আমার ফাঁসী চান ভাইয়েরা- জ্যামিতিকেরা আসো
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন যুবতী কন্যা দেখে আপ্লুত হওয়ার কিছু নেই- যৌবনে কুকুরীকেও সুন্দরী লাগে- চোখ ধাঁধানো সুন্দরীরাও একদিন ফুলে ফেঁপে পাশ বালিশ হয়ে যাবে আর তখনও ষোড়শীর উষ্ণ ঠোঁটের মদির চুম্বনের মতো আলোগোছে দেবো সিগারেটের শেষ টান।
সন্ধ্যাবাতির লেখাটা পড়ে খারাপ লাগে নি মোটেও- হুমায়ুন আজাদের নারী বইতে কোথাও বলা নেই এটা নারী সম্পর্কিত হুমায়ুন আজাদীয় মতবাদ। বরং সেকেন্ড সেক্স বইয়ের অনুবাদের সাথে সামান্য কিছু জুড়ে দিয়ে লেখা একটা বই- তবে বইতে একটা বিষয়ই বার বার প্রকাশ পায় আমাদের পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নারীকে কিভাবে দেখা হচ্ছে-
ক্লিশে নারীর ঐতিহাসিক পরাজয়ের বক্তব্য না সুচনায় বলি নারীরা তোমাদের শষ্যক্ষেত্র সেখানে যেভাবে খুশী গমন করো-
বুখারির হাদিস থেকেও বলা যায়- কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরছিলো মোহাম্মদ- তার এক সঙ্গীর কিছু দিন আগে বিয়ে হয়েছিলো- সে অধৈর্য্য হয়ে দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে আসছিলো- মুহাম্মদ তাকে বললো এত অধৈর্য্য হওয়ার কিছু নেই একটু দেরী করে যাও- তাকে সাজগোজ করতে সময় দাও-
যদি এই একই ভাষ্য কোনো মুস্তাফা সারয়ার ফারুকীর নাটকে আসতো তবে বক্তব্যটা কেমন হতে পারতো-
আর্রে মিয়া কোপাইবাই তো- একটু লেটে গিয়া কোপাও- বৌতো ঘরেই থাকবো- হবায় যুদ্ধ থেকে ফিরলা ক্লান্ত শরীরে বেশী লোড নিতে পারবা না- তারচেয়ে একটু রয়ে সয়ে-
কোনো একদিন সন্ধ্যাবাতি বলেছিলো আনাস বুঝে নি তাই সে বলেছিলো মুহাম্মদের চোদার ক্ষমতা ১০ জন পুরুষের সমান-
আমার খুব মজা লেগেছিলো সে দিন- কারণ তার কিছু আগেই পড়ে শেষ করেছিলোম বুখারী আর মুসলিমের গোসল আর পবিত্রতা সংক্রান্ত হাদিস সংগ্রহ- আর সেখানে নানাবিধ উত্তেজক বর্ননা- আয়েশার সাথে একই টুকরিতে গোসল করছে মুহাম্মদ- সে একদিন কাম সেরে আলস্য মেখে শুয়ে ছিলো তখন নামাজের সময় হয়ে গিয়েছে তবে মুহাম্মদের অনুপস্থিতিতে কেউ একজন নামাজের ইমামতি শুরু করার পর মুহাম্মদ তাকে হেভী ঝারি পিটায়-
এখানে ইমাম আদতে নেতৃত্ব- নামাজের নেতৃত্ব দিবে নেতা- মুহাম্মদ চোদাচুদি করে গোসল না করে অলস শুয়ে থাকলেও যেহেতু ইশ্বর মুহাম্মদের বন্ধু তাই তাকে ডাকবার সময় হলেও সেটা একটু পরেও করা যায়- মুহাম্মদের অনেক রকম ঝামেলা সত্ত্বেও তার এই ক্ষমতার প্রতি লালসা খারাপ লাগে-
তবে সেখানে পবিত্রতা সংক্রান্ত বানীমালায় সংকলিত বিষয়গুলোতে একটা বিষয়ই ছিলো- মনে হলো মুহাম্মদ যদি না চুদতো তাহলে সারাজীবনই গোসল না করেই কাটিয়ে দিতে পারতো-
নারী সঙ্গ মুহাম্মদের প্রিয় ছিলো না কিংবা সে যে কৌশলে নিজের বৌদের যৌনচাহিদাকে দমিত করলো এটাকে কি বিবেচক বলা যায়? তার বৌদের কেউ বিবাহ করতে পারবে না- এমনটাই ঐশ্বরিক বিধান- যে বিধান রচিয়াছে মুহাম্মদ নিজেই- হতেও পারে মুহাম্মদ নিজের বিবিদের যৌন হতাশা থেকে বাঁচিয়েছে- ১০টা পুরুষের মতো বলিষ্ঠ খেলুরে মোহাম্মদ ছাড়া অন্য কেউ কি আসলেই অষ্টাদশী আয়েশাকে শীর্ষ সুখ দিতে পারতো?
