অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

ধর্ম লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

শেয়ারঃ
0 4 0


ইসলামী বিশারদদের উৎপাতে এমনিই সমস্যাতে থাকি, তবে এই মহান রমজান মাসে তাদের উৎপাত অসহনীয় রকম বেড়ে যায়, ইসলামি চিন্তাবিদদের চিন্তা আমাকে আক্রান্ত করে।

প্রতিবছরই ঢাকাকে রমজানে নতুন রূপে দেখি আর আঁতকে উঠি, প্রিয় ঢাকা দিন দিন ইসলামী বিশ্বের রাজধানী হয়ে যাচ্ছে, এখানে বসবাস করা ২০ লক্ষ ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জীবনযাপনের ধারাবাহিকতা আহত হচ্ছে তবে ইসলামী চিন্তাবিদেরা এইসব মুর্তিপূজারীদের নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত নয়, কাফিরদের বাঁচবার এবং নিজস্ব সংস্কৃতি যাপনের কোনো অধিকার বোধ হয় নেই বাংলাদেশে।

রাস্তা দিয়ে যেই ১০ জন মানুষ হেঁটে যায় তার ১ জন হিন্দু, রাস্তা দিয়ে যেই ১০০ জন মানুষ হেঁটে যায় তার একজন খ্রীষ্টান, এমন কি বাংলাদেশের রাস্তায় হেঁটে যাওয়া প্রতি হাজার মানুষের ভেতরে অন্তত ১২৫ জন মুসলিম নন, তবে সংখ্যাগুরুরা সব সময়ই সংখ্যালঘুদের সংস্কৃতি চর্চার বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

পূর্বেও বাংলাদেশে রমজান এসেছে, তবে এমন জঙ্গী রমজান বোধ হয় আসে নি, দিন দিন রমজানের জঙ্গীভাব বাড়ছে, মানুষের অসহিষ্ণুতার নিদর্শন হয়ে উঠছে আমাদের রমজান।
গতকাল গুলশানের রাস্তায় প্রকাশ্যে খাওয়ার জন্য দুই বিদেশী পর্যটককে পিটানো হলো, অবশ্যই জনগণের ধর্মীয় বোধ আক্রান্ত হতে পারে, মানুষ না খেয়ে পড়ে আছে সেখানে দুই বিদেশী রাস্তা দিয়ে খেতে খেতে যাবে এটা কেমন কথা।

বীর মুসলিম বাঙালী দুই পর্যটককে পিটিয়ে হাতের সুখ করেছে, তবে একই সাথে আমাদের ধর্মীয় সহনশীলতার ফাঁপা মুর্তিটি ভেঙে ফেলেছে। আমাদের ধর্মীয় সহনশীলতা কখনই ছিলো না, তবে কাঠমোল্লাদের প্রকোপ কম ছিলো, তারা বিবেচক মানুষদের তুলনায় কম ক্ষমতাশালী ছিলো বলেই তারা উৎপাত করতো না অহেতুক, তবে এখন কাঠমোল্লারাই সংখ্যাগরিষ্ট, তাই তারা যেখানে সেখানে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার উৎপাত করছে।

রমজান আসলে আমার সামান্য সমস্যা হয়ই, সকালে উঠে সিগারেট টানতে টানতে বাইরে যাওয়া যায় না, এই সংস্কৃতি চর্চায় বাধাটা প্রাণে লাগে, অথচ যখন প্রথম ঢাকায় আসলাম তখন এইসব বালের ঝামেলা ছিলো না, দিব্যি রিকশায় সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে যাওয়া যেতে, গত ১৫ বছরে ঢাকা ক্রমশ আরও বেশী ধার্মীক এবং সতী হয়েছে,

গত বছর তার সকালে কিছু হোটেল খোলা পাওয়া যেতো, এবার দেখলাম এলাকার ছোটো ছোটো হোটেল আর চায়ের টং দোকান সকালে বন্ধ, বেশ্যার এক ফালি কাপড়ের আড়ালে রমজানের পবিত্রতা ঢাকা থাকতো টংয়ের দোকানে, মূলত রাস্তার সবাই দেখতো এখানে চা খাচ্ছে শ্রীকেরা, চা খাচ্ছে মধ্যবিত্ত মানুষেরা, তবে ঐ যে, বেশ্যাদের জন আলাদা কারাগার বানানো ঢাকা শহরে টংয়ের দোকানে রমজান মাসে পবিত্র বেশ্যাদের থেকে অপবিত্র বেশ্যাদের আড়াল করবার জন্য একটা সতীচ্ছদ লাগানো থাকে। টংয়ের দোকানের এপাশ থেকে ওপাশে দেখি, কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না। নিজেদের হঠাৎ করেই টানবাজারের বাসার ভাড়াটে মনে হয়। শালার ধর্ম- ধার্মিকের জোরজবরদস্তিতে স্বাভাবিক জীবনে ব্যঘাত ঘটবে নিয়মিত।

মেনে নিতেই হয়, সকালে আর সিগারেটের দোকান খোলা পাই না, খোলা পাই না যে হোটেলে প্রতিদিন সকালে বসে চা আর সিগারেট খাই, নাস্তা করি, সারাদিন অহেতুক ক্ষুধার্ত হয়ে ঘুরি, কোনো শপিং মলে ফুড সেন্টার খুঁজতে গেলে পবিত্র দোকানিরা প্রথম প্রশ্ন করে কেনো রোজা রাখেন নি।

এর উত্তরে অনেক কিছুই বলা যায়, তবে জঙ্গিঅধ্যুষিত ঢাকা শহরে সব উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না, আমার সাথে থাকা বন্ধুদের কয়েকজন ভিন্ন ধর্মের তারাও এই ধর্মীয় আগ্রাসনে আক্রান্ত হয়, আপনারা কেনো রোজা রাখেন না।

মিনমিন করে তারা উত্তর দেয় আমাদের রোজা নাই, আমরা অন্য ধর্মের- তখন তাদের নিশ্চিত চেহারায় একটা আলো ফুটে উঠে, ও বলে তারা জেরা থামায়।
এই অশালীন ও এবং এই অশালীন বোধধারী মানুষের কষে লাথি মারতে ইচ্ছা করে, এখন তো সুসময় যাচ্ছে, ঢাকা শহরের যে পরিবর্তন দেখছি তাতে এর পরে আমরা হিন্দু এই পরিচয়ও বিশ্বাস হবে না তাদের, তখন সবারই প্যান্টের চেন খুলে ধনের আগা দেখে নির্ধারণ করা হবে ধর্মপরিচয়।

ধর্ম শেষ পর্যন্ত লিঙ্গাগ্রে এসে ঝুলছে।

এই ২০ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমে ধর্মীয় আগ্রাসনে খাওয়া বাদ দিয়ে ঘুরবে, সবাই রোজা রাখবে অনর্থক? বিবেচনাবোধহীন মানুষদের এসব প্রশ্ন করা অবান্তর, ধনের মাথায় চোখ রেখে ধর্ম পালন করা মানুষদের কথা থাক-

আমাদের বিজ্ঞ মানুষেরাও কম যায় না আসলে।


প্রতি বছর রমজানে আরও একটা উৎপাত থাকে চিকিৎসকদের উৎপাত, ইসলামী ধ্যানধারণায় বিশ্বাসী চিকিৎসকেরা চমৎকার করে বলে ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখলে উপকার হয়।

এ কারণে অবশ্য তাদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস রোগীরা রোজা রাখতে চাইলে তাদের জীবন যাপনের ধরণ বদলাতে হবে, নিয়মিত পরিশ্রম এবং ব্যায়ামের সময়সূচী বদলাতে হবে, খাওয়ার রুটি বদলাতে হবে, বদলাতে হবে ঔষধ নেওয়া সময়সূচি, তবে ইসলামী বাঞ্চোতদের রোজা রাখাতেই হবে, মরে গেলে যাবে কিন্তু ধর্মকে উপরে রেখেই মরবে।

