আমার প্রিয় পোস্ট

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

সাময়িক পোষ্ট-

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

আব্দুর নুর তুষার সাহেব একটি লিখা দিয়েছেন, টিভি সেলিব্রিটি মানুষটি নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে ভালোবাসেন, তার মন্তব্যের ঘরে সবাই সমাদৃত নয়, তিনি ভেবে চিন্তে- মন্তব্য পড়েন, পড়ে প্রকাশযোগ্য মনে হলে তা প্রকাশিত করেন, এইসব সুশীল কাজ কারবার করে ব্লগের জামাতীরা। অন্তত সুশীলতায় জামাতী এবং তুষারের মানসিক অবস্থান একই।
আমি অশীল মানুষ, তার উপরে ঘুমের সামান্য আগে মন্তব্য করে ঘুমাতে যাবো ভেবেছিলাম।

সুতরাং নিজেই নিজের ঘরে মন্তব্য জমিয়ে রাখলাম। আমার ব্লগে অবশ্য তুষার সমাদৃত, অশীল মানুষ আমি কাউকে ব্লক লিস্টে রাখি না, কারো মন্তব্যই আমি অপ্রকাশিত রাখি না, মডারেশনমুক্ত পাতায় তিনি মূল্যবান মন্তব্য করে যেতে পারেন।

রিকশাওয়ালাদের ক্লোজ আপ ওয়ানে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তো আছেই সামান্য। বিষয়টা মিডিয়ায় আসবার আগে এটা সাধারণ একটা অনুষ্ঠানই ছিলো। উদ্যোগটা যারা নিয়েছিলো তারা চমৎকার একটা উদ্যোগ নিয়েছিলো।
এটিএন বাংলার পৃষ্টপোষকতা পেয়ে এটা হয়তো সমস্ত বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চ্যানেল দর্শকদের কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছে। আপনার আপত্তি ঠিক কোন খানে বুঝলাম না। মূলত আপনার আপত্তির জায়গাটা কোথায়? রিকশাওয়ালাদের চিহ্নিত করা হলো পেশাজীবি হিসেবে এটাতে না কি রিকশাওয়ালা শ্রেণীর মানুষদের নিয়ে একটা আলাদা গানের অনুষ্ঠান হলো সেটাতে?

ক্লোজ আপ ওয়ানের মানুষগুলোও আমাদের মতোই সুবিধাভোগী শ্রেণীর প্রতিভূ, এই হাহাকার, এই মানবিকতার ছ্যাবলামি করেই নিজের বিবেক পরিস্কার রাখে, সার্ফে কেচে রোদ্দুরে শুকিয়ে পরের দিন অমানবিকতার মুখোশটা চেহারায় লাগিয়ে রিকশাওয়ালার গালে ঠাপ্পর কষায়।

টিভিতে মুখ দেখিয়েছে বলে রিকশাওয়ালা তার পেশায় ফেরত যেতে পারবে না? আপত্তি কি এখানে? না কি আপত্তি বিচারকের সাথে সামাজিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পরে ঈদের দিনে বিচারক সেই রিকশায় চড়েছেন সেটাতে?
আপনার নাকিকান্না শুনে এমনটাই মনে হলো আদতে। রিকশাওয়ালার কাজ রিকশাওয়ালা করছে। তার তো তেমন সামাজিক উত্তোরণ ঘটে নি। টিভি নাটকেও অভিনয় করে কিছু রিকশাওয়ালা। তাদের রিকশায় উঠে নাটকে অভিনয় করাটাকে এরপরে আপত্তিকর মনে হবে।
আপনাকেও টিভিতে দেখায় সেলিব্রিটি হিসেবে, এরপরে রিকশাওয়ালাও সেলিব্রিটি হলো। সেলিব্রটিজমের অহংএ ফোস্কা পড়লো নাকি ভাইটু?