শাওন বলেছেন:
মাইনাস দিলাম । আপনি সরল অংকে আসেন রাসেল ।
শাওন বলেছেন:
আবার পড়লাম । লেখাটা কোনো জাতের মনে হয়নি ।
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
সংখ্যাটা ১০ নয় ৩০।
লেখক বলেছেন: ৩০ নাকি? তবে আমার সংস্করণে ১০ই ছিলো
লাল মিয়া বলেছেন:
৪ জনে মাইনাস দিছে।
লেখক বলেছেন: লালু কতা পছন হয় নাই তাই নেগেটিভ দিক লয়া যায়। যাউগকা শইলডা ভালা?
রাসেল ( ........) বলেছেন:
জাতের লিখাতো এইটা না ভাই ছাব- এইটা একটা স্বগত ভাবনা- মূল প্রশ্নটা আসলে কেনো মুহাম্মদ তার বিবিদের অন্য পুরুষের জন্য অবৈধ ঘোষণা করলো এইটা বুঝার জন্য- এই লাইনে এসে ব্যাট চালাও-
জ্যামিতিক ভাই- ইসলামের ত্রুটি নিয়া একটা কথাও বলা হয় নাই এইখানে- জীবন ব্যবস্থা হিসাবে ইসলাম কি এইটা নিয়া আলোচনা করতে হইলে অন্য কোথাও গিয়া ঢুঁশ মারেন ভাই- এইখানের আলোচনার বিষয় মুহাম্মদের নারী সংক্রান্ত চেতনা- তার ক্ষমতা আর নারী লিপ্সা নিয়া আলোচনা চালাইতে চাইলে কন্টিনিউ কইরেন- অযথা স্রাব না ঝড়ানোর জন্য ধন্যবাদ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
রাবিশ
লেখক বলেছেন: মাহবুব সুমন শব্দ বিষয়ক এলার্জি থাকলে চলবে না ভাইটু- বুখারীর অনুবাদে লেখা আছে সঙ্গম আর ইংরেজিতে যেইটা আছে সেইটা গুড ফর নাথিং দিছে-
আর আরও একটা কথা মাসু- বুখারী নিষিদ্ধ করবার একটা ক্যাম্পেইন করো- ঐ বেডা মুহাম্মদের পেছন মেরে সাফা কইরা দিছে হাদিস কালেকশন করে- নাইলে সেইসব নাস্তিকের দল অনেক কিছুই জানতো না- ঐখানে অনেক মজার মজার জিনিষ আছে-
অযথা ফাল না পাইরা- বুখারী পড়ো- ইহকাল পরকালে অনেক প্রতিদান পাইবা।
শাওন বলেছেন:
ফালতু গ্যাজানোর টাইম নেই । তাই অফ গেলাম । তবে আপনি একটা দূর্গন্ধময় পচা স্থানে বাস করছেন সেটা দেখালেন ।
লেখক বলেছেন: লাইনে আইসা না খেললে হইবো- আমি খারাপ মানুষ এইটাতে আমার আপত্তি নাই- মানুষ ভালা হয়- খারাপ হয়- কেউ কাউরে ভালা পায় কেউ খারাপ পায়- তয় হাদিসতো আমি লিখি নাই- কুরানও আমি লিখি নাই- আমি এক্কেরে বস্তিবাসীর ভাষায় কুরানের অনুবাদ দিতাছি-
তুমি এক কাজ করো মনোযোগ দিয়া বুখারী আর মুসলিম পড়ো- শুধু চোদার জায়গায় সঙ্গম বসায়া অনুবাদ কইরা যাও যা লিখছি সেইটাই পাইবা এইটাতে কোনো ভুল নাই০
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
মাহবুব সুমন এখনও চোদা দেখলেই এলার্জিক। lol
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
সত্যদা কি ছাগু না সালোয়ার? ইংরিজি কইতে গিয়া এমুন ভুল কর্লে কেম্নে কি
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
আপনি তো একটা অসুস্থ মানুষ।
লাল মিয়া বলেছেন:
রাসেল ব্যাক আপ রাখো। ছাগেন্দ্রলাল তেকোণী মনে হয় এইটা এখনই মুছবো....