ডায়াবেটিস রোগীদের দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীরে শর্করার পরিমাণ কমে যায়, এই কমে যাওয়ার পরিমাণ যদি নির্দিষ্ট একটা মাত্রার নীচে চলে যায় তখন রোগী চিকিৎসকের সহায়তা ব্যতীত মৃত্যু বরণ করতে হবে। এ কারণে অবশ্য ইসলামী চিন্তাবিদেরা বলেছেন ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করতে পারবেন এতে রোজা ভাঙবে না।
অবশ্য রক্তপাতে রোজা ভেঙে যায়, এমন কি রজঃস্রাবের রক্ত ঝড়লেও রোজা ভেঙে যায়, কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগী যখন রক্ত পরীক্ষা করবেন তখন রোজা ভাঙবে না।

এবং অন্য একটা সমস্যা হলো রক্তের শর্করার পরিমাণ হঠাৎ করেই মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া, সে ক্ষেত্রেও এটা প্রাণঘাতী হতে পারে, এইসব পরীক্ষা করে ডাক্তারের পরামর্শে রোজা রাখতে হবে।

শাররীক অসুস্থতায় রোজা রাখা ফরজ নয়, অনেক রকম নিয়মনীতি থাকলেও মানুষের অবস্থা বিবেচনা করে কিছু শিথিল নিয়মও আছে, তবে সুর্য্যের বালি গরম হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের ধর্মীয় আকাশে বর্তমানে মোহাম্মদের চেয়েও অধিক ইসলামী চেতনাধারী মানুষেরা বসবাস করে,

এসবের একটা নিদান তারা দিয়েছেন ইসলামী তরিকা অনুসারে-

যদি শর্করার পরিমাণ অধিকা হয়ে যায় কিংবা আশংকাজনমকভাবে কমে যায় তবে তারা রোজা ভেঙে দিতে পারেন, উপদেশটা এমনই, কিন্তু এই রোজা ভাঙলেই হবে না এটা পরবর্তীতে কাজা রোজা রাখতে হবে।

রজঃস্রাব চলাকালীন সময়ে অপবিত্র নারীদের ধর্মপালনে স্পষ্ট বিধিনিষেধ আছে, এবং রমজান মাসের কয়েকটি রোজা এইসব নারীদের কাজা করতে হয়। ডায়াবেটিস রোগীরাও এই তালিকাভুক্ত,

বাঞ্চোত ডাক্টারদের আক্কেল দেখে মুর্ছা যাই, শালার ব্যাটারা যদি রোজা রেখেই তার প্রাণ সংশয় হয়, শর্করার পরিমাণ কমে যায় তাহলে কাজা রোজার সময় কি এই ঘটনা ঘটবে না?
নাকি রমজানের স্পেশাল ইফেক্ট এই শর্করা কমে যাওয়া। মানুষ পড়ে এত বেশী উজবুক হয় এটা এই ইসলামী উল্লুকদের সংস্পর্শে না আসলে বুঝতাম না।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১
অরণ্যচারী বলেছেন: আপনার লেখার সাথে একমত হতে পারলাম না।
২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
জটিল বলেছেন: লিঙ্গাগ্রে চিনহ দিয়ে ধর্ম বোঝা যায় :)
৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:

আমি ধর্মান্ধ নই।কিন্তু বেশির ভাগ ব্যপারেই একমত হতে পারলাম না।

Click This Link

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি ইলেকশনের ক্যাম্পেইন করতেছি না, আপনের মানতে পারা কিংবা না পারায় আমার কোনো বাল ছিড়ে যায় না, এইটা গত ২ দিনের উপলব্ধি, আর গুলশানের রাস্তায় মানুষ পিটানোর খবরটাও সত্যি, মানতে না চাইলেও সত্যি।

৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: গতকাল গুলশানের রাস্তায় প্রকাশ্যে খাওয়ার জন্য দুই বিদেশী পর্যটককে পিটানো হলো, অবশ্যই জনগণের ধর্মীয় বোধ আক্রান্ত হতে পারে, মানুষ না খেয়ে পড়ে আছে সেখানে দুই বিদেশী রাস্তা দিয়ে খেতে খেতে যাবে এটা কেমন কথা।

ভয়ানক খবর।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: উৎসাহী ধার্মিকের কমতি নাই, সতীচ্ছদের আড়ালে গিয়া সিগারেট টানি, ঢাবি ক্যাম্পাসেও এখন সতীচ্ছদ ঝুলায়া বইয়া থাকে মামারা।

সব মিলায়া বিয়াপক ঝামেলায়।

৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি ইলেকশনের ক্যাম্পেইন করতেছি না, আপনের মানতে পারা কিংবা না পারায় আমার কোনো বাল ছিড়ে যায় না, এইটা গত ২ দিনের উপলব্ধি, আর গুলশানের রাস্তায় মানুষ পিটানোর খবরটাও সত্যি, মানতে না চাইলেও সত্যি।

বাল ছিড়ে যায় না


!!!!!!!!!!!!what a classssssssssssss!
আমি আপনাকে রাগার মত কিছু বলি নাই।আমার মত দিসি।খেপলেন কেন!!
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: খেপি নাই, আপনের মতামত আপনে জানাইছেন, আমিও আমার মতামত জানাইছি,

আপনের না মানায় যে আমার কোনো বাল ছিড়ে না এইটা খ্যাপাকথা না, এইটা বাস্তবতা।

৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯
টংকেশ্বরী বলেছেন: ভাষার ব্যবহার আর একটু সংযত হতে পারত। কিন্তু যা বলেছেন, পুরোপুরি একমত..........

ধর্ম শেষ পর্যন্ত লিঙ্গাগ্রে এসে ঝুলছে। হা হা হা হা হা। সত্যি কথা.............।

গত ১৫ বছরে ঢাকা ক্রমশ আরও বেশী ধার্মীক এবং সতী হয়েছে-------এবং প্রাণ এসবের জ্বালায় ওষ্ঠাগত............
৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
সজল বলছি বলেছেন: আপনার মাথায় হালকা একটু সমস্যা আছে..... চিন্তার কিছু নাই। ঠিক হয়ে যাবে।
আপনি কি ধরনের রমজান দেখলে খুশি হতেন যদি বিস্তারিত বলতেন আরাম পেতাম।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: কানকাটা রমজান না দেখলে খুশী হইতাম,

তবে হুমায়ুন ফরিদী যখন কয়, "টাকা আমার চাই নইলে জমি, এসডিও সাহেব কে আমিই সামলাবো," তখন কানকাটা রমজানরে দেখলেও ভালো লাগে।

৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: রমজান একটা ফাউল সিস্টেম ।@সজল
কার মাথা ঠিক এটা বুঝা যায়।
১০. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৫
ফাহমিদুল হক বলেছেন: পর্যটক পিটানোর খবর কি আসলেই সত্যি?
এক মুসলমান দেশে রোজা না রেখে যখন কঠিন এক পর্যায় পার করছি, তখন ঢাকা বা দেশের কথা খুব মনে পড়ছিল। যে ওখানে এতটা ইসলামী বিধিনিষেধের বালাই নেই।
কিন্তু আপনি যে চিত্র আঁকলেন ঢাকার, তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। দুবছরেই এতটা অবনতি!
মানে বেরোজদারের জন্য ঢাকা কি অন্য মুসলিম দেশগুলোর মতোই নিজভূমে-পরবাসী-অবস্থা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: ফাহমিদুল ভাই কথা সত্য- এই কারণেই আরও বিরক্ত লাগতেছে, বাংলাদেশ যে এমন পরহেজগার দেশ এইটা বোধ হয় পর্যটকের জানা ছিলো না, একেবারে হাড়ে হাড়ে বাংলাদেশের ধার্মিকতা উপলব্ধি করলো বেচারারা।

১১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৫
সাহোশি৬ বলেছেন: ভাই দশ বছর ধরে প্রবাসে আছি। মাঝে মাঝে মনে হয় দেশে ফিরে যাই কিন্তু যখন শুনি ঢাকা ইসলামী বিশ্বের রাজধানী হয়ে যাচ্ছে, তখন পিছপা হয়ে যাই।

আপনার লেখাটা ভালো লাগল। "গতকাল গুলশানের রাস্তায় প্রকাশ্যে খাওয়ার জন্য দুই বিদেশী পর্যটককে পিটানো হলো।"

-এ বছরে আমার শোনা সবচেয়ে মারাত্মক খবর। বাংলাদেশ কি তাহলে ------------- হয়েই গেল?
১২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: সিলেটের খবর নেন কেঊ দয়া করে, বুঝতে পারবেন রোজা কারে বলে!
১৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ধর্মকে কারো উপর চাপিয়ে দেয়াটাও যেমন প্রকৃত ধার্মিকের কাজ না,তেমনি ভ্রান্ত অনুসারিদের জন্য প্রকৃত ধর্মকে ছোট করে দেখাটাও স্মার্টনেস না
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: এন্টেনা বদলাইতে হবে?

