাকা কিংবা সেখানে অনড় হয়ে যাওয়ার বদভ্যাস নিয়ে অনেক কিছুই বলা যায় তবে
তোমার ভাষ্য শুনে আমার মনে হচ্ছে নরপশু লিটনকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ একজন মানুষ জনমানসে সচেতনতা আনতে বদ্ধপরিকর।
জনমানসে সচেতনতা আনা, তাদের বিবেচনাকে প্রভাবিত করা এবং এটাকে সার্বক্ষণিক আলোচনার মধ্যে রাখা সবই ঠিক আছে তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টা আমার কিংবা তোমার কিংবা তার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সমাধান হোক তা চাই না
বিহংগ বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।
তুষার ০০৭ বলেছেন:
হুমম, কাউকে চাকরি ফিরিয়ে দেয়ার আন্দোলন আর এটায় যে কেমন তফাত এটা আবেগে ভুলভুলাইয়া হয়ে যাচ্ছে আর কি....
কালপুরুষ বলেছেন:
সু-স্বাগতম। অনেকদিন পর! মিস করি তোমাকে ব্রাদার। কেমন আছো? পরিবার নিয়ে ভাল থাক এই দোয়া রইলো। লেখা বরাবরের মতই ভাল, যুক্তিসম্পন্ন বক্তব্যের জোড়ালো উপস্থাপন।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ধন্যবাদ আমার পোস্টে আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।আপনার লেখায় বাস্তবতা ফুটে উঠেছে, আর আমি লিখতে চেয়েছি আশার কথা। মতে ভিন্নতা থাকতেই পারে তবে সুন্দর বিতর্ক সেই ভিন্নতাকে ছাপিয়ে আরো সুন্দর কিছুর সন্ধান দেয়। এজন্যই বিতর্কে আসা।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ডি.এন.এ ল্যাবে তৈরি করা হয়েছে বেশ কিছু মাস যাবত তবে সেটা থেকে এখন পর্যন্ত কি কি প্রসবিত হয়েছে সেটা জানা নেই, তবে হয়েছে যে সেটা নিশ্চিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবেও ডি.এন.এ টেস্ট করার ব্যবস্থা আছে তবে সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও গবেষনার জন্যই।
তবে পূর্নাংগ ডি.এন.এ ল্যাব বলতে যে বোঝায় সেটা এখনো নেই দেশে। বানিজ্যিক ভাবেও নেই। তবে "এগুলোর বিশ্বাষযোগ্যতার অভাবও আছে"
বাংলাদেশে ধর্ষন মামলায় কি ধরনের আলামত নেয়া হয় তা সম্পর্কে বেশ ভালো ধারনা আছে আমার। এর সুযোগ নিয়ে প্রচুর মামলায় হাতে নাতে ধরা পরা ধর্ষকও ছাড়া পেয়ে যায়।
মামলার ভবিষ্যত নিয়ে আমি কিছুটা কনফিউজড তবে আশাহত হতে পারছি না। চেষ্টা চালাচ্ছি ও ভালো কিছুর সাথে থাকার চেষ্টা করছি।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মামলার রায় হয়েছে ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯, তবে প্রকৃত অপরাধীদের ভেতরে পলাতক ব্যক্তিটির ফাঁসির আদেশ হয়েছে, কিন্তু অন্য অপরাধীদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে, মামলার রায়ের নথি হাতে আসলে বলা যেতো কোন কারণে তাদের অব্যহতি দেওয়া হলো, লিটন একাই জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে এবং বাকি দুজন দাঁড়িয়ে হাত তালি দিয়েছিলো এমনও না। এই মামলা উচ্চআদালতে যাবে না, অনেক মামলার ভবিষ্যতই এমনই অন্ধকারে থাকে। মাঝের ১৮ মাসে আমার অবস্থান বদলানোর কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না।



