লেখক বলেছেন: তুমি একটা কপি রাখো- ব্যাকাপ দিয়া কি হইবো- শব্দ নিয়া মানুষ আলোচনা করে- এইটার শালীন সঙস্করণে চুদার বদলে সঙ্গম দিয়া নামাও পাবলিক ভালো বলবে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
রাসেল,কি করবো আর কি করবো না সেইটা বোঝার ক্ষমতা আছে আমার। কোন শব্দ কোথায় প্রয়োগ করবো সেটাও বোঝার ক্ষমতাও আছে।
আমার ইহকাল পরকাল নিয়া ভাবার দরকার নাই আপনের।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
বুখারী জিন্দাবাদ!
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
'সংযত' বলে একটা শব্দ আছে। সবসময় না মানলেও মাঝে মধ্যে এই শব্দের ব্যবহার করা উচিত। এ শব্দের আগে 'অ' সবসময় পছন্দ হয় না। ধর্ম একটা খুবই সেনসেটিভ ব্যাপার। আমি ধর্মপরায়ণ মানুষ নই, তবুও মনের ভাব এভাবে ব্যক্ত করা পছন্দ হয় নাই।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ফাঁসির দড়ি লইয়া আইতাছে!
পর্থম পাতায় আহেনা মনে হয়। এইবার দড়িতে গিট্টু দিবো হেরপর মুহাহাহাহা...
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
রাজাকারের ছেলে রাশীদ সামোর হেড মডারেটর।
উদাসী মন বলেছেন:
অশ্লীল শব্দ ব্যবহার হয়েছে কি হয়নি তা বিচার না করে আমার মনে হয় লেখকের যুক্তিটা বোঝার চেস্টা করা উচিত।আমার দিক থেকে +
ব্লুজ বলেছেন:
রাসেল ( ........) ভাই আপনি কি শুধুমাত্র এই লেখাটি জ্যামিতি নামক কিছু মানুষের জন্য দিয়েছেন? এখানে তো আরো মানুষ আসে জানার জন্য। আমি বুঝতে পারছি আপনি একটি জিনিস তুলে ধরতে চাইছেন, কিন্তু এভাবে লিখলেতো পড়ার চেয়ে বিরক্তি লাগে। আর আপনার এমন যুদ্ধংদেহী ভাব কেনরে ভাই...যে ফাঁসি চাই বলে লেখা শুরু করলেন। আপনার সাথে এখানে মারামারিতো কেউ করতে আসেনাই রে ভাই। যা লিখতে চান, বোঝাতে চান্ -সুন্দর ভাষায় লিখেন, পড়তে দেন, আলোচনা-সমালোচনা করতে দেন। বিখ্যাত না হয় হলামনা কিন্ত তাই বলে কি অখ্যাত হতে হবে?
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
পাশ্চাত্য বুখারী খুব পছন্দ করে। তারা ইসলামে বিবেচনা করে এইসব হাদীস দিয়া।
আহাব বলেছেন:
শুয়োরের বাচ্চা না হইলে এমন একটা লেখা বেড় করা খুব কঠিন। হারামী শোন, একটা মানুষের কত ক্ষমতা চিন্তা কইরা দেখ যে তোগো মত লোকেরা এত সময় ধইরা এত চেষ্টা কইরা হের ইমেজ নেগেটিভ বানাইতে পারছ নাই। তোরা যা ইচ্ছা তা কইয়া বেড়া কিয়ের কি?তুই এমনি আরো বড় বড় লেখা লেখতে থাক। বড় আতেল হ। কিন্তু কিয়ের কি? তোগো মত কুত্তার বাচ্চারা যতই চেষ্টা করুক ইসলামের কোন ক্ষতি করতে পারেনাই, পারবেওনা। লিখতে থাক। আর শোন চোদাচুদি আর সংগম দুইটা একই শব্দ। কিন্তু সুশিক্ষিত মানুষ চোদাচুদি ইউজ না কইরা সংগম লিখবো আর তোর মত পাবলিক সংগম ইউজ না কইরা চোদাচুদি লিখবো হেইডাই স্বাভাবিক। আর শোন, বেশী বাড়িছনা। তোর হু আ আব্বা আর তসলিমা আম্মার পরিণতি দেখতাছস না?