ভ্রান্ত অনুসারীদের জন্য প্রকৃত ধর্মকে ছোটো কিংবা খাটো করা হইছে এমন একটা বক্তব্য দেওয়ার ভিত্তি দেখান ভাইটি।

১৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৭
মনজুরুল হক বলেছেন: গো এ্যাহেড।যখন কোথাও কেউ থাকে না,তখন উজবুকেরা বলে শূণ্য।
যুক্তি শাস্ত্রে আর পদার্থ বিদ্যায় শূণ্য বলে কিছু নেই।
যখন কোথাও কেউ থাকে না,তখন একজন দাঁড়িয়ে যায়...আ ওয়ান ম্যান আর্মি...গো এ্যাহেড।কংগ্রাটস।
১৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
মেঘ বলেছেন: যাহা বলিয়াছেন ঠিক বলিয়াছেন
১৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
তারিক টুকু বলেছেন: ধীরে ধীরে ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশ আরো বেশি সাম্প্রদায়িক, আরো বেশি ধর্মান্ধ হয়ে উঠছে। এবং এসব কিছুরই উদাহরণ দেখা যায় রমজান মাসে। ক্ষুধার্ত মানুষের ক্ষিপ্ত থাকাই স্বাভাবিক কিন্তু এদেশের মুসলমানেরা যেন এই সময়টায় অনেক বেশি সাম্প্রদায়িক হয়ে ওঠে।
১৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: পর্যটক পেটানোর ঘটনা এই প্রথম নয়। বছর তিনেক আগে বনানীতে এক বিদেশীকে পেটানো হয়েছিলো প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার অপরাধে! ব্যক্তিগতভাবে আমিও ওই সিগারেট খাওয়ার অপরাধেই আক্রান্ত হয়েছিলাম একবার। 'মাহে রমজানের পবিত্রতা' রক্ষার জন্য কতোগুলো বদমাশ খুব সক্রিয় থাকে এই মাসে। রেস্টুরেন্ট থেকে বুড়ো মানুষ ধরে এনে প্রকাশ্য রাস্তায় কান ধরে ওঠবস করানোর দৃশ্যও নিজ চোখেই দেখেছি। এরকম কতো কতো 'পবিত্র' ঘটনা যে এই মাসে ঘটায় 'পবিত্রতাবাদীরা' তার হিসেব নেই।

চমৎকার লিখেছেন। এরকম একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য এরকম তীব্র ভাষারই প্রয়োজন! কংগ্রাটস।
১৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৭
হমপগ্র বলেছেন: বাংলাদেশের অবস্থা দেখে আমি প্রায়ই আতঙ্কিত হই। এবং আতঙ্কে থাকি। আজকে আপনি যে চিত্র তুলে ধরেছেন তার জন্য ধন্যবাদ।

আমরা আসলে দেশটাকে স্বাধীন করেছিলাম সেকুলার বাংলাদেশ গড়ার জন্য। চাইনি ইসলামী বাইঞ্চোতদের হাতে দেশটা জিম্মি হয়ে যাক।

খুব সাহস করে একটা কথা বলি। এইজন্য আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়তো নিবে কেউ কেউ। কিন্তু এইটাই সত্য যে এই বাংলার মাটিতে হিন্দু ধর্ম বিলুপ হয়েছিল তাদের বাড়াবাড়ি বেড়ে গিয়েছিল বলে। ইসলামের বাড়াবাড়ি বেড়ে গেলে একদিন ইসলাম ধর্মও এখান থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বাধ্য। কারণ এই জাতটা জোর জবর দোস্তি পছন্দ করে না।
১৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৩
লাল পিপড়া বলেছেন: বেশী না । এই দশদিনই লমফ ঝমফ থাকবো ।
২০. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪২
বিডি আইডল বলেছেন: লেখার শেষ অংশে ডায়েবেটিস নিয়ে টানা টানি কেন বুঝলাম না? আমার বাবা গত প্রায় ১৫ বছর ডায়াবেটিন নিয়েই রোজা রাখছেন কোন সমস্য ছাড়া...

আর মুসলিম হয়েও কোন কারন ছাড়া রোজা না রাখলে রাস্তার বেশ্যা বা পিরিয়ড চলা নারীর সাথে পার্থক্য কোথায়?


হোটেল বন্ধ থাকে ব্যবসায়িক কারনে...তাদের ব্যবসা চলে সন্ধ্যার পর..খাওয়ার এত তাল থাকলে বাসা থেকে নিয়া বাইর হন...
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আইডল ডায়াবেটিস নিয়া রোজা রাখলে ডায়াবেটিস ভালো হইয়া যায় কিংবা ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমে কিংবা এমন কোনো উপকার হয় এইটা জানা থাকলে জানাইয়েন, আপনের বাবা ১৫ বছর ডায়াবেটিস সমেত রোজা রাইখ্যা কি কি উপকার পাইছেন সেইটার তালিকা জানাইলেও ভালো হয়।
আমার আপত্তি এই দাবিতে যে ডায়াবেটস রোগীদের রোজা রাখলে উপকার হয়- আমার আপত্তি এই দাবিতে যারা রোজা রেখে মৃত্যুর দোরগোরায় পৌঁছে গেছেন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি কিংবা স্বল্পতায় তাদের কাজা রোজা রাখলে এই সমস্যা হবে না ।

হোটেল ব্যবসায়িক কারণে বন্ধ থাকে এই যুক্তিটা পড়ে সিট বেল্ট বাইন্ধা বসলাম। বাংলাদেশে আপনের ধারণা কতজন রোজা রাখে? বাংলাদেশে যেকোনো দিনে অর্ধেকের বেশী লোক রোজা রাখে না। এবং এই অর্ধেকের বেশী লোক রোজা না রাখাটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা না আমার বিবেচনায়।

ব্রেক ডাউন দেই-
১৫ কোটি মানুষ-

২ কোটি অমুসলিম
বাকি ১৩ কোটির ৩০ শতাংশ অনুর্ধ ১২ বছরের, তাদের সংখ্যা ৩ কোটি ৫০ লক্ষের মতো, এদের অর্ধেক যেকোনো দিন রোজা রাখে না।

বাকি ৯ কোটি মানুষের ভেতরে ৪ কোটি ৫০ লক্ষ মহিলা ও রজঃস্বলা নারী, তাদের ১ কোটি রজঃস্রাবজনিত কারণে রোজা রাখতে পারে না।

হিসাবটা খিয়াল করে-
এইখানে প্রায় ৫ কোটি মানুষ আছে যারা রোজা রাখতেছে না।
পুরুষদের ভেতরে কায়িক শ্রমে নিয়োজিত মানুষ, রিকশাওয়ালা এবং অন্যান্য শ্রমিকদের ভেতরে যারা অধিকশ্রমঘন কাজ করে তাদের অধিকাংশই রোজা রাখে না।
বরঞ্চ বলা যায় ব্লু কলার স্বচ্ছল মানুষের বিলাসিতা রোজা রাখা। এইখানে যেই কয়জন রমজান নিয়া পোষ্টায় তারা সবাই ব্লু কলার মানুষ, এরা রোজা নিয়া মাতামাতি করে, আর কতিপয় ধর্মান্ধ বাঞ্চোত রাস্তায় ধর্মের নামে ইতরামি করে বেড়ায়।

যাউকগা এইসব মানুষ খানাখাদ্য সকালের নাস্তা, দুপুরের ভাত ঠোঙায় ভরে আনে না তারা সস্তা হোটেলে গিয়া খায়। বিকালের ইফতারি ইতরদের কল্যানে বিক্রী হয়,

শেষ পর্যন্ত কথা হইলো বাসা থেইক্যা নিয়া বাইরাইলে কোথায় বইয়া খাইবাম?