যাই হোক আমি যা বলছিলাম, সেই বিচারক হয়তো নিজস্ব জীবনে অনেক রিকশায় উঠেছে ভবিষ্যতেও অনেক রিকশায় উঠবে। রিকশাওয়ালার গানের প্রতিযোগিতায় বিচারক হয়েছিলো বলে তার রিকশা চড়ার উপরে বিধিনিষেধ আরোপিত হওয়াটা নেহায়েত অযৌক্তিক হয়ে যাবে। তবে একটাই অনুরোধ থাকবে বেচারা যেনো এই সম্পৃক্ততার জন্য রিকশা ভাড়া কম না দেয়।

আর আপত্তিকর সুশীলতার জায়গাটা যদি হয় ঈদের দিনে রিকশা চালানো তাহলে আপনেরে উব্দা করে পাছায় থাপড়ানো দরকার, আপনের বিশাল গাড়ীটি রাস্তায় চলে, সেটার ঘোলা কাচ , বিষয়টা সত্য- তবে সেই ঘোলা কাছের সামনে দিয়েও দেখা যায় অনেক রিকশাই ঢাকা শহরের রাস্তায় ঈদের দিন চলেছে।

পণ্যায়নের বিষয়টাতে আপনার আপত্তিকে গ্রহনযোগ্য বিবেচনা করা যায়। অন্তত রিকশাওয়ালা সজ্ঞানে এবং নিজস্ব সম্মতিতে যদি টিভির সামনে এই নাটকে অংশগ্রহন করতে রাজি হয় এবং তাতে যদি তার নিজস্ব সম্মান ক্ষুন্ন না হয়, ভাইটি আপনার সম্মানে আঁচড় লাগে কেনো?

 

 

  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২৯৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৪
comment by: হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: অনেক দিন আগে তুষার মিয়ে ইউনুস ও নবী ইউনুস নিয়ে ব্লগাইয়া বিশাল পুমা খাইছিলেন। ভাইয়ের কি সেটা মনে আছে নাকি??
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: পুমা খাইয়া খাইয়া শেষ, এখন শুধু টিশার্টের লোগোতে পুমা জিন্দা আছে।

২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪২
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: তুষার ভাইসাহেব এখানে পদধুলি দিলে আম্রা আলোচনাটা আগায়া নিতে পারি ।
৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বয়া রইলাম
৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সুবহানাল্লাহ ।

ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন ।
৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সুবহানাল্লাহ ।

ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন ।
৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সুবহানাল্লাহ ।

ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন ।
৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সুবহানাল্লাহ ।

ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন ।
৮. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: কথায় যুক্তি আছে। চমৎকার বলেছেন। ভালো লাগলো। এখন তিনি এ ব্লগে পদধূলি দিলে আলোচনাটা এগোতে পারে।
৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
comment by: গাইতে ভালো লাগে বলেছেন: তুষার সাহেব কিছু যুক্তি দিয়েছেন, দিয়েছেন আপনিও।
যুক্তি খন্ডন করতে যেয়ে অশ্লীল শব্দ প্রকাশে কি জোর বেড়ে যায়?
এই ব্যাপারটা থেকে কি বের হয়ে আসা যায় না?
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: ভাই আপনি গাইতে থাকেন,
তুষার সাহেবের জন্য প্রযোজ্য বক্তব্যটির শালীন ও অশালীন প্রকাশের দায়িত্ব আমি নিজেই নিয়েছি, এবং একই কথা আমার প্রতিটা লিখা এবং মন্তব্যের জন্য প্রযোজ্য।

যুক্তিখন্ডন করতে গিয়ে অশ্লীল শব্দ প্রকাশে যুক্তির জোর না বাড়লে নিজের ক্ষোভের উদগীরণ হয়ে যায়, বিষয়টা থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগ্রহ কিংবা অনাগ্রহ আমার নেই।

তুষার সাহেবের এই লিখার পরবর্তী লিখাটি পড়ে দেখেন, শব্দে ধন ভোদা চ্যাট বাল যুক্ত থাকলেই বক্তব্য অশ্লীল হয়ে যায় না বরং বক্তব্য অশ্লীল হয়ে যায় উপস্থাপনের রীতির জন্য।

মূলত অধিকাংশ শিকখিত মানুষ শব্দের ভেতরে লিঙ্গ ঢুকিয়ে বসে থাকে আর অনবরত যাচাই করতে থাকে শীলতা অশীলতা।

১০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪০
comment by: মনজুরুল হক বলেছেন: তু-ষাঁড় বাইছাপ কাইল তার পুস্টে আমারে মডারেশনে রাখছে। এদানিঙ তিনি কুমেন পচন্দ না হইলেই এই কাম করতেচেন। সুনচিলাম শৈলে গোস্ত বাড়িলে নাকি মগজ কুইম্যা যায়।কিন্তুক ওনার যে "নেই" হয়া গেচে সেইডা অকন বুজলাম।

 



 


অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১১২৭৪৬