নরাধম বলেছেন:
রাসেল ভাই, আপনার একজন ভক্ত ছিলাম। কিন্তু এটা কি লিখলেন? মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রতি আপনার ব্যক্তিগত জিঘাংসা থাকতে পারে কিন্তু এখানে মেজরিটি মানুষ তাঁকে সম্মান করে। তাদের অনুভূতির প্রতি একবারও লক্ষ করলেননা? অন্যের অনুভুতিকে আঘাত করার মধ্যে কোন কৃতিত্ব নেই, এটা শুধু বিকৃত মানসিকতার প্রতীক। সজ্ঞানে মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: নরাধম ভাইসাব মোহাম্মদ আমার মাঠের ধান কিংবা চাকুরীর বাজারের প্রতিযোগী না- মোহাম্মদের বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থাকারও কোনো কারণ নাই- তবে কথা হইলো কৃষ্ণ করলে লীলা খেলা আমরা করলে পাপ জাতীয় ভাবনা-
অন্ধ ভক্তি সব সময়ই কিছু ভয়ংকর উদ্ভটতা বিশ্বাসীদের ভেতরে ছড়িয়ে দেয়- মানুষ অলৌকিকত্ব খুঁজে- একটা সাধারণ মানুষও বিশ্বাস করতে পছন্দ করে সেসব- তবে
একজন মানুষের লিপ্সা লালসা অন্ধকার সব গল্প থাকবে না এমন কেনো? কেনো সোজা কথা সোজাসাপটা বলা যাবে না-
আমাকে যতগুলো গালি এখানে দেওয়া হয়েছে এই গালিগুলোর কোনোটাই আমি মুহাম্মদকে দেই নি- আমি হাদিস আর কোরান থেকে কিছু অংশ তুলে দিয়েছি-
যদি এই অংশে আপনার কোমলহৃদে আঘাত লাগে তবে সো বি ইট-
আমার নিজের লেখা নিজের আনন্দের উপকরণ এইখানে কেউ পছন্দ না করলেও আদতে আমার গায়ে কিছু লাগে না
ইবনে উজজা বলেছেন:
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:
বিরল প্রজাতি। +
রাতুল" বলেছেন:
রাবিশ
রোজলীন বলেছেন:
পাবলিক প্লেসে এইরুপ শব্দ প্রয়োগ করা অনুচিত যা শালীনতার সীমা লংঘন করবে...লেখক'কে বলতে চাই আপনারও নিজের মা বা বোন অথবা বউ আছে যারা সর্বদা চড়ে বেড়াই শালীনভাবে, বোরকার মধ্যে। সত্য হউক আর মিথ্যাই হউক কিছু পথভ্রষ্ট আজ নিজেকে পাপী ভেবে এইজাতীয় শব্দ বেকায়দায় ব্যবহার করে অন্যকে লজ্জাই ফেলার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে, অথচ দেখা যাবে তদ্রুপ ব্যাক্তি নিজ পরিবেশে পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী। প্রভু আপনাকে হয়ত ক্ষমা করবেন কিন্তু এই ব্লগের পাঠক বা লেখক বা ব্যবহারকারীরা পরবর্তীতে এই ব্লগে লগইন করার আগে অবশ্যই দেখে নিবে এখানের অংশগ্রহণকারীদের রুচির মান কতটুকু। আমি আপনাকে ক্ষমা করলাম তবে আপনার উচিত নিজেকে শোধরিয়ে ক্ষমা চাওয়া.....বাদ বাকী ব্লগের পরিবেশবাদীদের উপর ছেড়ে দিলাম।
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
তুই হালায় খালি ফাউল না, তুই একটা ঘাউল!