২১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৯
লাল দরজা বলেছেন: চেক ইওর ধর্ম। ইট ইজ ডাউন এন্ড দেয়ার।

২৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯
সরপ বলেছেন: মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন। মাইনাস
২৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: দিনে দিনে আমি আপনার কঠিন ভক্ত হইয়া পড়ছি। এরকম লেখায় ভাষার এই তীব্রতাই থাকা প্রয়োজন।
২৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১০
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: প্রিয়তে পাঠালাম..............
২৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
যীশূ বলেছেন: রোজা শুরুর পর থেকে এই বিষয়গুলো নিয়ে একটা লেখা লেখার চেষ্টা করছিলাম বারবার। লেখা হয়ে উঠছিলো না, গোছাতে পারছিলাম না কথাগুলো। লেখাটা পড়তে পড়তে মন হচ্ছিলো আমার মনের কথাগুলো কি চমৎকার আপনি বলে যাচ্ছেন।

আপনারে স্যালুট, এত চমৎকার করে আমি কথাগুলো বলতে পারতাম না।
২৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
দখিনা বাতাস বলেছেন: আসল ঘটনা হইলো বাংলায় একটা শব্দ আসে " পরশ্রীকাতরতা"। ঐটাতেই যত ঝামেলা। নিজেরা রোজা রাইখা খাইতে পারতাছে, তাগে সামনে দিয়া আরেকটায় খায়-- এই হইছে ঝামেলা। যেমন কোন ভেজাল হইলেই রাস্তায় গাড়ী ভান্গা। অনেকটা এমন, শালা আমার গাড়ী নাই, তুই গাড়ী নিয়া যাস কই, ভান্গ শালার গাড়ী।

বাংগালী কোন দিনই এত ধার্মিক ছিলনা। কিছু কিছু লোক আছে সত্যিকারের ধার্মিক। যারা অন্যের ধর্মের বিশ্বাসকে মুল্য দেয়।

এই কাজ গুলা করে বিডি আইডল,মুক্তমনা টাইপ ধার্মিকরা। যারা উপরে দিয়া খুব আল্লাহ আল্লাহ করে তল দিয়া বাড়ীর কামের বুয়ারেও গর্ভবতী বানায়।
২৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
জানা বলেছেন:
শীরোনামটি আংশিক পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ রইলো রাসেল।
+++++++
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অন্য কোনো শিরোণাম যথার্থ মনে হইলে সেটা জানানোর অনুরোধ থাকলো।

৩১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
আন্দালীব বলেছেন: পর্যটক পেটানোর ঘটনা শুনিনাই। এ তো দেখি ব্যপক অ্যালার্মিং...

আর শিরোনাম পরিবর্তনের তেমন কারন দেখি না। লেখাটা শিরোনামসমেতই ভালো লাগছে...
৩২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১০
এক্সবিজনেস বলেছেন: ভাল বলেছেন । ধর্মান্ধদের ধরেও পেটানো উচিৎ
৩৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯
মেন্টাল বলেছেন: ধর্ম তো চিরকাল আমাদের ধনের আগাতেই ছিলো
৩৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: হারামজাদা ুদিরভাইদের ধর্ম আসলেই শিষ্নের আগায় ঝুলে থাকে।
৩৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২
সু-শান্ত বলেছেন: জানা বলেছেন:
শীরোনামটি আংশিক পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ রইলো রাসেল।
+++++++
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অন্য কোনো শিরোণাম যথার্থ মনে হইলে সেটা জানানোর অনুরোধ থাকলো।

রাসেল ভাইয়ের ফিরতি কমেন্টে বিপ্লব।
৩৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৩
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: তাইতো ঈমান ক্ষণে ক্ষণে খাঁড়া হইড়া পড়ে।
৩৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
বিডি আইডল বলেছেন: ডায়াবেটিস নিয়ে রোজা রেখে উপকার হয়েছি বলিনি...বলিছি সমস্যা হয়নি...শারীরিক সমস্যার সময় ইসলাম ধর্ম সবসময়ই শীথিলতা দেখায়

জনসংখ্যার সে হিসাব দিলেন সেটা অনুমান নির্ভর....আর আমাদের মুসলিম সংখ্যাধিক্যের কথাও ভুললে চলবে না..আমাদের ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি আছে...আবার ধর্ম না মানা নিয়েও আছে বাড়াবাড়ি...
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি এই কথাটাই বলতে চাইতেছিলাম যে যেকোনো শাররীক সমস্যায় ইসলাম অনেক শিথিলতা দেখায়। ইসলামী চিন্তাবিদেরা এই শিথিলতাটুকু মানতে রাজী না, তারা ডায়াবেটিস রোগীদের যাদের অবস্থা সংকটাপন্ন উপবাসের কারণে তাদের যখন কাজা রোজা রাখবার উপদেশ দেয় তখন অন্য কিছু ভাববার অবকাশ থাকে না।

যাদের সামর্থ্য আছে তারা রোজা রাখবে, যাদের সামর্থ্য নেই তারা রাখবে না রোজা। প্রথমিক পর্যায়ে এমন কি সমর্থ মানুষদের কেউ কেউ কাফফারা দিয়ে রোজা না রাখবার সুযোগ পেতো। হিসাব মনে নেই তবে কয়েকজনকে ইফতার করালেই রোজা না রাখবার পাপ কাটা যেতো।

শেষ কথাটাতে একটু আপত্তি আছে, ধর্ম না মানা নিয়ে বাড়াবাড়ি তেমন দেখি নি আমি, এমন কোনো ঘটনা আমার চোখে পড়ে নি যেখানে ধর্ম পালনের জন্য কাউকে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। ধর্ম না মানার কারণে ধর্মান্ধদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অনেক ঘটনাই পাওয়া যাবে বাংলাদেশে কিন্তু এমন কয়টা ঘটনা পাওয়া যাবে যেখানে কেউ নামাজ পড়ছে বলে তাকে পিটানো হয়েছে, রোজা রেখেছে বলে তাকে জোরপূর্বক খাওয়ানো হয়েছে কিংবা যাকাত দিতে যাওয়ার সময় তার যাকাতের টাকা লুট করা হয়েছে,

ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে ধর্ম না মানা মানুষেরা যতটা সচেতন ততটা সচেতন নয় যারা ধর্ম মানে তারা। পূজা করবার জন্য বাংলাদেশে মানুষ লাঞ্ছিত হয়, সেটাও ধর্মাচরণ, তবে এই লাঞ্ছিত করা মানুষেরাও আবার ধার্মিক।

৩৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
হোসেইন বলেছেন: যথারীতি + ।


কিছু কইতে যাই না , কইতে গেলেই কইব হাজি সাহেবের মুখ খারাপ ।
ইদানিং আপ্নের ভাষা ঠিক করনের উপদেশও দেখি বহুত বেশি পাইতেছেন ব্লগে , এইটাও আপ্নের পোস্টের লগে একলগে মিলাইয়া চিন্তা করলাম ।
৩৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: রমজানে মাসে খাওয়া অপরাধ, কিন্তু মাইরপিট করা অপরাধ না। যেই খবিসের দল এই দুই পর্যটক্রে পিটাইল, তাগো রোজা কি ঠিক আছিল?
৪০. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
বিডি আইডল হইলো আমগো ধর্মান্ধ শিষ্নধারী বাঙালির রেপ্লিকা মডেল।
হ্যারা লুইকা-চুইরা জেসমিনরেও উপভোগ করে, আবার ডায়াবেটিসসহ রোযা রাখার সুফল নিয়া জ্ঞান দেয়।

বাঙালি রমজান মাসেও ক্যাবল টিভিতে সফট পর্ন দেখে, কারিশমার নৃত্যে চোখ বড় হয়্যা যায় তাগো। তয় ইফতারের পর দেখে। বাল, কই যে যাই!
৪১. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
লাল দরজা বলেছেন: সংযম মানে কি? অন্যরে খাইতে দেখলে নিজের ও খাইতে মন চাওয়া! নিজের ইচ্ছা কে সংবরন করতে না পাইরা অন্যের ওপর চড়াও হইয়া পড়ার নাম সংযম! নাকি সংংযম মানে 'যম' এর ধর্মীয় 'সঙ' সাজা? জানি না দেশটা এমন হইয়া যাইতাছে কেন!
৪২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
বিডি আইডল বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
বিডি আইডল হইলো আমগো ধর্মান্ধ শিষ্নধারী বাঙালির রেপ্লিকা মডেল।
হ্যারা লুইকা-চুইরা জেসমিনরেও উপভোগ করে, আবার ডায়াবেটিসসহ রোযা রাখার সুফল নিয়া জ্ঞান দেয়।

বাঙালি রমজান মাসেও ক্যাবল টিভিতে সফট পর্ন দেখে, কারিশমার নৃত্যে চোখ বড় হয়্যা যায় তাগো। তয় ইফতারের পর দেখে। বাল, কই যে যাই!


এদের উদাহরণ দিয়েই বলছিলাম না মানা নিয়ে বাড়াবাড়ি...

বাইরে আসার পর আর্ন্তাজাতিক মন্ডলে যখন ইসলামকে দেখলাম..নতুন অনেক কিছুরই শেখার সুযোগ হয়েছে...আমাদের শিক্ষার দীনতা সবক্ষেত্রেই বড় প্রকট..
৪৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫০
লাল পিপড়া বলেছেন: আমি বিড়ি টানলে আপনের রুজা নষ্ট হইবো কেন ?
৪৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
দখিনা বাতাস বলেছেন: বিডি আইডলরা পর্নছবি দেখে খুব মনযোগ দিয়া, তারপরে ধরা খাইয়া কয়( মাঝে মাঝে ধরা না খাইলেও নিজ থেকেই বলে): বেডা বেডি ঐ কাম করলো, কিন্তু শরিয়তের বিধান মাইন্না করে নাই। নাউজুবিল্লাহ। এইসব দেখা হারাম।
৪৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন: কঠিন। কঠিন।

দয়া কইরা এইখানে ...http://www.somewhereinblog.net/blog/RABI08/28836164#comments
৪৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
লাল পিপড়া বলেছেন:
পোস্টটি ৩০ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি :)
৪৮. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
বিডি আইডল বলেছেন: দখিনা বাতাস বলেছেন: বিডি আইডলরা পর্নছবি দেখে খুব মনযোগ দিয়া, তারপরে ধরা খাইয়া কয়( মাঝে মাঝে ধরা না খাইলেও নিজ থেকেই বলে): বেডা বেডি ঐ কাম করলো, কিন্তু শরিয়তের বিধান মাইন্না করে নাই। নাউজুবিল্লাহ। এইসব দেখা হারাম।

তুমার পুটকি জ্বলে কেন ছাগু...রোজার দিনে ছাগে লাগায় নাই?
৪৯. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: প্রতিক্রিয়া পোস্ট :
Click This Link
৫০. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ৩১তম প্লাসটা দিলাম। পোস্টের বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। এবারে ঢাকায় রোজার প্রকোপ বেশি, অনেক বেশি। শিরোনামজনিত আলোচনা হাস্যকর লাগলো। এই পোস্টের সাথে শিরোনাম ঠিক আছে। আমাদের শব্দসংক্রান্ত ট্যাবু এখনও যায়নাই।
৫১. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২২
দস্যু বনহুর বলেছেন: লাল দরজা বলেছেন: সংযম মানে কি? অন্যরে খাইতে দেখলে নিজের ও খাইতে মন চাওয়া! নিজের ইচ্ছা কে সংবরন করতে না পাইরা অন্যের ওপর চড়াও হইয়া পড়ার নাম সংযম! নাকি সংংযম মানে 'যম' এর ধর্মীয় 'সঙ' সাজা? জানি না দেশটা এমন হইয়া যাইতাছে কেন!


রোজা মাসে সংযমের কথা ক্যান? রোজার মাসে মানুষ ডাবল খায়। রমজান মাস হইলো খাদ্যবিলাসরে মাস। যে এইকথা স্বীকার করেনা হেয় দুনিয়ার সবতে বড় মিথ্যুক। কেউ কেউ সারা বছরের খানাখাজানা রমজান মাসে শেষ কইরা ফেলতে চায়। পেটুকরা রমজান মাসের প্রতীক্ষায় থাকে কখন আসব।
৫২. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ডাক্তারদের ব্যাপারটা ভাল লিখলেন। কিন্তু ঢাকার এছলামাইজেশন এর ব্যাপারটা মানতে পারলাম না। আমি ভাই অনেক বছর ধরেই নামাজ রোজা খুব একটা করিনা। আজকেও রোজার দিন ছিল, রাস্তায় সিগারেট ফুকলাম, শুধু তাই না গার্লফ্রেন্ড নিয়া ঘুরাঘুরিও করলাম হেটে হেটে, রিক্সায়, রেস্টুরেন্টে। কৈ কেউ তো তাকায়াও দেখল না!!!

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ভাইছাব ঘুম থেকে উঠেন কখন?

আমার দিন শুরু হয় ৭টায়, ঢাকা শহরের হোটেলগুলাতে ৭টায় রমজানে গিয়ে একটু নাস্তা করবার চেষ্টা কইরা দেখেন,

রাস্তায় সিগারেট খাওয়া যাইবো না ক্যান যাইবো তো অবশ্যই তয় ঠিকানাটা দেন কোন রাস্তায়, কাছে পিঠে হইলে আমিও গিয়া খায়া আইতাম। আর একটু চেষ্টা কইরা নিউমার্কেট আর গাউছিয়ায় প্রকাশ্যে সিগারেট টাইনা আমারে আইসা কইয়া যাইয়েন রমজানের দিনের বেলা টানছিলাম সিগারেট।

৫৩. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৭
সজল বলছি বলেছেন: এটা পড়, ভালো লাগবে।
Click This Link
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাইয়ের বাল পাইকা কি তামার তার হইয়া গেছে? না কি হোগার বালে গিট্টু বাইন্ধা হাতি টাইন্যা আইছো এইখানে।

তুমি বাইনচোদ কোন হোগার বাল আয়া পড়ছো এইখানে, তোমারে কি আমি চিনি? আমার কি ভালো লাগবো আর কি ভালো লাগবো না এইটা আমি ঠিক করি, তয় অপরিচিত কোনো খানকির ছেলের তুমি কিংবা তুই সম্বোধন শুনতে আপত্তি আছে।

৫৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫২
আরিফুর রহমান বলেছেন: লাল দরজা বলেছেন: চেক ইওর ধর্ম। ইট ইজ ডাউন এন্ড দেয়ার।
৫৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৭
শয়তান বলেছেন: জলপাই আমলগুলোতেই বংগবাসীরা অতিধার্মিকতা দেখায়
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: উঁহু এইটা একটা ধারাবাহিক পরিবর্তন, ২০০১ এ ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার জন্য আমাকে জবাবদিহি করতে হয়েছিলো, এই ঘটনা তার আগের ৫ বছরে ঘটতে দেখি নাই।

এই বছর সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সামনে বিশাল এলাকা ঘেরা দিয়া পাবলিক তার ভেতরে বসে বিড়ি খাচ্ছে, মধুর ক্যান্টিনের আশেপাশে বিড়ি খাচ্ছে কিন্তু এর বাইরে মল চত্ত্বর কিংবা বট তলায় স্বাভাবিক বিড়ি খাওয়ার প্রবনতা নেই।

একই অবস্থা নিউমার্কেটের, আগে প্রথম গেটের বাইরে একটা টং দোকার ছিলো, সেইটা আপাতত নিখোঁজ, ভেতরে টয়লেটের সামনে একটা দোকান ছিলো চা বেচতো, সেইটা গতকালও দিনের বেলা চা দিতে চায় নি, সিগারেট পাওয়া যায় নি সেইখানে।

৫৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: এইসব ইন্ডিকেটর গুলা সিরিয়াসলি নেয়া উচিত!
৫৭. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৯
কঁাকন বলেছেন: ধর্ম শেষ পর্যন্ত লিঙ্গাগ্রে এসে ঝুলছে।
৫৮. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

সোসাইটিতে এইসব হালুমহুলুম ঘটনা নতুন কিছু না, আসে আবার ঠেলার চোটে চইলাও যায়...মাগার মানুষ যখন সেইটা আর চইলা যাক এইটা চাইতে পারে না তখন তার কারণ জানাটা জরুরী।

বাংলাদেশের অবস্থার লেইগা দায়ী শিক্ষিত ধার্মিকের বালেরা। হালারা না বুঝে শিক্ষার মর্ম না বুঝে ধর্মের শিক্ষা। এই আবাল্গুলারে আইডেন্টিফাই কইরা মাইনষের কাছে প্রচার করার সময় আসছে...
৫৯. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: সমস্যা হৈলো এই টাইপের ধার্মিক ষুশীল দিনকে দিন বাড়তাসে!