একজন ব্লগার বলেছেন:
রাবশি বল্লেও কম বলা হয়। মাইনাস!অভদ্র ভাষায় কখনো প্রতিবাদ বা যুক্তি হয় না। এইটা বোঝার মত জ্ঞান নাই বইলাই পোস্ট কইরাই বইসা ছিলেন না, কমেন্টও ঘাউ ঘাউ করছেন।
মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন:
আজকে সকাল থেকে আপনার বেশ কয়েকটা লেখা পড়লাম ।আমি ব্লগে নতুন।বিভাজিত দুই দলের কাদা-রক্ত মাখা লড়াই এড়িয়ে অন্যরকম মানুষ দের লেখা
খুজ়ে বেড়াই।অনেক গুলো লেখা পড়ে মনে হল এখানে অনেক চিন্তাশীল মানুষই আছেন।
আপনার লেখা গুলো ভালোই লাগতেছিল । এখানে এসে থমকে গেলাম।
কেন করলেন এমন ?
কারো বিশ্বাস টলাতে পারলেন কি?
কারো অবিশ্বাস কি খুব জোর পেলো এতে ?
পারলেন কি দুয়েকটা মানুষ কে কয়েক মূহূর্ত চিন্তা করাতে ?
যেটা করলেন ,তা হল কিছু ধর্ম-ব্যবসায়ী-ঊন্মাদ দের হুংকার দেওয়ার সুযোগ করে দিলেন ।সেখানে অন্যদেরও আর কিছু বলার থাকল না।
আপনি নাস্তিক হতেই পারেন ,আপনি বিশ্বাস করতেই পারেন সব বই গুলোতে
কাল্পনিক কথা লেখা আছে।কিন্তু তার মানে এরকম উন্মাদ লেখা না।
শেষ কথা ,এরকম লিখে সময় বা মহাকালের কাছে শুধু করুণাই পেতে পারবেন।
তাও যে কয়েকদিন জীবিত আছেন।
আগের লেখা গুলোর ভালো লাগা থেকে এই কথা গুলো লিখলাম ।
লেখক বলেছেন: কারো কোনো লাভ হইলো না ক্ষতি হইলো এইটা ভেবে তো লিখি নাই। লিখছিলাম নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে। এইটার উপযুক্ত ভাষা এমনটাই মনে হয়েছে।
অন্য কারো ভালো লাগা কিংবা মন্দ লাগার গুরুত্ব এখানে কম, নিজের অনুভব প্রকাশ করতে পারাটাই মূল বিষয়।
তৎসম বাঙালি বলেছেন:
"সত্যের হোগামারা খাইলে যাদের মাথা আউলাইয়া যায় তাগোর জন্য বলি আমি মিথ্যার হোগা মারি, মিথ্যা কইয়া হোগা মারা পছন্দ করি না।" --- আপনার এই কথা গুলো খুবই ভালো লেগেছে। যদিও satire-টা বেশখানিকটা harsh-ই হৈছে, তবু আমাদের উচিত মুক্ত-মত-প্রকাশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। যদি এই রোজনামচা-পরিবারের ছাগুর দল অন্যের মত-প্রকাশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতো আর ধর্মীয়-রাজনৈতিক ফায়দা লুটবার চেষ্টা না-করতো, তাহলে হয়তো এরকম রূঢ় ব্যাঙ্গোচ্চারণের দরকার পড়তো না আপনার।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
বাঙালি মুসলমানের অনুবুটি এত টীভ্র...হাসতে হাসতে 'শ্যাষ'!



















কিছু লোক ইসলামের দোষ ত্রুটি বের করার জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকবে চিরকাল, গোঁজামিল দিয়ে আর ভুল বুঝিয়ে অন্যকে ইসলাম বিমূখ করার ব্যার্থ প্রচেষ্টা।
এইসব ব্লগে ঢোকার ইচ্ছে ছিলনা, জবাবও দেবার ইচ্ছে ছিলনা, তবুও একটা কমেন্ট করে গেলাম এইজন্য যে, এখনও আমরা জেগে আছি।
-