কেমনে জানি যোম্বির পাল হয়া গেসে সব পাবলিক।

"The only thing necessary for the triumph of evil is for good men to do nothing" - Edmund Burke

এইটা মনে রাখা জরুরী!
৬০. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

পুরা একমত - ভালামানুষরা কয় কিছু করনের নাইক্কা, বেশ্যার লেঙ্গটি দিয়া বিড়ি খাইতেই হামরা ভালা ফাই...তাইলে আর দাম্মিকগো দোষাইয়া লাভ হইব না...
৬১. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫০
মেন্টাল বলেছেন: ভালোমানুষেরা সবসময় ইফতারের পর হাত মারে, তাতে রমজানের পবিত্রতা অক্ষুন্ন থাকে।
৬২. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
আরিফুর রহমান বলেছেন: অথবা বান্দীরে নিয়া স্টোররুমে ঢুকে। সবই লীলাখেলা!
৬৩. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৪
এস্কিমো বলেছেন: দুইজন বিদেশীরে পিটাইছে - এতে এতো হৈ চৈ করার কি আছে? বাংলাদেশ এমন কোন দেশ না যেখানে স্বর্গের নিরবতা বিরজমান।

এখানে একটা ট্রাভেল এডভাইজারি দেওয়া আছে - Click This Link

কানাডার থেকে যারা বাংলাদেশে যায় তাদের এইটা জানতে হয়।

সমস্যা মনে হয় রোজা বা ধর্মের উন্মাদনা না - অন্য কোন জায়গায় - একটু ভাবেন। সবাই যদি হুমায়ুন আজাদ হয়ে যাই কেমনে হবে?

তবে কমেন্ট গুলো পড়ে বেশ মজা পেলাম :) - মানুষের ভাবনার বৈচিত্রতাটাই দারুন উপভোগ্য বটে।
৬৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: সবাই হুমায়ুন আজাদ হওয়ার প্রয়োজন নেই, এস্কিমো।

তাঁর মতো দশজন লোক থাকলে বাংলাদেশের আজ এই দুর্দশা হতো না।
৬৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
এস্কিমো বলেছেন: হবে হয়তো। কিন্তু দেখুন অনেক জায়গায় একজন মাত্র মানুষ পুরো বিশ্বের লক্ষ মানুসকে একটা মতে নিয়ে আসতে পেরেছেন - সেখানে কেন দশজন হুমায়ুন আজাদ লাগবে?@ আরিফ
৬৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: চানখারপুলে মিতালী হোটেলের কি অবস্হা? হলে থাকার সময় দেখছি রোজার মাসে তারা হোটেলের ভেতরে পোস্টার ঝুলায়, " পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে মিতালী হোটেল ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে।" অন্য সময় যা রাত ২ টায় বন্ধ হয়ে ৫টায় খুলত, সেহরীর কারণে রমজানে ঐসময়টাও খোলা থাকবে।

বিদেশীদের পেটানোর খবর খুবই দুঃখজনক। সিলেটে এরকম অবস্হা হয়েছিল, রোজার দিনে সিগারেট ধরিয়েছি, দু-তিনজন দৌড়ে এসেছে, 'ভাই এটা সিলট। সিগারেট ফেলেন।' গোটা দেশটা সিলেট হয়ে গেল নাকি?

৬৭. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
বিগব্যাং বলেছেন:
১। অর্থনৈতিক বৈষম্যের সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের সমাজে বাড়ছে শিশ্নবাদী ধর্মাচারের মড়ক... বৈষম্য ও অশিক্ষাকে জারি রেখে আমরা যত চেষ্টাই করি এ গ্যাড়াকল থেকে বের হতে পারব না...
২। প্রশ্নত্তোর বলেছেন, "বাংলাদেশের অবস্থার লেইগা দায়ী শিক্ষিত ধার্মিকের বালেরা। হালারা না বুঝে শিক্ষার মর্ম না বুঝে ধর্মের শিক্ষা। এই আবাল্গুলারে আইডেন্টিফাই কইরা মাইনষের কাছে প্রচার করার সময় আসছে... " এটা গুরুত্ত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এ কারণেই এদেশে তৈরি হচ্ছে "প্রগতিশীল ইসলামি ব্যাঙ্ক" কিম্বা "ইংলিশ মিডিয়াম ক্যাডেট মাদরাছা" টাইপের প্রজননক্ষম হিজড়া প্রতিষ্ঠান...শিক্ষিত চূতমারানিরাই এসবের জন্য দায়ী...(চিহ্নিত সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদি ত্রিভুজের রগরগে আবিষ্কার "ত্রিভুজপাদ" কে বাজারজাত করতে ল্যাওড়া বাগিয়ে এগিয়ে এসেছেন এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলছেন ব্লগ কাপানো প্রগতিশিল ও কালজয়ি কবি ভ্রিত্যু রাইছু...)
বিক্রিতি আর পার্ভাশনের শুরু এখানেই...
গরীব মানুষ আর তাদের মাদ্রাসা পড়ুয়া ক্ষুধার্ত শিশুদের কি দোষ...
৬৮. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন: আফসোস ! এত ভাল লিখতে পারিনা !
৬৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২১
রাসেল ( ........) বলেছেন: নাজিম মিতালীর ঐ দিকে এখনও যাই নাই, যাওয়া হয় না অনেক দিন,

আজকে গেছিলাম উত্তরা এয়ারপোর্ট, সামনের কাবাব ঘর পুরাটাই বন্ধ, সেইখানে এয়ারপোর্ট স্টেশনের পাশে একটা হোটেলে দুপুরে লাফ দিয়ে ঢুকতেছি, নামটা মনে হয় এয়ারপোর্ট রেস্তোরা কিংবা এমন কিছু, গেটেই থামাইলো হোটেলের বেয়ারা,
আঙ্গুল তুলে দেখালো নোটিশ, রমজানের পবিত্রতা রক্ষার জন্য রমজানে দুপুর বেলা রেঁস্তোরা বন্ধ থাকিবে। খিদায় পেটে ইঁদুর দৌড়াচ্ছে, সেইভাবেই দুরে একটা হোটেলের সাইনবোর্ড দেখলাম, ছুটলাম রেল লাইন পার হয়ে , ৪ তলা মার্কেটের শেষ মাথায় একটা হোটেল, সেখানে পৌঁছেও বিফল হয়ে ফিরতে হলো, সেটাও সম্পূর্ণ বন্ধ,
অবশেষে আরও একটু ভিতরে গিয়ে সেতু রেস্তোরা কিংবা হোটেলে খেলাম দুপুরের ভাত।

সকাল ৯টায় রাস্তায় নেমেছি, মহাখালী কিংবা বনানীতে বড় রাস্তায় কোনো দোকান খোলা পাই নি, হোটেল দুরের কথা।

যাই হোক মহাসমারোহে রমজান পালিত হোক।
৭০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪২
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: অনেক আগেই প্রিয় পোষ্ট। এখন কমেন্ট দিতাসি।
রোজা করতে যায়া এখন মুতও আটকায়া রাখতে হয়, মুত্র নিয়ন্ত্রণ যে রোজার অন্যতম অংশ হয়া উঠছে তা বুঝি নাই।
৭১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২২
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: আপনার লেখাটা ভাল হয়েছে......আমি উদার মুসলমান......ধার্মিক হওয়ার চেষ্টায় আছি......লেখকদের কাজ হল সমাজের ময়লা পরিস্কার করা......সাহিত্যিকদের লেখনি দেখে আমার ধারণা এটাই......আপনার লেখা সমাজের কাজে আসবে আশা করা যায়......উগ্র-ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে অবশ্যই লেখা যাইতে পারে ............... তবে কারও জ্ঞান যদি কম থাকে তাহলে সেটা তার দোষ, ধর্মের নয়......

ধর্ম কিন্তু লিঙ্গাগ্রে থাকে না, ইসলামে খাৎনা করা কিন্তু অবশ্য কর্তব্য নয়, আপনার লেখার ব্যবসায়িক দিক চিন্তা করে হয়ত আপনি এই শিরোনাম দিয়েছেন.........হতে পারে আপনি বিজনেস এর ছাত্র.........

প্রকাশ্যে খাওয়ার অপরাধে পেটানো যেমন ব্যক্তি স্বাধীনতায় বাধা দেয়া, রোজাদারের সামনে খাওয়া অথবা ধূমপান করা তেমনিভাবে ধর্মপালনরতকে অসম্মান প্রদর্শন.........উল্লেখ্য, আমার (হয়ত অনেক রোজাদারেরই) সামনে কাউকে খেতে দেখলে অন্ততঃ আমার সমস্যা হয় না......

ভাষার ব্যবহারে সংযত থাকলে আপনার সাথে আরও কথা বলার অবকাশ আছে.........
৭২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
মেন্টাল বলেছেন: উদার মুসলমান কি জিনিস?@মো: আব্দুল হাকিম
৭৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: মেন্টাল ভাই, মুসলমান বলতে আমি মুসলমান, আর উদার বলতে সকল ধর্ম-বিশ্বাসের প্রতি সমান সম্মান প্রদর্শন এবং আমার কারণে কারও ধর্মপালনে অসুবিধা নাহোক সে ব্যাপারে সচেতন থাকা বুঝিয়েছি .........অন্যের ধর্ম-বিশ্বাস সম্পর্কে যেমন মনঃযোগ দিয়ে শুনি, তেমনি নিজের ধর্ম সম্পর্কেও তাদেরকে বলি......
৭৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০০
মেন্টাল বলেছেন: আর যারা শুধু মুসলমান (উদার বাদে) তারা কি অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে না?
৭৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৬
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: মেন্টাল ভাই, হয়ত অনেকেই করে আবার অনেকেই করে না......উপরের লেখাটা দেখে তো তাই মনে হয় কি বলেন !!!!!!!!
৭৬. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
ইউনুস খান বলেছেন: প্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া পোস্ট

Click This Link
৭৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: "আশংকার কথা হলো যখনি ইসলাম ধর্ম কে নিয়া কোন পোস্ট আসে তখন ঐ পোস্টে এমন কিছু নামের ব্লগারকে মন্তব্য করতে দেখি যাদের সচরাচর দেখা যায় না। তখনি সন্দেহ লাগে এরা কি ইসলাম ধর্মটাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কিনা? সেজন্য বলেছিলাম "সেটা হতো একটা চিহ্নিত ধর্মগোষ্টীর স্লোগানে শব্দহীন কান্না"।

ইউনুস ভাই, আমি এরকম একটা কথাই খুজতেছিলাম.........খুব ভাল লিখেছেন.....সেই গুটি কয়েক লোকের মন্তব্য দেখলেই বুঝতে পারবেন তারা ক্ষয়িষ্ণু কোন ধর্মের অন্তর্ভূক্ত.......নিজের ধর্ম বিশ্বাস করে না এটা তাদের ব্যাপার কিন্তু অন্যের ধর্মের পিছে লাগবে কেন!!!!!!!!ধর্ম নিরপেক্ষ বলে কেউ আছে বলে আমি বিশ্বাস করি না......যারা নাস্তিক তাদেরও একটা ধর্ম আছে সেটা হল নিজের অবিশ্বাসটাকে প্রতিষ্ঠা করতে অন্যের বিশ্বাসে আঘাত করা......
৭৮. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১০
সজল বলছি বলেছেন: মোঃ আব্দুল হাকিম ভাইয়ের সাথে সহমত।
৭৯. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
অনার্য তাপস বলেছেন: 'যখন কোথাও কেউ থাকে না,তখন একজন দাঁড়িয়ে যায়...আ ওয়ান ম্যান আর্মি...গো এ্যাহেড।কংগ্রাটস।'


সহমত।
৮০. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
জেসন বলেছেন: হুদা কামে গেজাল কইরা লাভ নাই, নিজে রোজা রাখব অপরকেও রোজা রাখার জন্য অনুরোধ করব। আর কাউকে প্রকাশ্যে খাওয়া দাওয়া করতে দেখলে ভাবতে হবে তিনি বেধর্মী বা রোজা রাখতে অক্ষম।
৮২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
নির্বাসন বলেছেন: রাসেল কুত্তার ছানা...কুত্তায় ও ওরে জন্ম দিতে রাজী হইব বইলা মনে হয়না...
৮৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভাইজান রমজানের সময় সিগারেট খাইতে খাইতে ঘুরছি প্রচুর ..... এখন ও ঘুরব ... আপনেকি মোল্লাগো হাতে ডলা খাইছিলেন নাকি .....
যে ভাষা ব্যবহার করলেন ...... আপনার মধ্যে আর র‌্যাডিকেল ইসলামের সাথে কোন পার্থক্য নাই ........ একটু সহনশীল হন ......... ধর্ম টারে একদম ফালাইয়া দিয়েন না ....... ৫০ এর পর দাড়ী-টুপি নিয়া নামায পরলে ... এখন যা বলতাছেন এর জন্য খারাপ লাগবে ......
৮৪. ০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৯
এ মায়া প্রপঞ্চময় বলেছেন: আশে পাশে সবাই খাবে কিন্তু আমি খাবো না এই তো সংযম। রমজানে তো হোটেল-রেস্তোরা আরো বেশী করে খোলা থাকা দরকার।
৮৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
রুদ্র নীল বলেছেন: মুখ খারাপ করলেই সাহসী হওয়া যায়না।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার সাহস সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান, সুতরাং আপনি লিখে জানান বরং কি কি করলে সাহসী পুরুষ হওয়া যায়।

৮৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
রাফাত সাদাত বলেছেন: বোকচোদার মত পোষ্ট। মাইনাস!
৮৮. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
ভাবসাধক বলেছেন: এই বারের রোজায় আপনার অভিগ্গতা টা জানান । আপনি এখন ও ভূ-খা আছেন ? নাকি বেলী ভইরা খাইছেন ?

অনেক দোকান আপনার জন্য .............বাইর কইরা খুইল্লা আছে । যান গা ঐ হানে ------------------------------------
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা বদলায় নাই, একজন আকতার জামিল এইবার পবিত্রতা রক্ষা মিশনে নামছে, সে সিগারেট খাইলে জরিমানা করতেছে, তারে জান্নাতুল ফেরদৌসের দারোয়ান বানানির সুপারিশ করছি, যদি হাশরের ময়দানে আল্লা মিয়ার লগে বাতচিত হয় তয় পিটিশনটা তার হাতেই দিতাম, আপনে একটা সিগনেচার দিয়া দিয়েন।

৮৯. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৯
শয়তান বলেছেন: আসলেই......... লিংগই সব। :)
৯০. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩২
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: খাবার দোকানে গেলে তো ভীড়ে থাকন যায় না, চা বিড়ির দোকানে গেলেও না, আবার নির্জন মনে কইরা সিগারেট টা ধরামাত্র ও পাব্লিকের অভাব দেখি না, বুঝি না কাহিনী কি, কয়জন রোজা রাখে আর কয়জন লুকাইয়া খাইয়া প্রকাশ্যে খাওয়া পার্টিরে পিডাইতে আসে।
৯১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৪
লুথা বলেছেন:
কিছু কিছু দেশের অনেক জায়গায় গরুর মাংস খাওয়া যায় না, কিন্তু এইটাতে প্রব্লেম নাই...

কিছু কিছু দেশে গায়ের রঙ কালো হইলে গালি শুনতে হয়, মাইর খাইতে হয়, কিন্তু এইটাতেও প্রব্লেম নাই...

কিছু কিছু দেশে ঢুকার সময়ই মানুষকে হেস্ত-নেস্ত করা হয় অযথা হয়রানী করে...কিন্তু এইটাও প্রব্লেম এর কিছু না...

কিছু কিছু দেশ অযথা অন্য দেশের উপর অযাচিত ভাবে হামলা করে, মানুষ খুন করে, অইটাও দোষের কিছুই না...

কিছু কিছু দেশে মুসলিম'দের গালি মারা হয়, মুসলিমরা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না, মেয়েরা হেজাব পরতে পারে না, অন্য ধর্মের মানুষের মনে আঘাত দেওয়া হয়...অইটাও ভালো কাজ, তাই না ??

কিছু কিছু দেশে মুসলিম'দের ধর্মীয় উৎসবের দিন কোন বন্ধ দেওয়া হয় না, অইটাও ভালো একটা কাজ (যদিও আমাদের দেশে সব ধর্মের লোকেরাই নিজেদের ধর্মীয় উৎসবের দিন ছুটি পায়)

কিছু কিছু দেশে দাডি রাখলেও জেরা এবং সন্দেহের মুখে পডতে হয়...আমাদের দেশে কোন হিন্দুকে ধুতি পডার কারনে মনে হয় না এমন অবস্থায় পডতে হয়...তাও অইসব দেশ অনেক ভালো ??

সব কথার শেষ কথা হচ্ছে এইসব নাস্তিক'দের উচিত খুব দ্রুত এই দেশ ছেডে চলে যাওয়া...সেই দেশেই যাওয়া উচিত যে দেশ তাদের কাছে সেরা মনে হয়...এইসব লোক'রাই আসলে পরিবেশ নোংরা করে রাখছে...থু থু মারতে ইচ্চা করে এদের মুখে...সামনে আসলে মারতাম থু থু...এর বেশি কিছু করতে পারবো না কারণ তাদের মতো এতো হারামী হতে পারি নাই এখনও
৯২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৫
লুথা বলেছেন:
কিছু কিছু দেশের অনেক জায়গায় গরুর মাংস খাওয়া যায় না, কিন্তু এইটাতে প্রব্লেম নাই...

কিছু কিছু দেশে গায়ের রঙ কালো হইলে গালি শুনতে হয়, মাইর খাইতে হয়, কিন্তু এইটাতেও প্রব্লেম নাই...

কিছু কিছু দেশে ঢুকার সময়ই মানুষকে হেস্ত-নেস্ত করা হয় অযথা হয়রানী করে...কিন্তু এইটাও প্রব্লেম এর কিছু না...

কিছু কিছু দেশ অযথা অন্য দেশের উপর অযাচিত ভাবে হামলা করে, মানুষ খুন করে, অইটাও দোষের কিছুই না...

কিছু কিছু দেশে মুসলিম'দের গালি মারা হয়, মুসলিমরা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না, মেয়েরা হেজাব পরতে পারে না, অন্য ধর্মের মানুষের মনে আঘাত দেওয়া হয়...অইটাও ভালো কাজ, তাই না ??

কিছু কিছু দেশে মুসলিম'দের ধর্মীয় উৎসবের দিন কোন বন্ধ দেওয়া হয় না, অইটাও ভালো একটা কাজ (যদিও আমাদের দেশে সব ধর্মের লোকেরাই নিজেদের ধর্মীয় উৎসবের দিন ছুটি পায়)

কিছু কিছু দেশে দাডি রাখলেও জেরা এবং সন্দেহের মুখে পডতে হয়...আমাদের দেশে কোন হিন্দুকে ধুতি পডার কারনে মনে হয় না এমন অবস্থায় পডতে হয়...তাও অইসব দেশ অনেক ভালো ??

সব কথার শেষ কথা হচ্ছে এইসব নাস্তিক'দের উচিত খুব দ্রুত এই দেশ ছেডে চলে যাওয়া...সেই দেশেই যাওয়া উচিত যে দেশ তাদের কাছে সেরা মনে হয়...এইসব লোক'রাই আসলে পরিবেশ নোংরা করে রাখছে...থু থু মারতে ইচ্চা করে এদের মুখে...সামনে আসলে মারতাম থু থু...এর বেশি কিছু করতে পারবো না কারণ তাদের মতো এতো হারামী হতে পারি নাই এখনও
৯৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
এহেছান লেনিন বলেছেন: রোজা নিয়ে তর্ক বিতর্ককে যদি ঊর্ধ্বে রাখি তবে বলতে হয় এই লেখাটি যথেষ্ট তথ্যবহুল।

তাই প্রিয়তে রাখলাম।

লেখকের প্রতি- কমেন্টের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আরেকটু শালীনতা বজায় রাখলে কী হতো না। আপনি ভালো লিখেন এবং লিখবেন। আপনার ক্ষোভ আছে, থাকতে পারে আরো অনেকের। আমারও।

আরেকটা কথা- ধর্ম এখন মুদি দোকানের সবচেয়ে কমদামী বস্তু। যার ইচ্ছে খায় আর যার রুচিতে বাধে সে অন্য কিছু কেনে। সো এসব কমদামী জিনিস নিয়ে বিতর্ক যতো কম করা যায় ততোই ভালো।

ধন্যবাদ।
৯৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
দাউদ রনি বলেছেন: পিলাস দিলাম চোখ বন্ধ কইরা।
৯৫. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১০
কালের কুতুব বলেছেন: ধর্ম শেষ পর্যন্ত লিঙ্গাগ্রে এসে ঝুলছে।
৯৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
পিচ্চি পোলা বলেছেন: ১১ মাস ধরে যারা লুচ্চামি, মানুষ ঠকানো, মিথ্যাচারিতা কিংবা হাজার রকমের পাপে মত্ত থাকে, রোজার মাসে তাদের লাফেই উচ্চতা বেশি থাকে! রোজার মাসে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে--- রোজা রেখে পেট উচু করে খাব ক্যামনে..একথা বলে তারাই দেশটা মাথায় তুলে থাকে।

প্রকৃত রোজাদার কখনো রোজা নিয়ে বাড়াবাড়ি, চেচামেচি করে না। নিজে রোজা রেখে সে অ-রোজাদারদের অভুক্ত রাখার জন্য সংগ্রামে নামে না। রোজার মাসে হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখার জন্য তথাকথিত ইমানদাররা যে মিছিল বের করে তার অগ্রভাগে সে থাকে না।

ভন্ড ভন্ড ভন্ড।
১ মাস দিনের বেলা না খেয়ে রাতের বেলা রসনা বিলাস করে সারা বছরের কুকর্মের পাপ মোচন করা যাবে, এই বিশ্বাসই প্রতি বছর নতুন নতুন পাপীর জন্ম দিচ্ছে। বেশিরভাগেরই ধারণা জন্মাচ্ছে, রমজান মাসে ৩০টা রোজা রেখে তার সব গুনাহ মাফ হয়ে গেছে! তাই পবিত্র ঈদুল-ফিতরের পরের দিন থেকে আবার তারা নতুন উদ্যমে ঝাপিয়ে পড়ছে নতুন পাপে।
রোজার মূল যে উদ্দেশ্য, আমরা কি তা সাধন করতে পারছি? আমরা তো বাহারি ইফতারের পরিকল্পনা, ঈদের কেনাকাটা আর লোকদেখানো কঠোর রোজাদারের ভূমিকায় অভিনয় করে রমজান পার করে দিচ্ছি।
রোজা মানে কি স্বপরিবারে বিলাসী ইফতার আর সেহররির আয়োজন করা? বোনাসে পাওয়া হাজার হাজার টাকা দিয়ে ঈদ শপিং করা? উত্তর কে দেবে? /:)
৯৮. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৬
টর্চ লাইট বলেছেন: @লুথা : ভাইজান এখানে অন্য দেশ এর কথা আসল কেন ? কেউ কি বলছে ঐ কাজগুলি ভাল ?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